Tag: General Election

General Election

  • Election Commission: ভোটের মধ্যেই মালদা-মুর্শিদাবাদে আইসি-ওসি’কে সরাল কমিশন

    Election Commission: ভোটের মধ্যেই মালদা-মুর্শিদাবাদে আইসি-ওসি’কে সরাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৭মে তৃতীয় দফায় ভোট মালদা-মুর্শিদাবাদে। আর তার আগেই মালদা-মুর্শিদাবাদে আইসি-ওসি-কে সরাল নির্বাচন কমিশন।  মালদার হবিবপুর থানার (Habibpur Police Station) আইসি ও মুর্শিদাবাদের রানিতলা থানার (Ranitala Police Station) ওসিকে সরিয়ে দিল কমিশন (Election Commission)। 

    আইসি-ওসি বদল মালদহ-মুর্শিদাবাদে

    শনিবার রানিতলা থানার ওসি রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসকে সরিয়ে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। আর রবিবার মালদার হবিবপুর থানার আইসি দেবব্রত চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় কমিশনের (Election Commission) পক্ষ থেকে। ভোটের মাঝে একের পর এক পুলিশ অফিসারকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রশাসনিকমহলে।

    কেন এই পদক্ষেপ? (Election Commission) 

    সূত্রের খবর, সম্প্রতি হবিবপুর থানা এলাকায় গোলমালের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইসির বিরুদ্ধে কমিশনে (Election Commission) নালিশ গিয়েছিল। তারই জেরেই ভোটের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে হবিবপুর থানার আইসি দেবব্রত চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়া হল বলে মনে করা হচ্ছে। 
    সূত্রের খবর, হবিবপুর থানার দায়িত্ব ও রানিতলা থানার দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। ইতিমধ্যেই রাজ্যকে তিনজন অফিসারের নাম পাঠাতে বলা হয়েছে। আর এই দুই থানার আইসি ও ওসিকে আপাতত পুলিশ হেড কোয়ার্টারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কমিশন এও জানিয়েছে, ওই দুই অফিসারকে ভোটের কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত রাখা যাবে না। 
    উল্লেখ্য, ভোটের মাঝে একের পর এক থাানার অফিসার বদল কোনও নতুন ঘটনা নয়। এর আগে কলকাতার আনন্দপুর এবং ডায়মন্ড হারবার থানা থেকে ওসিকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের আওতাভুক্ত আনন্দপুর ও ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ডায়মন্ড হারবার থানা থেকে ওসিকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাতেও আলোড়ন পড়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্য রাজনীতিতে। আর এবার পুলিশ অফিসার বদল আরও ২ থানায় (Malda-Murshidabad)।

    আরও পড়ুন: এবার যোগ্য শিক্ষকদের পাশে বিজেপি, আইনি সহায়তা দিতে গঠন করা হল লিগ্যাল সেল

     
    এছাড়াও দেশে আদর্শ আচরণ বিধি চালু হওয়ার পরে রাজ্য পুলিশের ডিজির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় রাজীব কুমারকে। আদর্শ আচরণ বিধি চালু হওয়ার পরে সেটাই রাজ্যে বড় পদক্ষেপ ছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (Election Commission)। তার মাস খানেক আগেই রাজীব কুমারকে রাজ্যে পুলিশের ডিজি পদে আনা হয়েছিল। কিন্তু বেশিদিন অবশ্য ওই পদে থাকতে পারলেন না তিনি। দেশে নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরেই ওই পদক্ষেপ নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ghatal: পানীয় জলের যন্ত্রণায় ভুগছে ঘাটাল! ভোটের মুখে দেবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঘাটালের ৩০ পরিবারের

    Ghatal: পানীয় জলের যন্ত্রণায় ভুগছে ঘাটাল! ভোটের মুখে দেবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঘাটালের ৩০ পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যের তেজে পুড়ছে গোটা বাংলা। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে জল সংকটে ভুগছে ঘাটাল। তাপমাত্রার পারদ যখন প্রায় ৪০ ডিগ্রি পার করেছে তখন পানীয় জলের সংকটে (Ghatal Water Crisis) নাজেহাল হচ্ছে ঘাটালের (Ghatal) গ্রামবাসী। প্রবল দাবদহের মধ্যে তীব্র পানীয় জলের সঙ্কটে ঘাটালের বীরসিংহ গ্রাম পঞ্চায়েতের দন্দিপুর বক্সী পাড়া এলাকার ৩০ পরিবার। 

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বিদায়ী সাংসদ দেবকে বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি। তাতেই গ্রামে (Ghatal) বিক্ষোভের আঁচ। এলাকার লোকজনের দাবি, আজ নয়, দীর্ঘ ছয় মাসের বেশি সময় ধরে একই অবস্থা এলাকার। কিছুদিন আগেই এলাকায় প্রচারে এসেছেন ঘাটালের দুবারের সাংসদ তথা এবারের তৃণমূল প্রার্থী দেব। তাঁর কাছে জলের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন এলাকার মহিলারা। কিন্তু তারপরেও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করছেন তাঁরা। 

    দেবের প্রতিশ্রুতি (Dev) 

    এ প্রসঙ্গে এলাকার (Ghatal) বাসিন্দা অনিমা বক্সি বলেছেন, “কার্তিক মাস থেকে জল নেই। সবাইকে বলেছি। কেউ কিছু শোনেনি। দেবও কদিন আগে এসেছিল। ওকেও বলেছিলাম আমরা। এখন তো এদিক ওদিক থেকে জল এনে কোনওরকমে কাজ চালাচ্ছি।” আর এক মহিলা বলেন, “৬ মাস ধরে জল নেই। বাধ্য হয়ে পুকুরের জল ব্যবহার করছি।” যদিও দেব (Dev) 
    প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইলেকশনের পর কাজ হয়ে যাবে।   

    আরও পড়ুন: ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটেও ব্যাপক দুর্নীতি! পরীক্ষার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন বিচারপতি মান্থার

    জল সংকটে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী (Ghatal) 

    জানা গেছে পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে গ্রামে হয়েছিল সজল ধারার কাজ। তবে সূত্রের খবর, বিদ্যুতের বিল সময় মতো না দেওয়ায় সেই সংযোগও বিচ্ছিন হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই আবার এলাকায় পিএইচইর পাইপ লাইনের ট্যাপ কল বসেছে। কিন্তু, জল এখনও আসেনি তাতে। ফলে সমস্যার (Ghatal Water Crisis)সমাধান কিছুতেই হচ্ছে না। এদিকে জল সংকটে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষোভ বেড়ে চলেছে স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপর। 
    বিষয়টি নিয়ে বীরসিংহ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রশান্ত রায়ের কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি আবার বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে দুষছেন। তবে তাঁর আশ্বাস সমস্যার সমাধান দ্রুত হবে। জল পাবে এলাকার মানুষ। কিন্তু, এলাকার (Ghatal) মানুষের দাবি, প্রতিশ্রুতি অনেক পেয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Humayun kabir: এবার সরাসরি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি! শক্তিপুরে উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

    Humayun kabir: এবার সরাসরি বিজেপিকে হুঁশিয়ারি! শক্তিপুরে উস্কানিমূলক ভাষণের অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন ভোটের আবহ। আর এরই মধ্যে নির্বাচনী জনসভা থেকে উস্কানিমূলক ভাষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগেই মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) সফরে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বহরমপুরে নেমেই বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে কাছে ডেকে বহরমপুর লোকসভা নির্বাচনে ইউসুফ পাঠান যাতে জয়লাভ করে সে বিষয়ে হুমায়ুন কবিরকে (Humayun kabir) নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই কথা মেনেই বুধবার জনসভা করছিলেন হুমায়ুন কবির। 

    হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য (Humayun kabir)

    এদিন তিনি রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,”কাদের কে বলেছে? কোন ধর্মস্থান ভাঙার কথা? যারা একথা বলে সম্প্রীতি নষ্ট করছে তাদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন কেন কোন রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না? ভোট আগামী ৭ তারিখ, তারপর সবাইকে এই শহরে থাকতে হবে। সেখানে কি করে রাজনীতির নেতৃত্বরা এরকম ভাবে হুমকি দেয়? তাদের ক্ষেত্রে কেন কোন পদক্ষেপ হবে না? কতদিন আর উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ এই হুমকি শুনবে। ভোটের জন্য উস্কানি মূলক ভাষণ দেবেন নেতারা। আর তার ফল ভোগ করতে হবে সাধারণ মানুষকে। এ কতদিন ধরে চলবে? মানুষ কবে সজাগ হবে? প্রশ্ন উঠেছে আজ।” 
    একই সঙ্গে এদিন বিজেপি কে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,”কত ধানে কত চাল হয়, দুঘণ্টার মধ্যে তোমাদের কেটে যদি ভাগীরথীর গঙ্গায় না ফেলতে পারি রাজনীতি থেকে সরে যাব। শক্তিপুর এলাকায় বসবাস করা বন্ধ করে দেব। এখানে তোমরা হাতির পাঁচ পা দেখেছো? কিন্তু যদি ভেবে থাকো ৩০% লোক মুর্শিদাবাদ জেলায় আর আমরা ৭০%। এখানে কামনগরে তোমরা বেঁচে আছ বলে কাজীপাড়ায় মসজিদ ভাঙবে আর বাকি এলাকার মুসলমান ভাইয়েরা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে এটা কোনদিন হবে না। বিজেপিকে আমি হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলছি কোনও দিন হবে না।”   
    অর্থাৎ যেখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার কথা মুখে বলছে সব দলই আর কাজে করছেন অন্য, সেরকমই একটি চিত্র এবার ধরা পরল হুমায়ুন কবিরের (Humayun kabir) সভায়। আর হুমায়ুন কবিরের মন্তব্যের জেরে ফের উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে শক্তিপুরে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিকাণ্ডে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিল সিবিআই, কী বলল তদন্তকারী সংস্থা?  

    রামনবমীর দিনও উত্তেজনা 

    প্রসঙ্গত শক্তিপুরে এর আগে রামনবমীর দিনও মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এর জেরে একাধিক পুলিশকর্মী, দুই নাবালক সহ মোট ১৮ জন জখম হয়েছিলেন। শক্তিপুর হাই স্কুল মোড়ের কাছে রামনবমীর শোভাযাত্রায় দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছিল। রামনবমীর মিছিলটি যখন একটি মসজিদের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, তখনই নাকি হামলা চালানো হয়েছিল। সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যান মুর্শিদাবাদের ডিআইজি সৈয়দ ওয়াকার রাজা। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। তারই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীও মোতায়েন করা হয় শক্তিপুরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “৪ জুনের পর পিসি-ভাইপো দরজা খুলে বসে থাকবে, আর কেউ থাকবে না”, আবারও বিস্ফোরক দিলীপ

    Dilip Ghosh: “৪ জুনের পর পিসি-ভাইপো দরজা খুলে বসে থাকবে, আর কেউ থাকবে না”, আবারও বিস্ফোরক দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এখন ভোটের হাওয়া। ইতিমধ্যেই প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ভোট সমাপ্ত হয়েছে। সামনেই তৃতীয় দফার ভোট। আর তারপর চতুর্থ দফায় ভোট রয়েছে বর্ধমান দুর্গাপুর কেন্দ্রে। আর সেই কেন্দ্রের ভোট প্রচারে রোজকার মত বৃহস্পতিবার সকালেও প্রাত:ভ্রমণ ও জনসংযোগ সারেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিন কালনা গেট ও নারীকলোনি এলাকায় প্রাত:ভ্রমণ সারেন তিনি। এরপর চা চক্রে মিলিত হয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দিলীপ। আর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতেই একাধিক প্রসঙ্গে ফের মমতা-অভিষেককে আক্রমণ করেন বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। 

    দিলীপ ঘোষের মন্তব্য (Dilip Ghosh)

    এদিন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বর্ধমানে কর্মী বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি (Dilip Ghosh) বলেন,”এই রোদ্দুরে ওনারা বেরাতে পারবেন না, ইণ্ডোরে মিটিং ই করতে হবে। দেখছেন না আমরা যেখানে রোড শো করছি সেখানে গো ব্যাক, কালো পতাকা দেখানো হচ্ছে। টিএমসি (TMC) বুঝে গেছে এখানে কোন চান্স নেই। পার্টি অফিসে ঢুকে গেছে।” 
    এর পাশাপাশি মমতার ইভিএম প্রসঙ্গ তুলে তিনি (Dilip Ghosh) বলেন,”উনি (Mamata Banerjee) সবসময় মিথ্যা কথা বলে মিডিয়ার লোককে ব্যস্ত রাখেন। ওনার কথায় পাবলিক ততটা আজকাল গুরুত্ব দেয় না। তিনি রোজ মাথা খাটিয়ে একটা মিথ্যা কথা বলেন। এটা তার উপদেষ্টারা যুক্তি দেন। উনি কত টাকা লুঠ করেছেন, চাকরি থেকে কত টাকা লুঠ হয়েছে এটা কখনো বলেন না। উনি মাঝেমধ্যেই বলেন ভুল হয়ে গেছে। আয়লার টাকা ভুল করে তার দলের নেতার অ্যাকাউন্টে চলে গেছে। মাষ্টারির চাকরির ক্ষেত্রেও একই কথা বলেন।” 
    অন্যদিকে আবার কদিন আগেই দিলীপ ঘোষের প্রতিপক্ষ কীর্তি আজাদ অভিযোগ করেছিলেন দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি করছেন চিকিৎসার জন্য। নাহলে তৃণমূল কর্মীরা চাঁদা তুলে তার চিকিৎসা করাবে। এদিন কীর্তি আজাদের সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন বর্ধমান দুর্গাপুর কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) প্রার্থী। তিনি তৃণমূল প্রার্থীর উদ্দেশ্যে  বলেন,”কে কার চাঁদা তুলবে? উনি আগে ১৩ তারিখ পর্যন্ত থাকুন। ওনার পার্টির লোকেরাই ওনাকে ছেড়ে দিয়েছে। উনি তো আগে বিজেপিতে ছিলেন। কেন ওনাকে তাড়িয়ে দিয়েছে সেটা আগে বলুন।” 
    অন্যদিকে আবার অধীর রঞ্জন বলেছেন, টিএমসিকে ভোট দেওয়ার থেকে বিজেপিকে ভোট দেওয়া ভাল। সে প্রসঙ্গে এবার দিলিপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বললেন,”গোটা রাজ্যে অরাজকতা চলছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য সব জায়গায় লুঠপাট চলছে, দুর্নীতি চলছে। মহিলাদের সম্মানহানি হচ্ছে। তাই শুভবুদ্ধিসম্পন্ন যে কোন মানুষ এটা বলবে। অধীরদা বুঝেছে তার দল ওদের হারাতে পারবে না, সিপিএম পারবে না, তৃণমূলকে হারাতে একমাত্র বিজেপিই পারবে।” 
    প্রসঙ্গত, ৪ জুন লোকসভা ভোটের ফলপ্রকাশ। তৃণমূলের দাবী ৪ জুনের পর দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh) তৃণমূলে যোগদান করতে হবে। এ কথার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,”ওনাদের খোকাবাবু রোজ বলছেন দরজা খুললে লোকে ভড়ে যাবেন। কিন্তু উনি ভয়ে দরজা খুলছেন না। দরজা খুললে লোকে পালিয়ে যাবে। ৪ জুনের পর পিসি ভাইপো দরজা খুলে বসে থাকবে আর কেউ থাকবে না।” 
    সম্প্রতি কুনালকে পদ থেকে সরিয়েছে তৃণমূল। সে প্রসঙ্গেই তিনি (Dilip Ghosh) বলেন,”ওকে কখনো গালিগালাজ করে, কখনো পদ থেকে সরিয়ে দেয়। কখনো জেলে পাঠায়। উনি ভাবুন কেমন দলে আছেন।” একই সঙ্গে চাকরি দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “কুনাল ঘোষ তো অনেকদিন পার্টিতে আছেন। উনি কেন তথ্য দিচ্ছেন না সিবিআই, ইডিকে। আমাদের কাছে সব তথ্য আছে কে কত টাকা নিয়েছে চাকরির জন্য। এখানকার বিধায়কও টাকা নিয়েছে, সেই তথ্যও আছে। দলের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ করার জন্য তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করুন।”

    আরও পড়ুন: আবহাওয়ার পরিবর্তনে বাড়ছে হিট স্ট্রোক থেকে মৃত্যুর সংখ্যা! চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল গবেষণায়

    আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর সভা 

    উল্লেখ্য, আগামীকাল সভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এদিন জানান,প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবাংলায় বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, কারণ বাংলাতেই বিজেপির সিট বেশি বাড়বে। ৩৭০ টার্গেট দিয়েছে মোদিজি। সেজন্য দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য ও তাদের পাশে থাকার জন্য বার বার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এবার শুধু মোদিজি (PM Narendra Modi) নয় রাষ্ট্রীয় সভাপতি, যোগিজি সহ অনেকেই আসছেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: খড়গ্রামে গুলি, নবগ্রামে বোমা! মুখ্যমন্ত্রীর সভার দিন উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ

    Murshidabad: খড়গ্রামে গুলি, নবগ্রামে বোমা! মুখ্যমন্ত্রীর সভার দিন উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) সভার দিনেই মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) চলল গুলি। এদিন জেলায় সভা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সভা শুরু আগে মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে বচসা। হাতাহাতির মাঝেই গুলি চালানোর অভিযোগ। বুধবার দুপুরে দিয়ারা মল্লিকপুর গ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি ও ওই গ্রামের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা জিতা খাতুন ও তার অনুগামীদের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। হাতাহাতিতে চলাকালীন এক যুবক পিস্তল বের করে পর পর দুই রাউণ্ড গুলি চালায় বলে অভিযোগ। 

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনায় কংগ্রেসের (INC) ব্লক সভাপতি অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC)  অঞ্চল সভাপতি আলতামাস কবীরের বিরুদ্ধে। যদিও গুলি চলার ঘটনা অস্বীকার করে, ঘটনাকে পারিবারিক অশান্তি বলে জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় খড়গ্রাম থানার পুলিশ। লোকসভা নির্বাচনের আগে জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর (CM Mamata Banerjee) সভার দিন দিবালোকে গুলি চালানোর ঘটনায় প্রশাসনের সতর্কতা প্রশ্নের মুখে। গুলি চলার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। 

     নবগ্রামে বোমা উদ্ধার 

    অন্যদিকে এদিন বোমা উদ্ধার হল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad)  নবগ্রামে। বুধবার সকালে রাস্তার পাশের একটি ঝোপে ব্যাগভর্তি তাজা বোমা দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে ওই এলাকা ঘিরে রাখে। বোমা উদ্ধারের জন্য খবর দেওয়া হয় বম্ব স্কোয়াডে (Bomb Squad) । জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নবগ্রাম থানা এলাকার মুহুরুল গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত গ্রামদিঘি এলাকার রাজ্য সড়কের পাশের ঝোপে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়েরা। ব্যাগটিতে প্রচুর তাজা বোমা রাখা ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। স্থানীয়দের নিরাপত্তার কথা ভেবে এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয়েছে। বোমাগুলিকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য খবর দেওয়া হয় বম্ব স্কোয়াডে (Bomb Squad)। মনে করা হচ্ছে ভোটে ব্যবহারের জন্য বোমা নিইয়ে আশা হয়েছিল। কিন্তু শেষ প্রাপকের কাছে পৌঁছনর আগেই তা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। প্রসঙ্গত রাজ্য জুড়ে যে পরিমাণ বোমা উদ্ধার হচ্ছে তাতে ভোটর আবহ দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal) পৌঁছলে অশান্তি বাড়ার ইঙ্গিত মিলেছে।

    আরও পড়ুন: রাতভর বিদ্যুৎহীন এলাকা! রাস্তাতেই রাত কাটালেন দক্ষিণ দমদমের বাসিন্দারা

    তৃণমূলকে আক্রমণ সুকান্তর

    বারবার বোমা উদ্ধারে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন সুকান্ত মজুমদার। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেছেন,”তৃণমূলের বোমা তৈরি কুটির শিল্পে পরিণত হয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Agnimitra Paul: বসিরহাটের কায়দায় এবার দাঁতনে অগ্নিমিত্রাকে প্রচারে বাধা তৃণমূলের!

    Agnimitra Paul: বসিরহাটের কায়দায় এবার দাঁতনে অগ্নিমিত্রাকে প্রচারে বাধা তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমে রেখা পাত্র। তার পর অগ্নিমিত্রা পল (Agnimitra Paul)। বিজেপি প্রার্থীকে প্রচারে বাধা দেওয়া কি তৃণমূলের (TMC) রণকৌশল। উঠছে প্রশ্ন। দুটি প্রচারে বাধা দেওয়ার ধরণে মিল রয়েছে। তিনি বলেছেন, “চোরের দল বাধা দিয়েছে, মহিলাদের শিখিয়ে পড়িয়ে এগিয়ে দিয়ে পিছনে থাকছেন তৃণমূল নেতারা।”

    গাড়ি ঘিরে ধরে তৃণমূল কর্মীরা (Agnimitra Paul)

    ভোটের প্রচারে ফের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল মেদিনীপুর লোকসভার বিজেপি (BJP) প্রার্থী অগ্নিমিত্র পল-কে। মঙ্গলবার দাঁতনে ভোটের প্রচারে এসেছিলেন অগ্নিমিত্রা (Agnimitra Paul)। স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে জনসংযোগ করছিলেন তিনি। আচমকাই তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে তৃণমূল (TMC) কর্মী সমর্থকরা। তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয়। ওঠে গো ব্যাক স্লোগান। এমনকি অপশব্দ বলতেও শোনা গেছে কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, “হুডখোলা গাড়িতে প্রচার করতে এসেছিলেন অগ্রিমিত্রা (Agnimitra Paul )। দাঁতনের কুসমি এলাকায় তাঁর গাড়ি পৌঁছতেই অগ্নিমিত্রাকে ঘিরে ধরে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। মহিলাদের এগিয়ে দেওয়া হয় গাড়ির সামনে। তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয়। এবং কয়েকজন মহিলা স্লোগান দিতে শুরু করেন। দেওয়া হয় গো ব্যাক স্লোগানও। তাঁর গাড়ি আটকে রাখার চেষ্টা করে কার্যত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তৃণমূলীরা।

    আরও পড়ুনঃ “বিজেপি কর্মীর খুনিদের পাতাল থেকে বের করে শাস্তি দেব”, বললেন অমিত শাহ

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা পল?

    এ বিষয়ে অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul ) বলেন, “ওদের দলের চুরি যাতে জনমানসে না বেরিয়ে যায় তাঁর জন্য একদিকে সুপ্রিম কোর্ট দৌড়াচ্ছেন অন্যদিকে আমাদের প্রচারে বাধা দিচ্ছেন। রাজ্যে সব জায়গায় দুষ্কৃতীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। যারা এতদিন চুরি করেছে তাদের আজ অসুবিধা হচ্ছে বলে বিজেপি প্রার্থীকে কালো পতাকা দেখাচ্ছে। গ্রামের মানুষ কেউ বেরিয়ে আসেনি, জনাকয়েক চোর বেরিয়ে এসেছে।” প্রসঙ্গত অগ্রিমিত্রা স্থানীয় কয়েকজন তৃণমূল নেতার নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, “দলের কয়েকজন কর্মী ছাড়া ওদের পাশে কেউ নেই। এই সমস্ত তৃণমূল নেতারা চুরির সঙ্গে যুক্ত। এরপর জনগণ ওদের কাছ থেকে চাকরির জন্য দেওয়া টাকা ফেরত চাইবে।” হুঁশিয়ারী দিয়েছেন মেদিনীপুরের বিজেপি প্রার্থী (Agnimitra Paul )। প্রসঙ্গত এদিন সকালেই বসিরহাটে (Basirhat) একই কায়দায় রেখা পাত্রকে (Rekha Patra) ঘিরে ধরে কয়েকজন মহিলা তৃণমূল কর্মী সমর্থক। রেখাকে আটকে ঘেরাও করা মহিলাদের পেছনে ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। এদিন দাঁতনেও দেখা গেল একই ছবি। সামনে মহিলা তৃণমূল কর্মী সমর্থক পিছনে দাঁড়িয়ে পুরুষরা। প্রচারে বাঁধার জেরে দলীয় প্রার্থীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh Encounter: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ২ মহিলা সহ ৭ মাওবাদী

    Chhattisgarh Encounter: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত ২ মহিলা সহ ৭ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মধ্যেই ফের মাওবাদী বিরোধী অভিযানে সাফল্য। আগামী ৭ মে তৃতীয় দফায় ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) সাতটি লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ (Lok sabha vote 2024) হবে। আর তার আগেই ছত্তিশগড়ের (Chhatisgarh) বস্তার লাগোয়া জঙ্গলে একসঙ্গে ৭ মাওবাদীকে নিকেশ করল নিরাপত্তা বাহিনী। তাঁদের মধ্যে দুজন মহিলাও রয়েছে বলে জানা গেছে। জেলা রিজার্ভ গার্ড এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) যৌথ ভাবে নারায়ণপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে ওই সাত জনকে নিকেশ করেছে।

    ঘটনার বিবরণ (Chhattisgarh Encounter)

    সূত্রের খবর, ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর কাঙ্কের সীমান্তে অবুঝমাড়ের জঙ্গলে মাওবাদীদের (Maoists) আস্তানার খোঁজ পেয়ে সেখানে হানা দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এরপর মঙ্গলবার সকালে সেখানেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এরপর বেশ কয়েক ঘণ্টা লড়াইয়ের পরে নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে জখম হয়ে সাত জনের মৃত্যু হয়। এরপর নিরাপত্তারক্ষীরা ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করে। জানা গেছে, একটি একে ৪৭ (AK47) এবং অন্যান্য অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে দুষ্কৃতী দলের বাকি সদস্যদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ (Police) জানিয়েছে, গুলির লড়াই এখনও চলছে। ইতিমধ্যেই ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) নারায়ণপুরের জঙ্গল থেকে ২ মহিলাসহ ৭ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ “পাকিস্তানকে সবার আগে ফোনে জানিয়েছিলাম”, বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে বড় খোলসা মোদির

    পুলিশের বক্তব্য

    এ প্রসঙ্গে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) বস্তার রেঞ্জের পুলিশ কর্তা জানান, “সকাল ৬টা নাগাদ সংঘর্ষ শুরু হয়। অবুঝমাড় জঙ্গলের টেকমেটা এবং কাকুর গ্রামের মাঝামাঝি এলাকায় বাহিনী দেখে গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। জঙ্গলে মাওবাদীদের কয়েকজন শীর্ষ নেতা ঘাপটি মেরে রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল। সেই মতো রাত থেকেই তল্লাশি শুরু করে যৌথ বাহিনী।” তবে এই ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর (security forces) কেউ আহত হননি। উল্লেখ্য গত ১৫ দিনের মধ্যে এটাই মাওবাদীদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বড়সড় অভিযান। এর আগে গত ১৬ এপ্রিল কাঙ্কের জেলায় গুলির লড়াইয়ে ২৯ জন মাওবাদীকে খতম করেছিল জেলা রিজার্ভ গার্ড এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের (STF) যৌথ বাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হুগলির ভোটপ্রচারে টাটাকে এরাজ্যে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হুগলির ভোটপ্রচারে টাটাকে এরাজ্যে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Vote 2024) আবহের মধ্যেই বিরাট আশ্বাস বিরোধী দলনেতার। সরকার বদলের ডাক দিয়ে আগামী দিনে ফের টাটাকে (TATA) এ রাজ্যে ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    ঠিক কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    সোমবার সন্ধ্যেয় হুগলির (Hooghly) ধনিয়াখালিতে লোকসভা ভোটের প্রচারে (Election campaign) একটি সভা করেন তিনি। সেই সভামঞ্চ থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “লোকসভা ভোটে বাংলা থেকে ৩৫টি আসন বিজেপি জিতলে, ২০২৬ সাল পর্যন্ত যেতে হবে না। কয়েক মাসের মধ্যেই সরকার বদলে যাবে। আমরা এমন এক সরকার উপহার দেব, যে সরকার টাটাকে ফিরিয়ে আনবে।”

    ২০০৮ সালে কারখানা নির্মাণের কাজ স্থগিত হয়

    প্রসঙ্গত, সিঙ্গুরে ন্যানো প্রকল্পের (Singur Nano Plant) জন্য ৯৯৭ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল তৎকালীন বাম সরকার। তার মধ্যে প্রায় ৪০০ একর জমির দাতা ছিলেন অনিচ্ছুক। যা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। এরপর ২০০৬ সালে ২৫ মে থেকে ৯৯৭ একর কৃষিজমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। পরবর্তীকালে ২০০৮ সালে সিঙ্গুরে কারখানা নির্মাণের কাজ স্থগিত করে টাটা মোটরস। তাই শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এবার হুগলিতে সরব হয়েছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বাংলায় ৩৪ বছরের বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে সরকার বদলের ক্ষেত্রে অনুঘটকের মতো কাজ করেছিল সিঙ্গুর আন্দোলন। সিঙ্গুরের আমজনতাও টাটা গোষ্ঠী চলে যাওয়া নিয়ে দ্বিধা বিভক্ত। এসবের মধ্যেই এবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা প্রতিশ্রুতি দিলেন, বাংলায় বিজেপির (BJP Government) সরকার ক্ষমতায় এলে আবার টাটাকে এ রাজ্যে ফিরিয়ে আনবেন।

    আরও পড়ুনঃ “লাঠি, ইট দিয়ে হামলা চালায় তৃণমূল”, বললেন প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র

    হুগলি লোকসভা আসনে লকেট বনাম রচনা

    প্রসঙ্গত, এবার হুগলি লোকসভা আসনে (Hooghly Lok Sabha Seat) তারকাদের লড়াই। একদিকে বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায় অন্যদিকে তৃণমূলের রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও এর আগে ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে, হুগলি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের সাক্ষী হয়েছিল। সেবার এই আসনে বিজেপি প্রার্থী লকেট চ্যাটার্জি (Locket Chatterjee) ৭৩,৩৬২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। এবার এবারে তার প্রতিদ্বন্দ্বী রচনা। তাই লড়াইয়ের ময়দানে জয়ী হতে ভোট প্রচারে এসেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর সিঙ্গুরের মাটিতে টাটা ফিরবে কিনা সে জবাব ৪ জুন ভোটের ফল প্রকাশেই মিলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বিজেপির ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত। কসবায় (Kasba Incident) বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। পুলিশ (kolkata police) সূত্রে খবর, দুজনকেই সোমবার আদালতে তোলা হবে। সম্প্রতি ভোট প্রচারে (Lok sabha Vote 2024) বেরিয়ে কসবা বিধানসভা এলাকার আনন্দপুরে আক্রান্ত হন বিজেপি নেত্রী (BJP leader) সরস্বতী সরকার। ঘটনার পরেই আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত বিজেপি নেত্রী। এরপরেই এই ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনায় নিজের এক্স হ্যান্ডলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Lok sabha Vote 2024)?

    শনিবার রাতে কয়েক জন বিজেপি কর্মীকে নিয়ে আরবান কমপ্লেক্সের কাছে পূর্বপাড়ায় দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা (Lok sabha Vote 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরীর সমর্থনে পোস্টার লাগাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, তখনই আচমকা তৃণমূলের লোকজন তাঁদের উপর চড়াও হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় তাঁদের পোস্টার, ব্যানার। তৃণমূলের (TMC) দুষ্কৃতীদের বাধা দেওয়া হলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সরস্বতী সরকারকে কোপানো (Kasba Incident) হয়।গ্রেফতার হওয়া দুই অভিযুক্তর নাম গৌর হরি গায়েন ও আসরাফ মোল্লা ওরফে ভুতো। দুজনের বিরুদ্ধেই এফআইআরে বিজেপির (BJP) নেত্রীর উপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছিল।

    বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতির বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা (South Kolkata) জেলা সভাপতি অনুপম বলেছিলেন, ‘‘দক্ষিণ কলকাতা তৃণমূলের গড় হলেও এ বারের ভোটে সেই গড় নড়ে যাবে। আমাদের প্রার্থী এবং কর্মীরা ভোটপ্রচারে (Lok sabha Vote 2024) নেমে যে ভাবে সাড়া পাচ্ছেন, তাতে ভয় পেয়ে গিয়েছে তৃণমূল। সেই ভয় থেকেই আমাদের মণ্ডল সভাপতি ও কর্মীদের ওপর হামলা (Kasba Incident) চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।’’

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

    ঘটনার প্রতিবাদে ধর্না

    এই ঘটনায় আনন্দপুর পুলিশ স্টেশনের সামনে ধর্নায় বসেন দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী (Lok sabha Vote 2024) দেবশ্রী চৌধুরী। তাঁর দাবি, জামিন যোগ্য ধারায় মামলা করে পুলিশ হামলাকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। এই বিষয়ে পুলিশকে মদত দিচ্ছেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারার মামলা করার দাবিও জানিয়েছেন দেবশ্রী। যতক্ষণ না তা করা হবে ততক্ষণ ধর্না (Kasba Incident) চলবে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী।

    অন্যদিকে শনিবার রাতেই আক্রান্ত বিজেপি নেত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন কেন্দ্রীয় শিশু ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। একই সঙ্গে, তাঁর যাবতীয় খোঁজ খবরও নিয়েছেন মন্ত্রী৷ বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের মধ্যে কথা হয় বলেও জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: “শাহজাহানকে আড়াল করেছেন মমতা”, বহরমপুরে তোপ জেপি নাড্ডার

    JP Nadda: “শাহজাহানকে আড়াল করেছেন মমতা”, বহরমপুরে তোপ জেপি নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৩ এপ্রিল বহরমপুরে (Beharampur) লোকসভা ভোট। আর তার আগে শেষ মুহূর্তের প্রচারে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর গড় বহরমপুর লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। রবিবার দুপুর ১২ টা নাগাদ প্রখর তাপদাহের মধ্যে বিধায়কহীন বড়ঞা বিধানসভায় বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার নির্মল কুমার সাহার সমর্থনে সভা করেন তিনি।

    কী বললেন নাড্ডা (JP Nadda)?

    বড়ঞার জালিবাগানের জনসভায় বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডাক্তার নির্মল কুমার সাহার সমর্থনে ভোট দিয়ে তাঁকে জয়ী করার আহ্বান জানালেন জেপি নাড্ডা। এদিন প্রচারের পাশাপাশি ফের একবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রসঙ্গ উঠে এল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার মুখে। সন্দেশখালিতে যেভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা করেন নাড্ডা। তিনি বলেন,”শেখ শাহজাহানকে (Sheikh shahjahan) আড়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি (Mamata Banerjee)। একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন ব্যবহার একেবারে অনুচিত। সন্দেশখালির মহিলাদের উপর যে অত্যাচার হয়েছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বাংলার মায়েদের উপর অত্যাচার করেছে তৃণমূলের নেতা।” এদিন নির্বাচনী জনসভায় (Lok Sabha Election Campaign) জেপি নাড্ডার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ডক্টর নির্মল কুমার সাহা, বহরমপুর সংগঠনিক জেলা সভাপতি সহ বিজেপি নেতৃত্বরা ও প্রায় হাজার হাজার কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষ।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল দুষ্কৃতীর কোপে মাথা ফাটল মহিলা বিজেপি কর্মীর! থানায় বিক্ষোভ দেবশ্রীর

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    এই লোকসভায় এবার হাড্ডাহাড্ডি ত্রিমুখী লড়াই হতে চলেছে। আর এই সভা থেকেই এদিন জেপি নাড্ডা (JP Nadda) তৃণমূলের (TMC)বিরুদ্ধে চালচোর থেকে শুরু করে সন্দেশখালির ঘটনা, কাটমানি, শিক্ষক দুর্নীতি, জমি মাফিয়া সহ বিভিন্ন দুর্নীতির জন্য ক্ষোভ উগরে তীব্র কটাক্ষ করেন, এবং একই সঙ্গে বাংলার এই সরকারকে উচ্ছেদ করার ডাক দেন। উল্লেখ্য লোকসভা ভোটের মরশুমে এই প্রথমবার রাজ্যে এলেন বিজেপি নেতা। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), অমিত শাহ একাধিকবার বঙ্গে এলেও বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি এলেন প্রথম। আর সব শেষে এদিনের সভায় নাড্ডা এও বলেন যে, বিজেপি এখানে ৩৫ টির বেশি আসনে জিতবে। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার যে সুযোগ সুবিধাগুলি দিচ্ছে তা বঙ্গে হতে দিচ্ছে না মমতার সরকার। ফলে এই প্রকল্পগুলির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share