Tag: Ghatal

Ghatal

  • Dev-Hiran: “ভোটের পর তিহাড়েই যাবেন দেব!”, নির্বাচনী প্রচারে আক্রমণ হিরণের

    Dev-Hiran: “ভোটের পর তিহাড়েই যাবেন দেব!”, নির্বাচনী প্রচারে আক্রমণ হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েকদিন বাকি লোকসভা ভোটের (lok sabha vote), আর এরই মধ্যে আবারও হিরণের নিশানায় তৃণমূল প্রার্থী দেব (Dev-Hiran)। ভোটের প্রচারে বেড়িয়ে এর আগে একাধিকবার দেবকে নিশানা করেছেন ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি তারকা প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি ফের প্রচারে নেমে ঘাটালের তৃণমূল তারকা প্রার্থী দেবকে নিয়ে মন্তব্য করলেন তিনি। “গরু পাচারের টাকা খেয়েছেন দেবও। ভোটের পর তিহাড়েই যাবেন দেব!” ভোটপ্রচারে (election campaign) বেরিয়ে কার্যত এমনই আক্রমণ করলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী। আর তার কিছুক্ষণের মধ্যেই পাল্টা জবাব দিলেন তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ।

    কী বলেছিলেন হিরণ (Dev-Hiran)?

    বৃহস্পতিবার, লোকসভা ভোটের প্রচারে সবং ব্লকের ৭ নম্বর নারায়ণবাড় অঞ্চলে নির্বাচনী প্রচারে যান বিজেপি প্রার্থী হিরণ (Dev-Hiran)। সেখানে ভোটপ্রচারের সময় তিনি বলেন, ‘‘দেব, ভোট শেষ হলেই কলকাতায় পালিয়ে যান। এবারে ভোটের পরে কেউ পালাতে দেবে না। ভোটের পরে আপনাকে সবাই জবাব দেবে। ভোটের আগে আপনাকে সিবিআই-ইডি গ্রেফতার করছে না। কারণ আমরা চাই, নির্বাচনটা শান্তিপূর্ণ ভাবে হোক। ভোটের আগে কেউ কাউকে অ্যারেস্ট করবে না। কিন্তু ভোটের পরে আপনাকে তিহাড়ে জেলে (tihar jail) যেতে হবে। কারণ, গরু চুরির টাকা নিয়েছেন আপনিও।’’

    আরও পড়ুন: ইডির বিরুদ্ধে চিঠি দিয়ে নয়া ফন্দি! কুন্তলের পথেই কি শাহজাহান?

    দেবের পাল্টা জবাব

    হিরণের (Dev-Hiran) আক্রমণে ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী (TMC candidate) যে চাপে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। শনিবার বিকেলে তিনি সবং ব্লকের তেমাথানি বাজার, চাঁদকুড়ি বাজার, বড়সাহারা কালীমন্দির, খড়িকা বাসস্ট্যান্ড, দশগ্রাম বাসস্ট্যান্ড, দেহাটি বাসস্ট্যান্ড-সহ বেশ কিছু এলাকায় নির্বাচনী প্রচারে যান। সেখানে দেব বলেন, ‘‘হিরণ কে? তিনি বিজেপি প্রার্থী। ভগবান তো নন। আমার কাছে মানুষই ভগবান। মানুষ ভোটটা দিয়ে তাঁকেই বুঝিয়ে দেবেন, তিনি কত ভোটে হারবেন। ভগবান হচ্ছে মানুষ, হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় (hiran chatterjee) নন।’’ যদিও দেবকে (Dev) হারিয়ে ঘাটাল জয় করতে আত্মবিশ্বাসী বিজেপির তারকা প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এখন পালা শুধু অপেক্ষার। সমস্ত জল্পনার অবসান হবে ৪ জুনেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hiran Chatterjee: ডেবরায় মহিলাদের সঙ্গে খুন্তি নেড়ে রান্না করে ভোটের প্রচারে হিরণ চট্টোপাধ্যায়

    Hiran Chatterjee: ডেবরায় মহিলাদের সঙ্গে খুন্তি নেড়ে রান্না করে ভোটের প্রচারে হিরণ চট্টোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা নির্বাচন (lok sabha vote 2024) হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন বাকি। আর এরই মধ্যে ভোটের ময়দানে প্রচারে (election campaign) ঝড় তুলছেন সব দলের প্রার্থীরাই। আর এই প্রচারে বেরিয়েই বিভিন্ন ধরনের অভিনব প্রচার করতে দেখা গিয়েছে প্রার্থীদের। এবারের নির্বাচনেও তার ব্যতিক্রম নেই। কেউ প্রচারে বেরিয়ে রান্না করছেন তো কেউ আবার পরিবেশন করছেন। কেউ বিক্রি করছে সবজি, কেউ তো আবার সেলুনে ঢুকে চুলও কেটে দিচ্ছেন। আর এবার সরাসরি ভোটারের রান্নাঘরে ঢুকে গেলেন বিজেপি প্রার্থী। প্রচারে বেরিয়ে এবার এমনই জনসংযোগ করলেন ঘাটালের (ghatal) বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee)। বিজেপির এই তারকা প্রার্থীকে (Hiran Chatterjee) হঠাৎই বাড়িতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা। ভোট প্রচারে রান্না ঘরও একটি প্রচারের বড় জায়গা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

    মহিলাদের সঙ্গে জমিয়ে রান্না হিরণের (Hiran Chatterjee)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ১০ এপ্রিল ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের ডেবরা নামক একটি জায়গায় প্রচার করছিলেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee)। আর এদিন প্রচারের ফাঁকেই তিনি এখানকার এক ব্যক্তির রান্নাঘরে ঢুকে পড়েন। এরপর সেখানে গিয়ে বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে জমিয়ে রান্না করেন। কেবল রান্নাই নয়, এদিন তিনি সেই বাড়িতেই দুপুরের খাবার খান। মেনুতে ছিল খোসলা শাক, ইঁচড়ের তরকারি, বড়া ভাজা ও মাছ ভাজা।

    দেব বনাম হিরণ

    প্রসঙ্গত বলা যায়, এবারের ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী তারকা প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের (Hiran Chatterjee) প্রতিপক্ষ হয়ে ময়দানে নেমেছে আরেক তারকা তৃণমূল (TMC) প্রার্থী দেব (dev) ওরফে দীপক অধিকারী। তাই ঘাটালের রাজনৈতিক ময়দানে ভোটের খেলা যে বেশ জোরদার হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। তাই ভোটের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে নানান কায়দায় ঝড় তুলছেন এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী।

    আরও পড়ুনঃ ইরানের চাবাহারের পর এবার মায়ানমারের সিটওয়ে বন্দরের রাশ নিল ভারত, টেক্কা চিনকে?

    সামজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া

    আর বিজেপি প্রার্থী হিরণের এদিনের এই ছবি প্রকাশ্যে আসার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় (social media) নানান প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে অনুরাগীরা তাঁর এই প্রচারকে অভিনব প্রচার বলেছেন। আবার কেউ কেউ লিখেছেন আজকাল ভোট প্রার্থীরা নাকি ফুড ব্লগারে পরিণত হয়েছেন। সামজিক মাধ্যমে এখন হিরণ রাজনৈতিক হিরো। তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় জনসংযোগ বাড়াতে প্রচারে বেরিয়ে তিনি এক ব্যক্তির গায়ে সাবান মাখিয়ে দিয়েছিলেন। সেবারও সেই ছবি তুমুল ভাইরাল হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hiran Chatterjee: ঘাটালে টলিউড অভিনেতা হিরণ প্রার্থী হতেই উচ্ছ্বসিত কর্মীরা, দেওয়াল লিখলেন বিধায়ক

    Hiran Chatterjee: ঘাটালে টলিউড অভিনেতা হিরণ প্রার্থী হতেই উচ্ছ্বসিত কর্মীরা, দেওয়াল লিখলেন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের পক্ষ থেকে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে অভিনেতা দেব (দীপক অধিকারী)কে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এমনিতেই ঘাটালে গেরুয়া শিবিরে সংগঠন মজবুত। বিধানসভায় ঘাটাল কেন্দ্রটি তৃণমূলের থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। ফলে, এবার লোকসভায় ঘাটালে বিজেপি-র পক্ষ থেকে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এবার ঘাটালের প্রার্থী করা হয়েছে অভিনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে (Hiran Chatterjee)। তাঁর নাম সামনে আসতেই হিরণকে নিয়ে তুমুল উচ্ছ্বাস এলাকার কর্মী সমর্থকদের। শুরু হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখনের কাজও। টলিউডের দুই হিরোর লড়াইয়ে যে ঘাটাল নজরকাড়া কেন্দ্রে পরিণত হতে চলেছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

    শুরু হয়েছে দেওয়াল লিখন (Hiran Chatterjee)

    ঘাটাল পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় চলল দেওয়াল লিখন। দেওয়াল লিখতে দেখা গেল ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাটকে। সঙ্গে জোরকদমে শুরু হয়েছে ফ্লেক্স তৈরির কাজ। প্রসঙ্গত, এই ঘাটালেই বর্তমান সাংসদ রয়েছে তৃণমূলের দীপক অধিকারী ওরফে দেব। এবার হিরণ প্রার্থী হওয়ায় জোর কদমে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। দাসপুরের বিজেপি নেতা প্রশান্ত বেরা বলেন, হিরণকে প্রার্থী করে আমরা খুবই খুশি, উচ্ছ্বসিত, আনন্দিত। প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের রাজ্যের সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে ধন্যবাদ জানাই। ঘাটালের লোকজনও খুব খুশি। আমার বিশ্বাস তাঁরা দুহাত ভরে হিরণকে ভোট দেবেন। হিরণই জিতবেন এখানে। ওনার হাত ধরেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সাফল্য আসবে।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন?

    ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট বলেন, “আমরা খুবই খুশি। ভোট কবে ঘোষণা হবে জানি না, আমাদের প্রার্থী (Hiran Chatterjee) ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। আমরা দেওয়াল লিখন শুরু করে দিয়েছি। তিনি খড়গপুরের সাংসদ, একজন হিরো, একজন নায়ক। তাঁকে পেয়ে আমরা খুশি। আমাদের বিধানসভার, লোকসভার নানা প্রান্তে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রচারও শুরু। এই প্রার্থীকে জয়লাভ করানোই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘শুধু সময়ের অপেক্ষা’, দেব-কে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘শুধু সময়ের অপেক্ষা’, দেব-কে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটালের সাংসদ দেব-কে নিয়ে তৃণমূল নেতার অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। অডিওতে তৃণমূল নেতা বলেছেন, কাজের জন্য ৩০ শতাংশ কমিশন চাওয়া হয়েছে। দেবকে নিয়ে এই জল্পনার মাঝেই মুখ খুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অডিও প্রসঙ্গে টেনে দেবকে তিনি আক্রমণও করলেন।

    দেব-কে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “দেব যে এজেন্ট দিয়ে কমিশন তোলে তা ঘাটালের সকলেই জানেন। তবে, ৩০ শতাংশ কি না সেটা জানি না। তবে, এমপি ল্যাডের কাজের জন্য কাটমানি দিতে হয়। তবে, এটা শুধু দেবের নয়, সব তৃণমূল সাংসদকে কাজের জন্য কাটমানি দিতে হয়। দেব প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এনামুলের টাকায় দেব সিনেমা করেছেন, এটা প্রমাণিত সত্য। পাঁচ কোটি টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিয়েছেন। সেই টাকায় সিনেমা করেছেন। তিনি একবার ইডি অফিসে একবার লুকিয়ে লুকিয়ে গিয়েছেন। ইডি চাইলেই ব্যবস্থা নিতেই পারে। অডিও ক্লিপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই বিষয়ে তিনি (দেব) কী পদক্ষেপ তা তিনি জানেন। তবে, আমার কাছে খবর আছে, তাঁর সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।”

    দিঘায় গণধর্ষণ নিয়ে সরব বিরোধী দলনেতা

    দিঘায় যুবতীকে ঘর দেওয়ার কথা বলে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করার ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলনে নামল বিজেপি। বুধবার বিকেলে ওল্ড দিঘার বিধানচন্দ্র মূর্তির পাদদেশ থেকে নিউ সায়েন্স সিটি পর্যন্ত পদযাত্রা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নির্যাতিতার পরিবারকে আইনি সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এদিন পদযাত্রায় একাধিক বিধায়ক ছাড়াও কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক পা মেলান। মিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তাঁরা কালো ব্যাজ পরে ও ঝাঁটা হাতে মিছিল করেন। পরে, সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে – শুভেন্দু বলেন, ‘গোটা রাজ্যে মহিলা নির্যাতনের খবর পাওয়া যাচ্ছে। মালদা জেলার কালিয়াচকের সংখ্যালঘু পরিবারের ছাত্রীকে খুন করা হয়েছে। দেহ অন্য জায়গায়,মুন্ডু অন্য জায়গায় পাওয়া গিয়েছে। পর্যটকের ওপরে এমন শারীরিক ও পাশবিক অত্যাচার আমরা আগে দেখিনি। দিঘায় পুলিশের কোনও উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায় না। যে দু’জন ধর্ষণকারী গ্রেফতার হয়েছে, তাদের নামে চার্জশিট দিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে কঠিনতম সাজা দিতে হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: লোকসভা পিছু ৬ হাজার রামভক্তকে রাম মন্দিরে নিয়ে যাবে সঙ্ঘ পরিবার

    Ram Mandir: লোকসভা পিছু ৬ হাজার রামভক্তকে রাম মন্দিরে নিয়ে যাবে সঙ্ঘ পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের রামভক্তদের অযোধ্যায় রাম মন্দিরে (Ram Mandir) নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ। ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এবং মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ৬ হাজার করে মোট ১২ হাজার রামভক্তকে অযোধ্যায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    যে কেউ রাম মন্দির দর্শনে যেতে পারেন (Ram Mandir)  

    লোকসভা ভোটের আগে পর্যন্ত এই উন্মাদনা জিইয়ে রাখতে তৎপর হয়েছে গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যে এলাকার সাধারণ কোনও মানুষ অযোধ্যায় যেতে চান কি না, তার খোঁজ নিতে হবে। রাম মন্দির (Ram Mandir) দর্শনের জন্য অযোধ্যার যোগাযোগ ব্যবস্থা কী কী থাকছে, কোন কোন পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করা হয়েছে, সে সব তাঁদের জানাতে হবে। ইচ্ছুকদের নাম নথিভুক্ত করতে হবে। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ রায় বলেন, অযোধ্যায় যেতে আগ্রহী অনেকেই ট্রাস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তাঁদের রাম মন্দির দর্শনে নিয়ে যাওয়া হবে। এই কর্মসূচিতে যুক্ত হয়ে যে কেউ রাম মন্দির দর্শনে যেতে পারেন। তাঁকে বিজেপি করতে হবে, এমন কোনও মানে নেই।

    খরচ কত পড়বে?

    সামান্য অনুদানের মাধ্যমে এই সফরের শরিক হতে পারেন ইচ্ছুক রামভক্তরা। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকেই অযোধ্যা-সফর শুরু হবে। চলবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই সময়কালে দক্ষিণবঙ্গ থেকে দিনে একটি করে ট্রেন অযোধ্যা রওনা দেবে। প্রচারে জানানো হচ্ছে, যাত্রা শুরুর কমপক্ষে ১২ দিন আগে অবশ্যই অনুদান জমা করতে হবে। সঙ্গে জমা দিতে হবে আধার কার্ডের প্রতিলিপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি। এ দিয়ে নাম নথিভুক্ত করাতে হবে। এই সফরের জন্য জেলায় একাধিক যোগাযোগ প্রমুখও নিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা বিষয়টি দেখছেন। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, হাওড়া থেকে গেলে খরচ পড়বে ১,৬০০ টাকা। বর্ধমান থেকে ১,৪০০ টাকা। আসানসোল থেকে ১,২০০ টাকা পড়বে। এর মধ্যেই ট্রেনে যাতায়াত, রাত্রিবাস, আহারাদি-সব হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: মেলা কমিটি থেকে বাদ সাংসদ দেব, বৈঠকে তৃণমূলের দুপক্ষের মধ্যে তুমুল হাতাহাতি

    Paschim Medinipur: মেলা কমিটি থেকে বাদ সাংসদ দেব, বৈঠকে তৃণমূলের দুপক্ষের মধ্যে তুমুল হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) ঘাটালে ছন্নছাড়া অবস্থা তৃণমূলের। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের অনুগামীদের সঙ্গে সাংসদ তথা অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব)-র অনুগামীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা প্রকাশ্যে চলে আসে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি পর্যন্ত হয়। গন্ডগোলের জেরে মিটিং কার্যত ভেস্তে যায়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসে।

    ঠিক কী নিয়ে গন্ডগোল? (Paschim Medinipur)

    পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) ঘাটালে প্রতিবারের মতো এবারও শিশুমেলার আয়োজন করা হয়েছে। ঘাটালের অরবিন্দ স্টেডিয়ামে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যা নাগাদ কমিটি গঠনের জন্য এক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেই বৈঠকের শুরুতেই উপস্থিত ছিলেন ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস, ঘাটালের মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস, ঘাটাল মহকুমার পুলিশ আধিকারিক অগ্নিশ্বর চৌধুরী। পরে তাঁরা মিটিং থেকে বেরিয়ে যান। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ঘাটাল ব্লক তৃণমূলের সভাপতি দিলীপ মাজি, ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান তথা ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর দলুই, ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি বিকাশ কর সহ একাধিক পদাধিকারী ও তাঁদের অনুগামীরা। জানা গিয়েছে, ঘাটাল উৎসব ও শিশু মেলার সভাপতি পদটি মহকুমা শাসক সামলান। কমিটিতে সম্পাদক হিসেবে থাকেন দেব। মিটিং শুরু হওয়ার পর জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান শঙ্কর দলুই, নতুন কমিটির তালিকা প্রকাশ করেন। তাতে নেই দীপক অধিকারীর নাম। এদিনের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন সাংসদের প্রতিনিধি রামপদ মান্নাও। সাংসদের নাম বাদ যাওয়ায় বাড়ে উত্তেজনা। দীপক অধিকারীর নাম কেন বাদ গেল তা জানতে চান বৈঠকে উপস্থিত কয়েকজন। শঙ্কর দলুই ব্যাখ্যা দিতে গেলে শুরু হয় বাদানুবাদ। শাসকদলের তাবড় তাবড় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতেই চলে তাঁদের অনুগামীদের মধ্যে হাতাহাতি।

    সাংসদ অনুগামীর কী বক্তব্য?

    সাংসদ দেব-এর অনুগামী রামপদ মান্না বলেন, দেবকে বাদ দিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘাটালের মানুষ তার প্রতিবাদ করেছে। ঘাটালের মানুষ চোরকে মেনে নেবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: বিজেপির নেতা কর্মীদের হাত পা ভেঙে নদীর জলে ফেলে দেওয়ার নিদান তৃণমূল নেতার

    Paschim Medinipur: বিজেপির নেতা কর্মীদের হাত পা ভেঙে নদীর জলে ফেলে দেওয়ার নিদান তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টিতে প্লাবিত ঘাটালে সাংসদ দেব-এর নামে নিখোঁজ পোস্টার পড়েছিল। যা নিয়ে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) ঘাটালের তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক তথা জেলা পরিষদের সদস্য শংকর দোলুই। যা নিয়ে জেলা জুড়ে সমস্ত মহলে সমালোচনা চলছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল নেতা? (Paschim Medinipur)

    বুধবার বিকেলে ঘাটালে দলীয় কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে একটি মিছিল হয়। মিছিল শেষে পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রকাশ্যে বিজেপিকে আক্রমণ করেন ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক তথা জেলা পরিষদের সদস্য শঙ্কর দলুই। গলায় প্রকাশ্যে হুমকি। তিনি বলেন, দলের সাংসদকে নিয়ে বিজেপি যা করেছে তা লজ্জার। সাংসদের নামে এভাবে পোস্টার দেওয়ার বিরুদ্ধে হাজার হাজার তৃণমূল কর্মীরা রাস্তা নেমেছে। ২০১৪ সাল থেকে বিজেপি রাজ্যকে বঞ্চনা করেছে। আর নয়। এরপর যদি তৃণমূলকে নিয়ে কুৎসা কর, তাহলে এবার বিজেপির নেতা কর্মীদের হাত পা ভেঙে নদীর জলে ফেলে দিতে বাধ্য হব। আর এই মন্তব্যের পরেই অস্বস্তিতে পড়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, ঘাটালের একসময়ের দাপুটে এই তৃণমূল নেতা গত বিধানসভা ভোটে বিজেপির কাছে পরাজিত হন। আর  তারপর থেকেই শাসকদলের রীতিমতো কোণঠাসা অবস্থায় ছিলেন। সম্প্রতি, পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur)  জেলা পরিষদের আসনে জয় লাভের পর ফের স্বমহিমায় ফের বিজেপিকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    যদিও এই বিষয়টিকে কোনওরূপ পাত্তা দিতে নারাজ গেরুয়া শিবির। ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কোপাট বলেন, কেন্দ্র সবসময় উন্নয়নের পক্ষে। মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়নের টাকা মেলা-খেলায় নষ্ট করছেন। আমরা চাই, ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান হোক। আর বিজেপিকে এরকম হুমকি দিয়ে ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। তৃণমূলের সঙ্গে মানুষ নেই গত বিধানসভায় এই এলাকার মানুষ প্রমাণ করে দিয়েছে। লোকসভা ভোটেও আরও একবার প্রমাণ হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ghatal: স্বামী কার? একজনকে নিয়ে দুই বউয়ের টানাটানি ঘাটাল আদালতে, এলাকায় উত্তেজনা

    Ghatal: স্বামী কার? একজনকে নিয়ে দুই বউয়ের টানাটানি ঘাটাল আদালতে, এলাকায় উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী কার? এক স্বামীকে নিয়ে দুই বউয়ের টানাটানি আদালত চত্বরেই। আদালত চত্বরেই শাশুড়ি ও বউ মিলে গুণধর স্বামীর জামার কলার ধরে টানা টানাটানি করছে, কখনও আবার দুই বউ এর স্বামীকে নিয়ে টানাটানি।  এমন নাটকীয় ঘটনার সাক্ষী থাকল ঘাটাল (Ghatal) মহকুমা আদালত। আর এই ঘটনা দেখতে আদালত চত্বরে ভিড় জমে যায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘাটাল (Ghatal) মহকুমার চন্দ্রকোণার ছোটবালা গ্রামের প্রশান্ত কয়ারির সঙ্গে ২০১৯ সালে বিয়ে হয় দাসপুরের খেপুত উত্তরবাড়ের মৌসুমী চক্রবর্তীর। বিয়ের কয়েকমাস পরেই তাঁদের ডিভোর্স হয়ে যায়। ডিভোর্সের পর প্রশান্তবাবু আবার বিয়ে করে ঘাটাল থানার হরেকৃষ্ণপুরের বনানী হড়কে। এদিকে বনানী যখন ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তখন প্রশান্ত মারধর করে বলে অভিযোগ তুলে তিনি বাপের বাড়ি চলে যান। সেখানে তাঁর একটি পুত্র সন্তানও হয়, এখন তার বয়স ৭ মাস। এদিকে ডিভোর্সের পর প্রশান্তর আগের স্ত্রী মৌসুমী চলতি বছরে গত ৭ জুন দাসপুরের সীতাপুরের যুবক প্রসেনজিৎ রায়কে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর ২৩ জুন মৌসুমী বাপের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। এদিকে প্রসেনজিৎ এর অভিযোগ  মৌসুমী আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। এমনকী তার প্রাক্তন স্বামী প্রশান্তর কাছে সে চলে যায়। মৌসুমীকে ডিভোর্স দিয়ে দিতে তারা বলে। মঙ্গলবার সেই ডিভোর্সের আবেদনের জন্যই সবাই আদালতে উপস্থিত হয়। খবর পেয়ে প্রশান্তর স্ত্রী বনানী ও তাঁর মা আদালতে হাজির হন। সেখানেই ঘটে এই নাটকীয় ঘটনা। আদালতের ভিতর থেকেই বনানীর মা ও বনানী প্রশান্ত এবং তাঁর প্রাক্তন স্ত্রীকে টেনে নিয়ে গিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

    কী বললেন গুণধর স্বামী?

    প্রশান্তবাবু বলেন, মৌসুমী আমার প্রথম পক্ষের স্ত্রী। সে চলে যাওয়ার পর আমি দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছিলাম। তবে, মৌসুমী ফিরে আসার তাঁর সঙ্গে আমি ফের বিয়ে করি। ও ফের বিয়ে করেছিল তা জানতাম না। তাই, মৌসুমী এদিন ঘাটাল (Ghatal) আদালতে তার স্বামীকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য এসেছিল। আর বনানী এবং তার পরিবার ভাল না। ওর সঙ্গে থাকতে চাই না।

    স্বামীর বিরুদ্ধে কী বললেন বনানীদেবী?

    বনানীদেবী বলেন, আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। আমি ওর শাস্তি চাই। ওর সঙ্গে অভিযুক্ত মহিলারও আমি শাস্তি দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ঘাটালে বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ঘাটালে বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) জয়ী প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে প্রথমে ঢিল, তারপর বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাইতিচক গ্রামে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে কাকলি কুড়েল নামে বিজেপি (BJP)  প্রার্থী জয়ী হন। জয়ী হওয়ার পর থেকেই শাসক দলের পক্ষ থেকেই হুমকি দেওয়া হয়। ঘাটাল ব্লকের ২১ টি আসন বিশিষ্ট এই সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ভোটের ফলাফল ত্রিশঙ্কু হয়। তৃণমূল-১০ টি,বিজেপি-১০ টি ও নির্দল-১ টি করে আসনে জয়ী হয়। ফল, ঘোষণার পরই ঘাটাল ব্লকে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের গোপন ডেরায় রেখেছিল বিজেপি। দিন দুয়েক আগে সুতলানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাইতিচক গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন বিজেপির এই জয়ী প্রার্থী কাকলি কুড়েল। আর তারপরই শনিবার সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ বিজেপি প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে প্রথমে বেশ কয়েকবার ঢিল ছোঁড়া হয়। তারপরই রাত নাগাদ বোমা ছোঁড়া হয় বোম ফাটার আওয়াজ পাওয়া যায়। বোমার আওয়াজ পেয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসে পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে প্রতিবেশীরা। ঢিল ছোঁড়ার জেরে প্রার্থীর টালির ছাউনির কিছু অংশ ভেঙে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে প্রার্থীর বাড়িতে যান স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    কী বললেন বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থী?

    বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থী কাকলি কুড়েল বলেন, ভোটে জয়ী হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল লাগাতার হুমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। এতদিন বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলাম। গ্রামে ফিরতেই বাড়ি লক্ষ্য করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমাবাজি করে। আসলে ওরা সন্ত্রাস করে আমাদের এলাকা ছাড়া করতে চাইছে। এই ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যদিও এবিষয়ে স্থানীয় তৃনমূল নেতৃত্ব পুরো ঘটনা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ঘোড়া কেনাবেচায় মরিয়া তৃণমূল! ঘাটালে গোপন ডেরায় বিজেপির জয়ী সদস্যরা

    BJP: ঘোড়া কেনাবেচায় মরিয়া তৃণমূল! ঘাটালে গোপন ডেরায় বিজেপির জয়ী সদস্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকার প্রলোভন আর ভয় দেখিয়ে বিজেপির (BJP) টিকিটে জয়ী পঞ্চায়েত সদস্যদের দলে টানতে পারে তৃণমূল! ঘোড়া কেনাবেচার ভয়ে ঘাটাল ব্লকের ২৫ জন জয়ী প্রার্থীকে সরানো হল গোপন ডেরায়। ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। সবমিলিয়ে ঘোড়া কেনাবেচা প্রসঙ্গে রীতিমতো সরগরম ঘাটালের মাটি।

    কেন এই সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফল প্রকাশের পর দেখা যায় ঘাটাল ব্লকের ইড়পালা, সুলতানপুর, মনোহরপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৫ টি আসন দখল করেছে বিজেপি (BJP)। দল ভাঙিয়ে শাসকদল যাতে বোর্ড গঠন করতে না পারে সেই কারণেই ২৫ জন জয়ী পঞ্চায়েত সদস্যকেই গোপন ডেরায় সরালো বিজেপি নেতৃত্ব। এই সব পঞ্চায়েতে বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা বড় ফ্যাক্টর। বোর্ড গঠনে তাঁদের বড় ভূমিকা রয়েছে। মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে জয়ী সদস্যদের কিনে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবার ভয়ও দেখানো হচ্ছে। আর এই আশঙ্কা থেকে দলের জয়ী প্রার্থীদের গোপন ডেরায় রেখেছে বিজেপি।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক শীতল কপাট বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়িয়েছে শাসক দল তৃণমূল। একাধিক বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। এখনও ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে জয়ী প্রার্থীদের। পাশাপাশি টাকার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। আর সেই কারণেই তাদের অন্যত্র সরানো হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) এই অভিযোগ মানতে নারাজ শাসক দল তৃণমূল। তৃণমূল নেতা দিলীপ মাজি বলেন, ঘোড়া কেনাবেচায় বিশ্বাস করে না শাসক দল। মানুষ যে রায় দিয়েছে তা মাথা পেতে নিয়েছে তৃণমূল। তাই দল ভাঙিয়ে পঞ্চায়েত গড়ার কোনও প্রশ্নই আসে না। তবে কোনও বিজেপি নেতা যদি লিখিতভাবে শাসক দলে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করে, তবে দলে নেওয়া হবে তাদের! এ বিষয়টিও কার্যত স্পষ্ট করে দিয়েছেন‌ তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share