Tag: Germany

Germany

  • Friedrich Merz: বদলের হাওয়া জার্মানিতেও, সাধারণ নির্বাচনে জয়ী রক্ষণশীলরা, পরবর্তী চ্যান্সেলর কে?

    Friedrich Merz: বদলের হাওয়া জার্মানিতেও, সাধারণ নির্বাচনে জয়ী রক্ষণশীলরা, পরবর্তী চ্যান্সেলর কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হার স্বীকার করে নিলেন জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজ। রবিবার রক্ষণশীল বিরোধী দলের নেতা ফ্রেডরিখ মার্জকে (Friedrich Merz) অভিনন্দনও জানান তিনি। জনমত সমীক্ষার ফল বলছে, জার্মানির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি স্পষ্ট পরিবর্তন হয়েছে। মার্জকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “সামাজিক গণতান্ত্রিক দলের জন্য এটি একটি তিক্ত নির্বাচনী ফল। এটি একটি নির্বাচনী পরাজয়ও। নির্বাচনী ফলের জন্য অভিনন্দন (Exit Polls)।”

    ২১তম সাধারণ নির্বাচন (Friedrich Merz)

    রবিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে জার্মানির ২১তম সাধারণ নির্বাচন। ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছিল সকাল ৮টায়। শেষ হয় সন্ধ্যা ছটায়। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই প্রাথমিক নির্বাচনী সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, নির্বাচনে ফ্রেডরিখ মার্জের দল ক্রিশ্চিয়ান গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন জয়ী হয়েছে। তবে অতি ডানপন্থীদেরও উত্থান ঘটেছে। নির্বাচনে রক্ষণশীল ক্রিশ্চিয়ান গণতান্ত্রিক ইউনিয়ন দল ২৯ শতাংশ, কট্টরবাদী জার্মানির জন্য বিকল্প দল ১৯.৫ শতাংশ, সামাজিক গণতান্ত্রিক দল ১৬ শতাংশে এগিয়ে রয়েছে। পরিবেশবাদী সবুজ দল ১৩.৫ শতাংশ এবং বাম দল দ্য লিঙ্কে ৮.৬ শতাংশে এগিয়ে রয়েছে।

    কোন দলের ঝুলিতে কত ভোট

    বিরোধী রক্ষণশীল সিডিইউ/সিএসইউ জোট ২৮.৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে, জেডডিএফ পাবলিক ব্রডকাস্টারের প্রকাশিত এক্সিট পোল অনুযায়ী (Exit Polls)। চরম ডানপন্থী অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি ২০ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে এসেছে, যা জাতীয় নির্বাচনে তাদের সর্বোচ্চ ফল। সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটস দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে তাদের সব চেয়ে খারাপ ফল করেছে। তারা ভোট পেয়েছে মাত্র ১৬.৫ শতাংশ। এই ফল জটিল জোট আলোচনার জন্য মঞ্চ তৈরি করেছে। মের্জ আরও শক্তিশালী নেতৃত্বের ধরন ও মিত্রদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বিভক্ত রাজনৈতিক পরিবেশে তাকে একটি জোট গঠন করতে হবে।

    রফতানি নির্ভর অর্থনীতি

    কোয়ালিশন আলোচনা চলাকালীন শোলৎজ হয়তো তত্ত্বাবধায়ক ভূমিকায় পদে থাকতে পারেন। এটি টানা দুবছর অর্থনৈতিক সংকোচনের পর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার চেষ্টাকে বিলম্বিত করতে পারে। জার্মানির রফতানি নির্ভর অর্থনীতি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের নিরাপত্তার সম্পর্ক এই অনিশ্চয়তাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। জনমত সমীক্ষায় অভিবাসনের বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়েছে বলে বোঝা যাচ্ছে। এটি ২০১৫ সালের থেকে আলাদা, যখন জার্মানি বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে স্বাগত জানিয়েছিল। এএফডি এই পরিবর্তনকে কাজে লাগিয়ে তাদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে। যদিও তারা কোয়ালিশনের আলোচনার বাইরে রয়েছে (Friedrich Merz)।

    এএফডির উত্থান

    এএফডির উত্থান শাসনকে জটিল করে তুলেছে। যদিও তাদের এখনই সরকারে প্রবেশের সম্ভাবনা নেই, তবে তাদের ক্রমবর্ধমান সমর্থন ভবিষ্যতের নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলাফলটি এমন একটি সরকার গঠনে অবদান রাখতে পারে যা জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে নীতিগুলি এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। রক্ষণশীল নেতা মার্জ জার্মানির পরবর্তী চ্যান্সেলর হতে চলেছেন। কারণ জাতীয় নির্বাচনে তার দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যেটিক ইউনিয়ন (CDU) সব চেয়ে বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছে। এই জয় জার্মান রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন নির্দেশ করে। কারণ তাঁর দল বর্তমান চ্যান্সেলর ওলাফ শোলৎজের মধ্য-বামপন্থী সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (SPD)-কে পরাজিত করেছে।

    জয়ী সিডিইউ/সিএসইউ জোট

    এদিকে, শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, সিডিইউ/সিএসইউ জোট রবিবার জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। এর জেরে ফ্রেডরিখ মার্জকে দেশের পরবর্তী চ্যান্সেলর হওয়ার পথে এগিয়ে রেখেছে। ২৮.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে মের্জের সংরক্ষণশীল দল কট্টর-ডানপন্থী অল্টারনেটিভ ফর জার্মানিকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। তারা রেকর্ড ভোট পেয়েছে ২০ শতাংশ। তবে এই জয় সত্ত্বেও মের্জের জন্য একটি স্থিতিশীল জোট গঠন করা একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, তার নেতৃত্ব এমন একটি সময়ে শুরু হচ্ছে যখন জার্মানি কয়েক দশকের সব চেয়ে জটিল অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মুখোমুখি। এদিন মার্জ সমর্থকদের উদ্দেশে প্রতিশ্রুতি দেন, জার্মানি আবারও স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য নেতৃত্ব পাবে (Exit Polls)।

    মার্জ জার্মানির ঋণ সীমা পর্যালোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন, যা একটি সাংবিধানিক নিয়ম যা সরকারি ঋণ গ্রহণের সীমা নির্ধারণ করে। সমর্থকদের যুক্তি, এই নিয়মে পরিবর্তন আনা হলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনৈতিক আলোচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় (Friedrich Merz)। জার্মানির এক মহিলা ভোটার বলেন, “নির্বাচনের ফল কেমন হবে, তা আগে থেকেই পরিষ্কার ছিল। আমি নিজে অবশ্য মার্জকে পছন্দ করি না। কিন্তু অভিবাসী ইস্যুতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবেন এবং এএফডিকে ঠেকাতে পারবেন। দি লিংক বিরোধী দল নির্বাচিত হওয়ায় আমি খুশি।”

  • Germany: জার্মানির ক্রিসমাস মার্কেটে গাড়ি হামলার ঘটনায় আহত ৭ ভারতীয়

    Germany: জার্মানির ক্রিসমাস মার্কেটে গাড়ি হামলার ঘটনায় আহত ৭ ভারতীয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জার্মানির (Germany) ক্রিসমাস মার্কেটে সৌদি আরবের চিকিৎসকের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। জানা যাচ্ছে, এই হামলায় মোট সাতজন ভারতীয় আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে ইতিমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জার্মান প্রশাসন (Christmas Market Attack)। অন্যদিকে, ভারতীয় দূতাবাস আহত ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি

    এনিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রক এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘‘জার্মানির (Germany) ক্রিসমাস মার্কেটে ভয়াবহ যে হামলা ঘটেছে তাতে অনেক মূল্যবান জীবন নষ্ট হয়েছে। এই হামলায় অনেকেই আহত হয়েছেন। আমরা দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি আহতদের। আমাদের মিশন হল সেই সমস্ত ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করা, যাঁরা এই ঘটনায় আহত হয়েছেন। তাঁদের পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি আমরা। সমস্ত ধরনের সম্ভাব্য সহায়তা তাঁদেরকে প্রদান করা হবে।’’ অন্যদিকে এই ঘটনায় ২০৫ জন আহত হয়েছেন (Germany) বলে জানা গিয়েছে। আহতদের ১৫টি আলাদা আলাদা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    ৫০ বছর বয়সি ওই ডাক্তারের নাম তালেব আল আবদুল মহসেন

    ইতিমধ্যে প্রশাসন হামলাকারীকে চিহ্নিত করেছে। ৫০ বছর বয়সি ওই ডাক্তারের নাম তালেব আল আবদুল মহসেন। প্রসঙ্গত, মর্মান্তিক ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। পুলিশ এখনও পর্যন্ত হামলাকারির গাড়িতে কোনও রকমের বিস্ফোরক পায়নি। তবে জঙ্গি যোগ রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে। একটি তদন্তকারী দলকে ইতিমধ্যে বার্নবার্গ শহরে (Germany) পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, সেখানেই তালেব আল আবদুল মহসেন থাকতেন। তালেব পেশায় একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তিনি জার্মানিতে চলে আসেন ২০০৬ সালে। এরপরে জার্মানিতে তাঁকে উদ্বাস্তুর স্বীকৃতি দেওয়া হয় ২০১৬ সালে। সেখানেই তিনি স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তোলেন। তবে এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। আট বছর আগে ২০১৬ সালে তিউনেশিয়ার একজন অনুপ্রবেশকারী আনিস আমরি বার্লিনের একটি খ্রিস্টান বাজারে একইভাবে ট্রাক চালিয়েছিলেন এবং ১২ জন সাধারণ নাগরিককে হত্যা করেছিলেন। এখানেই উঠছে প্রশ্ন! আশ্রয় নিয়েও উদ্বাস্তুরা জেহাদি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Germany: জঙ্গি যোগ! জার্মানির ভিড় বাজারে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে ২ জনকে পিষলেন ‘উদ্বাস্তু’ চিকিৎসক

    Germany: জঙ্গি যোগ! জার্মানির ভিড় বাজারে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে ২ জনকে পিষলেন ‘উদ্বাস্তু’ চিকিৎসক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার জার্মানির (Germany) ম্যাগডেবার্গ শহরে একটি হাড়হিম করা ঘটনা ঘটে। ওই শহরের জনবহুল বাজারে ইচ্ছাকৃতভাবে রুদ্ধশ্বাসে গাড়ি চালিয়ে কয়েকজনকে পিষে দেন সৌদি আরবের এক ডাক্তার। জার্মানির স্থানীয় সংবাদপত্রগুলির রিপোর্ট অনুযায়ী, এই পরিকল্পিত হামলায় কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছেন এবং ৬০ জন আহত হয়েছেন। মর্মান্তিকভাবে নিহতদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। এটা কি জার্মানির উদারমনস্ক উদ্বাস্ত নীতির ফল? উঠছে প্রশ্ন।

    ৫০ বছর বয়সি ওই ডাক্তারের নাম তালেব আল আবদুল মহসেন

    ইতিমধ্যে সে রাজ্যের স্থানীয় প্রশাসন হামলাকারীকে চিহ্নিত করেছে। ৫০ বছর বয়সি ওই ডাক্তারের নাম তালেব আল আবদুল মহসেন। প্রসঙ্গত, মর্মান্তিক ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। পুলিশ এখনও পর্যন্ত হামলাকারির গাড়িতে কোনও রকমের বিস্ফোরক পায়নি। তবে জঙ্গি যোগ রয়েছে কিনা সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে। একটি তদন্তকারী দলকে ইতিমধ্যে বার্নবার্গ শহরে (Germany) পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, সেখানেই তালেব আল আবদুল মহসেন থাকতেন। তালেব পেশায় একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তিনি জার্মানিতে চলে আসেন ২০০৬ সালে। এরপরে জার্মানিতে তাঁকে উদ্বাস্তুর স্বীকৃতি দেওয়া হয় ২০১৬ সালে। সেখানেই তিনি স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তোলেন।

    ১৫ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক (Germany)

    হামলার খবর পৌঁছতেই সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যায় পুলিশ ও দমকল। একশোর বেশি দমকল কর্মী এবং ৫০ জন অন্যান্য উদ্ধারকর্মী উদ্ধারকার্যে নেমে পড়েন। জানা গিয়েছে , আহতদের মধ্যে ১৫ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রসঙ্গত, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরবের প্রশাসন এবং সমবেদনা জানিয়েছে নিহত জার্মান নাগরিকদের প্রতি।

    ২০১৬ সালেও একই কায়দায় হামলা চালানো হয়

    গতকালের এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। আট বছর আগে ২০১৬ সালে তিউনেশিয়ার একজন অনুপ্রবেশকারী আনিস আমরি বার্লিনের একটি খ্রিস্টান বাজারে একইভাবে ট্রাক চালিয়েছিলেন এবং ১২ জন সাধারণ নাগরিককে হত্যা করেছিলেন। এখানেই উঠছে প্রশ্ন! আশ্রয় নিয়েও উদ্বাস্তুরা জেহাদি কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে।

    ম্যাগডেবুর্গ শহরের (Germany) মেয়র সিমোন বোরিসের বিবৃতি 

    এনিয়ে শহরের মুখপাত্র মাইকেল রেইফ বলেন, ‘‘ঘণ্টায় ১৩০ কিমি বেগে টাউন হলের সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভিড়ের মধ্যে বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়েছেন অভিযুক্ত।’’ তিনি এও বলেন, ‘‘হামলাকারী একাই ছিলেন। ফলে এই মুহূর্তে নতুন করে হামলার কোনও আশঙ্কা নেই। তবু ঝুঁকি না নিয়ে শহরের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।’’ যেখানে হামলা চালানো হয়েছে সেটি ম্যাগডেবার্গ শহরের ক্রিসমাস মার্কেট হিসেবে পরিচিত। বড়দিন উপলক্ষে ইতিমধ্যে আলোতে সেজে উঠেছে ৪০০ মিটার ওই এলাকা। সন্ধ্যায় অনেকেই সেখানে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। খবরে প্রকাশ, একটি কালো রঙের বিএমডব্লু ভাড়া করেন অভিযুক্ত। এরপরই বেপরোয়া গতিতে ভিড়ের মধ্যে গাড়ি চালিয়ে দেন তিনি। যা থেকে তদন্তকারীরা মনে করছেন, পুরোটাই পরিকল্পিত, হামলা চালানোর জন্যই ওই সৌদি ডাক্তার এ কাণ্ড ঘটিয়েছেন। ম্যাগডেবুর্গ শহরের মেয়র সিমোন বোরিস বলেছেন, ‘‘আমি গভীরভাবে মর্মাহত। আমি কখনই ভাবতে পারিনি যে ম্যাগডেবুর্গ শহরে এমন একটি ঘটনা ঘটবে।’’

    ২০১৮ সালের সমীক্ষা (Germany)

    প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে জার্মান (Germany) দেশে একটি সমীক্ষা হয়। সেই সমীক্ষায় উঠে আসে যে, সে দেশের চতুর্থ জনবহুল রাজ্য লোয়ার স্যাক্সনিতে অনুপ্রবেশকারীদের কারণেই হিংসাত্মক কার্যকলাপ সব থেকে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই পরিসংখ্যান বলছে ২০০৭ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে লোয়ার স্যাক্সনিতে অপরাধ ২১.৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে ২০১৬ সালের শেষ নাগাদ আবার ১০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে যায় অপরাধ। পরিসংখ্যান বলছে, লোয়ার স্যাক্সনি শহরের প্রায় সাড়ে ৭ লাখেরও বেশি উদ্বাস্তু রয়েছেন এবং তাঁরা জার্মান দেশের নাগরিকত্ব ছাড়াই সেখানে বসবাস করছেন। তথ্য বলছে, ২০১৬ সালের শেষের দিকে, প্রায় ১.৫ লাখ উদ্বাস্ত জার্মান দেশে আশ্রয়ের জন্য আবেদন করেছিলেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, লোয়ার স্যাক্সনিতে মোট অপরাধের ৯২.১ শতাংশই উদ্বাস্তুদের কারণে হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Germany: জার্মানির প্রাচীনতম মসজিদে হানা পুলিশের, কারণ জানলে ভিরমি খাবেন

    Germany: জার্মানির প্রাচীনতম মসজিদে হানা পুলিশের, কারণ জানলে ভিরমি খাবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার জার্মানির (Germany) বিখ্যাত ব্লু-মস্ক বা নীল-মসজিদে অভিযান চালাল পুলিশ। হামবুর্গের এই মসজিদটি সে দেশের প্রাচীনতম মসজিদগুলির একটি। মসজিদটি ইমাম আলি মসজিদ নামেও পরিচিত। সম্প্রতি এই মসজিদেই হামলা চালায় পুলিশ। বালাক্লাভাসের অফিসাররা মসজিদ প্রাঙ্গন থেকে প্রচুর নগদ টাকা ও একটি কালো রংয়ের অডি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে। জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লার (Hezbollah) সঙ্গে যুক্ত নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লেগেছে জার্মান পুলিশ।

    মসজিদে পুলিশি অভিযান (Germany)

    তার জেরেই পুলিশি অভিযান চালানো হয় ওই মসজিদে। ইরানি শাসনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ইসলামিক জঙ্গি দমনে কড়া পদক্ষেপ করছে জার্মান পুলিশ। সেই সূত্রেই এবার তারা ঢুকে পড়ল দেশের প্রাচীনতম একটি মসজিদে। জানা গিয়েছে, তদন্ত চালিয়ে জার্মান পুলিশ দেখেছে, ‘ইসলামিক সেন্টার হামবুর্গ’ কেবল ধর্মীয় কাজকর্ম করে না। তারা কাজ করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খোমেইনির প্রতিনিধি হিসেবে। জার্মানিতে তারা ইসলামি বিপ্লব রফতানি করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ। জার্মানির ইন্টিরিয়র মন্ত্রী ন্যান্সি ফেসার ব্লুমবার্গ মসজিদ পরিচালনাকারী সংগঠন ‘ইসলামিক সেন্টার হামবুর্গ’কে (ICH) চরমপন্থী গোষ্ঠী দেগে দেন।

    মসজিদে ঝুলিয়ে দেওয়া হল তালা

    মসজিদটিকে নিষিদ্ধও ঘোষণা করা হয়েছে। ফয়েসার বলেন, “এই গোষ্ঠীটি একটি চরমপন্থী প্রচারকারী সংগঠন। এরা এ দেশে ইরানি বিল্পব রফতানি করতে চায়। এরা হিজবুল্লাকে সমর্থন করে। এই হিজবুল্লা ইরানপন্থী প্রতিরোধের অক্ষ। তাই জার্মানিতে (Germany) নিষিদ্ধ।” তিনি বলেন, “আমরা ধর্মের পরিপন্থী নই। আমরা বিশেষত ইসলামিক উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে। জার্মানিতে যেসব মুসলমান শান্তিতে ধর্মাচরণ করছেন, তাঁদের থেকে এই জঙ্গিদের বিচ্ছিন্ন করতে চাইছি আমরা।” ইন্টিরিয়র মন্ত্রী বলেন, “আমরা একটা সুস্পষ্ট লক্ষ্মণরেখা টানতে চাইছি। যে জঙ্গিদের কোমর ভেঙে দিতে আমরা অভিযান চালাচ্ছি, তাদের সঙ্গে সেই সব মুসলমানদের দূরে রাখতে চাইছি, যাঁরা নিজেদের ধর্ম বিশ্বাস নিয়েই রয়েছেন।” তিনি মনে করিয়ে দেন, “এই নিষেধাজ্ঞা শিয়া ধর্মের শান্তিপূর্ণ অনুশীলনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।”

    শিশু মনে পোঁতা হচ্ছিল ইরানি বিপ্লবের বীজ!

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরে ইরান বিরোধী সাংসদ এবং সমাজকর্মীরা  ব্লু-মসজিদ বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তার পরেই শুরু হয় তদন্ত। ২০১৭ সালে গোয়েন্দা সূত্র মারফৎও প্রশাসন খবর পায়, জার্মানিতে ইরানের সরকারপন্থী কার্যকলাপের সব চেয়ে প্রভাবশালী কেন্দ্র এই মসজিদ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে জার্মান সরকার। তার পরেই নিষেধাজ্ঞা জারি করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। নিষেধাজ্ঞার কথা ঘোষণা করা হয় দিন দুই আগে (Germany)। জানা গিয়েছে, ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদে শিশুদের ইসলামিক শিক্ষা দেওয়া হয় ফার্সি, আরবি এবং জার্মান ভাষায়। এর নেতৃত্ব দিত ইরানি বিপ্লবের কট্টর সমর্থকরা। শিশু মনে তারা পুঁতে দিত ইরানি বিপ্লবের বীজ।

    আরও পড়ুন: বাতাসে বারুদের গন্ধ, জেলেনস্কির ডাকে ইউক্রেনে যাচ্ছেন মোদি?

    খামেইনির প্রতিনিধিত্ব করছিল চরমপন্থীরা

    হামবুর্গের নিরাপত্তা মন্ত্রী অ্যান্ডি গ্রোট মসজিদে এই নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ইসলামিক জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এটা একটা রামধাক্কা।” ‘ইসলামিক সেন্টার হামবুর্গ’কে তিনি জঙ্গিদের আউটপোস্ট বলেও উল্লেখ করেন। গত নভেম্বরেও মসজিদটিতে অভিযান চালিয়েছিল জার্মান পুলিশ। সেই সময় দেশে চলছিল শিয়া বিরোধী আন্দোলন। এর কিছুদিন আগেই শুরু হয়েছে গাজা-ইজরায়েল লড়াই। জার্মান পুলিশের দাবি, মসজিদটিতে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, তার স্বপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে হিজবুল্লা এবং ২০২৩ সালে হামাস সমর্থকদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ করেছিল জার্মান প্রশাসন। নীল-মসজিদের কাজকর্মকে জার্মানির গোয়েন্দারা সাংবিধানিক নির্দেশের বিরোধী বলে অভিহিত করেছেন। এরা ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা খামেইনির প্রতিনিধিত্ব করছিল। চলতে চাইছিল খামেইনির আদর্শ নিয়ে। এসবই তারা করতে চাইছিল সন্ত্রাসের পথে। সেই কারণেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মসজিদটি।

    জার্মান সরকারের বিবৃতি

    ইরান সমর্থিত লেবানের জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লা। হিজবুল্লাকে জঙ্গি সংগঠন বলে দেগে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ২০২০ সালে হিজবুল্লাকে বেআইনি ঘোষণা করে আইসিএইচ-ও। জার্মান (Germany) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই সংগঠন (হিজবুল্লা) মানব মর্যাদা, নারীর অধিকার, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা এবং গণতান্ত্রিক শাসনের বিরোধিতা করে একটি ইসলামপন্থী চরমপন্থী, সর্বগ্রাসী মতাদর্শ প্রচার করে। নিষেধাজ্ঞাটির লক্ষ্যবস্তু যে চরমপন্থী ইসলামিরাই, সে কথাও (Hezbollah) সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিবৃতিটিতে (Germany)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UEFA Euro 2024: শেষ মুহূর্তের গোলে কোনও মতে মানরক্ষা জার্মানির! ইউরো থেকে ছুটি স্কটল্যান্ডের

    UEFA Euro 2024: শেষ মুহূর্তের গোলে কোনও মতে মানরক্ষা জার্মানির! ইউরো থেকে ছুটি স্কটল্যান্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে জার্মানি-সুইৎজারল্যান্ড (Germany vs Switzerland), আর অন্যদিকে হাঙ্গেরি-স্কটল্যান্ড। রবিবার ছিল ইউরো কাপের (UEFA Euro 2024) জমজমাটি দুই ম্যাচ। একদিকে ইউরো কাপে লজ্জার হাত থেকে বেঁচে গেল আয়োজক দেশ জার্মানি। আর অন্যদিকে স্কটিশদের হারিয়ে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার রাস্তা প্রস্তুত করল হাঙ্গেরি৷ এদিনের ম্যাচে একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে সংযুক্ত সময়ের গোলে কোনও মতে সুইৎজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে হার এড়াল জার্মানি। ম্যাচ শেষ হল ১-১ অমীমাংসিত অবস্থায়। আর স্কটল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে জয়ী হল হাঙ্গেরি। 

    জার্মানি বনাম সুইৎজারল্যান্ড (UEFA Euro 2024) 

    ম্যাচের শুরু থেকে আধিপত্য ছিল জার্মানিরই। তিন মিনিটের মাথায় জামাল মুসিয়ালা ডিফেন্সচেরা পাস দিয়েছিলেন ইলকাই গুন্ডোয়ানকে। কিন্তু সেই আক্রমণ ক্লিয়ার করে দেয় সুইস রক্ষণ। তবে জার্মানির আক্রমণ তাতে কমেনি। বলের লড়াইয়ে তারাই এগিয়েছিল। মুসিয়ালা এবং ফ্লোরিয়ান উইর্ৎজ ইচ্ছামতো জায়গা বদল করে খেলে সুইসদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এরপর খেলার ১৭ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল জার্মানি। জার্মানির আক্রমণের সামনে ভালই খেলছিল সুইস রক্ষণ। ২৮ মিনিটের মাথায় আচমকাই এগিয়ে যায় তারা। এনডোয়ের গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। তারপর বেশকিছু সুযোগ তৈরি হলেও আর কোনও গোল হয়নি। অতএব প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ফলাফল নিয়েই।

    এরপর খেলার (UEFA Euro 2024) দ্বিতীয়ার্ধে বাড়তি উদ্যম নিয়ে মাঠে নামে জার্মানি। খেলার ৪৯ মিনিটে, মুসিয়ালার জোরালো শট রুখে দেন সুইস গোলরক্ষক সমার। অন্যদিকে, পরিবর্ত হিসেবে নামা ডেভিড রাউমের শট একটুর জন্য বাইরে যায়। এরপর ম্যাচের ৭০ মিনিটে, দুরন্ত ব্লকিং করেন সুইস ডিফেন্ডাররা। ফলে, গোলের একেবারে কাছ থেকে ফিরে আসতে হয় জার্মানিকে। কিন্তু খেলার শেষদিকে লাগাতার আক্রমণ তুলে আনে জার্মানি। ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে, নিকলাস ফুলক্রাগের হেডে সমতা ফেরায় জার্মানি (Germany vs Switzerland)। বলা যেতে পারে, খেলার একেবারে শেষ মুহূর্তের নাটকীয় গোলে শেষপর্যন্ত, খেলা শেষ হয় ১-১ ফলাফল নিয়ে।

    আরও পড়ুন: নয়া সরকার গঠনের পর আজ শুরু লোকসভার প্রথম অধিবেশন, কী হবে সারাদিন?

    হাঙ্গেরি বনাম স্কটল্যান্ড (Hungary vs Scotland) 

    এদিন ম্যাচের (UEFA Euro 2024) প্রথমার্ধে তুলনামূলকভাবে স্কটল্যান্ডের আধিপত্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরে হাঙ্গেরি৷ বিপক্ষ গোলরক্ষক অ্য়াঙ্গাস গুনকে ব্যস্ত রাখে তাঁরা৷ তবে গোল কিছুতেই আসছিল না৷ শেষমেশ খেলার ১০০ মিনিটে গিয়ে গোল তুলে নেয় হাঙ্গেরি৷ প্রতি-আক্রমণ থেকে রোলান্ড সালাইয়ের বাড়ানো বল ধরে গোল করে যান সবথ৷ এর ফলে গ্রুপ ‘এ’তে তৃতীয়স্থানে ম্যাচ শেষ করল হাঙ্গেরি৷ যদিও পরের পর্বে যাওয়ার জন্য অন্যান্য গ্রুপের ফলাফলের উপর নির্ভর করতে হবে তাঁদের৷  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Euro 2024: প্রথম দল হিসেবে ইউরোর নক আউটে জার্মানি, জেতা ম্যাচ ড্র করল ক্রোয়েশিয়া

    Euro 2024: প্রথম দল হিসেবে ইউরোর নক আউটে জার্মানি, জেতা ম্যাচ ড্র করল ক্রোয়েশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপ্রতিরোধ্য জার্মানি। উদ্বোধনী ম্যাচে বিপক্ষকে পাঁচ গোলে দুরমুশ করার পর হাঙ্গেরির বিরুদ্ধেও জয় জামাল মুসিয়ালাদের। এদিন তাঁর গোলেই এগিয়ে যায় জার্মানি। ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ইউরো কাপে (Euro 2024) এ বারের সংস্করণে প্রথম দল হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল আয়োজক জার্মানি (Germany)। অন্যদিকে বুধবার জেতা ম্যাচ ড্র করল ক্রোয়েশিয়া। সুইৎজারল্যান্ড ও  স্কটল্যান্ড ম্যাচও রয়েছে অমীমাংসিত।

    জার্মানির দাপট

    প্রথম ম্যাচে (Euro 2024) জার্মানির (Germany) গোলের খাতা খুলেছিলেন রিৎজ। ১৯ মিনিটে জামাল মুসিয়ালা গোল করেছিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচেও নজর কাড়লেন তরুণ স্ট্রাইকার জামাল মুসিয়ালা। এ দিন হাঙ্গেরিকে ২-০ ব্যবধানে হারাল জার্মানি। গোলের খাতা খোলেন জামাল মুসিয়ালই। তেকাঠির সামনে হাঙ্গেরির রক্ষণভাগকে কার্যত দর্শক বানিয়ে ২৩ মিনিটে গোল করেন মুসিয়ালা।  বিপক্ষ ডিফেন্ডারদের পায়ের জাল ঘিরে রাখলেও গোল করতে ভুল করেননি জার্মান তারকা। ১-০ ফলে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করলেও আক্রমণের ঝাঁজ এতটুকু কমায়নি জার্মানি। হাঙ্গেরি সেই অর্থে সুযোগই তৈরি করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্থে আরও একটি গোল। এ বার ইকে গুন্ডোয়ান। ৭৪ মিনিটে ২-০ করে জার্মানি। বক্সের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা গুন্দোগানকে নিখুঁত পাস দেন মুসিয়ালা। গোলে বল ঠেলতে ভুল করেননি গুন্দোগান। 

    ক্রোয়েশিয়ার ভুল

    এদিন জেতা ম্যাচ ড্র করে মাঠ ছাড়ল ইউরো কাপের (Euro 2024) আরেক শক্তিশালী দল ক্রোয়েশিয়া। এদিন আলবেনিয়ার বিরুদ্ধে নেমেছিলেন লুকা মদ্রিচরা। মাত্র ১১ মিনিটের মাথায় লাসির গোলে এগিয়ে যায় আলবেনিয়া। বিরতির পরে দীর্ঘক্ষণ লিড ধরে রেখেছিল তারা। ৭৪ মিনিটে সমতা ফেরান ক্র্যামারিচ। দুমিনিটের মধ্যেই গাসুলার আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া। তবে অতিরিক্ত সময়ে তিনিই গোল করে ম্যাচ ড্র করেন। 

    দুরন্ত গোল শাকিরির

    চলতি ইউরোয় (Euro 2024) স্কটল‌্যান্ডের সঙ্গে ১-১ ড্র করে শেষ ষোলোর দৌড়ে জার্মানির (Germany) পর দ্বিতীয় দল হিসেবে অনেকটাই এগিয়ে গেল সুইৎজারল‌্যান্ড। স্কটিশদেরও আশা একেবারেই শেষ না হয়ে সরু সুতোর উপরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এদিন ম‌্যাচের ১৩ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় স্কটল‌্যান্ড। ক‌্যালাম ম‌্যাকগ্রেগর বক্সে ঢুকে পিছনে পাস বাড়ান স্কট ম‌্যাকটমিনেকে। তিনি ডি-বক্সের কিছুটা বাইরে থেকে জোরালো শট নেন। তা ফ‌্যাবিয়ান স্কারের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গোলে ঢুকে যায়।

    ২৬ মিনিটে সমতা ফেরান সুইৎজারল‌্যান্ডের বহু যুদ্ধের নায়ক শাকিরি। রালসনের ভুল পাস থেকে বল না থামিয়েই বাঁ পায়ের বাঁক খাওয়ানো দুরন্ত ইনসুইঙ্গারে জাল কাঁপান। বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি ইউরোয় এখনও পর্যন্ত সেরা গোল এটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UEFA Euro 2024: স্কটল্যান্ডকে পাঁচ গোল! ইউরোর প্রথম ম্যাচেই জয় জার্মানির

    UEFA Euro 2024: স্কটল্যান্ডকে পাঁচ গোল! ইউরোর প্রথম ম্যাচেই জয় জার্মানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে অপেক্ষার অবসান। শুরু হয়ে গেল ইউরো কাপ ২০২৪ (UEFA Euro 2024)। খুব একটা জমকালো না হলেও ছিমছাম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়েই টুর্নামেন্টের সূচনা হল। তারপরই মাঠে নেমে পড়ল জার্মানি ও স্কটল্যান্ড। আর টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই জার্মানরা নিজেদের জাত চেনালো। উদ্বোধনী ম্যাচের শুরুতেই দেশের মাটিতে স্কটল্যান্ডকে অনায়াসে হারিয়ে (Germany Beat Scotland) ইউরো কাপ অভিযান শুরু করল জার্মানি। শুক্রবার মিউনিখে জার্মানরা ৫-১ গোলে হারিয়ে দিল স্কটল্যান্ডকে। এর মধ্যে তিনটি গোল হয়েছে প্রথমার্ধে। তিন তরুণ ফুটবলার গোল করেন জার্মানির হয়ে।  

    ম্যাচের ১০ মিনিটেই প্রথম গোল জার্মানির (UEFA Euro 2024)

    প্রতিপক্ষ হিসাবে স্কটল্যান্ড খুব খারাপ না হলেও জার্মানির সামনে দাঁড়াতে পারল না তারা। জার্মানির হয়ে গোল দিয়েছেন ফ্লোরিয়ান উইর্ৎজ, জামাল মুসিয়ালা, কাই হাভার্ৎজ, নিকলাস ফুলক্রুগ এবং এমরে চ্যানের। আর ম্যাচের শেষের দিকে আত্মঘাতী গোল আন্তোনিয়ো রুডিগারের। ম্যাচ শুরুর ১০ মিনিটেই প্রথম গোল করে জার্মানি। তবে খেলায় কিছুতেই ফিরতে পারছিল না স্কটল্যান্ড (Germany Beat Scotland)। উল্টে যত সময় এগচ্ছিল ততই জার্মানির দাপট বাড়ছিল। তাই বিরতির আগেই তৃতীয় গোল করে ফেলে তারা। দ্বিতীয়ার্ধেও ছবিটা পাল্টায়নি। জার্মানির দাপট যত বাড়ছিল, তত কোণঠাসা হয়ে পড়ছিল স্কটল্যান্ড। এরপর খেলার ৬৩ মিনিটে হ্যাভার্ৎজকে তুলে ফুলক্রুগকে নামান জার্মান কোচ ৷ ৬৮ মিনিটে গোল লক্ষ্য করে প্রথম শটেই ব্যবধান ৪-০ করেন ডর্টমুন্ড স্ট্রাইকার৷ ৮৭ মিনিটে আন্তোনিও রুডিগারের আত্মঘাতী গোলে স্কটল্যান্ড ব্যবধান কমালেও খেলার শেষ মুহূর্তে জার্মানির পাঁচ গোলের (Germany Beat Scotland) বৃত্ত সম্পূর্ণ করেন ক্যান৷  

    আরও পড়ুন: অভিষেকের মতো একই জায়গায় ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু! কী নির্দেশ বিচারপতি সিনহার?

    নতুন কোচের কোচিংয়েই ইউরো কাপে দুর্দান্ত জয় জার্মানির 

    আসলে জার্মান ফুটবলের অবনমনটা শুরু হয়েছিল কাতার বিশ্বকাপ থেকেই। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা শক্তি জার্মানি প্রথম রাউন্ডেই বিদায় নিয়েছিল। এখানেই শেষ নয়। বিশ্বকাপের বেশ কয়েক মাস পর এশিয়ার অন্যতম সেরা শক্তি জাপানের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল জার্মানি। সেই ম্যাচেও হার হয়েছিল। একের পর এক খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে জার্মান ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম বার কোচ ছাঁটাই হয়েছিল। জাপানের কাছে ওই হারের পরই হ্যান্সি ফ্লিককে ছাঁটাই করা হয়। এরপর দীর্ঘসময় হেড কোচ ছিল না জার্মান টিমে। দীর্ঘ গ্যাপের পর জুলিয়েন নাগেলসম্যানকে কোচ নিয়োগ করে জার্মানি। আর তাঁর কোচিংয়েই এবার ইউরো কাপে (UEFA Euro 2024) দুর্দান্ত জয় হয় জার্মানির। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: ‘দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি হয়েছে’, দাবি রেলমন্ত্রীর

    Indian Railways: ‘দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি হয়েছে’, দাবি রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাট মাত্র দশ বছরের। তার মধ্যেই দেশের ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলপথ তৈরি করে ফেলেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। অঙ্কের হিসেবে দেখলে, মোদি জমানায় যে রেলপথ পাতা হয়েছে, তা গোটা জার্মানির সমান। এই তথ্য জানিয়েছেন রেলওয়েজ, কমিউনিকেশনস এবং আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Indian Railways)। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের আমলে রেল উপেক্ষিত ছিল বলেও দাবি করেন মন্ত্রী।

    কংগ্রেস জমানায় রেল ছিল উপেক্ষিতই (Indian Railways) 

    মুম্বইয়ে বিকশিত ভারত অ্যাম্বাসাডর ইভেন্টে যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেখানেই তিনি অভিযোগ করেন, ভারতীয় রেল ‘দুগ্ধবতী গাভি’ হলেও, পূর্বতন কংগ্রেস জমানায় উপেক্ষিতই ছিল। রেলের উন্নতি যা কিছু হয়েছে, তা মোদির আমলে। রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে মন্ত্রী দেখিয়ে দেন, নরেন্দ্র মোদির সরকারের আমলে কত নয়া রেলপথ পাতা হয়েছে, কত কিলোমিটার রেলপথে হয়েছে বৈদ্যুতিকরণের কাজ, দেশের অর্থনীতিরই বা কী উন্নতি হয়েছে। বিকশিত ভারত অ্যাম্বাসাডরদের মন্ত্রী (Indian Railways) বলেন, “আজ দেশে প্রতিদিন চার কিলোমিটার করে রেলপথ নির্মাণ হচ্ছে। কেবল গত অর্থনৈতিক বর্ষেই আমরা ৫ হাজার ৩০০ কিমি রেল নেটওয়ার্ক নির্মাণ করেছি। এটা সুইজারল্যান্ডের গোটা ট্রেন নেটওয়ার্কের সমান।”

    নয়া রেলপথ কত হয়েছে জানেন?

    এর পরেই তিনি বলেন, “গত দশ বছরে ৩১ হাজার কিলোমিটার রেলওয়ে ট্র্যাক তৈরি হয়েছে। এটা জার্মানির পুরো নেটওয়ার্কের সমান।” মোদি জমানায় যে রেলে বৈদ্যুতিকরণও বেশি হয়েছে, সেই পরিসংখ্যানও দেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মোদি জমানার দশ বছরে ৪৪ হাজার কিলোমিটার রেলপথে বৈদ্যুতিকরণ করা হয়েছে। আর গত ৬০ বছরে কংগ্রেসের জমানায় বৈদ্যুতিকরণের কাজ হয়েছিল মাত্র ২০ হাজার কিলোমিটার।” তিনি বলেন, “আজ আমরা ভারতীয় রেলপথের একশো শতাংশই বৈদ্যুতিকরণের পথে এগোচ্ছি।”

    আর পড়ুন: “মমতার শেষ দেখে ছাড়ব”, জেলমুক্ত হয়েই হুঙ্কার সন্দেশখালির মাম্পির

    তিনি জানান, ভারতে গণপরিবহণের প্রধান মাধ্যম রেল। অথচ আগের সরকার একে উপেক্ষা করেছিল। পাঁচ-ছয়ের দশকে মিটার গেজ থেকে ব্রড গেজে করা উচিত ছিল রেলপথকে। এই কাজটাই হয়েছে এনডিএ সরকারের আমলে। মোদি জমানায় যে রেলের স্টেশনগুলির সংস্কার হচ্ছে, দেশেই অত্যাধুনিক ট্রেন তৈরি হচ্ছে, তাও মনে করিয়ে দেন রেলমন্ত্রী (Indian Railways)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Economy: আগামী বছরেই বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত, বলছে আইএমএফ

    Indian Economy: আগামী বছরেই বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত, বলছে আইএমএফ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন অচিরেই ভারতের জায়গা হবে বৃহত্তম অর্থনীতির (Indian Economy) দেশের তালিকার তিন নম্বরে। প্রধানমন্ত্রীর কথা যে নিছক গালগল্প নয়, তার ইঙ্গিত মিলল আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের কথায়ও। তারা জানিয়ে দিয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যেই জাপানকে হঠিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় চতুর্থ স্থানে চলে আসবে ভারত। এই সময়ের মধ্যে ভারতের জিডিপি জাপানের জিডিপির চেয়ে একলপ্তে অনেকটাই বেড়ে যাবে।

    জাপানকে টপকাবে ভারত! (Indian Economy)

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের ভবিষ্যদ্বাণী, আগামী বছরের মধ্যে ভারতের জিডিপি ৪.৩৩৯৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে গিয়ে দাঁড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সময় জাপানের জিডিপি দাঁড়াবে ৪.৩১০৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে। মনে রাখতে হবে, গত বছর জাপানের জিডিপিকে দমিয়ে দিয়েছিল জার্মানি। এবার মোদির ভারত যদি টপকে যায় জাপানকে, তাহলে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার পাঁচ নম্বরে চলে আসবে (Indian Economy) জাপান। এখন এই জায়গায় রয়েছে নয়াদিল্লি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের ভবিষ্যদ্বাণী, ২০২৭ সালের মধ্যে জার্মানিকেও টপকে যাবে ভারত। সেক্ষেত্রে বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারতের স্থান হবে তৃতীয়, বৃহৎ শক্তিধর দুই দেশ আমেরিকা ও চিনের ঠিক পরেই। 

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ভবিষ্যদ্বাণী

    ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কও চলতি অর্থবর্ষে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশে গিয়ে দাঁড়াবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে। তাদের ভবিষ্যদ্বাণী যে নিছক অমূলক নয়, তার প্রমাণ মেলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের কথায়ও। তারাও জানিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশে গিয়ে দাঁড়াতে পারে। দেশের মধ্যে ক্রমাগত চাহিদা বাড়তে থাকায় এবং দেশে কর্মক্ষম জনসংখ্যা বৃদ্ধির দরুন জিডিপি বাড়বে বলেই আশা আইএমএফের।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেস আমলে হনুমান চালিশা শোনাও অপরাধ ছিল”, তোপ মোদির

    সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে আইএমএফ জানিয়েছে, ভারত বিশ্বে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ। এশিয়া অ্যান্ড পেসিফিক ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন দিন কয়েক আগে বলেছিলেন, “ভারত এমন একটি দেশ যার স্ট্রং গ্রোথ রেট ৬.৮ শতাংশ। এই ভবিষ্যদ্বাণী আমরা ভারতের ’২৪, ’২৫ অর্থবর্ষের জন্য করেছিলাম। বর্তমানে ভারত বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশগুলির একটি (Indian Economy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • GDP: জিডিপি বৃদ্ধির হারে জাপান-জার্মানি-ব্রিটেনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত!

    GDP: জিডিপি বৃদ্ধির হারে জাপান-জার্মানি-ব্রিটেনকে টেক্কা দিচ্ছে মোদির ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জিডিপি (GDP) বৃদ্ধির ছবি স্পষ্ট হয়েছে বিভিন্ন সংস্থার তৈরি রিপোর্টে। কেন্দ্রের তরফেও রীতিমতো খতিয়ান তুলে দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ক্রমেই উন্নতির শিখরে উঠছে ভারত। মোদি জমানায় স্ফীতকায় হচ্ছে দেশের আর্থিক স্বাস্থ্য। অথচ গত কয়েক বছরে জার্মানি, জাপান এবং ব্রিটেনের মতো দেশে কমছে জিডিপির হার। এমতাবস্থায় তরতরিয়ে বাড়ছে ভারতের জিডিপি।

    জিডিপি (GDP)

    জিডিপির (GDP) অর্থ হল গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন। কোনও দেশের নাগরিকদের ক্রয় ক্ষমতা কেমন (অর্থনীতির পরিভাষায় (পারচেশিং পাওয়ার প্যারিটি বা সংক্ষেপে পিপিপি), তার ওপর নির্ভর করে তৈরি হয় জিডিপি। দিল্লি ভিত্তিক নন-প্রফিট সোশ্যাল পলিশি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালে ভারতীয় অর্থনীতিতে যখন পিপিপি দেখা যাচ্ছে ৩.৬ গুণ, তখন ব্রিটেনে এটি ২.১ গুণ। আর জার্মানির চেয়ে ২.৫ গুণ বেশি জাপানের। তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ভারত।

    দ্রুত গড়াচ্ছে অর্থনীতির চাকা

    নরেন্দ্র মোদির জমানায় দ্রুত গড়াচ্ছে অর্থনীতির চাকা। গত দু’তিন বছরে রকেট গতিতে ছুটছে ভারতের অর্থনীতি। দ্রুত হারে বাড়ছে জিডিপি বৃদ্ধির হার। যা দেখে মোদি সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বব্যাঙ্ক ও আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার। এই দুই প্রতিষ্ঠানেরই দাবি, আগামী দিনেও বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে নিজের জায়গা ধরে রাখবে ভারত। গত অর্থবর্ষের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ভারতে আর্থিক বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৪ শতাংশ। যা পূর্বাভাসের চেয়ে অনেকটাই বেশি। ২০২২ সালে জিডিপি বৃদ্ধির হারে চিন ছিল সবার ওপরে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতীয় জিডিপির অংশিদারিত্ব পিপিপিতে বৈশ্বিক জিডিপির ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বাড়ছে। অথচ আমেরিকা, জাপান, রাশিয়া এবং অন্যান্য দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ক্রমেই কমছে।

    আরও পড়ুুন: ভোট লুটেরারা হুঁশিয়ার!!! বাংলার সব বুথেই ওয়েব কাস্টিং, এআই প্রযুক্তি

    পিপিপি আমাদের সাহায্য করে দু’টি দেশের অর্থনীতির তুলনা করতে। কোনও একটি বস্তুর দাম ওই দুই দেশে কেমন, তা জানতেও সাহায্য করে। রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, একটি উচ্চমাত্রার পিপিপি বোঝায় প্রয়োজনীয় জিনিস ভারতে কতটা সস্তা। এই একই জিনিস কিনতে ঘাম ছুটে যায় জাপান, জার্মানি এবং ব্রিটেনের ক্রেতাদের (GDP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share