Tag: gangtok

gangtok

  • Road Accident: কালিম্পঙের পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, মৃত দক্ষিণেশ্বরের যুবক, আহত পরিবারের আরও ৬

    Road Accident: কালিম্পঙের পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, মৃত দক্ষিণেশ্বরের যুবক, আহত পরিবারের আরও ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে এখন পর্যটনের ভরা মরশুম চলছে। শীতের ঠান্ডা গায়ে মেখে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে দল দল মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন পাহাড়ে। কারও গন্তব্য দার্জিলিং, কারও কালিম্পং, কেউ বা ছুটছেন নর্থ সিকিমে। আনন্দের মাঝেই এল বিষাদের খবর। বৃহস্পতিবার সাত সকালে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন এক যুবক, গুরুতর জখম অবস্থায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি আরও ২ জন। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, এঁরা সকলেই দক্ষিণেশ্বরের বাসিন্দা। যাচ্ছিলেন কালিম্পঙের চুইকহিমের বাড়িতে। কিন্তু বাগডোগরার কাছে গোঁসাইপুরে তাঁদের বোলেরো গাড়িটি মারাত্মক দুর্ঘটনার (Road Accident) কবলে পড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ইন্দ্রাশিস চক্রবর্তী নামে ওই যুবকের। বাগডোগরা থানার পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং জখমদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করে।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? (Road Accident)

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জেনেছে, এশিয়ান হাইওয়ে ২ দিয়ে গাড়িটি প্রচণ্ড গতিতে ছুটছিল। আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁদের বোলেরো গাড়িটি একটি বাসের পিছনে ধাক্কা মারে। ফলে গাড়িটি দুমড়ে মুচড়ে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয় (Road Accident)। গাড়িতে একই পরিবারের মোট ৭ জন যাত্রী ছিলেন। সকলেই কমবেশি আহত হন। আহত ৬ জনের মধ্যে ২ জনের আঘাত গুরুতর। পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত গাড়িটিকে থানায় নিয়ে যায়। চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণেই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা বলে পুলিশ জেনেছে। ফলে এমন খবরে অন্যান্য পর্যটকরাও একাধারে মর্মাহত এবং আতঙ্কিতও। বলা বাহুল্য, তাঁদের দক্ষিণেশ্বর এলাকাতেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

    কী জানালেন মৃতের বাবা? (Road Accident)

    মৃত যুবক ইন্দ্রাশিসের বাবা ইন্দ্রনীল চক্রবর্তী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, এদিন সকালে দুর্ঘটনাটি (Road Accident) ঘটেছে। ছেলেকে তিনি হারিয়েছেন, তাঁর স্ত্রীর অবস্থাও আশঙ্কাজনক। গাড়িতে আর যাঁরা ছিলেন, সকলেই অল্পবিস্তর আহত হয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে গাড়ি চালকদের জুলুমবাজিতে নাজেহাল পর্যটকরা, কী করছে রাজ্য সরকার?

    Siliguri: পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে গাড়ি চালকদের জুলুমবাজিতে নাজেহাল পর্যটকরা, কী করছে রাজ্য সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রিপেইড বুথ আছে, কিন্তু গাড়ি নেই। শিলিগুড়িতে (Siliguri) গাড়ির মালিকরা নিজেদের মর্জি মতো ভাড়া হাঁকছেন। ফলে, এনজেপি স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে গাড়ি ভাড়া নিয়ে নাজেহাল হচ্ছেন পর্যটকরা। ট্রেন থেকে স্টেশনে নামা মাত্রই যাত্রীদের হাত ধরে টানাটানি করছেন দালালরা। সঠিক ভাড়ায় দার্জিলিং, সিকিম বা ডুয়ার্স  ঘুরতে যাওয়ার জন্য প্রিপেইড বুথে গাড়ির খোঁজ করতে গিয়ে হতাশ হচ্ছেন পর্যটকরা। কেননা এনজেপি স্টেশনে প্রিপেইড বুথে কোনও গাড়ি নেই। বাধ্য অনেক বেশি টাকায় গাড়ি ভাড়া করতে হচ্ছন পর্যটকরা।

      জুলুমবাজি নিয়ে কী সাফাই দিল পুলিশ প্রশাসন? (Siliguri)

    এনজেপি স্টেশনে এক হাজারেরও বেশি প্রাইভেট ট্যাক্সি রয়েছে। কিন্তু, গাড়ির মালিকরা প্রিপেইড বুথে গাড়ি দিচ্ছেন না। শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রিপেইড বুথের দায়িত্বে থাকা এনজেপি  ট্রাফিক পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ২০০৮ সালের পর রাজ্য সরকার ভাড়ার তালিকা সংশোধন করেনি। সরকারের নির্ধারিত সেই পুরানো ভাড়ায় কেউ গাড়ি দিচ্ছে না। এক্ষেত্রে আমাদেরও করার কিছু নেই। গোটা বিষয়টি রাজ্য সরকারের পরিবহণ দফতরের।  ২০০৮ সালের যে ভাড়ার তালিকা রয়েছে তাতে, এনজেপি থেকে দার্জিলিঙ পৌঁছে দেওয়ার জন্য ছোট গাড়ির ভাড়া ১৪৬০ টাকা, বড় গাড়ি ১৭৬০ টাকা। মিরিক হয়ে গেলে ভাড়া রয়েছে ১৯০০ টাকা। গ্যাংটক ২১০০ টাকা।

     গাড়ি চালকদের ভাড়ার জুলুমবাজিতে বিরক্ত পর্যটকরা  

    রাজ্য সরকার নতুন ভাড়া ঠিক না করে দেওয়ায় গাড়ির মালিকরা মর্জি মতো ভাড়া নিচ্ছেন। শিলিগুড়ি (Siliguri) থেকে  দার্জিলিং যেতে চার হাজার, গ্যাংটক বা সিকিমের অন্যান্য জায়গায় ছ’হাজার টাকা, কখনও তারও বেশি ভাড়া হাঁকছেন গাড়ি চালকরা। হাবড়ার গোবিন্দ দাস এনজেপি স্টেশনে নেমে গাড়ি ভাড়া নিয়ে এই জুলুমবাজিতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। একইভাবে হয়রান হন দার্জিলিঙ ঘুরতে আসা বেলুড়ের সৌমেন জানা ও তাঁর তিন বন্ধু। তাঁরা বলেন, এনজেপির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন, যেখানে সারা বছর দেশ বিদেশের পর্যটকরা আসেন, সেখানে গাড়ি ভাড়া নিয়ে এধরনের জুলুমবাজি মেনে নেওয়া যায় না। প্রকাশ্যে গাড়ির ভাড়ার তালিকা টাঙানো দরকার।

    গাড়ির চালকরা কী বলছেন?

    এনজেপি জাতীয়তাবাদী টুরিস্ট ট্যাক্সি ড্রাইভার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি উদয় সাহা বলেন, ২০০৮ সালের সরকার নির্ধারিত এই ভাড়ায় এখন গাড়ি চালানো সম্ভব নয়। ২০০৮ সালের পর তেলের দাম অনেকবার বেড়েছে। তার সঙ্গে রয়েছে ড্রাইভারের খরচ। এছাড়া গাড়ির ট্যাক্স, ফিটনেস ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য খরচও বেড়েছে। রাজ্য সরকার ভাড়ার তালিকা সংশোধন করলে এধরনের অভিযোগ কেউ করবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share