Tag: Gandhi

Gandhi

  • Sam Pitroda: কংগ্রেস পার্টি ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সে’র অংশ, কবুল করলেন স্যাম পিত্রোদা

    Sam Pitroda: কংগ্রেস পার্টি ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সে’র অংশ, কবুল করলেন স্যাম পিত্রোদা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস পার্টি ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সে’র অংশ, যা বিশ্বের ১১০টিরও বেশি দেশের বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলির একটি আন্তর্জাতিক জোট। এই প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সের অর্থায়ন করতে পারেন আমেরিকান ব্যবসায়ী জর্জ সোরোস ও তাঁর ওপেন সোস্যাইটি ফাউন্ডেশন। জাতীয় জাতীয় টেলিভিশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই কবুল করলেন ওভারসিজ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান স্যাম পিত্রোদা (Sam Pitroda)। রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বিদেশি যোগাযোগের বিষয়টিও প্রকাশ্যে আনেন তিনি। এর মাধ্যমে তিনি সোরোস ও তাঁর সংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত বৈশ্বিক বামপন্থী নেটওয়ার্কের কথাও তুলে ধরেন। রাহুলের কথিত ‘গুরু’ হিসেবে পরিচিত পিত্রোদার এই বক্তব্য রাহুল ও তাঁর কংগ্রেস পার্টির বিদেশি যোগসূত্রের বিষয়টি ফের নিশ্চিত করল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাহুল গান্ধী যখনই বিদেশ সফরে যান, তার পরপরই ভারতে যে অস্থিরতা ও আকস্মিক প্রতিবাদ-বিক্ষোভ দেখা যায়, তার নেপথ্যে কোনও গোপন অ্যাজেন্ডা থাকলেও থাকতে পারে।

    কংগ্রেস পার্টি ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সে’র অংশ (Sam Pitroda)

    ওই টেলিভিশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পিত্রোদা জানান, কংগ্রেস পার্টি ‘প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সে’র অংশ, যা বিশ্বের ১১০টিরও বেশি দেশের বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলির একটি আন্তর্জাতিক জোট। এই প্রগ্রেসিভ অ্যালায়েন্সের অর্থায়ন করে থাকতে পারেন আমেরিকান ব্যবসায়ী জর্জ সোরোস। এই ব্যবসায়ী ভারতবিরোধী কার্যকলাপ, দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টিতে অর্থ জোগান দেওয়ার জন্য কুখ্যাত। তাই প্রশ্ন উঠছে, ভারতের বিরুদ্ধে বক্তব্য ও দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে দুর্বল করার অভিযোগে অভিযুক্ত এমন একটি জোটের বৈঠকে রাহুল গান্ধী কেন অংশ নেন?

    ‘ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশন’

    জর্জ সোরোস তাঁর ‘ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনে’র মাধ্যমে গণতন্ত্র, রাজনৈতিক অধিকার, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, উদারনৈতিক অ্যাজেন্ডা ও মানবাধিকারের প্রচারের আড়ালে বাস্তবে বামপন্থী মতাদর্শ, সরকারবিরোধী বয়ান এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বা গৃহঅভ্যুত্থান উসকে দেওয়ার কাজ করেন। এর মাধ্যমে তিনি নির্বাচিত সরকারগুলিকে দুর্বল করা ও ভেঙে দেওয়ার আদর্শিক কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিয়ে যান। দাতব্য কার্যকলাপ, গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সিভিল সোসাইটি সংগঠন, থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে (Rahul Gandhi) অর্থ জোগান দিয়ে সোরোস ও তাঁর ফাউন্ডেশন ভারতের মতো দেশগুলিতে পরিকল্পিত রাজনৈতিক পরিবর্তনের গতি বাড়াতে চায়, যাতে জাতীয়তাবাদী শেকড় থেকে রাজনৈতিক জোটগুলিকে সরিয়ে আদর্শগত রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটানো যায় (Sam Pitroda)।

    সোরোসের কর্মকাণ্ড

    সোরোসের কর্মকাণ্ড একটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনে হস্তক্ষেপের স্পষ্ট উদাহরণ। দাতব্য কাজ, গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার প্রচারের আড়ালে এটি মূলত কোনও দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি বা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের প্রতিফলন। সোরোসের কার্যকলাপ অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষমতা সংহত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। এখানেই ওঠে মোক্ষম সেই প্রশ্নটি। কেন রাহুল গান্ধী এমন একটি জোটের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত, যার লক্ষ্য ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোয় অস্থিরতা সৃষ্টি করা? প্রগতিশীল জোটের সঙ্গে রাহুলের সম্পর্ক নিয়ে সাম পিত্রোদার সাম্প্রতিক প্রকাশ এই আশঙ্কাগুলিকে আরও জোরালো করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভারতে যখনই কোনও নাগরিক অস্থিরতা বা প্রতিবাদ দেখা যায় এবং তা রাহুলের বিদেশ সফরের সময়সূচির সঙ্গে মিলে যায়, তখন তার পেছনে একটি গভীর যোগসূত্র, গোপন উদ্দেশ্য ও সুস্পষ্ট তাৎপর্য রয়েছে (Sam Pitroda)।

    ১৪০টি রাজনৈতিক দল প্রগতিশীল জোটের অংশ

    মনে রাখতে হবে, ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে প্রায় ১৪০টি রাজনৈতিক দল প্রগতিশীল জোটের অংশ। এই জোটের লক্ষ্য হল দাতব্য ও গণতন্ত্রের আড়ালে সরকার-বিরোধী (অ্যান্টি-এস্টাবলিশমেন্ট) অ্যাজেন্ডা-সংবলিত রাজনৈতিক আন্দোলন ও জনমত গড়ে তোলা। বিভিন্ন গবেষণাপত্রেও প্রগতিশীল জোটের (Rahul Gandhi) প্রকৃত উদ্দেশ্য হিসেবে ‘ভাবাদর্শগত বিশ্বায়নে’র কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রগতিশীল জোটে সোরোসের অর্থায়ন নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে পিত্রোদা বলেন, “ভারতের বাইরে অনুষ্ঠিত কোনও সেমিনার, সম্মেলন, রাজনৈতিক প্রচারাভিযান বা অন্যান্য জনআলোচনার অনুষ্ঠানের অর্থের উৎস বা তার শেকড় নিয়ে কংগ্রেস পার্টি মাথা ঘামায় না।” রাহুল গান্ধী–প্রগতিশীল জোট–জর্জ সোরোসের এই সম্পর্ক নিয়ে এমন প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি রাহুলের বিদেশ সফরের আড়ালে থাকা প্রকৃত অ্যাজেন্ডা সম্পর্কে গভীর ইঙ্গিত দেয় (Sam Pitroda)।

  • BJP: বিদেশে ফের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ রাহুলের, সাংসদকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    BJP: বিদেশে ফের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ রাহুলের, সাংসদকে ধুয়ে দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁচ দিনের সফরে জার্মানিতে রয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সেখানকার বার্লিনে হার্টি স্কুলে ‘পলিটিক্স ইজ দ্য আর্ট অফ লিসিনিং’ শীর্ষক এক অধিবেশনে ভাষণ দেন রাহুল। সেখানে তিনি আবারও ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তোলেন এবং (BJP) ভারতে সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলির স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

    ভোট চুরির অভিযোগ রাহুলের (BJP)

    রাহুলের দাবি, কংগ্রেস ২০২৪ সালের হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল এবং মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন ঠিকঠাকভাবে হয়নি। বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে ভারতভূমির মাথা হেঁট করায় রাহুলের ওপর বেজায় ক্ষুব্ধ বিজেপি। যার জেরে লোকসভায় বিরোধী দলনেতা রাহুলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে পদ্মশিবির। বিজেপির অভিযোগ, বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে রাহুল গান্ধী বারবার ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলছেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছেন।

    সাংসদকে নিশানা বিজেপির

    বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারি বলেন, “রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই প্রমাণ করে দিয়েছেন যে ভারতের নেতা হওয়ার প্রতি তাঁর কোনও আগ্রহ নেই। তাঁর চিন্তাধারায় ভারত বিশ্বগুরু হওয়ার কথাও ভাবা উচিত নয়। এতেই বোঝা যায়, এই মানুষগুলি ভারতের কত বড় শত্রু।” ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতির কথা তুলে ধরে তিওয়ারি বলেন, “আজ বিশ্বের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশগুলির মধ্যে ভারত চতুর্থ স্থানে রয়েছে। খুব শিগগিরই আমরা তৃতীয় স্থানে পৌঁছে যাব।” একই সুরে রাহুলের সমালোচনা করেন বিহারের মন্ত্রী দিলীপ জয়সওয়ালও। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী যখনই বিদেশে যান, তখনই ভারতের বিরুদ্ধে কথা বলেন। এজন্য দেশের মানুষ তাঁকে কখনও ক্ষমা করবে না। দেশের বিষয়ে যা বলার, তা দেশের সঙ্গে যুক্ত মঞ্চেই বলা উচিত (BJP)।”

    প্রসঙ্গত, জার্মানির ওই সভায় রাহুল বলেন, “আমরা তেলঙ্গনা ও হিমাচল প্রদেশে নির্বাচন জিতেছি। ভারতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে আমরা উদ্বেগ জানিয়ে আসছি। বিরোধীরা প্রমাণ পেশ করেছেন এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাবও চেয়েছেন।” ভোটার তালিকায় গুরুতর অসঙ্গতির অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, “হরিয়ানায় ভোটার তালিকায় এক ব্রাজিলীয় মহিলার নাম ২২ বার ছিল।” রাহুলের আরও (BJP) অভিযোগ, ভারতের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর পূর্ণমাত্রার আক্রমণ চলছে এবং কেন্দ্রীয় সরকার তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তিনি ইঙ্গিত দেন, ব্যবসায়িক মহলকে আর্থিকভাবে বিজেপিকে সমর্থন করতে চাপ দেওয়া হচ্ছে (Rahul Gandhi), যা একটি ‘কুইড প্রো কো’ বা পারস্পরিক সুবিধার বিনিময়মূলক ব্যবস্থার ইঙ্গিত বহন করে।

  • Sonia Gandhi: ভারত-বিরোধী মন্তব্যের জন্য পরিচিত মিশেলকে ইন্দিরা পুরস্কার দিয়ে বিতর্কে কংগ্রেস

    Sonia Gandhi: ভারত-বিরোধী মন্তব্যের জন্য পরিচিত মিশেলকে ইন্দিরা পুরস্কার দিয়ে বিতর্কে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশে নানা সময় গিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন কংগ্রেসের (Sonia Gandhi) প্রাক্তন সভাপতি তথা সাংসদ রাহুল গান্ধী। এবার তাঁর দলই ইন্দিরা গান্ধী স্মারক ট্রাস্টের মাধ্যমে মর্যাদাপূর্ণ শান্তি, নিরস্ত্রীকরণ ও উন্নয়নের জন্য ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার দিয়েছে চিলির প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মিশেল বাসেলেটকে। এই মিশেল আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ঘোর বামপন্থী মতাদর্শের জন্য পরিচিত। কাশ্মীর সংক্রান্ত বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাবের সমর্থক। ভারতবিরোধী মন্তব্যের জন্যও তিনি নানা সময় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন (Indira Gandhi Peace Prize)।

    মিশেলের হাতে পুরস্কার (Sonia Gandhi)

    এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটি হয় বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫। পুরস্কারটি মিশেলের হাতে তুলে দেন কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন এবং ট্রাস্টের প্রধান সোনিয়া গান্ধী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিশেলকে এই পুরস্কার দেওয়ার জন্য বেছে নেওয়ার ঘটনাটিকে স্রেফ একটি কাকতালীয় ঘটনা হিসেবে দেখছেন না রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, এটি কংগ্রেসের একটি সুপরিকল্পিত আদর্শগত বার্তা। মিশেলের পরিচয় এমন একটি রাজনৈতিক বর্ণনার সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায় যা প্রায়ই বর্তমান ভারত সরকারের বিপরীতে নিজেকে উপস্থাপন করে, এমনকি জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নেও।

    তীব্র ভারত বিদ্বেষী

    মিশেল অতিবামপন্থী রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। তিনি চিলির সোশ্যালিস্ট পার্টির আজীবন সদস্য। তাঁর দলের প্রধান লক্ষ্যই হল বৈপ্লবিক পরিবর্তন। তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার এই অতিবামপন্থী আদর্শের ভিত্তিতে নির্মিত। তিনি তাঁর আন্তর্জাতিক ভূমিকার মধ্যেও এই আদর্শিক অবস্থান বজায় রেখেছেন। এমন নির্দিষ্ট মতাদর্শের একজন রাজনীতিককে সম্মান জানানোর সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক মিত্র বাছাই সম্পর্কে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তোলে (Sonia Gandhi)। মিশেল তীব্র ভারত বিদ্বেষী। কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতিও তিনি সহানুভূতিশীল। রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার হিসেবে মিশেল কূটনৈতিক ভাষার সীমানা ছাড়িয়ে ভারতের সার্বভৌম সিদ্ধান্তগুলির অন্যতম জোরালো আন্তর্জাতিক সমালোচকে পরিণত হন। তাঁর শাসনকাল উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে চিরকাল।

    কাশ্মীরের পরিস্থিতি

    এর কারণগুলি হল, কাশ্মীরে হস্তক্ষেপ (Indira Gandhi Peace Prize)। কাশ্মীর থেকে অনুচ্ছেদ ৩৭০ বাতিলের পর ২০১৯ সালে মিশেল তাঁর রাষ্ট্রসংঘের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। বিচ্ছিন্নতাবাদী লবির বক্তব্যের সঙ্গে সহমতও পোষণ করেছিলেন তিনি। তিনি সরাসরি দাবি করেছিলেন যে কাশ্মীরের জনগণকে প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়ায় পরামর্শ ও অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। তাঁর এই দাবি যা ভারতের সাংবিধানিক অখণ্ডতাকে চ্যালেঞ্জ করতে চাওয়া গোষ্ঠীর বক্তব্যের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগও করেছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে ইউএন হিউম্যান রাইটস অফিস কাশ্মীর নিয়ে যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল, ভারত সরকার সেটিকে অফিসিয়ালি প্রত্যাখ্যান করে “মিথ্যা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” এবং “স্পষ্ট পক্ষপাতদুষ্ট” বলে উল্লেখ করে। এসব রিপোর্টে ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনি কাঠামোর সমালোচনা করা হয়েছিল এবং সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের হুমকিকে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছিল (Sonia Gandhi)।

    ভারতকে লক্ষ্য করে বিবৃতি

    ভারতের অভ্যন্তরীণ নীতির সমালোচনাও করেছিলেন মিশেল। তিনি এনআরসির বিষয়ে একাধিকবার ভারতকে লক্ষ্য করে বিবৃতি দেন, যাকে ভারত সরকার অযাচিত এবং বাস্তব পরিস্থিতির প্রতিফলন নয় বলে সাফ জানিয়ে দেয়। মিশেল বারবার ও ধারাবাহিকভাবে ভারতকে টার্গেট করেছে, যেখানে তিনি ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও আইনি পদক্ষেপগুলিকে মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। তাঁর বিবৃতিগুলিতে প্রায়ই কাশ্মীর এবং এনআরসি প্রসঙ্গে মুসলিম সংখ্যালঘুদের উদ্বেগের কথা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে, কিন্তু ভারতের সামনে থাকা জটিল নিরাপত্তা ও জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জগুলি উপেক্ষিত হয়েছে। মিশেল নিজেকে বৈশ্বিক বিরোধ প্রচারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন (Indira Gandhi Peace Prize)। রাষ্ট্রসংঘের পদ ব্যবহার করে নিয়মিতভাবে ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে তির্যক সমালোচনা করেছেন। তিনি বারংবার ইউএপিএর মতো ভারতীয় আইনগত কাঠামোর সমালোচনা করেছেন এবং নাগরিক স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এসবই ভারত সরকারের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তের বিরোধী (Sonia Gandhi)।

    মিশেলের ভারতবিরোধী মন্তব্য

    পুরস্কার গ্রহণ অনুষ্ঠানে সোনিয়া গান্ধী চিলিতে মিশেলের নারী-অধিকার ও সামাজিক সংস্কারমূলক কাজের প্রশংসা করেন। যদিও রাষ্ট্রসংঘে তাঁর বিতর্কিত মেয়াদকাল বা ভারতের সঙ্গে তাঁর সরাসরি সংঘাতের প্রসঙ্গ এড়িয়ে গিয়েছেন সোনিয়া। সমালোচকদের মতে, এই নির্বাচিত প্রশংসা মিশেলের ভারতবিরোধী অবস্থানের প্রতি নীরব সমর্থনই প্রকাশ করে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভারতের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ শান্তি পুরস্কার এমন একজন বিদেশিকে দেওয়া হল, যিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে ভারতের অবস্থানকে দুর্বল করেছেন। এর মাধ্যমে কংগ্রেস একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা দিয়ে দিল। কংগ্রেসের এহেন পদক্ষেপকে এমন একটি রাজনৈতিক জুয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা নিরঙ্কুশ জাতীয় সংহতির চেয়ে আন্তর্জাতিক বামপন্থী স্বীকৃতি এবং অভ্যন্তরীণ বিরোধী রাজনীতিকে বেশি অগ্রাধিকার দেয়। এই পুরস্কার আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করেছে যে কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছে আদর্শ পুরস্কারপ্রাপক (Indira Gandhi Peace Prize) সেই ব্যক্তি, যাঁর আন্তর্জাতিক প্রভাব ভারতের কর্মকাণ্ড ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে কাজে লাগানো হয়েছে (Sonia Gandhi)।

  • Rahul Gandhi: রাহুল ও কংগ্রেসকে নিশানা করে চিঠি বিশিষ্ট নাগরিকদের

    Rahul Gandhi: রাহুল ও কংগ্রেসকে নিশানা করে চিঠি বিশিষ্ট নাগরিকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে (ECI) নিশানা করেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এবার রাহুল এবং কংগ্রেসকে আক্রমণ শানিয়ে খোলা চিঠি লিখলেন দেশের ২৭২ জন বিশিষ্ট নাগরিক। এঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি, ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক আধিকারিক, কূটনীতিক ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রবীণ সদস্যরাও। বুধবার ওই চিঠি দেন তাঁরা। চিঠিতে তাঁদের অভিযোগ, রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনবিশ্বাস ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি পরিকল্পিত চেষ্টা চালাচ্ছে। এই অভূতপূর্ব হস্তক্ষেপ ভারতের প্রতিষ্ঠানগত ও কৌশলগত ব্যবস্থার কিছু অংশে দেশের সংবিধানিক সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক বাকযুদ্ধের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রতিফলিত করে।

    স্বাক্ষরকারীরা (Rahul Gandhi)

    চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন ১৬ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, ১২৩ জন প্রাক্তন সিভিল সার্ভেন্ট, ১৪ জন রাষ্ট্রদূত এবং ১৩৩ জন প্রাক্তন সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর আধিকারিক। তাঁদের যৌথ বিবৃতিতে বিরোধীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে তারা পুনরাবৃত্তিমূলক, প্রমাণহীন এবং উসকানিমূলক নির্বাচনী প্রতারণার অভিযোগ করছে, যা তাঁদের মতে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের বিশ্বাসকে অস্থিতিশীল করে দিতে পারে। চিঠিটিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, “এই ধরনের বিবৃতি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের বিশ্বাস ক্ষয় করে এবং সংবিধানিক বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাজকর্মকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে।”

    রাহুলের অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ব্যাপক সরব হয়েছিলেন রাহুল। তিনি তাদের বিরুদ্ধে ভোট চুরি এবং হরিয়ানা ও কর্নাটকের মতো রাজ্যগুলিতে ভোটার তালিকা কারচুপির অভিযোগ এনেছেন। যদিও এসব দাবির পক্ষে কোনও জোরালো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি তিনি (Rahul Gandhi)। রাহুলের তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (ECI) রাহুলকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছিলেন, “তিনি যেন হলফনামা জমা দিয়ে নির্দিষ্ট করে অবৈধ ভোটারদের নাম উল্লেখ করেন, যাতে অভিযোগগুলি যাচাই করা যায়।” তবে এখনও পর্যন্ত এই ধরনের কোনও হলফনামা জমা দেওয়া হয়নি কংগ্রেসের তরফে (Rahul Gandhi)।

  • SIR: আসলে এসআইআর সমর্থনই করছেন রাহুল গান্ধী! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

    SIR: আসলে এসআইআর সমর্থনই করছেন রাহুল গান্ধী! কী বলল নির্বাচন কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) নিয়ে ঘুম ছুটেছে বিরোধীদের। প্রকাশ্যে চলে এসেছে তাঁদের দ্বিচারিতার রাজনীতিও। এক সময় এসআইআরের দাবি জানিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সেই তিনিই এখন এসআইআরের বিরোধিতায় নেমে পড়েছেন পথে। এই দ্বিচারিতার রাজনীতি করে চলেছে কংগ্রেসও (Rahul Gandhi)। নির্বাচন কমিশনের দাবি, একদিকে রাহুল গান্ধী এসআইআরের বিরোধিতা করছেন। অথচ এটি ভোটার তালিকা শুদ্ধ করার প্রক্রিয়া। অন্যদিকে তিনিই অতীতের ভোটার তালিকার অশুদ্ধির কথা তুলে ধরে ভাষণ দিয়ে যাচ্ছেন। কমিশনের সাফ কথা, “এ থেকে এটি স্পষ্ট যে, শুরুতে তিনি বিরোধিতা করলেও, এখন তিনি এসআইআরকে সমর্থনই করছেন।”

    ভোট চুরির অভিযোগ রাহুলের (SIR)

    ঘটনার সূত্রপাত বুধবার। এদিন কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ফের দাবি করেন, দেশে ব্যাপকভাবে ভোট চুরি হচ্ছে। এদিন তিনি তাক করেছিলেন হরিয়ানাকে, যেখান ২০২৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গড়েছে বিজেপি। দুপুরে হরিয়ানার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক এক্স হ্যান্ডেলে বলেন, “প্রিয় ভোটারবৃন্দ, বিরোধী দলনেতা শ্রী রাহুল গান্ধীর প্রেস কনফারেন্সের বিস্তারিত জবাব শীঘ্রই জানানো হবে।” হরিয়ানা সিইওর এক্স হ্যান্ডেলে ‘হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৪ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ শিরোনামে একটি পোস্ট করা হয়েছে। তাতে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের তারিখ, মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা, পোলিং এজেন্ট, প্রাপ্ত অভিযোগ এসবেরই বিস্তারিত দেওয়া হয়েছে (Rahul Gandhi)।

    নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

    সংবাদ সংস্থা এএনআই নির্বাচন কমিশনের সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, নির্বাচনী তালিকা নিয়ে কোনও আপিল দাখিল হয়নি। রাজ্যের ৯০টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য হাইকোর্টে মাত্র ২২টি পিটিশন বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে (SIR)। সূত্রের প্রশ্ন, কংগ্রেসের পোলিং এজেন্টরা যদি সত্যিই মনে করে থাকেন যে ডুপ্লিকেট ভোট হয়েছে, তবে তাঁরা ভোটকেন্দ্রেই আপত্তি জানালেন না কেন? গান্ধী কি এসআইআর প্রক্রিয়া সমর্থন করেন নাকি বিরোধিতা করেন? এই প্রক্রিয়াটি তৈরি হয়েছে ডুপ্লিকেট, মৃত এবং স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য। এর পাশাপাশি যাচাই করে নেওয়া হচ্ছে নাগরিকত্বও। সূত্রের আরও প্রশ্ন, কংগ্রেসের বুথ লেভেল এজেন্টরা কেন তালিকা সংশোধনের সময় কোনও দাবি বা আপিল দায়ের করেননি? নির্বাচন কমিশনের প্রশ্ন, রাহুল গান্ধীর ওই দাবিতে, যেখানে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে নকল বা দ্বৈত ভোট বিজেপির দিকে গিয়েছে। আর বিজেপির দাবি ছিল, সেই ভোট পড়েছে কংগ্রেসের ঝুলিতে। কমিশন আরও জানিয়েছে যে, ‘হাউস নম্বর জিরো’ সেই সব এলাকাকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, যেখানে পুরসভা বা পঞ্চায়েত এখনও বাড়ির নম্বর বরাদ্দ করেনি (Rahul Gandhi)।

    রাহুলের বিস্ফোরক দাবি

    রাহুল গান্ধীর দাবি, হরিয়ানার প্রতি আটজন ভোটারের একজন নকল। তিনি বুথে পড়া ভোট ও পোস্টাল ব্যালটে পড়া ভোটের মধ্যে অকারণ ফারাক সম্পর্কেও প্রশ্ন তোলেন। প্রেস কনফারেন্সে তিনি বলেন, “আমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ আছে যে হরিয়ানায় ২৫ লাখ ভোটার নকল, এরা হয় নেই, অথবা এদের নাম দ্বৈতভাবে রয়েছে, অথবা এমনভাবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে যাতে যে কেউ তাদের নামে ভোট দিতে পারে। হরিয়ানায় প্রতি ৮ জনের ১ জন ভোটার নকল, শতাংশের বিচারে তারা ১২.৫ (SIR)।” তিনি বলেন, “আমাদের কাছে ‘এইচ’ ফাইলস নামে একটি নথি আছে এবং এটি দেখায় কীভাবে পুরো একটি রাজ্যকে চুরি করে নেওয়া হয়েছে। আমরা সন্দেহ করছিলাম যে এটি কেবল আলাদা আলাদা আসনে হচ্ছে না, বরং রাজ্য এবং জাতীয় স্তরেও ঘটছে। হরিয়ানা থেকে আমাদের প্রার্থীদের কাছ থেকে বহু অভিযোগ পেয়েছিলাম যে কিছু একটা ঠিকমতো কাজ করছে না। তাদের সমস্ত পূর্বাভাস উল্টে গিয়েছিল। আমরা এ ধরনের অভিজ্ঞতা মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্রেও পেয়েছি, কিন্তু আমরা হরিয়ানায় জুম করে সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল সেটা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।” তাঁর অভিযোগ, হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে জেতাতে ২৫ লাখ ভোট চুরি হয়েছে।

    হরিয়ানা বিধানসভার নির্বাচন

    প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে নির্বাচন হয় ৯০ আসন বিশিষ্ট হরিয়ানা বিধানসভার। সেই নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয় ৪৭টি আসনে।  কংগ্রেস পায় ৩৭টি আসন। সেই নির্বাচনের এক বছর পর এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগে সরব হলেন রাহুল। বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে বিহার বিধানসভার নির্বাচন। তার ঠিক আগের দিনই দিল্লিতে রাহুল অভিযোগ করেন, গত বছর হরিয়ানায় ৫.২১ শতাংশ ডুপ্লিকেট ভোটার ভোট দিয়েছিলেন (Rahul Gandhi)।  ৯৩ হাজার ১৭৪ জন অবৈধ ভোটার ভোট দেন। আর ১৯ লাখ ২৬ হাজার বাল্ক ভোটার ভোট দেন। সব মিলিয়ে চুরি হয়েছে ২৫ লাখ ভোট (SIR)।

LinkedIn
Share