Tag: Giriraj Singh

Giriraj Singh

  • Giriraj Singh: “বিরোধী দল ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে”, কংগ্রেসকে তোপ গিরিরাজের

    Giriraj Singh: “বিরোধী দল ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে”, কংগ্রেসকে তোপ গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধী দল ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে এবং শুধুমাত্র প্রো-ইসলাম ভোট নিয়ে চিন্তিত থাকে।” রবিবার ঠিক এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) বাংলাদেশের বিষয়ে নীরব থাকেন, কিন্তু রাজনৈতিক পর্যটনের জন্য সাম্ভাল পরিদর্শনে যাবেন।”

    ভোটব্যাংকের রাজনীতি (Giriraj Singh)

    গিরিরাজ বলেন, “কংগ্রেস ভোটব্যাংকের রাজনীতি করে। তারা মুসলমানদের মাধ্যমে প্রো-ইসলাম ভোটের দিকে তাকিয়ে থাকে। এই কারণে তারা সাম্ভালে যাচ্ছে। কিন্তু যদি হিন্দুদের সঙ্গে কিছু ঘটে, তারা চুপ করে থাকে।” তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী বাংলাদেশের বিষয়ে নীরব। কিন্তু তিনি ২ ডিসেম্বর সাম্ভালে রাজনৈতিক পর্যটনে যাবেন।” এদিন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকেও নিশানা করেন গিরিরাজ। তিনি বলেন, “সংবিধান নিয়ে কথা বলার অধিকার কংগ্রেসের নেই।”

    নিশানায় প্রিয়ঙ্কাও

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে গিরিরাজ (Giriraj Singh) বলেন, “যে নেত্রীর (প্রিয়াঙ্কা গান্ধী) নাম আপনি উল্লেখ করেছেন, তাঁর দিদিমা জরুরি অবস্থা জারি করে সংবিধান ধ্বংস করেছিলেন। যাঁর দাদু সংবিধানের প্রতি কোনও গুরুত্ব দেননি, সেই ব্যক্তি এখন সংবিধান নিয়ে কথা বলছেন। ছোট চোরির বিরুদ্ধে কথা বলছেন।” এর পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেসের সংবিধান নিয়ে কথা বলার কোনও অধিকার নেই।”

    আরও পড়ুন: ট্রাম্প প্রশাসনে আরও এক ভারতীয় বংশোদ্ভূতের অভিষেক, কী দায়িত্ব পেলেন কাশ?

    বাংলাদেশের হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বানও জানান তিনি। বর্তমান পরিস্থিতির জন্য গিরিরাজ দায়ী করেন কংগ্রেস ও দেশভাগকে। তিনি বলেন, “দেশভাগ একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ছিল, যা কংগ্রেস ১৯৪৭ সালে করেছে। পাকিস্তানে এখন আর কোনও হিন্দু নেই। যদি বিআর আম্বেদকরের কথা শোনা হত, তাহলে সব মুসলিমকে পাকিস্তানে (যুক্ত পাকিস্তানে) পাঠানো হত এবং হিন্দুদের ভারতে আনা হত। তাহলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হত না। ভারত সরকার বাংলাদেশের সরকারকে সতর্ক করেছে। আমি বাংলাদেশের হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাই (Rahul Gandhi)। মনে রাখবেন, ভারতের হিন্দুরা আপনাদের সঙ্গে রয়েছে (Giriraj Singh)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sambhal Violence: ‘‘গোধরার মতো পূর্বপরিকল্পিত’’, সম্ভল সংঘর্ষে বিরোধীদের নিশানা করলেন গিরিরাজ

    Sambhal Violence: ‘‘গোধরার মতো পূর্বপরিকল্পিত’’, সম্ভল সংঘর্ষে বিরোধীদের নিশানা করলেন গিরিরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে সংঘর্ষের (Sambhal Violence) জন্য বিরোধীদের কাঠগড়ায় তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা সাংসদ বিজেপির গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তাঁর মতে, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত, গোধরার মতো।

    মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের (Sambhal Violence)

    রবিবার মুঘল আমলে তৈরি জামা মসজিদে আদালতের নির্দেশে শুরু হয় সমীক্ষার কাজ। সেই সময় সংঘর্ষে তিনজন নিহত হন। জখম হন ২০ জনেরও বেশি পুলিশ কর্মী। এঁদের মধ্যে একজন কনস্টেবলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সোমবার মৃত্যু হয় জখম হওয়া আরও একজনের। অশান্তির আঁচ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, তাই এলাকায় ব্যবস্থা করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তার। বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা আইন (এনএসএ) প্রয়োগ করা হয়েছে।

    তদন্তের নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, হিংসার ঘটনার কারণ জানতে প্রশাসনিক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় পুলিশ সাতটি এফআইআর দায়ের করেছে। এর মধ্যে একটিতে অভিযুক্ত করা হয়েছে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জিয়াউর রহমান বার্ক এবং স্থানীয় সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক ইকবাল মাহমুদের ছেলে সোহেল ইকবালকে। এদিকে, সম্ভল মসজিদ কমিটি অশান্তির জন্য দায়ী করেছে পুলিশকে।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে গ্রেফতার নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ চিন্ময় প্রভু

    ঘটনার (Sambhal Violence) নেপথ্যে বিরোধীরা রয়েছে বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। তাঁর অভিযোগ, ঘটনাটি বিরোধীদের কারণে ঘটেছে। তারা দেশকে পুড়িয়ে দিতে চায়। সম্ভলকে বাংলাদেশে পরিণত করতে চায়। গিরিরাজ বলেন, “বিরোধীদের জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। এটি একটি পূর্ব পরিকল্পিত কৌশল, গোধরাকাণ্ডের মতো।” তিনি আরও বলেন, “এটি সমীক্ষক দলের ওপর আক্রমণ ছিল না। আক্রমণ ছিল ভারতের সংবিধান ও গণতন্ত্রের ওপর। তারা (পড়ুন বিরোধীরা) দেশকে জ্বালিয়ে দিতে চায়। তারা সম্ভলকে বাংলাদেশে পরিণত করতে চায়। যারা মারা গিয়েছে তারা হামলাকারীদের গুলিতে মারা গিয়েছে, পুলিশের গুলিতে নয়। ময়নাতদন্ত থেকেই এটা পরিষ্কার।” মন্ত্রী (Giriraj Singh) বলেন, “দেশ এটা সহ্য করবে না (Sambhal Violence)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Giriraj Singh: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    Giriraj Singh: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেলডাঙা ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। নিজের মন্তব্যে গিরিরাজ সিং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উনের সঙ্গে তুলনা করেছেন। গিরিরাজ সিং এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে।

    রোহিঙ্গাদের অভ্যর্থনা জানাতে রেড কার্পেট পেতেছে মমতা সরকার, অভিযোগ গিরিরাজের 

    কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রীর (Giriraj Singh) আরও অভিযোগ, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম গুন্ডারা আধিপত্য কায়েম করেছে এবং বাংলার সরকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অভ্যর্থনা জানাতে লাল কার্পেট পেতেছে।’’ তাঁর আরও অভিযোগ, ‘‘হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা বিপন্ন পশ্চিমবঙ্গে।’’ এখানেই উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারী শাসক কিম জং উনের সঙ্গে মমতার তুলনা টেনে গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) বলেন, ‘‘মমতার মুখ্যমন্ত্রিত্বে রাজ্যে কোনও আইনশৃঙ্খলা নেই। হিন্দুরা পালানোর মতো অবস্থায় আর রোহিঙ্গাদের অভ্যর্থনা জানানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। আওয়াজ উঠলেই দমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, এই সরকার আর বেশি দিন টিকবে না।’’ প্রসঙ্গত বিহারের বেগুসরাইয়ের সাংসদ হলেন গিরিরাজ সিং। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবিধানিক কাঠামো মানেন না।’’

    বাংলায় ক্ষমতায় এলে বন্ধ করা হবে অনুপ্রবেশ 

    প্রসঙ্গত, কার্তিক পুজোয় বেলডাঙাতে দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষ শুরু হয়। এই সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৭ জন আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এরপরে গোটা জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রেখেছে প্রশাসন। অন্যদিকে, মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচন সম্পর্কে বলতে গিয়ে গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) বলেন, ‘‘এনডিএ সরকার তৈরি হবে ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্রে। আমরা যদি একবার ঝাড়খণ্ডে সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে বাংলার মধ্য দিয়ে অনুপ্রবেশ বন্ধ করব। আর বাংলায় ক্ষমতা এলে সম্পূর্ণ অনুপ্রবেশ বন্ধ করা হবে।’’ প্রসঙ্গত, সদস্য সমাপ্ত হওয়া ঝাড়খণ্ড ও মহারাষ্ট্রে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার, এমনটাই উঠে এসেছে বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায়। আগামী ২৩ নভেম্বর ২ রাজ্যে ভোট গণনা রয়েছে। ঝাড়খণ্ডে এবারের নির্বাচনে সবথেকে বড় ইস্যু ছিল অনুপ্রবেশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Giriraj Singh: ‘হিংসার রাজধানী পশ্চিমবঙ্গ, তোষণের রাজনীতি করছেন মমতা’, তোপ গিরিরাজের

    Giriraj Singh: ‘হিংসার রাজধানী পশ্চিমবঙ্গ, তোষণের রাজনীতি করছেন মমতা’, তোপ গিরিরাজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার উপনির্বাচনে অশান্তি নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে দেশের হিংসার রাজধানীতে পরিণত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সরকার (Mamata Banerjee) সেখানকার আইন-শৃঙ্খলাকে একদম পকেটে ভরে নিয়েছে এবং মুসলমান সম্প্রদায়কে তোষণ করার রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আগামী দিনে তা বাংলাদেশ হতে চলেছে।’’ 

    নির্লজ্জতার সমস্ত স্তর অতিক্রম করেছেন কর্নাটকের কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী

    একইসঙ্গে কংগ্রেস শাসিত কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী, সিদ্ধারামাইয়াকেও তিনি তোপ দাগেন এবং বলেন, ‘‘কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি।’’ কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সম্প্রতি মন্তব্য করেছিলেন যে তাঁর রাজ্যে অপারেশন লোটাস চালাতে চাইছে বিজেপি। এভাবেই কংগ্রেসের সরকারকে ফেলতে চাইছে বলে অভিযোগ করেন কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী। এ নিয়েই তাঁকে তোপ দাগেন গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তিনি বলেন, ‘‘নির্লজ্জতার সমস্ত স্তর অতিক্রম করেছেন কর্নাটকের কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রী। তিনি নিজেই একজন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি। কর্নাটক সরকার সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি করছে। কংগ্রেস সরকার সে রাজ্যের টেন্ডারেও তোষণের রাজনীতি করছে। শুধু মুসলিম হওয়ার জন্য যদি রিজার্ভেশন দেওয়া হয়, তাহলে তার থেকে বড় দুর্ভাগ্য আর কি হতে পারে!’’

    সুইৎজারল্যান্ডে নিষিদ্ধ হবে বোরখা, কী বলছেন গিরিরাজ (Giriraj Singh)

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সুইৎজারল্যান্ডে বোরখা নিষিদ্ধ হতে চলেছে। ২০২৫ সালের সালের ১ জানুয়ারি থেকে সে দেশে নিষিদ্ধ হবে বোরখা। এ নিয়ে গিরিরাজ বলেন, ‘‘বর্তমানে পরিবর্তনের যুগ চলছে। নারী সশক্তিকরণের যুগ চলছে।’’ অন্যদিকে, রাহুল গান্ধীকে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধী চাইছেন সারা ভারতে একটা অস্থির পরিবেশ তৈরি হোক। এইভাবে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করে তিনি গৃহযুদ্ধে মদত দিতে চান এবং ভারতবর্ষকে এর মাধ্যমে ধ্বংস করতে চান।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Giriraj Singh: চাপ মৌলবাদীদের! মুসলিম মহিলাদের বোরখা পরতে বাধ্য করা হচ্ছে এই দেশে, বিস্ফোরক গিরিরাজ

    Giriraj Singh: চাপ মৌলবাদীদের! মুসলিম মহিলাদের বোরখা পরতে বাধ্য করা হচ্ছে এই দেশে, বিস্ফোরক গিরিরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh) বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘দেশে একটি নতুন সংস্কৃতি আমদানি হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে উগ্র মৌলবাদীদের ফতোয়ার কারণে মহিলারা সেই সমস্ত জায়গাতেও বোরখা (Burqa) পরছেন, যেখানে হয়ত তার দরকারই নেই।’’ গিরিরাজের দাবি, ‘‘মুসলিম মহিলাদের বোরখা পরতে বাধ্য করা হচ্ছে এই দেশে। এদেশে ১০০ কোটিরও বেশি হিন্দুর কাছে এগুলি নিরাপত্তার হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তার কারণ রাহুল গান্ধী কিংবা লালু প্রসাদ যাদব, তাঁরা হচ্ছেন ‘ভোটের সওদাগর’। তাঁরা ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য এগুলো সমর্থন করছেন। এদিন গিরিরাজ জমিয়তে-উলেমা-হিন্দের প্রধান আরশাদ মাদানিকেও তীব্র আক্রমণ করেন। একই সঙ্গে ইত্তেহাদ-ই-মিলাদি কাউন্সিলের প্রধান তকবীর রাজাকেও তিনি একহাত নেন। তাঁর মতে, ‘‘এঁরা দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চাইছে।’’

    বর্তমানে নারী সশক্তিকরণের সময় চলছে

    এদিন তিনি (Giriraj Singh) আরও বলেন, ‘‘বর্তমানে নারী সশক্তিকরণের সময় চলছে। মুসলিম দেশগুলিতে বোরখার বিরুদ্ধে নারীরা আন্দোলন করছেন। কিন্তু ভারতবর্ষে উগ্র মৌলবাদীরা নতুন ধরনের সংস্কৃতি আমদানি করেছে, যেখানে অপ্রয়োজনীয় জায়গাতেও তাঁরা বোরখা (Burqa) পরছেন।’’ প্রসঙ্গত, মুসলিম নেতা মাদানি সম্প্রতি বলেছেন যে, পাঁচ লাখ লোক তাঁরা জমায়েত করবেন, ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে। আইনের বিপক্ষে গিয়ে তাঁরা কিছুই করতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন গিরিরাজ।

    গৃহযুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করছেন রাহুল গান্ধী!

    সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গেকেও তোপ দেগেছেন তিনি। তিনি (Giriraj Singh) বলেন, ‘‘সারাদেশে নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেছে সবচেয়ে বেশি কংগ্রেস দল। কারণ তারাই দেশের মধ্যে গৃহযুদ্ধ লাগাতে চায়। শুধুমাত্র তাই নয়, রাহুল গান্ধীকে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘‘রাহুল গান্ধী চাইছেন সারা ভারতে একটা অস্থির পরিবেশ তৈরি হোক। এইভাবে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করে তিনি গৃহযুদ্ধে মদত দিতে চান এবং ভারতবর্ষকে এর মাধ্যমে ধ্বংস করতে চান।’’ খাড়্গেকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘‘খাড়্গে সাহেব আপনার উদ্দেশ্য কখনও পূরণ হবে না, কারণ ভারতবর্ষের যুবসমাজ বর্তমানে জেগে গিয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: “বাংলাদেশ অচিরেই পাকিস্তানের দাদা হয়ে উঠবে”, বললেন গিরিরাজ

    Bangladesh Crisis: “বাংলাদেশ অচিরেই পাকিস্তানের দাদা হয়ে উঠবে”, বললেন গিরিরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) ভার এমন হাতে পড়েছে যে, অচিরেই হয়ে উঠবে পাকিস্তানের দাদা।” বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তিনি বলেন, “এই কারণেই বিনিয়োগকারীরা আমাদের প্রতিবেশী এই দেশটি থেকে দূরে থাকবেন।”

    কী বললেন গিরিরাজ? (Bangladesh crisis)

    বুধবার ‘ভারত টেক্স ২০২৫’ এর আবরণ উন্মোচন অনুষ্ঠানে যোগ দেন গিরিরাজ। ভারত মণ্ডপমে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ফেব্রুয়ারির ১৪ থেকে ১৭ তারিখে। সেখানেই তাঁর বক্তব্যে চলে আসে বাংলাদেশের হিংসা এবং রাজপাট বদলের প্রেক্ষাপট। এবং তখনই বলেন, “বাংলাদেশের ভার এমন হাতে পড়েছে যে, অচিরেই হয়ে উঠবে পাকিস্তানের দাদা। বিনিয়োগকারীরা আমাদের প্রতিবেশী এই দেশটি থেকে দূরে থাকবেন।” বক্তব্যের ব্যাখ্যায় মন্ত্রী বলেন, “ভারতীয় বস্ত্র শিল্প বাংলাদেশ কিংবা ভিয়েতনাম কারও কাছেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে না। কারণ ভারতের একটা বড় শ্রম বাজার রয়েছে।”

    পিএলআই স্কিম

    গিরিরাজ বলেন, “বাংলাদেশ পাকিস্তানের মতো হলে বিনিয়োগকারীরা সেখানে যাওয়ার আগে ভাববে।” মন্ত্রী বলেন, “আমরা আরও পিএলআই স্কিম আনার চেষ্টা করছি। প্রতিটি সেক্টরকে এর সঙ্গে যুক্ত করতেই পিএলআই স্কিম আনার চেষ্টা চলছে।” প্রসঙ্গত, ভারত টেক্স ২০২৫ হল একটি (Bangladesh Crisis) মেগা গ্লোবাল টেক্সটাইল ইভেন্ট, যা টেক্সটাইল এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিলের একটি কনসর্টিয়াম দ্বারা আয়োজিত এবং বস্ত্রমন্ত্রক দ্বারা সমর্থিত। এটি একটি বিশ্বব্যাপী টেক্সটাইল বাণিজ্য মেলা। নলেজ প্লাটফর্ম হিসেবেও কাজ করছে। গ্রেটার নয়ডার মার্ট, ভারত মণ্ডপম ও ইন্ডিয়া এক্সপো সেন্টারে একযোগে হবে অনুষ্ঠান।

    আরও পড়ুন: পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আরএসএসের স্বেচ্ছাসেবকরা রয়েছে মণিপুরে, বললেন ভাগবত

    জানা গিয়েছে, মেন ইভেন্টটি হবে ভারত মণ্ডপমে, ১৪-১৭ ফেব্রুয়ারি। ইন্ডিয়া এক্সপো সেন্টার ও মার্টে হবে ১২-১৫ ফেব্রুয়ারি। টেক্সটাইল, হস্তশিল্প, গার্মেন্টস যন্ত্রপাতি ও জাতিগত পোশাক প্রদর্শনী হবে ইন্ডিয়া এক্সপো এবং মার্টে। গত বছর ব্যাপক সাফল্য পায় ভারত টেক্স। সেই কারণেই এবার এবার কোমর বেঁধে নেমে পড়ছেন উদ্যোক্তারা।জানা গিয়েছে, এবার ইভেন্টে এক্সিবিটর থাকবেন ৫ হাজারের বেশি। বিশ্বের ১১০টিরও বেশি দেশ থেকে ৬ হাজার আন্তর্জাতিক ক্রেতা এবং ১ লাখ ২০ হাজারেরও বেশি (Giriraj Singh) দর্শক আসবেন বলেও আশা উদ্যোক্তাদের (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tweet War: ‘‘কীভাবে কাজ হয় জানুন’’! অভিষেককে গিরিরাজের দায়িত্বের ‘পাঠ পড়ালেন’ সুকান্ত-শুভেন্দুরা

    Tweet War: ‘‘কীভাবে কাজ হয় জানুন’’! অভিষেককে গিরিরাজের দায়িত্বের ‘পাঠ পড়ালেন’ সুকান্ত-শুভেন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং-এর চিঠি নিয়ে শুরু হয়েছে ট্যুইট-যুদ্ধ। নিজে মন্ত্রী হয়েও কোন দফতরে তৃণমূলের চিঠি পাঠানোর কথা বললেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী গিরিরাজ সিং? এই প্রশ্ন তুলে ট্যুইট করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন।  কিন্তু আসলে গিরিরাজ একই সঙ্গে দুটি মন্ত্রক সামলান তাই তাঁর জবাবে কোনও ভুল নেই। নিয়ম মেনেই চিঠি সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করছেন বিজেপি নেতারা। ট্যুইট করে মন্ত্রীর দায়িত্ব রীতিমতো ছকের আকারে বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইট বার্তায় তৃণমূলকে প্রশাসনিক নিয়ম-নীতির পাঠ নিতে বলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    ট্যুইট-যুদ্ধ

    একশো দিনের কাজ ও আবাস যোজনা খাতে বাংলায় বকেয়া পাওনা চাইতে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ে সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল তৃণমূলের সংসদীয় প্রতিনিধি দল। তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সাক্ষাৎ হয়নি। এরই মাঝে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত মন্ত্রী গিরিরাজ সিংকে চিঠি লিখেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। সেই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করে লোকসভায় তৃণমূলের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লেখেন মন্ত্রী। সেখানে লেখা হয়, ‘সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছে চিঠিটা ফরওয়ার্ড করা হচ্ছে।’ গিরিরাজের ওই চিঠি নিয়ে ট্যুইটে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তৃণমূল। তাদের বক্তব্য, আপনি নিজেই যদি সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী হন, তা হলে চিঠিটা ফরওয়ার্ড করলেন কাকে?

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, শহিদ ৫ জওয়ান, জখম ১

    শুভেন্দুর ট্যুইট 

    অভিষেকের ওই টুইট মেনশন করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আবার ট্যুইটে (tweet war) লিখেছেন, অর্ধশিক্ষিত বারো ক্লাস পাশ ভাঁড়েরা চিঠির মানে বোঝেনি। গিরিরাজ সিং দুটি দফতরের মন্ত্রী। গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েতি রাজ। উনি সংশ্লিষ্ট দফতরকে চিঠিটা পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    সুকান্তর ট্যুইট 

    অভিষেকের এই ঠাট্টার জবাব দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি অভিষেকের টুইট বার্তাকে রিটুইট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘এনডিএ সরকারের মন্ত্রীরা তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে আলাদা। একাধিক মন্ত্রণালয়ের দেখাশোনা করা মন্ত্রীরা সবসময় গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলিকে কর্তব্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠিয়ে দেন। যেহেতু ‘জামির লেন-কা আমির বাবু’র লেটারহেডে চাকরির সুপারিশ দেখতে অভ্যস্ত, তাই এটা তাঁর কাছে হিব্রু বলে মনে হচ্ছে।’

  • Giriraj Singh: ‘সাভারকারের মতো হতে গেলে রাহুলকে অনেকবার জন্মাতে হবে’, বললেন গিরিরাজ

    Giriraj Singh: ‘সাভারকারের মতো হতে গেলে রাহুলকে অনেকবার জন্মাতে হবে’, বললেন গিরিরাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাভারকারের (Savarkar) মতো হতে গেলে তাঁকে অনেকগুলো জন্ম নিতে হবে। সোমবার এই ভাষায়ই কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) আক্রমণ শানালেন বিজেপি (BJP) নেতা গিরিরাজ সিংহ (Giriraj Singh)।  মোদি পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের দায়ে দু বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তার জেরে শুক্রবার খারিজ হয়েছে তাঁর সাংসদ পদ। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে শনিবার রাহুল বলেন, আমার নাম সাভারকার নয়, আমার নাম গান্ধী।

    গিরিরাজ সিংহ (Giriraj Singh) বলেন…

    তিনি বলেন, গান্ধীরা কারও কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে না। এর পরেই রাহুলকে নিশানা করেন গিরিরাজ। তিনি বলেন, তিনি (রাহুল) বলছেন যে তিনি গান্ধী, কিন্তু তাঁর স্পেশিফাই করা উচিত কোন গান্ধী তিনি? তাঁর দাদু যে গান্ধী ছিলেন? গিরিরাজ (Giriraj Singh) বলেন, তিনি যদি আদালতে গরহাজির না হতেন, ক্ষমা প্রার্থনা করতেন, তাহলে এটা ঘটত না। এর পরেই গিরিরাজ বলেন, সাভারকার জাতির জন্য প্রাণ বলি দিয়েছিলেন। তাই তাঁর (সাভারকার) সঙ্গে তাঁর (রাহুলের) তুলনা করা ভুল হবে। সাভারকারের মতো হতে গেলে রাহুলকে অনেকবার জন্ম নিতে হবে।

    রাহুলকে নিশানা করেছেন বিজেপির আরও এক নেতা অনুরাগ ঠাকুরও। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধী স্বপ্নেও সাভারকার হতে পারবেন না। ট্যুইট-বাণে অনুরাগ বলেন, বীর সাভারকার দেশপ্রেমিক। ফাঁসির আগে স্বয়ং ভগৎ সিং তাঁর বই থেকে নোট নিয়েছিলেন। সাভারকারের মতো স্বাধীনতা যোদ্ধাকে রাহুল অপমান করছেন। সাভারকারের দেশপ্রেম ও সাহসের কাছে মাথা নত করতেন বড় বড় নেতারাও। এমন কী কংগ্রেসও ১৯২৩ সালে কাঁকিনাড়া অধিবেশনে সাভারকারকে নিয়ে প্রস্তাব পাশ করে। ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সাভারকারের নামে একটি স্ট্যাম্পও তৈরি করেছিলেন বলে মনে করিয়ে দেন অনুরাগ। স্বাধীনতা যুদ্ধে সাভারকারের অবদান মনে করিয়ে দিতে ইন্দিরা গান্ধী একটি চিঠি লিখেছিলেন বলেও জানান অনুরাগ।

    তিনি জানান, ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ভারত সরকার সাভারকারের ওপর একটি ডকুমেন্টরিও করেছিল। অনুরাগ বলেন, সাভারকারকে শ্রদ্ধা জানাতে এত করেছিলেন রাহুলের ঠাকুমা। তাই সাভারকারকে অপমান করে রাহুল একই সঙ্গে তাঁর ঠাকুমাকেও অপমান করলেন।

    আরও পড়ুুন: শাহি দরবারে শুভেন্দু, পঞ্চায়েতের আগে কী আলোচনা হল দু’ জনের?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Giriraj Singh: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    Giriraj Singh: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বরাদ্দ টাকা সঠিক খাতে খরচ না করে খয়রাতির কাজে খরচ করা হচ্ছে বলে নানা সময় অভিযোগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার প্রায় একই অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের টাকার অপব্যবহার করছে রাজ্য সরকার। বেআইনিভাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।

    গিরিরাজের দাবি…

    গিরিরাজের দাবি, আবাস যোজনা থেকে ১০০ দিনের কাজ, সর্বত্র দুর্নীতি হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি ৮ লক্ষ বাড়ি তৈরিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্বচ্ছতা না থাকলে টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। অভিযোগ এলে তদন্ত করতে হবে বলেও জানান মন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে দিয়েছে বাংলার সরকার, যা আইনত অন্যায়। মন্ত্রী (Giriraj Singh) বলেন, যাঁর তিনতলা বাড়ি রয়েছে, তাঁকেও আবাস যোজনায় টাকা দেওয়া হয়েছে। ১০০ দিনের কাজের টাকা যেভাবে লুঠ হয়েছে, তা সীমাহীন। তিনি বলেন, মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে।

    কেন্দ্র প্রাপ্য বঞ্চনা থেকে বঞ্চিত করছে বলে নানা সময় অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাঁরও জবাব দিলেন বেগুসরাইয়ের সাংসদ গিরিরাজ। তিনি বলেন, আমি শুধু স্বচ্ছতা চাই। এখনও পর্যন্ত বাংলার সরকারকে ৮ লক্ষ বাড়ি তৈরির জন্য অর্থ মঞ্জুর করা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন্দ্রের উদ্দেশ্য যদি খারাপই হয়ে থাকে, তা হলে টাকা কেন দেবে? রাজ্যে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। সে প্রসঙ্গ টেনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, অভিযোগ এলে তদন্ত করতে হয়। বাংলার মন্ত্রীরা এসে ভাল কথা বলে গেলেন। অথচ রাজ্যে গিয়ে তাঁদের পরিবর্তন হয়ে যায়। ফের লুঠ শুরু হয়। তিনি বলেন, ১০০ দিনের কাজের টাকা লুঠের জন্য নয়, গরিবের জন্য।

    আরও পড়ুুন: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    গিরিরাজ (Giriraj Singh) বলেন, আপনাদের বলছি, গরিবের টাকা দিতে চাই। কিন্তু বাংলার লুঠের সরকারকে কাজ দেখাতে হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, দেশের মধ্যে কয়েকটি রাজ্য রয়েছে তার মধ্যে মমতাজির রাজ্য অন্যতম যেখানে কেন্দ্রের টাকার অপব্যবহার হয়েছে। উনি শুরু থেকেই বেআইনিভাবে ভারত সরকারের সব প্রকল্পের নাম বদলে দিয়েছেন। ১০০ দিনের কাজ থেকে আবাস যোজনার অর্থ নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। গিরিরাজ বলেন, দুর্নীতি সব ক্ষেত্রেই সীমা পেরিয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Bengal BJP: আজ শাহী দরবারে শুভেন্দু, সুকান্তরা! দেখা হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও

    Bengal BJP: আজ শাহী দরবারে শুভেন্দু, সুকান্তরা! দেখা হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন বঙ্গ বিজেপির দুই নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদার। এদিন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও রাজ্য বিজেপির সভাপতির সঙ্গে শাহী বৈঠকে বঙ্গের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির পাশাপাশি রাজ্যে সিএএ লাগু নিয়েও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। গত কয়েকমাস ধরে একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাচ্ছে বঙ্গ বিজেপি। কয়লাপাচার,গরুপাচার থেকে আবাস দুর্নীতি, একশো দিনের প্রকল্প। সব নিয়েই কথাবার্তা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

    কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পাশাপাশি এদিন রাজধানীতে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারী। আবাস যোজনা নিয়ে দিল্লিতে দরবার করার কথা আগেই জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সোমবার গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে সে বৈঠক থাকলেও পরে তা বাতিল হয়ে যায়। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সময় হলে সে বৈঠক হতে পারে। আবাস যোজনার বরাদ্দ এসে পৌঁছনোর পর থেকেই রাজ্যজুড়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় গৃহপ্রাপকদের তালিকা যাচাইয়ের কাজ শুরু করে দিয়েছে রাজ্য। আর সেই কাজ শুরু হতেই সামনে আসছে ভুরি ভুরি অভিযোগ। কোথাও চারতলা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় নাম থাকছে তৃণমূল উপপ্রধানের স্ত্রীয়ের, কোথাও আশাকর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের কপালে জুটছে হুমকি। মাটির বাড়িতে বসবাস করলেও আবাস যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বহু মানুষ।প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনাতেও ওয়েব পোর্টাল চালু করা হোক। কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপির অন্যতম দুই নেতা সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীরা এই আবেদনও করতে পারেন বলে সূত্রের খবর। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে  আবেদন করে  প্রধানমন্ত্রী কিষান নিধি সম্মানের মতো পোর্টাল চালু করে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় আবেদনের ব্যবস্থা করার কথাও বলতে পারেন পদ্ম শিবিরের দুই নেতা। পাশাপাশি পুরনো তালিকা বাতিল করার দাবিও জানানো হতে পারে।

    আরও পড়ুন: রাজ্য জুড়ে আবাস তালিকায় দুর্নীতি! বিজেপির প্রতিবাদ-বিক্ষোভে উত্তাল পুরুলিয়া-বাঁকুড়া

    সব মিলিয়ে বছর ঘুরলেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে দিল্লির দরবারে বাংলার পদ্ম শিবিরের দুই প্রথম সারির নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদারের এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই সফর নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে তরজাও চলছে। এই বৈঠকের দিকে নজর রাখছে শাসকদল তৃণমূলও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share