Tag: Ganesh Chaturthi

Ganesh Chaturthi

  • Bombay High Court: ইদ-ই-মিলাদের মিছিলে তারস্বরে মাইক! বড় পর্যবেক্ষণ বম্বে হাইকোর্টের

    Bombay High Court: ইদ-ই-মিলাদের মিছিলে তারস্বরে মাইক! বড় পর্যবেক্ষণ বম্বে হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবে মাইক বাজানো নিয়ে বুধবার বম্বে হাইকোর্ট (Bombay High Court) তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে। আদালতের মতে, ‘‘গণেশ উৎসবের (Ganesh Chaturthi) সময় তার স্বরে মাইক বাজানো যদি ক্ষতিকারক হয়, তবে ঈদ-ই-মিলাদ-উন-নবীর মিছিলের সময়ও তা সমান ক্ষতিকারক।’’ প্রধান বিচারপতি ডিকে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি অমিত বোরকারের ডিভিশন বেঞ্চ একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানির সময় এই মন্তব্য করেন।

    মামলাকারীদের দাবি (Bombay High Court) 

    প্রসঙ্গত, এই মামলায় ইদ-ই-মিলাদ-উন-নবীর মিছিলে ডিজে নাচ এবং লেজার শো- এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আনার দাবি জানান মামলাকারীরা (Bombay High Court)। এর পাশাপাশি, পুলিশকে এ বিষয়ে নির্দেশ দিতেও আর্জি জানান আবেদনকারীরা। যুক্তি হিসেবে তাঁরা তুলে ধরেন যে কোরান বা হাদিস কোনও বইতেই ডিজে সিস্টেমের ব্যবহার এবং লেজার লাইট ব্যবহার করে ইদ-ই-মিলাদ-উন-নবী পালন করতে হবে এমন কথা বলা নেই।

    হাইকোর্ট (Bombay High Court) তার আগের আদেশের উল্লেখ করে

    প্রসঙ্গত, এর আগে গণেশ উৎসবের (Ganesh Chaturthi) সময় আদালত একটি নির্দেশ দিয়েছিল। বুধবার এই মামলার শুনানির সময়, আদালত সেই আদেশের কথা উল্লেখ করে। সেই আদেশে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সাউন্ড সিস্টেম এবং লাউড স্পিকারের ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞায় জোর দিয়েছিল। সেই নির্দেশ উল্লেখ করে হাইকোর্ট জানায়, গণেশ পুজোর মাইক ক্ষতিকারক হলে ইদ-ই-মিলাদ-উন-নবীর মিছিলের সময়ও তা সমান ক্ষতিকারক। প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তার স্বরে মাইক বাজানো বেআইনি।

    লেজার লাইট কী ক্ষতি করতে পারে তা মামলাকারীদেরই জানাতে হবে

    এর পাশাপাশি, লেজার লাইটের ব্যবহারে মানুষের কী কী ক্ষতি হয়, সে নিয়েও বিজ্ঞানসম্মত রিপোর্ট বোম্বে হাইকোর্টে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ (Bombay High Court)। এদিনই বিচারপতিদের বেঞ্চ জানায়, আমরা কেউ বিশেষজ্ঞ নই, তাই লেজার লাইট কী ক্ষতি করতে পারে তা মামলাকারীদেরই জানাতে হবে। মামলা করার আগে এবিষয়ে মামলাকারীদের লেজার লাইটের ক্ষতিকারক দিকগুলি খুঁজে রাখা উচিত ছিল বলে জানিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ganesh Chaturthi 2024: আজ গণেশ চতুর্থী, সব পুজোর আগে কেন হয় সিদ্ধিদাতার আরাধনা? জানুন তাৎপর্য

    Ganesh Chaturthi 2024: আজ গণেশ চতুর্থী, সব পুজোর আগে কেন হয় সিদ্ধিদাতার আরাধনা? জানুন তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিদ্ধিদাতা (Siddhidata) গণেশকে সঙ্কট মোচক বলা হয়। জীবনের সকল বাধা দূর করেন গণপতি বাপ্পা। আবার ভারতের জাতীয়তাবোধের উন্মেষের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত গণেশ পুজো। পরাধীন ভারতে মহারাষ্ট্রে গণপতি উৎসব (Ganesh Chaturthi 2024) শুরু করেছিলেন লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক। হিন্দু জাতীয়তাবাদী উৎসব হিসেবে তা ব্যাপক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছিল। বাল গঙ্গাধর তিলকের আগে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজও সপ্তদশ শতকে গণেশ উৎসব করেছিলেন। গণপতির প্রতিমা, গেরুয়া পতাকা ও বাজনার সহযোগে শোভাযাত্রার মাধ্যমে গণেশ উৎসব পালন করা হয়। পিছিয়ে নেই বাংলাও। বিগত বছরগুলিতে গণেশ চতুর্থী পালন লক্ষণীয়ভাবে বেড়েছে। প্যান্ডেল, প্রতিমা, চোখ ধাঁধানো আলোর মালা, এসব দিয়েই বাঙালি সমাজ মেতে ওঠে গণপতি বাপ্পার আরাধনায়। আসুন জেনে নিই গণেশ পুজোর মাহাত্ম্য।

    গণেশ চতুর্থীর শুভ সময় (Ganesh Chaturthi 2024)

    ২০২৪ সালের গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi 2024) পড়েছে আজ, ৭ সেপ্টেম্বর, শনিবার। তবে পুজোর তিথির ৬ সেপ্টেম্বর থেকেই পড়েছে। শুক্রবার, দুপুরে ৩টে ৩১ মিনিট থেকে এই পুজোর মাহেন্দ্রক্ষণ শুরু এবং তিথি শেষ হচ্ছে ৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিটে। আবার উদয়া তিথি অনুসারে গণেশ চতুর্থী ৭ সেপ্টেম্বর পালিত হবে। কলকাতায় গণেশ চতুর্থীর পুজো করা হবে দৃক পঞ্জিকা অনুসারে। এই পঞ্জিকা মতে ৭ সেপ্টেম্বর বেলা ১১.০৩ মিনিট থেকে শুরু হবে তিথি এবং দুপুর ১.৩৪ মিনিট পর্যন্ত চলবে পুজো। অপর দিকে সাধারণ পুজোর সময় সকাল ১০.২০ মিনিট শুরু হবে আর এবং চলবে দুপুর ১২.৪৯ মিনিট পর্যন্ত।

    গণেশ চতুর্থীর পৌরাণিক আখ্যান

    পৌরাণিক কাহিনী অনুসারে, গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi 2024) হল গণপতি (Siddhidata) বাপ্পার জন্মতিথি। এদিনই মা পার্বতীর কোলে এসেছিলেন গণেশ। ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথি (Ganesh Chaturthi 2024) তাই গণেশ চতুর্থী নামে জনপ্রিয়। এই দিনটি আবার বিনায়ক চতুর্থী নামেও পরিচিত। ভক্তদের বিশ্বাস, গণেশের পুজো ঘরে সুখ, সমৃদ্ধি ও শান্তি বয়ে নিয়ে আসে। তবে গণেশ চতুর্থী নিয়ে পুরাণেও মতভেদ দেখা যায়। শিব পুরাণে ভাদ্রমাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্থীকে গণেশের জন্মতিথি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অন্যদিকে, আবার গণেশ পুরাণ অনুযায়ী, পার্বতী নন্দনের আবির্ভাব ঘটেছিল ভাদ্রের শুক্ল চতুর্থীতে। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্রমাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থীতে রাতে চাঁদ দর্শন নিষিদ্ধ। বিশ্বাস করা হয় যে, এই রাতে যে ব্যক্তি চাঁদের দিকে তাকায়, সে মিথ্যা কলঙ্ক পায়।

    গণেশ উৎসবের তাৎপর্য 

    স্কন্দপূরাণ মতে, শ্রী গণেশ (Ganesh Chaturthi 2024) জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে। সমস্ত দেবদেবীর মধ্যে গণেশের পুজো প্রথমে করা হয়। এর নেপথ্যে এক বিশেষ কারণ রয়েছে। কথিত আছে, ভগবান শিব গণেশকে বর দিয়েছিলেন। তাতে বলা হয়, যে কোনও শুভ কাজে এবং আচার-অনুষ্ঠানে প্রথমেই ভগবান গণেশের বন্দনা করা হবে। গণেশের পুজো করলে সমস্ত বাধা দূর হয়। লৌকিক বিশ্বাস যে ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী থেকে এই মাসের চতুর্দর্শী তিথি পর্যন্ত ভগবান গণেশ পৃথিবীতে ১০ দিন অবস্থান করেন। গণেশ চতুর্থীতে মণ্ডপে এবং বাড়িতে গণেশ স্থাপন করা হয়। কথিত আছে গণেশের পুজো করলে জীবন থেকে মানসিক চাপ দূর হয়, সুখ ও সমৃদ্ধি আসে।

    আরও পড়ুনঃ “খুব রোখ না হলে, চাষার যেমন মাঠে জল আসে না, সেইরূপ মানুষের ঈশ্বরলাভ হয় না”

    গণেশ চতুর্থী পুজো-বিধি

    গণেশ চতুর্থীর (Ganesh Chaturthi 2024) দিন সকালে স্নান সেরে বাড়ির মন্দিরে প্রদীপ জ্বালানো হয়। এরপর পুজো ও ব্রতর সঙ্কল্প নেওয়া হয়। এই দিনে শুভ সময়ে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ভক্তদের ইচ্ছানুযায়ী, গণপতির মূর্তি স্থাপন করা হয়। এরপর গঙ্গাজল দিয়ে প্রতিমার অভিষেক পর্ব চলে। সেই সঙ্গে গণেশকে ফুল ও দূর্বা ঘাস অর্পণ করা হয়। দূর্বা ভগবান গণেশের খুব প্রিয়। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে, দূর্বা নিবেদন করলে ভগবান গণেশ প্রসন্ন হন এবং ভক্তদের সমস্ত কষ্ট দূর করেন। ভগবান গণেশের পুজোর সময় ঠাকুরকে সিঁদুর লাগানো হয়। প্রিয় ভোগ মোদক বা লাড্ডু নিবেদন করা হয়। পুজো শেষে আরতি করে প্রণাম করা হয়। শেষে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ganesh Chaturthi: মুম্বইয়ে ৬৯ কেজি সোনা, ৩৬৬ কেজি রুপোয় মোড়া গণেশের মূর্তি!

    Ganesh Chaturthi: মুম্বইয়ে ৬৯ কেজি সোনা, ৩৬৬ কেজি রুপোয় মোড়া গণেশের মূর্তি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ের সব থেকে বড় বাজেটের গণেশ চতুর্থীর (Ganesh Chaturthi) পুজো কোনটা জানা আছে? এই বছর কিং সার্কেলের গণেশ পুজো হল ভারতের সব থেকে ধনী পুজো। ৬৯ কেজি সোনা এবং ৩৩৬ কেজি রুপো দিয়ে তৈরি হয়েছে জিএসবি-র সেবা মণ্ডপের গণপতি মূর্তি। এই বছর পুজো ৬৯ তম বর্ষে পদার্পণ করেছে বলে জানা গেছে। বিরাট গণেশ তাক লাগিয়েছে ভক্তদের। দর্শনার্থীদের মধ্যেও দেখা গেছে ঠাকুর দেখার তীব্র উচ্ছ্বাস। সামজিক মাধ্যমেও এই পুজোর ছবি প্রচুর বিনিময় হচ্ছে বলে জানা গেছে। 

    মুম্বইয়ের সব থেকে ধনী গণপতি (Ganesh Chaturthi)

    বাণিজ্য নগরীর সব থেকে বড় উৎসব হল গণেশ চতুর্থীর (Ganesh Chaturthi) সিদ্ধিদাতা গণেশের পুজো। এই বছর মুম্বইয়ের সব থেকে বড় বাজেটের পুজো হল জিএসবির পুজো। এই মণ্ডপের বিশেষ আকর্ষণ হল, বিশাল গণেশ মূর্তি। সেই সঙ্গে এই বছরের বিশেষ আকর্ষণ হিসাবে গণেশের জন্য রুপো এবং সোনা অলঙ্কার ব্যবহার করা হয়েছে। এই মূর্তির জন্য মোট ৩৬০ কোটি টাকার বিমা করা হয়েছে। মূর্তি যে সোনা এবং রুপো দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে, সেই অলঙ্কারের জন্য ৩৮.৪৭ কোটি টাকার বিমা করা হয়েছে। এই ধনী গণপতি মূর্তি সকলের নজর কেড়েছে।

    জিএসবির পুজো কমিটির বক্তব্য

    মুম্বাইয়ের জিএসবির পুজো কমিটির পক্ষ থেকে আমিত ডি পাই বলেন, “গণেশের (Ganesh Chaturthi) জন্য আমরা বিমা করেছি, যার পরিমাণ ৩৬০ কোটি। এই মোটা অঙ্কের বিমা মূলত মন্দিরে দর্শনার্থীদের সুরক্ষার কথাকে ভেবেই করা হয়েছে। এছাড়াও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে ২ কোটি টাকার বিমা করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কথা ভেবে ২৮৯.৫০ কোটি টাকার কথা ভাবা হয়েছে।” উল্লেখ্য এত বড় মূর্তি যদি ভূমিকম্প বা বৃষ্টির কারণে ক্ষতি হয়, সেই কথা ভেবেই এই বিমার কথা ভাবা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই মূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলে আশেপাশের মানুষের মধ্যেও প্রভাব পড়তে পারে। তাই নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত বলে পুজো কমিটির তরফ থেকে জানানো হয়েছে। মণ্ডবের সুরক্ষার কথা ভেবে ভক্তদের ডিজিটাল ভাবেও দর্শন করার কথা জানানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka High Court: মধ্যরাতের শুনানিতে মিলল ছাড়পত্র, কর্নাটকের হুব্বালি ইদগাহ ময়দানে হবে গণেশ উৎসব  

    Karnataka High Court: মধ্যরাতের শুনানিতে মিলল ছাড়পত্র, কর্নাটকের হুব্বালি ইদগাহ ময়দানে হবে গণেশ উৎসব  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যরাতের শুনানিতে মিলল ছাড়পত্র। হুব্বালি ইদগাহ ময়দানে (Hubbali Eidgah Ground) গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi) উৎসব পালনের অনুমতি দিল কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnatak High Court)। মঙ্গলবার, ৩০ অগাস্ট মধ্য রাতে কর্নাটক হাইকোর্টের ধরওয়াড বেঞ্চে হয় ওই মামলার শুনানি। তার পরেই মেলে উৎসব পালনের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র। হাইকোর্টের রায়ে প্রত্যাশিতভাবেই খুশি উৎসবের আয়োজকরা।

    তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন সকালেই মামলাটি উঠেছিল সুপ্রিম কোর্টে। বেঙ্গালুরুর ছামারাজপেট এলাকার ইদগাহ ময়দানে গণেশ চতুর্থী উৎসব পালনের অনুমতি দিয়েছিল রাজ্য সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন জনৈক আবেদনকারী। সরকারি আদেশ বাতিল করে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার পক্ষে রায় দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। গত দুশো বছর ধরে বজায় রয়েছে এই স্থিতাবস্থা।

    ধরওয়াড বেঞ্চের সিঙ্গল-জাজ বেঞ্চের বিচারক অশোক কিনাগি জানিয়ে দেয়, হুব্বালি মামলা ছিল আলাদা। কারণ সেখানে জমির মালিকানা নিয়ে কোনও প্রশ্ন ছিল না। ওই জমির মালিকানা হুব্বালি ধরওয়াদ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের। সুপ্রিম কোর্টের রায় হাতে পেয়ে আঞ্জুমান-ই-ইসলামের তরফে ধরওয়াদ বেঞ্চের সামনে একটি পিটিশন দাখিল করা হয়। তাতে চ্যালেঞ্জ জানানো হয় হুব্বালি ইদগাহ ময়দানে গণেশ চতুর্থী উৎসব পালনের যে অনুমতি দিয়েছিল পুরসভা কর্তৃপক্ষ, তাকে।

    আরও পড়ুন : জামাতের অনুমতি পেলেই গণেশ পুজো! নির্দেশ মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মধ্য রাতের রায়ে হাইকোর্ট উল্লেখ করে, হুব্বালি ধরওয়াদ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন ওই জমির মালিক। জমিটি আঞ্জুমান-ই-ইসলামকে ৯৯৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়েছিল। তাই জমির অধিকার এখনও রয়েছে কর্পোরেশনের হাতেই। যাঁরা জমিটি দখল করে রয়েছেন, তাঁরা বছরে মাত্র দুদিন প্রার্থনা করেন, একটি রমজানের সময়, অন্যটি বকরি ইদের সময়। বিচারপতি কিনাগি বলেন, এই দিনগুলিতে হস্তক্ষেপ করা হবে না। কিন্তু এই দু দিন ছাড়া আদালত আদেশ দিচ্ছে, জমিটি নিয়ে কর্পোরেশন যা খুশি করতে পারে। যেহেতু হুব্বালি জমির মালিকানা নিয়ে কোনও বিতর্ক নেই, তাই দেশের শীর্ষ আদালতের রায় এই ক্ষেত্রে খাটে না। আদালতে রায়ে খুশি ওই ইদগাহ ময়দানে গণেশ চতুর্থী উৎসবের আয়োজকরা। শুরু হয়েছে পুজোর প্রস্তুতি। গোমূত্র দিয়ে শুদ্ধ করা হয়েছে মাঠ। মাঠ পরীক্ষা করেছে বম্ব স্কোয়াড। উড়েছে ড্রোন। তার পরেই বসানো হয় প্রতিমা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ganesh Chaturthi 2022: দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে গণেশ চতুর্থী, জানুন এই বিশেষ দিনের মাহাত্ম্য, তাৎপর্য

    Ganesh Chaturthi 2022: দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে গণেশ চতুর্থী, জানুন এই বিশেষ দিনের মাহাত্ম্য, তাৎপর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi 2022)। প্রতি বছর ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে দেশজুড়ে সাড়ম্বরে গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi) উদযাপিত হয়। আজ সারা দেশে পালন করা হচ্ছে গণেশ চতুর্থী। এই দিনটি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই সিদ্ধিদাতা গণপতির পুজো করে কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করেন। গণপতির কৃপায় বহু কষ্টই লাঘব হতে পারে বলে মনে করা হয়। চতুর্দশী তিথিতে বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে এই উৎসব। আবির্ভাব দিবস থেকে বিসর্জন— মোট ১০ দিন গণেশ ভক্তরা পুজো, উপোস, প্রার্থনা, সঙ্গীত এবং নৃত্যের মধ্যে দিয়ে দিন নির্বাহ করেন। এই উৎসব অত্যন্ত পবিত্র।

    গণেশ চতুর্থীর শুভ সময়

    চতুর্থী তিথি শুরু: ৩০ অগাস্ট বিকাল ৩:৩৩ মিনিটে
    চতুর্থীর তারিখ শেষ হবে: ৩১ অগাস্ট বিকাল ৩:২২ মিনিটে
    গণেশ পুজোর মুহূর্ত: ৩১ অগাস্ট ১১.০৪ মিনিট থেকে ১৩.৩৭ মিনিট (সময়কাল: ২ ঘন্টা ৩৩ মিনিট)
    গণেশ চতুর্থীর ব্রত পালন: ৩১ অগাস্ট

    আরও পড়ুন: পুজোয় মঙ্গল ঘট কেন স্থাপন করা হয়, জানেন?

    গণেশ উৎসবের তাৎপর্য 

    স্কন্দপূরাণ অনুযায়ী, শ্রী গণেশ জন্মগ্রহণ করেছিলেন ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী তিথিতে। সমস্ত দেব-দেবীর মধ্যে গণেশ হলেন প্রথম পূজিত দেবতা। ভগবান শিব গণেশকে এই বর দিয়েছিলেন। যে কোনো শুভ কাজে এবং আচার-অনুষ্ঠানে প্রথমেই ভগবান গণেশের পূজা করা হয়। গণেশের পুজো করলে সমস্ত বাধা দূর হয়। এটা বিশ্বাস করা হয় যে ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের চতুর্থী থেকে এই মাসের চতুর্দর্শী তিথি পর্যন্ত ভগবান গণেশ পৃথিবীতে ১০ দিন অবস্থান করেন। গণেশ চতুর্থীতে প্যান্ডেল এবং বাড়িতে গণেশ স্থাপন করা হয়। কথিত আছে যে এই দিনগুলিতে যে ব্যক্তি বাড়িতে বসে ভক্তি ভরে গণেশের পূজা করেন, তার জীবন থেকে মানসিক চাপ দূর হয়। সুখ ও সমৃদ্ধি আসে।

    গণেশ চতুর্থী পুজো-বিধি 

    গণেশ চতুর্থীর দিন সকালে স্নান সেরে বাড়ির মন্দিরে প্রদীপ জ্বালান। এরপর পুজো ও ব্রতর সঙ্কল্প নিন। এই দিনে শুভ সময়ে গণেশের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ভক্তদের তাদের ইচ্ছানুযায়ী গণপতির মূর্তি স্থাপন করা উচিত। এরপর গঙ্গাজল দিয়ে প্রতিমাকে অভিষেক করুন। এবার গণেশকে ফুল ও দূর্বা ঘাস অর্পণ করুন। দূর্বা ভগবান গণেশের খুব প্রিয়। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে দূর্বা নিবেদন করলে ভগবান গণেশ প্রসন্ন হন এবং ভক্তদের সমস্ত কষ্ট দূর করেন। ভগবান গণেশের পূজোর সময়, তাঁকে সিঁদুর লাগান এবং তাঁর প্রিয় ভোগ মোদক বা লাড্ডু নিবেদন করুন। পুজো শেষে আরতি করে তাঁকে প্রণাম করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। শেষে প্রসাদ বিতরণ করুন।

    আরও পড়ুন: প্রদীপের মুখ কোনদিকে থাকা উচিত? নিয়মগুলি না জানলে হতে পারে অমঙ্গল!

    কিন্তু গণপতির পুজোরও বহু নিয়ম আছে। পুজো করার জন্য সেই নিয়মগুলি ঠিক করে পালন করতে হয়। সেই নিয়মগুল পালন না করলে গণপতির কৃপা পাওয়া থেকে এত কিছুর পরেও বঞ্চিত থেকে যেতে পারেন কেউ কেউ। শাস্ত্র অনুসারে, দূর্বা ছাড়া গণপতির পুজো অসম্পূর্ণ বলে মনে করা হয়। এছাড়াও, কথিত আছে যে সিদ্ধিদাতাকে দূর্বা নিবেদন করলে তিনি দ্রুত প্রসন্ন হন এবং ভক্তদের সমস্ত কষ্ট দূর করেন। 

    ভগবান গণেশকে দূর্বা ঘাস নিবেদন করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। দূর্বা ভগবান গণেশের প্রিয়। দূর্বা সবসময় জোড়ায় জোড়ায় নিবেদন করা হয়। এমন অবস্থায় দুটি দূর্বাকে যুক্ত করে একটি গিঁট তৈরি করা হয়। এমন অবস্থায় ২২টি দূর্বা যোগ করে ১১ জোড়া তৈরি করুন। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে সিদ্ধিদাতাকে ৩ বা ৫ গাঁট দূর্বাও নিবেদন করা যেতে পারে। 

    গণেশের পুজোয় কখনই তুলসী পাতা ব্যবহার করা উচিত নয়। পুজোর সময় শুধুমাত্র সাদা বা হলুদ কাপড় পরুন।  কালো রঙের কাপড় পরিধান করা থেকে বিরত থাকুন। এদিন চাঁদ দেখা উচিত নয়। বিশ্বাস, চাঁদ দেখলে কলঙ্কের শিকার হতে হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Karnataka High Court: বেঙ্গালুরুর সেই ইদগাহ ময়দানে এবার গণেশ চতুর্থী পালনের অনুমতি হাইকোর্টের

    Karnataka High Court: বেঙ্গালুরুর সেই ইদগাহ ময়দানে এবার গণেশ চতুর্থী পালনের অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইদগাহ ময়দানে (Idgah Maidan) গণেশ চতুর্থী (Ganesh Chaturthi) উৎসব পালনের অনুমতি দিল কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnataka High Court) । ৩১ অগাস্ট গণেশ চতুর্থী। গণেশ বন্দনায় মেতে উঠবে দেশ। স্বাভাবিকভাবেই আদালতের এই রায়ে যারপরনাই খুশি ইদগাহ ময়দানে গণেশ উৎসব পালনের উদ্যোক্তারা।

    স্বাধীনতা দিবসে দেশের সর্বত্র জাতীয় পতাকা উড়লেও, এতদিন তা ওড়ানো হত না বেঙ্গালুরুর এই ইদগাহ ময়দানে। কারণ ছামারাজপতের এই ইদগাহ ময়দানের মালিকানা কার, তা নিয়ে ছিল বিতর্ক। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে এবার জাতীয় পতাকা ওড়ানো হয় এই ইদগাহ ময়দানে। এবার মিলল গণেশ চতুর্থী উৎসব পালনের অনুমতিও।  

    ২৫ অগাস্ট অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে এই মামলায় স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। তার বিরুদ্ধে আপীল করে রাজ্য সরকার। সেই আপীলের প্রেক্ষিতেই এদিন উৎসব পালনের নির্দেশ দেয় আদালত। এদিন আদালত রায়ে বলে, ওই ইদগাহ ময়দানে গণেশ চতুর্থী উৎসব পালনের অনুমতি দিতে পারে সরকার। রায়ে এও বলা হয়, ভারতীয় সমাজ ধর্মীয়, ভাষাগত, আঞ্চলিক ও শ্রেণি বৈচিত্রে ভরপুর। সংবিধান স্বয়ং সমাজের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার পক্ষে। ধর্মীয় সহমত বজায় রাখার নীতি ভারতীয় সভ্যতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।তাই অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ সংশোধন করে আমরা রাজ্য সরকারকে ৩১ অগাস্ট থেকে ওই ইদগাহ ময়দানে যে কোনও ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব পালনের অনুমতি দিতে বলছি। তবে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের বাকি নির্দেশনাগুলি অপরিবর্তিতই থাকবে।

    আরও পড়ুন : স্বাধীনতা দিবসে ইতিহাস, ইদগাহ ময়দানে উড়ল তেরঙা

    আদালত এও জানিয়েছে, এই যে পর্যবেক্ষণ তা কেবল ওই ইদগাহ ময়দানে সাময়িক প্রার্থনা করার অনুমতি দেওয়ার জন্য। বেঞ্চের সামনে যে আপীল কিংবা রিট পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল, তার মেরিটের ওপর নয়। প্রসঙ্গত, কর্নাটকের ওই জমিটি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কর্নাটক স্টেট ওয়াকফ বোর্ড ১৯৬৫ সালের একটি গেজেট নোটিফিকেশন দেখিয়ে দাবি করে, জমিটি ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তি। যদিও ১৯৭৪ সালের সিটি সার্ভে রেকর্ড এবং অন্যান্য সিভিক রেকর্ড অনুযায়ী দেখা যায়, জমিটি একটি খেলার মাঠ। সম্প্রতি কর্নাটক স্টেট ওয়াকফ বোর্ডের দাবি খারিজ করে দেয় সিটি সিভিক বডি বৃহৎ বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকে। তারা জানিয়ে দেয়, জমিটি কর্নাটক সরকারের রাজস্ব দফতরের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Ganesh Chaturthi: গণেশ চতুর্থী, বুধবার বেঙ্গালুরুতে মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ

    Ganesh Chaturthi: গণেশ চতুর্থী, বুধবার বেঙ্গালুরুতে মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই গণেশ চতুর্থী। করোনার প্রভাব কাটিয়ে এবছর ফের গণেশ উৎসবে মেতে উঠেছে মুম্বইবাসী। গণেশ উৎসব  উপলক্ষে ইতিমধ্যেই সেজে উঠেছে ভারতের একাধিক শহর। মহারাষ্ট্র, গোয়া, কর্ণাটক, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু,অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, গুজরাট সহ বহু রাজ্যেই ধূমধাম করে পালন করা গণেশ চতুর্থী। আগামী ৩১ অগাস্ট বুধবার গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে বেঙ্গালুরুর পুরসভা এলাকায় মাংস কাটা এবং বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    ব্রুহাট বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকে পুরসভার তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়েছে। এক দিনের জন্য ওই পুরসভা এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। গণেশ চতুর্থীর বড় পুজোকে সামনে রেখে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করতে একটি সার্কুলার জারি করেছে নাগরিক সংস্থা ব্রুহাট বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকে (BBMP)। স্থানীয় ভাষায় লেখা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘৩১ অগস্ট বুধবার গণেশ চতুর্থীর দিন ব্রুহাট বেঙ্গালুরু মহানগর পালিকে-র অধীন সমস্ত দোকানে পশু নিধন এবং মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ। এই নির্দেশ সকলকে মানতে হবে বলেই উল্লেখ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জামাতের অনুমতি পেলেই গণেশ পুজো! নির্দেশ মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    উল্লেখ্য, উৎসবের দিনে মাংস বিক্রি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে কর্ণাটক সরকার। কারণ চলতি মাসের শুরুতে, নাগরিক সংস্থা শ্রী কৃষ্ণ জন্মদিন অর্থাৎ জন্মাষ্টমীতে মাংস বিক্রি এবং পশু হত্যা নিষিদ্ধ করে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। বাসভ জয়ন্তী, মহা শিবরাত্রি, গান্ধী জয়ন্তী, সর্বোদয় দিবস এবং অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মতো বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানেও এই ধরনের আদেশ জারি করা হয়েছে।

    এদিনের বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে কর্নাটক সরকারকে এক হাত নিয়েছেন বিরোধিরা। জেডিএস (জনতা দল সেক্যুলার) নেতা তনভির আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘বেঙ্গালুরুর ৮৫ শতাংশ মানুষ মাংস খান। সরকার তা নিষিদ্ধ করতে চাইলে আমরা বিরোধিতা করব। রাজ্যে বেকারত্ব, হিংসার মতো সমস্যাগুলির সমাধান না করে সরকার এই ধরনের বিষয়ে মনোনিবেশ করছে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share