Tag: gaighata

gaighata

  • Jyotipriya Mallick: উঁচু পাঁচিল ঘেরা জমি, মহিলাদের ছিল আনাগোনা, বালুর বেনামে এই বাড়ি ঘিরে রহস্য

    Jyotipriya Mallick: উঁচু পাঁচিল ঘেরা জমি, মহিলাদের ছিল আনাগোনা, বালুর বেনামে এই বাড়ি ঘিরে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির চারপাশে ১২ থেকে ১৪ ফুটের পাঁচিল। ২৭ কাঠা এলাকা, পুরোটাই ঘেরা রয়েছে পাঁচিল দিয়ে। ভিতরে উঁকি মারলে দেখা যাবে সাদা রঙের একটি বাড়ি। কে থাকেন ওই বাড়িতে? কী কাজ হয়? কেউ জানেন না। উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের মণ্ডলপাড়ায় গেলে এই বাড়িটি চোখে পড়বে। বাড়ি ও জমির মালিকানা তাঁর নামে না থাকলেও, এলাকার প্রায় সব বাসিন্দাই জানেন, এটা বালুদা-র (মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক) (Jyotipriya Mallick) বাড়ি।

    বাড়ি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১১ সালে ওই জমি কেনা হয়। পরে বাড়ি তৈরি করেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (Jyotipriya Mallick)। উঁচু পাঁচিলে ঘেরা। জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ওই এলাকার আর কারও বাড়িতে এমন পাঁচিল নেই। রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের নামে বা বেনামে ঠিক কোথায়, কত সম্পত্তি আছে, তা জানার চেষ্টা করছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। তবে গাইঘাটার মণ্ডলপাড়ায় এই বাড়ি আলাদা করে চিনিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এক বাসিন্দা বলেন, আমরা শুধু শুনেছি এটা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়ি, কাউকে দেখিনি কখনও। আবার আর এক বাসিন্দার দাবি, কখনও কখনও মহিলারা গেট খুলে ভিতরে যান। এর বেশি কিছু জানি না। অনেকে আবার সেই কথাও বলতে চাইছেন না। সব মিলিয়ে প্রায় ১২ বছর ধরে উঁচু পাঁচিল দেওয়া বাড়ির মধ্যে কী হয়, তা নিয়ে রহস্য রয়ে গিয়েছে। ইডি-র হাতে মন্ত্রী গ্রেফতার হলেও এই বাড়ির রহস্য ভেদ করতে এলাকার মানুষ এখনও সাহস করছেন না। 

    কী বললেন পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি?

    গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি গোবিন্দ দাস বলেন, মন্ত্রীর (Jyotipriya Mallick) জমি কেনার কথা আমি জানতাম। আমাকে একবার বলা হয়েছিল, বিদেশ থেকে ফান্ড আসবে। ওই বাড়িতে অনাথ আশ্রম তৈরি হবে। কখনও আবার বৃদ্ধাশ্রম তৈরি করার কথা বলা হয়েছিল। আবার কেউ বলছেন, ওই বাড়িতে কয়েকজন মহিলার যাতায়াত ছিল, যাঁরা সেলাই-এর কাজ করতেন। কিন্তু, সেই ২০১১ সাল থেকে ওই বাড়িতে কী করা হত, তা সঠিকভাবে আমরা কেউ জানি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: চাকরি নেই রাজ্যে! ক্যাফে খুলেছেন গোল্ড মেডালিস্ট গাইঘাটার রাজু

    North 24 Parganas: চাকরি নেই রাজ্যে! ক্যাফে খুলেছেন গোল্ড মেডালিস্ট গাইঘাটার রাজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অধ্যাপক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে একের পর এক উচ্চশিক্ষার গন্ডী পেরোলেও চাকরি জোটেনি। এক একটা করে সমস্ত আশার দরজা বন্ধ হতে, অধ্যাপক হওয়ার স্বপ্ন জলাঞ্জলি দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত নিজের চেষ্টায় মোমো, চাউমিন বানানোর ক্যাফে খুলে বসলেন গোল্ড মেডালিস্ট উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) গাইঘাটার রাজু মণ্ডল। নিজের স্ট্যাটাস অনুযায়ীই ক্যাফের নাম রাখলেন ‘শিক্ষিত বেকার ক্যাফে’। দুদিন আগেই দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনের একটি কলেজে ১০০ টাকায় গেস্ট লেকচারার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। যা নিয়ে রাজ্যজু়ড়ে চর্চা বিষয় হয়ে উঠেছিল। যদিও পরে কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাহার করে নেয়। বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থার হাল কতটা খারাপ তা এই ঘটনায় সামনে এসেছে। এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হলেও শিক্ষিত বেকারদের নিয়ে যে রাজ্য সরকারের কোনও মাথাব্যাথা নেই তা গাইঘাটার রাজু মণ্ডল তার জ্বলন্ত প্রমাণ। কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি গোল্ড মেডালিস্ট পেয়েছেন। কিন্তু, হাতে কাজ নেই। বাধ্য হয়ে মোমো, চাউমিনের দোকান দিয়েছেন রাজু।

    কী বললেন ‘শিক্ষিত বেকার ক্যাফে’-র মালিক? (North 24 Parganas)  

    জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলার গাইঘাটার ঠাকুরনগরের যুবক রাজু মণ্ডল ছোট থেকেই মেধাবী। উচ্চমাধ্যমিকে গাইঘাটা ব্লকে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছিলেন তিনি। এরপর এডুকেশনে অনার্স নিয়ে হরিণঘাটা কলেজ স্নাতক হয়ে তিনি কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি এমএ পাশ করেন। রাজু তাঁর বিষয়ে প্রথম হয়ে গোল্ড মেডেলও পান। রাজ্যস্তরের একাধিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও আজও কোনও চাকরির ডাক আসেনি বলেই জানান তিনি। কিন্তু অন্ন সংস্থানের তাগিদে সময় নষ্ট না করে নিজের ছোট ব্যবসা শুরু করে তিনি। রাজুর বাবা রাজমিস্ত্রি, মা ঘরের কাজ সামলান। বাড়িতে রয়েছে ছোট বোন। পড়াশোনা করছে সেও। বাড়িতে টিউশন করে রাজু অনেককে ফ্রিতে পড়ান। এমনকী কিছু বইও লিখেছেন রাজু। এমন মেধাবী পড়ুয়া বেকার তকমা ঘুচিয়ে সংসারে সহযোগিতা করার লক্ষ্য নিয়েই তাঁর ক্যাফের পরিকল্পনা। তাঁর মা নিজে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে কিছু টাকা লোন নেন। সেই লোনের টাকা দিয়েই চাঁদপাড়া স্টেশনের পাশে জায়গা ভাড়া নিয়ে, এই ক্যাফে শুরু করেন রাজু। রাজু বলেন, অধ্যাপক হওয়ার স্বপ্ন ছিল। এখন আর সেই স্বপ্ন নেই। এখন অন্ন জোগাড় করতেই এই ক্যাফে শুরু করেছি। লক্ষ্য স্থির রয়েছে। একদিন স্বপ্নপূরণ হবে।

    ক্যাফেতে কী কী পাওয়া যায়, জানেন?

    স্বনির্ভর হতে উদ্যোগী রাজুর এই ক্যাফেতে বিভিন্ন রকমের মুখরোচক খাবার সহ বন্ধুবান্ধব পরিবার নিয়ে বসে আড্ডা মারার ও মনোরম পরিবেশ রয়েছে। চা, কফি, বিস্কুট, এগরোল, মোমো, বিরিয়ানি সহ আরও অনেক কিছুই পাওয়া যায়। সাধ্যের মধ্যেই রাখা হয়েছে সমস্ত খাবারের দামও। ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এই ক্যাফে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share