Tag: g parameshwara

g parameshwara

  • DK Shivakumar: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ কংগ্রেসের শিবকুমারের, মন্ত্রিসভায় ব্যালেন্সের চেষ্টা রাহুলের

    DK Shivakumar: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ কংগ্রেসের শিবকুমারের, মন্ত্রিসভায় ব্যালেন্সের চেষ্টা রাহুলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কর্নাটকের লোকভবনে শপথ নিলেন কানাকাপুরার বছর চৌষট্টির ভোক্কালিগা নেতা ডিকে শিবকুমার। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলট। ৩০ মে তিনি কংগ্রেস বিধায়ক দলের নেতা নির্বাচিত হন। এদিন শপথ নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে।

    শিবকুমারের উত্থান (DK Shivakumar)

    রাজনৈতিক মহলের মতে, শিবকুমারের এই উত্থান দলীয় রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ কয়েক দশকের পথচলার ফল। শিবকুমার ‘ডিকে শি’ নামেই পরিচিত রাজনৈতিক মহলে। তিনি একজন দক্ষ সংগঠক। দলত্যাগের প্রবণতা, রাজনৈতিক সঙ্কট এবং ভোটের সময় কংগ্রেসকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। গত সপ্তাহেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সিদ্ধারামাইয়া। সেদিনই জানা গিয়েছিল, ওই কুর্সিতে বসতে চলেছেন ডিকে শি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর নির্দেশেই তিনি ইস্তফা দিয়েছিলেন। সিদ্ধারামাইয়াকে রাজ্যসভা পাঠানো হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছিল। তিনি যেদিন মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন, সেদিনই তাঁকে প্রণাম করে আশীর্বাদ চেয়ে নিয়েছিলেন ডিকে শি। এদিন বসলেন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে।

    মন্ত্রিসভায় কারা

    নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ডিকে শির কাছে কর্নাটকবাসীর প্রত্যাশা অনেক। তিনি দক্ষিণ ভারতে কংগ্রেসের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত। সঙ্কটের দিনে কর্নাটক কংগ্রেসকে অক্সিজেন জুগিয়ে পুনর্জীবন দিয়েছিলেন তিনিই। গত এক দশকে কর্নাটকে দলের নির্বাচনী সাফল্যের পেছনে তাঁর অবদান অপরিসীম। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এদিন তারই প্রতিদান পেলেন ডিকে শি। এদিন ডিকে শির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি কংগ্রেসের ধারাবাহিকতা ও পরিবর্তনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার প্রচেষ্টাকেও তুলে ধরেছে। এদিনই উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন প্রবীণ নেতা জি পরমেশ্বর। মন্ত্রিসভার প্রথম দফায় শপথ নেওয়া নেতাদের মধ্যে ছিলেন কেএইচ মুনিয়াপ্পা, কেজে জর্জ, এমবি পাটিল, রামালিঙ্গা রেড্ডি, সতীশ জারকিহোলি, কৃষ্ণা বাইরে গৌড়া, প্রিয়াঙ্ক খাড়গে, ইউটি খাদার, ঈশ্বর খান্দ্রে, ইয়াথীন্দ্র সিদ্ধারামাইয়া, বাইরাথি সুরেশ এবং শরণ প্রকাশ পাটিল। এই তালিকায় অভিজ্ঞ প্রশাসক ও উদীয়মান নেতাদের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে, যাতে কর্নাটকের বিভিন্ন অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয়।

    অনুষ্ঠান চলার সময়ও ৩৪ সদস্যের পূর্ণ মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত ছিল কংগ্রেসে। সম্ভাব্য মন্ত্রী নিয়োগ নিয়ে জল্পনাকে গুরুত্ব না দিয়ে শিবকুমার বলেন, “দিল্লিতে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করবেন।”

     

  • Hijab Ban Row: বিজেপির চাপেই কি হিজাব নিয়ে ঢোঁক গিলল কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার?

    Hijab Ban Row: বিজেপির চাপেই কি হিজাব নিয়ে ঢোঁক গিলল কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের নাম কংগ্রেস। সরকারও তাদেরই। তবে মাত্র দু’ দিনের ব্যবধানে হিজাব (Hijab Ban Row) নিয়ে প্রকাশ্যে চলে এসেছে মুখ্যমন্ত্রী বনাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতবিরোধ। দিন দুই আগেই কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “এখন হিজাবের ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর সোমবার তাঁরই মন্ত্রিসভার সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বর একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়ে দিয়েছেন, “এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা করেই সিদ্ধান্ত নেবে কংগ্রেস সরকার।”

    হিজাবে নিষেধাজ্ঞা জারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে 

    বিজেপি জমানায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় স্কুল-কলেজে হিজাব পরে আসার ওপর। বিষয়টি গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। এমতাবস্থায় মে মাসে পালাবদল হয় কর্নাটকে। ক্ষমতায় আসে কংগ্রেস। অভিযোগ, তার পরেই শুরু হয়েছে মুসলমান তোষণ। লোকসভা নির্বাচনের আগে মুসলমান ভোট পেতে দিন দুই আগে ইসোরে এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া বলেন, “পোশাক বেছে নেওয়ার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে মেয়েদের।”

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য 

    তিনি বলেন, “কর্নাটক সরকার রাজ্যে হিজাবের (Hijab Ban Row) ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বলছেন, এখন হিজাবের ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। হিজাব নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করবে রাজ্য সরকার।” মুখ্যমন্ত্রীর এহেন প্রকাশ্য-ভাষণের পর আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যেই বিবৃতি জারি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা করেই সিদ্ধান্ত নেবে কংগ্রেস সরকার।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “সরকার হিজাব নিষিদ্ধ করার বিষয়ে কোনও আদেশ জারি করেনি। সরকার গভীরভাবে বিবেচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।”

    হিজাব নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কংগ্রেসের এই ভোলবদলে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে নিশানা করেছে ভারত রাষ্ট্র সমতি। দলের নেতা কেটি রামা রাও বলেন, “সিদ্দারামাইয়া সরকার এখনও রাজ্যে হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়নি এবং তারা এখনও এ ব্যপারে ভাবনাচিন্তা করছে। মানুষ দেখছে, কংগ্রেসের আচরণ। তারা ক্ষমতায় আসার আগে কী বলেছিল এবং ক্ষমতায় আসার পরে কীভাবে বদলে গিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: আইএস জঙ্গিদের তহবিলে টাকা দিতেন ভারতীয় রেলের ক্লার্ক! তদন্তে এনআইএ

    ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে গিয়ে ঢোঁক গিলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমরা সিদ্ধান্ত (হিজাব নিষিদ্ধের) প্রত্যাহারের কথা ভাবছি। আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করব।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির বাসবরাজ বোমাই বলেন, “গোটা রাজ্যে হিজাবের ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। কেবল নির্দিষ্ট ড্রেস কোড রয়েছে এমন জায়গায় হিজাব অনুমোদিত নয়।” তাঁর প্রশ্ন, “হিজাবের (Hijab Ban Row) ওপর যখন কোনও নিষেধাজ্ঞাই নেই, তাহলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রশ্নই বা কোথায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share