Tag: goa

goa

  • The Sabarmati Report: মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশে কর মুক্ত ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’, একই পথে গোয়াও

    The Sabarmati Report: মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশে কর মুক্ত ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’, একই পথে গোয়াও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসার পরই উত্তরপ্রদেশ করমুক্ত হল ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’। এর আগে ছবিটি মধ্যপ্রদেশ ও হরিয়ানার সরকার করমুক্ত করেছে। ছবি দেখার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছবির (The Sabarmati Report) প্রশংসা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘এই ছবির মাধ্যমেই সত্যি উন্মোচিত হয়েছে। খুব ভালো।’’

    উত্তরপ্রদেশে করমুক্ত ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ (The Sabarmati Report)

    বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউতে এই ছবিটির স্পেশাল স্ক্রিনিং হয়। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের পাশাপাশি সেখানে উপস্থিত ছিলেন ছবির (The Sabarmati Report) অন্যতম অভিনেতা বিক্রান্ত মাসে- সহ অন্যান্য কলাকুশলী। সেই অনুষ্ঠানেই সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত কলাকুশলীদের সঙ্গে দেখা করে ছবিটি করমুক্ত করার কথা ঘোষণা করেন যোগী আদিত্যনাথ। ২০০২ সালের গোধরা কাণ্ডের ঘটনা নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ সিনেমা। ছবির প্রশংসা করে রবিবার মোদি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছিলেন, ‘‘ভুয়ো তথ্য কিংবা অপপ্রচারের আয়ু বেশি দিন হয় না। সত্যিটা সবসময় সামনে বেরিয়ে আসে।’’ এই প্রথম নয় যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কোনও ছবির প্রশংসা করলেন। এর আগে ২০২২ সালে তিনি বিবেক অগ্নিহোত্রীর ‘দ্য কাশ্মীর ফাইল্স’-এর প্রশংসা করেছিলেন এবং ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-এর কথাও উল্লেখ করেছিলেন।

    বিক্রান্ত মাসে কী বললেন?

    প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ছবির প্রযোজক একতা কাপুর। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আপনি আমাদের সাহস জুগিয়েছেন। আমরা যে-সঠিক পথেই যাচ্ছি, আপনার প্রশংসাই তার প্রমাণ।’ ছবিটি (The Sabarmati Report) নিয়ে যে বিতর্ক হবে, তা আগেই বোঝা গিয়েছিল। তবে তার জন্য মুখ্য অভিনেতাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হবে, সেটা কেউ ভাবতে পারেননি। অভিনেতা বিক্রান্ত মাসে এএনআইকে উদ্ধৃত করে বলেছেন, ‘‘আদিত্যনাথজিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিল্ম এবং আমি সবাইকে এই ছবিটি দেখার জন্য অনুরোধ করছি।’’

    সিনেমা দেখে প্রশংসায় পঞ্চমুখ গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী

    অন্যদিকে, উপ-মুখ্যমন্ত্রী অরুণ সাও-এর সঙ্গে ২১ নভেম্বর রায়পুরে ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ সিনেমাটি দেখেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। মন্ত্রী পরিষদের সহকর্মী, বিজেপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিবারের সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আর ছবির প্রযোজক ও শিল্পী নিয়ে ছবিটি (The Sabarmati Report) দেখেছেন তাঁরা। এই ছবিতে খোলামেলা সত্য দেখানোর সাহসী প্রচেষ্টা অত্যন্ত প্রশংসনীয় এবং চিত্তাকর্ষক। এএনআই-এর সঙ্গে কথা বলার সময় মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই ছবিটির প্রশংসা করে বলেছেন, “এটি একটি ভালো সিনেমা। আমরা সকলেই দেখলাম। গোধরা ঘটনার সত্যতা দেশ ও গোটা বিশ্ববাসী জানবে।”

    কর মুক্ত করার ভাবনা গোয়া সরকারের

    এমনিতেই দেশের একাধিক রাজ্য এই সিনেমাটি কর মুক্ত ঘোষণা করে দিয়েছে। অনেকে আবার সেই পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে, দেশজুড়ে এই সিনেমাটিকে (The Sabarmati Report)  নিয়ে বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তও ছবিটির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এটিকে গোয়ায় করমুক্ত করার কথা চিন্তাভাবনা করেছেন। তিনি বলেন, “এই সিনেমাটি দেখার পর, আমি এটিকে গোয়ায় করমুক্ত করার কথা ভাবছি। আমরা কয়েক দিনের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করব।” ফলে, উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, ছত্তিশগড়ের পর এবার গোয়া সরকারও সেই পথে হাঁটছে। সিনেমাটির সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রমোদ সাওয়ান্ত আরও বলেন, “আজ, আমি আমার দলের রাজ্য সভাপতি এবং মন্ত্রীদের সঙ্গে সবরমতি রিপোর্ট দেখেছি। সেই সময় এই ঘটনায় গোটা গুজরাট উত্তাল হয়ে উঠেছিল। দেশবাসীর কাছে সমস্ত বিযয়টি জানার খুব প্রয়োজন ছিল। খুব কম ফিল্মমেকারই বাস্তব ঘটনার ওপর ফোকাস করেন। এই ছবিটি একটি সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আমি প্রযোজক এবং অভিনেতাদের তাদের প্রশংসনীয় কাজের জন্য অভিনন্দন জানাই।”

    সিনেমা দেখলেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব

    দেশের একাধিক রাজ্যে প্রশংসিত হয়েছে ‘দ্য সবরমতী রিপোর্ট’ সিনেমা। বৃহস্পতিবার বাংলার বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব এই সিনেমাটি (The Sabarmati Report) দেখেন। প্রত্যেকে সিনেমাটি প্রশংসা করেছেন। সেদিনের প্রকৃত ঘটনা দেশবাসী জানতে পারবেন বলে বঙ্গ বিজেপির নেতারা মনে করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uniform Civil Code: ‘‘নারীর অধিকার রক্ষায় ইউসিসি খুব গুরুত্বপূর্ণ’’, মত গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর

    Uniform Civil Code: ‘‘নারীর অধিকার রক্ষায় ইউসিসি খুব গুরুত্বপূর্ণ’’, মত গোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশনেই পেশ হতে পারে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) বিল। গত বেশ কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে চলছে জোর চর্চা। সম্প্রতি সেই জল্পনা গতি পেয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের মধ্যে একমাত্র গোয়া রাজ্যে চালু রয়েছে অভিন্ন দেওয়ানবিধি। এবার এনিয়ে মুখ খুললেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে তিনি বলেন, ‘‘লিঙ্গ বৈষম্য রোধ করতে এবং নারী ক্ষমতায়নের জন্য অভিন্ন দেওয়ান বিধি খুব গুরুত্বপূর্ণ।’’ 

    অভিন্ন দেওয়ান বিধি নিয়ে কী বললেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী?

    অনেক রাজনৈতিক দল এটা নিয়ে রাজনীতি করছে, এমনই অভিযোগ করেন এদিন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘যাঁরা অভিন্ন দেওয়ান বিধির বিরোধিতা করছেন তাঁরা আসলে নারী ক্ষমতায়ন চাইছেন না। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ধর্ম জাতিতে কোনও বৈষম্য করেনা। ’’

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধির জন্য প্রধানমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ জানান গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী

    গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী এদিন প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘‘ এই বিলের কথা ভাবার জন্য মোদীজিকে ধন্যবাদ। গত ৬০ বছর ধরে গোয়াতে চালু রয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। কোথাও সমস্যা হয়নি।’’

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি

    বর্তমানে দেশে বিবাহ, বিচ্ছেদ এবং দত্তক গ্রহণের মতো ব্যক্তিগত বিষয়গুলির জন্য বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিজস্ব ব্যক্তিগত আইন রয়েছে। যেমন মুসলিম ল’, হিন্দু পার্সোনাল ল’। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) লাগু হয়ে গেলে অবসান ঘটবে এই সব ব্যক্তিগত আইনের। গত ১৪ জুন কেন্দ্র নিযুক্ত আইন কমিশনের তরফে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর বিষয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার পর্যন্ত এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সাড়ে ৮ লক্ষ ব্যক্তি ও সংগঠন। সম্প্রতি, মধ্যপ্রদেশের ভোপালের এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “কোনও পরিবারে যদি প্রত্যেক সদস্যের জন্য আলাদা আলাদা আইন থাকে, তাহলে কি সেই সংসার চালানো যায়?” তিনি বলেন, “দেশের এক একটি সম্প্রদায়ের জন্য যদি এক এক রকম আইন থাকে, তাহলে দেশ এগোতে পারে না। সংবিধানেও সকলের জন্য সমান আইনের (Uniform Civil Code) কথা বলা আছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MiG 29K Fighter Jet Crash: মাঝসমুদ্রে ভেঙে পড়ল নৌসেনার মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান, প্রাণে বাঁচলেন পাইলট

    MiG 29K Fighter Jet Crash: মাঝসমুদ্রে ভেঙে পড়ল নৌসেনার মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান, প্রাণে বাঁচলেন পাইলট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোয়ার (GOa) সমুদ্রের উপর ভেঙে পড়ল ভারতীয় নৌ সেনার মিগ২৯-কে যুদ্ধ বিমানটি (MiG 29K Fighter Jet Crash)। কোনওমতে প্রাণে বাঁচলেন বিমানচালক। জানা গিয়েছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। তবে ভেঙে পড়ার মুহূর্তে বিমান থেকে বেরতে সক্ষম হয়েছেন সেই পাইলট। দুর্ঘটনার পরই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নৌ সেনা (Indian Navy)।

    আরও পড়ুন: এনসিবি, এটিএসের বড় সাফল্য, প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার

    নৌ সেনার তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, গোয়ার সমুদ্রের উপর দিয়ে একটি মিগ ২৯-কে নিয়মিত যাত্রা করছিল। তখন বিমানটি নৌ সেনা ঘাঁটিতে ফিরে আসার সময় তাতে হঠাৎ যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিলে এটি ভেঙে পড়ে। পাইলট নিরাপদে বের হয়ে গেছে এবং দ্রুত SAR অপারেশনে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাইলটের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। বোর্ড অফ এনকোয়ারি-এর তরফে এই ঘটনার কারণ তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নৌ সেনা সূত্রে খবর, বিমান বিধ্বস্তের কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, মিগ২৯-কে একটি অত্যাধুনিক, এয়ার ডমিনেন্স ফাইটার ও সবরকম আবহাওয়াতেই চলতে পারে, এমন একটি যুদ্ধ বিমান। এর সর্বোচ্চ গতি শব্দের গতির দ্বিগুণেরও বেশি। আর এটি ৬৫০০০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় উড়তে পারে। তবে আজ ফাইটার জেটে কিছু যান্ত্রিক গোলযোগের কারণেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও ২০২০ সালে, মিগ২৯-কে আরব সাগরের উপর যাওয়ার সময় হঠাৎ ভেঙে পড়ায় নিশান্ত সিং নামে এক ভারতীয় নৌ সেনার পাইলট মারা যান। এই ঘটনার আগে, ২০১৯ সালে ২৩ ফেব্রুয়ারি এবং ১৯ নভেম্বর, দুটি মিগ২৯ ভেঙে পড়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। আবার ২০১৮ সালেও একটি ভারতীয় মিগ২৯-কে মাঝ পথে ভেঙে পড়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Lok Sabha Elections 2024: গোয়ায় ইতিহাস বিজেপির, প্রথম মহিলা পদ্ম-প্রার্থী পল্লবীকে চেনেন?

    Lok Sabha Elections 2024: গোয়ায় ইতিহাস বিজেপির, প্রথম মহিলা পদ্ম-প্রার্থী পল্লবীকে চেনেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরব সাগরের তীরে ইতিহাস বিজেপির। গোয়ায় প্রথম মহিলা প্রার্থী দিল পদ্ম শিবির। প্রার্থীর নাম পল্লবী ডেম্পো। তিনি ডেম্পো ইন্ডাস্ট্রিজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) দক্ষিণ গোয়া কেন্দ্রের পদ্ম প্রার্থী তিনি।

    গোয়ার এই কেন্দ্রে পদ্ম ফুটেছে দু’বার (Lok Sabha Elections 2024)

    বর্তমানে গোয়ার এই কেন্দ্রের রাশ রয়েছে কংগ্রেসের হাতে। সাংসদ ফ্রান্সিসকো সারদিনহার। ১৯৬২ সাল থেকে এই কেন্দ্রে মাত্র দু’বার জিতেছে গেরুয়া শিবির। এই লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে রয়েছে ২০টি বিধানসভা এলাকা। লোকসভার এই আসনটিতে কখনও জয়ী হয়েছে মহারাষ্ট্র গোমান্তক পার্টি, কখনও আবার ইউনাইটেড গোয়ান্স পার্টি। কংগ্রেসও জিতেছে বেশ কয়েকবার। তবে ১৯৯৯ ও ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2024) আরব সাগরের তীরের এই কেন্দ্রটিতে ফুটেছে পদ্ম। বিজেপির টিকিট পেয়ে যারপরনাই খুশি পল্লবী। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনিও।

    চিনুন পল্লবীকে

    রসায়নে স্নাতক পল্লবীর ঝুলিতে রয়েছে পুণের এমআইটির বিজনেস ম্যানেজমেন্টের স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও। বছর ঊনপঞ্চাশের পল্লবী ডেম্পো ইন্ডাস্ট্রিজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। ইন্দো-জার্মান এডুকেশনাল অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট পদেও রয়েছেন তিনি। গোয়া ক্যানসার সোসাইটির ম্যানেজিং কমিটির সদস্যও এই বিজেপি প্রার্থী। পল্লবীর স্বামী শ্রীনিবাস ডেম্পোও একজন নামী শিল্পপতি। গোয়া চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রধানও তিনি। মেয়েদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দানের জন্য গ্রামীণ বিদ্যালয় দত্তক কর্মসূচির অধীনে কয়েকটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় চালানোর দায়িত্ব নিয়েছে ডেম্পো পরিবার। এহেন পরিবারের সদস্য পল্লবীকেই এবার পদ্ম প্রতীকে বাজি ধরেছে বিজেপি।

    রবিবার রাতে পঞ্চম দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। এতে নাম রয়েছে ১১১টি কেন্দ্রের প্রার্থীর। এই তালিকায়ই রয়েছে পল্লবীর নামও। পল্লবীকে প্রার্থী করায় গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডাকে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের কথা বলেন। গোয়ায় এর হার ৫০ শতাংশ। এবং সেটাও সংরক্ষণ ছাড়াই। এজন্য আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং পার্টি প্রেসিডেন্ট জেপি নাড্ডাকে (Lok Sabha Elections 2024)।”

    আরও পড়ুুন: ফের প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, তালিকায় রয়েছেন ‘রাম’, কঙ্গনাও

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: ‘‘২০৩৬ অলিম্পিক্সের জন্য প্রস্তুত ভারত’’, জাতীয় গেমসের উদ্বোধনে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘‘২০৩৬ অলিম্পিক্সের জন্য প্রস্তুত ভারত’’, জাতীয় গেমসের উদ্বোধনে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্পোর্টস থেকে স্পেসে উড়বে ভারতের পতাকা। আচ্ছে দিন এসে গিয়েছে। দেশের পরিবেশটাই অন্যরকম।  আগামী ১৩ বছরে ভারত আর্থিক দিক থেকে আরও শক্তিশালী হবে। ৩৭তম জাতীয় গেমসের সূচনা (National Games Opening ceremony) করে এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২৬ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে জাতীয় গেমস। ১০ হাজারের বেশি প্রতিযোগী অংশ নেবেন গেমসে। 

    গোয়ায় শুরু জাতীয় গেমস 

    গোয়ার মারগাওয়ে ফতোরদার পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে (Pandit Jawaharlal Nehru Stadium) আতশবাজির অপূ্র্ব রোশনাইয়ের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়ে গেল ভারতের (India) ৩৭তম জাতীয় গেমস (37th National Games)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Prime Minister Narendra Modi) হাতে জাতীয় গেমসের মশাল তুলে দেন ভারতীয় পুরুষ হকি দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং ও গোয়ার উইন্ডসার্ফার কাত্যা ইদা কোয়েলহো। এদিন হুড খোলা গাড়িকে রথের মতো সাজিয়ে তাতে চড়ে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময়ে  ‘জয় হো’ গান হচ্ছিল। মোদির সঙ্গে অনুষ্ঠানে ছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থার প্রধান পিটি ঊষা, গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাবন্ত, গোয়ার ক্রীড়ামন্ত্রী গোবিন্দ গৌড়ে।

    ক্রীড়া বিশ্বে এগিয়ে চলেছে ভারত

    জাতীয় গেমসের সূচনা করে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা যখন বিশ্বের মঞ্চে নতুন ইতিহাস তৈরি করছে ঠিক সেই মুহূর্তে জাতীয় গেমস অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সমস্ত খেলোয়াড়দের জন্য এই জাতীয় গেমসগুলো হল শক্তিশালী একটা লঞ্চ প্যাড। তাই সমস্ত খেলোয়াড়দের নিজেদের সর্বোত্তম পারফরম্যান্স দিতে হবে আর সমস্ত পুরনো রেকর্ড ভাঙতে হবে।” আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় গেমসের টর্চ জ্বালিয়ে মোদি বলেন, ”গোয়া থেকে অনেক তারকার উত্থান হয়েছে। ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার জন্য বিখ্যাত গোয়া। এমন একটা সময়ে জাতীয় গেমস হচ্ছে, যখন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াজগতে একের পর এক সাফল্য পাচ্ছে ভারত। এশিয়ান গেমসে নজিরবিহীন রেকর্ড করেছে ভারত। ৭০ বছরেও যা হয়নি, এবারের এশিয়ান গেমসে তাই হয়েছে। এশিয়ান প্যারা গেমস চলছে এখন। ইতিমধ্যেই ভারতীয় খেলোয়াড়রা ৭০-এর বেশি মেডেল জিতে সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এর আগে  ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি গেমস হয়েছিল। সেখানেও ভারত নজির গড়ে।” 

    সরকারের সাহায্য

    ক্রীড়াক্ষেত্রে উন্নতির জন্য সরকার যে যে পদক্ষেপ করেছে তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভারতের ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রতিভার কোনও অভাব নেই। এই দেশ অনেক চ্যাম্পিয়নকে তৈরি করেছে। ২০১৪ সালের পর দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রের পরিকাঠামোতে (sports infrastructure) বদলের জন্য প্রচুর উদ্যোগ নিয়েছি আমরা। নির্বাচনী প্রক্রিয়া (selection process) ও ক্রীড়াবিদদের সাহায্যের জন্য আর্থিক প্রকল্প (financial schemes supporting athletes) চালু করা হয়েছে। একটা সময় ছিল যখন ভারত আন্তর্জাতিক ক্রীড়ামঞ্চে অনেক পিছিয়ে থাকত। আগের সরকার মনে করত খেলাধুলোর পিছনে কেন অর্থ খরচ করবো।” 

    দেশে যদি নিরাশার পরিবেশ থাকে, তাহলে প্রতিটি ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, বলে অভিমত প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। সবক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা এবং গতির সঙ্গে অনেকেই এঁটে উঠতে পারছে না, বলে মনে করেন মোদি। তিনি বলেন, “২০৩০ সালের যুব অলিম্পিক্স এবং ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্সের জন্য তৈরি দেশ।” প্রতিযোগীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়ে মোদি বলেন, “ময়দান যাই হোক, চ্যালেঞ্জ যেমনই হোক না কেন, নিজেদের সেরাটা দিতে হবে। এই সুযোগ খোয়ানো চলবে না।”   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sanghai Cooperation Organization: গোয়া এসসিও সামিটের চিঠি গেল চিন এবং পাকিস্তানেও, কেন জানেন?  

    Sanghai Cooperation Organization: গোয়া এসসিও সামিটের চিঠি গেল চিন এবং পাকিস্তানেও, কেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছর মাঝ সেপ্টেম্বরে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে হয়েছিল সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (Sanghai Cooperation Organization) ২২তম সামিট। চলতি বছর আয়োজক দেশ ভারত। এবার সামিট হবে গোয়ায়। চিন (China), পাকিস্তান (Pakistan), রাশিয়া, ভারত, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং কাজাখস্তান এই আটটি দেশ সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের পূর্ণ সদস্য। পরে এই সংগঠনে যোগ দিয়েছে ইরান। মে মাসে গোয়ায় হবে এবারের সামিট। এর আগে ২০১৯ সালে শেষবার কিরগিজস্তানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এসসিও। অতিমারির কারণে এর পরের দুবার এসসিও সামিট হয়েছিল ভার্চুয়ালি। সমরখন্দে এসসিও সামিটে যোগ দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। এসসিও হল ৮টি এশিয় রাষ্ট্রের সম্মিলিত জোট, যা মূলত আঞ্চলিক উন্নয়ন ও সহযোগিতার লক্ষ্যে গঠিত।

    এসসিও সামিট…

    গোয়ার এসসিও সামিটে ভারত আমন্ত্রণ জানিয়েছে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীকে। সামিটে (Sanghai Cooperation Organization) মুখোমুখি হবেন ভারত ও পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রীরা। সম্মেলন চিন সহ নটি দেশেরই প্রতিনিধি থাকার কথা। তবে চিনের বিদেশমন্ত্রী কুইন গ্যাং এবং পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির উপস্থিতি তাৎপর্যপূর্ণ। বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির পাশাপাশি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকেও। যদিও এঁদের দুজনের কেউ একজন সামিটে উপস্থিত হন তাহলে সেটা হবে এক দশক পরে পাকিস্তানের কোনও নেতার ভারতে আগমন। তবে ভুট্টো সামিটে যোগ দেবেন কিনা, তা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি পাকিস্তানের তরফে।

    আরও পড়ুুন: জীবন কাটছে জেলখানায় বন্দিদের মতো! চিনের শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের কী অবস্থা জানেন?

    প্রসঙ্গত, ভারতের তরফে যেদিন পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তার ঠিক একদিন আগে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ভারতের সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভুট্টোকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ভারত পরিচয় দিল উদারতার। কারণ কিছুদিন আগেই রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অসভ্য বলে আখ্যা দিয়েছিলেন পাক বিদেশমন্ত্রী। গত মাসেই মুম্বইয়ে হয়েছিল এসসিও (Sanghai Cooperation Organization) ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি পাকিস্তান। এসসিওর সব দেশ এন্ট্রি পাঠালেও, পাকিস্তান তা করেনি। তাই গোয়া সামিটে তারা যোগ দেবে কিনা, সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত নয় ওয়াকিবহাল মহল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Bomb Threat: ফের মস্কো থেকে গোয়ামুখী বিমানে বোমাতঙ্ক, রুট বদলে উজবেকিস্তানে জরুরি ল্যান্ডিং

    Bomb Threat: ফের মস্কো থেকে গোয়ামুখী বিমানে বোমাতঙ্ক, রুট বদলে উজবেকিস্তানে জরুরি ল্যান্ডিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মস্কো থেকে গোয়া অভিমুখী বিমানে বোমাতঙ্ক। ২৩৮ জন যাত্রী নিয়ে রাশিয়া থেকে ভারতের উদ্দেশে ওড়ে বিমানটি (Bomb Threat)। গোয়া ডাম্বোলিম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে একটি ইমেল আসে যে, গোয়ামুখী একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে বোমা রয়েছে। তারপরেই কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে বিমানটিকে উজবেকিস্তানে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এই নিয়ে ১১ দিনে দু’বার এমন বোমাতঙ্ক  ছড়াল মস্কো-গোয়া বিমানে।

    কী জানা গিয়েছে? 

    বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাশিয়ার পার্ম আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট (Bomb Threat) থেকে গোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় আজুর এয়ারের একটি চার্টার্ড বিমান। ভারতীয় সীমান্তে ঢোকার আগেই একটি ইমেল আসে গোয়া বিমানবন্দরে। তারপরই বিমানটি ঘুরিয়ে দেওয়া হয় উজবিকেস্তানের দিকে। 

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এদিন সকাল ৪:১৫ নাগাদ গোয়ার ডাম্বোলিম বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল বিমানটির। রাত সাড়ে ১২:৩০ নাগাদ বিমানবন্দরের ডিরেক্টরের কাছে হুমকি ইমেল আসে। 

    প্রসঙ্গত, গত ৯ জানুয়ারি মস্কো-গোয়া বিমানে বোমাতঙ্ক (Bomb Threat) ছড়িয়েছিল। এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলে আসা একটি ফোনে দাবি করা হয়েছিল, বিমানের মধ্যে বোমা রয়েছে। সেই বিমানে ছিল ২৪৪ জন যাত্রী। সেই সময় বিমানটিকে গুজরাটের জামনগরে নামানো হয়। তবে বিমানের মধ্যে তল্লাশি চালিয়েও কোনও বোমার সন্ধান মেলেনি। একইভাবে দিন কয়েক আগেও দিল্লি-পুণের স্পাইস জেট বিমানের মধ্যে বোমা রয়েছে বলে খবর মেলে। যদিও শেষ অবধি কোনও বোমা পাওয়া যায়নি।

    উজবেকিস্তানের বিমানবন্দরে অবতরণ করবে ওই বিমান। ওর পরই যাত্রীদের নামিয়ে এনে চলবে তল্লাশি। সূত্রের খবর, পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার পরই ফের ওই বিমানকে গোয়ার উদ্দেশে রওনা করা হবে।

    আরও পড়ুন: ইডির জালে কুন্তল! কী মিলল চিনার পার্কের ফ্ল্যাট থেকে?

    এর আগের বিমানটিকে (Bomb Threat) জামনগরে অবতরণ করতেই তা ঘিরে ফেলেন এনএসজির কমান্ডোরা। ডাকা হয় বম্ব স্কোয়াডকে। প্রথমে যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। তারপর শুরু হয় তল্লাশি। প্রায় ন’ঘণ্টা ধরে তন্ন-তন্ন করে খোঁজা হয় বিস্ফোরক। খুঁজে দেখা হয় উড়ানের প্রতিটা কোনা। কিন্তু তাতে কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর বিমানটি ফের গন্তব্যস্থলের দিকে রওনা হয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • RSS: সমন্বয় বৈঠকে বসছে আরএসএস, জানুন কবে, কোথায়

    RSS: সমন্বয় বৈঠকে বসছে আরএসএস, জানুন কবে, কোথায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমন্বয় বৈঠকে (Co-ordination Meeting) বসছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ, সংক্ষেপে আরএসএস (RSS)। আরএসএসের অনুমোদিত বিভিন্ন সংগঠন এবং ভারতীয় জনতা পার্টির পদস্থ কর্তারা উপস্থিত থাকবেন ওই বৈঠকে। বৈঠক হবে গোয়ায় (Goa), জানুয়ারি মাসের ৫ এবং ৬ তারিখে। এর আগে সর্বভারতীয় এক্সিকিউটিভ বৈঠক হয়েছিল ছত্তিশগড়ের রায়পুরে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে হয়েছিল ওই বৈঠক। সেখানে যেসব বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়েছিল, মূলত সেগুলির অগ্রগতি নিয়েই আলোচনা হবে গোয়ার সমন্বয় বৈঠকে।

    আরএসএস…

    বছরভর নানা কর্মসূচি পালন করে আরএসএস (RSS)। সেসবের রূপরেখা তৈরি করতে হয় বৈঠকও। গোয়ার সমন্বয় বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন আরএসএসের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবলে, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিলিন্ড পারান্দে, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের জাতীয় সংগঠন সম্পাদক আশিস চৌহান, বি সুরেন্দ্রন এবং সংঘের সর্বভারতীয় পদস্থ কার্যকর্তারা। বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষও উপস্থিত থাকবেন ওই বৈঠকে। গোয়ার এই সমন্বয় বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বিদ্যা ভারতী, ভারতীয় কিষান সংঘ এবং অন্যান্য সংগঠনের প্রবীণ কর্মকর্তারাও। আরএসএস (RSS) সূত্রে খবর, সরসংঘচালক মোহন ভাগবত গোয়ায় থাকবেন জানুয়ারির ২ থেকে ৭ তারিখ পর্যন্ত। যার অর্থ, বৈঠক শুরুর ঢের আগে থেকেই তিনি উপস্থিত থাকবেন গোয়ায়।

    আরও পড়ুন: পাক-অধিকৃত কাশ্মীর আমাদের, ফের আমাদের হওয়া উচিত, দাবি আরএসএস নেতার

    গোয়ার এই সমন্বয় বৈঠক নিয়ে বিবৃতি জারি করেছে আরএসএস (RSS)। ওই বিবৃতিতে সংগঠনের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর জানান, সেপ্টেম্বরে ছত্তিশগড়ের রাজধানী রায়পুরে সর্বভারতীয় সমন্বয় বৈঠক হয়েছিল। সেখানে নানা কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। ছত্তিশগড় বৈঠকের রিভিউ মিটিং অনুষ্ঠিত হতে চলেছে গোয়ায়। দু দিন ব্যাপী ওই বৈঠক শুরু হবে নতুন বছরের ৫ জানুয়ারি। তিনি জানান, জানুয়ারির ৭ তারিখে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের গাইড করবেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।       

  • Uniform Civil Code: ‘সবাই একটাই বিয়ে করবে’, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে কমিটি গড়ে বললেন চৌহান

    Uniform Civil Code: ‘সবাই একটাই বিয়ে করবে’, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে কমিটি গড়ে বললেন চৌহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) কার্যকর করতে কমিটি গঠন করল মধ্যপ্রদেশ সরকার। বৃহস্পতিবারই এ খবর জানান সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান (Shivraj Singh Chouhan)। তিনি বলেন, এখন গোটা ভারতে (India) অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা উচিত। এদিন বড়োয়ানিতে এক জন সমাবেশে যোগ দেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাস্তবায়নের সময় এসে গিয়েছে। মধ্যপ্রদেশে আমি একটি কমিটি গঠন করছি। তিনি বলেন, সবার জন্য একটিমাত্র বিয়ের সুযোগ থাকবে।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি…

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) হল দেশের সব নাগরিকের জন্য এক আইন। দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগত ক্ষেত্রেও একই আইন কার্যকর হবে। উত্তরাধিকার, বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ এবং সন্তান দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রেও দেশের সব নাগরিককেই একই আইন মেনে চলতে হবে। ভারতীয় সংবিধানের ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদে এর উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করতে উদ্যোগ নিতে হবে রাষ্ট্রকে।

    এদিনের বক্তৃতার ভিডিও ফুটেজ ট্যুইট করেন মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার সময় এসেছে। আমি সত্যের পক্ষে। কেন কেউ একাধিক বিয়ে করবে? আমি মধ্য প্রদেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার জন্য একটি কমিটিও গঠন করছি। দিন কয়েক আগে গুজরাটের এক জনসভায় সে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংগাভিও বলেছিলেন, রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) কার্যকর করতে একটি কমিটি গঠন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ, হিমাচলে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি নাড্ডার

    এ দেশের একমাত্র গোয়ায় লাগু হয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। তবে শিবরাজ সিং চৌহান যে দলের মুখ্যমন্ত্রী সেই বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে। যেমন ভোটের আগে দেওয়া হয়েছে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহের রাজ্য গুজরাটে। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামীও এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি এও জানিয়েছেন, কাজ চলছে। আগামী ছ মাসের মধ্যে উত্তরাখণ্ডে লাগু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • The Kashmir Files: ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ প্রচারসর্বস্ব ছবি! নাদাভের বক্তব্য খারিজ ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূতের

    The Kashmir Files: ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ প্রচারসর্বস্ব ছবি! নাদাভের বক্তব্য খারিজ ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মঞ্চে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ (The Kashmir Files) ছবি নিয়ে নতুন বিতর্ক। ছবিটি ‘অসংবেদনশীল’, ‘প্রচারসর্বস্ব’ বলে ভর্ৎসনা করেন চলচ্চিত্র উৎসবের জুরি চেয়ারম্যান তথা ইজরায়েলি চলচ্চিত্র পরিচালক নাদাভ লাপিড। গোয়ায় (Goa) হচ্ছে ৫৩তম আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়া, সংক্ষেপে ইফি (IFFI)। এই উৎসবেই বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত ছবি ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ প্রদর্শিত হয়। উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ছবিটির কঠোর সমালোচনা করেন জুরি চেয়ারম্যান নাদাভ। তাঁর বক্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তার পরেই শুরু হয়েছে ইইচই। জুরি বোর্ড অবশ্য জানিয়ে দিয়েছে, এটি নাদাভের ব্যক্তিগত মন্তব্য।  

    কাশ্মীরি হিন্দুদের…

    বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত এই ছবির (The Kashmir Files)। নয়ের দশকে কাশ্মীরি হিন্দুদের গণহত্যার কথা মনে করিয়ে দেয় এই ছবি। গত মার্চে মুক্তি পায় ছবিটি। অভিনয় করেছেন অনুপম খের, মিঠুন চক্রবর্তী, দর্শন কুমার ও পল্লবী জোশীর মতো খ্যাতনামা অভিনেতারা। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই শুরু বিতর্কের।

    ছবির (The Kashmir Files) ভরকেন্দ্র কাশ্মীর। ক্রমবর্ধমান ইসলামিক জেহাদের ফলে উপত্যকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়েছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু পণ্ডিতদের। ছবিটিকে ঘিরে প্রশংসার পাশাপাশি হয়েছিল ব্যাপক সমালোচনাও। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছবিটির ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। সেই ছবিই এদিন তিরস্কৃত হয় ইফির মঞ্চে।

    আরও পড়ুন: ডিসেম্বরেই রাজ্য সফরে অমিত শাহ? মুুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠকের সম্ভাবনা

    এদিন মঞ্চে নাদাভ বলেন, একটা ছবি (The Kashmir Files) দেখে হতবাক হয়েছি। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক বিভাগের ১৫ নম্বর এই ছবিটি। এমন ঐতিহ্যশালী আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে শৈল্পিক ভাবনাই আসল, সেখানে এই ধরনের ছবির কোনও স্থান নেই। তিনি বলেন, আমি সকলের সামনেই এই কথাটা ভাগ করে নিচ্ছি। তাতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করছি। নাদাভ বলেন, এই ছবিটি একটি অশ্লীল, প্রচারসর্বস্ব ছবি। আমার মনে হয়, শিল্পের স্বার্থে গঠনমূলক সমালোচনাকে গ্রাহ্য করাটাই আসল স্পিরিট।

    নাদাভের কড়া সমালোচনা করেছেন ভারতে ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত নাওর গিলন। তিনি বলেন, আমি চলচ্চিত্র সমালোচক নই। আমি জানি না কীভাবে এটি অসংবেদনশীন এবং প্রচারসর্বস্ব। গভীরভাবে অধ্যয়ন না করে এই ঐতিহাসিক ঘটনা সম্পর্কে মন্তব্য করা ঠিক নয়। তিনি বলেন, এটা ভারতের একটা ক্ষত। যাঁদের চড়া মূল্য চোকাতে হয়েছে, তাঁরা রয়েছেন আমাদের আশপাশেই।

    অনুপম খেরের প্রতিক্রিয়া

LinkedIn
Share