Tag: Ginger

Ginger

  • Lung infections: বর্ষায় বাড়ছে সংক্রমণ! রান্নাঘরের কোন পাঁচ উপাদানে সহজেই সুস্থ থাকবে ফুসফুস? 

    Lung infections: বর্ষায় বাড়ছে সংক্রমণ! রান্নাঘরের কোন পাঁচ উপাদানে সহজেই সুস্থ থাকবে ফুসফুস? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    একটানা বৃষ্টিতে স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া। স্কুল যাতায়াতে কিংবা বাজার করতে গেলেও ভিজতে হচ্ছে! মামুলি সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। তার সঙ্গে দেখা দিচ্ছে ফুসফুসের জটিল অসুখ। অনেকেই ফুসফুসের একাধিক সংক্রমণে ভুগছেন। বিশেষত শিশু ও বয়স্করা ফুসফুসের সংক্রমণে (Lung infections) নাজেহাল। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বায়ুদূষণের জেরে কলকাতা সহ দেশের একাধিক শহরের বাসিন্দারা ফুসফুসের রোগে কাবু। ক্রনিক পালমোনারি ডিজিজ-এ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। পাশপাশি খুব কম বয়স থেকেই অনেকে হাঁপানির সমস্যায় ভুগছে। এছাড়াও ফুসফুসের নানান অসুখের জেরে কাশি, জ্বর এমনকী শ্বাসকষ্টের সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, কিছু ঘরোয়া উপাদান নিয়মিত ব্যবহার করলেই ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো‌ যাবে। বাড়ির রান্নাঘরের সেই উপাদান শিশু থেকে বয়স্ক, সকলের জন্যই উপকারী। এবার দেখে নেওয়া যাক, রান্নাঘরের কোন উপাদান ফুসফুস সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে?

    হলুদ (Lung infections)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, হলুদ প্রায় প্রত্যেক রান্নাঘরেই থাকে। নিয়মিত রান্নায় হলুদের ব্যবহার করলে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। তবে গরম ভাতের সঙ্গে অন্তত এক টুকরো কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খেলে কাজ আরও ভালো হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, হলুদে থাকে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান। এই উপাদান ফুসফুসের জন্য বিশেষ উপকারী। এছাড়াও হলুদে থাকে কারকিউমিন উপাদান। এই উপাদান ফুসফুসের ক্যান্সার রুখতেও বিশেষ সাহায্য করে‌।

    রসুন

    খালি পেটে এক কোয়া রসুন ফুসফুসের সংক্রমণ (Lung infections) রুখতে বিশেষ উপকারী বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ষার শুরুতেই প্রতিদিন সকালে এক কোয়া রসুন খাওয়ায় অভ্যস্থ হলে ফুসফুসের অসুখ সহজে‌ মোকাবিলা করা সম্ভব।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, রসুনে থাকে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। তাই নিয়মিত রসুন খেলে সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমে।

    গোলমরিচ (Lung infections)

    বর্ষায় ফুসফুসের সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে গোলমরিচ বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের পরামর্শ, দিনে অন্তত যে কোনও একটি রান্নায় গোলমরিচ ব্যবহার করলে ফুসফুসের সংক্রমণ ঠেকানো‌ সহজ হবে‌‌। গোলমরিচ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। তাই গোলমরিচ সংক্রমণ রুখতে বিশেষ সাহায্য করবে।

    আদা

    ফুসফুসের সংক্রমণ (Lung infections) রুখতে আদা খুবই উপকারী বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ষায় প্রবীণরা চায়ে আদা দিয়ে খেতে পারেন। আবার শিশুদের আদার ছোট্ট টুকরো খাওয়ানো যেতে পারে। এতে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে। আদা হল প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। তাই আদাকে ফুসফুসের রক্ষাকবচ বলা হয়। নিয়মিত আদা খেলে ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

    আখরোট

    সকালে খালি পেটে আখরোট (Kitchen  Ingredients) খেলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। এই অভ্যাস অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। বিশেষত ফুসফুস সুস্থ রাখতে আখরোট বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আখরোট ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর। রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি।‌ তাই মস্তিষ্কের পাশপাশি ফুসফুসের জন্য ও আখরোট বিশেষ উপকারী।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cold and Cough: সন্তানের সর্দি-কাশিতে নাজেহাল? কোন ঘরোয়া উপাদান করবে মুশকিল আসান?

    Cold and Cough: সন্তানের সর্দি-কাশিতে নাজেহাল? কোন ঘরোয়া উপাদান করবে মুশকিল আসান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম হাজির হতেই শুরু ভোগান্তি। কখনও ভ্যাপসা গরম, আবার কখনও লাগাতার বৃষ্টি। আবহাওয়ার এই রকমফেরের জেরে নানান অসুখ বাড়ছে। বিশেষ করে ভাইরাস ঘটিত রোগের দাপট বাড়ছে। সর্দি-কাশি, গলাব্যথায় কাবু অধিকাংশ স্কুলপড়ুয়া‌। ঋতু পরিবর্তনের সময় লাগাতার সন্তানের সর্দি-কাশির জেরে নাজেহাল বাবা-মায়েরাও। বিশেষজ্ঞদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, কিছু ঘরোয়া উপাদানের (Domestic Ingredients) ব্যবহারেই হবে মুশকিল আসান। সামান্য কয়েকটি বিষয়ে সচেতনতা আর কিছু নিয়মিত অভ্যাসের বদল কমাবে ভোগান্তি। এবার একনজরে দেখে নিন, কোন ঘরোয়া উপাদান সমস্যা কমাবে?

    মেথি কমাবে শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি (Cold and Cough)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সর্দি-কাশির ভোগান্তি রুখতে মেথি খুবই সাহায্য করে। শ্বাসনালীতে ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের জেরে সর্দি-কাশি থেকে নিউমোনিয়ার মতো জটিল সমস্যাও তৈরি হয়। পাশপাশি ফুসফুসের কার্যকারিতাও সমস্যায় পড়ে। ফলে হাঁপানির মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। মেথির মতো মশলা রান্নায় নিয়মিত ব্যবহার করলে শ্বাসনালী ভালো থাকে। সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। তাই বর্ষায় সন্তানকে সুস্থ রাখতে রান্নায় মেথির ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

    নিয়মিত রান্নায় থাকুক আদা আর রসুন

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আদা আর রসুন-এই দুই উপাদান সর্দি-কাশি (Cold and Cough) মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত যে কোনও একটি তরকারি রান্নার সময় এই দুই উপাদান ব্যবহার করলে সর্দি-কাশি মোকাবিলা সহজ হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, রসুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই রসুন রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে। বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হয়। বর্ষার মরশুমে সর্দি-কাশির এই সমস্যা মূলত বিভিন্ন ভাইরাস ঘটিত হয়। তাই দেহে পর্যাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকলে, তা প্রতিরোধ সহজ হবে। পাশপাশি, আদা শ্বাসনালীর সংক্রমণ রুখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই বর্ষার আবহাওয়ায় নিয়মিত আদা খেলে গলাব্যথা আর কাশির মতো সমস্যা কমবে।

    এক চামচ মধু-লেবুর সিরাপ কমাবে সর্দির ঝুঁকি (Cold and Cough)

    মধু শরীরের জন্য খুবই উপকারী। মধু যেমন দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, তেমনি রোগ প্রতিরোধ শক্তিও‌ বাড়ায়। সর্দি-কাশির মতো সমস্যা কমাতে মধু বিশেষ সাহায্য করে। আবার লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। যে কোনও রকম লেবু নিয়মিত খেলে দেহে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি পৌঁছয়। এর জেরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। সর্দি-কাশির ভোগান্তিও কমে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে বাড়িতেই এক ধরনের সিরাপ তৈরি থাক। নিয়মিত লেবুর রস আর মধু (Domestic Ingredients) মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশির ভোগান্তি কম হবে। এতে শরীর সুস্থ থাকবে।

    কোন অভ্যাস ছাড়লে কমবে রোগের ঝুঁকি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষার আবহাওয়ায় তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। কিন্তু অনেকেই এখনও সারারাত এসি চালিয়ে ঘুমোচ্ছেন। বিশেষত শিশুরা এই আবহাওয়ায় কোনও রকম চাদর গায়ে ঢাকা না দিয়ে, সারা রাত এসি ঘরে ঘুমোলে সর্দি-কাশির (Cold and Cough) ঝুঁকি বেড়ে যাবে। এসির ব্যবহারে তাই লাগাম টানতে হবে। ঠান্ডা পানীয় বা আইসক্রিম খাওয়ার ক্ষেত্রেও রাশ টানা জরুরি। খুব ঠান্ডা জাতীয় খাবার খেয়েই আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশন হয়। আর তার থেকেই সর্দি-কাশির ভোগান্তিও বাড়ে। তাই আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানীয় খাবারে রাশ জরুরি। ফ্রিজে রাখ ঠান্ডা জল এই আবহাওয়ায় একেবারেই খাওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share