Tag: Government employee

Government employee

  • 8th Pay Commission: দক্ষতার ভিত্তিতে কর্মচারীদের বেতন! পে কমিশন নিয়ে কী ভাবছে সরকার?

    8th Pay Commission: দক্ষতার ভিত্তিতে কর্মচারীদের বেতন! পে কমিশন নিয়ে কী ভাবছে সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টম পে-কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে এখনই ভাবছে না সরকার। এবার দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে বাড়বে সরকারি কর্মচারীদের বেতন। কিংবা মুদ্রাস্ফীতির সূচকের উপর নির্ভর করবে বেতনের হ্রাস-বৃদ্ধি। সূত্রের খবর, সেই লক্ষ্যেই ধীরে ধীরে এগোচ্ছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। যদিও এই ইস্যুতে সরকারিভাবে এখনও কোনও ঘোষণা করেনি কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক।

    কী কী সুবিধা

    অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষতাভিত্তিক বা মুদ্রাস্ফীতির (8th Pay Commission) ওপর নির্ভর করে বেতনবৃদ্ধি করা হলে তা অবশ্যই যুগোপযোগী হবে। বেতন কমিশন সাধারণত ১০ বছর পর বসে। ফলে বেতনবৃদ্ধির জন্য এক দশক অপেক্ষা করতে হয় কর্মচারীদের। নতুন ব্যবস্থায় তার থেকে মুক্তি মিলবে। দ্বিতীয়ত, মূলত পরিষেবা ক্ষেত্রেই সরকারি কর্মচারীদের কাজ করতে হয়। তাঁদের যোগ্যতা এবং দক্ষতা নিয়ে অনেক সময়েই আমজনতার অভিযোগ থাকে। ফাইলের ফাঁসে আটকে যাওয়ায় সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে ভূরি ভূরি। বেতনবৃদ্ধির নতুন ব্যবস্থায় এই সমস্যার সমাধান হবে। কারণ, এ ক্ষেত্রে দক্ষতা প্রমাণের নেশায় সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

    কাজে অনীহা কমবে

    সরকারি কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে দায়িত্ব গ্রহণের ক্ষেত্রে অনীহার অভিযোগ রয়েছে। অন্য দিকে পদোন্নতি নিয়ে আবার পাল্টা অভিযোগের সুর শোনা যায় সরকারি কর্মচারীদের গলায়। নতুন ব্যবস্থা চালু হলে, এই দুই সমস্যা পুরোপুরি মিটে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। তখন উচ্চ মেধাসম্পন্ন যোগ্য কর্মচারীদের উচ্চপদ দিতে বাধ্য হবে সরকার। আর্থিক বিশ্লেষকেরা আবার মনে করেন, এর মাধ্যমে বেসরকারি সংস্থার কর্মী এবং সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে একটা সামঞ্জস্য আনা সম্ভব হবে। কর্মীদের কাজের উৎসাহ বাড়াতে বেসরকারি সংস্থায় বেতনের বাইরেও ‘ইনসেনটিভ’ বা অতিরিক্ত অর্থ প্রদানের প্রচলন রয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় কতকটা সেই সুযোগই দেওয়ার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদির ঐতিহাসিক সফর! ভারত কুয়েতের মধ্যে ৪টি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত

    সরকারের বোঝা কমবে

    ২০১৬ সালে সপ্তম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) কার্যকর করে কেন্দ্র। ফলে সরকারের বার্ষিক খরচ এক লক্ষ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছিল। দক্ষতার বা মুদ্রাস্ফীতির হারের উপর নির্ভর করে বেতন ঠিক করলে এই বিপুল ব্যয়ভারের বোঝা কিছুটা হলেও কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Female Pension: নয়া নিয়ম কেন্দ্রের, কর্মরত মহিলারা পেনশনে নমিনি করতে পারবেন ছেলে বা মেয়েকে 

    Female Pension: নয়া নিয়ম কেন্দ্রের, কর্মরত মহিলারা পেনশনে নমিনি করতে পারবেন ছেলে বা মেয়েকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কর্মরত মহিলা কর্মচারীরা তাঁদের ছেলে ও মেয়েকে পারিবারিক পেনশনের জন্য মনোনীত করতে পারবেন।  কেন্দ্রের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি মহিলা কর্মচারীরা চাইলে নিজেদের পেনশনের ‘নমিনি’ করতে পারবেন নিজের সন্তান-সন্ততিকেও। নমিনি শুধু স্বামীকে করতে হবে এমনটা নয়। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এই ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পেনশন সংক্রান্ত বিধি ‘সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিস রুলস ২০২১’-এ সোমবারই এই নতুন সংশোধন আনা হয়েছে। আর সংশোধনটি এনেছে পেনশন এবং পেনশন প্রাপক কল্যাণ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় দফতর (ডিওপিপিডব্লিউ)।

    কী বলা হয়েছে?

    সরকারি বিবৃতি অনুসারে, কেন্দ্র মহিলা কর্মীদের তাঁদের স্বামীর পরিবর্তে পারিবারিক পেনশনের জন্য তাদের ছেলে বা মেয়েকে মনোনীত করার অনুমতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, আগে মৃত সরকারি কর্মচারী বা পেনশনভোগীর স্বামী অথবা স্ত্রীকে পারিবারিক পেনশন দেওয়া হত। তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের অন্যান্য যোগ্য সদস্য পেনশন পেতে পারতেন। কিন্তু, এবার মহিলা কর্মীরা স্বামীর বদলে সন্তানকেও পেনশনের জন্য মনোনীত করতে পারবেন। তবে যেখানে দাম্পত্য কলহ চলছে, বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলা চলছে বা গার্হস্থ্য সহিংসতা আইন, যৌতুক নিষেধাজ্ঞা আইন বা ভারতীয় দণ্ডবিধির মতো আইনের অধীনে মামলা চলছে, সেই পরিস্থিতিতেই এটা করা যাবে। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মহিলা পেনশন প্রাপক বা সরকারি মহিলা কর্মচারীদের এ জন্য একটি লিখিত অনুরোধ করতে হবে তাঁর অফিসের সর্বোচ্চ প্রধানকে। 

    আরও পড়ুন: সুরের মূর্চ্ছনা! মিশরীয় কন্যার দেশাত্মবোধক গানের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    কেন এই সংশোধন?

    মহিলাদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কর্মী প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তিনি জানান, এই সংশোধনীটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের যথাযথ এবং বৈধ অধিকার দেওয়ার নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এব্যাপারে মহিলা কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেই দাবি মেনে নিল কেন্দ্র। মঙ্গলবার নতুন ঘোষণা করার পরে জিতেন্দ্র বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকার মহিলাদের সমানাধিকার দেওয়ার নীতিতে চলে। তাই দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা এই নিয়মে সংশোধন আনা হল।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Government employee: কাজে গাফিলতি! দোষী প্রমাণ হলে সরকারি কর্মীদের বন্ধ হয়ে যাবে পেনশন, গ্র্যাচুইটি?

    Government employee: কাজে গাফিলতি! দোষী প্রমাণ হলে সরকারি কর্মীদের বন্ধ হয়ে যাবে পেনশন, গ্র্যাচুইটি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ (DA) উপহার দেওয়া হয়েছে। দেওয়া হয়েছে বোনাসও। জোড়া উপহার পেয়ে যারপরনাই খুশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা (Government employee)। তবে এবার তাঁদের দেওয়া হল সতর্কবার্তাও (Warning)। কেন্দ্রের তরফে জারি করা ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কাজের সময় আরও সতর্ক হোন। কাজের ক্ষেত্রে অবহেলা করবেন না। যদি তা প্রমাণ হয়, তাহলে অবসরের পর বন্ধ হয়ে যাবে পেনশন এবং গ্র্যাচুইটিও। এই নির্দেশিকা প্রযোজ্য হবে কেবল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে। রাজ্য চাইলে এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের (Government employee) ডিএ ৩৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩৮ শতাংশ। বেসিক পে-র ৩৮ শতাংশ হারে ওই ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্র। ২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে তা কার্যকর করা হবে বলেও জানানো হয়। এর পর দেওয়া হয়েছে বোনাসও। এসবের সঙ্গে এবার দেওয়া হল সতর্কবার্তাও। সম্প্রতি এক নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, যদি কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি (Government employee) কর্মী গুরুতর দোষী সাব্যস্ত হন অথবা তাঁর কর্মজীবনে কোনও কিছু অবহেলার প্রমাণ মেলে, তাহলে অবসরের পর বন্ধ করে দেওয়া হবে পেনশন ও গ্র্যাচুইটি। এই যে নির্দেশিকা জারি হয়েছে, তা সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিসেস পেনশন রুল ২০২১ এর অধীনে। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই সিসিএস পেনশন রুলস ৮ পরিবর্তন করেছে। এই বদল করতে গিয়েই তিনটি নয়া বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নিয়মে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের কাছে। ওই নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে, যদি কোনও সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে এবং তা প্রমাণিত হয়, তাহলে পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

    নয়া নিয়মে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি পুরোপুরি কিংবা আংশিক বন্ধ করে দেওয়ার। একমাত্র দোষী প্রমাণিত হলে তবেই তা করা যাবে। কর্মজীবনে যদি বিভাগীয় কিংবা বিচার বিভাগীয় কোনও পদক্ষেপ করা হয়, তাহলে অবশ্যই তা জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের। অবসরের পর কোনও কর্মী যদি পুনর্নিযুক্ত হন, তাহলেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

     

LinkedIn
Share