Tag: Google CEO

Google CEO

  • Sundar Pichai: ছোলে বাটুরে থেকে দোসা! কী কী রয়েছে সুন্দর পিচাইয়ের পছন্দের খাবারের তালিকায়?

    Sundar Pichai: ছোলে বাটুরে থেকে দোসা! কী কী রয়েছে সুন্দর পিচাইয়ের পছন্দের খাবারের তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুগলের প্রধান কর্মকর্তা সুন্দর পিচাইয়ের (Sundar Pichai) পছন্দের ভারতীয় খাবারের তালিকায় রয়েছে দেশের বৈচিত্র্যময় এবং সমৃদ্ধ কিছু খাবার। সম্প্রতি ইউটিউবার বরুণ মায়ার সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে, সুন্দর পিচাই তার পছন্দের ভারতীয় কিছু খাবারের নাম জানান। তিনি জানিয়েছেন তার পছন্দের খাবারের তালিকায় এক দুটি নয়, বরং বিভিন্ন শহরের তিনটি ভিন্ন খাবার রয়েছে। যে খাবারগুলিকে তিনি তাঁর প্রিয় ভারতীয় খাবারের তালিকায় স্থান দিয়েছেন।    

    কী কী রয়েছে সুন্দর পিচাইয়ের পছন্দের খাবারের তালিকায়? 

    ৫১ বছর বয়সি সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai) জানিয়েছেন যে, বেঙ্গালুরুতে থাকলে দোসা, দিল্লিতে ছোলে বাটুরে এবং মুম্বইতে থাকলে পাও ভাজি। এই তিন ভারতীয় খাবারই খেতে সব থেকে পছন্দ করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai) বলেন, “আমি যখন ব্যাঙ্গালোরে ছিলাম তখন আমার পছন্দ ছিল দোসা, যখন দিল্লিতে ছিলাম তখন ভালো লেগেছিল ছোলে বাটুরে। আর মুম্বাইতে থাকলে খেতাম পাও ভাজি।” 

    আরও পড়ুন: জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের চাবি কোথায়? নবীনকে নিশানা মোদির

    ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর রেফারেন্স    

    প্রায় ১০ মিনিটের ভিডিওতে, সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai) ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি ভারতীয় প্রকৌশলীদের কীভাবে শিল্পে প্রাসঙ্গিক থাকতে হবে সে বিষয়ে পরামর্শ দেন। এ প্রসঙ্গে তিনি আমির খানের সুপারহিট মুভি ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর রেফারেন্স নিয়ে তাঁর ধারণাগুলিকে আরও গভীরভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। ছবির আইকনিক মোটর দৃশ্যের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। পুরো সাক্ষাৎকারটি এখনও প্রকাশিত না হলেও, কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা একটি স্নিপেট ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে।

    উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে তামিলনাড়ুর মাদুরাইতে জন্মগ্রহণ করেন সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai)। এরপর ২০১৫ সালে তিনি আইআইটি খড়গপুর থেকে স্নাতক হন এবং পরবর্তীকালে গুগলের সিইও হিসেবে নির্বাচিত করা হয় সুন্দর পিচাইকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pravasi Bharatiya: বিগত দশ বছরে ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছেছেন, কেন জানেন?

    Pravasi Bharatiya: বিগত দশ বছরে ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছেছেন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দর পিচাই, গীতা গোপীনাথ, সত্য নাদেলা কিংবা ঋষি সুনক। এই নামগুলো শুনলেই বোঝা যায় যে বিশ্ব নেতৃত্বে ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা (Pravasi Bharatiya) কত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রয়েছেন। ব্রিটিশ সংসদের ১৯ জন সাংসদ বর্তমানে ভারতীয় বংশোদ্ভুতরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিজনেস স্কুলের মধ্যে দুটির ডিনই ভারতীয় বংশদ্ভূতরা। বিশ্বব্যাপী আজ যেন সব কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গাতেই দেখা যাচ্ছে ভারতীয় বংশোদ্ভুতদের।

    ১০ বছরে ভারতীয় বংশোদ্ভুতরা হয়েছেন ৫০০ কোম্পানির সিইও

    যদি আমরা বিশ্ব বাণিজ্যের দিকে তাকিয়ে দেখি, তাহলে সেখানে দেখব যে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব সেখানে রয়েছে। এডোব বলুন গুগলের প্যারেন্ট সংস্থা অ্যালফাবেট বলুন, আইবিএম কিংবা মাইক্রোসফট। এই সবগুলিই চলছে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকার মাধ্যমে। রয়েছে। বর্তমান বহিঃবিশ্বের ৫০০ নামকরা কোম্পানির সিইও হলেন ভারতীয়রা। তবে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের এমন সাফল্য বিগত ১০ বছর ধরেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০১৪ সালের আগে এমনটা দেখা যায়নি। ২০১৪ সালের আগে বিশ্বের ১১টি কোম্পানির সিইও ছিলেন ভারতীয়রা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিকর্ন খোলার ক্ষেত্রেও ভারতীয়রা উল্লেখযোগ্য জায়গা রয়েছে।

    ভারতীয় সংস্কৃতির শিক্ষাই এই সাফল্যের কারণ

    ভারতীয় সংস্কৃতি বলে সম্প্রীতির কথা, গ্রহণ করার কথা, সহানুভূতির কথা। আমাদের সংস্কৃতি আমাদের শিক্ষা দিয়েছে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবান হতে। কঠোর পরিশ্রম করতে এবং সাফল্য পেতে। বিগত কয়েক বছর ধরেই রাজনৈতিক ক্ষেত্রে, ক্রীড়া জগতে অথবা বাণিজ্যক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য পাচ্ছে আমাদের দেশ। বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারত এখন একাদশ স্থানে উঠে এসেছে। সাফল্যের মুখ দেখছে প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, লজিস্টিক সমেত অন্যান্য ক্ষেত্র। এর মাধ্যমেই সংযোগ স্থাপিত হচ্ছে বিশ্বজুড়ে। প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ভাষা এবং উৎসবকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের অবদান নজরে পড়ছে।

    কী বলছেন হাভার্ড বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক?

    গুগলের নেতৃত্বে রয়েছে বর্তমানে সুন্দর পিচাই, মাইক্রোসফটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সত্য নাদেলিয়া। বুদ্ধিমত্তার জগতে ভারত সবথেকে শীর্ষে পৃথিবীতে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী ভারতীয়দের রোজগার সব থেকে বেশি। সেখানে একটি মধ্যবিত্ত ভারতীয় পরিবার বছরে রোজগার করছেন এক লাখ পঞ্চাশ হাজার মার্কিন ডলার। এটা হল চিন দেশের মানুষের গড় আয়ের দ্বিগুণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী ভারতীয়দের ৮০ শতাংশই স্নাতক ডিগ্রিধারী। একটি সমীক্ষাতে তা প্রকাশ পেয়েছে। অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে চিনা প্রবাসীদের মধ্যে মাত্র ৫০ শতাংশই স্নাতক। জোসেফ ন্যাই হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় একজন অধ্য়াপক এ নিয়ে বলছেন, ‘‘ কোন দেশ কত সংখ্যা পাঠাল সেটা নয়, কে কোন বংশোদ্ভূত হয়ে আসছেন, সেটাই সাফল্যের ফারাকা গড়ে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sundar Pichai: উইকিপিডিয়ায় অনেক তথ্যই ভুল, নিজের স্কুলের নাম জানালেন সুন্দর পিচাই

    Sundar Pichai: উইকিপিডিয়ায় অনেক তথ্যই ভুল, নিজের স্কুলের নাম জানালেন সুন্দর পিচাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু স্কুলই দাবি করে তিনি তাদের ছাত্র। আবার অনেক সময় শোনা যায় তিনি নাকি কোনও স্কুলেই পড়াশোনা করেননি। প্রথাগত শিক্ষার বদলে বাড়িতে থেকেই নাকি পড়াশোনা করেছেন সুন্দর পিচাই (Sundar Pichai)। অবশেষে নিজের মুখেই সেই উত্তর দিলেন গুগলের (Google) সিইও । স্ট্যানফোর্ড গ্র্যাজুয়েট স্কুল অফ বিজনেসের (Stanford Graduate School of Business) একটি অনুষ্ঠানে, তিনি জানান উইকিপিডিয়ায় (Wikipedia) তার সম্পর্কে অনেক ভুল তথ্য রয়েছে। তিনি আসলে চেন্নাইয়ের ভানা বাণীতে  একটি স্কুলে পড়াশোনা শেষ করেছেন। স্কুলটি আইআইটি মাদ্রাজ (IIT Madras) ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে অবস্থিত। ওই অনুষ্ঠানে একজন পিচাইকে তাঁর স্কুল সম্পর্কে প্রশ্ন করলে একথা জানান গুগল সিইও। 

    ২০১৫ সালে গুগলের সিইও হিসাবে নিযুক্ত হন সুন্দর পিচাই। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সপ্তাহে তিনি গুগুল সিইও নিযুক্ত হন সেই সপ্তাহেই তাঁর উইকিপিডিয়া পৃষ্ঠায় প্রায় ৩৫০ বার সংশোধন করা হয়। পরে ২০১৯ সালে গুগলের মূল সংস্থা অ্যালফাবেট -এর সিইও হিসেবেও নিযুক্ত হন পিচাই। তিনি শুধু তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার মধ্যে একজনই নন।  বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকাতেও তাঁর নাম খুঁজে পাওয়া যায়।

    উইকিপিডিয়া পৃষ্ঠায় তাঁর  স্কুলগুলির একটি দীর্ঘ তালিকা দেখানো হয়েছিল পিচাইকে। জবাবে তিনি বলেন, এর মধ্যে মাত্র দুটি সত্য। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর নাম করে অনেক স্কুলই পড়ুয়াদের আকৃষ্ট করে, সেই স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য। যা কখনওই কাম্য নয়। নিজেদের অধ্যাবসায়ের জেরেই সবাই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে। পিচাই আইআইটি-খড়গপুর (IIT-Kgp) থেকে B.Tech, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় (Stanford University) থেকে এমএস এবং পেনসিলভানিয়া (Pennsylvania) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছিলেন।

LinkedIn
Share