Tag: gita path

gita path

  • Suvendu Adhikari: বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদ’ নিয়ে কড়া আইন, ছ’মাস সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদ’ নিয়ে কড়া আইন, ছ’মাস সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউনিফর্ম সিভিল কোড) চালুর পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আগামী ছ’মাসের মধ্যে ‘লাভ জিহাদ’ এবং ‘ল্যান্ড জিহাদে’র বিরুদ্ধে কড়া আইন আনার কথাও জানিয়েছেন (UCC) তিনি। রবিবার কলকাতায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি অশোক সিঙ্ঘলের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    বাংলাতেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু জানান, উত্তরাখণ্ড ও গুজরাটের মডেল অনুসরণ করে বাংলাতেও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের। তাঁর কথায়, “আমাদের ছ’মাস সময় দিন। লাভ জিহাদ এবং ল্যান্ড জিহাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনও আনা হবে।”

    বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধির খসড়া তৈরির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে রাজ্য সরকার। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার এবং দত্তক গ্রহণ সংক্রান্ত নাগরিক আইনগুলিকে অভিন্ন করার লক্ষ্যেই প্রস্তাবিত বিধির খসড়া তৈরি করা হচ্ছে।

    ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল। এদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, তাঁর সরকার সংবিধান মেনেই কাজ করবে। তবে ভারতীয় সংস্কৃতি, সনাতন ঐতিহ্য, মন্দির, মঠ এবং দেশের ঐতিহ্যের উপর কোনও ধরনের আক্রমণ বরদাস্ত করা হবে না বলেও জানান তিনি।

    বাংলায় কোনও দেশবিরোধী কার্যকলাপ সরকার মেনে নেবে না বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু। সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার এবং বিভাজনকারী শক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বানও জানান তিনি।

    শুভেন্দুর বক্তব্য, স্বামী বিবেকানন্দ এবং মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য যে আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরেছিলেন, সেই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের উপর কোনও আঘাত বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর দাবি, সংবিধানের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা রেখেই সরকার কাজ করবে।

    তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী

    এদিন পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, আগের সরকারের পতনের একাধিক কারণ ছিল। তবে হিন্দুদের আবেগ, সংগঠন, দেবদেবী এবং সনাতন ঐতিহ্যকে বারবার আঘাত করার অভিযোগ তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলে দাবি করেন তিনি। দীর্ঘদিন মানুষ এসব সহ্য করার পর শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকে বিদায় জানিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ছাত্রজীবনে রাম জন্মভূমি আন্দোলনের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত ছিলেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন রাজ্যে হিন্দুদের উপর কথিত অত্যাচারের বিভিন্ন অভিযোগের বিরুদ্ধেও আন্দোলন করেছেন।

    ধর্মীয় পর্যটন নিয়েও এদিন বড় ঘোষণা করেন শুভেন্দু। রাজ্যে প্রস্তাবিত ধর্মীয় পর্যটন পরিক্রমা প্রকল্পের কাজ আগামী দু’বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এই প্রকল্পের জন্য প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সাধারণ মানুষের পরামর্শ ও সহযোগিতাও চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    একাধিক কর্মসূচির কথাও ঘোষণা

    এদিন আগামী দিনের একাধিক কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করেন শুভেন্দু। নভেম্বর মাসে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে প্রায় ২০ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে হনুমান চালিসা পাঠের আয়োজন করা হবে বলে জানান (UCC) তিনি। পাশাপাশি আগামী ২৯ ডিসেম্বর প্রায় ১০ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে গণগীতা পাঠের পরিকল্পনার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    আগামী বছরের গঙ্গাসাগর মেলার প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) দাবি, আগামী বছরের গঙ্গাসাগর মেলায় আন্তর্জাতিক মানের পরিকাঠামো ও পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

     

  • Suvendu Adhikari: ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ থেকে ব্রিগেডের ধর্মসভা, একাধিক কর্মসূচি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ থেকে ব্রিগেডের ধর্মসভা, একাধিক কর্মসূচি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের মঞ্চ থেকে একাধিক বড় ধর্মীয় কর্মসূচির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ আয়োজনের কথা জানান তিনি। পাশাপাশি ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ধর্মসভার পরিকল্পনার কথাও প্রকাশ্যে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। ২৯ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠানে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

    রবিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বাঙ্গুর জাগরণ মঞ্চের উদ্যোগে আয়োজিত ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠ অনুষ্ঠানে যোগ দেন শুভেন্দু। বক্তব্যের শুরুতেই তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং ‘একজন সনাতনী’ এবং ‘ভারতমাতার সন্তান’ হিসেবে এই কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়েছেন। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই আগামী দিনের একাধিক কর্মসূচির রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি।

    ২৯ ডিসেম্বর ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ

    শুভেন্দু জানান, এর আগে ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ, শিলিগুড়িতে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের অংশগ্রহণে গীতাপাঠ এবং গত বছর পাঁচ লক্ষের বেশি মানুষের উপস্থিতিতে বড় কর্মসূচি হয়েছে। এবার সেই আয়োজনকে আরও বড় আকার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    ২৯ ডিসেম্বর ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ হবে বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠানে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের উপস্থিতির সম্ভাবনার কথাও জানান তিনি। গীতার প্রচার ও এই কর্মসূচির প্রস্তুতির প্রসঙ্গে শ্রীমৎ জ্ঞানানন্দ মহারাজের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, গীতাপাঠের কর্মসূচির প্রস্তুতির জন্য জ্ঞানানন্দ মহারাজ একাধিকবার বাংলায় এসেছেন।

    এদিন পদ্মশ্রী কার্তিক মহারাজ, তরুণ সন্ন্যাসী রামচন্দ্র দাস মহারাজ, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বীরগুণানন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ এবং পুরীর ধাম থেকে আসা দ্বৈতাপতি ভবানী প্রসাদের নামও উল্লেখ করেন তিনি। গৌরব মহারাজ, জগৎদাত্রী প্রভু, সর্বানন্দ অবধূত মহারাজ এবং মুরার্জী মহারাজ-সহ একাধিক সাধু-সন্তের উপস্থিতির কথাও জানান।

    জানুয়ারিতে ব্রিগেডে ধর্মসভা

    গীতাপাঠের পাশাপাশি ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ধর্মসভা করার পরিকল্পনার কথাও জানান শুভেন্দু। জগদগুরু রামভদ্রাচার্যের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আগামী ১৫ জানুয়ারি মকর সংক্রান্তিতে রামভদ্রাচার্য গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নানে আসার কথা জানিয়েছেন।

    এর পরেই জানুয়ারিতে ব্রিগেডে ধর্মসভার আয়োজনের কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে ১৬ থেকে ২৬ জানুয়ারির কর্মসূচির উল্লেখ থাকলেও প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্রিগেডের মূল অনুষ্ঠানটি ২৪ জানুয়ারি হওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীর বাংলায় আসার কথাও এদিন উল্লেখ করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বিভিন্ন সাধু-মহন্ত তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমে সনাতন ধর্মের গুরুত্ব তুলে ধরবেন।

    ‘প্রাণ খুলে গীতাপাঠ করুন’, বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    ধর্মীয় আচার পালনের ক্ষেত্রে ভয় না পাওয়ার বার্তাও দেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “প্রাণ খুলে গীতা পাঠ করুন, গীতা বিতরণ করুন, হনুমান চালিশা পাঠ করুন।” পাশাপাশি শঙ্খ, সিঙ্গা, মৃদঙ্গ, খঞ্জরি ও ঘণ্টা বাজানো এবং হরে কৃষ্ণ মন্ত্র ও নাম কীর্তনের আহ্বান জানান তিনি।

    গোমাতা, গীতা, তুলসী এবং ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাধু-সন্তদের অপমানের অভিযোগে প্রশাসনের পদক্ষেপের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনায় সরকার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।

    শুভেন্দুর বক্তব্য, “যাঁরা সাধু, সন্ত ও মহারাজদের অপমান করবেন, বর্তমান সরকার তাঁদের সোজা জেলে পুরবে।” ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রীর ছবি পোড়ানোর ঘটনায় অভিযুক্তকে ঘটনার রাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    ‘সবাই এক থাকতে হবে’, বিচ্ছিন্নতাবাদী স্লোগান নিয়েও বার্তা

    এদিনের বক্তব্যে দেশের ঐক্য নিয়েও সতর্কবার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, বিচ্ছিন্নতাবাদী স্লোগান বা বক্তব্যের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং “সবাই এক থাকতে হবে।”

    শ্রীরামপুরে স্বাধীনতার দাবিতে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগের প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। এই ধরনের বক্তব্যের জবাব দেশের মানুষ দেবে বলে মন্তব্য করেন শুভেন্দু।

    সব মিলিয়ে, নেতাজি ইন্ডোরের ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই আগামী কয়েক মাসের জন্য একাধিক বড় ধর্মীয় কর্মসূচির ঘোষণা সামনে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী—২৯ ডিসেম্বর ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে ব্রিগেডে ধর্মসভা, যার মধ্যে ২৯ ডিসেম্বরের কর্মসূচিতে মোহন ভাগবতের সম্ভাব্য উপস্থিতির কথাও উঠে এসেছে।

  • Gita Path: গীতা পাঠের আসরে ভক্তের ভিড় সামলাতে ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত রেলের

    Gita Path: গীতা পাঠের আসরে ভক্তের ভিড় সামলাতে ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই রবিবার, ৭ ডিসেম্বর। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে হবে পাঁচ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের (Gita Path) আসর। আয়োজক সনাতন সংস্কৃতি সংসদ। বছর দুয়েক আগেও লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আয়োজন হয়েছিল অতিকায় এই মাঠেই (Railways)। এই কর্মসূচি উপলক্ষে বহু মানুষের সমাগম হতে পারে ব্রিগেডে। এই অনুষ্ঠানে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে। কলকাতার ময়দানে গীতা পাঠের এই আসরে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি অসম, ত্রিপুরা, দিল্লি, বিহার এবং ওড়িশা সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে বহু মানুষ যোগ দেবেন। নেপাল এবং বাংলাদেশ থেকেও বেশ কিছু বিশিষ্ট মানুষ এবং গীতাপ্রেমীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    আয়োজকদের দাবি (Gita Path)

    আয়োজকদের দাবি, এটি নিছকই একটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য ২৫টি প্রবেশ পথ তৈরি করা হয়েছে। পুরো মঞ্চ সাজানো হয়েছে অর্ধচন্দ্রাকৃতি আকারে। অংশগ্রহণকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে পবিত্র গীতা। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বেশ কয়েক লাখ মানুষ ব্রিগেডে ভিড় জমাবেন বলে আশা উদ্যোক্তাদের। স্বাভাবিকভাবেই রবিবার ছুটির দিনে ভিড় সামলাতে বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। জানা গিয়েছে, শিয়ালদা এবং হাওড়া শাখায় এদিন সব মিলিয়ে মোট ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে। শিয়ালদা শাখার মধ্যে কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর, বনগাঁ, হাসনাবাদ, লক্ষ্মীকান্তপুর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যানিং থেকে চলবে বিশেষ ইএমইউ ট্রেন।

    বিশেষ ইএমইউ ট্রেন

    কৃষ্ণনগর–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে সকাল ৫টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে (Gita Path) শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টা ১০ মিনিটে। শিয়ালদা–কৃষ্ণনগর ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে ছাড়বে বিকেল ৪টেয়, কৃষ্ণনগর পৌঁছবে ৬টা ২৭ মিনিটে।শান্তিপুর–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ৫টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদায় পৌঁছবে ৭টা ২৫ মিনিটে। শিয়ালদা–শান্তিপুর ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৩টে ২০ মিনিটে ছেড়ে শান্তিপুরে পৌঁছবে ৫টা ৫০ মিনিটে। বনগাঁ–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি বনগাঁ থেকে সকাল ৬টায় ছেড়ে শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টায়। শিয়ালদা–বনগাঁ ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ফিরতি পথে শিয়ালদা ছাড়বে (Railways) বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে। বনগাঁ পৌঁছবে ৭ টায়। হাসনাবাদ-শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি হাসনাবাদ থেকে সকাল ৬ টায় ছেড়ে শিয়ালদা পৌঁছবে ৮টা ২৫ মিনিটে। শিয়ালদা-হাসনাবাদ ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটে ছেড়ে হাসনাবাদ পৌঁছবে ৭টা ৪০ মিনিটে।

    স্পেশাল ট্রেন

    শিয়ালদা-লক্ষ্মীকান্তপুর ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৪টে ৫ মিনিটে ছেড়ে লক্ষ্মীকান্তপুরে পৌঁছবে ৫টা ৪০ মিনিটে। লক্ষ্মীকান্তপুর-বালিগঞ্জ ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি লক্ষ্মীকান্তপুর থেকে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে বালিগঞ্জে পৌঁছবে ৭টা ১৫ মিনিটে।  ডায়মন্ড হারবার-শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ডায়মন্ড হারবার ছাড়বে (Gita Path) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে, শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টা ৪৫ মিনিটে। শিয়ালদা-ডায়মন্ড হারবার ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৪টে ১০ মিনিটে ছেড়ে ডায়মন্ড হারবারে পৌঁছবে ৫টা ৫৫ মিনিটে। ক্যানিং–শিয়ালদা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ক্যানিং থেকে ৭টা ৫ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদায় পৌঁছবে ৮টা ২২ মিনিটে। শিয়ালদা–ক্যানিং ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে ছেড়ে ক্যানিং পৌঁছবে ৬টা ৪৫ মিনিটে টায়।

    মেমু স্পেশাল

    রামপুরহাট–হাওড়া মেমু স্পেশাল ট্রেন ভায়া আহমেদপুর-কাটোয়া ট্রেনটি রামপুরহাট থেকে ভোর ৪টায় ছেড়ে হাওড়ায় পৌঁছবে ৯টা ৫০ মিনিটে। হাওড়া – রামপুরহাট মেমু স্পেশাল ভায়া আহমেদপুর-কাটোয়া হাওড়া থেকে বিকেল ৪টে ৪০ মিনিটে ছেড়ে রামপুরহাটে পৌঁছবে ১০টা ২০ মিনিটে। বর্ধমান–হাওড়া ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন ভায়া ডানকুনি বর্ধমান থেকে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে হাওড়ায় ৮টা ৪০ মিনিটে পৌঁছবে। হাওড়া–বর্ধমান ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন ভায়া ডানকুনি হাওড়া থেকে সকাল ৬ টায় ছেড়ে (Gita Path) ৮টা ১০ মিনিটে বর্ধমানে পৌঁছবে।
    আরামবাগ-হাওড়া ইএমইউ স্পেশাল ট্রেনটি ভায়া শেওড়াফুলি আরামবাগ থেকে সকাল ৬টা ২৭ মিনিটে ছেড়ে হাওড়ায় পৌঁছবে ৮টা ৫০ মিনিটে (Railways)। হাওড়া-আরামবাগ ইএমইউ স্পেশাল ভায়া শেওড়াফুলি হাওড়া থেকে বিকেল ৪টে ২০ মিনিটে ছেড়ে আরামবাগে পৌঁছবে ৬টা ৩৫ মিনিটে।

  • Gita Path: রবিবার ব্রিগেডে ৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠান, তুঙ্গে প্রস্তুতি, থাকবেন কারা কারা?

    Gita Path: রবিবার ব্রিগেডে ৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠান, তুঙ্গে প্রস্তুতি, থাকবেন কারা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ফের ব্রিগেডে (Brigade) হতে চলেছে সমবেত কণ্ঠে গীতা পাঠের (Gita Path) অনুষ্ঠান। এবার গীতা পাঠ করবেন ৫ লাখ মানুষ। অনুষ্ঠানের জন্য তিনটি মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। সেগুলিতে বসবেন ১৫০ জন সাধুসন্ত। গীতা পাঠ করতে আসা লোকজনের ঢোকা-বেরনোর জন্য তৈরি করা হয়েছে ১৮টি গেট। এর আগেও লাখো কণ্ঠে গীতা পাঠের সাক্ষী হয়েছে ব্রিগেড। সেটা ২০২৪ সালে। তার পর ফের এবার। পাঠকের সংখ্যা বেড়ে হবে ৫ লাখ। জানা গিয়েছে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জ্ঞানানন্দ মহারাজজি। তাঁর সঙ্গে থাকবেন বাগেশ্বর ধামের পীঠাধিশ্বর ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী, পদ্মভূষণ স্বাধ্বী ঋতম্ভরাজি এবং যোগগুরু রামদেব। গীতা পাঠ শুরু হবে সকাল ৯টা থেকে। চলবে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত (Gita Path)।

    কার্তিক মহারাজের বক্তব্য (Gita Path)

    সনাতন সংস্কৃতি সংসদের সভাপতি কার্তিক মহারাজ বলেন, “ভোটের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। ভোট তো সারা বছরই থাকে। গীতার সৃষ্টি মোক্ষদা একাদশীতে। এটি অগ্রহায়ণ মাসের শুক্ল পক্ষের একাদশী। তাই তিথিটা তো আসবেই। সেই জন্যই ভোটের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। এই অনুষ্ঠানের কথা আমরা বিভিন্ন মসজিদেও জানিয়েছি। এটা আমাদের ধর্মের কাজ। কোনও রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শন নয়। সাধু-সন্ন্যাসীদের শক্তি প্রদর্শনও নয়। আমরা প্রত্যেকের কাছে বিনীতভাবে আবেদন জানিয়েছি।” তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এলে আমাদের বিশেষ আনন্দ হবে। এই অনুষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে সামাজিক ও আধ্যাত্মিক উদ্দেশ্যে।” মহারাজ বলেন, “বস্তুতই আমাদের অনুষ্ঠানের সঙ্গে ভোট-রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজে যে অবক্ষয় তৈরি হয়েছে, তা কাটাতে আত্মিক চর্চাই প্রয়োজন। গীতাপাঠের অনুষ্ঠান সেই পথেই (Brigade) একটি সামান্য প্রয়াস।”

    মহাযজ্ঞের আয়োজন

    তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ বহু যুগ ধরেই আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক পরম্পরার কেন্দ্র। সেই ঐতিহ্যকে সামনে রেখে মঠ-মন্দির, আশ্রম, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়েই এই মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে।” উদ্যোক্তাদের আশা, গীতাপাঠের মাধ্যমে সমাজে সম্প্রীতি, স্থিতি এবং আধ্যাত্মিকতার নয়া বার্তা পৌঁছে যাবে। স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ বলেন, “সমাজে বিভাজনের আবহে আধ্যাত্মিক অনুশীলন মানুষকে স্থির রাখে, পথ দেখায়। ইতিমধ্যেই রাজ্যের হাজার হাজার গীতা অনুরাগী এই উদ্যোগে যোগদানে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন (Gita Path)।”

    ঐতিহাসিকভাবে গীতা পাঠ

    সনাতন সংস্কৃতি সংসদের সম্পাদক নির্গুণানন্দ মহারাজ বলেন, “২০২৫ সালে ৫ লাখ কণ্ঠে ঐতিহাসিকভাবে গীতা পাঠ হবে। সাধু-সন্তরা আসবেন, তাঁরা মঞ্চের পিছন দিকে যে গেট তৈরি করা হয়েছে, সেখান দিয়ে তাঁরা আসবেন। কোন মঞ্চে কোন সাধু-সন্ত বসবেন, সেটা আমরা ঠিক করেছি। সেই অনুযায়ী তাঁদের বসার ব্যবস্থা করেছি। সেই রকম ব্যবস্থার মধ্যে দিয়েই আমরা এবার গীতা জয়ন্তীর ব্যবস্থা করেছি। সাড়ে ১২টা পর্যন্ত গীতা পাঠ চলবে। তারপর বিশিষ্ট বক্তারা প্রবচন করবেন।” এদিকে, শুক্রবার রেলের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সনাতন সংস্কৃতি সংসদ কর্তৃক আয়োজিত গীতা পাঠের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক প্রত্যাশিত ভক্তদের সুষ্ঠুভাবে যাতায়াতের সুবিধার্থে, পূর্ব রেলওয়ের শিয়ালদহ এবং হাওড়া শাখায় ৭ ডিসেম্বর ২০টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Brigade)।

    বিশেষ ট্রেন

    এই ট্রেনগুলি হল কৃষ্ণনগর-শিয়ালদহ ইএমইউ স্পেশাল, শান্তিপুর-শিয়ালদহ ইএমইউ স্পেশাল, বনগাঁ শিয়ালদহ ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন, হাসনাবাদ-শিয়ালদহ ইএমইউ স্পেশাল, শিয়ালদহ-লক্ষ্মীকান্তপুর ইএমইউ স্পেশাল, ডায়মন্ড হারবার-শিয়ালদহ ইএমইউ স্পেশাল এবং ক্যানিং-শিয়ালদহ ইএমইউ স্পেশাল (Gita Path)। হাওড়া শাখায়ও বিভিন্ন রুটে চালানো হবে ৬টি বিশেষ ট্রেন। এর মধ্যে রয়েছে রামপুরহাট-হাওড়া মেমু স্পেশাল ভায়া আহমেদপুর-কাটোয়া, বর্ধমান-হাওড়া ইএমইউ স্পেশাল ভায়া ডানকুনি, এবং শেওড়াফুলি হয়ে আরামবাগ-হাওড়া ইএমইউ স্পেশাল। রবিবার গীতা পাঠের আগে হয়েছে ভূমি পূজন। তার পরেই শুরু হয়েছে মঞ্চ বাঁধার কাজ। মঞ্চের কাজ প্রায় শেষের পথে।

    গীতা পাঠ

    প্রসঙ্গত, গীতা কেবলমাত্র একটি ধর্মগ্রন্থ নয়, এটি জীবনের প্রতিটি পরিস্থিতির জন্য এক বাস্তব নির্দেশিকাও, যা মানুষকে আধ্যাত্মিক ও ব্যবহারিক উভয় ক্ষেত্রেই পথ দেখায়। এই গীতাই শেখায় প্রতিটি জীবের মধ্যে একটি অমরা আত্মা রয়েছে। রয়েছে পরমাত্মাও। ফলের আশা না করে নিজের কর্তব্য করে যাওয়াও গীতার একটি বাণী। আত্মজ্ঞান লাভ করলে যে অজ্ঞতা দূর হয়, সেই শিক্ষাও মেলে গীতায়। ঈশ্বরকে ভালোবাসা, তাঁর প্রতি সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ করা এবং তাঁর শরণ নেওয়াও গীতার একটি শিক্ষা। নিয়মিত গীতা পাঠ করলে মানসিক শান্তি আসে, জীবন পরিচালিত হয় মহৎ উদ্দেশ্যে (Brigade) এবং পথ দেখায় জীবনের কঠিনতম মুহূর্তেও (Gita Path)।

LinkedIn
Share