Tag: good health tips

good health tips

  • Good Health Tips: দৈনিক হাঁটাহাঁটি কেন প্রয়োজন?

    Good Health Tips: দৈনিক হাঁটাহাঁটি কেন প্রয়োজন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাঁটা সবচেয়ে সহজ ব্যায়াম। ছোট-বড় যে কেউ নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস করতে পারেন। প্রশ্ন জাগতে পারে ব্যায়ামের জন্য এত কিছু থাকতে হাঁটা কেন গুরুত্বপূর্ণ? দিনে মাত্র ৩০ মিনিট হাঁটলেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়। এইটুকু সময়ে হাঁটতে পারলে আপনার শরীর ও মন দুইই সুস্থ থাকবে বলে বিভিন্ন গবেষণায় ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে। আসলে হাঁটা (Walking Benefits) হল খুবই সহজ একটি এক্সারসাইজ। তেমন কোনও শারীরিক পরিশ্রম এর মধ্য়ে নেই। হাঁটার জন্য আলাদা কোনও কিছুর প্রয়োজন নেই। আপনি যেখানে যেভাবে আছেন সেখান থেকেই হাঁটা শুরু করতে পারেন। আর সবথেকে বড় কথা, যে কোনও বয়সের, যে কোনও লিঙ্গের মানুষই হাঁটতে পারেন। এমনকী বহু কঠিন রোগে জর্জরিত মানুষও অন্তত হাঁটাতে পারেন। তাই চারিদিকে এখন হাঁটাচলা নিয়ে এত হইচই।

    হাঁটাচলার বহু উপকার (Good Health Tips) রয়েছে-

    • ফ্যাট দ্রুত কমায়। ফলে ওজন কমাতে হাঁটা দারুণ কার্যকরী।
    • হাঁটলে হৃৎপিণ্ডের উপর দারুণ প্রভাব পড়ে। হার্ট ভালো থাকে। রক্ত সংবহন ভালো হয়। হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।
    • ফুসফুস ভালো রাখতেও হাঁটার বিকল্প নেই। হাঁটলে শ্বাসযন্ত্রের প্রভূত উন্নতি হয়।
    • সুগার নিয়ন্ত্রণে হাঁটা হতে পারে অন্যতম হাতিয়ার। হাঁটলে শরীরে ইনসুলিনের কার্যকরিতা বাড়ে।
    • হাঁটলে রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে।
    • কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক হয়।
    • হাড়ের জোর বাড়ায়।
    • পেশির ক্ষমতা বাড়ায়।
    • অস্থিসন্ধির ব্যথা কমে। কমাতে পারে পেশির ব্যথাও।

    চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, দিনে ৩০ মিনিট হাঁটতেই হবে। তার বেশি সময়ও হাঁটতে পারেন। তবে তার থেকে কম সময় হাঁটলে তেমন কোনও লাভ পাওয়া যাবে না। আর সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন হাঁটতে হবে। এর থেকে কম সময় হাঁটলেও তেমন লাভ মেলে না। অভ্যাস না থাকলে প্রথমদিনই ৩০ মিনিট হাঁটা সম্ভব নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে ৩০ মিনিটকে ৩ ভাগে ভাগ করে নিন। ১০ মিনিট করে ৩ বার হাঁটুন। ধীরে ধীরে এভাবে শুরু করুন। তারপর সময় বাড়ান। একটু অভ্যাস হয়ে গেলে চিন্তা নেই। একবারেই পারবেন ৩০ মিনিট হাঁটতে।

    হাঁটার অভ্যাস তৈরি করতে এই নিয়মগুলি (Good Health Tips) মেনে চলবেন-

    • লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন।
    • হেঁটে বাস-ট্রাম ধরে অফিস যান।
    • ফেরার সময় বাড়ির এক স্টপ আগে নামুন। তারপর হেঁটে যান। হেঁটে দোকান যান। নিজের পোষ্যকে নিয়েও বেরাতে পারেন।
    • চেষ্টা করুন রুটিন বানিয়ে নেওযার। রোজ একই সময়ে হাঁটতে যান। তবেই অভ্যাস তৈরি হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Good Health Tips: হাজার চেষ্টা করেও ওজন কমছে না? সকালে এই তিনটি ভুল করছেন না তো!

    Good Health Tips: হাজার চেষ্টা করেও ওজন কমছে না? সকালে এই তিনটি ভুল করছেন না তো!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কীভাবে আপনার সকাল শুরু করবেন তা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ আপনি সকালে ঘুম থেকে উঠে কী করছেন, তা আপনার ওজনের উপরে বড় প্রভাব ফেলে। যদি আপনি স্ফীতভাব, ওজনবৃদ্ধি, বদহজম, প্রদাহ, অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য চিন্তিত থেকে থাকেন, তবে তার জন্য আপনাকে আপনার কিছু বাজে অভ্যাস বন্ধ করতে হবে।

    অনেকের মনেই এমন প্রশ্ন আসতে পারে যে, ওজন কমানোর জন্য সব কিছুই তো করছেন আপনি, তবে কেন কমছে না ওজন? ওজন না কমার প্রধান কারণই হল আপনার কিছু বাজে অভ্যাস। আপনার পেটের মেদ কমানোর জন্য সকালের খাবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও ওজন কমানোর জন্য সঠিক খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম এবং ঘুম খুব দরকারি। কিন্তু আপনার সকাল সকাল কিছু ভুলের কারণেই ওজন কমানোর লক্ষ্য থেকে আপনি পিছিয়ে যেতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে যেসব ভুলের জন্য আপনি নানা সমস্যায় ভুগছেন, সেগুলো হল-

    ১) ব্রেকফাস্ট না করা

    সকালের খাবার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। সকালের খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মেটাবলিজম দ্রুত হয় এবং সারাদিন গ্লুকোজের মাত্রা স্থিতিশীল থাকে। আপনি যদি সকালের খাবার এড়িয়ে যান, তাহলে দিনের বেলা আপনার বেশি খিদে পাবে এবং এটা সেটা খেতে বেশি ইচ্ছা করবে। ফলে ওজন কমার বদলে বেড়ে যাবে। তাই ব্রেকফাস্ট পেট ভরে খাওয়া উচিত। আর সকালের খাবারে শর্করা কম যুক্ত ফল, প্রোটিন ও ফাইবার যুক্ত খাবারগুলো বেছে নিন।

    ২) চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া

    ব্রেকফাস্টে চিনিযুক্ত পেস্ট্রি, সেরিয়াল বা অন্যান্য খাবার খেলে আপনার শরীরে এনার্জি পাবেন না। ডায়েটিসিয়ানদের মতে, উচ্চ চিনি এবং কম ফাইবারযুক্ত ব্রেকফাস্ট আপনার খিদে বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে বেশি করে খিদে পায় ও পরে এটা ওটা খাওয়ার ইচ্ছে বেশি বেড়ে যায়। যার ফলে পরে ওজন বৃদ্ধির পাশাপাশি বদহজম ও স্ফীতভাবের মত সমস্যাও দেখা যায়। সাধারণত প্যাকেজযুক্ত জুসে চিনির  পরিমাণ খুব বেশি থাকে, তাই জুসের পরিবর্তে ফল খাওয়া বেশি উপকারি।

    ৩) কফিতে ক্রিম ও চিনি যোগ করা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কফি বিপাক এবং হজমের জন্য দুর্দান্ত।  এক কাপ ব্ল্যাক কফি স্বাস্থ্যকর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস দিয়ে পূর্ণ এবং এর ক্যাফিন আপনার দিন শুরু করার জন্য অনেক প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করতে পারে। কিন্তু সমস্যাটি হয় তখনই যখন আপনি কফির মধ্যে চিনি বা ক্রিম অ্যাড করছেন। কারণ এতে ক্যালোরি বেড়ে যাচ্ছে, যার ফলে আপনার ওজন বৃদ্ধি, বদহজমের মত সমস্যা দেখা দেয়।

LinkedIn
Share