Tag: Global Oil Market

  • Peace Deal: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির পথে নয়া সঙ্কট, পুনর্গঠন প্যাকেজ নিয়ে তীব্র মতবিরোধ

    Peace Deal: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির পথে নয়া সঙ্কট, পুনর্গঠন প্যাকেজ নিয়ে তীব্র মতবিরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের পর যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের (Peace Deal) সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছিল, ঠিক তখনই নয়া এক বিতর্কের জেরে ভেস্তে যেতে বসেছে শান্তি প্রক্রিয়া। বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক সাহায্য প্যাকেজ, যাকে ইরান (Iran Denies Trump Claim) একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবেই বিবেচনা করছে।

    ট্রাম্পের বক্তব্য (Peace Deal)

    তেহরানের (ইরানের রাজধানী) দাবি, দীর্ঘ সংঘাতের ফলে ইরানের অর্থনীতি ও পরিকাঠামো যে ক্ষতির মুখে পড়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে এই বিশাল অর্থনৈতিক প্যাকেজ অপরিহার্য। ইরানের মতে, পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক সাহায্য ও পুনর্গঠন পরিকল্পনা ছাড়া স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য প্রকাশ্যে ইরানের এই দাবি অস্বীকার করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, “ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না—এই ব্যাপারে তারা সম্মত হয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে—এই ধরনের খবর সম্পূর্ণ ভুয়ো।”

    আন্তর্জাতিক মহলেও ঘনিয়েছে উদ্বেগের মেঘ

    ট্রাম্পের এহেন বক্তব্য ইরানের অবস্থানের সঙ্গে সরাসরি মেলে না। তাই দুই দেশের শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠছে নয়া প্রশ্ন। আগামী ১৯ জুন সম্ভাব্য চুক্তি সই হওয়ার আগে দু’পক্ষের অবস্থান ১৮০ ডিগ্রি আলাদা হওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলেও ঘনিয়েছে উদ্বেগের মেঘ।বিশ্লেষকদের মতে, ৩০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই প্যাকেজ সরাসরি ক্ষতিপূরণ নাকি (Peace Deal) দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও পুনর্গঠন কর্মসূচি—সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। পশ্চিমী বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি মার্কিন সরকারের সরাসরি অর্থ প্রদান নয়, বরং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী, বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ইরানের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির একটি পরিকল্পনা হতে পারে।

    শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা

    এদিকে, ইরান একে যুদ্ধজনিত ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের নিশ্চয়তা হিসেবে তুলে ধরছে। ফলে একই বিষয়কে দু’পক্ষ ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করায় শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতে পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক সহায়তার প্রশ্নেই সবচেয়ে বড় জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। যদি ইরান এই অর্থনৈতিক নিশ্চয়তাকে অনড় শর্ত হিসেবে ধরে রাখে এবং ওয়াশিংটন প্রকাশ্যে এমন কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে রাজি না হয়, তাহলে পুরো শান্তি প্রক্রিয়া ভেস্তে যেতে পারে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, অনেক সময় যুদ্ধবিরতি (Iran Denies Trump Claim) বা শান্তি চুক্তি সামরিক ইস্যুতে নয়, বরং অর্থায়ন, বাস্তবায়ন ও পারস্পরিক প্রত্যাশার পার্থক্যের কারণেই ব্যর্থ হয়। আমেরিকা-ইরানের মধ্যে চলা আলোচনাও এখন (Peace Deal) ঠিক এমনতর পরীক্ষারই সম্মুখীন।

     

  • Araghchi in India: হরমুজ থেকে চাবাহার, ব্রিকস বৈঠকে ভারতের গুরুত্ব বাড়াল ইরানের বিশেষ বার্তা

    Araghchi in India: হরমুজ থেকে চাবাহার, ব্রিকস বৈঠকে ভারতের গুরুত্ব বাড়াল ইরানের বিশেষ বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার আবহে ভারতের কূটনৈতিক গুরুত্ব আরও একবার সামনে এল। ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে এসেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। তাঁর এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন ইরান-ইজরায়েল সংঘাত ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে এবং তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিশ্ব জ্বালানি বাজার, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই সফর শুধু একটি বহুপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ নয়, বরং ভারতের প্রতি ইরানের কৌশলগত বার্তা বহন করছে। আন্তর্জাতিক চাপ ও মেরুকরণের আবহেও ভারত যে তুলনামূলকভাবে নিরপেক্ষ, ভারসাম্যপূর্ণ এবং ‘স্ট্র্যাটেজিক অটোনমি’ বজায় রাখা পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে, তা প্রকাশ্যেই প্রশংসা করেছে তেহরান।

    ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থানকে গুরুত্ব দিচ্ছে ইরান

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ঘনীভূত হওয়ার পর বহু দেশকে একপক্ষ বেছে নেওয়ার চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু ভারত এখনও পর্যন্ত কোনও সংঘাতে সরাসরি পক্ষ না নিয়ে কূটনৈতিক সংলাপ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার নীতিতে অটল রয়েছে। ইরান এই অবস্থানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে অতিরিক্ত ভারতীয় জাহাজের নিরাপদ যাতায়াতের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘচি ভারতকে আশ্বস্ত করেছেন যে, সামুদ্রিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজগুলির জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল সামুদ্রিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ কমানো, পাশাপাশি আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও ভারত-ইরান কূটনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা।

    কেন ভারতের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী?

    বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণ করিডর হল হরমুজ প্রণালী। পারস্য উপসাগর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল ও গ্যাস পরিবহণের বড় অংশ এই সংকীর্ণ জলপথের মাধ্যমে হয়। ভারতের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। দেশের আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের উল্লেখযোগ্য অংশ এই রুট দিয়েই আসে। ফলে হরমুজে কোনও অস্থিরতা দেখা দিলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে—

    আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের দামে

    • ● ভারতের জ্বালানি ব্যয়ে
    • ● শিপিং খরচে
    • ● সামগ্রিক আমদানি-রপ্তানি স্থিতিশীলতায়

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই আশ্বাস ভারতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়লে জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

    চাবাহার বন্দর নিয়ে ফের জোর ভারত-ইরান সম্পর্কে

    বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল চাবাহার বন্দর প্রকল্প। ইরানের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই বন্দরকে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই কৌশলগত বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে দেখছে।

    চাবাহারের মাধ্যমে ভারত—

    • ● পাকিস্তানকে বাইপাস করে আফগানিস্তানে প্রবেশাধিকার পায়
    • ● মধ্য এশিয়া ও ইউরেশিয়ার বাজারের সঙ্গে সংযোগ বাড়াতে পারে
    • ● আঞ্চলিক বাণিজ্য করিডর শক্তিশালী করতে পারে

    বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও ভূরাজনৈতিক জটিলতা থাকা সত্ত্বেও চাবাহার নিয়ে ভারত-ইরান সহযোগিতা অব্যাহত থাকা প্রমাণ করে যে দুই দেশ দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে আগ্রহী।

    একদিকে ইরান, অন্যদিকে ইউএই—ভারতের ‘মাল্টি-অ্যালাইনমেন্ট’ কৌশল

    ভারত বর্তমানে শুধু ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখছে না, একইসঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (UAE), সৌদি আরব-সহ উপসাগরীয় শক্তিগুলির সঙ্গেও কৌশলগত ও জ্বালানি সম্পর্ক জোরদার করছে। নয়াদিল্লি খুব সচেতনভাবে এমন এক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে, যেখানে কোনও এক ব্লকের উপর নির্ভরশীল না হয়ে একাধিক শক্তির সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক রক্ষা করা হচ্ছে। কূটনীতিকদের মতে, ভারতের এই বহুমুখী কৌশলের মূল লক্ষ্য—

    • ● দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
    • ● গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য রুট সুরক্ষিত রাখা
    • ● আঞ্চলিক সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে না পড়ে কৌশলগত সুবিধা ধরে রাখা
    • ● ব্রিকস মঞ্চে ভারতের বাড়তি প্রভাব

    ভারত এখন স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী কূটনৈতিক শক্তি

    বিশ্ব রাজনীতিতে যখন আমেরিকা, চিন, রাশিয়া-সহ বড় শক্তিগুলির প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে, তখন ব্রিকসের মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে ভারতের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কৌশলগত পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বৈঠক স্পষ্ট করেছে যে ভারত এখন শুধু দক্ষিণ এশিয়ার শক্তি নয়, বরং পশ্চিম এশিয়া ও ইউরেশিয়ার ভূরাজনীতিতেও এক গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য রক্ষাকারী শক্তি হিসেবে উঠে আসছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রীর এই সফর আরও একবার তুলে ধরল, আন্তর্জাতিক অস্থিরতার সময় ভারতকে ক্রমশ একটি স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী কূটনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে—যে দেশ একইসঙ্গে সংলাপ, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।

  • Venezuela: যুদ্ধের জের, বিশ্ববাজারে জোরালোভাবে ফিরছে ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল

    Venezuela: যুদ্ধের জের, বিশ্ববাজারে জোরালোভাবে ফিরছে ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববাজারে জোরালোভাবে ফিরছে ভেনেজুয়েলার (Venezuela) অপরিশোধিত তেল(Crude Oil)। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে দেশটির তেল রফতানি দৈনিক ১৪ শতাংশ বেড়ে গিয়ে ১২ লাখ ৩০ হাজার ব্যারেলে পৌঁছেছে, যা গত সাত বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। শিপিং ডেটা (Crude Shipments) ও রাষ্ট্রীয় তেল সংস্থা পিডিভিএসএর নথি থেকেই জানা গিয়েছে এই তথ্য।

    উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে রফতানির পরিমাণ (Venezuela)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এবং ইউরোপে চাহিদা বাড়ার ফলেই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে রফতানির পরিমাণ। মার্চ মাসে যেখানে রফতানির পরিমাণ ছিল দৈনিক ১০ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল, এপ্রিলেই তা একলপ্তে বেড়ে গিয়েছে অনেকখানি। একই সময়ে ভেনেজুয়েলার বন্দর থেকে ৬৬টি ট্যাঙ্কার তেল নিয়ে গন্তব্যে রওনা দিয়েছে, মার্চ মাসে এর সংখ্যা ছিল ৬১। এপ্রিল মাসে ভেনেজুয়েলার তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল আমেরিকা। দেশটি প্রতিদিন আমদানি করেছে প্রায় ৪ লাখ ৪৫ হাজার ব্যারেল, মার্চে এর সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৬৩ হাজার ব্যারেল।

    আমদানির পরিমাণ বাড়িয়েছে ভারতও

    এদিকে ভারত প্রতিদিন আমদানির পরিমাণ বাড়িয়ে করেছে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ব্যারেল। মার্চে এর পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৪২ হাজার ব্যারেল। ইউরোপেও রফতানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ব্যারেল প্রতিদিন (Venezuela)। এপ্রিল মাসে মোট রফতানির ৫৬ শতাংশ বা প্রায় ৬ লাখ ৯১ হাজার ব্যারেল তেল পরিবহণ করেছে বড় ট্রেডিং বিভিন্ন হাউস। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ভিটল (Vitol) এবং ট্রাফিগুরা (Trafigura)। অন্যদিকে মার্কিন তেল কোম্পানি শেভরন (Chevron) প্রতিদিন একাই নিয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৮ হাজার ব্যারেল। এটি মোট রফতানির ২৫ শতাংশ (Crude Shipments)।

    বিশ্ববাজারে খদ্দের বাড়িয়েছে ভেনেজুয়েলা

    ভারতের বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ (Reliance Industries) সরাসরি পিডিভিএসএ (PDVSA) থেকে একটি বড় কার্গো নিয়েছে। ট্রেডিং কোম্পানির মাধ্যমেও একাধিক চালান কিনেছে। মে মাসে আরও অন্তত তিনটি সুপারট্যাঙ্কার ভেনেজুয়েলা থেকে তেল তুলবে বলে খবর। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আংশিক শিথিল হওয়ায় এবং নতুন সরবরাহ চুক্তির ফলে ভেনেজুয়েলা আবারও আন্তর্জাতিক বাজারে গ্রাহক বাড়াতে পেরেছে। যদিও দেশটির তেলের আয়ের ওপর এখনও রয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের নজরদারি।

    অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি এপ্রিল মাসে ভেনেজুয়েলা ৩ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন ওয়েল বাইপ্রোডাক্টস এবং পেট্রোকেমিক্যালস রফতানি করেছে (Crude Shipments)। তবে ন্যাপথা (Naphtha) আমদানির পরিমাণ কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে দৈনিক ১ লাখ ৪১ হাজার ব্যারেলে (Venezuela)।

     

LinkedIn
Share