Tag: Gaibandha

  • Lord Ram Idol: বাংলাদেশে নির্মীয়মান রামের মূর্তি ভেঙে ফেলার ডাক উগ্র ইসলামপন্থী বক্তার

    Lord Ram Idol: বাংলাদেশে নির্মীয়মান রামের মূর্তি ভেঙে ফেলার ডাক উগ্র ইসলামপন্থী বক্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলায় ভগবান রামের (Lord Ram Idol) নির্মীয়মান একটি মূর্তি ভেঙে ফেলার হুমকি দিলেন উগ্র ইসলামপন্থী এক ব্যক্তি। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলমান গোষ্ঠীগুলির নানা মন্তব্যও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে হিন্দু দেবতা রামকে ‘হিন্দুত্বের প্রতীক’ আখ্যা দিয়ে হিংসায় উসকানি দেওয়া হচ্ছে।

    উগ্র ইসলামি বক্তার হুমকি (Lord Ram Idol)

    ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র শ্রমিক জনতা’ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক উগ্র ইসলামি বক্তা হুমকি দিয়ে বলেন, “পলাশবাড়ী উপজেলায় হিন্দুদের দেবতা রামের মূর্তি নির্মাণের কাজ যদি নির্বিঘ্নে চলতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে, এ দেশে কোনও সম্মানিত ইসলামি আলেম নেই। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মুসলমানরা হিন্দুত্ববাদীদের হাতে গণহত্যার শিকার হওয়ারই যোগ্য।” তিনি এও বলেন, “পলাশবাড়ীতে রামের একটি মূর্তি নির্মাণ করা হচ্ছে। সেটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দাও। সরকারকেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলতে হবে। সরকার যদি তা না করে, তাহলে সাধারণ মানুষ (মুসলমানরা) সেটি ধ্বংস করবে। সরকারকে সাহায্য করা মুসলমানদের দায়িত্ব। বাংলাদেশে এই মন্দির ভেঙে ফেলতেই হবে।”

    ভারত দখলের হুমকি

    এর আগে ভারত দখলের হুমকি দিয়েছিলেন এই উগ্র ইসলামি বক্তা। তাঁর দাবি, “বাংলাদেশ থেকে ভারতের বিরুদ্ধে একটি অভিযান চালানো হবে। ভারত দখল করা হবে। মোদি ও তাঁর রাম রাজ্য গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারতের মুসলমানরা যদি একযোগে আক্রমণ করে, তাহলে ভারত এক ঘণ্টাও টিকতে পারবে না।” প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যেই চলছে এই আক্রমণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।

     

  • Bangladesh: ১৭ দিন পরেও বাংলাদেশে অপহৃত হিন্দু কিশোরী আদুরির খোঁজ মেলেনি, চরম উদ্বেগে মা!

    Bangladesh: ১৭ দিন পরেও বাংলাদেশে অপহৃত হিন্দু কিশোরী আদুরির খোঁজ মেলেনি, চরম উদ্বেগে মা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিন বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের ঘটনায় কার্যত ভয়ঙ্কর রূপ ধারন করেছে। এইবারের ঘটনা ঘটেছে গাইবান্ধা জেলার ঠেঙামারা এলাকায়। গ্রামের এক হিন্দু সম্প্রদায়ের (Hindu minority) অন্তর্গত এক পরিবার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী আদুরির অপহরণের ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবার। অপহরণের পর ১৭ দিনের বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও খোঁজ মেলেনি আদুরির।  উদ্বেগ এবং দুশ্চিন্তায় পরিবারের মধ্যে তীব্র বেদনায় আচ্ছন্ন। মেয়ের মা চিন্তায় মৃত্যু পথযাত্রী। উল্লেখ্য গত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে লাগাতার হিন্দুহত্যাকাণ্ড ঘটে চলেছে। কট্টর মৌলবাদীরা দেশে চরম অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

    ১০ বছরের কিশোরী অপহরণ 

    স্কুল থেকে ফেরার সময় অপহরণ (Bangladesh) নিখোঁজ আদুরির (Bangladesh) পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১ অক্টোবর মাত্র ১০ বছরের কিশোরী যখন স্কুল থেকে ফিরছিল সেই সময় রাস্তা থেকেই হাত ধরে জোর করে অপহরণ করে শিবলু মিঞাঁ নামক এক দুষ্কৃতী। ঘটনা জানাজানি হতেই গ্রামবাসীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক ভাবে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ন্যায় বিচার চেয়ে অপরাধীর শাস্তি এবং মেয়েকে ফিরিয়ে আনার জন্য জোরালো দাবি শুরু করেন। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালীরা সাময়িক বিচার-সালিশের ব্যবস্থা করে দ্রুত ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিলেও আদুরিকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। আর তাতেই চরম আতঙ্কে পরিবার।

    মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন মা

    আদুরির পরিবার অগত্যা স্থানীয় (Bangladesh) থানায় মামলা দায়ের করে। তবে মামলা দায়ের করার পরও কোনও রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি পুলিশ। সূত্রের খবর মূল অভিযুক্ত এবং অনুগামীরা এখনও পলাতক। তবে স্থানীয়দের দাবি প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতারা প্রশ্রয় দিয়ে ছত্রছায়ায় রেখেছেন। ফলে প্রশাসন এবং পুলিশও ধরপাকড় করতে পারছে না। প্রশাসন এবং পুলিশ দুই-ই রাজনৈতিক নেতাদের কারণে নিষ্ক্রিয়। অপরে নির্যাতিতার পরিবারও মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, মা মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন। কথা বলা এবং খাওয়া দাওয়া এক প্রকার ছেড়েই দিয়েছেন। যদিও বা মা কথা বলেন, তখন শুধু দিনরাত কেবল মেয়ের (Hindu minority) নাম ধরেই ডাকাডাকি করেন।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তরের ঘটনা

    তবে গাইবান্ধার (Bangladesh) এই ঘটনা কোনও বিছিন্ন ঘটনা নয়। একাধিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, অপহরণ, খুনের ঘটনা এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের ঘটনা গত এক বছরে ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ জন করে নারী বাংলাদেশে অপহরণ, ধর্ষণ, এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত হওয়ার মতো ঘটনার শিকার হচ্ছে। বর্তমানে অস্থায়ী সরকারের উপদেষ্টারা অবশ্য এই ঘটনাগুলি নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। কারণ হিন্দু নির্যাতন (Hindu minority) নিয়ে তাঁদের প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলেরই একাংশ।

LinkedIn
Share