Tag: Google

Google

  • India: ২০৩১ সালের মধ্যে ৯০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে ভারতের দ্রুত পণ্য সরবরাহের বাজার, লাভের অঙ্কে বড় চ্যালেঞ্জ

    India: ২০৩১ সালের মধ্যে ৯০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে ভারতের দ্রুত পণ্য সরবরাহের বাজার, লাভের অঙ্কে বড় চ্যালেঞ্জ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী কয়েক বছরে ব্যাপক সম্প্রসারণের পথে এগোতে পারে ভারতের (India) দ্রুত পণ্য সরবরাহের বাজার। রেডসিয়ার স্ট্র্যাটেজি কনসালট্যান্টস এবং গুগলের যৌথ সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০৩১ অর্থবর্ষের মধ্যে এই (Quick Commerce Market) বাজারের আকার বর্তমানের তুলনায় পাঁচ থেকে সাত গুণ বেড়ে ৭০ বিলিয়ন থেকে ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক কয়েক লাখ কোটি টাকা। ২০২৬ অর্থবর্ষে এই বাজারের বার্ষিক মোট অর্ডারমূল্য প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার বা ১.১ লাখ কোটি টাকা।

    তবে এই বিপুল বৃদ্ধির পূর্বাভাস বাস্তবায়িত করতে হলে প্রতি বছর ৪১ থেকে ৪৮ শতাংশ হারে বাজারের সম্প্রসারণ প্রয়োজন। আর সেই লক্ষ্য পূরণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে প্রতিটি পণ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহকেন্দ্রের দৈনিক অর্ডার, পরিচালন ব্যয় এবং লাভের হিসাব।

    মহানগর ও নতুন পণ্যই বৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি (India)

    সমীক্ষার ফল তুলে ধরে রেডসিয়ার স্ট্র্যাটেজি কনসালট্যান্টসের অংশীদার কুশল ভাটনগর জানিয়েছেন, পাড়াভিত্তিক সরবরাহকেন্দ্রের বিস্তার, খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাইরের বিভিন্ন পণ্যের বিক্রি এবং ডিজিটাল পরিষেবার প্রসার এই বাজারের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    বর্তমানে মাসে অন্তত একবার কেনাকাটা করেন এমন গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ২.৫ থেকে ৩ কোটি। ২০৩১ অর্থবর্ষের মধ্যে সেই সংখ্যা ১০ কোটিরও বেশি হতে পারে বলে পূর্বাভাস। এর ফলে ভারতের মোট খুচরো বাজারে দ্রুত পণ্য সরবরাহের অংশীদারি বর্তমানের দেড় শতাংশেরও কম থেকে বেড়ে প্রায় ৫ শতাংশে পৌঁছতে পারে।

    এই বৃদ্ধিতে মহানগরগুলির ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে। বাজারের অতিরিক্ত বৃদ্ধির প্রায় ৬০ শতাংশ আসতে পারে মহানগরগুলি থেকে। বর্তমানে মহানগরের মোট খুচরো কেনাকাটার প্রায় ৬ শতাংশ এই পরিষেবার মাধ্যমে হলেও আগামী দিনে তা বেড়ে ২০ থেকে ২৩ শতাংশ হতে পারে।

    একই সঙ্গে প্রসাধনসামগ্রী, বৈদ্যুতিন পণ্য এবং পোশাকের মতো পণ্যের বিক্রিও দ্রুত বাড়বে বলে অনুমান। এই ক্ষেত্রের বাজারমূল্য বর্তমানে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২১ থেকে ২৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে।

    উৎসবের মরসুমেও এই বাজারের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। গত বছরের তুলনায় উৎসবকেন্দ্রিক বিক্রি ১১০ শতাংশ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। অনলাইন মাধ্যমে উৎসবের সময় হওয়া মোট কেনাকাটার প্রায় ১৮ শতাংশ আসতে পারে এই দ্রুত সরবরাহ পরিষেবা থেকে।

    বাজারের সিংহভাগ তিন সংস্থার দখলে

    বর্তমানে ভারতের দ্রুত পণ্য সরবরাহের বাজার মূলত তিনটি বড় সংস্থার নিয়ন্ত্রণে। মোট অর্ডার মূল্যের ৮৫ থেকে ৯৫ শতাংশ তাদের দখলে রয়েছে।

    এই বাজারে প্রায় ৪৬ শতাংশ অংশীদারি নিয়ে এগিয়ে রয়েছে ব্লিঙ্কিট। জেপ্টোর অংশীদারি প্রায় ২৫ থেকে ২৯ শতাংশ এবং সুইগি ইনস্টামার্টের ২২ থেকে ২৭ শতাংশ। অন্য দিকে, ফ্লিপকার্ট মিনিটস এবং অ্যামাজন নাও—দুই সংস্থারই বাজারের অংশীদারি এখনও ৫ শতাংশের কম। তবে দ্রুত পরিষেবা সম্প্রসারণ করছে (India) তারা।

    ২০২৬ সালের গোড়ার হিসাব অনুযায়ী, এই ক্ষেত্রের মাসিক মোট পণ্য বিক্রির মূল্য প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা। প্রতিদিন অর্ডারের সংখ্যা প্রায় ৭৮ লাখ।  গড় অর্ডারমূল্য ৪৬০ টাকা এবং সারা দেশে দ্রুত পণ্য সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ গুদাম বা সংরক্ষণকেন্দ্রের সংখ্যা ৬,২৮০-রও বেশি।

    এ ছাড়া, বড় সংস্থাগুলির ব্যবসায়িক মডেলেও পরিবর্তন এসেছে। আগে অন্য বিক্রেতাদের পণ্য একত্রিত করে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হলেও এখন অনেক সংস্থা নিজেরাই পণ্যের মজুত ও বিক্রির নিয়ন্ত্রণ বাড়াচ্ছে। এতে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হচ্ছে। পাশাপাশি, নিজেদের ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রি করে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত মোট মুনাফার হার অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে। সেখানে দেশের বড় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে এই হার সাধারণত ৩ থেকে ৫ শতাংশ।

    লাভের মুখ দেখতে দিনে অন্তত ১,২০০ থেকে ১,৫০০ অর্ডার জরুরি

    বাজারের আকার বাড়লেই যে সংস্থাগুলি লাভজনক হয়ে উঠবে, তা নয়। প্রতিটি সরবরাহকেন্দ্রের আয়-ব্যয়ের হিসাবই এখানে বড় চ্যালেঞ্জ। একটি কেন্দ্রকে লাভ-ক্ষতির সমতা অর্জন করতে সাধারণত প্রতিদিন ১,২০০ থেকে ১,৫০০টি অর্ডার সামলাতে হয়।

    প্রথম সারির মহানগরগুলিতে একটি কেন্দ্র প্রতিদিন প্রায় ১,৬০০টি অর্ডার সামলাতে পারে। সেখানে প্রতি অর্ডারে গড় খরচ প্রায় ২৭ টাকা। অন্য দিকে, মহানগরের বাইরের কেন্দ্রগুলিতে দৈনিক গড় অর্ডার প্রায় ৯৫০টি এবং প্রতি অর্ডারের খরচ প্রায় ৩১ টাকা।

    একটি নতুন কেন্দ্র তৈরি করতে ১৫ লাখ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। নতুন কেন্দ্রগুলিকে প্রথম চার থেকে আট মাস পর্যন্ত লোকসানও গুনতে হয়। তবে দেড় বছর বা তার বেশি সময় ধরে চালু থাকা পরিণত কেন্দ্রগুলির ক্ষেত্রে কেন্দ্রভিত্তিক পরিচালন মুনাফার হার ৫ থেকে ৮ শতাংশে পৌঁছতে পারে।

    কিন্তু দ্রুত সম্প্রসারণের খরচ সামগ্রিক লাভের উপর চাপ তৈরি করছে। ২০২৬ অর্থবর্ষের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ব্লিঙ্কিট ১৮০টিরও বেশি নতুন সরবরাহকেন্দ্র চালু করেছে। এর ফলে সংস্থাটির সমন্বিত পরিচালন মুনাফার হার কমে ঋণাত্মক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

    বিজ্ঞাপন ও অতিরিক্ত পরিষেবায় আয় বাড়ানোর চেষ্টা

    শেষ পর্যায়ে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার খরচ সামলাতে সংস্থাগুলি এখন বিজ্ঞাপন, সুবিধা-শুল্ক এবং কেন্দ্রের ভিতরে ছোট খাবারের দোকানের মতো বিকল্প আয়ের উপর জোর দিচ্ছে। গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতি অর্ডারে ৫ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত সুবিধা-শুল্ক নেওয়া হচ্ছে।

    জেপ্টোর বিজ্ঞাপন থেকে আয় গত দুই বছরে ৪৯ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১,৬৩৬ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এই বৃদ্ধি দেখিয়ে দিচ্ছে, পণ্য বিক্রির পাশাপাশি বিজ্ঞাপনও দ্রুত সরবরাহ সংস্থাগুলির আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠছে (Quick Commerce Market)।

    তবে সমীক্ষার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৭০ থেকে ৯০ বিলিয়ন ডলারের বাজার গড়ে তুলতে হলে মোট অর্ডারমূল্যের অন্তত ৩০ শতাংশ বা তার বেশি আসতে হবে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাইরের বিভাগগুলি থেকে। সেই সঙ্গে গড় অর্ডারমূল্য ৪৬০ টাকা থেকে বেড়ে ৭০০ টাকা বা তার বেশি হতে হবে (India)।

    তবে বেশি দামের পণ্যের ক্ষেত্রে নতুন সমস্যাও রয়েছে। বিশেষ করে পোশাকের মতো পণ্যে ফেরত দেওয়ার হার ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। ফলে পণ্য ফেরত নেওয়া, পুনরায় মজুত করা এবং সরবরাহের খরচ বাড়ার আশঙ্কা থাকছে।

    নিয়মকানুনের কড়াকড়ি, আপত্তি খুচরো ব্যবসায়ীদের

    দ্রুত পণ্য সরবরাহের বাজার যত বড় হচ্ছে, ততই বাড়ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলির নজরদারি। ভারতীয় খাদ্য সুরক্ষা ও মান কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি সরবরাহকেন্দ্রকে খাদ্য ব্যবসায়ী হিসেবে প্রয়োজনীয় রাজ্যভিত্তিক লাইসেন্স নিতে হয়।

    তেলঙ্গানার খাদ্য সুরক্ষা সংস্থা টিজি সেফের পরিদর্শনের পরে হায়দরাবাদে ইনস্টামার্ট, জেপ্টো এবং ফ্লিপকার্টের কয়েকটি কেন্দ্রের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়। মুম্বইয়ের ধারাভিতেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিদর্শনে উঠে আসা সমস্যার মধ্যে ছিল শীতলীকরণ কক্ষে নির্ধারিত তাপমাত্রা বজায় রাখতে না পারা এবং পোকামাকড়ের উপদ্রব।

    অন্য দিকে, দ্রুত পণ্য সরবরাহকারী সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে অনৈতিক মূল্য নির্ধারণের অভিযোগ তুলে ভারতের প্রতিযোগিতা কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউটর্স ফেডারেশন। সংগঠনটির দাবি, দেশের ৭৫ থেকে ৮০টি শহরে ২ লাখেরও বেশি ছোট মুদির দোকান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবে এই সংখ্যাটি সংগঠনটির নিজস্ব দাবি, এর স্বাধীন যাচাইয়ের বিষয়টি স্পষ্ট নয়।

    এ ছাড়া, রাজস্থান ও কর্নাটকে দ্রুত সরবরাহকারী সংস্থাগুলিকে কর্মীদের নথিভুক্ত করা এবং তাঁদের কল্যাণমূলক প্রকল্পে অর্থ দেওয়ার নিয়ম চালু হচ্ছে। পণ্য সংরক্ষণকেন্দ্র থাকা প্রতিটি রাজ্যে পৃথক পণ্য ও পরিষেবা কর নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।

    প্রস্তাবিত ব্যবসায়ী ছাড়ের হার নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ব্যবসায়ীদের একাংশ ২ অক্টোবর ‘ইউপিআই বর্জন দিবস’ পালনের ডাক দিয়েছিল। প্রস্তাবিত ছাড়ের হার ছিল ০.৫ থেকে ১.১ শতাংশ। পরে অর্থ মন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনার পর সেই প্রতিবাদ কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।

    এদিকে, চলতি মাসে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নীতিগত সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫.৫০ শতাংশ করার বিষয়টিও অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ বজায় থাকলে পরিবারের হাতে খরচ করার মতো অর্থ কমতে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে দ্রুত পণ্য সরবরাহের মতো সুবিধানির্ভর পরিষেবার চাহিদাতেও।

    আগামী দিনে নজর থাকবে যে বিষয়গুলিতে

    বাজারের ভবিষ্যৎ বৃদ্ধির পূর্বাভাস ঘিরে এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। ৯০ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য বাজারমূল্য বলতে কর ও অন্যান্য শুল্ক-সহ মোট অর্ডারমূল্য বোঝানো হয়েছে, নাকি পণ্য ফেরত ও বাতিলের হিসাব বাদ দেওয়ার পরে প্রকৃত বিক্রিমূল্য—তা পরিষ্কার নয়।

    একই ভাবে, দ্রুত সম্প্রসারণ বজায় রেখেও ছোট সংস্থাগুলি পরিচালন মুনাফায় পৌঁছতে পারবে কি না, অথবা দ্বিতীয় সারির শহরগুলিতে পর্যাপ্ত অর্ডার না থাকলেও ভর্তুকি ছাড়া সরবরাহকেন্দ্র চালানো সম্ভব হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

    এই পরিস্থিতিতে কয়েকটি সূচকের দিকে নজর রাখা জরুরি। প্রথমত, নতুন সরবরাহকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি কেন্দ্রে দৈনিক অর্ডার কতটা বাড়ছে। দ্বিতীয়ত, সংস্থাগুলির পরিচালন মুনাফার হার কোন দিকে যাচ্ছে। তৃতীয়ত, মোট অর্ডারের মধ্যে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাইরের পণ্যগুলির অংশীদারি কতটা বাড়ছে (India)।

    পাশাপাশি, প্রতিযোগিতা কমিশনের সিদ্ধান্ত, একাধিক রাজ্যে পণ্য মজুত রাখা সংস্থাগুলির জন্য একক নিবন্ধনের সম্ভাবনা নিয়ে পণ্য ও পরিষেবা কর পরিষদের সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন রাজ্যে গিগ কর্মীদের কল্যাণ তহবিল সংক্রান্ত নিয়মও বাজারের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

    সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৫ অর্থবর্ষের মধ্যে ভারতের দ্রুত পণ্য সরবরাহের বাজারে বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ১৪২ শতাংশ (Quick Commerce Market)। আগামী ত্রৈমাসিকগুলিতে পুরনো সরবরাহকেন্দ্রগুলি কতটা লাভজনক হয়ে উঠছে এবং নতুন কেন্দ্র খোলার খরচ কতটা সামলানো যাচ্ছে, তার উপরেই নির্ভর করবে ২০৩১ অর্থবর্ষের মধ্যে এই বাজার ৭০ থেকে ৯০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে কি না।

     

  • Google on Child Abuse: অনলাইনে শিশুদের যৌন হেনস্থা! এবার সরাসরি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট দেবে গুগল

    Google on Child Abuse: অনলাইনে শিশুদের যৌন হেনস্থা! এবার সরাসরি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট দেবে গুগল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে শিশুদের যৌন নিগ্রহের ‘কনটেন্ট’-এর বিরুদ্ধে কড়াকড়ি শুরু করেছে কেন্দ্র। এবার শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত বেআইনি অনলাইন সামগ্রী (CSAM) শনাক্ত হলে তা রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে চলেছে গুগলও (Google)। এতদিন এই ধরনের রিপোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিশিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়টেশন অফ চিল্ড্রেন (NCMEC)-এর সাইবার টিপলাইন (CyberTipline)-এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কাছে পৌঁছত। তবে কেন্দ্রে মোদি সরকারের সক্রিয়তায় এখন থেকে ভারত-সম্পর্কিত ঘটনাগুলির তথ্য সরাসরি ভারতীয় আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে গুগল। এ বিষয়ে ভারত সরকারের সঙ্গে কাজ করছে তারা (Google)। এই পদক্ষেপ কার্যকর হলে শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির কাছে তথ্য পৌঁছনোর প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে। বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কোনও শিশুর তাৎক্ষণিক বিপদের আশঙ্কা থাকলে দ্রুত তথ্য পাওয়ার বিষয়টি তদন্ত ও উদ্ধার অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

    মার্কিন সংস্থার মাধ্যমে রিপোর্ট 

    মার্কিন সংস্থার (NCMEC) সাইবার টিপলাইন ১৯৯৮ সাল থেকে অনলাইনে শিশুদের যৌন শোষণ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ করে আসছে। প্রযুক্তি সংস্থাগুলি তাদের প্ল্যাটফর্মে সন্দেহজনক শিশু-শোষণ সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড শনাক্ত করলে সেই তথ্য সাইবার টিপলাইন-এ রিপোর্ট করতে পারে। এরপর মার্কিন সংস্থা এনসিএমইসি (NCMEC) প্রয়োজনীয় তথ্য বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পাঠায়। ২০২৫ সালে সাইবার টিপলাইন-এ মোট ২ কোটি ১৩ লক্ষ রিপোর্ট জমা পড়ে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ রিপোর্ট শিশুদের যৌন নির্যাতন-সংক্রান্ত। প্রায় ১৪ লক্ষ রিপোর্ট শিশুদের অনলাইনে প্রলুব্ধ বা যৌন উদ্দেশ্যে যোগাযোগ করার ঘটনা (online enticement) নিয়ে ছিল। ৭৭ শতাংশেরও বেশি এমন ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিল যার উৎস যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে। সংস্থাটি বিশ্বের ১৭০টি দেশ ও অঞ্চলের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে কাজ করে।

    কেন ভারত সরাসরি রিপোর্ট চাইছে

    ভারত সরকারের পক্ষ থেকে প্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে শিশুদের বিরুদ্ধে অনলাইন অপরাধের ক্ষেত্রে আরও দ্রুত রিপোর্ট করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। সরকারের উদ্বেগের অন্যতম বিষয় হল—বিদেশি কোনও সংস্থার মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত একটি ধাপ থাকলে জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় তদন্তকারীদের কাছে তথ্য পৌঁছতে সময় লাগতে পারে। গুগল (Google)-এর নতুন ব্যবস্থার লক্ষ্য হল ভারত-সম্পর্কিত শিশুদের যৌন শোষণ সংক্রান্ত তথ্যকে আরও সরাসরি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এই ব্যবস্থার সঙ্গে ভারতের সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনশন সেন্টার (Indian Cyber Crime Coordination Centre)-এর সমন্বয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে। ভারতের সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনশন সেন্টার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে এই ধরনের অপরাধ মোকাবিলার জন্য কেন্দ্রীয় সমন্বয় কাঠামো হিসেবে কাজ করে। গুগল জানিয়েছে, শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত সামগ্রী শনাক্ত করা, প্রতিরোধ করা, সরিয়ে দেওয়া এবং রিপোর্ট করার ক্ষেত্রে তারা বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা অব্যাহত রাখছে।

    মেটা-র পর গুগল-এর পদক্ষেপ

    গুগল-এর এই সিদ্ধান্তের আগে মেটা-ও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরাসরি তথ্য ভাগ করে নেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছিল। ফলে শিশুদের অনলাইন সুরক্ষা নিয়ে ভারতের প্রযুক্তি সংস্থাগুলির সঙ্গে সরকারের আলোচনায় সরাসরি রিপোর্টিং ব্যবস্থা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। এর ফলে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব-এর মতো বৃহৎ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শিশুদের যৌন শোষণ সংক্রান্ত সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত হলে ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির কাছে দ্রুত তথ্য পৌঁছানোর একটি নতুন কাঠামো তৈরি হতে পারে।

    পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাবে মেটা

    ইনস্টাগ্রামে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শিশুদের যৌন হেনস্থা সংক্রান্ত ‘কনটেন্ট’ প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত জুলাই মাসে মেটা কর্তৃপক্ষকে নোটিস পাঠায় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। ওই ধরনের বিজ্ঞাপনগুলি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়। শিশুদের যৌন হেনস্থা সংক্রান্ত ‘কনটেন্ট’ পুলিশকে জানানোর বিষয়ে রাজি হল মেটা। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের সূত্র উদ্ধৃত করে পিটিআই জানাচ্ছে, যে সব সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম শিশুদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্ষেত্রে সক্রিয় পদক্ষেপ করবে না, তাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে। অনলাইনে শিশুদের নিরাপত্তার সঙ্গে যে কোনও আপস করা হবে না, তা-ও স্পষ্ট করেছে মন্ত্রকের ওই সূত্র। এ বিষয়ে মেটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা এখন থেকে ‘ইন্ডিয়ান সাইবারক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টার’ (আইফোরসি) পরিচালিত সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত পোর্টালে অভিযোগ জানাবেন। বস্তুত, এই পোর্টালটি বিভিন্ন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পাশাপাশি রাজ্যের পুলিশ এবং তদন্তকারী সংস্থাও ব্যবহার করে। মেটার এক মুখপাত্র বলেন, “সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    অনলাইন শিশু-নির্যাতনের ভয়াবহ পরিসর

    মার্কিন সংস্থা এনসিএমইসি-এর ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান থেকে অনলাইনে শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের ব্যাপকতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ওই বছরে সাইবারটিপলাইন-এ পাওয়া রিপোর্টে মোট ৬ কোটি ১৮ লক্ষ ছবি, ভিডিও ও অন্যান্য ফাইল ছিল। এর মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৯৪ লক্ষ ছবি এবং ২ কোটি ৬৩ লক্ষ ভিডিও ছিল। এছাড়াও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার করে শিশুদের যৌন শোষণ সংক্রান্ত সামগ্রী তৈরি বা বিকৃত করার ঘটনাও উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। ২০২৫ সালে ১ লক্ষ ৮২ হাজারের বেশি রিপোর্টে জেনারেটিভ এআই-এর সঙ্গে শিশুদের যৌন নির্যাতনের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছিল।

    ভারতীয় আইনে কঠোর শাস্তির বিধান

    ভারতে শিশুদের যৌনভাবে স্পষ্ট বা আপত্তিকর সামগ্রী তৈরি, প্রকাশ, প্রেরণ, প্রচার বা এ ধরনের কাজে শিশুদের ব্যবহার সংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৭বি ধারায় শাস্তির বিধান রয়েছে। আইনের অধীনে প্রথমবার দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। দ্বিতীয় বা পরবর্তী দোষের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। গুগুল-এর সরাসরি রিপোর্টিং ব্যবস্থা কার্যকর হলে তদন্তকারী সংস্থার কাছে অভিযোগ পৌঁছনোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মধ্যবর্তী রিপোর্টিং ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমতে পারে। বিশেষ করে কোনও নির্দিষ্ট শিশুর নিরাপত্তা নিয়ে তাৎক্ষণিক আশঙ্কা থাকলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। তবে সরাসরি রিপোর্টিং ব্যবস্থা কার্যকর করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা, প্রমাণের নির্ভুলতা, ভুল রিপোর্টের ঝুঁকি এবং তদন্তের সময় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয়—এই বিষয়গুলিও গুরুত্বপূর্ণ থাকবে। গুগল-এর এই উদ্যোগ ভারতে শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে প্রযুক্তি সংস্থা ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ্য এখন প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মে কোনও শিশুর ওপর যৌন নির্যাতনের সম্ভাব্য ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর তথ্য থেকে তদন্ত—এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও দ্রুত ও সরাসরি করা।

     

  • NEET UG: ২১ জুন নিট ইউজি রি-টেস্ট, প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

    NEET UG: ২১ জুন নিট ইউজি রি-টেস্ট, প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নিট ইউজি (NEET UG) রি-এক্সামিনেশনের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি জাল টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন (Re Exam)। এই চ্যানেলগুলি মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। মন্ত্রী জানান, সেফ, সিকিওর এবং ফেয়ার কনডাক্ট (safe, secure and fair conduct) নিশ্চিত করতে বাড়তি সতর্কতা ও নিখুঁত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

    প্রশ্নপত্র ফাঁসের মিথ্যে দাবি (NEET UG)

    জানা গিয়েছে, বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রকের প্রবীণ আধিকারিক এবং ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র ডিরেক্টর জেনারেল উপস্থিত ছিলেন। সেখানে পরীক্ষার প্রস্তুতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। আগে থেকেই সম্ভাব্য দুর্বলতা চিহ্নিত করে সময়মতো যাতে ঠিকঠাক পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তাই এই বৈঠক। মেটা, গুগল এবং টেলিগ্রামের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আর একটি বৈঠকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা সংক্রান্ত ভুয়ো তথ্য ছড়িয়ে পড়া নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। আধিকারিকরা জানান, পরীক্ষার আগে অনেক টেলিগ্রাম চ্যানেলস ও অনলাইন গ্রুপ অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরা প্রশ্নপত্র ফাঁসের মিথ্যে দাবি করে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে ক্লিকবেট কনটেন্ট (clickbait content) এবং যাচাই না করেই বিভিন্ন ইনফর্মেশন ছড়িয়ে দেয়। এক আধিকারিক বলেন, “এমন অনেক লিঙ্ক ব্যবহারকারীদের অটোমেটেড বটস (automated bots) এবং ভুয়ো গ্রুপে নিয়ে যায়, যেগুলি পরিকল্পিতভাবে মিথ্যে তথ্য ছড়ায় (NEET UG)।”

    সন্দেহজনক চ্যানেল নিয়ে ব্যবস্থা

    গোয়েন্দা সংস্থাগুলির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একাধিক সন্দেহজনক চ্যানেল সীমিত সংখ্যক ফোন নম্বরের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা একটি সংগঠিত ও সমন্বিত কার্যকলাপের ইঙ্গিত দেয়। এই বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, পরীক্ষার আগে ভুয়ো তথ্য ও প্রচার চালানো চ্যানেলগুলিকে চিহ্নিত করে ব্লক করতে হবে। মন্ত্রী জানান, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে শিক্ষামন্ত্রক, এনটিএ এবং আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে, যাতে দ্রুত ভুয়ো তথ্য রোধ করা যায় এবং পরীক্ষার স্বচ্ছতা বজায় থাকে। তিনি বলেন, “ছাত্রছাত্রীদের বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে রক্ষা করা এবং পরীক্ষার প্রতি জনসাধারণের আস্থা বজায় রাখাই সরকারের সর্বোচ্চ (Re Exam) অগ্রাধিকার।” প্রসঙ্গত, ৩ মে হয়েছিল নিট ইউজি (NEET UG) ২০২৬ এর পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষা বাতিল করে এনটিএ (NTA)। অভিযোগ তদন্ত করছে সিবিআই। বাতিল হওয়া ওই পরীক্ষাই ফের হওয়ার কথা ২১ জুন।

     

LinkedIn
Share