Tag: Global supply chains

  • Bengal Re-industrialisation Roadmap: বাংলার হৃত গৌরব ফেরাতে পুনঃশিল্পায়নের নীল নকশা করছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    Bengal Re-industrialisation Roadmap: বাংলার হৃত গৌরব ফেরাতে পুনঃশিল্পায়নের নীল নকশা করছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিপুল ভোটে জিতে তৃণমূল সরকারকে টান মেরে কুর্সি থেকে ফেলে দিয়েছে বিজেপি।  সপ্তাহখানেকের কিছু বেশি সময় ধরে বাংলায় রাজও করতে শুরু করেছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পদ্ম-দল। ঝমাঝম (Bengal Re-industrialisation Roadmap) শব্দ করে এগিয়ে চলেছে রাজ্যের ডাবল ইঞ্জিন সরকার। পালাবদলের সরকার যখন দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে নানা ক্ষেত্রে, ঠিক তখনই নয়াদিল্লি নীরবে (Jobs Investment) এমন এক দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পুনর্গঠন পরিকল্পনার কাজ শুরু করেছে, যা পূর্ব- ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী উদ্যোগগুলির একটি হতে পারে।

    দীর্ঘমেয়াদি নকশা তৈরির নির্দেশ

    আধিকারিকদের মতে, কেন্দ্রীয় বিভিন্ন মন্ত্রক এবং নীতি আয়োগকে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি নকশা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (Bengal Re-industrialisation Roadmap)। স্বাধীনতার আগে যে রাজ্যটি উপমহাদেশের বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল, সাতের দশকের পর থেকে ধীরে ধীরে কমে যায় তার শিল্পক্ষেত্রে গুরুত্ব। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ তথা অর্থমন্ত্রকের প্রাক্তন শীর্ষ আধিকারিক অশোক লাহিড়ী, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হননি। অথচ ২০২১ সালে বালুরঘাট থেকে তিনি জয়ী হয়েছিলেন বিরাট ব্যবধানে। এই অশোকই নিতে চলেছেন নীতি আয়োগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। আধিকারিকরা জানান, উৎপাদন শিল্পের পুনরুজ্জীবন, লজিস্টিক ব্যবস্থা, নগর পরিকাঠামো, নদীপথ বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দিয়ে ‘পুনঃশিল্পায়ন রোডম্যাপে’র প্রাথমিক আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কী বলছে বিজেপি?

    শিল্পপতি তথা বিজেপির প্রবীণ নেতা শিশির বাজোরিয়া বলেন, “একটা ভুল ধারণা আছে যে বাংলার মানুষ শুধুই চাকরির পেছনে ছোটে। কিন্তু অনেকে ভুলে যান, এটাই স্যার আরএন মুখার্জির মার্টিন অ্যান্ড বার্ন, স্যার পিসি রায়ের বেঙ্গল কেমিক্যালস এবং ঘনশ্যাম দাস বিড়লার মতো উদ্যোক্তাদের ভূমি। আমরা সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চাই। কলকাতা আমাদের ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির স্বাভাবিক কেন্দ্র এবং দক্ষিণ-পূর্ব এবং পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার।” স্বাধীনতার সময় (Bengal Re-industrialisation Roadmap) জিডিপির নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ ছিল দেশের দ্বিতীয় ধনী রাজ্য। বর্তমানে তা নেমে এসেছে ষষ্ঠ স্থানে, যার অর্থনীতি ২২১ বিলিয়ন মার্কিন মার্কিন ডলারের কাছাকাছি। একসময় কলকাতা ছিল ভারতের বাণিজ্যিক পুঁজিবাদের সদর দফতর—পাটকল, ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থা, চা নিলাম কেন্দ্র, ব্যস্ত নদীবন্দর এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পূর্ব-ভারতকে বৈশ্বিক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত করত।

    ধসে পড়ে শিল্পের ভিত্তি

    কিন্তু পরবর্তী কালে অতিবামপন্থী নকশালপন্থী আন্দোলন, কড়া শ্রমিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বাংলা থেকে পুঁজি সরে যেতে শুরু করে অন্যত্র। যার জেরে ধসে পড়ে ক্রমক্ষীয়মান শিল্পের ভিত্তি। অবনতি দেখা দেয় সামগ্রিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে। বাজোরিয়া বলেন, “অর্থনৈতিক উদারীকরণের পরে যখন পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন রাজ্য দ্রুত শিল্প বিনিয়োগ আকর্ষণ করছিল, তখন বাংলা বড় মাপের উৎপাদন শিল্পে লগ্নি টানতে ব্যর্থ হয়। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের জমি আন্দোলনের মতো ঘটনা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দেয়। পরবর্তী সব সরকারই শিল্প সম্প্রসারণের বদলে কল্যাণমূলক রাজনীতির দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে (Jobs Investment), অবশ্য দু’টি ক্ষেত্র তুলনামূলকভাবে উজ্জ্বল ছিল (Bengal Re-industrialisation Roadmap)। প্রথমত, তথ্যপ্রযুক্তি ও পরিষেবা খাত—সল্টলেক ও নিউটাউনের আইটি হাবে বহু নতুন সংস্থা আসে। পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত দক্ষতা, কম ভাড়া এবং উন্নত সামাজিক পরিবেশের কারণে কলকাতা আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। দ্বিতীয়ত, কৃষি ও কৃষিভিত্তিক শিল্পখাত।

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    ভারতীয় বিদেশ বাণিজ্য সংস্থার (IIFT) প্রাক্তন ডাব্লুটিও (WTO) চেয়ার অধ্যাপক বিশ্বজিৎ ধর বলেন, “এই ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ৮-১০ শতাংশ। এর উন্নয়ন হলে কৃষকদের আয় বাড়বে এবং বাংলার বাইরে কাজের জন্য মানুষের যাতায়াত কমবে। উদ্যানপালন, নতুন ধরনের চা, ব্যান্ডেলের প্রসেসড চিজের মতো পণ্য রফতানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।” এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত শীর্ষ আধিকারিকদের মতে, প্রস্তাবিত নকশা কয়েকটি প্রধান খাতে জোর দেবে। প্রথমত, লজিস্টিক ও সংযোগ ব্যবস্থা। বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযোগকারী পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক অবস্থানকে এখনও পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি বলে অনুমান। কলকাতা এবং হলদিয়াকে কেন্দ্র করে বন্দর-সংযুক্ত পরিকাঠামো, মালবাহী করিডর এবং বহুমুখী পরিবহণ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে।দ্বিতীয়ত, উৎপাদন শিল্পের ক্লাস্টার গড়ে তোলা। ইঞ্জিনিয়ারিং, রাসায়নিক শিল্প, ফাউন্ড্রি, বস্ত্রশিল্প এবং ইলেকট্রনিক্স অ্যাসেম্বলি পুনরুজ্জীবনের জন্য বিশেষ শিল্পাঞ্চল এবং কর-ভিত্তিক উৎসাহ দানের কথা ভাবা হচ্ছে (Jobs Investment)। কিছু নীতিনির্ধারক পূর্ব-ভারতের খনিজ সম্পদ অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক্স করিডরের পক্ষেও সওয়াল করছেন (Bengal Re-industrialisation Roadmap)। তৃতীয়ত, শক্তি ও ভারী শিল্প। কয়লা ও লৌহ আকরিক সমৃদ্ধ অঞ্চলের নিকটবর্তী হওয়া, বন্দরের সুবিধা এবং বঙ্গোপসাগরীয় জ্বালানি রুটের কাছে অবস্থান—এসবকে শক্তিনির্ভর শিল্প ও ডাউনস্ট্রিম শিল্পের জন্য বড় সুবিধা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সর্বোপরি, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর জোর দেওয়া হবে, বিশেষ করে সেই তরুণ বাঙালিদের জন্য যারা কাজের খোঁজে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতে চলে যাচ্ছেন।

    অর্থনীতিবিদদের সতর্কবার্তা

    অর্থনীতিবিদরা অবশ্য সতর্ক করে দিচ্ছেন এই বলে যে, পশ্চিমবঙ্গে এখনও জমি অধিগ্রহণ নিয়ে সংবেদনশীলতা, পুরনো শিল্প পরিকাঠামো, দুর্বল পুর-অর্থনীতি এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রয়েছে। নির্বাচনী ফলের পর বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা বাড়লেও, তা অনেকটাই নির্ভর করবে নীতিগত স্পষ্টতা এবং প্রশাসনিক কার্যকারিতার ওপর (Bengal Re-industrialisation Roadmap)। অধ্যাপক ধর বলেন, “একবিংশ শতাব্দীতে পুনঃশিল্পায়ন মানে শুধু কারখানা খুলে দেওয়া নয়। এজন্য বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত হওয়া, প্রযুক্তিগত অভিযোজন, আর্থিক গভীরতা এবং নিয়ন্ত্রক বিশ্বাসযোগ্যতাও প্রয়োজন। এক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গকে গুজরাট, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু এবং কর্নাটকের মতো প্রতিষ্ঠিত শিল্প-রাজ্যগুলির সঙ্গে (Jobs Investment) প্রতিযোগিতা করতে হবে।”

     

  • PM Modi: “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে চিপ উৎপাদনে স্বনির্ভর হতে হবে এবং দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হচ্ছে। শনিবার এমনই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “উত্তরপ্রদেশ ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ব্যবস্থার একটি প্রধান কেন্দ্র হতে চলেছে, যা গর্বের বিষয়।” এদিন, প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে উত্তরপ্রদেশের যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (YEIDA)-তে এইচসিএল-ফক্সকন যৌথ উদ্যোগ ‘ইন্ডিয়া চিপ প্রাইভেট লিমিটেড’-এর প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “যেখানে একটি সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট স্থাপিত হয়, সেখানে ডিজাইন সেন্টার গড়ে ওঠে, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম বিকশিত হয় এবং উদ্ভাবন ত্বরান্বিত হয়।” শনিবার সমাপ্ত হওয়া ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে’র কথাও উল্লেখ করেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ ভারত দ্রুত উন্নয়নের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। লালকেল্লা থেকে আমি বলেছিলাম—ভারতের থামার বা ধীরগতিতে চলার সময় নেই। ২০২৬ সালের শুরু থেকেই ভারত তার যাত্রা আরও ত্বরান্বিত করেছে… এবং এই সপ্তাহও ভারতের জন্য ঐতিহাসিক হয়ে উঠছে।” তিনি বলেন, “গ্লোবাল এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রযুক্তি নেতারা দিল্লিতে একত্রিত হয়েছিলেন। সেখানে বিশ্ব ভারতের এআই সক্ষমতা প্রত্যক্ষ করেছে, আমাদের ভিশন বুঝেছে এবং তা প্রশংসা করেছে।”

    এই দশক ভারতের জন্য ‘টেক-এড

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই দশক ভারতের জন্য ‘টেক-এড’। এই দশকে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ভারত যা করছে, তা ২১ শতকে আমাদের শক্তির ভিত্তি হয়ে উঠবে। সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রে ভারতের যাত্রা কিছুটা দেরিতে শুরু হলেও আজ আমরা দ্রুত অগ্রসর হচ্ছি। সেমিকন্ডাক্টর মিশনের অধীনে এখন পর্যন্ত ১০টি ফ্যাব্রিকেশন ও প্যাকেজিং প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এর মধ্যে চারটি ইউনিট খুব শিগগিরই উৎপাদন শুরু করবে।” তিনি বলেন, “ভবিষ্যতের মানবসভ্যতাকে প্রভাবিত করবে—এমন প্রতিটি প্রযুক্তিক্ষেত্রে ভারত নজিরবিহীন বিনিয়োগ করছে।” বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এইচসিএল-ফক্সকন সেমিকন্ডাক্টর প্রতিষ্ঠান ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং উচ্চমানের ইলেকট্রনিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক গন্তব্য হিসেবে ভারতকে প্রতিষ্ঠার প্রধানমন্ত্রীর ভিশনের প্রতিফলন।” ওয়াইইআইডিএতে স্থাপিত এই আউটসোর্সড সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি অ্যান্ড টেস্ট সুবিধাটি ‘মডিফায়েড স্কিম ফর সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং, মার্কিং অ্যান্ড প্যাকেজিং (ATMP)’-এর অধীনে ইন্ডিয়া চিপ প্রাইভেট লিমিটেড গড়ে তুলছে। মোট বিনিয়োগ ৩,৭০০ কোটিরও বেশি টাকা।

    স্থিতিশীল বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল

    এই প্রকল্প সরকারের দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা জোরদার করা, আমদানি নির্ভরতা কমানো এবং স্থিতিশীল বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল গড়ে তোলার প্রচেষ্টার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ, অটোমোবাইল, ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম বড় ধরনের গতি পাবে, উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও পেশাজীবীদের জন্য হাজার হাজার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং আনুষঙ্গিক শিল্পেরও বিকাশ ঘটবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এইচসিএল-ফক্সকন যৌথ উদ্যোগ বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর অঙ্গনে ভারতের ক্রমবর্ধমান অবস্থানকে তুলে ধরে এবং একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে বড় পদক্ষেপ নির্দেশ করে।

     

LinkedIn
Share