Tag: G20 Summit

G20 Summit

  • G20 Summit: চন্দ্রাভিযানের প্রশংসায় মার্কিন রাষ্ট্রপতি, মোদি-বাইডেনের বৈঠকে কী আলোচনা হল?

    G20 Summit: চন্দ্রাভিযানের প্রশংসায় মার্কিন রাষ্ট্রপতি, মোদি-বাইডেনের বৈঠকে কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অগাস্টের ২৩ তারিখে চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল ল্যান্ডার বিক্রম। যা নিয়ে দেশ-বিদেশের শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে গিয়েছিল। জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনেও (G20 Summit) ভারতের সেই মহাকাশ চন্দ্রাভিযানের সাফল্যকে কুর্নিশ জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট (G20 Summit)। এর পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে যৌথভাবে মহাকাশে মানুষ পাঠানোর বিষয়ে।

    শুক্রবারই বৈঠক হয় মোদি-বাইডেনের (G20 Summit)

    প্রসঙ্গত, চলতি জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে (G20 Summit) যোগ দিতে শুক্রবারই ভারতে মাটিতে পা রাখেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সে সময়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক (G20 Summit) বৈঠক হয়। জানা গিয়েছে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে এই বৈঠক শুরু হয়, শেষ হয় রাত ৮টা ৩৭ মিনিটে। এই সময়ের মধ্যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মহাকাশ, প্রতিরক্ষা সমেত দুই দেশের সম্পর্কের একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয়। সূত্রের খবর,  আলোচনায় উঠে এসেছে ২০২৪ সালে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে নভশ্চর পাঠাবে, ২০২৩ সালের শেষের দিকে চূড়ান্ত পরিকল্পনা গৃহীত হবে দুই দেশের মহাকাশ অভিযানের (G20 Summit)।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্টেমিস্ট চুক্তিতে যুক্ত হয়েছে ভারত (G20 Summit)

    জানা গিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্টেমিস্ট (G20 Summit) চুক্তিতে যুক্ত হয়েছে ভারত। কয়েক মাস আগেই মোদির আমেরিকার সফরে, প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়ে দেন, ‘‘আমরা সম্মত হয়েছি চুক্তি করার বিষয়ে। মহাকাশে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে এটা নতুন পদক্ষেপ।’’  এই চুক্তির ফলে মহাকাশ অভিযানে দুই দেশ একে অপরকে সাহায্য করবে অর্থাৎ নাসার চন্দ্রাভিযান বা মঙ্গল অভিযানে (G20 Summit) ভারত সাহায্য করবে। ভারত ছাড়াও এই চুক্তিতে রয়েছে আরও ২৩টি দেশ। সফল মহাকাশ অভিযান করতে যন্ত্রাংশ, বিজ্ঞানী সমেত তথ্য এবং প্রযুক্তি দিয়ে একে অপরকে সাহায্য করাই এখন লক্ষ্য। প্রায় পাঁচ দশক আগে চাঁদে মানুষ পাঠিয়েছিল নাসা, তারপর থেকে সেভাবে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এবার ফের একবার চাঁদে স্থায়ী ভাবে ঘাঁটি গড়ার পরিকল্পনা শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আলোচনা চলছে সেখানে স্পেস সেন্টার কীভাবে স্থাপন করা যায় তা নিয়ে। তবে আপাতত নাসা চাঁদের কক্ষপথে (G20 Summit) একটি স্থায়ী অর্বিটার কে স্থাপন করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে হাজির বাংলাদেশ, কেন নেই পাকিস্তান?

    G20 Summit: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে হাজির বাংলাদেশ, কেন নেই পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে চলছে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন (G20 Summit)। জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত দেশ না হলেও এখানে আমন্ত্রিত রয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি পাকিস্তানকে। প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে গঠিত হয় জি২০ (G20 Summit)। বিশ্বের উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির এই সংগঠনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, রাশিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্সের মতো দেশগুলির পাশাপাশি স্থান পেয়েছে আমাদের ভারতবর্ষ। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে বর্তমানে বিশ্বের পঞ্চম অর্থনীতি হল ভারতের। কয়েক বছরের মধ্যেই তৃতীয় স্থান অধিকার করবে ভারত। যদি তৃতীয় স্থান অধিকার করতে পারে তাহলে জি৭ সংগঠনের মধ্যে ভারত চলে আসবে (G20 Summit)। 

    জি২০ (G20 Summit) তে কেন নেই পাকিস্তান?

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট চরম আকার ধারন করেছে। ১৯৯৯ সালে আর্থিকভাবে সচ্ছল ছিল না পাকিস্তান। এরকম অবস্থায় পুরো দেশ দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার মুখে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জি২০ সংগঠনের সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্ব দেওয়া হয় শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবস্থাকে। বর্তমান বিশ্বের প্রথম ৪০টি শক্তিশালী অর্থনৈতিক দেশের মধ্যে নেই পাকিস্তান। তাই পাকিস্তান জি২০ (G20 Summit) এর অন্তর্ভুক্ত দেশ নয়। অন্যদিকে শীর্ষ সম্মেলনে যে দেশ সভাপতিত্ব করবে তারা অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানাতে পারে যে কোনও রাষ্ট্রকে। সেই মোতাবেক এবারের জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত (G20 Summit) না হয়েও এসেছেন শেখ হাসিনা। জানা গিয়েছে ২০২৪ সালে ব্রাজিলে, ২০২৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায়, ২০২৬ সালে জি২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সেলফি শেখ হাসিনার

    জি২০ গোষ্ঠীতে (G20 Summit) নেই বাংলাদেশ। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে এসেছেন শেখ হাসিনা। শনিবারই রাষ্ট্রপতির দেওয়া নৈশভোজের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে দেখা গেল খোশ মেজাজে। তাঁরা নিজেদের মধ্যে সেলফিও তুললেন। এ দিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এর সঙ্গে সেলফি তোলার সময় হাজির ছিলেন শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: ‘‘দেশভাগ ভুল ছিল’’, জি২০-এর জাঁকজমক দেখে মন্তব্য পাকিস্তানের নাগরিকদের

    G20 Summit: ‘‘দেশভাগ ভুল ছিল’’, জি২০-এর জাঁকজমক দেখে মন্তব্য পাকিস্তানের নাগরিকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি২০ শীর্ষ সম্মেলনকে (G20 Summit) ঘিরে সেজে উঠেছে রাজধানী দিল্লি। বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্র নেতাদের মুখে শোনা গিয়েছে ভারতের প্রশংসা। প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের নাগরিকদের মুখে এবার শোনা গেল, দেশ যদি ভাগ না (G20 Summit) হত তাহলেই হয়তো ভালো হতো। ভারতের জি২০ শীর্ষ সম্মেলনকে (G20 Summit) ঘিরে পাকিস্তানের একটি ইউটিউব চ্যানেলে সে দেশের নাগরিকদের বেশ কিছু প্রশ্ন করা হয়। সেখানেই তাঁরা ক্ষোভ উগরে দেন। পাকিস্তানের সরকারের বিরুদ্ধে এবং মোদি সম্পর্কে প্রশংসা সূচক মন্তব্যও তাঁদের করতে শোনা যায়। তাঁরা বলতে থাকেন, ভারত অনেক এগিয়ে রয়েছে পাকিস্তানের থেকে (G20 Summit)।

    পাকিস্তানের নাগরিকরা কী বললেন

    সে দেশের এক নাগরিক জি২০ শীর্ষ সম্মেলন (G20 Summit) প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘ভারত যেভাবে এগিয়ে চলেছে আগামী দিনে চিনকেও টক্কর দেবে তারা। এবং ভারতের যেকোনও পণ্যের উৎপাদন চিনের থেকেও বেশি হবে।’’ অপর একজন নাগরিকের সংযোজন, ‘‘বাংলাদেশকেও জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হল, তারা পরমাণু শক্তিধর দেশ নয় তবুও! কিন্তু এটা আমাদের লজ্জার বিষয় যে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হওয়ার সত্ত্বেও আমাদেরকে কেউ পাত্তা দিল না।’’

    দেশভাগের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল 

    পাকিস্তানের এক বর্ষীয়ান নাগরিকের কথায়, ‘‘পাকিস্তানের স্বাধীনতা সম্পূর্ণ ভুল ছিল এবং তার খেসারতই এখন আমাদের দিতে হচ্ছে। সেই সময় দেশ ভাগ হওয়া কোনওভাবেই উচিত ছিল না।’’ অন্যদিকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একজন বলেন, ‘‘ভারত আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে আছে। ভারতের কাশ্মীরের মানুষরা, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষদের থেকে অনেক বেশি সমৃদ্ধশালী (G20 Summit)।’’ 

    ভারত চাঁদে চলে গেল অথচ পাকিস্তানে অস্থিরতা কমছে না

    অপর একজন নাগরিক বলেন,‘‘পাকিস্তানের উন্নতি করতে চাইলে ভারতের সঙ্গে আগে সম্পর্ক ঠিকঠাক করতে হবে (G20 Summit)।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘পাকিস্তান একটি গরিব দেশ, বর্তমানে ব্যাপক আর্থিক সংকটে ভুগছে। তার সঙ্গে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। এমন দেশের সঙ্গে কেউ সম্পর্ক রাখতে চায় না। যে দেশের কাছেই পাকিস্তান যায় তারা ভাবে পাকিস্তান টাকা চাইতে এসেছে। ভারত চাঁদে চলে গেল আর পাকিস্তানে অস্থিরতা কোনোভাবে কমছে না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: ভারতের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য জুড়বে রেল মানচিত্রে! আগ্রহী আমেরিকা, চাপে চিন

    G20 Summit: ভারতের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য জুড়বে রেল মানচিত্রে! আগ্রহী আমেরিকা, চাপে চিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়েছে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন (G20 Summit)। বিশ্বের তাবড় রাষ্ট্রনেতারা উড়ে এসেছেন ভারতে। এখানেই কূটনীতির নানা বিষয় নিয়ে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনই পরিকাঠামো উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনারও অবকাশ রয়েছে। রেল, বন্দর, বাণিজ্য বৃদ্ধি, শক্তি, ডিজিটাল সংযোগ এই সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকল্পে হাত মিলিয়েছে ইউরোপ, আমেরিকা, ভারত এবং সৌদি আরব (G20 Summit)। আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশেষজ্ঞদের ধারনা, চিনকে টক্কর দিতেই এমন প্রকল্পে আগ্রহী হয়ে উঠেছে আমেরিকা। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চীনের দাদাগিরিও অনেকটা কমবে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা (G20 Summit)।

    আগ্রহী বাইডেন প্রশাসন (G20 Summit) 

    এমন ধরনের চুক্তি নিয়ে বাইডেন প্রশাসন (G20 Summit) খুবই আগ্রহী, একথা জানিয়েছেন, মার্কিন প্রিন্সিপাল ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার জন ফিনার। তাঁর মতে, ‘‘পরিকাঠামোগত যে ফাঁক থেকে গিয়েছিল, তা এই প্রকল্পের হাত ধরে পূর্ণতা পেতে চলেছে। এই প্রকল্প কোনও চাপিয়ে দেওয়া প্রকল্প নয়। বরঞ্চ এটি চাহিদার কথাকে মাথায় রেখেই করা হচ্ছে।’’ 

    কী কী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে?

    জানা গিয়েছে, আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলির সঙ্গে (G20 Summit) রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রেলপথ, বন্দরগুলির সঙ্গে যুক্ত হবে। ২০২৪ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই এই প্রকল্প চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নিতে  ইতিমধ্যে বাইডেন প্রশাসন আগ্রহী বলে জানা গিয়েছে।  প্রসঙ্গত, আই২ইউ২ নামের এক সম্মেলনে এই প্রস্তাব সর্বপ্রথম নেওয়া হয়েছিল। ১৮ মাস ধরে তা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা চলেছে। আই২ইউ২ ফোরামে রয়েছে আমেরিকা, ইজরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী এবং ভারত। জানা গিয়েছে (G20 Summit) , চিনের দাপট কমাতেই এই মঞ্চ তৈরি করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলির মধ্যে রেল যোগাযোগ করার প্রস্তাব দিয়েছিল ইজরায়েল। তবে এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্প আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে, কবে তা বাস্তবায়িত হবে তা জানা যায়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: ‘‘আমি একজন গর্বিত হিন্দু’’, ভারতে এসে মন্তব্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

    G20 Summit: ‘‘আমি একজন গর্বিত হিন্দু’’, ভারতে এসে মন্তব্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার শুরু হচ্ছে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন (G20 Summit)। তার আগে শুক্রবারই ভারতে পা রেখেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। এদিন বিভিন্ন সংবাদ সংস্থাকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনদিন তাঁর ভারত সফরে বেশ কতগুলি মন্দির দর্শনে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। নিজেকে গর্বিত হিন্দুও বলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে। সেখানে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় ভাগবত গীতা, রুদ্রাক্ষ এবং হনুমান চল্লিশা। তাঁকে ‘জয় সিয়া রাম’ বলে সম্বোধনও করা হয়।

    আমি একজন গর্বিত হিন্দু

    ঋষি সুনক (G20 Summit) বলেন, ‘‘আমি এক জন গর্বিত হিন্দু। সে ভাবেই বড় হয়েছি। আমি সে রকমই রয়েছি। পরের ক’দিন এখানে থাকার সময় আশা করি কয়েকটি মন্দির দর্শন করতে পারব।’’

     ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এও জানিয়েছেন যে চলতি বছরের রাখিবন্ধন উৎসবে তিনি শামিল হয়েছিলেন নিজের পরিবারের সঙ্গে। যদিও কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় জন্মাষ্টমী সেভাবে পালন করতে পারেননি তিনি। তাঁর নিজের ভাষায়, ‘‘কয়েক দিন আগেই রাখীবন্ধন পালন করেছি। আমার বোন, তুতো বোনেরা রাখী পরিয়েছে। সব রাখী এখনও রয়েছে আমার কাছে। যদিও জন্মাষ্ঠমী পালনের সময় হয়নি। তবে আশা রয়েছে, এ বার কিছু মন্দির দর্শনে যেতে পারব।’’ কেন ধর্ম পালন গুরুত্বপূর্ণ তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, তিনি বলেন, ‘‘যাঁরা জীবনে বিশ্বাস করেন, তাঁদের সকলকে সাহায্য করে ধর্মবিশ্বাস। বিশেষত আমার মতো যাঁদের কাজের চাপ খুব বেশি। সহনশীলতা, শক্তি জোগানোর জন্য বিশ্বাস থাকা জরুরি।’’

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলন ঘিরে সেজে উঠেছে দিল্লি 

    ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর জি২০ সম্মেলনকে (G20 Summit) ঘিরে সাজো সাজো রব দিল্লিতে (G20 Summit)। সম্মেলন স্থলে ইতিমধ্যে বসানো হয়েছে ২৭ ফুটের অষ্টধাতুর তৈরি নটরাজের মূর্তি। তিন দিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী ১৫টি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতে এসেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। শুক্রবার আমেরিকা থেকে এসে মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট জো  বাইডেন। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের (G20 Summit) কথা রয়েছে মরিশাস, বাংলাদেশের রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গেও। শনিবার ব্রিটেন, জাপান, জার্মানি, ইতালির রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী (G20 Summit)। ১০ সেপ্টেম্বর তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক রয়েছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর সঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: “ডিপফেকের বিপদ সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে”, জি২০-র বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    G20 Summit: “ডিপফেকের বিপদ সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে”, জি২০-র বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-কে সব মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তবে এই প্রযুক্তিকে অবশ্যই তার আগে সমাজের জন্য নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” বুধবার ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit) কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের নেতৃত্বে জি২০ সম্মেলনের শেষ বৈঠকটি হয়েছে বুধবার। উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, “এআইকে সব মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তবে এই প্রযুক্তিকে অবশ্যই তার আগে সমাজের জন্য নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ডিপফেক বর্তমানে একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এআই জনসাধারণের জন্য নিরাপদ হওয়া উচিত। মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এআই ব্যবহার করা উচিত।”

    ডিপফেক নিয়ে উদ্বেগ

    রবিবারই এআই ডিপফেক নিয়ে বিজেপির বিজয়া সম্মেলনীতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ডিপফেকের অপব্যবহার সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ডিপফেকের অনিষ্টকারী দিক সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সেদিন জানিয়েছিলেন, তাঁর একটি গরবা নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তিনি জানান, স্কুল জীবনের পর তিনি আর কোনওদিন গরবা নাচেননি। জি২০ সম্মেলনেও এআই ডিপফেকের বিপদ সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মোদি।

    হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রসঙ্গ

    প্রত্যাশিতভাবেই এদিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় উঠে (G20 Summit) এসেছে হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রসঙ্গ। চারদিনের জন্য যে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা হয়েছে, তাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “জি২০ গোষ্ঠীর কাছে কোনও ধরনের সন্ত্রাসবাদই গ্রহণযোগ্য নয়।” পণবন্দিরা দ্রুত মুক্তি পাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই মুম্বই হামলায় জড়িত পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ইজরায়েল। পনের বছর আগের ওই ঘটনার এতদিন পরে লস্করকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, সন্ত্রাসবাদ রোধে একজোট হতে হবে তামাম বিশ্বকে। বুধবার সেই একই সুর শোনা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠেও।

    আরও পড়ুুন: “বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেব” হুমকি তৃণমূল নেতার

    বক্তৃতায় মোদি বলেন, “আজকে বিশ্ব চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ। এই সময় পারস্পরিক বিশ্বাসই আমাদের ঐক্যবদ্ধ করবে। পারস্পরিক বিশ্বাসের মাধ্যমেই আমরা একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হতে পারব।” ভারতের সভাপতিত্বে জি২০তে আফ্রিকান ইউনিয়নের প্রবেশ এবং জি২০-র (G20 Summit) সাফল্যও উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: মোদির নেতৃত্বে আজ শুরু ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলন, যোগ দেবেন কি ট্রুডো?

    G20 Summit: মোদির নেতৃত্বে আজ শুরু ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলন, যোগ দেবেন কি ট্রুডো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগেই নয়াদিল্লিতে শেষ হয়েছে জি২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলন। ভারতের নেতৃত্বে শেষ এই সম্মেলন হবে আজ, বুধবার, নয়াদিল্লিতে। ভার্চুয়াল মাধ্যমের এই বৈঠকের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই বৈঠকের শেষেই জি২০ সম্মেলন আয়োজনের ব্যাটন চলে যাবে অন্য দেশের হাতে।

    বৈঠকে যোগ দেবেন কারা

    ভার্চুয়াল এই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে বেজিংয়ের তরফে যোগ দেওয়ার কথা সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও যোগ দিচ্ছেন না এই বৈঠকে। সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত জি২০ শীর্ষ সম্মেলনেও গরহাজির ছিলেন এই দুই রাষ্ট্রপ্রধান। (পুতিন অবশ্য যোগ দিয়েছিলেন ভার্চুয়ালি।) তবে এদিনের বৈঠকে আশ্চর্যজনকভাবে যোগ দিতে চলেছেন কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো। নয়াদিল্লির বৈঠকে (G20 Summit) উপস্থিত ছিলেন তিনি। তার পর অবশ্য তলানিতে ঠেকেছে ভারত-কানাডা সম্পর্ক। কানাডায় খালিস্তানপন্থী নেতা হরদীপ সিং গুজ্জরের মৃত্যুর ঘটনায় ভারতকে দুয়ো দেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। ট্রুডোর অভিযোগ অস্বীকার করে নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দেয়, অভিযোগের প্রমাণ দিতে হবে। এ পর্যন্ত সেই প্রমাণ দিতে পারেনি ট্রুডোর দেশ।

    সম্প্রচার করা হবে কেবল মোদির ভাষণ

    সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি উইংয়ের সঙ্গে বৈঠকে উত্থাপন করেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানে জয়শঙ্কর তাঁকে সাফ জানিয়ে দেন, কানাডা কূটনৈতিক ও দ্বিপাক্ষিক সব ধরনের সম্পর্ক উপেক্ষা করছে। খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের আশ্রয় দিয়ে ভারতের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে তুলেছে। এদিনের বৈঠকে যদি এই বিষয়টি উত্থাপিত হয়, তাহলে ট্রুডোর বিপদ বাড়বে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। এদিনের বৈঠকে উঠতে পারে হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রসঙ্গও। তবে সম্প্রচার করা হবে কেবল মোদির ভাষণ।

    আরও পড়ুুন: শিষ্টাচারের সীমা লঙ্ঘন! মোদিকে ‘অপয়া’ বলে আক্রমণ রাহুলের, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    ভারতের বিদেশ সচিব বিনয় কাতরা বলেন, “আমরা আশা করছি এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠকে জি২০-র বেশিরভাগ নেতাই যোগ দেবেন।” জি২০ শেরপা অমিতাভ কান্ত বলেন, “ভার্চুয়াল এই বৈঠকে কেবল বিশ্বনেতাদের পূর্ববর্তী আলোচনার কতটা অগ্রগতি হয়েছে তা নিয়েই আলোচনা হবে না, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা হবে।” তিনি বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের ৭৮তম অধিবেশনের পর এই প্রথম একত্রিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন বিশ্বনেতারা (G20 Summit)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কথা মানতে চলেছে কানাডা (India-Canada Row)। ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য দেশে থাকা কানাডার কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য জাস্টিন ট্রুডো সরকারকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ভারত। সেই মতোই কানাডা সরকার ভারত থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে কুয়ালালামপুর এবং সিঙ্গাপুরে পাঠাচ্ছে। ধাপে ধাপে তাঁদের সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। 

    ভারতের নির্দেশ মানল কানাডা

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার কানাডার (India-Canada Row) ৪১ জন কূটনৈতিককে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল। ভারতে এই মুহূর্তে ৬২ জন কানাডার কূটনীতিবিদ ছিল কানাডায় বর্তমানে ২০ জন ভারতীয় কূটনীতিক রয়েছেন। তাই ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য কানাডার সেই সংখ্যক কূটনীতিকদেরই ভারতে থাকার বিষয়ে ট্রুডো সরকারের সঙ্গে কথা বলেছিল দিল্লি। ভারত জানিয়ে দিয়েছিল, ১০ অক্টোবরের মধ্যে ভারত থেকে অতিরিক্ত কূটনীতিকদের সরিয়ে নিতে হবে কানাডাকে। সেই মতোই নাকি ভারতে থাকা বেশিরভাগ কূটনীতিকদের সরিয়ে নিল কানাডা। 

    আরও পড়ুন: স্বপ্নপূরণ প্রধানমন্ত্রীর! এশিয়ান গেমসে শত পদক, ভারতের খেলাধুলোয় ইতিহাস

    ভারতে কানাডার সেনেটের স্পিকার

    প্রসঙ্গত, ভারত এবং কানাডার (India-Canada Row) সম্পর্ক বর্তমানে একদম তলানিতে এসে ঠেকেছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দুই দেশের কূটনৈতিকের পাশাপাশি বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধাক্কা খেয়েছে। সদ্য ভারতে হওয়া জি ২০ সম্মেলনে এসেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। দেশে ফিরে তিনি বলেন, কানাডায় হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে জড়িত রয়েছে ভারতীয় এজেন্টরা। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রক সঙ্গে সঙ্গে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে দেয়। এই আবহে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্বাভাবিক করার জন্য দু’তরফেরই কূটনৈতিক প্রয়াস অব্যাহত। আগামী ১২ তারিখ (চলবে ১৪ তারিখ পর্যন্ত) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলছে জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির স্পিকারদের সম্মেলন। সেখানে আসছেন কানাডার সেনেটের স্পিকার রেমন্ড গ্যাগনে। এ ব্যাপারে পাকা কথা হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সূত্রের দাবি, ওই সম্মেলনে আসার কথা ছিল কানাডার সংসদীয় নিম্ন কক্ষের (হাউস অব কমন্স) নব মনোনীত অধ্যক্ষ গ্রেগ ফার্গুস-এর। কিন্তু কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্ট্রিন ট্রুডোর ঘনিষ্ঠ, লিবারাল পার্টির সাংসদ গ্রেগ ফার্গুস নিজেও কানাডার শিখ সম্প্র‍দায়, বিশেষ করে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতি ‘সহানুভূতিশীল’ বলে পরিচিত। তাই বিতর্ক এড়াতে তাঁর জায়গায় রেমন্ড গ্যাগনেকেই দিল্লি পাঠাতে মনস্থ করেছেন ট্রুডো। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ভারতের আনন্দ দ্বিগুণ করেছে চন্দ্রযান, জি২০ সম্মেলন”, ‘মন কি বাতে’ বললেন প্রধানমন্ত্রী  

    PM Modi: “ভারতের আনন্দ দ্বিগুণ করেছে চন্দ্রযান, জি২০ সম্মেলন”, ‘মন কি বাতে’ বললেন প্রধানমন্ত্রী  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “চন্দ্রযানের পর জি২০ সম্মেলনের সাফল্য ভারতীয়দের আনন্দ দ্বিগুণ করেছে। ভারত মণ্ডপম নিজেই সেলিব্রিটি হয়ে উঠেছিল। বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতা সেখানেই সেলফি তুলে গর্বের সঙ্গে পোস্ট করেছেন।” রবিবার ‘মন কি বাতে’ কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আজ ছিল সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবার। এদিন সম্প্রচারিত হয় ‘মন কি বাতে’র ১০৫ তম পর্ব। এই পর্বে প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রযান-৩ ও জি২০ সম্মেলনের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন।

    চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণ 

    এ মাসেই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে ভারত। সফল অবতরণ হয়েছে চন্দ্রযান-৩-এর। চাঁদের মাটিতে ঘুরে বেড়িয়েছে রোভার প্রজ্ঞান। তথ্য সংগ্রহ করে পাঠিয়েছে ইসরোকে। ল্যান্ডার বিক্রমের ছবিও তুলেছে। চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণ এবং চাঁদের মাটিতে প্রজ্ঞানের অনুসন্ধানের জন্য ইসরোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, চন্দ্রযান উৎক্ষেপনের ভিডিও ইউটিউবে একই সঙ্গে দেখেছেন ৮০ লক্ষ মানুষ। প্রসঙ্গত, এটাও একটা রেকর্ড। এই রেকর্ড গড়ায় ইসরোকে ধন্যবাদ দিয়েছেন ইউটিউব কর্তা স্বয়ং।

    জি২০-এর সাফল্যও

    এদিন ‘মন কি বাতে’ জি২০-এর সাফল্যও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই মেগা সম্মেলনে হাজির ছিলেন বিশ্বের মহা শক্তিধর কয়েকটি দেশের প্রধানরাও। বছরভর জি২০ সম্মেলনের আয়োজন করেছে ভারত। সেগুলিও শেষ হয়েছে নির্বিঘ্নে। এসব কারণেই খুশি প্রধানমন্ত্রী। জি২০তে আফ্রিকান ইউনিয়নের সদস্যপদ পাওয়া ও ভারত-মধ্য প্রাচ্য- ইউরোপ করিডরের বিষয়টিরও উল্লেখ করেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: মণিপুর-মায়ানমার সীমান্তে ‘ফ্রি মুভমেন্ট রেজিমে’র সুবিধা প্রত্যাহারের আর্জি বীরেনের

    জি২০ সম্মেলনে উপস্থিত রাষ্ট্রনেতারা মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানাতে রাজঘাটে গিয়েছিলেন। এদিন সে প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাপুর ভাবনায় গোটা বিশ্ব কতটা শ্রদ্ধাশীল, তা প্রমাণ করেছে এই ঘটনা।” ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তালিকায় ঠাঁই হয়েছে শান্তিনিকেতনের। এদিন সে প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত এই স্থানে গুরুদেবের গর্ব মিশে রয়েছে বলে আমি মনে করি।” আগামী রবিবার ১ অক্টোবর দেশবাসীকে স্বচ্ছ অভিযানে শামিল হওয়ার ডাকও ‘মন কি বাতে’র অনুষ্ঠানে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রাস্তাঘাট, স্কুল প্রাঙ্গন, খাল-বিল, নদী-সরোবরের মতো জায়গা পরিষ্কারে দেশবাসীকে এগিয়ে আসতে বলেছেন তিনি। তাঁর মতে, এভাবেই প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো হবে গান্ধীজিকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • 6G Technology: দেশে আসছে আরও হাই-স্পিড ইন্টারনেট! ৬জি পরিষেবা দিতে মউ স্বাক্ষর ভারত-আমেরিকার

    6G Technology: দেশে আসছে আরও হাই-স্পিড ইন্টারনেট! ৬জি পরিষেবা দিতে মউ স্বাক্ষর ভারত-আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতীত ৪জি পরিষেবা। ভারতে মিলছে ৫জি পরিষেবা। অচিরেই দেশে ইতিহাস হয়ে যাবে তাও। ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মিলবে ৬জি পরিষেবা। দেশবাসীকে হাই-স্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা দিতে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারত (6G Technology)। শনিবার নয়াদিল্লিতে বসেছিল দু’ দিনের জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের আসর।

    মউ স্বাক্ষর

    তার ঠিক আগের দিন মউ স্বাক্ষর হল নেক্সট জি অ্যালায়েন্স ও ভারত ৬জি অ্যালায়েন্সের মধ্যে। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৬জি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি চালু ও নির্ভরযোগ্য সাপ্লাই চেইন তৈরির লক্ষ্যে কাজ করা হবে। ভারত ও আমেরিকা উভয় দেশই নির্ভরযোগ্য ও সুরক্ষিত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করছে। দুই দেশই চায়, দ্রুত ৬জি নেটওয়ার্ক (6G Technology) পরিষেবা চালু করতে। সেই লক্ষ্যেই আমরা মিলিতভাবে কাজ করব।  

    গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

    নেক্সট জি অ্যালায়েন্সের তরফে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এটিআইএসের প্রেসিডেন্ট তথা সিইও সুজান মিলার ও ভারত ৬জি অ্যালায়েন্সের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এনজি সুব্রহ্মণ্যম। তিনি বলেন, “ভারত সমাজকে শক্তিশালী করতে চায়। পরবর্তী প্রজন্মের ৬জি পরিষেবা বিশ্বে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করবে। সেই লক্ষ্যে নেক্সট জি অ্যালায়েন্সের সঙ্গে এই মউ স্বাক্ষর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।”

    জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ববৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৈঠক শেষে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই রাষ্ট্রপ্রধানই আমেরিকায় রিপ অ্যান্ড রিপ্লেস প্রোগ্রামে ভারতীয় কোম্পানিগুলির অংশগ্রহণের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট বাইডেনও আমেরিকায় রিপ অ্যান্ড রিপ্লেস পাইলটে ভারতের সমর্থনকে স্বাগত জানিয়েছেন। ২০২৩ সালের জুনে মার্কিন কোম্পানি ম্যাক্রন, ল্যাম রিসার্চ এবং অ্যালায়েড মেটিরিয়ালস ভারতে লগ্নির বিষয়ে যা বলেছিল, তার অগ্রগতি নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধানই। বম্বে আইআইটি যে চিকাগো কোয়ান্টাম এক্সচেঞ্জের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে, তাও (6G Technology) জানানো হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

    আরও পড়ুুন: নভেম্বরে জি২০-এর ভার্চুয়াল বৈঠক চান প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share