Tag: Gautam Adani

Gautam Adani

  • Ganga Underwater Road Tunnel: গঙ্গার নীচে ট্রাক টানেল তৈরিতে আগ্রহী আদানি! ১১ হাজার কোটির প্রকল্প ঘিরে বড় সম্ভাবনা

    Ganga Underwater Road Tunnel: গঙ্গার নীচে ট্রাক টানেল তৈরিতে আগ্রহী আদানি! ১১ হাজার কোটির প্রকল্প ঘিরে বড় সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলায় ১ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের আশ্বাস দিয়েছেন গৌতম আদানি। দার্জিলিংয়ের পাহাড়ে রোপওয়ে নির্মাণ থেকে নিউটাউনে হাসপাতাল, বাংলায় বিনিয়োগের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে আদানি গোষ্ঠী। এবার কলকাতা ও হাওড়ার মধ্যে গঙ্গার নীচ দিয়ে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলের জন্য প্রস্তাবিত সড়ক টানেল প্রকল্পেও আগ্রহ দেখাল শিল্পগোষ্ঠীটি। নবান্ন সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে এই প্রকল্পে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। প্রকল্পের দরপত্র আহ্বান করা হলে তাতে অংশ নিতে প্রস্তুত গোষ্ঠী। তবে এখনও নির্মাণের বরাত বা বিনিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

    মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে টানেল প্রকল্প নিয়ে আলোচনা

    সূত্রের দাবি, কলকাতা সফরে এসে ‘সৌজন্য’ ভবনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন গৌতম আদানি ও তাঁর প্রতিনিধিরা। সেখানে কলকাতা বন্দর থেকে হাওড়ার দিকে পণ্য পরিবহণের বিকল্প পথ হিসেবে প্রস্তাবিত তারাতলা–সাঁকরাইল আন্ডারওয়াটার সড়ক টানেল প্রকল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রকল্পের পরিকল্পনা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পরে আদানি গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা দরপত্রে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।

    সূত্রের আরও দাবি, এই প্রকল্প নিয়ে আগাম প্রস্তুতি নিয়েই বৈঠকে এসেছিলেন আদানি গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা। যদিও সম্ভাব্য বিনিয়োগের অঙ্ক, প্রকল্পে অংশগ্রহণের ধরন কিংবা নির্মাণের সময়সীমা নিয়ে এখনও নির্দিষ্ট কোনও তথ্য সামনে আসেনি।

    ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলায় এক লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের পরিকল্পনা

    আদানিদের এই আগ্রহের পিছনে রয়েছে বাংলায় দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের বৃহত্তর পরিকল্পনা। গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিউটাউনে আদানি আরোগ্য মন্দিরের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে গৌতম আদানি জানিয়েছিলেন, ২০৩৫ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করতে চায় তাঁর গোষ্ঠী।

    সেই ঘোষণায় বন্দর, পণ্য পরিবহণ, সড়ক, সেতু-সহ একাধিক পরিকাঠামো ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বণ্টন, সিমেন্ট, রোপওয়ে এবং হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টারের মতো ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য বিনিয়োগের কথা উঠে এসেছিল।

    নিউটাউনে হাসপাতাল নির্মাণের পাশাপাশি মহাকরণ সংস্কার ও দার্জিলিংয়ে রোপওয়ে তৈরির সম্ভাবনা নিয়েও আদানি গোষ্ঠীর আগ্রহের কথা সামনে এসেছে। এবার সেই তালিকায় গঙ্গার নীচ দিয়ে সড়ক যোগাযোগের প্রস্তাব যুক্ত হওয়ায় রাজ্যে গোষ্ঠীটির সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিধি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    কেন প্রয়োজন গঙ্গার নীচে সড়ক টানেল?

    কলকাতা বন্দরের পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করাই প্রস্তাবিত টানেল প্রকল্পের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। বর্তমানে বন্দরে আসা এবং বন্দর থেকে বেরিয়ে যাওয়া ট্রাক ও কন্টেনারবাহী গাড়িকে শহরের একাধিক ব্যস্ত রাস্তা ব্যবহার করতে হয়। গার্ডেনরিচ, খিদিরপুর, হেস্টিংস এবং বিদ্যাসাগর সেতুর মতো গুরুত্বপূর্ণ পথ দিয়ে চলাচলের ফলে অনেক সময় যানজটের মুখে পড়ে পণ্যবাহী গাড়ি।

    এর সঙ্গে রয়েছে ভারী যানবাহন চলাচলের সময়সীমা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ। ফলে বন্দরের পণ্য নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া অনেক ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

    এই পরিস্থিতিতে গঙ্গার নীচ দিয়ে বিকল্প সড়কপথ তৈরি করা গেলে কলকাতা বন্দরের সঙ্গে হাওড়ার দিকের জাতীয় সড়ক ব্যবস্থার যোগাযোগ আরও সহজ হতে পারে। শহরের ব্যস্ত রাস্তার উপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি ভারী যানবাহনের চলাচলও আরও মসৃণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যানজট কতটা কমবে এবং প্রকল্পটি বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে চূড়ান্ত নকশা ও পরিবহণ পরিকল্পনার উপর।

    ১১ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প, কী ছিল প্রাথমিক পরিকল্পনা?

    গঙ্গার নীচ দিয়ে সড়ক টানেল তৈরির ভাবনা নতুন নয়। কয়েক বছর ধরেই কলকাতা বন্দরকে নদীর পশ্চিম পাড়ের জাতীয় সড়ক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পিএম গতিশক্তি পরিকল্পনার আওতায় এই যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়টিও বিবেচনায় ছিল।

    প্রায় দু’বছর আগে করা সমীক্ষায় প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা। সেই সময়ে রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল জানিয়েছিলেন, সম্ভাব্য রুটের খসড়া রিপোর্ট বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে জমা পড়েছে। প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজও শুরু করার পরিকল্পনা ছিল।

    প্রাথমিক সমীক্ষা অনুযায়ী, টানেল এবং তার সঙ্গে যুক্ত সড়ক মিলিয়ে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব ছিল। অর্থাৎ, সম্পূর্ণ ১৫ কিলোমিটার পথ নদীর তলা দিয়ে যাওয়ার কথা নয়। কলকাতার দিকে মেটিয়াবুরুজ এবং হাওড়ার দিকে বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন এলাকায় সংযোগ তৈরির সম্ভাবনার কথাও উঠে এসেছিল।

    তবে বর্তমানে আলোচনায় থাকা তারাতলা–সাঁকরাইল প্রকল্পের চূড়ান্ত রুট, প্রবেশ ও প্রস্থানপথ এবং মোট দৈর্ঘ্য সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি। অনুমোদিত নকশা ও বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট তৈরি হলে এই বিষয়গুলি স্পষ্ট হবে। একইভাবে, আগের সমীক্ষায় উল্লেখ করা ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যয়ই চূড়ান্ত প্রকল্পমূল্য হবে কি না, তা-ও এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

    আদানির বিনিয়োগ পরিকল্পনায় কেন গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্প?

    গৌতম আদানির ঘোষিত বিনিয়োগ পরিকল্পনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু পরিকাঠামো। উন্নত বন্দর, সড়ক ও সেতুর সঙ্গে পণ্য পরিবহণ এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সমন্বয় ঘটিয়ে শিল্পের বিকাশ ঘটানোই এই পরিকল্পনার মূল ভাবনা।

    নিউটাউনের অনুষ্ঠানে গৌতম আদানি বলেছিলেন, “পরিকাঠামো লক্ষ লক্ষ মানুষের সম্ভাবনাকে বদলে দিতে পারে। আদানি গোষ্ঠীতে আমরা যা করি, তার কেন্দ্রেই রয়েছে পরিকাঠামো।”

    তাঁর বক্তব্যের ব্যাখ্যা ছিল, উন্নত বন্দর পণ্য পরিবহণকে শক্তিশালী করে। সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা শিল্পকে আকর্ষণ করে এবং শিল্পের বিকাশের সঙ্গে বাড়ে উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ। এর জন্য প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং উন্নত ডিজিটাল পরিকাঠামোও।

    ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকেও পশ্চিমবঙ্গের গুরুত্ব তুলে ধরেছিলেন আদানি। তাঁর মতে, ভারতের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ এবং বঙ্গোপসাগরের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে পৌঁছনোর সুযোগ রাজ্যকে বাড়তি সুবিধা দেয়।

    সেই দৃষ্টিকোণ থেকে কলকাতা বন্দর ও হাওড়ার দিকের জাতীয় সড়কের মধ্যে দ্রুত পণ্য পরিবহণের ব্যবস্থা গড়ে উঠলে তা বন্দরনির্ভর শিল্প, লজিস্টিক পরিষেবা এবং বাণিজ্যিক পরিবহণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে এই সম্ভাবনার বাস্তবায়ন নির্ভর করবে প্রকল্পের অনুমোদন, অর্থের জোগান এবং নির্মাণের অগ্রগতির উপর।

    আগ্রহ প্রকাশ, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও বাকি

    নবান্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, আপাতত গঙ্গার নীচে প্রস্তাবিত সড়ক টানেলের দরপত্রে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে আদানি গোষ্ঠী। কিন্তু এই আগ্রহকে প্রকল্পের বরাত পাওয়া বা নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

    প্রকল্পের বিস্তারিত পরিকল্পনা, প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সম্ভাব্যতা, সরকারি অনুমোদন এবং দরপত্রের শর্ত চূড়ান্ত হওয়ার পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। আদানি গোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত দরপত্রে অংশ নেয় কি না, অংশ নিলে কী ধরনের প্রস্তাব দেয়, সেদিকেও নজর থাকবে।

    একদিকে নিউটাউনে হাসপাতাল, অন্যদিকে দার্জিলিংয়ে রোপওয়ে এবং এবার গঙ্গার নীচে সড়ক টানেল—পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠীর আগ্রহের তালিকা ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলায় এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের ঘোষণার পর এখন বড় প্রশ্ন, এই সম্ভাব্য প্রকল্পগুলির মধ্যে কোনগুলি বাস্তবে রূপ পায় এবং রাজ্যের পরিকাঠামো ও কর্মসংস্থানে কতটা প্রভাব ফেলে।

  • Suvendu Adani Meeting: শুভেন্দু-আদানির ‘সৌজন্য’ বৈঠকে রাজ্যে শিল্প ভাবনা নিয়ে আলোচনা

    Suvendu Adani Meeting: শুভেন্দু-আদানির ‘সৌজন্য’ বৈঠকে রাজ্যে শিল্প ভাবনা নিয়ে আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় শিল্প ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে গৌতম আদানির ‘সৌজন্য’ বৈঠক (Suvendu Adani Meeting)। আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি ও তাঁর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও শিল্প পরিকাঠামোকে পুনরায় মজবুত করতে আদানি শিল্পগোষ্ঠীর প্রধান গৌতম আদানির কাছে খোলাখুলি সাহায্যের আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। আদানিদের পাশে বসিয়ে তিনি বলেন, ‘আদানিজি আমাকে সাহায্য করুন।’ ভরসার হাত বাড়ালেন আদানিও। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ভূয়সী প্রশংসা করে শিল্পপতি গৌতম আদানি (Gautam Adani) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে শিল্প ও বিনিয়োগের ইতিবাচক আবহাওয়া তৈরি হয়েছে! ভারত এখন নতুন আশা নিয়ে পূর্ব ভারতের দিকে তাকাচ্ছে।”

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসায় আদানি

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ভূয়সী প্রশংসা করলেন শিল্পপতি গৌতম আদানি (Gautam Adani)। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে আদানি বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বাংলায় শিল্পের জন্য একটি সম্পূর্ণ ভয়মুক্ত পরিবেশ গড়ে উঠেছে। উন্নতির এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে চলেছে বাংলা। কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিকাঠামোর সার্বিক উন্নয়নে আপনিই প্রমাণ করেছেন যে আপনিই প্রকৃত ভূমিপুত্র। আপনার নেতৃত্বেই রাজ্য নতুন করে গড়ে উঠবে।” বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে শিল্প, নতুন বিনিয়োগ, পরিকাঠামো এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে।

    কোথায় কোথায় বিনিয়োগের পরিকল্পনা

    বৃহস্পতিবারই নিউটাউনে ২ হাজার শয্যার ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে; প্রকল্পে ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের কথা জানিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। একই মঞ্চ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন গৌতম আদানি। বন্দর, সড়ক, বিদ্যুৎ, লজিস্টিক্স এবং বৃহৎ ডেটা সেন্টার-সহ একাধিক ক্ষেত্রে এই বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এদিন অনুষ্ঠান থেকে গৌতম আদানি বন্দর, পণ্য পরিবহণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বণ্টন, সড়ক, সেতু, সিমেন্ট কারখানা এবং হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার – একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এই বিনিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমবঙ্গে বৃহৎ পরিকাঠামো তৈরির পাশাপাশি শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে নতুন গতি আসতে পারে।

    ‘সৌজন্য’ বৈঠকের মূল লক্ষ্য

    সেই ঘোষণার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্যে আদানি গোষ্ঠীর আগামী দিনের বিনিয়োগ পরিকল্পনা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের বক্তব্য, বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলায় শিল্পের প্রসার, পরিকাঠামোর উন্নয়ন এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা। পালাবদলের পরে থেকেই রাজ্যে শিল্পায়নের লক্ষ্যে জোরকদমে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শিল্পই যে বিজেপি সরকারের পাখির চোখ, বারে বারে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। বাম ও তৃণমূল জমানাকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘শিল্পের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমি দেননি। শুধু নেগেটিভ রাজনীতি করেছেন। তাঁর জন্যই টাটাকে চলে যেতে হয়েছে।’ গোটা ভারত যখন আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্যে এগোচ্ছে, তখন মমতা ৫০০ টাকা দিয়ে ভাতার রাজনীতি করছিলেন বলেও তোপ দাগেন তিনি। একই সুরে আক্রমণ শানান বাম আমলকেও। রাজ্যকে শিল্পের বধ্যভূমি করার পিছনে কমিউনিস্টদের অবদান রয়েছে বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘কমিউনিস্টরা সব শেষ করে দিয়েছে। শুধু ইনকিলাব জিন্দাবাদ। হরতাল করে কারখানায় তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।’ তাদের জন্যই আসানসোল, চিত্তরঞ্জনও ধ্বংস হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে ডবল ইঞ্জিন সরকারে ফের শিল্পের পুনরুদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু।

    মেয়ো ক্লিনিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রকল্প

    নিউটাউনে ২,০০০ বেডের হাসপাতাল তৈরির প্রকল্পের ভূমিপুজো ও শিলান্যাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ এই প্রকল্পকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় নতুন বিনিয়োগের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। প্রস্তাবিত হাসপাতালে মোট ২,০০০টি বেড থাকবে। তার মধ্যে ১,০০০টি বেড দরিদ্র রোগীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে বলে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। এই বেডগুলিতে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। বাকি ১,০০০টি বেড বাণিজ্যিক পরিষেবার আওতায় থাকবে। ৫২ একর জমির উপরে হাসপাতাল, ২৫০০ কোটির বিনিয়োগ, আমেরিকার মেয়ো ক্লিনিকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রকল্পের কথাও বলা হয় এদিন৷

     

     

     

     

     

  • Suvendu Adhikari: বাংলায় এক লাখ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের কথা ঘোষণা গৌতম আদানির

    Suvendu Adhikari: বাংলায় এক লাখ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের কথা ঘোষণা গৌতম আদানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা পা দিয়েই দু’-দু’টি মউ স্বাক্ষর করলেন শিল্পপতি গৌতম আদানি। বুধবার রাজ্যে পা রাখেন তিনি। বৃহস্পতিবার সাত সকালে কালীঘাটে পুজো দিয়ে নিউটাউনে দু’হাজার শয্যার অত্যাধুনিক হাসপাতাল ‘আদানি আরোগ্য মন্দিরে’র শিলান্যাস করতে ছোটেন আদানি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি স্বয়ং, তাঁর স্ত্রী প্রীতি আদানি, পুত্র করণ আদানি এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর সম্প্রসারণের পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রেও বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন আদানি। ২০৩৫ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে এক লাখ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রার কথা জানান তিনি। আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে ইতিমধ্যেই দু’টি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে (Gautam Adani) বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একটি ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার এবং অন্যটি দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে।

    নিউটাউনের অ্যাকশন এরিয়া-২-এ তৈরি হচ্ছে আদানি আরোগ্য মন্দির। প্রস্তাবিত এই হাসপাতাল রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় একটি বড় সংযোজন হতে চলেছে। হাসপাতালটির জন্য চার হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের ঘোষণা করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দশ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থানের সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে। অলাভজনক এই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের দু’হাজার শয্যার মধ্যে এক হাজার শয্যা আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা রোগীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্পের আওতায় থাকা যোগ্য রোগীরা সেই সুবিধা পাবেন।

    শিল্পায়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা (Suvendu Adhikari)

    হাসপাতালের শিলান্যাসের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের শিল্পায়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন আদানি। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শিল্প স্থাপনের সম্ভাবনার কথা। আদানি জানান, ভারতের অল্প কয়েকটি রাজ্যেই পশ্চিমবঙ্গের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ, যোগাযোগের সুবিধা এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সমন্বয় রয়েছে। সেই কারণেই দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য হিসেবে বাংলাকে বেছে নিয়েছে তাঁর সংস্থা।

    শুধু স্বাস্থ্য পরিষেবাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না আদানি গোষ্ঠীর পরিকল্পনা। বন্দর নির্মাণ ও উন্নয়ন, পণ্য পরিবহণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বণ্টন, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, সিমেন্ট কারখানা এবং হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টারের মতো একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগের কথা জানিয়েছেন শিল্পপতি। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে রাজ্যে এক লাখ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা রয়েছে গোষ্ঠীর।

    আদানি মনে করেন, বৃহৎ পরিকাঠামো নির্মাণের সঙ্গে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিস্তার ও নয়া কর্মসংস্থানের সুযোগ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি বলেন, “পরিকাঠামো লাখ লাখ মানুষের সম্ভাবনাকে বদলে দিতে পারে। আদানি গোষ্ঠীতে আমরা যা করি, তার কেন্দ্রেই রয়েছে পরিকাঠামো।” প্রস্তাবিত বিনিয়োগগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের পরিবহণ, বিদ্যুৎ ও শিল্প পরিকাঠামোর সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে (Suvendu Adhikari)।

    বিনিয়োগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত মুখ্যমন্ত্রীর

    এদিকে, আদানি গোষ্ঠীর বিনিয়োগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, গোটা আদানি পরিবার পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে রাজ্য। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে একের পর এক শিল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাংলার শিল্পক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি বদলে রাজ্যের হারানো শিল্পসমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনতে চায় (Writers Building Restoration)।

    নিজের বক্তব্যে পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকেও আক্রমণ করেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, আগের সরকার শিল্পায়নের পরিবর্তে ভাতা বিতরণ এবং তোষণের রাজনীতিকেই অগ্রাধিকার দিয়েছিল। তাজপুরে প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেখানে বন্দর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পর্যাপ্ত জমির অভাবের কথা জানিয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। তাঁর অভিযোগ, এই প্রকল্পকে ঘিরে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বাংলার মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। তবে বর্তমান সরকারের আমলে সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে (Gautam Adani) না বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণেও আদানি গোষ্ঠী

    শিল্পে বিনিয়োগের পাশাপাশি বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণেও আদানি গোষ্ঠীকে যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই সংস্থাটির সঙ্গে দু’টি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে একটি কলকাতার ঐতিহাসিক মহাকরণ বা রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার সংক্রান্ত। অন্যটি দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে।

    শুভেন্দু বলেন, বাঙালির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে দুর্গাপুজোর গুরুত্ব অপরিসীম। এবার সেই উৎসবের সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছে আদানি গোষ্ঠী। সংস্থার পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলকাতার নির্বাচিত আটটি দুর্গাপুজো কমিটিকে ২৫ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। বাংলার দুর্গাপুজোর শিল্পকলা ও ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরতে দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ পুজো পরিদর্শনের আয়োজনও করা হচ্ছে (Suvendu Adhikari)।

    রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের ঐতিহাসিক স্থাপত্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। একসময় রাজ্য প্রশাসনের প্রধান কেন্দ্র ছিল মহাকরণ। সেই ভবনের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য, শিল্প এবং পরিকাঠামোর পাশাপাশি ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও আদানি গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ রাজ্যে সংস্থাটির কার্যক্রমের পরিধি বাড়াচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, এদিন সকালে স্ত্রী প্রীতিকে সঙ্গে নিয়ে কালীঘাট মন্দিরে যান তিনি। সেখানে মা কালীর পুজো দিয়ে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শিল্পপতি। কলকাতায় বৃষ্টির মধ্যে কালীঘাটে পুজো দেওয়ার মুহূর্তটি তাঁর কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই জানান তিনি (Gautam Adani)। একই সঙ্গে বাংলার মানুষের শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। তার পরেই (Suvendu Adhikari) দিনের অন্যান্য কর্মসূচিতে যোগ দেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান।

     

  • Gautam Adani: নিউটাউনে ২ হাজার শয্যার হাসপাতালের শিলান্যাস, বাংলায় আরও বিনিয়োগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে গৌতম আদানি

    Gautam Adani: নিউটাউনে ২ হাজার শয্যার হাসপাতালের শিলান্যাস, বাংলায় আরও বিনিয়োগ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে গৌতম আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউটাউনের অ্যাকশন এরিয়া-২-এ বৃহস্পতিবার প্রস্তাবিত ২,০০০ শয্যার মেগা হাসপাতাল ‘আদানি আরোগ্য মন্দিরে’র শিলান্যাস করলেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি (Gautam Adani)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় এই প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যে আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে এ দিন একাধিক বৈঠক ও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। শিল্প, বিদ্যুৎ, বন্দর, সড়ক, পর্যটন এবং ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার—বিভিন্ন ক্ষেত্রেই আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা এগোচ্ছে বলে (Mega Hospital) নবান্ন সূত্রে খবর।

    নিউটাউনের ৫১.৭৫ একর জমির উপর গড়ে উঠছে প্রস্তাবিত স্বাস্থ্য পরিকাঠামোটি। প্রকল্পটির প্রাথমিক পরিকল্পনায় ১,০০০ শয্যার হাসপাতালের কথা থাকলেও, পরে শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে ২,০০০ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, আদানি গোষ্ঠী লিখিতভাবে ২,০০০ শয্যার হাসপাতাল তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে ১,০০০ শয্যা আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের চিকিৎসার জন্য বিনামূল্যে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। বাকি ১,০০০ শয্যা বাণিজ্যিক পরিষেবার আওতায় থাকবে।

    ‘আদানি আরোগ্য মন্দির প্রকল্পে প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা বা তারও বেশি বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। নবান্ন সূত্রের হিসাবেও প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ এবং নির্মাণপর্বে আরও প্রায় ১,৮০০ কোটি টাকা লগ্নি করার কথাও উঠে এসেছে।

    আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের জন্যও শয্যা (Gautam Adani)

    স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে প্রকল্পটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হবে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের জন্য নির্দিষ্ট শয্যা। ২,০০০ শয্যার অর্ধেক বিনামূল্যে বা অত্যন্ত কম খরচে চিকিৎসার জন্য ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা হাসপাতালটিতে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও শোনা গিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা পরিষেবা গড়ে তুলতে আমেরিকার মেয়ো ক্লিনিকের (Mayo Clinic) সঙ্গে প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক সহযোগিতার প্রস্তাব রয়েছে। নবান্ন-ঘনিষ্ঠ সূত্রের বক্তব্য, অত্যাধুনিক সুপার-স্পেশ্যালিটি পরিষেবা, রোবোটিক সার্জারি এবং প্রযুক্তিনির্ভর হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার মতো পরিকাঠামোও প্রকল্পের অংশ হতে পারে।

    রাজ্য সরকারের তরফেও এই প্রকল্পে একাধিক আর্থিক ছাড় দেওয়ার কথা জানা গিয়েছে। নবান্নের হিসাবে জমির চরিত্র পরিবর্তন এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ছাড় বাবদ প্রায় ১,৯৬৭ কোটি টাকার রাজস্ব ছাড় দেওয়ার খবর মিলেছে। একই সঙ্গে হাসপাতাল, সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য পরিষেবা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও গবেষণা এবং চিকিৎসা-পর্যটন মিলিয়ে বছরে প্রায় ৪,০৮৫ কোটি টাকার আর্থিক সুফল পাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া (Gautam Adani) হয়েছে।

    হাসপাতালের পর শিল্প-বিনিয়োগে নজর

    হাসপাতালের শিলান্যাসের পর গৌতম আদানির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক হওয়ার কথা। সরকারি অতিথি নিবাস ‘সৌজন্য’-তে এই বৈঠকে বাংলায় নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। শিল্প ও পরিকাঠামোর বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠীর আগ্রহের বিষয়গুলি সেখানে উঠে আসতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর।

    এর আগে একটি অভিজাত হোটেলে রাজ্যের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গেও আদানির বৈঠকের সম্ভাবনার কথা জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে রাজ্যে কয়েকটি প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নেওয়া নিয়েও আলোচনা চলছে। এর মধ্যে রয়েছে কলকাতার ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার ও পুনরুদ্ধার এবং কুমোরটুলি ঘাটের পুনর্নির্মাণ। রাইটার্স বিল্ডিং সংস্কারে আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে এবং সংস্থার প্রতিনিধিরা ভবনটি পরিদর্শনও করেছেন। সাম্প্রতিক রিপোর্টে এই পুনরুদ্ধার প্রকল্পে প্রায় ১২০ কোটি টাকার সম্ভাব্য ব্যয়ের কথাও উঠে এসেছে।

    বন্দর-বিদ্যুতেও লগ্নির সম্ভাবনা আদানির

    বন্দরের ক্ষেত্রেও আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য আগ্রহ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তাজপুরে গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পে অতীতে আদানি গোষ্ঠীর নাম সামনে এসেছিল। পরবর্তী সময়ে সেই প্রক্রিয়া বাতিল করে নতুন দরপত্রের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বর্তমানে তাজপুরের পরিবর্তে পূর্ব মেদিনীপুরের দাদনপাত্রবারে গভীর সমুদ্রবন্দর গড়ে তোলার প্রস্তাব নিয়ে রাজ্য সরকার এগোচ্ছে। সেই প্রকল্পে আদানি গোষ্ঠী নতুন করে আগ্রহ দেখাতে পারে কি না, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তবে বিনিয়োগের কাঠামো, অনুমোদন এবং অন্যান্য শর্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি (Gautam Adani)।

    বিদ্যুৎ ক্ষেত্রেও আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য বিনিয়োগ নিয়ে জল্পনা রয়েছে। পুরুলিয়ার সাঁওতালডিতে ১,৬০০ মেগাওয়াটের একটি তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে আগ্রহের কথা নবান্ন সূত্রে জানা গেলেও, আলোচনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে বলেই খবর। সাঁওতালডিতে ১৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার নতুন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য রাজ্য বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক কমিশনের নথিতে ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়া এগোনোর প্রমাণ মিলেছে (Mega Hospital)।

    কলকাতায় রিং রোড প্রকল্পে আদানি অংশগ্রহণ নিয়ে জোর চর্চা

    কলকাতাকে ঘিরে প্রস্তাবিত রিং রোড প্রকল্পেও আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়েও চর্চা চলছে। নতুন সরকারের পক্ষ থেকে কলকাতার যানজট কমানো এবং শহরতলি ও সংলগ্ন অঞ্চলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর জন্য রিং রোডের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। এই প্রকল্পে আদানিদের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও বিস্তারিত আলোচনা হয়নি বলেই খবর। উত্তরবঙ্গেও পর্যটন পরিকাঠামো তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আদানি গোষ্ঠী সমীক্ষা করেছে বলে সরকারি সূত্রের খবর। দেউচা-পাচামি কয়লা ব্লক এবং বিদ্যুৎ ক্ষেত্রেও আদানি গোষ্ঠীর বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিউটাউনের যে জমিতে হাসপাতালটি তৈরি হচ্ছে, সেই জমিই আগে আদানি গোষ্ঠীকে ডেটা সেন্টার প্রকল্পের জন্য দেওয়া হয়েছিল। নবান্ন সূত্রের খবর, ডেটা সেন্টারের জন্য প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও অন্যান্য পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণেই জমির ব্যবহার পরিবর্তনের পথে এগিয়েছে সংস্থা (Gautam Adani)।

    আইসিসি-র মঞ্চেও গৌতম আদানি

    এদিকে, বৃহস্পতিবার বিকেলে আইসিসির  বার্ষিক অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা গৌতম আদানির। তাজ বেঙ্গলের ক্রিস্টাল হলে শিল্পপতিদের সঙ্গে আলোচনায় রাজ্যের সম্ভাব্য নতুন বিনিয়োগের বিভিন্ন দিক উঠে আসবে। রাজ্য শিল্প দফতরের তরফে লজিস্টিকস হাব, এনার্জি বা বিদ্যুৎ এবং হেলথ সিটি নিয়ে প্রেজেন্টেশন দেওয়ার কথা রয়েছে। ফলে হাসপাতাল প্রকল্পের বাইরে বাংলায় আদানি গোষ্ঠীর সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিধি কতটা বিস্তৃত হতে পারে, সে বিষয়ে এ দিনের শিল্পমহলের বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

    কালীঘাটে পুজো দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু

    এদিন সকালে স্ত্রী প্রীতিকে সঙ্গে নিয়ে কালীঘাট মন্দিরে যান আদানি। সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ মন্দিরে পৌঁছে তিনি পুজো দেন। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো দেওয়ার ছবি পোস্ট করেন আদানি। সেখানে বাংলার মানুষের শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করার কথা জানান তিনি। ভবিষ্যৎ কর্মসূচির জন্য আশীর্বাদ চাওয়ার কথাও ছিল তাঁর পোস্টে।

    বুধবার কলকাতায় পৌঁছনোর পর (Mega Hospital) বৃহস্পতিবার আদানির কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দু ছিল নিউটাউনের হাসপাতাল প্রকল্প। তবে দিনের বাকি কর্মসূচি দেখাচ্ছে, স্বাস্থ্য পরিষেবার পাশাপাশি বাংলায় আরও বৃহত্তর শিল্প ও পরিকাঠামোগত বিনিয়োগের সম্ভাবনাও আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। হাসপাতাল, বিদ্যুৎ, বন্দর, সড়ক, পর্যটন, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য—একাধিক ক্ষেত্রে আদানির লগ্নির প্রস্তাবগুলি কতদূর বাস্তবায়িত হয়, এখন তা-ই দেখার (Gautam Adani)।

     

  • Gautam Adani: ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি, আদানির বিরুদ্ধে মার্কিন ফৌজদারি মামলা খারিজ

    Gautam Adani: ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি, আদানির বিরুদ্ধে মার্কিন ফৌজদারি মামলা খারিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানির (Gautam Adani) বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মামলা খারিজ করে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডেরাল আদালত। ১০ অগাস্ট আদালতের (US Court) এই রায়ের জেরে মার্কিন ফেডেরাল কৌঁসুলিরা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহারের সুযোগ পেয়ে গিয়েছেন। তবে মামলা খারিজের অনুমোদন দেওয়ার সময় বিচারক মার্কিন বিচার বিভাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি এই সিদ্ধান্তকে অস্বাভাবিক এবং উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেছেন। ব্রুকলিনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক নিকোলাস গারাউফিস মামলাটি খারিজের অনুমোদন দেন। তবে তিনি বিশেষভাবে মার্কিন বিচার বিভাগের কর্তা ট্রেন্ট ম্যাককটারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। অভিযোগ প্রত্যাহারের আগে আদানির আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন ম্যাককটার। বিচারকের পর্যবেক্ষণ, মামলাটিতে আগে কাজ করা একাধিক ফেডেরাল কর্তা ও তদন্তকারীর মতামতকে ম্যাককটার উপেক্ষা করেছেন বলে মনে হয়েছে। পরিবর্তে তিনি নিজের মূল্যায়নের ওপর বেশি নির্ভর করেছেন বলে বিচারক মন্তব্য করেন।

    আদানির ১০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন (Gautam Adani)

    আদালতে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল আমেরিকায় আদানি গোষ্ঠীর ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এই বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এতে প্রায় ১৫ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে বলেও তখন জানানো হয়েছিল। ২০২৬ সালের এপ্রিলে গৌতম আদানির হয়ে মামলা লড়া আইনজীবী রবার্ট জে জিউফ্রা জুনিয়রের নেতৃত্বাধীন একটি দল মার্কিন বিচার বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। সেই বৈঠকে জিউফ্রা ১০০ পাতার একটি নথি উপস্থাপন করেন। সেখানে যুক্তি (US Court) দেওয়া হয়, আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ কৌঁসুলিদের হাতে নেই। পাশাপাশি অভিযোগে উল্লেখ করা ঘটনাগুলি সম্পূর্ণভাবে ভারতে ঘটেছে বলে এই মামলার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার্য এক্তিয়ারও নেই বলে দাবি করা হয়েছিল। আদানির (Gautam Adani) পক্ষে আরও যুক্তি দেওয়া হয়, মামলায় উল্লেখ করা ঋণপত্রগুলি মার্কিন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ছিল না এবং বিনিয়োগকারীদের অর্থ সম্পূর্ণ ফেরত দেওয়া হয়েছে। ফলে কোনও বিনিয়োগকারীর আর্থিক ক্ষতি হয়নি।

    ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    ১০০ পাতার ওই নথির একটি পাতায় আমেরিকায় আদানির ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির উল্লেখ ছিল। এর পরেই বিচারক প্রশ্ন তুলেছিলেন, এই বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি কি মার্কিন বিচার বিভাগের মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছিল? ম্যাককটার অবশ্য দাবি করেন, বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি তাঁর সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেনি। এই বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনও তিনি অস্বীকার করেন। তবে ১৫ জুলাই আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় গৌতম আদানি স্বীকার করেন, তাঁর আইনজীবীরা মার্কিন বিচার বিভাগকে জানিয়েছিলেন যে এই বিনিয়োগ মামলাগুলির নিষ্পত্তির অংশ হতে পারে। জিউফ্রাও আদালতকে জানান, অভিযুক্ত পক্ষ মার্কিন বিচার বিভাগকে জানিয়েছিল যে সম্ভাব্য নিষ্পত্তির অংশ হিসেবে আদানি গোষ্ঠী ওই বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত। বিচারক গারাউফিস বলেন, এই ধরনের প্রস্তাব দেওয়া যথাযথ কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনও সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন না। তবে তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে বিবেচনা করতে হবে—এই ধরনের প্রস্তাব সমান বিচার এবং আইনের শাসনের ক্ষেত্রে কী অর্থ বহন করতে পারে (US Court)।

    ২০২৪ সালে আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ২০২৪ সালে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল যে, আদানি গোষ্ঠীর একটি সহযোগী সংস্থার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন নিশ্চিত করতে তিনি ভারতীয় সরকারি আধিকারিকদের ঘুষ দিতে রাজি হয়েছিলেন (Gautam Adani)। মার্কিন কৌঁসুলিরা আরও অভিযোগ করেছিলেন, সংস্থার দুর্নীতিবিরোধী নীতি ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছিল। তবে আদানি গোষ্ঠী প্রথম থেকেই এই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ৪ জুলাই আদালতে দেওয়া এক নথিতে ম্যাককটার বলেন, মামলাটি মূলত বিদেশকেন্দ্রিক, অভিযোগ প্রমাণ করা কঠিন এবং এটি মার্কিন বিচার বিভাগের বর্তমান আইন প্রয়োগের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি জানান, প্রতিরক্ষা আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠক, বিচার বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ এবং নিজের আইনি গবেষণা ও বিশ্লেষণের পরেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    আদানি পরিবারের সদস্য ও সংস্থার বিরুদ্ধেও আলাদা মামলা

    এদিকে, আদানি পরিবারের সদস্য এবং গোষ্ঠীর বিভিন্ন সংস্থাকে ঘিরে মার্কিন বিচার বিভাগে আরও কয়েকটি পৃথক আইনি বিষয় রয়েছে। মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের দায়ের করা একটি দেওয়ানি মামলায় গৌতম আদানি ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে রাজি হয়েছেন। তাঁর ভাইপো সাগর আদানি ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে সম্মত হয়েছেন। এদিকে, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত লঙ্ঘনের অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে আদানি এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড মার্কিন অর্থ দফতরকে ২৭৫ মিলিয়ন ডলার দিতে রাজি হয়েছে।

    আদালতের সিদ্ধান্তে স্বস্তি আদানির

    আদালতের রায়ের পর গৌতম আদানি (Gautam Adani) সিদ্ধান্তটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি বিনয় ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন। এই মামলা খারিজের ফলে আপাতত গৌতম আদানির বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফৌজদারি অভিযোগের আইনি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এলেও, মামলাটি খারিজের পেছনে (US Court) বিচার বিভাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে বিচারকের মন্তব্য নতুন করে জন্ম দিয়েছে একরাশ প্রশ্নের (Gautam Adani)।

     

  • Keralam Vishu: ‘বিশু’ উৎসবের বিজ্ঞাপনে শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে মাংসের ব্যবহার! ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের তীব্র প্রতিবাদ হিন্দুদের

    Keralam Vishu: ‘বিশু’ উৎসবের বিজ্ঞাপনে শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে মাংসের ব্যবহার! ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের তীব্র প্রতিবাদ হিন্দুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালয়ালি নববর্ষ বা ‘বিশু’ (Keralam Vishu) উৎসবের প্রাক্কালে কেরলে একটি বিজ্ঞাপনী প্রচারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ছবির পাশে মাংসের ছবি ব্যবহারের ঘটনা সামনে আসায় হিন্দু সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং সুপরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার একটি প্রচেষ্টা (Meher Mandi)। ইতিমধ্যে একাধিক হিন্দু সংগঠন ওই বিজ্ঞাপন দেওয়া সংস্থাকে কড়া বার্তা দয়েছে। নেওয়া হয়েছে আইনি পদক্ষেপও। যে কোনও ধর্মীয় উৎসবে হিন্দু ভাবাবেগের উপর চরম আঘাত করা যেন একটা স্বভাবে পরিণত হয়েছে। ভারতীয় সনাতন ধর্মের প্রতি যত অবমাননা হয় অন্য ধর্মের প্রতি হয় না বললেই চলে। এই ঘটনায় চরম অসন্তোষের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

    হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক ভাবে ক্ষুব্ধ করেছে (Keralam Vishu)   

    বিশু উৎসবের (Keralam Vishu) জন্য ব্যবহৃত উপকরণের তালিকায় মাংসকেও অন্তর্ভুক্ত করার ছবি এখন সকলের মোবাইলে। কেরলের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়া কিছু বিজ্ঞাপনী দৃশ্য এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। ছবিতে স্পষ্ট ভাবে দেখা গিয়েছে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বিগ্রহ বা ছবির সঙ্গে আমিষ খাবারের চিত্রায়ন। কার্যত চিকেনের ছবি দেখা যাচ্ছে। আর এই ঘটনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক ভাবে ক্ষুব্ধ করেছে। তাদের মতে, বিশু একটি পবিত্র ধর্মীয় উৎসব যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিরামিষ ‘কানি’ উপহার (Meher Mandi) নিবেদন করা হয়। এই নিবেদনে কখনও মাংস দেওয়া যায় না। আর বিজ্ঞাপনে এই ঘটনা অত্যন্ত সাজিয়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু কেন এই রকম ভাবে বিজ্ঞাপন দেওয়া হল? এটাই বড় প্রশ্ন।

    অভিযোগের মূল অভিমুখ

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণপন্থী সংগঠন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এই ঘটনাকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সম্পূর্ণ ভাবে এই ঘটনা পরিকল্পিত ভাবে প্ররোচনা। অভিজ্ঞ মহলের অভিযোগ এই ধরনের ছবি ব্যবহারের নেপথ্যে কোনও নির্দিষ্ট ভারত-বিরোধী নেটওয়ার্কের মদত রয়েছে। সুকৌশলে হিন্দুদের ধর্মীয় ঐতিহ্যকে অবমাননা করতে চাইছে। তবে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ছবির (Keralam Vishu) সঙ্গে আমিষ খাবারের ছবি জুড়ে দিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করার অপরাধে পুলিশ ‘মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলস’ (Meher Mandi & Grills) নামক একটি রেস্তোরাঁর অন্যতম অংশীদার আরশাদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং হিন্দু সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জোরালো প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    সাংস্কৃতিক অবক্ষয়

    ওই রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের (Meher Mandi) প্রকাশিত একটি বিজ্ঞাপনী পোস্টারে আরাধ্য দেবতা শ্রীকৃষ্ণের (Keralam Vishu) ছবির পাশেই একটি আমিষ পদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিশু উৎসবে ‘বিশুকানি’ বা পবিত্র দর্শনের মাধ্যমে দিন শুরু করা হয়, যেখানে নিরামিষ এবং সাত্ত্বিক উপকরণ ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের বিজ্ঞাপনী প্রচারকে ইচ্ছাকৃত উস্কানি এবং ধর্মীয় অবমাননা হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। তবে ঘটনার রেশ এখানেই থেমে থাকবে না বলে মনে করছেন হিন্দুরা। কেরলে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার এই ধরনের ছবি বা দৃশ্য সামনে এসেছে, যা রাজ্যের সম্প্রীতির আবহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই ঘটনার পেছনে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

    সামাজিক প্রতিক্রিয়া

    ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই কেরল জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন যে, বাণিজ্যিক স্বার্থে (Meher Mandi) বা ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় ভাবাবেগকে তুচ্ছ করার এই প্রবণতা বন্ধ হওয়া উচিত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

    ১৯২ ধারায় মামলা রুজু

    অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে চের্থালা পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১৯২ ধারায় মামলা রুজু করেছে। এই ধারাটি মূলত দাঙ্গা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উস্কানি দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আরশাদ (Meher Mandi) এই পোস্টারটি তৈরি ও প্রচারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। উল্লেখ্য, এই রেস্তোরাঁটির মালিকানায় মোট নয়জন রয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার সূত্রও পাওয়া গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    তীব্রতর হচ্ছে আন্দোলন

    এই ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) এবং হিন্দু ঐক্যবেদীর মতো সংগঠনগুলো সরব হয়েছে। হিন্দু ঐক্যবেদীর নেত্রী কেপি শশীকলা এই বিজ্ঞাপনকে ‘নির্লজ্জ আচরণ’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। ওই হোটেলের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছুুুিল হিন্দু সংগঠনগুলি। তাদের দাবি, এটি কেবল বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন (Keralam Vishu) নয়, বরং সুপরিকল্পিতভাবে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ঘটনা বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ।

    প্রশাসনের ভূমিকা

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এলাকায় পুলিশ (Meher Mandi) মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে, আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • Gautam Adani: মুকেশ অম্বানিকে টপকে ফের এশিয়ার ধনীতম গৌতম আদানি, মোট সম্পত্তি কত জানেন?

    Gautam Adani: মুকেশ অম্বানিকে টপকে ফের এশিয়ার ধনীতম গৌতম আদানি, মোট সম্পত্তি কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের শিল্পমহলে ফের এক বড়সড় পটপরিবর্তন ঘটল। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইন্ডেক্সের (Bloomberg Billionaires Index) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্ণধার মুকেশ অম্বানিকে পেছনে ফেলে আবারও এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তির শিরোপা দখল করলেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। গত কয়েকদিনের শেয়ার বাজারের অস্থিরতা এবং আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের ধারাবাহিক উত্থান এই রদবদলের নেপথ্যে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    গৌতম আদানির সম্পত্তি (Gautam Adani)

    ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স সূচকে (Bloomberg Billionaires Index) বর্তমানে গৌতম আদানির (Gautam adani) মোট সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২.৬ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বতালিকায় তিনি এখন ১৯তম স্থানে রয়েছেন। সাম্প্রতিক এক দিনের ব্যবধানেই তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি প্রায় ৩.৫৬ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।

    মুকেশ আম্বানির সম্পত্তি

    অন্যদিকে, মুকেশ অম্বানির মোট সম্পত্তির পরিমাণ বর্তমানে ৯০.৮ বিলিয়ন ডলার। বিশ্ব ধনকুবেরদের তালিকায় তিনি ২০তম স্থানে পিছিয়ে এসেছেন। এই বছরের শুরু থেকে তাঁর নিট সম্পত্তিতে প্রায় ১৬.৯ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি দেখা গিয়েছে। মুকেশের পর রয়েছেন লক্ষ্মী মিত্তাল। তিনি ৩৬.৯ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। এরপর রয়েছেন শিব নাদার। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৩৩.৫ বিলিয়ন ডলার এবং শাপুরজি মিস্ত্রি ও তার পরিবারের সম্পত্তির পরিমাণ ৩৩.২ বিলিয়ন ডলার। সাবিত্রী জিন্দালের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩২.৭ বিলিয়ন ডলার। এরপর সুনীল মিত্তাল ও তার পরিবারের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২৫.১ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে দিলীপ সাংভির সম্পত্তির পরিমাণ ২৪.২ বিলিয়ন ডলার। আজিম প্রেমজির সম্পত্তির পরিমাণ ২২.৫ বিলিয়ন ডলার এবং কুমার মঙ্গলম বিরলা ২২.৪ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তি নিয়ে শীর্ষ দশের তালিকায় স্থান দখল করেছেন।

    কেন এই পরিবর্তন?

    অর্থনীতি এবং বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আদানি গোষ্ঠীর (Gautam Adani) পরিকাঠামো এবং জ্বালানি খাতের শেয়ারের অভূতপূর্ব সাফল্যের ফলেই এই সম্পত্তি বৃদ্ধি (Bloomberg Billionaires Index)। এ বছর আদানির ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে প্রায় ৮.১ বিলিয়ন ডলার যুক্ত হয়েছে। বিপরীতে, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার দর কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও আদানির দ্রুত গতির কাছে আম্বানিকে শীর্ষস্থান ছাড়তে হয়েছে।

    বিশ্বমঞ্চে অনান্য শিল্পপতি

    ব্লুমবার্গের (Bloomberg Billionaires Index) তালিকায় শীর্ষস্থানে এখনও আধিপত্য বজায় রেখেছেন টেসলা ও স্পেস-এক্স প্রধান এলন মাস্ক। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ জানা গিয়েছে ৬৫৬ বিলিয়ন ডলার। তালিকার পরবর্তী নামগুলো হলো ল্যারি পেজ, জেফ বেজোস এবং মার্ক জাকারবার্গ। ভারতের দুই শীর্ষ শিল্পপতির এই ‘সম্পত্তির লড়াই’ দীর্ঘদিনের। শেয়ার বাজারের এই ওঠানামা আদানিকে আবারও এশিয়ার সিংহাসনে বসালো, যা ভারতীয় অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share