Tag: g20

g20

  • Lok Sabha Elections 2024: মোদিই ‘বিশ্বনেতা’, লোকসভা নির্বাচনে প্রচারের সুর বেঁধে দিল বিজেপি?

    Lok Sabha Elections 2024: মোদিই ‘বিশ্বনেতা’, লোকসভা নির্বাচনে প্রচারের সুর বেঁধে দিল বিজেপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। এই নির্বাচনে প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে সদ্য সমাপ্ত জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজনকে প্রচারের হাতিয়ার করতে চাইছে বিজেপি। সম্মেলনের আয়োজক দেশের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বিশ্বনেতারা। সম্মেলনের সফল নেতৃত্ব দেওয়ায় বুধবার প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিয়েছে বিজেপি। সেখানেই জি২০-কে অস্ত্র হিসেবে প্রয়োগ করার প্রস্তাবও গৃহীত হয়েছে বলে একটি সূত্রের খবর। সেই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে রাজ্যগুলিতে। নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে আমজনতাকে জানাতে হবে, নরেন্দ্র মোদির জমানায় অতীতের তুলনায় ভারত বিশ্ব রাজনীতিতে অনেক বেশি সাফল্য পেয়েছে।

    সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য

    বিজেপি নেতৃত্ব অবশ্য জি২০-কে যে প্রচারে তুলে ধরার প্রস্তাব (Lok Sabha Elections 2024) গৃহীত হয়েছে, তা স্বীকার করছেন না। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “এটা নিয়ে প্রচারের প্রয়োজন নেই। গোটা দেশ দেখেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা কীভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা দেখিয়েছেন। ভারত যে বিশ্বের দরবারে গুরুত্ব পাচ্ছে, এটা তো অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই। যাঁরা এসেছিলেন, সকলেই মোদিজির নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। আর এই গর্ব তো শুধু বিজেপির নয়, গোটা দেশের।”

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ?

    বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “সেই ছোটবেলা থেকে আমরা বলে এসেছি ভারত আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে। অতুলপ্রসাদ সেনের সেই বাণী যে এতদিন পরে সফল হয়েছে, তারই প্রমাণ দেখা গিয়েছে জি২০ সম্মেলনে। শুধু সরকারের কর্মসূচি না রেখে, রাজনীতিতে আটকে না রেখে মোদিজি যেভাবে এই সম্মেলনকে গোটা দেশে ছড়িয়ে দিয়েছেন, মানুষের সম্মেলন করে দিয়েছেন, দেশ তো তা মনে রাখবেই। ভারত যে বিশ্বগুরু, তা এবার নতুন করে প্রতিষ্ঠিত। আমাদের বলার দরকার নেই, বাকিরাই সেটা বলবে।” বিজেপি সূত্রে খবর, দলের লক্ষ্য হল, যাঁরা জি২০ সম্মেলন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন, তাঁদের কাছেও এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে যে গোটা বিশ্বে বড় (Lok Sabha Elections 2024) জায়গা পেয়েছে ভারত। মোদিকে সকলে মেনে নিয়েছেন ‘বিশ্বনেতা’ হিসেবে।

    আরও পড়ুুন: “ওরা সনাতন ধর্মকে মুছে দিতে চায়”, মধ্যপ্রদেশে প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় ইন্ডি-জোট

    এদিকে, নির্ধারিত সময়ের মাসখানেক আগেই হতে পারে লোকসভা নির্বাচন। লোকসভা নির্বাচন হওয়ার কথা ২০২৪ সালের এপ্রিলে। জানা গিয়েছে, মার্চ মাসেই শুরু হয়ে যেতে পারে লোকসভা নির্বাচন-পর্ব। শেষ হয়ে যাবে এপ্রিলের প্রথম দিকেই। এপ্রিলের চাঁদিফাটা রোদ্দুর থেকে ভোটকর্মী ও ভোটারদের স্বস্তি দিতেই নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) এগিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • 6G Technology: দেশে আসছে আরও হাই-স্পিড ইন্টারনেট! ৬জি পরিষেবা দিতে মউ স্বাক্ষর ভারত-আমেরিকার

    6G Technology: দেশে আসছে আরও হাই-স্পিড ইন্টারনেট! ৬জি পরিষেবা দিতে মউ স্বাক্ষর ভারত-আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতীত ৪জি পরিষেবা। ভারতে মিলছে ৫জি পরিষেবা। অচিরেই দেশে ইতিহাস হয়ে যাবে তাও। ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মিলবে ৬জি পরিষেবা। দেশবাসীকে হাই-স্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা দিতে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারত (6G Technology)। শনিবার নয়াদিল্লিতে বসেছিল দু’ দিনের জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের আসর।

    মউ স্বাক্ষর

    তার ঠিক আগের দিন মউ স্বাক্ষর হল নেক্সট জি অ্যালায়েন্স ও ভারত ৬জি অ্যালায়েন্সের মধ্যে। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৬জি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি চালু ও নির্ভরযোগ্য সাপ্লাই চেইন তৈরির লক্ষ্যে কাজ করা হবে। ভারত ও আমেরিকা উভয় দেশই নির্ভরযোগ্য ও সুরক্ষিত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করছে। দুই দেশই চায়, দ্রুত ৬জি নেটওয়ার্ক (6G Technology) পরিষেবা চালু করতে। সেই লক্ষ্যেই আমরা মিলিতভাবে কাজ করব।  

    গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

    নেক্সট জি অ্যালায়েন্সের তরফে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এটিআইএসের প্রেসিডেন্ট তথা সিইও সুজান মিলার ও ভারত ৬জি অ্যালায়েন্সের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এনজি সুব্রহ্মণ্যম। তিনি বলেন, “ভারত সমাজকে শক্তিশালী করতে চায়। পরবর্তী প্রজন্মের ৬জি পরিষেবা বিশ্বে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করবে। সেই লক্ষ্যে নেক্সট জি অ্যালায়েন্সের সঙ্গে এই মউ স্বাক্ষর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।”

    জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ববৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৈঠক শেষে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই রাষ্ট্রপ্রধানই আমেরিকায় রিপ অ্যান্ড রিপ্লেস প্রোগ্রামে ভারতীয় কোম্পানিগুলির অংশগ্রহণের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট বাইডেনও আমেরিকায় রিপ অ্যান্ড রিপ্লেস পাইলটে ভারতের সমর্থনকে স্বাগত জানিয়েছেন। ২০২৩ সালের জুনে মার্কিন কোম্পানি ম্যাক্রন, ল্যাম রিসার্চ এবং অ্যালায়েড মেটিরিয়ালস ভারতে লগ্নির বিষয়ে যা বলেছিল, তার অগ্রগতি নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধানই। বম্বে আইআইটি যে চিকাগো কোয়ান্টাম এক্সচেঞ্জের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে, তাও (6G Technology) জানানো হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

    আরও পড়ুুন: নভেম্বরে জি২০-এর ভার্চুয়াল বৈঠক চান প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: নভেম্বরে জি২০-এর ভার্চুয়াল বৈঠক চান প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    PM Modi: নভেম্বরে জি২০-এর ভার্চুয়াল বৈঠক চান প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে শেষ হয়েছে দু’ দিন ব্যাপী জি২০ (G20) শীর্ষ সম্মেলন। জি২০-এর সদস্য দেশগুলির প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আমন্ত্রিত বেশ কয়েকটি দেশের সদস্যরা। গত বছর সেপ্টেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি২০-এর ব্যাটন এসেছিল ভারতের হাতে। আগামী জি২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ব্রাজিল।

    প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা

    নয়াদিল্লি এই প্রথমবার জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল। সম্মেলন সফল হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বিশ্বনেতারা। এই সম্মেলনে যেসব প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা চান প্রধানমন্ত্রী। তাই নভেম্বরে ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলনের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “গত দু’ দিনে আপনারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আপনাদের মত পোষণ করেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন এবং গুচ্ছ প্রস্তাব পেশ করেছেন। আমাদের দায়িত্ব হল এই সব প্রস্তাব এবং পরামর্শ কীভাবে বাস্তবায়িত করা যায় এবং কীভাবে সেগুলিতে গতি সঞ্চার করা যায়, তা দেখা।”

    ভারতের আয়োজনকে ‘মাইলস্টোন’ আখ্যা

    সারা বছর ধরে জি২০-এর সম্মেলন হয়েছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। তার প্রশংসা শোনা গিয়েছে বিশ্বনেতাদের গলায়। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলনের প্রস্তাবে সায় দিতে পারেন তাঁরা। জি২০ সম্মেলনে প্রেসিডেন্টের পরিবর্তে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। তিনি বলেন, “সিদ্ধান্তগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা, তা দেখা দরকার।” ভারতের আয়োজনকে ‘মাইলস্টোন’ আখ্যা দেন তিনি। বলেন, “গ্লোবাল সাউথ থেকে প্রকৃতপক্ষে জি২০ সদস্যদের এক ছাতারতলায় আনতে পেরেছে ভারত।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘লেনিনের সঙ্গে যোগ নেই ভারতের’’, মূর্তি সরানোর সওয়াল সুকান্তর

    অদূর ভবিষ্যতে তামাম বিশ্বে (PM Modi) যে বাজার তৈরি হতে চলেছে, তার ওপরই নির্ভর করবে জি২০-এর ভবিষ্যৎ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই এবার ইতালির হাতে নয়, জি২০-এর ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছে ব্রাজিলের ওপর। তার পরেরবার জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পাবে দক্ষিণ আফ্রিকা। জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব নিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা ডি সিলভা বলেন, “ঝগড়া-বিবাদের পরিবর্তে আমরা চাই শান্তি ও সহযোগিতা।” অশান্তি যে কাম্য নয়, প্রেস কনফারেন্সে তা জানিয়ে দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাঁক্রও। তিনি বলেন, “জি২০ আরও একবার রাশিয়াকে একঘরে করে দিল। আজ, জি২০-এর সদস্য দেশগুলির সিংহভাগই ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য রাশিয়াকে দুষছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বিশ্বজনীন প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে সম্মেলনে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: জি২০ সম্মেলনে গৃহীত হল নয়াদিল্লি ডিক্লারেশন, ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    G20 Summit: জি২০ সম্মেলনে গৃহীত হল নয়াদিল্লি ডিক্লারেশন, ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে জি২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেন প্রশ্নে ঐক্যমত্যে পৌঁছলেন সদস্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। শনিবার শুরু হয়েছে জি২০ সম্মেলন। নয়াদিল্লির এই সম্মেলনে নয়াদিল্লি ডিক্লারেশন গৃহীত হয়েছে। এই ডিক্লারেশন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এদিনের ঘোষণার পর ইউক্রেন প্রশ্নে স্বমত স্পষ্ট করে দিল নয়াদিল্লি।

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলন

    নয়াদিল্লির প্রগতি ময়দানের ভারত মণ্ডপম কনভেনশন সেন্টারে বসেছে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের আসর। এদিন উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইউক্রেন যুদ্ধ আস্থাহীনতারই পরিণতি। আমাদের এই আবহ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। পারস্পরিক আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।” তিনি বলেন, “একুশ শতক বিশ্বকে নতুন দিক নির্দেশ দেওয়ার শতক। নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আমাদের পুরনো সমস্যাগুলির সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। যখন আমরা কোভিডকে পরাজিত করতে পেরেছি, তখন আমরা এই আস্থার ঘাটতির সঙ্কটের বিরুদ্ধেও জয়ী হতে পারব।”

    সবকা সাথ সবকা বিকাশ মন্ত্র

    প্রধানমন্ত্রী (G20 Summit) বলেন, “সবকা সাথ সবকা বিকাশ মন্ত্রেই আস্থাহীনতার সমস্যা কাটিয়ে উঠতে হবে আমাদের।” তিনি বলেন, “বিশ্বজুড়ে এই যে অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠে আমাদের ভরসা রাখতে হবে বিশ্বাস এবং আস্থার ওপর।”

    দিল্লি লিডার্স ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, ‘ইউক্রেনে প্রয়োজন স্থায়ী এবং উপযুক্ত শান্তি। জি২০-এর সদস্য দেশগুলির কাছে আবেদন জানানো হয়েছে এই বলে যে, কেউ যদি পরমানু অস্ত্র প্রয়োগ কিংবা বলপ্রয়োগ করে অন্যের এলাকা দখল করার কৌশল নেয়, তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না’।

    যৌথ ঘোষণাপত্রের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের টিমের কঠোর পরিশ্রম ও আপনাদের সহযোগিতায় নয়াদিল্লিতে জি২০ (G20 Summit) সম্মেলনের ঘোষণাপত্র এসে পৌঁছেছে। এই ঘোষণাপত্র গ্রহণ করার প্রস্তাব ছিল আমার। সব সদস্য দেশের রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে সহমত হয়ে এটি গৃহীত হল। দেশের সমস্ত মন্ত্রী, শেরপা ও সব আধিকারিকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। যাদের জন্য এটি সম্ভব হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: জি২০-এর মঞ্চেও ‘ইন্ডিয়া’র বদলে লেখা ‘ভারত’, দেশের নাম তাহলে বদলাচ্ছেই!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • G20 Summit: ভারত মণ্ডপমে রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানালেন মোদি, শুরু হল জি২০ সম্মেলন

    G20 Summit: ভারত মণ্ডপমে রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানালেন মোদি, শুরু হল জি২০ সম্মেলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসে গেল বহু প্রতিক্ষিত মুহূর্ত। প্রবল প্রত্যাশার মধ্যে দিয়ে নয়াদিল্লিতে সূচনা হল দুদিন ব্যাপী জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের (G20 Summit)। প্রথমবার এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ভারতে বসছে। সম্মেলনের সভাপতিত্ব করছে ভারত। এই জন্য এবারের সম্মেলনকে মাথায় রেখে বিশ্বের সামনে দেশের সংস্কৃতি ও গরিমা তুলে ধরতে সচেষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সম্মেলনের জন্য দিল্লির প্রগতি ময়দানে নির্মিত ভারত মণ্ডপম সভাঘর থেকে শুরু করে বিদেশি অতিথিদের আপ্যায়ন— সবকিছুতে ভারতের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহন করছে। এই সম্মেলনের থিম ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’। অর্থ, গোটা বিশ্ব একটিই পরিবার। 

    রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানালেন মোদি

    আজ কড়া নিরাপত্তায় এই সম্মেলন (G20 Summit) শুরু হয়েছে। এদিন সকাল ৯টা নাগাদ ভারত মণ্ডপম-এ পৌঁছে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে স্বাগত জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। এরপর একে একে আসতে শুরু করে বিদেশি রাষ্ট্রনেতারা। এক এক করে সভায় যোগ দিতে আসা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাফোসা, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ, চিনের প্রিমিয়ার লি কিয়াং, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

     

     

    শুরুতেই বড় ঘোষণা মোদির

    এর পর সভার উদ্বোধনী বক্তব্যে (G20 Summit) মোদি বলেন, ‘‘করোনা মহামারির পরে বিশ্বে বিশ্বাসজনিত সঙ্কট তৈরি হয়েছে। যুদ্ধ এই সঙ্কটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নিজেরা আলোচনা করে এই সঙ্কটকে কাটাতে পারি। এটাই একসঙ্গে চলার সময়।’’ একইসঙ্গে, মরক্কোয় গতকালের ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেন আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। এর পর বড় ঘোষণা করলেন মোদি। জি২০-র (G20 Summit 2023) স্থায়ী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হল আফ্রিকান ইউনিয়ন। আজকে সম্মেলনের প্রথম সেশনে এই নিয়ে ঘোষণা করে গোষ্ঠীর বর্তমান সভাপতি তথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    সম্মেলনে কী কী নিয়ে আলোচনা হবে?

    জি২০ গোষ্ঠীতে (G20 Summit) রয়েছে ১৯টি রাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলি হল— ভারত, অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন। এই সম্মেলনে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা (G20 Summit 2023)। আলোচ্য বিষয়বস্তুর তালিকায় রয়েছে— উন্নয়নশীল দেশগুলিকে ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক ঋণ কাঠামোর সংস্কার, ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ন্ত্রণবিধি, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং খাদ্য ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিরাপত্তা ও তার প্রভাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Modi-Biden Meet: যেন অভিন্ন-হৃদয় বন্ধু! মোদির কাঁধে হাত বাইডেনের, কী নিয়ে কথা হল?

    Modi-Biden Meet: যেন অভিন্ন-হৃদয় বন্ধু! মোদির কাঁধে হাত বাইডেনের, কী নিয়ে কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মাঝামাঝি নরেন্দ্র মোদির মার্কিন সফরের প্রথম সন্ধ্যায় নিজের সরকারি বাসভবন হোয়াইট হাউসে প্রাইভেট ডিনারের আয়োজন করেছিলেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এবার জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit 2023) যোগ দিতে ভারত সফরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। শুক্রবার, বাইডেনের সম্মানে নিজের ৭ লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবনে প্রাইভেট ডিনারের আয়োজন করলেন নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই দুই রাষ্ট্রেনেতার মধ্যে একপ্রস্থ দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও হল (Modi-Biden Meet)। একইসঙ্গে কয়েকটি বিরল মুহূর্তও তৈরি হল। 

    শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারতের মাটিতে পা রাখেন জো বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটাই তাঁর প্রথম ভারত সফর। দিল্লি বিমানবন্দরে নেমে সেখান থেকে মৌর্য শেরাটন হোটেল হয়ে বাইডেন পৌঁছে যান নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে। সেখানে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে। আলোচ্য বিষয়বস্তুর মধ্যে যেমন ছিল জলবায়ু থেকে যুদ্ধ। তেমনই ছিল প্রতিরক্ষা থেকে প্রযুক্তি। 

    চন্দ্র-সূর্য অভিযানের সাফল্যে ভারতকে অভিনন্দন ‘পোটাস’-এর

    চন্দ্রযান ৩ মিশনে সাফল্যের জন্য ভারতকে অভিনন্দন জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট (সংক্ষেপে পোটাস)। বাইডেনের মতে, ভারত মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে। পাশাপাশি ভারতের প্রথম সৌরাভিযান আদিত্য-এল১-এর সফল উৎক্ষেপণের জন্যও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাইডেন। মহাকাশ গবেষণায় একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে দুই দেশ। আগামী সময়ে ইসরো ও নাসা যাতে যৌথভাবে মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে কাজ করতে পারে, সেই বিষয়েও আলোচনা হয়েছে (Modi-Biden Meet)।

    আরও কোন ইস্যুতে আলোচনা

    পাশাপাশি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার-সহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয় নরেন্দ্র মোদি ও জো বাইডেনের মধ্যে। বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে মতামত আদান-প্রদান করেছেন দুই রাষ্ট্রনেতা। সেমিকন্ডাক্টর সাপ্লাই চেন নিয়েও কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে। প্রায় ঘণ্টাখানেকের মতো সময় দুজনের বৈঠক (Modi-Biden Meet) চলে। পরে, দুপক্ষের তরফে একটি যৌথ বিবৃতিও প্রকাশ করা হয়। ৬জি থেকে শুরু করে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা), সব বিষয়েই সহযোগিতার বার্তা দেওয়া হয় বিবৃতিতে। 

    বিরল মুহূর্তের সাক্ষী বিশ্ব

    তবে, শুধু আলোচনা নয়। মোদি-বাইডেন সাক্ষাতে (Modi-Biden Meet) তৈরি হয়েছে এমন কিছু বিরল মুহূর্ত, যা ভারত-মার্কিন সুসম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়েছে। একটি সময়ে দেখা গিয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাঁধে হাত দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (G20 Summit 2023)। দু’জনকে হাসতেও দেখা গিয়েছে। মোদির সঙ্গে বৈঠকের পরই ট্যুইটারে (অধুনা এক্স) একটি পোস্ট করেছেন তিনি। বাইডেন লিখেছেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী, আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়ে ভাল লাগল। আমেরিকা ও ভারতের সম্পর্ক যাতে অটুট থাকে, দুই দেশ যাতে আরও বেশি কাছাকাছি আসে, বাঁধন আরও পোক্ত হয়, সেটাই নিশ্চিত করা হবে।’’ 

    অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘‘ সাত লোক কল্যাণ মার্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দ বোধ করছি। আমাদের বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। আমরা একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। যা ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে আর্থিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে। মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। বিশ্বের মঙ্গলের জন্য আমাদের দুই দেশের বন্ধুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই আলোচনা ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে।’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: দিল্লিতে শেখ হাসিনা, আজই বসছেন মোদির বাসভবনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    G20 Summit: দিল্লিতে শেখ হাসিনা, আজই বসছেন মোদির বাসভবনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল, শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে জি২০ (G20 Summit) সম্মেলন। একদিন আগেই, অর্থাৎ আজ সকাল থেকেই ভারতে আসতে শুরু করে দিয়েছেন রাষ্ট্রনেতারা। এদিনই দিল্লি পৌঁছলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিমান। আজ বিকেলে শেখ হাসিনাকে নিজের সরকারি বাসভবনে আপ্যায়ন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে একাধিক বিষয়ে আলোচনা (G20 Summit 2023) হবে। 

    ‘ভারতের জামাই’ নাম উপভোগ করেন সুনক!

    হাসিনার বিমান দিল্লির মাটি ছোঁয়ার কিছুক্ষণ পরই ভারতে এসে পৌঁছন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটাই তার প্রথম ভারত সফর। জি২০ সম্মেলন (G20 Summit) প্রসঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সুনাক বলেন, “সম্মেলনে অংশ নেওয়া আমার জন্য বিশেষ তাৎপর্যের। আমি একটি স্পষ্ট ফোকাস নিয়ে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে চলেছি। তা হল, বিশ্ব অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তৈরি করা।” 

    প্রসঙ্গত, নিজে ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিন্দু হওয়ার পাশাপাশি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হলেন ভারতীয় ধনকুবের তথা ইনফোসিসের কর্ণধার নারায়নমূর্তির জামাতা। সেই দিক দিয়ে তাঁকে অনেকেই তাঁকে ‘ভারতের জামাই’ বলেও সম্বোধন করেন। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সুনক বলেন, “আমি কোথাও দেখেছি যে আমাকে ভারতের জামাই বলে উল্লেখ করা হয়। এটা আমি বেশ উপভোগ করি।”

    আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার প্রধানের নাচ

    এর আগে, জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit) অংশ নিতে এসে আলাদা করে নজর কাড়লেন আইএমএফ-এর প্রধান ক্রিসটালিনা জর্জিয়েভা।এদিন দিল্লি এয়ারপোর্টে অবতরন করার পর বিশেষভাবে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। সেই সময় মঞ্চে গানের তালে নাচছিলেন কিছু মহিলা। তা দেখে কিছুটা উৎসাহিত হন। পা মেলাতে দেখাতে যায় গানের তালে। সেই ছবি ট্যুইটারে (অধুনা এক্স) শেয়ার করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। 

    ট্যুইটার (এক্স) হ্যান্ডলে কী জানালেন মোদি?

    এদিকে, এদিন দুপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, যে আজ তিনি তিন বিশেষ অতিথির সঙ্গে তাঁর বাসভবনে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা (G20 Summit) সারবেন। এই তিনজন হলেন— মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী কুমার জগনাথ, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। মোদি লেখেন, বৈঠকগুলির মাধ্যমে এই তিন রাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পর্যালোচনা করা এবং সহযোগিতাপূর্ণ উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ মিলবে।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: জি২০ সম্মেলনের ফাঁকেই ১৫ রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    G20 Summit: জি২০ সম্মেলনের ফাঁকেই ১৫ রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে জি২০ (G20 Summit) সম্মেলন। এর জন্য ভারতে ইতিমধ্যেই আসতে শুরু করে দিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। শনিবার ও রবিবার, রাজধানী দিল্লি হয়ে উঠবে বিশ্বনেতাদের মিলন-প্রাঙ্গণ। এই দুদিনের সম্মলনে আলোচিত হবে একাধিক বিষয়। উত্থাপন হবে একাধিক প্রস্তাব। নেওয়া হবে একাধিক সংকল্প। তবে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যস্ত কর্মসূচি শুরু হয়ে যাচ্ছে একদিন আগেই। অর্থাৎ, আজ শুক্রবার থেকেই। সম্মেলনের ফাঁকে শুক্র থেকে রবি—এই তিনদিনে বিভিন্ন রাষ্ট্রেনতার সঙ্গে একাধিক বৈঠক হওয়ার কথা তাঁর। সূত্রের খবর, সম্মেলনে আগত রাষ্ট্রেনেতাদের সঙ্গে মোট ১৫টি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এক কথায়, একেবারে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ দিয়ে

    জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের এই সিরিজ শুরু হবে শুক্রবার বিকেলে। প্রথমেই তিনি নিজ বাসভবন, অর্থাৎ ৭ লোক কল্যাণ মার্গে (সাবেক ৭ রেস কোর্স রোড) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আপ্যায়ন করবেন। অতিথি দেশ হিসেবে জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit) হাজির বাংলাদেশ। সেখানে দুই নেতার মধ্যে বৈঠকে উঠে আসবে একাধিক দ্বিপাক্ষিক আলোচ্য বিষয়। বৈঠকে বাংলাদেশি এবং ভারতীয় টাকার মাধ্যমে লেনদেন সুগম করা, কৃষি গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে তিনটি সমঝোতাপত্র সই হতে পারে। দুই পড়শি দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বিদ্যুৎ এবং রেলপথের একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও হতে পারে। 

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে নৈশভোজে আলোচনা

    এর পর রাতে নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে নৈশভোজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেও দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হওয়ার কথা। চিন-ভারত সংঘাতের আবহে আজকের এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আশা করা হচ্ছে, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং বহুপাক্ষিক বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া, জিই জেট ইঞ্জিন এবং পারমাণবিক প্রযুক্তি নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আগামী ২ দিন ঠাসা কর্মসূচিতে পর পর বৈঠক

    আগামিকাল, জি২০ সম্মেলনের (G20 Summit) প্রথম দিন। তারই ফাঁকে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজ এবং ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দ্বিতীয় দিনে, ১০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী মধ্যাহ্নভোজে দেখা করবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে। এর পর এরপরে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিচেপ তাইপ এর্ডোগান, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। এর পাশাপাশি, কোমোরস, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (G20 Summit 2023) করবেন বলেও খবর সূত্রের। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: আসতে শুরু করেছেন রাষ্ট্রনেতারা, দিল্লিতে এখন সাজো সাজো রব

    G20 Summit: আসতে শুরু করেছেন রাষ্ট্রনেতারা, দিল্লিতে এখন সাজো সাজো রব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। রাত পোহালেই শনিবার থেকে শুরু দুদিন ব্যাপী জি২০ শীর্ষ সম্মেলন (G20 Summit)। প্রথমবার ভারতের সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আয়োজন হচ্ছে। বিশ্বের দরবারে ভারতের গরিমা অটূট রাখতে সচেষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    নিরাপত্তার ঘেরাটোপে দিল্লি, চারদিকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে আসছেন বিদেশি রাষ্ট্রনেতা ছাড়াও প্রায় ১০ হাজার বিদেশি অতিথি। সেজে উঠেছে নয়াদিল্লির প্রগতি ময়দানে সদ্য উদ্বোধন হওয়া ভারত মণ্ডপ। এখানেই হবে মূল সম্মেলন। প্রস্তুত রয়েছে রাজধানী এলাকার অভিজাত হোটেলগুলিও। যে কারণে, দিল্লিজুড়ে এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতা ও প্রস্তুতি। বহুস্তরীয় নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজধানী চত্বর। একেবারে, মাছি গলার জো নেই! কার্যত লকডাউনে চলে গিয়েছে রাজধানী অঞ্চল।

    জি২০ সম্মেলনের (G20 Summit 2023) জন্য রাজধানী অঞ্চলের যান-চলাচলে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী লরি, অটো, ট্যাক্সি-সহ যাত্রী পরিবহণে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এমনকী, বন্ধ করা হয়েছে অনলাইন ডেলিভারি। শুধুমাত্র, মেডিক্যাল এবং জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ছাড়পত্র দেখিয়ে যেতে দেওয়া হচ্ছে। মেট্রো চালু থাকলেও, নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন গেট বন্ধ করে রাখা হয়েছে। শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত রাজধানীর সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস, বাণিজ্যেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য দেওয়া হয়েছে নির্দেশ। 

    সন্ধ্যায় রয়েছে জোড়া বৈঠক! আজ থেকেই কর্মসূচি শুরু মোদির

    তবে, মূল সম্মেলেন (G20 Summit) শনিবার শুরু হলেও, প্রধানমন্ত্রী মোদির কর্মসূচি শুরু হচ্ছে তার একদিন আগে থেকে, অর্থাৎ আজ শুক্রবার থেকেই। এদিন বিকেলে নিজের বাসভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। সেখানে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা। এদিনই বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ দিল্লিতে পৌঁছচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এর পর রাতে নৈশভোজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বিশেষ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

    সন্ধ্যায় পৌঁছচ্ছেন জো বাইডেন, ঋষি সুনক, বাকিরা কে কখন আসছেন?

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের (G20 Summit) জন্য ইতিমধ্যেই দেশে আসতে শুরু করে দিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। কেউ আজ আসছেন, কেউ আবার আগামিকাল সকালেই আসবেন। গতকাল রাতেই ভারতে এসেছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন। চলে এসেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। এসেছেন আর্জেন্টনার প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা আসছেন দুপুরে। সন্ধ্যায় এসে পৌঁছবেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন, চিনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট এইচএইচ শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। তবে, জার্মানি এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপ্রধানরা আসবেন ৯ সেপ্টেম্বর। তবে, করোনা আক্রান্ত হওয়ায় জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে পারছেন না স্পেনের প্রেসিডেন্ট পেদ্রো সাঞ্চেজ। সম্মেলনে স্পেনের প্রতিনিধি হিসেবে থাকবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট নাদিয়া কালভিনো সান্তামারিয়া ও বিদেশমন্ত্রী জোস ম্যানুয়েল আলভারেজ।

     

    রাষ্ট্রনেতাদের অভ্যর্থনা জানানোর দায়িত্বে কারা?

    এদিকে, জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit 2023) যোগ দিতে দেশে আগত বিভিন্ন বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে স্বাগত জানাতে যাবেন অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ভিকে সিং। চিনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংকেও দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে হাজির থাকবেন তিনি। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনককে অভ্যর্থনা জানাবেন কেন্দ্রীয় খাদ্য-সরবরাহ এবং ক্রেতা সুরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অশ্বিনীকুমার চৌবে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাকে অভ্যর্থনা জানাবেন কৃষি প্রতিমন্ত্রী শোভা করান্ডলাজে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাবেন রেল ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা জার্দোশ।

    কোন রাষ্ট্রনেতা কোথায় থাকছেন?

    জি২০ (G20 Summit) সদস্য ও আমন্ত্রিত দেশ মিলিয়ে প্রায় ৩০টি দেশের রাষ্ট্রনেতা আসছেন। তাঁদের থাকারও এলাহি ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন থাকবেন আইটিসি মৌর্য শেরাটন হোটেলে। মার্কিনীদের জন্য হোটেলের ৪০০টি রুম বুক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ব্যবস্থা করা হয়েছে বিশেষ লিফটের। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক থাকবেন শাংরি-লা হোটেলে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা থাকবেন ললিত হোটেলে। ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল মাক্রঁ থাকবেন ক্লারিজেস হোটেলে। ইম্পেরিয়াল হোটেল হতে চলেছে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের অস্থায়ী বাসভবন। চিনা প্রতিনিধি দল থাকবে তাজ হোটেলে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’’, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী, কারণ কী জানেন?

    PM Modi: ‘‘কেন্দ্রে ফের ক্ষমতায় আসছে বিজেপি’’, সাক্ষাৎকারে বললেন প্রধানমন্ত্রী, কারণ কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে দেশের বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। সংগঠনের নাম ‘ইন্ডিয়া’। এই জোটের তৃতীয় বৈঠকটি হয়ে গেল বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে। তবে বিরোধীরা যতই জোট বাঁধুন না কেন, তৃতীয়বার কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে এক প্রকার নিশ্চিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    জিতবে বিজেপি-ই

    বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই তিনি বলতে শুরু করেছেন, কেন্দ্রের কুর্সিতে ফের ক্ষমতায় আসবে বিজেপি-ই। তাঁর জমানায় যে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে এবং তার জেরে যে আমভারতবাসী বিজেপিকেই ভোট দেবেন, সে ব্যাপারেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি এক সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েও বিজেপি যে ক্ষমতায় ফিরছে, তা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। কেন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-ই দিল্লির তখতে বসছে, তাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    অর্থনীতির ব্যাপক উন্নয়ন

    তাঁর সরকারের আমলে অর্থনীতির ব্যাপক উন্নয়নই তাঁদের ফের ক্ষমতায় ফেরাবে বলে আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপির নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে এনডিএ সরকার। সেই সময় বৃহত্তর অর্থনীতির দেশের তালিকায় দশম স্থানে ছিল ভারত। আর মোদির ন’ বছর শাসনে দেশের ঠাঁই হয়েছে ওই তালিকার পঞ্চম স্থানে। দীর্ঘদিন যে জায়গাটা ধরে রেখেছিল ইংল্যান্ড। সেই রাজার দেশকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছে মোদির ভারত।

    আরও পড়ুুন: জি২০ সম্মেলনে ভারতে আসছেন বাইডেন-মাঁক্র, দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মোদি?

    অর্থনৈতিক উন্নয়নের নিরিখে যদি দেশবাসী বিজেপিকে ক্ষমতায় ফেরাতে মনস্থ করেন, তাহলে আরও আছে। তাঁর আমলেই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে চন্দ্রযান ৩। ভারত যেদিন চন্দ্রবিজয় করেছে, তারই দিন কয়েক আগে চাঁদের মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়েছে রাশিয়ার চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের স্বপ্ন। তাই বিশ্ববাসীর চোখে আক্ষরিক অর্থে হিরো হয়ে গিয়েছে মোদির ভারত। চাঁদমারি সফল হওয়ার পর পরই সূর্যালোকে আদিত্য এল ওয়ান পাঠিয়েছে ভারত। দূর থেকে সূর্যের হালহকিকৎ বোঝার চেষ্টা করবে ইসরো প্রেরিত এই যান।

    জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্বও ভারত পেয়েছে মোদির (PM Modi) জমানায়। দেশের প্রতিনিধিত্ব করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে সম্মান অর্জন করেছেন, সাম্প্রতিক অতীতে তা পাননি কোনও প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদির আমলেই চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছে জিডিপি বৃদ্ধির হার। যার জেরে কমেছে দারিদ্র। তাই ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপি-ই ফের ক্ষমতায় আসছে বলে জানান মোদি। তাঁর আমলেই ভারত যে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তিন নম্বরে জায়গা করে নেবে, সে ব্যাপারেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

        

LinkedIn
Share