Tag: Gold

Gold

  • Ayodhya Ram Mandir: লেগেছে ১ কেজি সোনা, ৭ কেজি রুপো! রামলালার পাদুকাজোড়া শোভা পাবে রাম মন্দিরে

    Ayodhya Ram Mandir: লেগেছে ১ কেজি সোনা, ৭ কেজি রুপো! রামলালার পাদুকাজোড়া শোভা পাবে রাম মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ কেজি সোনা এবং ৭ কেজি  রুপোয় তৈরি করা হয়েছে রামলালার একটি পাদুকাজোড়া। আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হবে শ্রীরাম মন্দিরের। অযোধ্যায় শ্রীরাম লালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রভু রামের মূর্তির সঙ্গে স্থাপন করা হবে এই পাদুকাজোড়াও। উল্লেখ্য, এই পাদুকা নিয়েই সারা দেশে রামমন্দিরের ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে এই রামমন্দির নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার ফলে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে দেশের রাজনীতিতে। এমনটাই মত প্রকাশ করেছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    কে তৈরি করলেন রামের পাদুকা (Ram Mandir Ayodhya)?

    প্রভু রামের এই পাদুকা তৈরি করেছেন হায়দরাবাদের শীচল্লা শ্রীনিবাস শাস্ত্রী। গত রবিবার ১৭ ডিসেম্বর রামেশ্বর ধাম থেকে আমেদাবাদ আনা হয় তাঁকে। পাদুকা যুগল নিয়ে তিনি সোমনাথ জ্যোতির্লিঙ্গ ধাম, দ্বারকাধীশ নগরী এবং তারপর বদ্রীনাথে পরিক্রমা করেন। এবার এই পাদুকা নিয়ে ৪১ দিন ধরে অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) নির্মীয়মাণ মন্দির প্রদক্ষিণ করলেন শ্রীচল্লা শ্রীনিবাস। পাদুকা জোড়া এক কেজি সোনা এবং সাত কেজি রুপো দিয়ে তৈরি। মন্দিরের নির্মাণ কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। মন্দিরের গায়ে লাগানো পাথরের স্তম্ভগুলিতে শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে।

    মন্দির ট্রাস্টের বক্তব্য (Ram Mandir Ayodhya)

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, মন্দিরের শেষ পর্যায়ের কাজকে আরও দ্রুত শেষ করতে শ্রমিকের সংখ্যা ৩২০০০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫০০০ করা হয়েছে। একদিনের সময়কে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করে আট ঘণ্টা করে ইঞ্জিনিয়ারদের তত্ত্বাবধানে কাজ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মন্দিরের গর্ভগৃহের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে পুরো মন্দিরের কাজ শেষ হতে সময় লাগবে আরও দুই বছর। তবে ভক্তদের কাছে বলা হয় উদ্বোধনের দিনে অযোধ্যায় যেন না যান। নিজের বাড়ির আশেপাশে মন্দিরগুলিতে প্রভু রামের পুজো দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    আমেরিকায় সাজো সাজো রব

    এদিকে, অয্যোধ্যায় রাম মন্দিরকে (Ayodhya Ram Mandir) ঘিরে সুদূর আমেরিকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সাজো সাজো রব চোখে পড়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির মেরিল্যান্ডের ফ্রেডরিক সিটিতে একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। রাম মন্দিরকে ঘিরে চলবে মাসব্যাপী অনুষ্ঠান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asian Games 2023: শেষ ৩০ মিটার যেন ঝড়! ৫ হাজারে সোনা জিতে ইতিহাস পারুলের

    Asian Games 2023: শেষ ৩০ মিটার যেন ঝড়! ৫ হাজারে সোনা জিতে ইতিহাস পারুলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান গেমসে নতুন ইতিহাস লিখে ফেললেন পারুল চৌধুরী।  চতুর্থ থেকে তৃতীয়, তৃতীয় থেকে দ্বিতীয়, দ্বিতীয় থেকে একে উঠে আসা — পুরোটাই ছিল স্ট্র্যাটেজিক। এমন পরিকল্পনামাফিক দৌড় অলিম্পিক, বিশ্বমিটে দেখা যায়। সেটাই এশিয়ান গেমসে দেখালেন ভারতের মেয়ে। শেষ ৩০ মিটারে ঝড় তুলে মহিলাদের ৫০০০ মিটারে সোনা জিতলেন পারুল চৌধুরী (Parul Chaudhary)। এশিয়ান গেমসের মহিলাদের ৫,০০০ মিটার দৌড়ে এটাই ভারতের প্রথম সোনা। ১৯তম এশিয়ান গেমসের নবম দিনে ৩০০০ মিটার স্টিপলচেজে জিতেছিলেন রুপো। আজ, শুধু পারুলের পদকের রং বদলাল।

    শেষবেলায় বাজিমাত

    মঙ্গলবার, ১২ ল্যাপের দৌড়ের শুরু থেকেই জয়ের জন্য বদ্ধপরিকর ছিল পারুল। শ্যুটিংয়ের পর অ্যাথলেটিক্স থেকেই সবচেয়ে বেশি পদক আসছে ভারতের। এদিন হানঝাউ গেমসে ফের সোনা ফলালেন পারুল। এ নিয়ে চলতি এশিয়ান গেমসে ১৪তম সোনা এল ভারতের। সোমবার এশিয়ান গেমসে সাতটি পদক এলেও সোনা জিততে পারেনি ভারত। মঙ্গলবার আবার ভারতকে সোনা এনে দিলেন পারুল।

    পরিকল্পনামাফিক দৌড় পারুলের

    ৫ হাজার মিটার রেসে গতি আর ছন্দ দুইই ধরে রাখতে হয় শুরু থেকে। প্রতিপক্ষ অ্যাথলিটরা পিছিয়ে পড়তে শুরু করেন একটু পর থেকে। কিন্তু পদকের নেশায় বুঁদ থাকেন যাঁরা, তাঁরা কোনও ভাবে জায়গা ছাড়েন না। টানা ৯টা ল্যাপ মসৃণ দৌড়েছেন ভারতের মেয়ে। পিছন থেকে উঠে এসে কেউ কেউ টপকেছেন তাঁকে। কিন্তু আবার চার নম্বর জায়গাটা দখলে নিয়েছেন। ১০ম ল্যাপটার সময় হঠাৎ গতি পাল্টালেন। জাপানের ফেভারিট হিরিকা হিরোনাকাও ততক্ষণে নিজের এক নম্বর জায়গাটার দখল করে নিয়েছেন। ৩০০০ মিটার অতিক্রমের পরে প্রতিযোগীদের মধ্যে তিন জন বাকিদের থেকে অনেকটা এগিয়ে যান। সেই তালিকায় ছিলেন, পারুল।

    আরও পড়ুন: এশিয়ান গেমস আর্চারিতে সোনা-রুপো নিশ্চিত! যশস্বীর শতরানে ক্রিকেটে শেষ চারে ভারত

    শেষ ল্যাপে দেখে মনে হচ্ছিল, রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে পারুলকে। কিন্তু শেষ ৫০ মিটারে গতি বাড়ালেন পারুল। ৫০০ মিটার শেষ করতে তিনি সময় নিলেন ১৫ মিনিট ১৪.৭৫ সেকেন্ড। সোমবার ৩০০০ মিটার দৌড়ের ফাইনালে নেমেছিলেন পারুল। সেখানে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে রুপো পান তিনি। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করে খুব একটা খুশি দেখাচ্ছিল না তাঁকে। আসলে সোনা জিততে চাইছিলেন তিনি। সোমবারের দুঃখ মঙ্গলবার ভোলালেন পারুল।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gold Reserve: এগোচ্ছে মোদির ভারত, চলতি বছর রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কত সোনা কিনল জানেন? 

    Gold Reserve: এগোচ্ছে মোদির ভারত, চলতি বছর রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কত সোনা কিনল জানেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জমানায় ক্রমেই উন্নত হচ্ছে দেশ। দেশের হাঁড়ির হাল ঘুঁচে গিয়ে ভারত (India) যে আর্থিক দিক দিয়ে বিশ্বের উন্নত দেশের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে, সে খবর আমরা জানি। আমরা এও জানি, এই মুহূর্তে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। দীর্ঘ দিন ধরে এই জায়গাটা দখল করে রেখেছিল ব্রিটেন। সেই ব্রিটেনকে হটিয়ে পঞ্চম স্থান দখল করে নিয়েছে মোদির ভারত।

    সোনার ভাণ্ডার…

    কেবল আর্থিক দিক দিয়ে নয়, মোদির ভারত এই মুহূর্তে বিশ্বের নবম সোনার ভাণ্ডারের (Gold Reserve) দেশও। অর্থনীতিবিদদের মতে, যা ইঙ্গিত দেয় ভারত ক্রমেই স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে। যার ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতেও কদর বাড়ছে ভারতের। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যেই ভারতীয় মুদ্রায় লেনদেন করতে শুরু করেছে। কেবল তাই নয়, বিশ্বের অন্যতম বিশ্বাসযোগ্য মুদ্রা যে ভারতীয় মুদ্রা, তা-ই প্রমাণিত হয়েছে নানাভাবে। সাতের দশকে ভারতের গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড হাওয়া হয়ে গিয়েছিল। সেটাই এখন ফিরে আসছে বহুগুণ হয়ে। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার পর থেকে দেশজুড়ে শুধুই উন্নয়ন। ভারতের হৃত গৌরব ফেরাতে কার্যত প্রাণপাত করে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তারই সুফল ফলছে অর্থনীতি সহ নানা ক্ষেত্রে।

    আরও পড়ুন: করোনা সংক্রমণ রুখতে সক্রিয় কেন্দ্র, কলকাতায় জনসভা বাতিল করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    জানা গিয়েছে, গত প্রায় এক দশক ধরে ভারত সোনা কিনে চলেছে। বিশ্বের টালমাটাল অর্থনীতির সময়ও সোনা কিনেছে ভারত। এই সোনা জমানোর (Gold Reserve) দিক থেকে ভারত বিশ্বের নবমতম সোনার ভাণ্ডারের দেশের মর্যাদা লাভ করেছে। এটা মোটেই হেলাফেলা করার নয়। কারণ নয়ের দশকে ভারতকে লন্ডনের ব্যাঙ্কে সোনা বন্ধক দিতে হয়েছিল। এও জানা গিয়েছে, ২০২১ সালে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক কিনেছে ৪৩৬ টনের বেশি সোনা। চলতি বছর এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০৪ টনে। জানা গিয়েছে, ২০২২ সালের মার্চ মাসের শেষে রিজার্ভ ব্যাঙ্কে সঞ্চিত সোনার পরিমাণ ছিল ৭৬০.৪২ মেট্রিক টন। সেপ্টেম্বরে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৭৮৫.৩৫ মেট্রিক টন। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৬৯৫.৩১ মেট্রিক টন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Saudi Arabia: সস্তা হবে সোনা, তামা? সৌদি আরবে মিলল দুই খনি

    Saudi Arabia: সস্তা হবে সোনা, তামা? সৌদি আরবে মিলল দুই খনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সৌদি আরবে (Saudi Arabia) মিলল সোনা ও তামার খনি। মক্কায় পাওয়া গেল এই খনিগুলি। সম্প্রতি, সৌদি আরবের ভূতাত্ত্বিক বিভাগ জানিয়েছে, মদিনার আবা-আল-রাহা অঞ্চলে পাওয়া গিয়েছে সোনার খনির সন্ধান। আর মদিনার ওয়াদি-আল-ফারা (Wadi Al-Faraa) অঞ্চলের আল-মাদিক এলাকার চারটি স্থানে মিলেছে তামার খনির হদিশ। সৌদি আরবের রাজপরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, সোনা ও তামার খনির সন্ধান মেলায় বিশ্বের এক বিরাট বিনিয়োগের দরজা খুলে গেল দেশে। সরকার বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে।

    আরও পড়ুন: অপারেশন মেঘচক্র, শিশু পর্নোগ্রাফি রুখতে দেশজুড়ে অভিযান সিবিআই- এর

    সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে নতুন এই খনিগুলি বিনিয়োগকারীদের (Invetment) দৃষ্টি আকর্ষণ করবে বলেই আশা করছে সরকার। তাদের ধারণা, খনিতে বিনিয়োগ হবে অন্তত ৫.৩৩ লক্ষ কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হতে পারে চার হাজার মানুষের। দাম কমতে পারে সোনা ও তামার।

    আরও পড়ুন: ‘যুদ্ধ থামান’, রাষ্ট্রসংঘে রাশিয়াকে আর্জি জয়শঙ্করের

    সৌদির ভূতত্ত্ববিদ সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান (Chairman) আবদুল আজিজ জানান, সৌদিতে ৫ হাজার ৩০০টিরও বেশি স্থানে আবিষ্কার হয়েছে বিভিন্ন খনি। সেই খনিগুলিতে মূল্যবান পাথর সহ নানা গুরুত্বপূর্ণ আকরিকের সন্ধান মিলেছে। এর মধ্যে যেমন সোনা এবং তামা রয়েছে, তেমনি রয়েছে অফুরান তেলও। 

    সৌদি আরবের প্রিন্স (Saudi Prince) মহম্মদ বিন সালমন জানিয়েছেন ২০৩০ সালের মধ্যে তৈল সমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরবের আমূল বদলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে খনি শিল্প (Mine Industry)। সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্যই হল গবেষণা ও উন্নয়নমূলক খাতে বিনিয়োগ করা। রাজপরিবারের বাণিজ্য ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রক ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা বিদেশি বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে।

    আরও পড়ুন : সজাগ থাকুন’, কানাডাবাসী ভারতীয়দের সতর্ক করল বিদেশমন্ত্রক

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • Commonwealth Games: অর্থের জন্য খেলা ছেড়েছিলেন দাদা! জানুন কী বললেন কমনওয়েলথে বাংলার সোনার ছেলে অচিন্ত্য

    Commonwealth Games: অর্থের জন্য খেলা ছেড়েছিলেন দাদা! জানুন কী বললেন কমনওয়েলথে বাংলার সোনার ছেলে অচিন্ত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা ছিলেন ভ্যানচালক। মা জরির কাজ করে সংসার চালান। একেবারেই নিম্ন-মধ্যবিত্ত সংসার। সেখান থেকে কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জয়। কঠিন পথে স্বপ্নপূরণ পাঁচলার ছেলে অচিন্ত্য শিউলির। রবিবার মধ্যরাতে (ভারতীয় সময় অনুসারে) পাঁচলার দেউলপুরের শিউলি পরিবারে তখন উৎসবের আমেজ। ঘরের ছেলে সোনা জিতেছে যে! ২০ বছর বয়সি অচিন্ত্য শিউলি পুরুষদের ৭৩ কিলোগ্রাম ভারোত্তলন বিভাগে সোনার পদক জয় করলেন। অচিন্ত্য স্ন্যাচ বিভাগে ১৪৩ কেজি ওজন তুলেছেন। পাশাপাশি ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে তিনি ১৭০ কিলোগ্রাম ওজন তুলে দেশের হয়ে এক নয়া ইতিহাস কায়েম করলেন। মোট ৩১৩ কেজি ওজন তুলে দেশকে সোনা এনে দিলেন অচিন্ত্য।

    এখন হাওড়ার অচিন্ত্যকে চেনে গোটা দেশ। কিন্তু লড়াইটা সহজ ছিল না। সোনা জয়ের পর জানালেন অচিন্ত্য। বললেন, “বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে দাদাই আমার জন্য সবকিছু করেছে। আর তাই এই পুরস্কার আমি আমার দাদা এবং কোচকে উৎসর্গ করতে চাই। দাদা নিজে ওয়েট লিফটিং করত। কিন্তু আমার দিকে তাকিয়ে ও ছেড়ে দিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: কমনওয়েলথ গেমসে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতলেন বাংলার অচিন্ত্য, মণিপুরের জেরেমি

    অচিন্ত্যর বাবা পেশায় ছিলেন ভ্যানচালক।  ৯ বছর আগে মারা যান বাবা। তারপর থেকেই টানাটানির সংসার। জরির কাজ করে সংসার চালান মা। ২০১১ সালে দাদা অলোকের হাত ধরেই অষ্টম দাসের কাছে ভারোত্তলন প্রশিক্ষণ নিতে যান অচিন্ত্য। ২০১৩ সালে দুইভাই একসঙ্গে ন্যাশানাল ভারোত্তলক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এরপর ভাইকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য খেলা ছেড়ে দেন দাদা। মা ও দাদা মিলে টানতে থাকেন সংসার। সঙ্গে ভাইয়ের খেলার খরচ। তাই পুরস্কার জিতে তা দাদাকেই উৎসর্গ করলেন অচিন্ত্য।

    সোনা জিতলেও, পুরস্কার গ্রহণ করতে এসে খানিকটা হতাশই দেখাল পাঁচলার এই ওয়েট লিফটারকে! কিন্তু কেন? প্রশ্নের জবাবে তিনি জানালেন, “এই লড়াইটা ছিল আমার নিজের সঙ্গে। সোনা জিততে আমি আসিনি। এসেছিলাম নিজের রেকর্ডটা টপকে যেতে। চেষ্টাও করেছিলাম। কিন্তু, শেষপর্যন্ত সেটা আর করতে পারলাম না। তাই খানিকটা খারাপই লাগছে।”

     

  • Bihar Gold Mine: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    Bihar Gold Mine: জামুইয়ে মিলল দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনির হদিশ, খোঁজ দিয়েছে পিঁপড়ের দল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের জামুই (Jamui) জেলার করমটিয়া গ্রাম। অনুর্বর জমি, ধু ধু প্রান্তর। চাষ-আবাদ হয় না বলে বিশেষ লোকজনও থাকে না এই এলাকায়। কিন্তু এই অনুর্বর জমিই হয়ে যেতে পারে কুবেরের ধন। বদলে দিতে পারে গোটা দেশের অর্থনীতি। সম্ভবত, এই মাটির নীচেই লুকিয়ে আছে দেশের সর্ববৃহৎ সোনার খনি (Gold mine)। জামুই জেলার কর্মটিয়া (Karmatia) গ্রামে যে দেশের সবচেয়ে বড় সোনার খনি (India’s largest gold reserve) আছে, সেই জল্পনা বহুদিনের। কিন্তু এবার সরকারও সেই জল্পনাকে আমল দিয়ে জামুইয়ে সোনার খনি খোঁড়ার প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমতি দিয়েছে।    

    প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, জামুইয়ে এই সোনার খনিতে (Jamui gold mines) প্রায় ২৩ কোটি টন সোনার আকরিক আছে। এছাড়া রয়েছে ৩৭.৬ টন উৎকৃষ্ট খনিজ। এই বিপুল পরিমাণ আকরিক সোনা থেকে প্রচুর ধাতব সোনা তৈরি করা যেতে পারে। এছাড়াও এর সঙ্গে বহু ধরনের পণ্যদ্রব্য তৈরি হবে।

    ভারতে ইউনিকর্ন স্টার্টআপের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    এই বিপুল পরিমাণ সোনার হদিশ যদি সত্যিই পাওয়া যায়, আর সেটা যদি বাজারে আসে, তাহলে সোনার দাম রাতারাতি অনেকটা কমে আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জেলা সদর থেকে প্রায় চল্লিশ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই কর্মটিয়া গ্রাম৷ এর আগে ১৯৮২ সালেও এই কর্মটিয়া গ্রাম শিরোনামে এসেছিল৷ সেই সময়ও এই অঞ্চলে সোনার খনির খবর সামনে এসেছিল৷ যদিও তখন প্রশাসন তাতে গুরুত্ব দেয়নি।         
     
    ২০১১ সালেও আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) তরফে ওই এলাকায় খননের কাজ শুরু হয়৷ কিন্তু খরচ অত্যাধিক হওয়ায় বিষয়টি তখন স্থগিত হয়ে যায়৷ এর প্রায় দশ বছর পরে ২০২১ সালে কেন্দ্রীয় খনন মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী (Prahlad Joshi) নতুন করে ওই এলাকায় খননের তোড়জোড় করেন। সংসদে তিনিই জানান, বিহারেই দেশের সবচেয়ে বড় সোনার খনিটি আছে। লিখিত প্রশ্নের জবাবে খনি মন্ত্রী জানান, বিহারে ২২২.৮৮৫ মিলিয়ন টন ধাতব সোনা আছে। যা কিনা গোটা দেশের ৪৪ শতাংশ সোনার সমান। তবে, কেন্দ্রের তরফে শেষপর্যন্ত আর কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এবার উদ্যোগী হয়েছে বিহার সরকার।  

    আরও পড়ুন: এ কি কাণ্ড আমাজনের! প্লাস্টিকের বালতি, মগ বিক্রি হচ্ছে ২৬ হাজার টাকায়!

    বিহারের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব হরজ্যোত কৌর বামরাহ জানিয়েছেন, “বিহার সরকার এই খনির প্রাথমিক অন্বেষণের প্রক্রিয়ায় ছাড়পত্র দিয়েছে। আমরা কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সঙ্গে একটি মউ স্বাক্ষর করব। প্রাথমিকভাবে আমরা তৃতীয় স্তরের অন্বেষণ করব। যেটা একেবারেই প্রাথমিক অন্বেষণ। সেই প্রক্রিয়া শেষ হবে মাসখানেকের মধ্যেই। তারপর দ্বিতীয় স্তরের অন্বেষণ শুরু হবে।” কৌর আরও জানিয়েছেন, জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI) এবং আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) দেওয়া তথ্য মেনেই কর্মটিয়া, ঝাঝা এবং সোনো এলাকায় অন্বেষণ চালানো হবে। 

    জানা গিয়েছে করমাটিয়া, ঝাঝা এবং সোনো এলাকায় খনির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। মাওবাদী অধ্যুষিত এই এলাকায় যে সোনার খনি থাকতে পারে এই ধারণা কারোরই ছিল না। ৪০ বছর লেগেছে এই এলাকায় সোনার খনির সন্ধান পেতে। তাও মূলত ‘পিঁপড়ে’-এর সৌজন্য। অনেকে বলে থাকেন, এই এলাকায় আগে একটা বড় বট গাছ ছিল। পিঁপড়ের দল রোদের দাবদাহ থেকে বাঁচতে ওই গাছে নীচে বাসা তৈরি করতে খুঁড়তে শুরু করে। তখনই স্থানীয়রা মাটির সঙ্গে হলুদ রঙের ছোট ছোট কিছু বস্তু দেখতে পান। তখন থেকেই এই সোনার খনির বিষয়টি নজরে আসে।  

    এই মুহূর্তে দেশের মধ্যে কর্নাটকেই (Karnataka) সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সোনা পাওয়া যায়। এর আগে ১৯৯৯ সালে উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রতে (Sonbhadra) সোনার খনির সন্ধান পাওয়া যায়। সেখান থেকে ৩,৫০০ টন সোনা পাওয়া যায়। যদিও অনেকেই বলেন ৩,৫০০ টন সোনা পাওয়ার কথা নিতান্তই গুজব। আদতে ১৬০ কিলোগ্রাম সোনা পাওয়া গিয়েছিল।

     

     

     

     

LinkedIn
Share