Tag: Gautam Buddha

Gautam Buddha

  • Gautam Buddha: চারদিকে চরম অস্থিরতা, বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বুদ্ধের পথে এগিয়ে চলার বার্তা

    Gautam Buddha: চারদিকে চরম অস্থিরতা, বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বুদ্ধের পথে এগিয়ে চলার বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব জুড়ে চরম অস্থিরতার মধ্যে মানুষের মধ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে অনুষ্ঠিত হল ‘বিশ্ব শান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় বৌদ্ধ ধর্মের (Gautam Buddha) অবদান’ বিষয়ে এক আলোচনা সভা। চিনার পার্কের একটি সংগঠনের উদ্যোগে এই কনফারেন্সে দেশ-বিদেশের বৌদ্ধ ধর্মের সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন। প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইউএসও কানাডার হাং সেন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী টেম্পলের প্রধান ডক্টর ভেন ভিক্ষুনী টি এন জি ঐ হাঙ। 

    কী বার্তা দিলেন টেম্পলের (Gautam Buddha) প্রধান?

    ডক্টর ভেন ভিক্ষুনী টি এন জি ঐ হাঙ বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্ব জুড়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, সেখানে দাঁড়িয়ে বিশ্ব শান্তি ফিরিয়ে আনতে গৌতম বুদ্ধের (Gautam Buddha) দেখানো পথে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। গৌতম বুদ্ধ ভারতে জন্মেছিলেন। তাই তাঁরা যে সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষ বিদেশে রয়েছেন, তাঁদের কাছে ভারত দ্বিতীয় জন্মভূমি। বিশ্ব শান্তির জন্য যে মানুষটি এত কাজ করে গেছেন, তাঁর জন্মভূমিতে এসে নিজেদেরকে গর্বিত মনে করছেন তাঁরা। গৌতম বুদ্ধের আদর্শে মানুষকে সেবা করার সংকল্প নিয়ে সারা বিশ্ব জুড়ে কাজ করে চলেছেন তাঁরা। সুদূর আমেরিকা থেকে অর্থ সাহায্য এনে তিনি ও অন্যান্য বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনীরা একত্রে চিনার পার্ক এলাকার গরিব ও পিছিয়ে পড়া মানুষদের হাতে চাল, ডাল সহ খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন। তিনি বলেন, গৌতম বুদ্ধের দেশে এসে মানুষকে সেবা করতে পেরে তাঁরা খুবই আনন্দিত ও গর্বিত। গৌতম বুদ্ধের বাণী এবং কর্মকাণ্ড নিয়ে তাঁর লেখা ২৬ টি পুস্তক তিনি শহরের বিশিষ্ট মানুষদের হাতে তুলে দেন।

    কী বললেন উদ্যোক্তারা (Gautam Buddha)?

    সংগঠনের (Gautam Buddha) জেনারেল সেক্রেটারি বুদ্ধপ্রিয় মহাথের বলেন, সারা বিশ্বে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য গৌতম বুদ্ধের আদর্শকে পাথেয় করা উচিত। সমস্ত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী সংগঠনের পক্ষ থেকে এই পরামর্শই তিনি সকলকে দিয়ে চলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi in Nepal: লুম্বিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে অম্বেদকরের নামে চেয়ার, ঘোষণা মোদির

    Modi in Nepal: লুম্বিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে অম্বেদকরের নামে চেয়ার, ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুদ্ধপূর্ণিমার (Buddha Purnima) দিনেই ৪ দিন নেপাল (Nepal) সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। এদিন সন্ধ্যায় বুদ্ধজয়ন্তী (Buddha Jayanti) উপলক্ষে লুম্বিনি ডেভলপমেন্ট ট্রাস্টের উদ্যোগে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ভারতের সহযোগিতায় নেপালে লুম্বিনি মিউজিয়াম তৈরি হওয়াটা ভারত-নেপাল (India-Nepal) সৌহার্দ্যের প্রতীক। দু’ দেশের মধ্যে সুসম্পর্কের ইঙ্গিত বহন করে এই মিউজিয়াম। 

    লুম্বিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে দেশের সংবিধান প্রণেতা বি আর অম্বেদকরের (Ambedkar) নামে ‘চেয়ার ফর বুদ্ধিষ্ট স্টাডিজ’ তৈরির কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির জন্মস্থান গুজরাতের ভডনগরে প্রাচীন বৌদ্ধশিক্ষার কেন্দ্র ছিল বলেও জানান তিনি। এখনও সেখানে সেই প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শন মেলে। মোদি বলেন, “বৈশাখী পূর্ণিমার দিন লুম্বিনিতে বুদ্ধের জন্ম, ওই দিনই বুদ্ধগয়ায় তাঁর বোধিসত্ত্ব প্রাপ্ত এমনকি ওই একই দিনে কুশীনগরে তাঁর মহাপরিনির্বাণ দার্শনিক ইঙ্গিত বহন করে। একই তিথিতে বুদ্ধের জন্ম-জ্ঞান-নির্বাণ লাভ ঐতিহ্য বহন করে।”

    [tw]


    [/tw]

    এদিন লুম্বিনি বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান পড়শি দেশের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা এবং তাঁর স্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে ছিলেন নেপাল মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য। এদিন নেপাল (Modi in Nepal) নেমেই মায়াদেবী মন্দিরে পুজো দেন নরেন্দ্র মোদি। গৌতম বুদ্ধের (Gautam Buddha) জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত এই মন্দির। পাশাপাশি মন্দির সংলগ্ন অশোকস্তম্ভে প্রদীপ জ্বালানোর পাশাপাশি বোধিবৃক্ষে জল ঢালেন দুই প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১৪-তে শপথ নিয়েই নেপাল সরকারকে এই বৃক্ষ উপহার দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। 

    জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে এই সফর কার্যকরী ভূমিকা নেবে, বলে ট্যুইটবার্তায় জানান মোদি। ২০২০ সালে নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি অলির ভ্রান্ত বিদেশনীতির জেরে প্রভাবিত হয়েছিল ইন্দো-নেপাল সম্পর্ক। সীমান্তের ঝুলে থাকা কালাপানি এলাকাকে নেপালের দাবি করে মানচিত্র প্রকাশ করছিল নেপাল সরকার। সেই নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিল নয়াদিল্লি।

    কিন্তু ওলি সরকারের পতনের পরে সেদেশে এখন দেউবা সরকার। শেরবাহাদুর দেউবা ক্ষমতায় এসেই ভারতের সঙ্গে তিক্ততা সরাতে উদ্যোগ নিয়েছেন। তাই দ্বিপাক্ষিক স্তরে ঝুলে থাকা সব সমস্যার সমধান আলোচনা এবং কূটনৈতিক পথেই সম্ভব বলে যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে ইন্দো-নেপাল।

LinkedIn
Share