Tag: g20

g20

  • PM Modi: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    PM Modi: বন্ধু মাক্রঁ ও স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাত মোদির, জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে কী নিয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ গবেষণা, শক্তির ব্যবহার, এআই-এর প্রয়োগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে একযোগে কাজ করার কথা বললেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ ও ইউকে-এর প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমার। জি২০ সম্মেলনের (G20 Summit) ফাঁকে দুই রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে কথা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। দুই নেতাই ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বের অঙ্গীকারে আবদ্ধ হন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, এআই এবং ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার (DPI) সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক আরও মজবুত করার উপর জোর দিয়েছেন মাক্রঁ।

    মোদি-মাক্রঁ বৈঠক

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) মঙ্গলবার ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। দুজনেই স্পেস, শক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর জোর দেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি ফরাসি প্রেসিডেন্টকে প্যারিসে অলিম্পিক এবং প্যারালিম্পিক গেমস সফলভাবে আয়োজনের জন্য অভিনন্দন জানান। এদিন একটি পোস্টে মোদি বলেন, “প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে দেখা করে আনন্দিত। ভারত এবং ফ্রান্স কীভাবে স্পেস, শক্তি, এআই এবং অন্যান্য খাতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে তা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। দুই দেশের মানুষের মধ্যেও যাতে গভীর সম্পর্ক স্থাপন হয়, তার দিকে নজর দেব আমরা।” বিদেশমন্ত্রক মোদি-মাক্রঁ এই বৈঠকটিকে “ভারত-ফ্রান্স কৌশলগত অংশীদারিত্বের অগ্রগতি” হিসেবে বর্ণনা করেছে।

    মোদি-স্টারমার সাক্ষাৎ

    জি২০ সম্মেলন চালাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমারের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। যেখানে তারা প্রযুক্তি, সবুজ শক্তি, নিরাপত্তা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রগুলোতে একত্রে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মোদি তাঁর এক্স পোস্টে বলেছেন, “রিও ডি জেনেইরোতে প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমারের সঙ্গে আমার অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। ভারতের জন্য যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সামগ্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বাণিজ্য এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে চাই।” জি২০ বৈঠকে (G20 Summit) যোগ দিতে সোমবারই ব্রাজিলে পৌঁছেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার থেকে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোতে শুরু হয়েছে দু’দিনের এই বৈঠক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রাজিলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, যাবেন নাইজিরিয়া, গায়নায়ও

    PM Modi: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ব্রাজিলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, যাবেন নাইজিরিয়া, গায়নায়ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার জি২০ (G20) শীর্ষ বৈঠক হবে ব্রাজিলে। এই বৈঠকে যোগ দিতে দু’দিনের ব্রাজিল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ব্রাজিলই এবার জি২০-র আয়োজক দেশ। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে ১৮-১৯ নভেম্বর ব্রাজিলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগে দু’দিন ধরে সফর করবেন নাইজিরিয়ায়। জি২০ শীর্ষ বৈঠক সেরে তিনি যাবেন দক্ষিণ আমেরিকার আর এক দেশ গায়নায়।

    জি২০-র বৈঠক (PM Modi)

    প্রতি বছর এক একটি দেশে আয়োজিত হয় জি২০-র বৈঠক। গত বছর আয়োজক দেশ ছিল ভারত। সেখানেই সম্মেলন শেষে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সভাপতিত্বের ‘গাভেল’ তুলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই হচ্ছে জি২০-র বৈঠক। শীর্ষ বৈঠকটি হবে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরোয়। বাণিজ্য ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে জি২০-র শীর্ষ বৈঠকে। আর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যেই প্রধানমন্ত্রী যাবেন নাইজিরিয়া ও গায়নায়।

    জি২০-র সদস্য দেশ

    জি২০-র সদস্য দেশগুলি হল আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ইউরোপিয়া ইউনিয়ন। সূত্রের খবর, জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক হতে পারে মোদির (PM Modi)। সে ক্ষেত্রে এক মাসের মধ্যে ফের মুখোমুখি হবেন মোদি ও জিনপিং। গত ২২ অক্টোবর রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে চিনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক করেছিলেন মোদি। সেখানেই লাদাখ-সহ বিভিন্ন সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয় মোদি ও জিনিপিংয়ের।

    আরও পড়ুন: “মহা বিকাশ আগাড়ি দুর্নীতির সব চেয়ে বড় খেলোয়াড়”, তোপ মোদির

    জি২০ বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে নাইজিরিয়ায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রায় ১৭ বছর পরে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নাইজিরিয়ায় যাচ্ছেন। আর ১৯৬৮ সালের পর এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন গায়না সফরে। জানা গিয়েছে, নাইজিরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন, সেখানে বাণিজ্য, বিদ্যুৎ এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতার (G20) বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলেই বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।   

     

  • PM Modi: “শুধু তাজমহলই ভারত নয়, এদেশে আরও অনেক পর্যটনস্থল রয়েছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “শুধু তাজমহলই ভারত নয়, এদেশে আরও অনেক পর্যটনস্থল রয়েছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি তাজমহল। তবে এটাই দেশের একমাত্র পর্যটন গন্তব্য নয়। বিদেশিরা আকছার তাজমহল দেখতে আসেন। তবে ভারতে এছাড়াও আরও ছবির মতো সাজানো অনেক জায়গা রয়েছে, যেগুলি আবিষ্কারের প্রতীক্ষায় রয়েছে।” সোমবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে পর্যটকদের তিনি অনুরোধ করেন, “এই সব জায়গাগুলো ঘুরে দেখুন, পূর্ণ করুন অদ্ভুত অভিজ্ঞতার ঝুলি। দেশের ৩৬০ ডিগ্রিই ঘুরে দেখুন।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    ভারতের যে একটা নয়া ব্র্যান্ড তৈরি হয়েছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। জি২০ সামিটের সময় ভারত ও তার বৈচিত্রের প্রতি বিশ্বশক্তিকে কৌতুহলীও করে তোলা হয়েছিল বলেও জানান তিনি। বলেন, “আমরা জি২০ সামিটের আয়োজন করেছিলাম। এই সম্মেলন কেবল দিল্লিতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হয়েছে। এর একটাই উদ্দেশ্য, বিশ্ববাসীকে এই বার্তা দেওয়া যে কেবল দিল্লিই ভারত নয়, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে গেলেই আবিষ্কার করা যাবে এই ভূমের বৈচিত্র।” তিনি বলেন, “শুধু তাজমহল দেখেই তামাম ভারতকে চেনা যায় না। এই দেশের অনেক শক্তি রয়েছে। আবিষ্কারের জন্য রয়েছে বিভিন্ন গন্তব্য।”

    জি২০ সম্মেলন

    জি২০ সম্মেলনের পরে যে ভারতে পর্যটকদের আনাগোনা আগের চেয়ে বেড়েছে, এদিন সাক্ষাৎকারে তারও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সম্মেলন কীভাবে ভারতের পর্যটনের সম্ভাবনাকে উৎসাহিত করেছিল, তাও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জি২০ সম্মেলনে ২০০-র বেশি বৈঠক হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এক লাখের বেশি নীতিনির্ধারক এই সব বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন অংশে হয়েছিল এই সব বৈঠক। অভ্যাগতরা কেবল ভারতের ওই সব লোকেশন আবিষ্কার করেনি, তাঁরা তাঁদের পরিবার এবং স্বদেশবাসীকেও ভারতের অতুলনীয় সৌন্দর্যের গল্প শুনিয়েছেন।”

    আর পড়ুন: “বাংলায় সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে বিজেপি”, সপ্তম দফার আগেই জানিয়ে দিলেন মোদি

    প্রসঙ্গত, ইউরোপিয় ইউনিয়ন ও উনিশটি দেশ মিলে গঠিত হয়েছে জি২০। ফি বছর এই জি২০-র সম্মেলন হয় এর সদস্য রাষ্ট্রগুলিতে। গত বছর এই সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল ভারত। সরকার বা রাষ্ট্রের প্রধান, বিদেশমন্ত্রী, সচিব এবং অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকরা যোগ দেন এই সম্মেলনে। একেবারে শেষে হয় শীর্ষ সম্মেলন। এই সম্মেলনে যোগ দেন বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রধান কিংবা তাঁদের প্রতিনিধিরা (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shah Rukh Khan: ‘‘আপনার জন্য দেশ গর্বিত’’, জি২০ সম্মেলন নিয়ে মোদি বন্দনায় শাহরুখ

    Shah Rukh Khan: ‘‘আপনার জন্য দেশ গর্বিত’’, জি২০ সম্মেলন নিয়ে মোদি বন্দনায় শাহরুখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘আপনার জন্য গোটা দেশ গর্বিত’’, জি২০ সম্মেলন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে এই ভাষাতেই অভিনন্দন জানালেন বলিউডের কিং খান (Shah Rukh Khan)। প্রসঙ্গত রবিবারই দিল্লির প্রগতি ময়দানে সম্পন্ন হয়েছে জি২০ সম্মেলন। বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্রনেতারা শুক্রবার থেকে হাজির হয়ে যান ভারতে। জি২০ সম্মেলনকে ঘিরে সারা পৃথিবীর খবরের শিরোনামে চলে আসে ভারত। ২০২৩ সালে সম্মেলনের সভাপতিত্বের দায়িত্ব পাওয়ার পর তা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে ভারত। যা নিয়ে বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্রনেতারা ভূয়সী প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। এদিন শাহরুখ খানের (Shah Rukh Khan) কন্ঠেও শোনা গেল সেই একই কথা।

    কী বললেন কিং খান

    নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শাহরুখ খান (Shah Rukh Khan) লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন সাফল্যের সঙ্গে জি২০ সম্মেলনকে সম্পন্ন করার জন্য। এটি প্রত্যেক ভারতীয়র হৃদয়ে গর্বের অনুভূতি নিয়ে এসেছে। ‘এক পৃথিবী, এক পরিবার এক ভবিষ্যৎ’। প্রসঙ্গত চলতি মাসের ৭ তারিখেই মুক্তি পেয়েছে শাহরুখ খানের (Shah Rukh Khan) অভিনীত ছবি ‘জওয়ান’ এবং তা বক্স অফিসের রমরমিয়ে ব্যবসা করছে। জানা গিয়েছে, মাত্র তিন দিনের ভিতর ৩০০ কোটি টাকার ব্যবসা ছাড়িয়ে গিয়েছে ‘জওয়ান’। গতকাল রবিবারেও ভালো ব্যবসা করেছে ‘জওয়ান’। 

    ‘জওয়ানের’ সঙ্গে ‘পাঠান’ এর টক্কর

    নির্মাতারা জানিয়েছেন, রবিবার ‘জওয়ান’ ব্যবসা করেছে একাশি কোটি টাকার। প্রসঙ্গত এর আগেই এক হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করে শাহরুখ খানের (Shah Rukh Khan) ছবি ‘পাঠান’। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে তা মুক্তি পায়, এবার বর্তমানে ‘জওয়ান’-এর সঙ্গে ‘পাঠান’ এর যেন জোর টক্কর চলছে। কে কাকে পিছনে ফেলবে! বিশেষজ্ঞদের ধারনা,  ‘পাঠান’কে টক্কর দিতে চলেছে ‘জওয়ান’। এই ছবিতে একাধিক সামাজিক রাজনৈতিক সমস্যাকে তুলে ধরা হয়েছে। অ্যাটলি পরিচালিত এই ছবিতে শাহরুখ খানের (Shah Rukh Khan) বিপরীতে দেখা গিয়েছে নয়নতারাকে। অন্যদিকে সুনীল গ্রোভার, প্রিয়ামণির মতো অভিনেতাদেরও দেখা গিয়েছে এই ছবিতে। রয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোনও।
     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20: যুদ্ধ শব্দে আপত্তি রাশিয়া ও চিনের! জি-২০ তে যৌথ বিবৃতি দেওয়া গেলনা

    G20: যুদ্ধ শব্দে আপত্তি রাশিয়া ও চিনের! জি-২০ তে যৌথ বিবৃতি দেওয়া গেলনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে বড় ২০টি অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে বিবেচিত জি-২০ (G20) দেশগুলির অর্থমন্ত্রীরা শনিবার যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করতে ব্যর্থ হল। এদিন বেঙ্গালুরুতে জি-২০ অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই ধরনের বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতি দেওয়ার নিয়ম থাকে। তবে এই ক্ষেত্রে তা হল না। কারণ যৌথ বিবৃতিতে অধিকাংশ দেশই ইউক্রেন যুদ্ধের সমালোচনা করার পক্ষে সায় দেয়। তবে রাশিয়া ও চিন এর বিরোধিতা করে। এই আবহে শেষ পর্যন্ত অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে কোনও যৌথ বিবৃতি প্রকাশই করা গেল না। অবশেষে বৈঠকের সভাপতিত্ব করা ভারত একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানিয়েছে  বৈঠকে কী কী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    গত বছর ইন্দোনেশিয়াতেও জটিলতা তৈরি হয় যৌথ বিবৃতি নিয়ে

    উল্লেখ্য, এর আগে গতবছর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত জি-২০ (G20)  শীর্ষ সম্মেলনেও যৌথ বিবৃতি নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছিল। সেখানেও বিবৃতিতে ইউক্রেন যুদ্ধের উল্লেখ নিয়ে আপত্তি ছিল রাশিয়ার। পরবর্তীতে ভারতের মধ্যস্থতায় বিবৃতির ‘ভাষায়’ বদল আনা হয়। তাতে সন্তুষ্ট হয়েই রাশিয়া যৌথ বিবৃতিতে সায় দিয়েছিল। তবে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত ২০টি দেশের অর্থমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের গভর্নরদের বৈঠকের পর কোনও সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি যৌথ বিবৃতি জটিলতা সংক্রান্ত। পাশাপাশি এর থেকে প্রকাশ্যে চলে এসেছে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে এই গোষ্ঠীর ২০টি দেশের মতভেদের বিষয়টি।

    অর্থমন্ত্রী কী বলছেন

    এই আবহে অর্থমন্ত্রী জানান, এই বৈঠকের যৌথ বিবৃতিতে ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে দু’টি অনুচ্ছেদ ছিল। ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ সম্মেলনে যে ভাষায় ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল, এই ক্ষেত্রেও তাই ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে ভারতীয় অর্থমন্ত্রী জানান, সেই যৌথ বিবৃতি নিয়ে আপত্তি ছিল চিন ও রাশিয়ার। তিনি বলেন, ‘তারা (চিন ও রাশিয়া) চায়নি যে ওই দুই অনুচ্ছেদ যৌথ বিবৃতিতে থাকুক। তাঁদের বক্তব্য ছিল, অর্থমন্ত্রীদের কাজ অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা। বিশ্ব রাজনীতির মধ্যে না ঢোকাই উচিত।’ 
    সূত্র মারফত জানা গেছে, যৌথ বিবৃতি নিয়ে আলোচনায় বাধা সৃষ্টি করেছিল রাশিয়া। তাদের দাবি ছিল, পশ্চিমা বিশ্ব তাদের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তার সমালোচনা করতে হবে। অর্থ মন্ত্রকের সচিব অজয় শেঠ এই বিষয়ে বলেন, ‘শুধুমাত্র যুদ্ধ শব্দটিকে বাদ দিতে বলা হয়নি রাশিয়া ও চিনের তরফে। ইউক্রেন যুদ্ধ সংক্রান্ত পুরো দুটো প্যারাগ্রাফ সরাতে বলে তারা। এদিকে গোষ্ঠীর বাকি ১৮টি দেশেরই মনে হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় প্রভাব পড়েছে। তো যৌথ বিবৃতিতে যুদ্ধের উল্লেখ থাকা উচিত।’

     জি-২০ (G20)  এর সভাপতি হিসেবে ভারতের বিবৃতিতে কী বলা হল

    ‘বেশিরভাগ সদস্যই ইউক্রেনের যুদ্ধের তীব্র নিন্দা করেছেন। প্রায় সকল সদস্যই জোর দিয়ে বলেছেন যে এই যুদ্ধের কারণে বিপুল দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে আম জনতাকে। পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করে তুলেছে এই যুদ্ধ। মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি, সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত করেছে এই যুদ্ধ। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই যুদ্ধ। তাছাড়া সকল দেশেই আর্থিক স্থিতিশীলতার ঝুঁকি বেড়েছে এর কারণে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • PM Modi: “সংবিধানের দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়িত করেছে এই লোকসভা”, বললেন মোদি

    PM Modi: “সংবিধানের দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়িত করেছে এই লোকসভা”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সপ্তদশ লোকসভার এই টার্ম দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি গেমচেঞ্জার ছিল। সংবিধান মানুষকে যে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে, এই লোকসভা তা বাস্তবায়িত করেছে।” দ্বিতীয় মেয়াদে সংসদের শেষ দিনে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ‘ভূস্বর্গের মানুষের ভয় কেটেছে’

    তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা লোপ পেয়েছে। ভূস্বর্গের মানুষের ভয় কেটেছে। এই কাজ আমরা করে দেখিয়েছি। জম্মু-কাশ্মীরের মানুষকে সামাজিক ন্যায় প্রদানের প্রতিশ্রুতি রেখেছি। আজ আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট। দেশমাতৃকা অনেক আতঙ্কবাদীর কারণে রক্তাক্ত হয়েছে। অনেক বীর সন্তান দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন। সেই সন্ত্রাসবাদ দমনে আমরা এই সদনেই আইন তৈরি করেছি। এতে দেশের সেনার আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। তিন তালাকের মতো নিকৃষ্ট বিষয় থেকে মুসলিম মহিলাদের মুক্তি দিয়েছে লোকসভার এই টার্ম। যা চিরকাল লেখা থাকবে ইতিহাসে।”

    ‘নতুন উদ্যম তৈরি হয়েছে’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বিগত পাঁচ বছরে দেশে রিফর্ম, পারফর্ম ও ট্রান্সফর্ম হয়েছে। এই সপ্তদশ লোকসভায় দেশে একাধিক উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যার জেরে দেশে সংশোধন হয়েছে। আর এর ফলেই দেশের রূপান্তর হচ্ছে। দেশে এক নতুন উদ্যম তৈরি হয়েছে।” তিনি বলেন, “প্রতিটি গলি, পাড়ার ছেলেমেয়েরাও বলছে আগামী পঁচিশ বছরে দেশ বিকশিত ভারত হবে। আমরা কেউ কেউ সেই বিকশিত ভারত তৈরির স্বপ্ন নিজেদের সঙ্কল্প হিসেবে তৈরি করে ফেলেছি। যাঁরা সেই সঙ্কল্পে নেই, তাঁরা নিজেদের জীবদ্দশায় সেই বিকশিত ভারতের সাফল্য অনুভব করতে পারবেন।”

    আরও পড়ুুন: “তৃতীয় দফায় আরও বড় সিদ্ধান্ত নেবে বিজেপি সরকার”, বললেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেকে হয়তো একটু টেনশনে রয়েছেন ভোট নিয়ে। কিন্তু আমি আশ্বাস দিচ্ছি, এই নির্বাচনেও দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ অটুট থাকবে। মজাদার আক্রমণ হয়েছে। আমি আরও আনন্দিত হয়েছি। আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। লড়াইয়ের মোকাবিলা করেছি।” তিনি বলেন, “রাম মন্দির নিয়ে বক্তব্যের যে প্রস্তাব আজ এই সংসদ ভবনে রাখা হয়েছে, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমাদের সংবিধানের সঙ্গে সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সঙ্গে পরিচয় করতে আরও সাহায্য করবে।” এদিন প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) ভাষণে উঠে এসেছে জি-২০ সম্মেলনে ভারতের সাফল্য, নয়া সংসদ ভবন নির্মাণের প্রসঙ্গও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রঁ!

    Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রঁ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হচ্ছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। আগে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। তবে জানুয়ারিতে ভারতে আসতে পারবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি। তার পরেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মাক্রঁকে।

    প্রজাতন্ত্র দিবসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

    এর আগে আরও পাঁচবার প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন ফ্রান্সের বিভিন্ন প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৬ সালে এসেছিলেন ফ্রান্সের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক। ১৯৮৮ সালেও এসেছিলেন তিনি। ১৯৮০ সালে এসেছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভ্যালেরি গিসকার্ড ডি’ইস্টাইং। ২০০৮ সালে প্রধান অতিথির সম্মান দেওয়া হয়েছিল তৎকালীন ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজিকে। ২০১৬ সালে এসেছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদে। মাক্রঁ এলে তিনি হবেন ফ্রান্সের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট, যিনি সম্মানিত হবেন প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির পদ অলঙ্কৃত করে।  

    ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’  

    প্রসঙ্গত, নতুন বছরের গোড়ার দিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও। সম্ভবত সেই কারণেই ভারতে আসতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।জুলাই মাসে মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট। ‘বাস্তিল ডে প্যারেডে’ যোগ দিতে ফরাসি সরকারের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন ফ্রান্সে। ওই প্যারেডে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’ গানের সুর বাজানো হয়েছিল। এই প্যারাডে ভারতীয় বায়ুসেনার এক রাফাল যোদ্ধাও অংশ নিয়েছিলেন। ফ্রান্স সফরের পরে মাক্রঁকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: “ভারতে নিরাপদ স্বর্গ খুঁজে পেয়েছেন মুসলমানেরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বাস্তিল দিবসের পাশাপাশি এবছর ছিল ভারত-ফ্রান্স স্ট্র্যাটেজিক অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্তি। সেই সম্পর্ক উদযাপন করতেও ফ্রান্সে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, ফ্রান্স থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ২৬টি রাফাল যুদ্ধ বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রক। অতি সম্প্রতি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরে পরেই ফরাসি প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানানোকে যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্টমহল।

    জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বর মাসেই ভারতে এসেছিলেন মাক্রঁ। সেই সময় মোদির সঙ্গে মাক্রঁও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ফি বার প্রজাতন্ত্র দিবসে কোনও না কোনও রাষ্ট্রপ্রধানকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানায় ভারত সরকার। তবে করোনা অতিমারির কারণে ২০২১ ও ২২ সালে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কোনও রাষ্ট্রপ্রধানকে। এ বছর, প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ এল-সিসি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: আজ দুবাইতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

    PM Modi: আজ দুবাইতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে দুবাইতে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রসঙ্গত, আজ শুক্রবার ১ ডিসেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাজধানী দুবাইতে শুরু হচ্ছে ২৮ তম বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুবাইয়ের উদ্দেশে পাড়ি দেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী একটি ট্যুইট করে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) দুবাই সফরের বিষয়টি সম্পর্কে জানিয়েছেন। তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলার পথ খুঁজতে পৃথিবীর উন্নয়নশীল দেশগুলির এই সম্মেলন এবং সেখানে যোগ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

    জলবায়ু পরিবর্তন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অ্যাজেন্ডা 

    বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অ্যাজেন্ডা হিসেবেই মনে করা হয় (PM Modi)। এবং প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের সাধারণ ইস্যু হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত থাকেই। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে বসেছিল জি২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানেও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্ব উষ্ণায়নকে বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

    মোদির ট্যুইট

    জানা গিয়েছে, দুবাইতে আয়োজিত এই বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও যোগ দেবেন অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই জলবায়ু সম্মেলনে আসছেন না বলেই জানা গিয়েছে। দুবাই রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তরফ থেকে বিবৃতি সামনে এসেছে। ট্যুইটের মাধ্যমে তিনি (PM Modi) বলেন, ‘‘প্যারিস চুক্তির অধীনে জলবায়ু পরিবর্তনে মোকাবিলার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হবে এই সম্মেলনে।’’ প্রসঙ্গত এই সম্মেলনের পোশাকি নাম ‘COP28’.

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: মোদির নেতৃত্বে আজ শুরু ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলন, যোগ দেবেন কি ট্রুডো?

    G20 Summit: মোদির নেতৃত্বে আজ শুরু ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলন, যোগ দেবেন কি ট্রুডো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগেই নয়াদিল্লিতে শেষ হয়েছে জি২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলন। ভারতের নেতৃত্বে শেষ এই সম্মেলন হবে আজ, বুধবার, নয়াদিল্লিতে। ভার্চুয়াল মাধ্যমের এই বৈঠকের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই বৈঠকের শেষেই জি২০ সম্মেলন আয়োজনের ব্যাটন চলে যাবে অন্য দেশের হাতে।

    বৈঠকে যোগ দেবেন কারা

    ভার্চুয়াল এই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে বেজিংয়ের তরফে যোগ দেওয়ার কথা সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও যোগ দিচ্ছেন না এই বৈঠকে। সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত জি২০ শীর্ষ সম্মেলনেও গরহাজির ছিলেন এই দুই রাষ্ট্রপ্রধান। (পুতিন অবশ্য যোগ দিয়েছিলেন ভার্চুয়ালি।) তবে এদিনের বৈঠকে আশ্চর্যজনকভাবে যোগ দিতে চলেছেন কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো। নয়াদিল্লির বৈঠকে (G20 Summit) উপস্থিত ছিলেন তিনি। তার পর অবশ্য তলানিতে ঠেকেছে ভারত-কানাডা সম্পর্ক। কানাডায় খালিস্তানপন্থী নেতা হরদীপ সিং গুজ্জরের মৃত্যুর ঘটনায় ভারতকে দুয়ো দেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। ট্রুডোর অভিযোগ অস্বীকার করে নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দেয়, অভিযোগের প্রমাণ দিতে হবে। এ পর্যন্ত সেই প্রমাণ দিতে পারেনি ট্রুডোর দেশ।

    সম্প্রচার করা হবে কেবল মোদির ভাষণ

    সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি উইংয়ের সঙ্গে বৈঠকে উত্থাপন করেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানে জয়শঙ্কর তাঁকে সাফ জানিয়ে দেন, কানাডা কূটনৈতিক ও দ্বিপাক্ষিক সব ধরনের সম্পর্ক উপেক্ষা করছে। খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের আশ্রয় দিয়ে ভারতের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে তুলেছে। এদিনের বৈঠকে যদি এই বিষয়টি উত্থাপিত হয়, তাহলে ট্রুডোর বিপদ বাড়বে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। এদিনের বৈঠকে উঠতে পারে হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রসঙ্গও। তবে সম্প্রচার করা হবে কেবল মোদির ভাষণ।

    আরও পড়ুুন: শিষ্টাচারের সীমা লঙ্ঘন! মোদিকে ‘অপয়া’ বলে আক্রমণ রাহুলের, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    ভারতের বিদেশ সচিব বিনয় কাতরা বলেন, “আমরা আশা করছি এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠকে জি২০-র বেশিরভাগ নেতাই যোগ দেবেন।” জি২০ শেরপা অমিতাভ কান্ত বলেন, “ভার্চুয়াল এই বৈঠকে কেবল বিশ্বনেতাদের পূর্ববর্তী আলোচনার কতটা অগ্রগতি হয়েছে তা নিয়েই আলোচনা হবে না, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা হবে।” তিনি বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের ৭৮তম অধিবেশনের পর এই প্রথম একত্রিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন বিশ্বনেতারা (G20 Summit)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justin Trudeau: ছিলেন নাইটক্লাবের বাউন্সার! ট্রুডোর বর্ণিল জীবন হার মানায় রুপোলি পর্দার জগতকেও

    Justin Trudeau: ছিলেন নাইটক্লাবের বাউন্সার! ট্রুডোর বর্ণিল জীবন হার মানায় রুপোলি পর্দার জগতকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ছিলেন নাইট ক্লাবের বাউন্সার (Justin Trudeau)। শখের বশে বক্সিংও খেলতেন। দিয়েছেন স্নোবোর্ড প্রশিক্ষণও। অভিনয় করেছেন একটি সিনেমায়ও। পরে বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজনীতিতে আসেন। তবে বাউন্সার হিসেবে কাজ করার সময় তিনি কোকেনের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েন বলে দাবি নেটিজেনদের একাংশের।

    একা হয়ে পড়ছেন ট্রুডো!

    আজও সেই নেশার কবল থেকে বের হতে পারেননি তিনি। এত গুণের আধার যিনি, তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে দিন কয়েক আগে যিনি খাস সংসদে দাঁড়িয়ে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন ভারতের দিকে। এই ইস্যুতে ট্রুডোকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলে দেগে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ‘ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সে’র সদস্য হওয়া সত্ত্বেও যাঁর পাশে দাঁড়ায়নি আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ব্রিটেন।

    সর্বনাশা কোকেনের নেশা

    সর্বনাশা কোকেনের নেশা যে ট্রুডোর (Justin Trudeau) পিছন ছাড়েনি, তার প্রমাণ মিলেছে সম্প্রতি ভারতের এক কূটনীতিকের দাবিতে। জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন ট্রুডো। সেই সময় তিনি বিমান ভর্তি করে কোকেন নিয়ে এসেছিলেন বলে দাবি ভারতীয় কূটনীতিক দীপক ভোরার। অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে কানাডা সরকার।

    বছর কয়েক আগে প্রকাশিত হয় ট্রুডোর আত্মজীবনী। সেখানে শখের বক্সিং শেখার প্রসঙ্গের উল্লেখ করেছেন তিনি। বলেছেন, “কীভাবে লড়াই করে এগিয়ে যেতে হয়, তা বক্সিং থেকে শিখেছি। ওখানে বিষাক্ত পাঞ্চগুলি এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল আয়ত্ত করতে হয়েছিল। পরবর্তীকালে যা আমাকে কূটনীতি বুঝতে সাহায্য করে। যাবতীয় সতর্কতার পরেও ঘুষি লাগলে বুঝতে হবে আপনার কূটনীতি ব্যর্থ হতে চলেছে।”

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে আরও গাড্ডায় ট্রুডো, পাশে পেলেন না ‘ফাইভ আইজ’ অ্যালায়েন্সকেও

    সুদানের প্রাক্তন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীপক ভোরার দাবি, চলতি মাসে জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে আসা কানাডার প্রধানমন্ত্রীর বিমান কোকেনে ভর্তি ছিল। দু’ দিন নিজের ঘর থেকে বের হতে পারেননি তিনি। ভোরা বলেন, “শিশুদের মতো আচরণ করছিলেন ট্রুডো। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে তাঁর কোনও খেয়ালই ছিল না। তাঁকে বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত লাগছিল।” তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী ওঁকে দিল্লি বিমানবন্দরে দেখেছে। ও জানিয়েছে, ট্রুডোকে তখন মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন বলে মনে হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, ট্রুডোর বিমানে ভর্তি ছিল কোকেন। তিনি রাষ্ট্রপতির নৈশাহারেও যাননি। কেউ কেউ বলছেন, ড্রাগ নেওয়ার কারণে তাঁর কোনও হুঁশ ছিল না।” ভোরা বলেন, “জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফরে এসে তিনি একাকীত্ব বোধ করছিলেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share