Tag: goat

goat

  • Asansol: তৃণমূল প্রার্থীর জেতার আনন্দে জল ঢেলে দিল ভাইপো! ছাগল চুরি নিয়ে ব্যাপক শোরগোল

    Asansol: তৃণমূল প্রার্থীর জেতার আনন্দে জল ঢেলে দিল ভাইপো! ছাগল চুরি নিয়ে ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলা পরিষদে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জিতেছেন তিনি। এখন কোথায় আনন্দ করার কথা। কিন্তু এখানেও সেই ঘুরে ফিরে চলে এল “ভাইপো”। ভোটের পর এমন বিষয় পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই উল্লসিত বিরোধীরা। তারা এমন একটা হাতে গরম ইস্যু পেয়ে লুফে নিয়েছে। স্বভাবতই বিব্রত তৃণমূল। এটা এমন কিছুই নয়, বা এসব কিছুই ঘটেনি বলে দায় এড়ানোর পর্ব শুরু হয়েছে। যদিও এলাকার মানুষ বলছেন, তৃণমূলে যেখানে কয়লা চুরি, গরু পাচারের মতো ঘটনায় দলের শীর্ষ নেতারা জেরবার, সেখানে আসানসোলের (Asansol) ‘ভাইপো’ ধরা পড়েছে সামান্য ছাগল চুরির ঘটনায়। এর মধ্যে নতুন কী আর চমক আছে? তৃণমূলের মতো দলে এসব স্বাভাবিক ঘটনা।

    কী ঘটেছে (Asansol)?

    আসানসোলের জামুড়িয়া জেলা পরিষদের (Asansol) তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী হলেন পুতুল ব্যানার্জি। তাঁরই ভাইপো ছাগল চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় গ্রামবাসীদের কাছে। ঘটনাটি ঘটেছে জামুড়িয়া থানার অন্তর্গত কেন্দা ফাঁড়ি এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একটি চার চাকা গাড়িতে করে ৩-৪ জন ছেলে এসে এলাকাতে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। একটা ছাগলকে তারা গাড়ির মধ্যে ঢুকিয়ে নেয়। দেখেই ছুটে আসেন পাড়ার লোকজন। হাতেনাতে ধরা পড়ে তৃণমূল জেলা পরিষদের জয়ী প্রার্থীর ভাইপো। খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে তাদের ধরে নিয়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চার চাকা গাড়িটি পড়ে থাকে। গ্রামের মহিলারা বলছেন, এরকম ঘটনা হামেশাই ঘটে। একের পর এক ছাগল পাচার হয়ে যাচ্ছে গ্রাম থেকে।

    কী বললেন তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী (Asansol)?

    আপনার এক ভাইপো নাকি ছাগল চুরিতে ধরা পড়েছে। ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। কী বলবেন? এই প্রশ্নে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী (Asansol) পুতুল ব্যানার্জি বলেন, ওটা ভুল কথা, সাজানো, গল্প। ঘটনা সেরকম কিছুই নয়। এই ঘটনাকে বিরোধীরাই বড় করে দেখাচ্ছে। বিরোধীরা বলছে বলেই ঘটনা সত্যি হয়ে যাবে? পরে অবশ্য তিনি বলেন, হয়তো হাল্কা কিছু হয়েছে। বিরোধীরা সেটাকে বিশাল আকার করে বলছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতা?

    অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য নেতা কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি বলেন, তৃণমূলে এখন ভাই-ভাইপোর যুগ চলছে। কয়লা চুরি, বালি চুরি, চাকরি চুরি, গরু চুরি, এবার ছাগল চুরি। ছাগল চুরি (Asansol) করতে গিয়ে গণ পিটুনি খাচ্ছে। এ আর নতুন কী! সবই তো সমার্থক হয়ে গেছে। আর কিছু হবে না। রাজ্যটাকে ভাই-ভাইপো মিলে শেষ করে দিয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Goat: ছাগলকে নিয়ে নাস্তানাবুদ থানা, ফেসবুক পোস্ট করে কী বার্তা দিলেন আই সি?

    Goat: ছাগলকে নিয়ে নাস্তানাবুদ থানা, ফেসবুক পোস্ট করে কী বার্তা দিলেন আই সি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম-জানা নেই। বয়স-তিন মাস। উচ্চতা-সওয়া ফুট। রঙ-সাদা। বিশেষত্ব-পিঠে কালো দাগ রয়েছে। এটা কোনও নিখোঁজ ব্যক্তিকে খোঁজার জন্য প্রচার নয়। এটি একটি ছাগলের বিবরণ। গত ১০ দিন ধরে এই ছাগল (Goat) নিয়েই নাস্তানাবুদ হচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার পুলিশ। ছাগলের মালিকের খোঁজে তাই জনস্বার্থে ফেসবুকে ছবি-সহ  ‘পোস্ট’ দিয়েছেন বংশীহারি থানার আইসি মনোজিৎ সরকার।

    কী বললেন থানার আইসি?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১০দিন আগে তপনের শ্বশুরবাড়ি থেকে জামাইষষ্ঠী করে ফিরছিলেন বুনিয়াদপুরের কাঁঠালতলির বাসিন্দা দেবা সরকার। সঙ্গে ছিল এই ছাগলটি (Goat)। পুরানো একটি মামলায় দেবাকে ধরতে গিয়েই পুলিশের হাতে পড়ে ওই ছাগশিশু। তারপর থেকেই থানায় “বন্দি” ছাগল। শহরে খোঁয়াড় না থাকায় থানার ভিতরেই বেঁধে রাখা হয়েছিল ছাগলটিকে। ছাগলের চিৎকারে অতিষ্ঠ পুলিশকর্মীরা বাইরে বেঁধে রেখেছিলেন তাকে। সেখান থেকে একবার দড়ি ছিঁড়ে পালিয়ে যাওয়ায় ধরতে গিয়ে পুলিশের হাঁসফাঁস অবস্থা হয়। এ ভাবে দশ দিন কাটলেও খোঁজ নেই আসল মালিকের। তাই আসল মালিকের খোঁজে ফেসবুকে ছবি-সহ এই পোস্ট করেন আইসি। থানার আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, “কে আসল মালিক, সেটা যাচাই করতে ছবি-সহ বিবরণ পোস্ট না করে উপায় ছিল না।”

    ফেসবুক পোস্টে থানার আইসি কী সতর্কবার্তা দিয়েছেন?

    পুলিশ সূত্রে খবর, পুলিশের খাতায় ‘হাত সাফাইয়ের’ কারণে আগে থেকেই দেবার নাম ছিল। রাতে ছাগল নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে দেখে পুলিশ ছাগল-সহ তাকে গ্রেফতার করে। দুই দিন পরে জামিনে দেবা ছাড়া পেলেও মুক্তি পায়নি ছাগলটি (Goat)। ছাগলটি  শ্বশুরের দেওয়া বলে দেবা দাবি করলেও মন গলেনি পুলিশের। তাই সে কথা গ্রামবাসীদের থেকে লিখিয়ে আনতেও বলে পুলিশ। এর মধ্যে তিন চার পক্ষ ছাগলের মালিকানা দাবি করায় জটিলতা বাড়ে। চিঠি নিয়ে থানায় আসেনি দেবা। প্রবল সমস্যায় পড়েছে পুলিশ। ছাগলের (Goat) জন্য দুবেলা কাঁঠালপাতা জোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। তাই আপাতত থানার সামনে থাকা রুটির দোকানদারের হেফাজতে রাখা হয়েছে ছাগলটিকে। ফেসবুক পোস্টে আইসি-র সতর্কবার্তা, “আগামী সাতদিনের মধ্যে উপযুক্ত প্রমাণ-সহ দাবিদার না মিললে ছাগশিশুটি কারও ‘উদরস্থ’ হলে থানা আর দায়িত্ব নেবে না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share