Tag: Gaurav Gogoi

  • Himanta Biswa Sarma: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা হিমন্তর

    Himanta Biswa Sarma: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈকে নিশানা করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। গগৈয়ের পাকিস্তানের সঙ্গে কথিত যোগাযোগ নিয়ে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই আক্রমণ (Attari Border)। রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে হিমন্ত বলেন, “অভিযোগগুলি অত্যন্ত গুরুতর এবং সেগুলির তদন্ত কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে হওয়া উচিত।” তাঁর দাবি, রিপোর্টে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে গৌরব গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তানের সঙ্গে গোপন তথ্য ভাগ করে নিয়েছিলেন। গৌরব গগৈ এই সাংবাদিক সম্মেলনকে কটাক্ষ করে বলেন, “এটি সি-গ্রেড সিনেমার থেকেও খারাপ”।

    গৌরব গগৈয়ের ব্রিটিশ স্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)

    এই মামলাটি মূলত গৌরব গগৈয়ের ব্রিটিশ স্ত্রী এলিজাবেথ কোলবার্ন পাকিস্তানের সঙ্গে, বিশেষ করে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ অনুযায়ী, ইসলামাবাদে কাজ করার সময় তিনি পাকিস্তানের পরিকল্পনা কমিশনের প্রাক্তন উপদেষ্টা তৌকির শেখের অধীনে কাজ করতেন। সরকার এই অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে সিট (SIT) গঠন করে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে একটি মামলাও রুজু করা হয়। সিট রিপোর্ট রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত নেয়, বিষয়টির সংবেদনশীলতা ও ব্যাপক প্রভাবের কারণে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্ত প্রয়োজন। হিমন্ত জানান, তাঁর সরকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে (MHA) এই তদন্তের দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সম্মতি মিললেই হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হবে। তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতার স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Attari Border)।”

    কী বললেন হিমন্ত

    কেন্দ্রীয় তদন্তের পক্ষে সওয়াল করে শর্মা বলেন, “অসম সরকারের তদন্তের নিজস্ব সীমাবদ্ধতা রয়েছে।” তাঁর দাবি, “এলিজাবেথ, গৌরব গগৈ এবং পাকিস্তানের মধ্যে আরও গভীর যোগাযোগ রয়েছে, যা তদন্ত করা প্রয়োজন (Himanta Biswa Sarma)।” তিনি এও বলেন, “৪৪ পাতার সিট রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে গগৈয়ের স্ত্রী তৌকির শেখের সঙ্গে গোপন নথি ভাগ করে নিয়েছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে, পাকিস্তানের একটি সংস্থা ‘লিড পাকিস্তানে’র মাধ্যমে বেতন লেনদেনের মাধ্যমে তাঁকে পরিচালিত করা হচ্ছিল। অতীতে এলিজাবেথ কোলবার্ন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন সেনেটর টম উডাল এবং বিলিয়নিয়ার সমাজসেবী জর্জ সোরোসের সহকারী হিসেবেও কাজ করেছেন। হিমন্তর অভিযোগ, কম নজরে থাকার জন্য গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তানে প্রবেশের ক্ষেত্রে আত্তারি সীমান্ত ব্যবহার করতেন। তদন্তে জানা গিয়েছে, গৌরবকে বিয়ে করার পর তিনি মোট ন’বার পাকিস্তানে গিয়েছেন (Attari Border)। তিনি আরও দাবি করেন, গগৈ পরিবারের কেউ কেউ সময় সময় পাকিস্তানি ওই সংস্থাকে পরামর্শ ও তথ্য সরবরাহ করতেন (Himanta Biswa Sarma)।

    লাহোরে যাওয়ার অনুমতি

    শর্মার অভিযোগ, ২০১৩ সালে পাকিস্তান সফরের সময় প্রথমে গগৈ ও তাঁর স্ত্রীকে শুধু লাহোরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁকে ইসলামাবাদ ও করাচি সফরের অনুমতিও দেওয়া হয়। এই বিষয়ে তিনি গগৈয়ের কাছে ব্যাখ্যাও চান। সাংবাদিকদের তিনি জানান, ২০২২ সালে গৌরব গগৈ তাঁর নাবালক ছেলের ভারতীয় পাসপোর্ট দিল্লির পাসপোর্ট অফিসে জমা দেন, যাতে সে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেতে পারে। তিনি বলেন, “ভারতীয় পাসপোর্টে শিশুটির ধর্ম হিন্দু লেখা ছিল, কিন্তু ব্রিটিশ পাসপোর্টে ধর্মের ঘর ফাঁকা রাখা হয়েছে।” এই বিষয়ে গগৈকে ১০ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলেন তিনি। কংগ্রেস নেতৃত্ব বিষয়টি জেনেও গগৈকে রক্ষা করছে কি না, এই প্রশ্নে হিমন্ত বলেন, “গগৈ গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর এ বিষয়ে উত্তর দেওয়া উচিত (Himanta Biswa Sarma)।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের পুত্র গৌরব অনলাইন পোস্টে এই সাংবাদিক সম্মেলনকে “সুপার ফ্লপ” বলে কটাক্ষ করেন (Attari Border)।

    গগৈয়ের বক্তব্য

    লোকসভায় কংগ্রেসের ডেপুটি লিডার গগৈ লেখেন, “দিল্লি ও অসমের সাংবাদিকদের জন্য আমার সহানুভূতি। তাঁদের শতাব্দীর সবচেয়ে ফ্লপ সাংবাদিক সম্মেলন সহ্য করতে হয়েছে। এটি সি-গ্রেড সিনেমার থেকেও খারাপ। তথাকথিত রাজনৈতিকভাবে চতুর মুখ্যমন্ত্রীর সবচেয়ে ভিত্তিহীন ও অর্থহীন বক্তব্য।” তিনি আরও বলেন, “এই #সুপারফ্লপ আমাদের #এক্সোমি পরিবর্তন যাত্রার সম্পূর্ণ বিপরীত, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের দখলে থাকা ১২,০০০ বিঘা জমির বিষয়টি সামনে এসেছে।” সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হিমন্তর দাবি, কংগ্রেস আমলে তৌকির শেখ ১৩ বার ভারতে এসেছিলেন এবং গগৈয়ের স্ত্রী পাকিস্তান থেকে বেতন পেতেন। তিনি বলেন, “গোয়েন্দা ব্যুরো (IB) গগৈয়ের পাকিস্তান সফর নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে পারে, কারণ দিল্লির সহায়তা ছাড়া তা সম্ভব নয়।” হিমন্ত বলেন, “আমরা গৌরব গগৈয়ের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চাই। গগৈ যদি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন যে আমি ভুল, তাহলে আমি সবচেয়ে খুশি হব। আমি চাই না কোনও সাংসদ আপসকামী অবস্থায় থাকুন (Himanta Biswa Sarma)।”

    পাল্টা জবাবে গৌরব বলেন, “জাতীয় স্তরে মুখ্যমন্ত্রী নিজেকেই হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। তিনি বলেন, “দেড়-দুই ঘণ্টার সাংবাদিক সম্মেলনের পরেও তিনি সাংবাদিকদের সন্তুষ্ট করতে পারেননি। প্রশ্নোত্তর পর্ব ছিল অপ্রতুল। মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন অসমের মানুষের বুদ্ধি নেই। তিনি মিথ্যাবাদী। মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারকে হাস্যকর করে তুলেছেন (Attari Border)। সিট রিপোর্ট দেখাচ্ছে তিনিই আসলে আতঙ্কিত (Himanta Biswa Sarma)।”

  • Himanta Biswa Sarma: “কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ পাকিস্তানের এজেন্ট”, বিস্ফোরক অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    Himanta Biswa Sarma: “কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ পাকিস্তানের এজেন্ট”, বিস্ফোরক অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার ডেপুটি বিরোধী দলনেতা গৌরব গগৈ (Gaurav Gogoi) পাকিস্তানের এজেন্ট।” অন্তত এমনই গুরুতর অভিযোগ তুললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গৌরব গগৈ একজন পাকিস্তানি এজেন্ট। তিনি সম্পূর্ণরূপে পাকিস্তানের এজেন্ট। তাঁর সাহস থাকলে আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করুন। গৌরব গগৈ পাকিস্তান ও আইএসআইয়ের নিযুক্ত চর। হ্যাঁ, আমি এ কথা বলছি একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেই।”

    অভিযোগের প্রমাণও রয়েছে (Himanta Biswa Sarma)

    তিনি জানান, তাঁর কাছে এই অভিযোগের পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রমাণও রয়েছে। এটি যে কোনও নির্বাচনী ইস্যু নয়, তাও জানিয়ে দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমার মন্তব্যের পক্ষে সমস্ত প্রমাণ রয়েছে। আমার কাছে যথেষ্ট প্রমাণ আছে। যেদিন আমি তা প্রকাশ করব, সেদিন মানুষ বুঝতে পারবেন যে তিনি পাকিস্তানের এজেন্ট। বিদেশি শক্তি তাঁকে ভারতে নিয়োগ করেছে। আমি সব কথা প্রমাণ-সহই বলছি।” হিমন্ত বলেন, “২০২৬ সালে নির্বাচন রয়েছে। তা না হলে আমি কঠোর ব্যবস্থা নিতাম। কিন্তু এখন এমন ব্যবস্থা নিলে বিরোধীরা বলবেন, এটি নির্বাচনী ইস্যু। নইলে ওই সব প্রমাণের ভিত্তিতে তিনি এখন জেলেই থাকতেন।”

    রিপোর্ট জমা দিয়েছে

    প্রসঙ্গত, (Himanta Biswa Sarma) কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ ও তাঁর ব্রিটিশ স্ত্রী এলিজাবেথ কোলবার্নের সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআই-ঘনিষ্ঠ এক নাগরিকের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগের তদন্ত করতে যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছিল অসম সরকার, তারা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছে ১০ সেপ্টেম্বর। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সিটের রিপোর্টে পাক নাগরিক আলি তওকির শেখ ও তার সহযোগীদের ভারত–বিরোধী কার্যকলাপ সম্পর্কে চমকপ্রদ তথ্য উন্মোচন করা হয়েছে। তিনি (Himanta Biswa Sarma) বলেন, “চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি অসম মন্ত্রিসভা পাক নাগরিক আলি তওকির শেখ ও তার সহযোগীদের ভারত–বিরোধী কার্যকলাপ তদন্তের জন্য সিট গঠন করেছিল (Gaurav Gogoi)। এই তদন্তেই সিট এমন চমকপ্রদ তথ্য উদ্ঘাটন করেছে, যা আমাদের দেশের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের দিকে ইঙ্গিত করে।”

  • Assam: কংগ্রেসের বৈঠকে নেতারা গাইলেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত, রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়েরের নির্দেশ হিমন্তের

    Assam: কংগ্রেসের বৈঠকে নেতারা গাইলেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত, রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়েরের নির্দেশ হিমন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের দলীয় বৈঠকে নেতারা গাইলেন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) ‘আমার সোনার বাংলা’। ঘটনায় তোলপাড় অসমের (Assam) রাজনীতি। এবার এই ঘটনায় জড়িত শ্রীভূমি জেলার কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

    হিমন্ত বিশ্বশর্মার বক্তব্য (Assam)

    সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই ঘটনা ভারতের প্রতি এবং ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি এক প্রকাশ্য অসম্মান। বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে কংগ্রেস আসলে বাংলাদেশে কিছু মানুষের সেই ধারণাকেই সমর্থন করছে, যে ভারতের সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল নাকি তাদের দেশের অংশ।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি পুলিশকে সংশ্লিষ্ট নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং গ্রেফতার করার নির্দেশ দিয়েছেন। শ্রীভূমি শহরে কংগ্রেসের সেবা দলের বৈঠক হয় মঙ্গলবার। বৈঠকের একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যায় বছর পঁচাশির এক ব্যক্তি গানটির দু’টি লাইন গাইছেন। ভিডিওতে এও দেখা গিয়েছে, গায়ক দাঁড়িয়ে গান করলেও, অন্যান্যরা সবাই বসে ছিলেন। গানটি রচনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতাও তিনিই।

    কী বলল কংগ্রেস

    কংগ্রেসের (Assam) অভিযোগ, বিজেপি মানুষকে ভুল পথে চালিত করতে অযথা বিতর্কের সৃষ্টি করছে। শ্রীভূমি জেলা কংগ্রেসের সভাপতি তাপস পুরকায়স্থ বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে রাজনীতি করবেন না। আমাদের পঁচাশি বছর বয়সী কবি বিধুভূষণ দাস গানটির মাত্র দু’টি লাইন গেয়েছেন।” তাঁর দাবি, গানটিকে অপমান করা মানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অপমান করা। অসমের কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ বলেন, “বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতিকে রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে এবং গানটির পেছনের সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে উপেক্ষা করছে।” তিনি বলেন, “বিজেপি বাংলা সংস্কৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের দাবি করলেও তাদের আচরণ বারবার বাংলা ভাষা ও বাঙালি জনগণের প্রতি অপমানজনক হয়ে উঠেছে।”

    গৌরবের (Assam) বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস সভাপতির উচিত ছিল দলীয় নেতাদের পক্ষ নেওয়ার বদলে তাঁদের তৎক্ষণাৎ বহিষ্কার করা। কারণ তাঁরা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত গেয়েছেন।” তিনি বলেন, “এটি পাকিস্তান সরকারের একটি পরিকল্পনা। কয়েক দিন আগে (National Anthem) পাকিস্তান মহম্মদ ইউনূসকে একটি উপহার দিয়েছে, যেখানে ত্রিপুরা ও অসমকে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।” তিনি বলেন, “এই কংগ্রেস পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ‘ডট ডট’ দল। খারাপ শব্দটি আমি বলতে চাই না।”

LinkedIn
Share