Tag: funeral

funeral

  • Pet Cat Funeral: কার্ড ছাপিয়ে ডিকুর শ্রাদ্ধ, পাত পেড়ে খেলেন স্থানীয়রা

    Pet Cat Funeral: কার্ড ছাপিয়ে ডিকুর শ্রাদ্ধ, পাত পেড়ে খেলেন স্থানীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরোহিত উচ্চারণ করে চলেছেন বলুন, “নমো মধু বাতা ঋতায়তে…”। শ্রাদ্ধকর্ত্রী ছলছল চোখে সেই মন্ত্র আওড়াচ্ছেন। আদরের ডিকুর (Pet Cat Funeral) শ্রাদ্ধ শেষ হল বৈদিক রীতি মেনে। ভূরিভোজ খেলেন আত্মীয় পরিজনেরা। ডিকুর উদ্দেশে পিণ্ড দিতে গিয়ে হাউহাউ করে কেঁদে উঠলেন শ্রাদ্ধকর্ত্রী সুপর্ণা সিনহা। জলপাইগুড়ির নয়াবস্তি পাড়ার ঘটনা।

    ডিকুর আত্মার শান্তি কামনায় শ্রাদ্ধ (Pet Cat Funeral)

    ঘটনাটি খুলেই বলা যাক। জলপাইগুড়ির সর্বশিক্ষা মিশনের কর্মী সুপর্ণার শখ বিড়াল পোষা। বাড়িতে তাঁর অনেকগুলি বিড়াল রয়েছে। এই পোষ্যগুলির মধ্যে বুলেট, রকেট, জুলজুল, জামাই আর ডিকু অন্যতম। গত ৩ ফেব্রুয়ারি হঠাৎই মৃত্যু হয় ডিকুর। প্রতিবেশীর বাড়িতে মেলে কম বয়সী ডিকুর দেহ। প্রিয় পোষ্যের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েন সুপর্ণা। তখনই ঠিক করেন প্রিয় পোষ্যের আত্মার শান্তি কামনায় শ্রাদ্ধ করবেন তিনি। যোগাযোগ করেন পুরোহিতের সঙ্গে। রীতিমতো ১২ দিন যাবতীয় রীতি মেনে ১৩ দিনের দিন শ্রাদ্ধ করেন তিনি।

    ওঁ গঙ্গা লেখা কার্ড

    ওঁ গঙ্গা লেখা কার্ড ছাপিয়ে জানানো হয় আমন্ত্রণও। শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চারজন পুরোহিত। বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণের পাশাপাশি হয়েছে গীতা-উপনিষদ পাঠও। শ্রাদ্ধশান্তি শেষে ছিল খাওয়া-দাওয়ার এলাহি আয়োজন। ডিকু যেসব খাবার পছন্দ করত, সেগুলিই রান্না করা হয়েছিল এদিন। মেনুতে ছিল ভাত, মাছের মাথা দিয়ে বাঁধাকপির ঘণ্ট, বাটা মাছের ঝোল, রুই মাছের কালিয়া, টোমাটো ও কুল দিয়ে চাটনি, দুরকমের মিষ্টি এবং গঙ্গারামপুরের বিখ্যাত দই।

    সুপর্ণা বলেন, “পরিবারের কোনও সদস্যের মৃত্যু হলে যেমন তাঁর আত্মার শান্তি কামনার জন্য শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করা হয়, ঠিক তেমনই ডিকুর মৃত্যুর পর আজ বাড়িতে নিয়ম মেনেই শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন করি। ও তো আমার বাড়ির সদস্য ছিল।” তিনি বলেন, “আমার বাড়িতে আরও অনেক বিড়াল আছে। আমি পশুদের খুবই ভালোবাসি। ওরা আমার সন্তানসম।”

    ডিকুর শ্রাদ্ধ করিয়েছেন পুরোহিত লিটন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “প্রিয় পোষ্যের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান বেশ অন্যরকম ব্যাপার। যেভাবে মানুষের ক্ষেত্রে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করা হয়, বিড়ালেরও সেইভাবেই শ্রাদ্ধানুষ্ঠান করা হল। জীবের প্রতি মানুষের এত ভালোবাসা দেখে ভালো লাগছে (Pet Cat Funeral)।”

  • Snake Bite: মর্মান্তিক! সাপের কামড়ে মৃত দাদার সৎকারে গিয়ে সর্পাঘাতে মৃত ভাই-ও

    Snake Bite: মর্মান্তিক! সাপের কামড়ে মৃত দাদার সৎকারে গিয়ে সর্পাঘাতে মৃত ভাই-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্পদষ্ট (Snake Bite)  দাদার শেষকৃত্যে (Funeral) যোগ দিতে গিয়েছিলেন ভাই। সর্পাঘাতে মৃত্যু হল তাঁরও। পর পর দুই ভাইয়ের সাপের কামড়ে মৃত্যুতে শোকে পাথর উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) ভবানীপুর গ্রাম।

    উত্তর প্রদেশের ভবানীপুর গ্রাম। ছবির মতো সাজানো গোছানো এই গ্রামেই বাড়ি অরবিন্দ মিশ্রের। প্রবল গরমে ঘরের দাওয়ায় ঘুমোচ্ছিলেন বছর আটত্রিশের অরবিন্দ মিশ্র। গভীর রাতে ঘুমের ঘোরে কোনওভাবে সাপে কামড়ায় তাঁকে। আর্ত চিৎকারে জেগে ওঠেন বাড়ির লোকজন। দ্রুত চলে আসেন পড়শিরাও। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখানেই মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। খবর পেয়ে লুধিয়ানা থেকে চলে আসেন অরবিন্দের ভাই গোবিন্দ মিশ্র। বছর বাইশের গোবিন্দের সঙ্গে লুধিয়ানা থেকে দেশের বাড়ি ফেরেন চন্দ্রশেখর পাণ্ডে। আত্মীয়তা সূত্রে মিশ্র বাড়িতেই থাকেন তিনিও।

    অরবিন্দকে দাহ করে বাড়ি ফেরেন গোবিন্দ এবং চন্দ্রশেখর। গরমের চোটে ওই রাতে দাওয়ায় ঘুমোচ্ছিলেন গোবিন্দ এবং চন্দ্রশেখরও। ঘুমোঘোরে তাঁদের দুজনকেও সাপে কামড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে এই দুজনকেও নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক গোবিন্দকে মৃত ঘোষণা করেন। বছর বাইশের চন্দ্রশেখর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঞ্জা লড়ছেন মৃত্যুর সঙ্গে।

    আরও পড়ুন :মানসিক ভারসাম্যহীন সন্তানকে পাঁচ তলা থেকে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন দন্ত চিকিৎসক মা, গ্রেফতার

    একই গ্রামের একই বাড়িতে পরপর তিনজনের সর্পদষ্ট হওয়ার ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। সিনিয়র মেডিক্যাল এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা এদিনই যান ওই গ্রামে। স্থানীয় বিধায়ক কৈশাশ নাথ শুক্লা দেখা করেছেন মিশ্র পরিবারের সঙ্গে। এক সঙ্গে রোজগেরে দুই ছেলেকে হারিয়ে শোকে পাথর মিশ্র পরিবারকে জানিয়েছেন সমবেদনা। দিয়েছেন পাশে থাকার আশ্বাসও। ভবিষ্যতে যাতে ফের এই ঘটনা না ঘটে, সেজন্য প্রশাসনকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।  

    পুলিশের সার্কেল অফিসার রাধারমণ সিং বলেন, গোবিন্দ মিশ্রকেও সাপে কামড়েছে। তিনিও ঘুমোচ্ছিলেন। ওঁর এক আত্মীয় চন্দ্রশেখরকেও সাপে কামড়ায়। সর্পাঘাতে মৃত অরবিন্দের শেষকৃত্যে যোগ দিতে এসেছিলেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন : অভিবাদন প্রিয়তমা! যুদ্ধ ভুলে ভারতে হিন্দু রীতিতে বিয়ে ইউক্রেনীয়-রুশ যুগলের

LinkedIn
Share