Tag: Gangasagar

Gangasagar

  • Sundarban: পূর্ণিমায় কোটালের প্রভাবে উত্তাল সমুদ্র! ফের দুর্যোগের সম্ভাবনা, জারি সতর্কতা

    Sundarban: পূর্ণিমায় কোটালের প্রভাবে উত্তাল সমুদ্র! ফের দুর্যোগের সম্ভাবনা, জারি সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ণিমায় কোটালের প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনে (Sundarban) ফের দুর্যোগের (Disaster) সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আবহাওয়া দফতর থেকে আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত সতর্কে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গভীর সমুদ্রে যাওয়ার উপর করা হয়েছে লাল সর্তকতা।

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর (Sundarban)

    কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু সমুদ্র উত্তাল হওয়ায় উপকুলে ঝড়ের (Disaster) সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গোটা সুন্দরবনের (Sundarban) উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে মাইকে করে উপকুলবর্তী এলাকায় সাবধান বার্তা দেওয়ার কাজ চলছে। সাগর, নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ কোস্টাল থানার তরফে ফেরিঘাট ও জনবহুল এলাকায় চলছে বিশেষ নজরদারি। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। জীর্ণ এবং বেহাল সেতুবাঁধ, নদীর ধার থেকে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ উপনির্বাচনের ফাঁকা বুথে কারা দিলেন এতো ভোট? ভূতুড়েকাণ্ডে শোরগোল!

    বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা

    আবার আলিপুর আবহাওয়া দফতর থেকে জানিয়েছে, আপাতত কলকাতায় ভারী বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। আগামীকাল সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা (Sundarban), পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবার সব জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা জেলা, নদিয়া মুর্শিদবাদ জেলায়। একই ভাবে সোমবারের পর মঙ্গলবার সবগুলি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কলকাতায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। একই সঙ্গে পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই বৃষ্টি বজ্রবিদ্যুৎ সহযোগে হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গে রবি-সোম-মঙ্গলে ভারী বৃষ্টির বিশেষ সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে শুরু করবে। জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও থাকবে।

    নতুন করে ভাঙন গঙ্গাসাগরে

    পূর্ণিমার কোটালে আবারও নতুন করে ভাঙলো গঙ্গাসাগরের(Sundarban) কপিলমুনি মন্দিরের নদী তীরবর্তী এলাকা। এর আগেও গঙ্গাসাগরের তিন নম্বর থেকে ৫ নম্বর রাস্তা ভেঙে চলে গিয়েছিল নদীগর্ভে। আজ রবিবার নতুন করে তিন নম্বর থেকে পাঁচ নম্বর স্নান ঘাটের যে রাস্তা তা ভেঙে চলে গিয়েছে নদী গর্ভে। ইতিমধ্যেই স্থানীয় দোকানদারেরা সেখান থেকে দোকানগুলিকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে গভীর সমুদ্রে না নামার জন্য করছেন মাইকিং। বিগত কয়েকদিন আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হলুদ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। যেখানে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে মানা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আতঙ্কে প্রহর গুনছেন এলাকাবাসী।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gangasagar: কপিল মুনির আশ্রমের রাস্তায় ধস! কোটি কোটি টাকা কি জলে? তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    Gangasagar: কপিল মুনির আশ্রমের রাস্তায় ধস! কোটি কোটি টাকা কি জলে? তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ভাঙনের কবলে অন্যতম বাংলার তীর্থ পর্যটন কেন্দ্র গঙ্গাসাগর (Gangasagar)। অমাবস্যার কোটালের জেরে কপিলমুনির মন্দির (Kapil Muni Ashram) সংলগ্ন ঢালাই রাস্তা ভেঙে পড়ল। গঙ্গাসাগর সমুদ্র পাড়েও দেখা দিয়েছে বড়সড়ো ধস! বিজেপির অবশ্য অভিযোগ, তৃণমূল সরকার বছর বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাস্তা নির্মাণ করলেও, বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেই রাস্তা ভেঙে পড়ছে। খরচের টাকা সব কি জলে? বিজপির দাবি, তৃণমূলের নেতার কাটমানি খেয়ে সরকারি টাকা লুট করছে। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    দুই থেকে পাঁচ নম্বর স্নান ঘাটের রাস্তা বেহাল (Gangasagar)

    সমুদ্রের জলের স্রোতে ভেঙে গেল গঙ্গাসাগর (Gangasagar) মন্দির সংলগ্ন ঢালাই রাস্তা। একদিকে অমাবস্যার কোটাল, তারপর দ্বিতীয়া ও তৃতীয়ায় ধীরে ধীরে বাড়ছে সমুদ্রের জল। উত্তাল হয়ে পড়েছে গঙ্গাসাগরের সমুদ্র। সমুদ্রের জলের ধাক্কা লাগছে সমুদ্রের পাশে থাকা কংক্রিটের ঢালাই রাস্তাতেও। কপিলমুনির আশ্রমের (Kapil Muni Ashram) সামনে দুই থেকে পাঁচ নম্বর স্নান ঘাটের রাস্তা বেহাল অবস্থা। অমাবস্যার কোটালে সমুদ্রের জলের ধাক্কায় ভেঙে পড়ল চার নম্বর সান ঘাটের ঢালাই রাস্তা। ইতিমধ্যে ভগ্ন এলাকার রাস্তাকে বেরিকেট করে ঘিরে দিয়েছে প্রশাসন। আতঙ্কিত ব্যবসায়ী থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা।

    বিজেপির অভিযোগ

    এই বিষয় নিয়ে মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির কনভেনার অরুণাভ দাস বলেছেন, “তৃণমূলের উন্নয়নের পথে কপিলমুনির আশ্রম (Gangasagar) এখন বিপন্ন হওয়ার পথে। ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে পাইলট প্রজেক্ট করা হয়েছিল কাজ, কিন্তু তার সবটাই কাটমানিতে চলে গিয়েছে। মাত্র তিন মাসের মধ্যে ভেঙে সব তলিয়ে যেতে বসেছে। আগামী দিনে কপিল মুনির মন্দিরও সমুদ্র গর্ভে চলে যাবে। যেখানে গঙ্গাসাগর থেকেই সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী পেয়েছে, সেখানে এমন হাল সত্যি লজ্জার বিষয়। অবিলম্বে মন্ত্রীর পদত্যাগ চাই।”

    কোটি টাকার বাঁধ নির্মাণ করা হলেও নজর নেই

    স্থানীয় বাসিন্দা দিব্যেন্দু খাটুই অভিযোগ করে বলেছেন, “গঙ্গাসাগর (Gangasagar) মেলার সময় কয়েক কোটি টাকা খরচে অস্থায়ী নদী বাঁধ নির্মাণ করা হলেও, সারা বছর ফিরেও তাকানো হয় না এই গঙ্গাসাগরের দিকে। আর যার ফলে একটু একটু করে ভাঙন আরও বেড়েই চলেছে গঙ্গাসাগরে। অন্যদিকে সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের আবেদন, চিরস্থায়ী ব্যবস্থা করা হোক এই নদী বাঁধের।”

    আরও পড়ুনঃক্ষমতার দম্ভ? মাথাভাঙায় পুলিশের সামনেই মহিলাকে বেধড়ক মার তৃণমূলের উপ-প্রধানের

    প্রশাসনের বক্তব্য

    পাশাপাশি এই বিষয় নিয়ে গঙ্গাসাগর (Gangasagar) বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান সন্দীপ কুমার পাত্র জানিয়েছে, “ট্রাটাপট পদ্ধতির মাধ্যমে যে কাজ করা হয়েছিল তা খুব বেশি কাজে আসেনি তবে নতুন করে আবার প্রজেক্ট করা হচ্ছে। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “৩০ এর বেশি সিট পেলে ছমাসের মধ্যে নবান্নে বসবে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী”, ঘোষণা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “৩০ এর বেশি সিট পেলে ছমাসের মধ্যে নবান্নে বসবে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী”, ঘোষণা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ এর বেশি সিট পেলে ছমাসের মধ্যে নবান্নে হবে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী। সাগরের জনসভায় জানালেন সুকান্ত মজুমদার। বুধবার বঙ্গ সফরে এসেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এদিন বঙ্গে এসে তিনি মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর সমর্থনে সভা করেছেন। বুধবার মোট তিন জায়গায় রয়েছে তার প্রচার। তিনি প্রথম সভা করেন গঙ্গাসাগরের (Gangasagar) হরিণবাড়িতে, এরপর দ্বিতীয় সভা করেন পাথরপ্রতিমায় ও তৃতীয় সভা করেন কুলপিতে। কিন্তু মথুরাপুর লোকসভার প্রার্থীর হয়ে প্রচারে এসে প্রথম সভা গঙ্গাসাগর থেকেই চমকপ্রদ ঘোষণা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। 

    সুকান্ত মজুমদারের ঘোষণা (Sukanta Majumdar) 

    এদিন সভা থেকে সুকান্ত মজুমদার জানান লোকসভাতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে তিরিশটার বেশি যদি বিজেপি প্রার্থী জেতে, তবে আগামী ছমাসের মধ্যে নবান্নে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বসবে। আর বিজেপি যদি না জিততে পারে তাহলে সাগরকে (Gangasagar) সন্দেশখালি করে তুলবে। বিজেপি সরকার গঠন করলে ৩০০০ টাকা করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রদান করব। ইতিমধ্যে নরেন্দ্র মোদি পাঁচ বছরের জন্য বিনা পয়সায় রেশনের ব্যবস্থা করেছেন। কেন্দ্রে নতুন করে নরেন্দ্র মোদি আসলে ৭০ বছরের উপরে বৃদ্ধা যারা আছেন তারা পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা খরচ পাবেন।  
    সুকান্ত বাবু (Sukanta Majumdar) আরো জানান তৃণমূল বউ চুরি থেকে পায়খানা চুরি কোনও চুরিই বাদ দিচ্ছে না। প্রসঙ্গত, প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জেলে যাওয়ার পর ওই এলাকার এক কাউন্সিলারের স্বামী বললেন আমার স্ত্রীকে চুরি করেছিল জ্যোতিপ্রিয়। এদিন সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই এমন উক্তি করেন সুকান্ত। 

    আরও পড়ুন: “ডায়মন্ড হারবারে সন্ত্রাস সৃষ্টিকারী অভিষেক-ভাইরাসের বিরুদ্ধেই লড়াই”, কটাক্ষ ববির

    অন্যদিকে সন্দেশখালি ইস্যুতে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “সন্দেশখালি সমস্যা সমাধান হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী সন্দেশখালিকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করতে চাইছেন। যেভাবে সমস্ত সন্দেশখালির মহিলারা জাগ্রত হয়ে সমস্ত অভিযোগ আমাদের, আপনাদের সামনে এনেছে্‌ তারপর থেকে মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের টনক নড়ে গেছে। যেনোতেনো প্রকারে পয়সা দিয়ে হোক পুলিশ দিয়ে হোক তাদের যে বয়ান, তাদের যে অভিযোগ সেটাকে বদল করার জন্য চেষ্টা করছে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gangasagar: কোটালের জল ঢুকল গঙ্গাসাগর মেলায়, প্লাবিত একাধিক দোকান-ক্যাম্প

    Gangasagar: কোটালের জল ঢুকল গঙ্গাসাগর মেলায়, প্লাবিত একাধিক দোকান-ক্যাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গাসাগরে (Gangasagar) পুণ্যস্নানের আগে বড়সড় বিপত্তি! অমাবস্যার কোটালে সমুদ্রের জলে প্লাবিত হল বেশ কয়েকটি দোকান সহ অস্থায়ী ক্যাম্প। চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কারণ, মেলা চত্বরে সাগরের জল যাতে ঢুকতে না পারে, তার জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোটি কোটি খরচ করে বাঁধ দেওয়া হয়েছিল। সেই বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যায়। জলে চলে যায় কোটি কোটি টাকা।

    কত দোকান প্লাবিত হল? (Gangasagar)  

    মূলত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অমাবস্যার কোটালের কারণে সাগরের জলে গঙ্গাসাগরে (Gangasagar) প্লাবিত হয়ে যায় ৫ নম্বর ঘাট সংলগ্ন দোকান ও অস্থায়ী স্বেচ্ছাসেবী ক্যাম্প। সব মিলিয়ে ২০টি দোকানে জল ঢুকে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাঁচটি স্বেচ্ছাসেবী ক্যাম্প। তৎক্ষণাৎ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সরিয়ে আনা হয় সেখানকার মানুষজনকে। তবে, পুণ্যস্নানের আগে দোকানে জল ঢুকে যাওয়ায় চিন্তিত ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, সমুদ্র এগিয়ে আসছে শুনেছিলাম। তবে, এভাবে দোকানে জল ঢুকে যাবে তা ভাবতে পারিনি।  

    গতবারের তুলনায় সাগর ২০০ মিটার এগিয়ে এসেছে

    বিপজ্জনক অবস্থায় গঙ্গাসাগরের কপিল মুনির আশ্রম (Gangasagar)। সাগর ক্রমশ এগিয়ে আসায় এই বিপদের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গতবারের মেলায় সাগরের যা দূরত্ব ছিল, এবার এই দূরত্ব ২০০ মিটার এগিয়ে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সাগরের আগ্রাসন ঠেকাতে পাঁচ ফুটের শালবল্লা, জিও ব্যাগ, ইট-বালি দিয়ে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে সাগরপাড়ে বাঁধ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। বাঁধের কাজ করা স্থানীয় ঠিকাদার কর্মী মানিক খাঁড়া বলেন, যেভাবে সমুদ্র এগিয়ে আসছে, তাতে আগামী দিনে বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে আরও একটি মন্দির (Gangasagar) সমুদ্রগর্ভে চলে গিয়েছে। এবার কি এটাও যাবে? বৃহস্পতিবারের ঘটনা সেই আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    সব টাকা তৃণমূল নেতাদের পকেটে গিয়েছে, কটাক্ষ বিজেপি-র

    এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি-র মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার কনভেনার অরুণাভ দাস বলেন, গঙ্গাসাগর মেলার জন্য যা খরচ করা হয়েছে, তা বিন্দুমাত্র কাজে লাগেনি। কাজও ঠিকমতো হয়নি। সমস্তটাই তৃণমূল নেতাদের পকেটে গিয়েছে। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছে মানুষ। না হলে বড়সড় কোনও দুর্ঘটনা ঘটে যেত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gangasagar: কপিল মুনির আশ্রমের দিকে এগিয়ে আসছে সাগর, বিপদের হাতছানি?

    Gangasagar: কপিল মুনির আশ্রমের দিকে এগিয়ে আসছে সাগর, বিপদের হাতছানি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপজ্জনক অবস্থায় গঙ্গাসাগরের কপিল মুনির আশ্রম (Gangasagar)। সাগর ক্রমশ এগিয়ে আসায় এই বিপদের সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। গতবারের মেলায় সাগরের যা দূরত্ব ছিল, এবার এই দূরত্ব ২০০ মিটার এগিয়ে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। সাগরের আগ্রাসন ঠেকাতে পাঁচ ফুটের শালবললি, জিও ব্যাগ, ইট-বালি দিয়ে বাঁধ দেওয়া হিয়েছে। রবিবার রাজ্যের সেঁচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক এবং তৃণমূলের পঞ্চায়েত মন্ত্রী পুলক রায় এসেছিলেন গঙ্গাসাগরে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে মেলার উদ্বোধন করেছেন গতকাল সোমবার। গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে সাগর পাড়ে বাঁধ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। তৎপর হয়েছে উপকূলরক্ষীও।

    স্থানীয় ঠিকাদার কর্মীর বক্তব্য (Gangasagar)

    বাঁধের কাজ করা স্থানীয় ঠিকাদার কর্মী মানিক খাঁড়া বলেন, “ডিসেম্বরের ১৭ তারিখ থেকে এখানে কাজ করছি। যেভাবে সমুদ্র এগিয়ে আসছে তাতে আগামী দিনে বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে। আগে আরও একটি মন্দির (Gangasagar) সমুদ্র গর্ভ চলে গিয়েছে। এবার কি এটাও যাবে?” আবার কপিল মুনির আশ্রমের সামনে ২ নম্বর গেটে ফুচকা বিক্রি করেন সুকেশ মণ্ডল বলেন, “আমরা ছোট বেলা থেকে দেখেছি আশ্রম থেকে এক ঘণ্টা পায়ে হেঁটে সমুদ্রের জল পায়ে ঠেকাতে হত। এখন মাত্র ২ মিনিট হেঁটে গেলেই সমুদ্রের জল। উত্তরের হাওয়ার দাপট, বর্ষার সময় পূবালী হাওয়ায় এখন সমুদ্রের ঢেউ প্রবল করে হিয়েছে। সাগরের আগ্রাসনে আমরা অনেক আতঙ্কে রয়েছি।”

    ৩০ কিমি বাই ১১ কিমি আয়তন সাগর তট

    গঙ্গাসাগরের কপিল মুনির (Gangasagar) আশ্রমের সমুদ্র সৈকতের বিস্তৃতি হল ৩০ কিমি বাই ১১ কিমি। এলাকার হারাধনপুরের এক স্থানীয় ঝরু জানা বলেন, “আমার বয়স এখন ৫৫। ছোটবেলা থেকে দেখছি সাগর ক্রমশ এগিয়ে এগিয়ে আসছে। গত ২ বছরে প্রায় ২০০ মিটার এগিয়ে এসেছে জলের স্তর। ফলে দিন যত এগিয়ে যাচ্ছে সমুদ্রের ঢেউয়ের দাপট আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।”

    তৎপর উপকূলরক্ষী বাহিনী

    মন্দিরকে (Gangasagar) ঘিরে সমুদ্রের আগ্রাসনের রীতিমতো তৎপর রয়েছে উপকূলরক্ষী বাহিনী। বাহিনীর পক্ষ থেকে জেমিনি ক্রাফট দিয়ে টহল দিচ্ছেন। সেই সঙ্গে এলাকায় ৬ জন করে ডুবুরি নজর রেখে চলেছেন। একই ভাবে মোতায়েন করা হয়েছে হোভারক্রাফট। চলছে আকাশ পথ থেকে বিশেষ নজরদারি। ২ নম্বর ঘাটের কাছে বিপজ্জনক বলে সতর্ক বার্তা লেখা হয়েছে। আগত পুণ্যার্থীরা বলেছেন সাগরের এই ভয়ঙ্কর দৃশ্য আগে দেখা যায়নি।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: রাম মন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র পেয়ে উচ্ছ্বসিত গঙ্গাসাগরের সাধু-সন্ন্যাসীরা

    South 24 Parganas: রাম মন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র পেয়ে উচ্ছ্বসিত গঙ্গাসাগরের সাধু-সন্ন্যাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরাণ অনুযায়ী সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর, কলি-এই চার যুগের মধ্যে দ্বাপর যুগের শ্রেষ্ঠ পীঠস্থান কুরুক্ষেত্র। একই ভাবে কলি যুগের শ্রেষ্ঠ পীঠস্থান হল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) গঙ্গাসাগর। এই গঙ্গাসাগরেই গঙ্গা এবং বঙ্গোপসাগরের মিলন সঙ্গমস্থল পুণ্য তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিনের পরই মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নান করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সন্ন্যাসীরা এসে ভিড় জমাবেন। লক্ষ লক্ষ ভক্তদের সমাগম হবে এই তীর্থধামে। এবার অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের নিমন্ত্রণপত্র পেয়ে সাধু সন্ন্যাসীদের মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    কী বলেন গঙ্গাসাগরের সন্ন্যাসীরা (South 24 Parganas)?

    রাম মন্দিরের নিমন্ত্রণ পেয়ে গঙ্গাসাগরের (South 24 Parganas) সন্ন্যাসী কৃষ্ণানন্দ গিরি বলেন, “রাম মন্দির তৈরি হচ্ছে, এটা আমাদের কাছে খুশির খবর। হিন্দু সমাজের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই মন্দির দীর্ঘ দিনের আন্দোলনের ফসল। অনেক সাধু, সন্ন্যাসী আগেও মন্দিরের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন। একটা সময় ‘কর সেবকরা’ মন্দির নির্মাণের জন্য ইট নিয়ে গিয়েছিলেন। শিলাপুজো করে অনেক আগেই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনা করা হয়েছিল। সময় বদলে যাবে, মানুষ বদলে গেলেও অযোধ্যা শ্রীরামের অযোধ্যা হিসাবেই থাকবে। ঈশ্বরের বিগ্রহ নির্মাণের খবরে আমরা অনেক খুশি। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন, এটা খুব আনন্দের কথা। তবে সামনেই মেলা, ফলে মেলার ব্যস্ততা রয়েছে। আমাদের নিমন্ত্রণপত্র এবং প্রসাদী চাল দিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।”

    আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন রাম মন্দিরের

    ২২ শে জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে গঙ্গাসাগর মেলায় আসা সাধু-সন্ন্যাসীদের হাতে এসে পৌঁছাল মন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণপত্র। আমন্ত্রণপত্র পেয়ে খুশি গঙ্গাসাগর মেলায় আসা সাধু-সন্ন্যাসীরা। গঙ্গাসাগরকে নিয়ে যেমন রয়েছে হিন্দুদের একাধিক পৌরাণিক কাহিনী, ঠিক তেমনি অন্যতম পীঠস্থান অযোধ্যার শ্রীরামকে ঘিরে রয়েছে ঐতিহাসিক নানান কাহিনী। হিন্দু ধর্ম চেতনায় একে অপরের সাথে যেন অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত। সমানেই গঙ্গাসাগর (South 24 Parganas) মেলা। কিন্তু তাঁরা সেই অযোধ্যায় গিয়ে পৌঁছাতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে অনেকটাই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তবে এমন আমন্ত্রণপত্র তাঁদের  কাছে অনেকটাই গর্বের বলে জানাচ্ছেন সাধু-সন্ন্যাসীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gangasagar: কানাডায় বিশ্ব পুলিশ এবং ফায়ার গেমস প্রতিযোগিতায় সোনা জিতলেন সাগরের রাজেশ্বরী

    Gangasagar: কানাডায় বিশ্ব পুলিশ এবং ফায়ার গেমস প্রতিযোগিতায় সোনা জিতলেন সাগরের রাজেশ্বরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন খেলাধূলার ওপরই একটা টান ছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরের (Gangasagar) সুমতি নগরের রাজেশ্বরী দাসের। আন্তর্জাতিক স্তরে বিশ্ব পুলিশ এবং ফায়ার গেমস অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় সোনা আনলেন তিনি। কানাডার মনিটাবোতে ২৮ জুলাই থেকে ৬ই অগাস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই প্রতিযোগিত। অনূর্ধ্ব ২৯ বছর মহিলাদের হাই জাম্প প্রতিযোগিতায় একের পর এক প্রতিযোগীকে হারিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন সাগরের এই তরুণী। এছাড়াও ট্রিপল জাম্পে রূপো ও লং জাম্প প্রতিযোগিতায় ব্রোঞ্জ জেতেন রাজেশ্বরী। বর্তমানে রাজেশ্বরী দিল্লি সিআইএসএফের হেড কনস্টেবল  পুলিশ ও  ফায়ার দফতরের অধীনে কর্মরত। রাজেশ্বরীর এই সাফল্যে আনন্দিত সাগরবাসী। পদক জয়ের পর সাগরে এসে পরিবারে সঙ্গে দেখা করবেন তিনি।

    কী বললেন রাজেশ্বরী?

    রাজেশ্বরী বলেন, ২০২১ সালে সিআইএসএফের চাকরিতে যোগদান করেন। পরে, অল ইন্ডিয়া পুলিশ গেমসে প্রথম হয়ে বিশ্ব পুলিশ অ্যাথেলেটিক্স খেলার সুযোগ পান। রাজেশ্বরীর কথায়, কিছু দিন আগে চিঠি পেয়েছি। ওড়িশায় সিআইএসএফের এএসআই পদে পদোন্নতির জন্য এক মাসের ট্রেনিংয়ে যেতে হবে। টুর্নামেন্ট শেষ হলে সেখানে যাব। সুযোগের অভাবে গ্রামের বহু প্রতিভা নষ্ট হয়ে যায়। আমি আগামী দিনে এই প্রতিভাধারী ছেলেমেয়েদের জন্য কাজ করতে চাই। আমার এই জয় সাগরবাসীর (Gangasagar) জয়। দেশের হয়ে অলিম্পিক ও এশিয়ান গেমসের মতন আন্তর্জাতিক স্তরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে চাই এবং দেশের হয়ে পদক জিততে চাই।

    কী বললেন পরিবারের সদস্যরা? (Gangasagar)

    রাজেশ্বরীর বাবা সত্যব্রত দাসের ছোটখাট একটি ওষুধের দোকান রয়েছে। এর পাশাপাশি তিনি চাষবাসও করেন। তিনি বলেন, খুবই অভাবের সংসারে মেয়েকে লালন পালন করেছি। মেয়ের এই জয়ে আমরা খুবই গর্বিত। আমি চাই আমার মেয়ে দেশের হয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে দেশ ও দশের মুখ উজ্জ্বল করুক। রাজেশ্বরীর মা ভরণী দাস বলেন, অভাবের সংসারের মধ্যে খুব কষ্ট করে এক ছেলে ও এক মেয়েকে বড় করে তুলেছি আমরা। রাজেশ্বরীর অদম্য ইচ্ছার কাছে অভাব হার মেনেছে। রাজেশ্বরীর এই সাফল্যে আমরা খুবই গর্বিত ও আনন্দিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: পরিবারের একমাত্র রোজগেরের প্রাণ গেল ট্রেন দুর্ঘটনায়, দুই সন্তানকে নিয়ে অসহায় স্ত্রী

    Train Accident: পরিবারের একমাত্র রোজগেরের প্রাণ গেল ট্রেন দুর্ঘটনায়, দুই সন্তানকে নিয়ে অসহায় স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামে কোনও কাজ নেই। দিনের পর দিন হাতে কাজ না থাকায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরের বেগুয়াখালির স্বপন প্রামাণিক। পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতেই ভিন রাজ্যে কাজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। করমণ্ডল এক্সপ্রেস ধরে তিনি কেরল যাচ্ছিলেন। বালেশ্বরের কাছে ঘটে সেই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)। তারপর থেকে স্বপনবাবুর কোনও খোঁজ মিলছিল না। পরিবারের লোকজন স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দরবার করেছেন। কিন্তু, কেউ তাঁর হদিশ দিতে পারেনি। রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর আসে। তাঁর মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছাতেই পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। সোমবার মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।

    কী বললেন স্বপনবাবুর ছেলে?

    স্ত্রী, দুই সন্তান মিলে চারজনের ভরা সংসার ছিল। এক চিলতে মাটির বাড়িতে থাকতেন তাঁরা। দুই ছেলের নাম শুভদীপ প্রামাণিক ও সুমন প্রামাণিক। শুভদীপের বয়স ১৭ বছর। সে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ে। আর সুমনের বয়স ১৩ বছর। সে অষ্টম শ্রেণীতে পড়়ে। এতদিন লোকের জমিতে চাষ করেই সংসার চালাতেন স্বপনবাবু। স্বপনবাবুর বড় ছেলে শুভদীপের বক্তব্য, বাবার এক পরিচিত কেরলে কাজ করেন। তিনি বাবাকে কেরলে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বাবা প্রথমে যেতে রাজি হয়নি। কিন্তু, সংসারের হাল দেখে বাবা মত বদলায়। বাইরে গিয়ে ভালো রোজগার করে এনে আর যাবে না বলেছিল। কিন্তু, ট্রেনে চাপার কয়েক ঘণ্টা পরই আমরা দুর্ঘটনার (Train Accident) খবর পাই। তারপর থেকে বাবার কোনও খোঁজ পাইনি। এদিন বাবার মৃত্যুর খবর পাই।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, স্বপনবাবু পরিবারে একমাত্র রোজগেরে ছিলেন। অন্যের জমিতে কাজ করে তাঁর সংসার চলত। কিন্তু, এই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) পর কী করে সংসার চলবে তা নিয়ে আমরা খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কারণ, আর ওর পরিবারে রোজগার করার মতো এখন কেউ নেই। ছেলেরা ছোট। এই বিষয়ে প্রশাসন উদ্যোগী না হলে ওই সংসারটি একেবারে ভেসে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gangasagar: রাতভর নদীর চড়ায় আটকে গঙ্গাসাগর ফেরত ভেসেল, ভোগান্তি পুণ্যার্থীদের

    Gangasagar: রাতভর নদীর চড়ায় আটকে গঙ্গাসাগর ফেরত ভেসেল, ভোগান্তি পুণ্যার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর মাঝনদীতে কাটাতে হলো গঙ্গাসাগরের পুণ্যার্থীদের। ঘন কুয়াশার কারণে গঙ্গাসাগর (Gangasagar) থেকে ফেরার পথে বিপাকে পড়লেন পুণ্যার্থীরা। দিকভ্রষ্ট হয়ে ভেসেল আটকে গেল একেবারে চড়ায়, যার জেড়ে প্রবল শীতে, গাদাগাদি ভিড়ে, কষ্টকর পরিস্থিতিতে আটকে থাকলেন কয়েকশো পুণ্যার্থী। প্রসঙ্গত শনিবার সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয়েছিল গঙ্গাসাগরের (Gangasagar) পুণ্যস্নান। ভক্তদের বিশ্বাস মকর সংক্রান্তির পবিত্র তিথিতেই গঙ্গানদী কপিল মুনির আশ্রম হয়ে সাগরে মিশেছিল। রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত গঙ্গাসাগরে (Gangasagar) পবিত্র ডুব দেন পুণ্যার্থীরা। রাত থেকেই গঙ্গাসাগর (Gangasagar) ঘন কুয়াশায় ঢেকেছে। বন্ধ হয়ে যায় লঞ্চ ও ভেসেল পরিষেবা। সোমবার সকাল পর্যন্ত বন্ধ পরিষেবা। স্বাভাবিকভাবেই বিপাকে পড়েছেন গঙ্গাসাগর ফেরত অসংখ্য পুণ্যার্থী। পরিষেবা স্বাভাবিক হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন যাত্রীরা।

    আরও পড়ুন: সংবাদমাধ্যমের ওপর কখনও নিষেধাজ্ঞা জারি করেনি বিজেপি সরকার, বললেন রাজনাথ সিং

    প্রশাসন কী বলছে

    প্রশাসন সূত্রে জানা যাচ্ছে গতকাল রাতে কচুবেড়িয়া থেকে গঙ্গাসাগর (Gangasagar) ফেরত যাত্রীদের নিয়ে কাকদ্বীপের ৮ নম্বর লটে আসছিল তিনটি ভেসেল। রাত দশটা নাগাদ যাত্রা শুরু করে ভেসেলগুলি। কিন্তু ঘন কুয়াশার কারণে সেগুলি মুড়িগঙ্গা নদীতে পথ হারিয়ে ফেলে এবং ঘোড়ামারা দ্বীপের কাছে একটি চড়ায় আটকে পড়ে এগুলি। গভীর রাতে ভেসেলের সন্ধান পায় প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: মানত করে পুত্রলাভ! পশুপতিনাথ মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েই আর ফেরা হল না উত্তরপ্রদেশের সোনুর

    একটি ভেসেল ৮ নম্বর লটে ফিরতে পারলেও বাকি দুটি নাকি আটকে গেছে। প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গেছে, ভাটা থাকায় ভেসেলগুলি আর জলে ভাসতেও পারেনি। জোয়ার না আসা পর্যন্ত ভেসেল গুলিকে এভাবেই থাকতে হবে। জানা যাচ্ছে দুটি ভেসেলে ৫০০ এর উপর যাত্রী রয়েছে এবং সারারাত মাঝ নদীতেই তারা আটকে ছিল।

    আরও পড়ুন: অ্যামাজন ভারতে ১০০০ কর্মী ছাঁটাই! অফিসেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন কর্মীরা

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Maghi Purnima 2024: মাঘী পূর্ণিমার পুণ্যস্নানে গঙ্গাসাগরে ভক্তদের ব্যাপক ঢল

    Maghi Purnima 2024: মাঘী পূর্ণিমার পুণ্যস্নানে গঙ্গাসাগরে ভক্তদের ব্যাপক ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঘী পূর্ণিমা (Maghi Purnima 2024) উপলক্ষে হরিদ্বারে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়েছে। ভক্তরা এই পুণ্যতিথিতে গঙ্গাস্নানের জন্য গঙ্গার ঘাটে ঘাটে প্রচুর ভিড় জমিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁদের জন্য কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে শুধু হরিদ্বার নয়, আজ ভোর থেকেই সাগরদ্বীপ, কাকদ্বীপ এবং বাবুঘাটে পুণ্যস্নানের জন্য এসেছেন প্রচুর ভক্তরা। এই দিনে স্নান করলে জীবনে শান্তি, সুখ ও ধন প্রাপ্তি হয়। রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

    গঙ্গাসাগরে স্নানযাত্রা (Maghi Purnima 2024)

    আজ ভোরের আলো ফুটে ওঠার আগে থেকেই ভক্তদের গঙ্গাসাগরে মাঘী পূর্ণিমার (Magh Purnima 2024) স্নান যাত্রা শুরু হয়ে গিয়েছে। আগত ভক্তরা স্নান করেই কপিল মুনির মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য বেশ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েছেন। এদিকে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগত পুণ্যার্থীদের জন্য শৌচালয়, যাত্রীনিবাস সহ ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয়েছে। অপরদিকে সুন্দরবন পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনীর মোতায়েন করা হয়েছে সাগরে। আজকের দিনে স্নানের পর ভগবান বিষ্ণুর পুজো করেন অনেকেই। আবার কেউ কেউ পিতৃশ্রাদ্ধানুষ্ঠানও করে থাকেন। এই দিনে দরিদ্র সেবা এবং দান করাকে অনেক শুভ বলে মনে করে থাকেন অনেকেই।

    মাঘী পূর্ণিমার গুরুত্ব

    হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চদশ তিথিতে যে পূর্ণিমা আসে তাকে মাঘী পূর্ণিমা বা মাঘ পূর্ণিমা (Maghi Purnima 2024) বলা হয়। এই দিনের পুণ্যতিথিতে সাগর স্নানের বিশেষ গুরুত্ব  রয়েছে। আজকের দিনে স্নান, দান এবং জপ অত্যন্ত ফল দায়ক হয়। তবে অনেকে পৌষ মাসের পূর্ণিমা থেকে মাঘ পূর্ণিমা পর্যন্ত পুণ্য স্নান করে থাকেন। মাঘ পূর্ণিমার দিনে ত্রিবেণীতেও বিশেষ স্নান করা হয়ে থাকে। এই দিনে স্নান করলে জীবনে শান্তি, সুখ এবং ধন প্রাপ্তি হয়। এই তিথির উপর নির্ভর করে নানা দোকান ও পসরা বসে। অনেক জায়গায় অনুষ্ঠিত হয় মেলা। গতকাল শুক্রবার রাত থেকেই চলেছে বিভিন্ন স্থানে হরিনাম ও কীর্তন। একই সঙ্গে চলেছে প্রসাদ বিতরণ। মকর সংক্রান্তির পর এই স্নানে সবথেকে বেশি মানুষের সমাগম হয়। গত কয়েক বছর ধরে এক লক্ষের বেশি মানুষ এই স্নান যাত্রায় অংশ গ্রহণ করছেন। এবারের সংখা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share