Tag: girl

girl

  • Dance: তৃণমূল নেতার গলা জড়িয়ে চটুল নাচ সুন্দরী নর্তকীর, টাকা ছড়াচ্ছেন নেতা, কোথায় দেখে নিন

    Dance: তৃণমূল নেতার গলা জড়িয়ে চটুল নাচ সুন্দরী নর্তকীর, টাকা ছড়াচ্ছেন নেতা, কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ তৃণমূল নেতার গলা জড়িয়ে চটুল নাচ (Dance) করছেন এক সুন্দরী তরুণী। আর ওই তৃণমূল নেতা তা তাড়িয়ে তাড়িয়ে শুধু উপভোগ করছেন না, ওই নর্তকীর উপর টাকা ছড়াচ্ছেন তিনি। ঘটনাটি পান্ডবেশ্বর ব্লকের। আর ওই তৃণমূল নেতার নাম সন্তোষ পাশোয়ান। পাণ্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির তিনি কর্মাধ্যক্ষ। এই তৃণমূল নেতার এমন ছবি ভাইরাল হতেই তোলপাড় জেলার রাজনীতি। এমনিতেই চাকরি দুর্নীতি ইস্যুতে জেরবার শাসক দল। এরমধ্যেই পাণ্ডবেশ্বর ব্লকের এই তৃণমূল নেতার এক নর্তকীর সঙ্গে এরকম আচরণ করতে দেখে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিষয়ে সন্তোষবাবু বলেন, আমি নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়েছিলাম। কী অনুষ্ঠান ছিল তা জানতাম না। কিছুক্ষণ বসে থাকার পর আমি চলে আসছিলাম। সেই সময় এই তরুণী আমার সামনে চলে আসে। আমি তো তার সঙ্গে কোনও নাচ (Dance)  করিনি। আমি তাঁর সামনে শুধু দাঁড়য়েছিলাম। তারপরই আমি চলে আসি। সামান্য বিষয় নিয়ে বিজেপি এখন রাজনীতি করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

    দলীয় নেতার সঙ্গে নর্তকীর চটুল নাচ নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের ব্লক নেতৃত্ব? Dance

    সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। ইতিমধ্যেই বুথে বুথে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। এরইমধ্যে পাণ্ডবেশ্বরের ব্লক নেতার ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে দলের নীচুতলার কর্মীদের মধ্যে জোর চর্চা চলছে। এই বিষয় নিয়ে পান্ডবেশ্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কিরীটি মুখোপাধ্যায় বলেন, ভিডিওটি পুরানো। বিষয়টি আমি জানতাম। পরে, ভিডিওটি দেখেছি। সন্তোষ এক জায়গায় দাঁড়িয়েছিল। ও কোনও নাচ (Dance)  করেনি। মহিলাই নাচ করছিল। তাই, আর আচরণ কোনও খারাপ ছিল না। আসলে সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। আমাদের সংগঠন আর উন্নয়নের সঙ্গে বিজেপি পেরে উঠছে না । তাই, এই ধরনের ভিডিও ভাইরাল করে আমাদের দলকে বদনাম করার চেষ্টা করছে।  ওরা নোংরা রাজনীতির করছে। এসব করে কোনও লাভ নেই। কারণ, এবার নির্বাচনেও তৃণমূল ভাল ফল করবে।

    এই বিষয়ে বিজেপি নেতা জীতেন চট্টোপাধ্যায় বলেন, শুধু শিক্ষা চুরি, চাকরি চুরি নয়, তৃণমূল শাসনে এই বাংলার সংস্কৃতিকেও নষ্ট করছে। ভিডিওতে ওই তৃণমূল নেতা ওই নর্তকীর উপর খোশ মেজাজে টাকা ওড়াচ্ছিল তা সকলেই দেখতে পাচ্ছেন। একজন জনপ্রতিনিধির এই ধরনের আচরণ সমর্থণ করা যায় না। আসলে যে দলে দুর্নীতির জন্য একের পর এক নেতা জেলে যাচ্ছেন তাদের কাছে এসব চটুল নাচ কিছুই নয়। তবে, এটা বাংলার সংস্কৃতিকে নষ্ট করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: ভর্ৎসনা পুলিশকে, হাইকোর্টের নির্দেশে নিখোঁজ নাবালিকার তদন্ত করবে সিবিআই

    Purba Bardhaman: ভর্ৎসনা পুলিশকে, হাইকোর্টের নির্দেশে নিখোঁজ নাবালিকার তদন্ত করবে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাত মাস ধরে পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) খণ্ডঘোষের নাবালিকা নিখোঁজ তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হল এবার সিবিআইকে। রাজ্য পুলিশের গাফলতি দেখে আজ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ঘটনায় ফের একবার ভর্ৎসনার মুখে পুলিশ। মুখ পুড়ল রাজ্য পুলিশ প্রশাসনের।

    পুলিশের গাফিলতি (Purba Bardhaman)

    খণ্ডঘোষের (Purba Bardhaman) নাবালিকার নিখোঁজ মামলায় শাসকদলের বিধায়ক সহ বড় বড় নেতারা জড়িত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মামলার তদন্তে পুলিশের বিরুদ্ধে চরম গাফিলিতির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় আদালত গত ১৫ জানুয়ারি সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। পুলিশের হাতে মামলা থাকাকালীন দুইজন গ্রেফতার হয়েছিল। কিন্তু গ্রেফতারের ৯০ দিনের মধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতে না পাড়ায় পরের দুই দিনের মাথায় জামিন পেয়ে যায় দুই ধৃতরা। মূল অভিযোগ হল যারা জামিন পেয়ছিলো তারা উভয়েই স্থানীয় তৃণমূল বিধায়কের খুব কাছের মানুষ। এলাকায় বিধায়কের হয়ে কাজ করে থাকে। সেই সঙ্গে আরও জানা গিয়েছে, গোটা ঘটনার মধ্যে অভিযুক্ত সকলেই শাসক দলের কাছের বলে পরিচিত। ফলে মামলায় শাসক দলের প্রভাবশালী নেতাদের প্রত্যক্ষ যে যোগ রয়েছে একথা অভিযোগকারীরা বার বার বলছেন। সিআইডি মামলায় দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বেশ কিছু জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কিন্তু আসল দোষীদের এখনও চিহ্নিত করতে পারেনি। ফলে পরিবারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দ্বারা তদন্তের কথা বার বার দাবি হয়েছিল।

    হাইকোর্টের বক্তব্য

    মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত আজ মামলার তদন্ত ভার দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “গোটা ঘটনায় রাজ্য পুলিশের বিরটা গাফিলতি রয়েছে।” নিখোঁজ মেয়েকে (Purba Bardhaman) যদি ভিন রাজ্যে বা অন্য দেশে পাচার করে দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সেই বিষয়েও তদন্ত করার কথা কথা বলেছেন বিচারপতি। আগামী ১৩ মার্চ হল মামলার পরবর্তী শুনানি। সেই দিন সিবিআইকে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: বলাগড়ে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী! অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর

    Hooghly: বলাগড়ে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী! অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিভি দেখতে এসে ধর্ষণের শিকার এক কিশোরী। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হুগলির (Hooghly) বলাগড়ের এক তৃণমূল নেতার ছেলে। এলাকায় জানাজানি হতেই উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে খোঁজ করে না পেলে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পাশাপাশি ধর্ষণের প্রতিবাদে এলাকার বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শাস্তি চাইলেন। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল। 

    মূল অভিযোগ কী(Hooghly)?

    স্থানীয় (Hooghly) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৫ ডিসেম্বর সোমাবার ১৩ বছরের এক নাবালিকা, পাশের এক প্রতিবেশীর বাড়িতে টিভি দেখতে যায়। সেই সময় এক যুবক ওই নাবালিকাকে জোর করে হাত ধরে তুলে নিয়ে যায় এলাকার একটি নির্মীয়মাণ পাকা বাড়িতে। এরপর ওই নির্জন বাড়িতে শারীরিক নিগ্রহ করে বলে অভিযোগ করা হয়। ঘটনার সময় এক প্রতিবেশী দেখে ফেলেন, কিন্তু অভিযুক্ত যুবককে আটকানোর চেষ্টা করলে উলটে হুমকি দেয় যুবক। এরপর গত মঙ্গলবার ঘটনা জানাজানি হতেই অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হয় এলাকার মানুষ। কিন্তু তার আগেই অভিযুক্ত যুবক বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।

    অভিযুক্তের বাবা তৃণমূলনেতা

    স্থানীয় (Hooghly) সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের বাবা তৃণমূলের নেতা। এরপর আজ বুধবার তৃণমূল নেতার বাড়িতে এলাকার মানুষ গিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে। ইতিমধ্যে পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে গেলে এলাকার তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীও পৌঁছান। তিনি বলেন, “১৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণকরা হয়েছে। অভিযুক্ত আবার হুমকি দিয়ে গেছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অপরাধীকে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। দুস্কৃতীরা দলের নাম ভাঙিয়ে খারাপ কাজ করে। মানুষকে ভয় দেখিয়ে নিজদের উদ্দেশ্যকে পূরণ করে।”

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    এলাকার স্থানীয় (Hooghly) অঞ্জনা দাস বলেন, “অভিযুক্তরা চার ভাই, ওরা পাড়ায় একদম ভালো ব্যবহার করেনা।” আবার অভিযুক্তের বাবা বলেছেন, “আমার পরিবার রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার হচ্ছে। আমি আগে কংগ্রেস করতাম, ১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূল করি। দলের সব কাজে থাকি। আমার ছেলে অন্য রাজ্যে কাজ করে। এখন বাড়িতে এসেছে। একটা ব্যবসার কাজে যুক্ত। ওর সামনেই বিয়ে। চক্রান্ত করে ওকে ফাঁসানো হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share