Tag: G 20 Summit

G 20 Summit

  • G 20 Summit: জি ২০ সম্মেলনে অশোকের সময়কার শ্লোক পাঠ করে প্রাচীন ভারতকে তুলে ধরলেন মোদি

    G 20 Summit: জি ২০ সম্মেলনে অশোকের সময়কার শ্লোক পাঠ করে প্রাচীন ভারতকে তুলে ধরলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন ভারতের সম্রাট অশোকের সময়কার শ্লোক দিয়ে জি ২০ সম্মেলনে (G 20 Summit) বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই শ্লোকের মধ্যে ছিল মানব কল্যাণ এবং মানুষের খুশির কথা। বিশ্বের প্রধান প্রধান রাষ্ট্রনেতাদের সামনে প্রাচীন ভারতকে উপস্থাপন করলেন মোদি এই ভাবেই। সেই সঙ্গে বিশ্বকে বুঝিয়ে দিলেন আজকের দিনেও প্রাচীন ভারতের গুরুত্ব কোথায়। পাশাপাশি এই সম্মেলনের ছত্রে ছত্রে ছিল ভারতীয়ত্ববোধ সম্পর্কে বিশেষ অনুভব চিত্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে মোদি বুঝিয়েছেন কোনারকের সূর্য মন্দিরের চাকার গুরুত্ব। এই চাকা ভারতীয় সভ্যতা সংস্কৃতির সঙ্গে কতটা সম্পৃক্ত, প্রাচীন ভারতের ইতিহাস, শিল্প নিদর্শন এবং প্রাচীন পরম্পরাগত সাংস্কৃতিক পরিচয়বহতার ইতিহাসবোধকে তুলে ধরেন নরেন্দ্র মোদি।

    কেন শোনালেন অশোকের আমলের শ্লোক (G 20 Summit)

    নতুন দিল্লির প্রগতি ময়দানে গতকাল শনিবার জি ২০ সম্মেলেনে (G 20 Summit) বসেছিল বিশ্ব রাষ্ট্রনেতাদের চাঁদের হাট। এই সম্মেলনের সূচনা ভাষণে মৌর্য সম্রাট অশোকের আমলে দেওয়ালে খোদাই করা শ্লোককে উচ্চারণ করে, প্রাচীন ভারতের রাজা হিসাবে সম্রাট আশোকের মানব কল্যাণ এবং মানুষের সুখ সম্পর্কে বিশেষ বার্তা তুলে ধরা হয়। প্রাচীন ভারতের রাজারা কতটা সমাজের মানুষের প্রতি চিন্তাশীল ছিলেন, সেই কথাই বিশ্বের রাষ্ট্রনেতাদের সামনে তুলে ধরেন মোদি। প্রাচীন ভারতকে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে তুলে ধরেন মোদি। জি ২০ সম্মেলনে ভারত মানব জাতির মঙ্গল সাধনের জন্য কাজ করতে কতটা প্রস্তুত, সেই কথাও বলেন তিনি। সম্রাট আশোকের লিপি ছিল পালি এবং সংস্কৃত ভাষার মিশ্র ভাষা। শ্লোকে লেখা ছিল, ‘হেভাম লোকসা হিত-সুখে তি, আত্মীয়ম নাতিসু হেভাম’। জাপান, জার্মানি, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল সহ নানান দেশের কাছে প্রাচীন ভারতের রাজাদের মূল্যবোধ কেমন ছিল? কীভাবে রাষ্ট্র পরিচালিত হত, সেই সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন মোদি।

    জো বাইডেনকে বোঝালেন সূর্য মন্দিরের মাহাত্ম্য

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে করমর্দনের পর কোনারকের সূর্য মন্দিরের ইতিহাস সম্পর্কে বলেন মোদি। ত্রয়োদশ শতকের তৈরি ওড়িশ্যার রাজা প্রথম নরসিংহদেবের আমলে তৈরি হয় এই সূর্য মন্দির। এই চাকায় রয়েছে ২৪ টি রেখা। ভারতের জাতীয় পতাকায় একই ভাবে এই রকম চাকা রয়েছে, যাকে অশোক চক্র বলে। একই ভাবে সম্মেলনে (G 20 Summit) ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, মিশর আর্জেন্টিনা নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান মোদি। গতকালকের আলোচনার বিষয় ছিল “ওয়ান আর্থ”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “তামাম বিশ্ব বুঝতে পারছে সন্ত্রাসবাদের বিপদ”, জি২০ স্পিকার সম্মেলনে বললেন মোদি

    PM Modi: “তামাম বিশ্ব বুঝতে পারছে সন্ত্রাসবাদের বিপদ”, জি২০ স্পিকার সম্মেলনে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন গোটা বিশ্ব বুঝতে পারছে সন্ত্রাসবাদ কত বড় চ্যালেঞ্জ। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে জি২০ স্পিকার সম্মেলনে কথাগুলি বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইহুদিদের দেশ ইজরায়েলের ওপর আঘাত হেনেছে শিয়া মুসলমানদের দেশ প্যালেস্তাইনের জঙ্গি গোষ্ঠী হামাস। গাজা ভূখণ্ড থেকে ইজরায়েলকে লক্ষ্য করে চালাচ্ছে ধ্বংসাত্মক হামলা।

    সন্ত্রাসবাদ মানবতার শত্রু

    প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে তেল আভিভও। হামাস-ইজরায়েলের এই যুদ্ধে মৃত্যু হয়েছে প্রায় চার হাজার ইজরায়েলবাসীর। এমতাবস্থায় সন্ত্রাসবাদ যে তামাম বিশ্বের পক্ষে মাথাব্যথার কারণ, তা জানিয়ে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এখন গোটা বিশ্ব বুঝতে পারছে সন্ত্রাসবাদ কত বড় চ্যালেঞ্জ। সন্ত্রাস যেখানেই ঘটুক না কেন, যে কারণেই ঘটুক না কেন, যেভাবেই ঘটুক না কেন, তা মানবতার শত্রু। সন্ত্রাস দমনে সবাইকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।”

    বসুধৈব কুটুম্বকম 

    ইজরায়েলে হামাসের হানাদারির বিরুদ্ধেও সোচ্চার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বার্তা দিয়েছেন ইজরায়েলের পাশে দাঁড়ানোর। তিনি (PM Modi) বলেন, “এটা সকলের উন্নয়ন ও কল্যাণের সময়। বৈশ্বক সঙ্কট কাটিয়ে মানবকেন্দ্রিক চিন্তাধারায় এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের পৃথিবীকে এক পৃথিবী, এক পরিবার এবং এক আত্মার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে। ভারত কয়েক দশক ধরে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসের মুখোমুখি হচ্ছে। এখানে সন্ত্রাসবাদীরা হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। বছর কুড়ি আগে আমাদের সংসদকেও টার্গেট করেছিল সন্ত্রাসবাদীরা। সেই সময় সংসদ অধিবেশন চলছিল। সন্ত্রাসবাদীরা সাংসদদের হত্যা করতে চেয়েছিল। এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার মোকাবিলা করে ভারত এখানে পৌঁছেছে।”

    আরও পড়ুুন: তদন্ত করতে পারবেন ইডির অপসারিত অধিকর্তা মিথিলেশ, নির্দেশ বিচারপতি সিনহারই

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আজ যা কিছু ঘটছে, তা থেকে কেউ বাদ পড়েনি। আজ বিশ্ব সঙ্কটের মুখোমুখি। এই সঙ্কটে পূর্ণ বিশ্ব কারও স্বার্থের পক্ষে নয়। মানবতার মুখোমুখি প্রধান চ্যালেঞ্জগুলির সমাধান করতে পারে না বিভক্ত বিশ্ব। এটি বিশ্বকুম্ভ। শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের সময়। এক সঙ্গে চলার এবং এক সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার সময়।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আজও ইনকামবেন্ট টেররিজমের আন্তর্জাতিক কনভেনশনে ঐক্যমত্যের জন্য অপেক্ষা করছে বিশ্ব। বিশ্বের এই মনোভাবের সুযোগ নিচ্ছে মানবতাবাদের শত্রুরা। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে আমরা কীভাবে এক সঙ্গে কাজ করতে পারি, তা নিয়ে বিশ্বের সংসদ ও প্রতিনিধিদের ভাবতে হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Modi Hasina Meeting: জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-হাসিনা, আলোচনায় তিস্তা চুক্তিও?

    Modi Hasina Meeting: জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-হাসিনা, আলোচনায় তিস্তা চুক্তিও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে পৃথক বৈঠক (Modi Hasina Meeting) করতে পারেন তিনি। দুই দেশের এই বৈঠকে তিস্তার জল নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার বলেন, “জি ২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আশা করছি, সম্মেলনের পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হবে।”

    ভারতে আসছেন হাসিনা 

    গত বছর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি২০ সম্মলনের আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল ভারত। ভারতের হাত থেকে জি২০-এর ব্যাটন যাবে ইটালির হাতে। ভারতে দু’ দিনের জি২০-এর শীর্ষ সম্মেলন হবে নয়া দিল্লির প্রগতি ময়দানের ভারত মণ্ডপম কনভেনশন সেন্টারে। সম্মেলন শুরু হবে ৯ সেপ্টেম্বর। এই সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। বাংলাদেশ জি ২০-এর সদস্য নয়। তবে হাসিনা উপস্থিত থাকবেন আমন্ত্রিত দেশের প্রতিনিধি হিসেবে।

    আলোচনায় তিস্তা সহ ৫৪ নদী

    কেবল তিস্তা নয়, ভারত-বাংলাদেশের আরও বেশ কিছু নদী নিয়েও আলোচনা হবে মোদি-হাসিনা পার্শ্ববৈঠকে (Modi Hasina Meeting)। বাংলাদেশের বিদেশসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, “তিস্তার জলবণ্টনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই উত্থাপন করবেন। এ ছাড়াও আমাদের আরও কিছু অসুবিধা রয়েছে। আমাদের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। সেগুলির জলবণ্টনের প্রশ্নও রয়েছে।” তিনি জানান, ২০১১ সালে নীতিগত সমঝোতার পরেও তিস্তার জলবণ্টন নিয়ে বকেয়া রয়ে গিয়েছে দু দেশের চুক্তি। শেখ হাসিনা গত কয়েক বছরের প্রতিটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেছেন।

    আরও পড়ুুন: সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের নায়ক অমৃত সঞ্জেনবামের হাতে মণিপুরের দায়িত্ব

    প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের ঢাকা সফরেই স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি। কিন্তু একেবারে শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজ্য সরকারকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে চুক্তি করা হচ্ছে। এর পরেই স্থগিত হয়ে যায় তিস্তা চুক্তি। পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছিলেন, দেশে রাজনৈতিক সহমত গড়ে দ্রুত তিস্তা চুক্তি রূপায়ণ করা হবে। জি ২০ সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে (Modi Hasina Meeting) এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • G 20 Meeting: কাশ্মীরে বৈঠক, তাই জি২০-তে অংশ নেবে না চিন! কড়া জবাব ভারতের

    G 20 Meeting: কাশ্মীরে বৈঠক, তাই জি২০-তে অংশ নেবে না চিন! কড়া জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে জি২০ সম্মেলনের (G 20 Meeting) বৈঠকে অংশ নেবে না চিন। কাশ্মীরের (Kashmir) জমি ‘বিতর্কিত’ এমনই অভিমত পড়শি দেশের। এ বিষয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছিল তুরস্কও। আগামী ২২ মে থেকে ২৪ মে জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে জি-২০ বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে এবার মুখ খুলল ভারত। নয়াদিল্লি জানিয়ে দিল, নিজস্ব ভূখণ্ডে কোথায় তারা বৈঠক আয়োজন করবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দেশেরই প্রশাসন। অন্য দেশের ‘পরামর্শ’ যে, এ ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হবে না, তা-ও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

    কড়া মনোভাব ভারতের

    বিতর্কিত কাশ্মীরে (Kashmir) জি-২০ বৈঠকের (G 20 Meeting) আয়োজন কেন করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে চিন। এদিকে, তুরস্ক ও সৌদি আরবও জি-২০ বৈঠকে যোগ দেবে না বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবারই চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনলবিন বলেন, “যে কোনও বিতর্কিত এলাকায় জি-২০ বৈঠকের আয়োজনের তীব্র বিরোধিতা করছে চিন এবং আমরা এই ধরনের কোনও বৈঠকে যোগ দেব না”। অন্যদিকে, ভারতের তরফেও চিনের এই আপত্তির কড়া জবাব দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, ভারত নিজের জমিতে যে কোনও জায়গায় বৈঠক করতে পারে। চিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য সীমান্তে শান্তি ও স্থিতাবস্থা অত্যন্ত জরুরি, এই কথাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে। চিনের এই অবস্থানের পিছনে পাকিস্তানের প্রভাব দেখছে নয়া দিল্লি। 

    আরও পড়ুন: জি৭-এর মঞ্চ থেকেই চিন, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    কাশ্মীরে জি২০ বৈঠকের শেষ পর্বের প্রস্তুতি

    জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত (G 20 Meeting) দেশগুলির পর্যটন সংক্রান্ত বৈঠকটি এ বার আয়োজিত হবে কাশ্মীরে। ২২ থেকে ২৪ মে পর্যন্ত উপত্যকার এই বৈঠকে বিভিন্ন দেশের প্রায় ৬০ জন প্রতিনিধির যোগ দেওয়ার কথা। এই বৈঠকের জন্য কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরকে। সেনা বাহিনী থেকে শুরু করে মেরিন কম্যান্ডো ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডও মোতায়েন করা হয়েছে। ডাল লেক সংলগ্ন শের-ই-কাশ্মীর কনভেনশন সেন্টারে এই বৈঠক হওয়ার কথা। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্য়াহারের পর এই প্রথম উপত্যকায় এত বড় মাপের কোনও আন্তর্জাতিক বৈঠক হতে চলেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kashmir: জঙ্গি নিশানায় কাশ্মীরের জি-২০ সম্মেলন! উপত্যকায় অভিযান এনআইএ-র

    Kashmir: জঙ্গি নিশানায় কাশ্মীরের জি-২০ সম্মেলন! উপত্যকায় অভিযান এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গিদের নিশানায় কাশ্মীরে জি-২০ সম্মেলন! তার জন্যই চলছে জঙ্গিদের অর্থ সংগ্রহ ও অস্ত্র মজুতের কাজ। জঙ্গিদের নাশকতার ছক বানচাল করতে তৎপর নিরাপত্তা বাহিনী থেকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার দক্ষিণ কাশ্মীরে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অর্থায়নের মামলায় পুলওয়ামা ও সোপিয়ানের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। 

    জি-২০র পর্যটন সংক্রান্ত বৈঠক

    প্রসঙ্গত, মে মাসের ২২ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত শ্রীনগরের মাটিতে জি-২০র পর্যটন সংক্রান্ত বৈঠক হবে। দেশের নানা প্রান্তেই জি-২০ সম্মেলনের একাধিক বৈঠক হয়েছে। কিন্তু শ্রীনগরের মতো স্পর্শকাতর কেন্দ্রে এই প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন হবে। শ্রীনগর ছাড়া লেহ ও লাদাখেও এই সম্মেলন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাকিস্তান সব সময় এর বিরোধিতা করছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই দক্ষিণ কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানের মদতে কয়েকটি গোষ্ঠী ছদ্মনাম নিয়ে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে উসকানি দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, “পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিরা ড্রোন ব্যবহার করে অস্ত্র, বোমা, মাদক ইত্যাদি সরবরাহ করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কাশ্মীর উপত্যকায় তাদের কর্মী এবং ক্যাডারদের কাছে সাহায্য পৌঁছে দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। কিন্তু তা কখনওই সফল হবে না।”

    আরও পড়ুন: কাশ্মীর ঘুরতে যাচ্ছেন? জানুন উপত্যকার ৭ মোহময়ী স্থান সম্পর্কে

    জোরদার নিরাপত্তা 

    জি-২০ সম্মেলনকে নজরে রেখে উপত্যকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গত ১১ মে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে কানসিপোরাতে আব্দুল খালিক রেগুর বাসবভবনে তল্লাশি চালানো হয়। এর পাশাপাশি বারামুল্লা জেলার সাংরি কলোনিতে সোয়েব আহমেদ চুরের বাড়িতে এবং সৈয়দ করিমে জাভেদ আহমেদ ধোবির বাড়িতে অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর আগে আদালতের নির্দেশে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় তিন অভিযুক্তের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তও করেছিল এনআইএ। এবার নতুন করে অভিযান শুরু করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Emmanuel Macron: ‘‘আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস কর…’’ কেন বললেন মাক্রঁর, জানেন?

    Emmanuel Macron: ‘‘আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস কর…’’ কেন বললেন মাক্রঁর, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর জি ২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত (India)। আগামী বছর ভারতে হবে ওই সম্মেলন। ভারতের এই প্রাপ্তিকে সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এবার সেই মোদিকেই আমার বন্ধু বলে উল্লেখ করলেন ফান্সের (France) প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। রবিবার তিনি বলেন, আমি আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস করি আমাদের এক জায়গায় নিয়ে আসার জন্য।

    মাক্রঁ বলেন…

    ট্যুইট বার্তায় মাক্রঁ বলেন, এক পৃথিবী। এক পরিবার। এক ভবিষ্যৎ। ভারত জি ২০ সম্মলনে আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে। এর পরেই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট লেখেন, আমি আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস করি শান্তি এবং স্থায়ী পৃথিবী রক্ষায় তিনি আমাদের এক জায়গায় নিয়ে এসেছেন বলে।

    চলতি বছরের নভেম্বরের ১৫ তারিখে জি ২০ সম্মেলনের আসর বসেছিল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনে যোগ দেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই সম্মেলনেই আগামী বছর জি ২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ভারতের হাতে। সেই মতো ডিসেম্বরের এক তারিখেই ভারত অফিসিয়ালি ওই দায়িত্ব নিয়েছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে বসবে জি ২০ সম্মেলনের আসর। দু দিনের ওই সম্মেলন শুরু হবে ৯ তারিখে।

    আরও পড়ুন: জি-২০ সম্মেলন নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, যোগ দেবেন মমতা?

    জি ২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশের দায়িত্ব পাওয়ায় বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, আমাদের দেশ একের মন্ত্র শোনাবে। আমাদের থিম, এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ। তিনি সন্ত্রাস, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অতিমারিকেই আগামী  বিশ্বের বড় চ্যালেঞ্জ বলে অভিহিত করেছিলেন। তিনি এও বলেছিলেন, এই তিনের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়তে হবে। প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, বিশ্বে যাতে সাসটেনেবল লাইফস্টাইল, খাদ্য সরবরাহ, সার এবং মেডিক্যাল প্রোডাক্ট নিয়ে রাজনীতি না হয়, সে ব্যাপারে উদ্যোগী হবে ভারত।

    প্রসঙ্গত, জি ২০-র (G 20 Summit) সদস্য দেশগুলি হল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • G 20 Summit: জি-২০ সম্মেলন নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, যোগ দেবেন মমতা?

    G 20 Summit: জি-২০ সম্মেলন নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, যোগ দেবেন মমতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর ভারতে (India) হবে জি-২০ সম্মেলন (G 20 Summit)। এবার আয়োজক দেশ ভারত। এই সম্মেলন কীভাবে সফল করা যায়, তা নিয়ে সোমবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র। আগামী বছর সেপ্টেম্বরে ওই সম্মেলন হওয়ার কথা। তার আগে সোমবার যে সর্বদলীয় বৈঠক (All Party Meet) হচ্ছে, তাতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এ দেশের প্রায় চল্লিশটি রাজনৈতিক দলের সভাপতিদের। সর্ব দলীয় এই বৈঠক ডেকেছেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) স্বয়ং। বৈঠক হবে রাষ্ট্রপতি ভবনে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করেরও।

    জি ২০…

    চলতি বছরের নভেম্বরের ১৫ তারিখে জি ২০ সম্মেলনের আসর বসে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনে যোগ দেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই সম্মেলনেই আগামী বছর জি ২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ভারতের হাতে। সেই মতো ডিসেম্বরের এক তারিখেই ভারত অফিসিয়ালি ওই দায়িত্ব নিয়েছে। গোটা দেশে বছরভর দুশোরও বেশি বৈঠক করবে নয়াদিল্লি। এর মধ্যে রয়েছে হায়দ্রাবাদও। চলতি বছর ডিসেম্বরেই শুরু হবে বৈঠক। আগামী বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে বসবে জি ২০ সম্মেলনের আসর। দু দিনের ওই সম্মেলন শুরু হবে ৯ তারিখে। দেশের বিভিন্ন অংশেই বৈঠক হবে জি ২০-র।

    আরও পড়ুন: ‘সারের কমতি মানে আগামী দিনে খাদ্যের ভাঁড়ারে টান’, জি ২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    সোমবার দিল্লিতে যে সর্বদলীয় বৈঠক হতে চলেছে, তাতে যোগ দেবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনই তাঁর দিল্লি পৌঁছানোর কথা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি দিল্লির ওই বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছি তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন হিসেবে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়।

    প্রসঙ্গত, জি ২০-র (G 20 Summit) সদস্য দেশগুলি হল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে আয়োজক দেশের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়, তখন একে প্রতিটি ভারতীয়ের গর্বের মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Emmanuel Macron: ‘‘আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস কর…’’ কেন বললেন মাক্রঁ, জানেন?

    Emmanuel Macron: ‘‘আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস কর…’’ কেন বললেন মাক্রঁ, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর জি ২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত (India)। আগামী বছর ভারতে হবে ওই সম্মেলন। ভারতের এই প্রাপ্তিকে সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এবার সেই মোদিকেই আমার বন্ধু বলে উল্লেখ করলেন ফান্সের (France) প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। রবিবার তিনি বলেন, আমি আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস করি আমাদের এক জায়গায় নিয়ে আসার জন্য।

    মাক্রঁ বলেন…

    ট্যুইট বার্তায় মাক্রঁ বলেন, এক পৃথিবী। এক পরিবার। এক ভবিষ্যৎ। ভারত জি ২০ সম্মলনে আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে। এর পরেই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট লেখেন, আমি আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস করি শান্তি এবং স্থায়ী পৃথিবী রক্ষায় তিনি আমাদের এক জায়গায় নিয়ে এসেছেন বলে।

    চলতি বছরের নভেম্বরের ১৫ তারিখে জি ২০ সম্মেলনের আসর বসেছিল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনে যোগ দেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই সম্মেলনেই আগামী বছর জি ২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ভারতের হাতে। সেই মতো ডিসেম্বরের এক তারিখেই ভারত অফিসিয়ালি ওই দায়িত্ব নিয়েছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে বসবে জি ২০ সম্মেলনের আসর। দু দিনের ওই সম্মেলন শুরু হবে ৯ তারিখে।

    আরও পড়ুন: জি-২০ সম্মেলন নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, যোগ দেবেন মমতা?

    জি ২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশের দায়িত্ব পাওয়ায় বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, আমাদের দেশ একের মন্ত্র শোনাবে। আমাদের থিম, এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ। তিনি সন্ত্রাস, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অতিমারিকেই আগামী  বিশ্বের বড় চ্যালেঞ্জ বলে অভিহিত করেছিলেন। তিনি এও বলেছিলেন, এই তিনের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়তে হবে। প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, বিশ্বে যাতে সাসটেনেবল লাইফস্টাইল, খাদ্য সরবরাহ, সার এবং মেডিক্যাল প্রোডাক্ট নিয়ে রাজনীতি না হয়, সে ব্যাপারে উদ্যোগী হবে ভারত।

    প্রসঙ্গত, জি ২০-র (G 20 Summit) সদস্য দেশগুলি হল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • PM Modi: জি-২০ শীর্ষ সম্মলেন ভারতের নেতৃত্ব দেওয়াটা একটা সুযোগ, গর্বের মুহূর্ত, বললেন মোদি

    PM Modi: জি-২০ শীর্ষ সম্মলেন ভারতের নেতৃত্ব দেওয়াটা একটা সুযোগ, গর্বের মুহূর্ত, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-২০ শীর্ষ সম্মলেন (G 20 Summit) নেতৃত্ব দেওয়াটা ভারতের (India) জন্য বিরাট সুযোগ। রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন ছিল ৯৫তম মন কি বাত অনুষ্ঠান। সেখানেই ভারতের বিরাট সুযোগের কথা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভারত এই সুযোগ এমন একটা সময়ে পেয়েছে, যখন চলছে অমৃতকাল। এই অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সংকল্প এক বিশ্ব, এক সংকল্পের। যে কথা বলা হয়েছে বসুধৈব কুটুম্বকম শ্লোকে।

    জি ২০…

    এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, জি ২০ শীর্ষ সম্মেলনে নেতৃত্ব দেওয়াটা আমাদের কাছে একটা বিরাট সুযোগ। আমাদের আলোকপাত করতে হবে কীভাবে বিশ্বের ভাল হবে, সেই দিকে। কীভাবে ফিরবে শান্তি, ঐক্য এবং বিকাশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সব কিছুর সমাধান রয়েছে ভারতে। তিনি বলেন, আমরা এই মন্ত্র বিশ্বকে দিয়েছি, এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ।

    এই অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা দেশের মানুষ আমাকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, ভারত এই সুযোগ পাওয়ায় তাঁরা কতটা খুশি। এটা আমাদের জন্য খুব বড় একটা সুযোগ। এদিনের এই মন কি বাত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই যে সুযোগ আমাদের কাছে এসেছে, আমরা অবশ্যই এটাকে কাজে লাগাব। আমাদের ফোকাস থাকবে বিশ্বের ভাল ও কল্যাণের দিকে।

    আরও পড়ুন: দারিদ্রের বিরুদ্ধে প্রযুক্তিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে ভারত, প্রযুক্তি সম্মেলনে বললেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখে এদিন ভারতের মহাকাশ অভিযান এবং ইসরোর সাফল্যের কথাও শোনা গিয়েছে। শনিবারই ভারত ও ভুটানের যৌথ উদ্যোগে উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। এটি দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের শক্তিকেই প্রকাশ করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। ১৮ নভেম্বর বিক্রম-এস রকেট উৎক্ষেপণ হয়েছিল। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, বিক্রম-এস সব ভারতীয়কেই গর্বিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা সময় ভারত ক্রায়োজেনিক রকেট প্রযুক্তিকে অস্বীকার করেছিল। কিন্তু ভারতীয় বিজ্ঞানীরা কেবল ভারতীয় প্রযুক্তিরই উন্নতি ঘটননি, আজ এর সাহায্যে মহাকাশে অসংখ্য উপগ্রহও পাঠাতে পারছি আমরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • G 20 Summit: পুতিনকে দেওয়া মোদির বার্তাই হয়ে উঠল জি ২০-র মূল সুর!

    G 20 Summit: পুতিনকে দেওয়া মোদির বার্তাই হয়ে উঠল জি ২০-র মূল সুর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এই যুগ যুদ্ধের নয়’। এই শব্দবন্ধ যিনি উচ্চারণ করেছিলেন, তিনি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইন্দোনেশিয়ার  বালিতে জি ২০ সম্মেলনে (G 20 Summit) ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রীর সেই বার্তাই হয়ে উঠল যৌথ ঘোষণার বিষয়। প্রসঙ্গত, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের (Ukraine Russia war) প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যুদ্ধ থেকে নিরস্ত করতে ওই বার্তা দিয়েছিলেন মোদি।

    জি ২০ সম্মেলন

    বালিতে হচ্ছে জি ২০ সম্মেলন (G 20 Summit)। উপস্থিত রয়েছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁও। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অবশ্য হাজির হতে পারেননি এই সম্মেলনে। উপস্থিত হয়েছেন তাঁর দেশের প্রতিনিধি। দুদিনের সম্মেলন শেষে বুধবার করা হয় যৌথ ঘোষণা। সেখানেই শোনা যায় ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কথার প্রতিধ্বনি।

    চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে কাজাখাস্তানের সমরখন্দে বসেছিল সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সম্মেলন। ওই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মোদি। ছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনও। সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ব বৈঠকে কথা হয় মোদি-পুতিনের। সেখানেই ওঠে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও। তখনই, মোদি পুতিনকে বলেন, এই যুগ যুদ্ধের নয়।

    আরও পড়ুন: পদ্মের অপমান মানে হিন্দু সংস্কৃতির অসম্মান! জি-২০ লোগো বিতর্কে বিজেপি

    জি ২০ সম্মেলনের (G 20 Summit) যৌথ ঘোষণায় বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন ও বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা যেগুলি শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখে, সেগুলি মেনে চলা প্রয়োজন। পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার কিংবা তা ব্যবহারের ভয় দেখানো কোনওটাই গ্রহণযোগ্য নয়। শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আলাপ-আলোচনা, কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনাও জরুরি। তার পরেই বলা হয়েছে, এই যুগ কোনওভাবেই যুদ্ধের নয়।

    ভারতের বিদেশ সচিব বিনয় কাত্রা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বার্তা এই যুগ যুদ্ধের নয় উপস্থিত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের মনে অনুরণন তুলেছে। এটা বিভিন্ন দেশের মধ্যে দূরত্ব কমাতে অনেকটাই সাহায্য করেছে। তিনি বলেন, এই যে ডকুমেন্ট তৈরি হয়েছে, তাতে মূল চালিকা শক্তির ভূমিকা পালন করেছে ভারত। প্রসঙ্গত, আগামী বছর ভারতে হবে জি ২০ সম্মেলন। বুধবার ভারতের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হল সেই ভার। ঘোষণা করা হল পরবর্তী জি ২০ সম্মেলনের থিম। নয়া থিম হল, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share