Tag: Gopal Dalapati

Gopal Dalapati

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতির কাঁটা! পূর্ব মেদিনীপুরে গোপাল দলপতির বাড়িতে সিবিআই হানা

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতির কাঁটা! পূর্ব মেদিনীপুরে গোপাল দলপতির বাড়িতে সিবিআই হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় তদন্তে গতি বাড়াল সিবিআই। অন্যতম অভিযুক্ত গোপাল দলপতির বাড়িতে হানা দিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। পূর্বমেদিনীপুরের ভূপতি নগরে গোপালের বাড়িতে যখন পৌঁছয় সিবিআই দল, তখন তিনি সেখানে ছিলেন না। তাই পরিবারের অন্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। গোপালের গ্রামের বাড়িতে নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত কিছু নথি রয়েছে কিনা, তারই হদিশ পেতে চাইছে সিবিআই।

    কে  এই গোপাল দলপতি

    গোপাল দলপতির নাম নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় আচমকাই সামনে আসে। তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষ জেরার সময় গোপাল দলপতির নাম ইডিকে জানায়। শুধু তাই নয়, এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত মানকি ভট্টাচাযের্র অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলের মুখেও শোনা গিয়েছিল গোপালের নাম। তাপসের অভিযোগ ছিল, তিনি নাকি গোপালকে কোটি কোটি টাকা দিয়েছেন। আর সেই টাকাই নাকি বিভিন্ন হাত ঘুরে পৌঁছে যেত ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে।

    পানওয়ালা থেকে অঙ্কের মাস্টার

    কে এই গোপাল দলপতি? কেনই বা নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় তাঁর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা? পুর্ব মেদীনপুরের বাসিন্দা গোপাল প্রথম দিকে দমদম ক্যান্টনমেন্টে একটি পানের দোকানে কাজ করতেন। বাবা অসুস্থ হওয়ার পর সেই দোকানের যাবতীয় দায়িত্ব গিয়ে পড়ে তাঁর কাঁধে। ক্রেতাদের সঙ্গে কথাবার্তায় অনুপ্রাণিত হয়ে ফের তিনি পড়াশোনা শুরু করেন। দমদম মতিঝিল কলেজে অঙ্ক নিয়ে পাস করার পর টিউশনকেই জীবিকা হিসেবে বেছে নেন। তারপর ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়েন এই চক্রে।

    আরও পড়ুন: উদ্ধার ৩,৪০০ চাকরি প্রার্থীর নথি! তৃণমূল বিধায়কের ঘরকে ‘ওয়ার রুম’ বলছে সিবিআই

    একাধিক জায়গায় তল্লাশি

    অন্যদিকে শনিবারই নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ইডি-র পর  বীরভূমের নলহাটিতে তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি বিভাস অধিকারীর বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। তৃণমূল নেতার আশ্রমেও হানা দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এর পাশাপাশি, আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার কাছে বিভাসের কলকাতার ফ্ল্যাটে চলে সিবিআইয়ের তল্লাশি। বিভাস অধিকারী ছিলেন তৃণমূলের নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের সভাপতি। পরে পদত্যাগ করেন। এছাড়াও, অল বেঙ্গল টিচার্স ট্রেনিং অ্যাচিভার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ছিলেন বিভাস। সিবিআইয়ের দাবি, ২০১১ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ বিভাস অধিকারী। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার আন্দির বাড়িতেও সিবিআই তল্লাশি অভিযান চালায়। বাড়িতেই নজরবন্দি করা হয় বিধায়ককে। চলে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতির টাকাও গোপালের চিটফান্ডে! তদন্ত শুরু করল সিবিআই

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতির টাকাও গোপালের চিটফান্ডে! তদন্ত শুরু করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি (SSC Scam) নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত গোপাল দলপতির চিটফান্ড কারবারের খোঁজখবর শুরু করল সিবিআই। চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। তার পর বেশ কিছুদিন তিহাড় জেলে বন্দিও ছিলেন গোপাল। চিটফান্ড দুর্নীতিতে জড়িয়েই গোপালের যাবতীয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যায়। নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে নাম বদলে আরমান গঙ্গোপাধ্যায় হন তিনি। 

    প্রথমে চিটফান্ড তারপর এসএসসিতে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন

    সিবিআই সূত্রে খবর, ৪৭ মাসে ১৫ শতাংশ সুদে লক্ষ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়া হবে এই টোপ দেখিয়ে চিটফান্ড ব্যবসা শুরু করেন গোপাল। ২০১২ সালে জি নেট নামে এই চিটফান্ড চালু করেন তিনি। জেলায় জেলায় প্রচুর এজেন্ট নিয়োগ করেন। কিন্তু প্রথমে তিনি তেমন সাড়া পাননি। এর পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় জমি কিনতে শুরু করেন গোপাল। বলেন, কোনও সমস‌্যা হলে জমি বিক্রি করে টাকা ফেরৎ দেওয়া হবে এই শর্তে টাকা তোলেন গোপাল। তাঁকে সাহায্য করতেন স্ত্রী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ‌্যায়। গ্রামের জমিতে শিল্পে প্রকল্প গড়ে তোলার আশ্বাস দিতেন গোপাল ও তাঁর এজেন্টরা। সেই প্রকল্পে আমানতকারীদের পরিবারের সদস্যরা চাকরি পেতে পারেন বলেও স্বপ্ন দেখাতেন তিনি। স্বপ্ন ফেরি করতে বেশ পটু গোপাল ও তাঁর মডেল স্ত্রী এমনই ধারণা গোয়েন্দাদের। প্রথমে চিটফান্ড তারপর এসএসসিতে (SSC Scam) চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কোটি টাকা তোলেন গোপাল, অনুমান অফিসারদের।

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরায় জয়ী বিজেপি, নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়ে মুখ পোড়াল তৃণমূল

    গোপালের চিটফান্ড মেদিনীপুর, হাওড়া ও হুগলি জেলায় জনপ্রিয়তা পায়। লোকে লক্ষ লক্ষ টাকা দেয়। তবে, লগ্নিকারীদের কাছ থেকে খবর নিয়ে সিবিআই জেনেছে, কেউই প্রায় টাকা ফেরত পাননি। এদিকে, এমন খবরও তদন্তকারীদের কাছে এসেছে যে, জমিগুলি সবার অলক্ষ্যে স্থানীয় এজেন্টদের সাহায‌্য নিয়ে  বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এরপরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে পড়েন গোপাল। শেষ পর্যন্ত ভোলবদলে গোপাল হন আরমান গঙ্গোপাধ‌্যায়। সিবিআইয়ের অনুমান, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) টাকা গোপালের চিটফান্ডে গিয়ে থাকতে পারে। এব্যাপারে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান গোয়েন্দারা। গোপাল দিল্লি থেকে ফিরলেই সিবিআই তাঁকে জেরা করতে চায় বলে খবর। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Recruitment Scam: মালদায় হৈমন্তী, রয়েছেন তৃণমূল বিধায়কের ছত্রছায়ায়! বিস্ফোরক দাবি খগেন মুর্মুর

    Recruitment Scam: মালদায় হৈমন্তী, রয়েছেন তৃণমূল বিধায়কের ছত্রছায়ায়! বিস্ফোরক দাবি খগেন মুর্মুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে খোঁজ পাওয়া গেল গোপালের দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তীর! মালদায় হৈমন্তী! তাও আবার এক তৃণমূল বিধায়কের আশ্রয়ে! অন্তত এমনটাই দাবি করছেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। জানা গিয়েছে, তাঁর লোকসভা কেন্দ্রেই মালদার চাঁচলে একটি হোটেলে সোমবার রাতে খুব গোপনে ঢোকেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁকে নিয়ে আসেন এক তৃণমূল বিধায়ক ও তাঁর অনুগামীরা। কয়েকদিন ধরেই ‘নিখোঁজ’ হৈমন্তীকে খুঁজে পেতে মরিয়া তদন্তকারীরা। কোথায় থাকতে পারেন নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (Recruitment Scam) উঠে আসা এই চরিত্র? এই নিয়েই যখন জোর চৰ্চা চলছে সব মহলে, তখনই হঠাৎ জানা গেল হৈমন্তী রয়েছেন মালদায়।

    অবশেষে হৈমন্তীর খোঁজ!

    খগেন মূর্মূর আরও বিস্ফোরক দাবি, এক তৃণমূল বিধায়কের ব্যবস্থাতেই হোটেলে ওঠেন হৈমন্তী। হৈমন্তীকে চাঁচল থেকে বিহার বা ঝাড়খণ্ড হয়ে নেপালে পাঠানোর ব্যবস্থাও করেন তৃণমূল বিধায়ক। এই গোটা বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানাতে চলেছে বিজেপি, এমনটাই জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে গেরুয়া শিবির সিবিআইয়ের দ্বারস্থ হবে বলেও জানা গিয়েছে।

    এদিন খগেন মুর্মু বলেন, “আমি হঠাৎ করে শুনলাম, আমাদের জেলার চাঁচলে, আমার লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে, ওখানে একটা হোটেলে এসেছিলেন। সেখানে তৃণমূলের বিধায়ক ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। খোঁজখবর করা হচ্ছে। ওখানে থেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে চলে যেতে পারেন। কারণ এভাবেই তো পালিয়ে বেড়ান।”

    অন্যদিকে, সাংসদের বক্তব্যের পর সেই হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা গোটা বিষয়টি অস্বীকার করলেও তাদের কথায় অসঙ্গতি ধরা পরে। হোটেলের এক কর্মীকে হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায় কত নম্বর রুমে ছিলেন, এই প্রশ্ন করা হলে তার উত্তরে তিনি বলেন, “আজ সব চেক আউট হয়ে গিয়েছে। কালকে ছিলেন। আজকে সব চেক আউট হয়ে গিয়েছে (Recruitment Scam)।”

    ১০৪টি সংস্থায় ৩০ কোটির লগ্নি!

    অন্যদিকে সংবাদ মাধ্যমের সামনে জোর গলায় কুন্তল বলেন (Recruitment Scam), “নিয়োগ দুর্নীতির সমস্ত টাকা গোপালের স্ত্রী হৈমন্তীর কাছে রয়েছে।” এর পরে ইডি ও সিবিআইয়ের বিশেষ নজরে গোপাল-হৈমন্তীর সংস্থা। ইডি সূত্রে খবর, দু’টি বণিকসভার নেটওয়ার্কের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। সেই নেটওয়ার্কে থাকা কয়েকটি সংস্থার অধিকর্তা স্বামী-স্ত্রী অর্থাৎ গোপাল-হৈমন্তী। ওই নেটওয়ার্কে দেশের অন্তত ১১টি রাজ্যে থাকা ১০৪টি সংস্থা এবার সিবিআইয়ের নজরে। যদিও ওই ১০৪টি সংস্থার মধ্যে বেশিরভাগই এই রাজ্যের। সংস্থাগুলিতে অন্তত ৩০ কোটি টাকা লগ্নি হয়েছে বলে খবর পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সংস্থাগুলির উপর নজর রাখছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। ফলে কতগুলি সংস্থার মাধ‌্যমে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন ইডি ও সিবিআই আধিকারিকরা।

    কুন্তল টাকা পাঠিয়েছেন গোপালের অ্যাকাউন্টে

    আবার নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় (Recruitment Scam) ফের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সিবিআইয়ের হাতে। জানা গিয়েছে, গোপাল দলপতিকে দফায় দফায় টাকা পাঠিয়েছে ধৃত তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষ। গোপালের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট খতিয়ে দেখে এমটাই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, ২০১৭-র ২৪ নভেম্বর, ৫০ হাজার, ২৫ নভেম্বর, আরও ৫০ হাজার, ২৭ নভেম্বর একলক্ষ টাকা গোপালের অ্যাকাউন্টে জমা করেছিলেন কুন্তল। এরপর ২০২১-এর ২৯ অক্টোবর, কুন্তল ৭০ হাজার টাকা পাঠান গোপালের অ্যাকাউন্টে। সিবিআইয়ের দাবি, এছাড়াও, গোপাল ওরফে আরমানের অ্যাকাউন্টে লক্ষ লক্ষ নগদ টাকা জমা পড়েছে। ২০১৭-য় গোপালের আরমান ট্রেডিংয়ের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয় নগদ ২ লক্ষ টাকা। এরপর ২০২১-এ গোপালের দিল্লির কেজি মার্গের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদ ৩ লক্ষ টাকা জমা পড়ে।

    ফলে এত বার করে গোপালকে কেন টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল? তাহলে কি গোপাল দলপতিও কোনও ভাবে নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে? কোথা থেকে এত টাকা পেল কুন্তল? উঠছে একাধিক প্রশ্ন। এই সব কিছুই এখন সিবিআইয়ের স্ক্যানারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: গোপাল হন আরমান! এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হাতে নয়া তথ্য

    SSC Scam: গোপাল হন আরমান! এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হাতে নয়া তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম ভাঁড়িয়ে ‘আরমান গঙ্গোপাধ‌্যায়’ হন গোপাল দলপতি। চিটফান্ড মামলায় নাম জড়িয়ে যাওয়ার পরই এই পরিচয় নেন তিনি। ইডির জেরায় গোপাল জানিয়েছে, আরমান গঙ্গোপাধ্যায় নাম বদলে তিনি নথিপত্র বানিয়েছিলেন। সেবি যখন সব বন্ধ করে দিয়েছিল তখন আমি নাম বদলাতে বাধ্য হয়েছিলাম। দাবি গোপালের। 

    আদালতে গিয়ে নাম বদল

    ইডি সূত্রে খবর,  ‘আরমান’ নামেই গোপাল তৈরি করেন যাবতীয় পরিচয়পত্র। সেই আধার কার্ড, প‌্যান কার্ড-সহ যাবতীয় পরিচয়পত্র এসেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) হাতে। ইডি জানিয়েছে, হুগলির (Hooghly) ধৃত যুবনেতা কুন্তল ঘোষের মুখে তাপস মণ্ডলের সঙ্গে সঙ্গে উঠে এসেছিল গোপাল দলপতির নামও। কুন্তলের দাবি ছিল, তিনি গোপালকে বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়েছেন। যদিও গোপাল ইডির কাছে তা অস্বীকার করেন। জেরার সময় ইডি আধিকারিকরা তাঁর পরিচয়পত্র দেখতে চান। সেখান থেকেই তাঁর আরমান পরিচয় সামনে আসে। সেবি (SEBI)তাঁর যাবতীয় অ‌্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিলে  আদালতে গিয়ে এফিডেফিট করে ‘আরমান গঙ্গোপাধ‌্যায়’ নাম নেন। 

    আরও পড়ুুন: ফের বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘু হিন্দুরা, ১৪টি মন্দিরে ভাঙচুর, কী বলছে প্রশাসন?

    নাম ভাঁড়িয়ে কালো টাকা সাদা!

    ইডি আধিকারিকদের মতে, নাম ভাঁড়িয়ে একাধিক সংস্থা খুলে নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করতে সাহায‌্য করেন তিনি। গোপাল দলপতি বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত যোগাযোগ নেই। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী হিসাবে চিনতাম। কোনও টাকা আমি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দিইনি। কুন্তল প্রসঙ্গে বলেন, আমার সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়েছিল। যখন অভাব পড়েছে কখনও ৭০ হাজার, কখনও ৩০ হাজার কখনও ১ লাখ টাকা দিয়েছে। অ্য়াকাউন্টে ট্রান্সফার করেছিল…হাত খরচার জন্য…সেই সময় তাপসদার কাজ দেখভাল করতাম। বলত প্রেসার দাও, ফান্ড যাতে তাড়াতাড়ি দেয়, সেকারণেই হয়তো টাকা দিত।” ইডির কাছে গোপালের দাবি, তাঁর সামনেই ৯৪ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছিল। আবার কুন্তলও তাঁকে টাকা দেওয়ার জন‌্য চাপ দিতেন। গোপাল বলেন, “আমি কুন্তলের কাছে কয়েকবার বলতে শুনেছি কাকু কাকু। কাকুর কাছে পেমেন্ট দিতে হবে। কাকু কে জানতাম না। কালীঘাটের কাকুর কাছে যেতে হবে বলত। কাকু আদৌ কে, তা জানি না।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gopal Dalapati: ‘আমি কলকাতাতেই আছি’, ইডি দফতরে নিজে ফোন করে জানালেন গোপাল দলপতি

    Gopal Dalapati: ‘আমি কলকাতাতেই আছি’, ইডি দফতরে নিজে ফোন করে জানালেন গোপাল দলপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়। সোমবার দুপুরে গোপাল দলপতি (Gopal Dalapati) নিজেই ইডি দফতরে ফোন করে বলেন, “আমি কলকাতাতেই আছি”। তদন্তকারীদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন তিনি। ফোনে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বয়ান রেকর্ড করাতেও চান তিনি। এর পরই মঙ্গলবার সকাল ১০:৩০ মিনিটে তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেন ইডি।

    কী জানা গেল?  

    ইডি তরফে জানা গিয়েছে, সোমবার বেলা ১টা নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে ফোন করেন গোপাল দলপতি (Gopal Dalapati)। ইডির তদন্তকারী আধিকারিকের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। গোপাল বলেন, “কলকাতাতেই রয়েছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে কুন্তল ঘোষের তোলা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন।” ইডির কাছে বয়ান রেকর্ড করাতে চান তিনি। তদন্তকারী অফিসাররা মঙ্গলবার  সামনাসামনি কথা বলার কথা বলেন। 

    কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারির পর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় উঠে আসে গোপাল দলপতির (Gopal Dalapati) নাম। কুন্তলের দাবি, তাপস মণ্ডল ও গোপাল দলপতি তাঁকে ফাঁসিয়েছে। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেন তাপস। তিনি জানান, গোপাল দলপতি পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা, তাঁর পূর্ব পরিচিত। তাঁকেই চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা তোলার জন্য এজেন্ট নিয়োগ করেছিলেন কুন্তল ঘোষ।  

    এর পর বার বার কুন্তলের মুখে উঠে এসেছে গোপালের (Gopal Dalapati) নাম। এরপরেই গোপালের খোঁজে তল্লাশি চালায় গোয়েন্দা সংস্থা। জানা যায় জি নেট চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে ২০২০ সালের ১১ ডিসেম্বর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। তার পর থেকে তিনি দিল্লির তিহাড় জেলের বাসিন্দা ছিলেন। গত বছর জামিনে মুক্তি পান গোপাল। তার পর থেকে তার অবস্থান জানে না কেউ। গোপালের হদিশ পেতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: ‘মোদির জন্যেই সম্ভব হয়েছে’, কাশ্মীরে রাহুলের পতাকা উত্তোলনের পর দাবি বিজেপির

    কুন্তলের দাবি, গোপালের (Gopal Dalapati) মাধ্যমেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে টাকা পাঠাতেন তিনি। গোপালের সঙ্গে মাঝে মাঝে দেখা করতেন পার্থবাবুর সচিব। বিভিন্ন শপিং মলে হত সাক্ষাৎ। তখন টাকা ভর্তি ব্যাগ তাঁর হাতে তুলে দিতেন গোপাল। এবার দেখার মঙ্গলবার সিজিও কমপ্লেক্সে এসে কী বোমা ফাটান?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC Scam: মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা! ইডির দফতরে গিয়ে দাবি গোপাল দলপতির

    SSC Scam: মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা! ইডির দফতরে গিয়ে দাবি গোপাল দলপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বহুল চর্চিত নাম গোপাল দলপতি। মঙ্গলবার দুপুর ২টো নাগাদ ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। মুখে নীল মাস্ক, চোখে চশমা, পরনে সাদা শার্ট। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাপস মণ্ডল। নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ বারবার অভিযোগ করেছিলেন, টাকা নেননি তিনি। এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন গোপাল দলপতি। সেই গোপাল এবার নিজেই এলেন ইডির দফতরে বয়ান নথিভুক্ত করতে।

    গোপালের দাবি

    এদিন ইডি দফতরে ঢোকার আগে গোপাল বলেন,”আমি কারও কাছ থেকে কোনও টাকা নিইনি। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও চিনি না। আমার সঙ্গে কুন্তলের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন তাপসবাবু। কুন্তল আমার নামে যা বলছে সবই মিথ্যে ও ভিত্তিহীন।” গত ২১ জানুয়ারি কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারির পর তাঁর মুখেই প্রথমবার প্রকাশ্যে আসে গোপাল দলপতির নাম। তার পর থেকে গোপালের খোঁজে ছিল ইডি। সোমবার নিজেই ইডি দফতরে ফোন করে বয়ান রেকর্ড করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। মঙ্গলবার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলেন ইডির গোয়েন্দারা। এর পর জানা যায় তাপস মণ্ডলের মধ্যস্থতায় গোপালের খোঁজ পেয়েছে ইডি। মঙ্গলবার সেই তাপস মণ্ডলের সঙ্গেই ইডি দফতরে ঢুকলেন গোপাল।

    আরও পড়ুন: বিপুল জনসমাগম! নেতাইয়ের সভা থেকে মমতা-অভিষককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মুখোমুখি জেরা

    বছর খানেক আগে এক চিটফান্ড মামলায় দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করে গোপাল দলপতিকে। সেই থেকে তিহার জেলে বন্দি ছিলেন তিনি। জানা যায়, পরে অবশ্য জামিনে মুক্ত পান তিনি। ইডি সূত্রের খবর, গোপাল দলপতি, তাপস মণ্ডল ও কুন্তল ঘোষকে এবার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে। কী ভাবে কুন্তলের টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছত, এই তিন জনকে জেরা করে সেই ছবি স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন ইডি আধিকারিকেরা। এদিন গোপালের বয়ান রেকর্ড করা হয়। তিনি যে বয়ান দেবেন সেটিকে সামনে রেখেই পরের দিকে কে সত্যি বলছেন সেটা জানার চেষ্টা করা হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share