Tag: government employees

government employees

  • Arrear DA: বকেয়া ডিএ মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের টাকা এক কিস্তিতেই!

    Arrear DA: বকেয়া ডিএ মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত নবান্নের, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের টাকা এক কিস্তিতেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (Arrear DA) মেটানোর বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal)। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এককালীন এক কিস্তিতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৩ সেপ্টেম্বর অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

    অর্থাৎ, নির্দিষ্ট সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবার ধাপে ধাপে নয়, একবারেই মেটানো হবে। তবে ওই সময়ের জন্য আগে যে টাকা দেওয়া হয়েছে, তা হিসেবের সঙ্গে ধরা হবে। ফলে একই সময়ের বকেয়া বাবদ যাতে দু’বার অর্থ প্রদান না হয়, সেই বিষয়টিও বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে।

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা একবারেই (Arrear DA)

    ১ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫ পর্যন্ত সময়ের জন্য রাজ্য সরকারি কর্মীদের যে পরিমাণ মহার্ঘ ভাতা প্রাপ্য, তা এককালীন মেটানো হবে। হিসেব করা হবে সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্যসূচক এবং ১০০ শতাংশ নিরপেক্ষীকরণের ভিত্তিতে। তবে চলতি বছরের ১৩ মার্চ এবং ২৩ মার্চ জারি করা আগের নির্দেশ অনুযায়ী ওই সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত যে অর্থ ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে, তা নতুন করে নির্ধারিত বকেয়া থেকে বাদ দিয়ে হিসেব করা হবে।

    কার টাকা ভবিষ্যনিধিতে, কার টাকা সরাসরি ব্যাঙ্কে?

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মীদের শ্রেণি অনুযায়ী আলাদা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ‘ক’, ‘খ’ এবং ‘গ’ শ্রেণির কর্মীদের প্রাপ্য বকেয়া অর্থ তাঁদের সংশ্লিষ্ট সাধারণ ভবিষ্যনিধি হিসাবে জমা হবে। অন্যদিকে ‘ঘ’ শ্রেণির কর্মীদের বকেয়া অর্থ সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক হিসাবে দেওয়া হবে। তবে অবসরের তিন মাস আগে যাঁদের চূড়ান্ত সাধারণ ভবিষ্যনিধির অর্থ মেটানোর সময় এসে গিয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা সাধারণ ভবিষ্যনিধিতে জমা হবে না। ওই অর্থ সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্মীর ব্যাঙ্ক হিসাবে দেওয়া হবে। সাধারণ ভবিষ্যনিধিতে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার অর্থ জমা হলেও তা সঙ্গে সঙ্গে তোলা যাবে না। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩১ মার্চ ২০২৮ পর্যন্ত ওই অর্থ তোলার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। তবে তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্মীর অবসর, অবসরজনিত অবসান, মৃত্যু বা পদত্যাগ হলে, যে ঘটনা আগে ঘটবে, সেই অনুযায়ী নিয়ম প্রযোজ্য হবে (Arrear DA)।

    আয়কর কেটে দেওয়া হবে বকেয়া অর্থ

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার সময় প্রযোজ্য আয়কর কেটে নেওয়া হবে। পাশাপাশি ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ক্ষেত্রে আগে যে আয়কর কাটা হয়নি, প্রয়োজন অনুযায়ী তার হিসেবও করা হবে। প্রতিটি দফতরের বেতন ও কর্মীর চাকরিসংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখে সঠিক হিসেব করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রাপ্য অর্থ নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে সতর্কতার সঙ্গে নথি যাচাই করতে হবে। হিসেবের ভুল, যান্ত্রিক ত্রুটি অথবা অন্য কোনও কারণে কোনও কর্মী তাঁর প্রাপ্যের তুলনায় বেশি অর্থ পেয়ে গেলে সেই অতিরিক্ত অর্থ পরবর্তী সময়ে ফেরত নেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে ভবিষ্যতে কর্মীর প্রাপ্য অর্থের সঙ্গে তা অ্যাডজাস্টও করা হতে পারে।

    অনলাইন ব্যবস্থায় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানোর প্রক্রিয়া সহজ করতে রাজ্য সরকারের অনলাইন মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনাতেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিকদের মাধ্যমে বকেয়া অর্থের বিল তৈরি ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে পৃথক বিস্তারিত নির্দেশিকাও জারি করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চে রাজ্য সরকার ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দুই কিস্তিতে দেওয়ার (West Bengal) ব্যবস্থা করেছিল। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মেটানোর পদ্ধতি পরে জানানো হবে বলে সেই সময়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল (Arrear DA)।

     

  • Nabanna: পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর! চলতি মাসেই ২০০৮-২০১৫ সালের বকেয়ার ৫০% মেটাবে রাজ্য সরকার

    Nabanna: পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর! চলতি মাসেই ২০০৮-২০১৫ সালের বকেয়ার ৫০% মেটাবে রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ সংক্রান্ত পদক্ষেপের পর এবার রাজ্য সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য এল আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা পেনশনের এরিয়ার (Arrear) মেটাতে বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রাথমিকভাবে ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সাত বছরের বকেয়া অর্থের আনুমানিক হিসেব করে তার ৫০ শতাংশ পরিশোধ করা হবে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    নবান্নর ঘোষণা…

    শুক্রবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত এবং অর্থদপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই তথ্য জানান সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া সংক্রান্ত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ভাস্কর ঘোষের এই বক্তব্য সামনে আসতেই অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের মধ্যে আশাবাদের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

    পেনশনভোগীদের পাশাপাশি আরও বহু কর্মী উপকৃত হতে পারেন

    ভাস্কর ঘোষ জানান, শুধু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাই নন, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মী, বিভিন্ন বোর্ড ও কর্পোরেশনের কর্মচারী, কলকাতার বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশনপ্রাপক, ওয়ার্ক চার্জ কর্মী এবং হোমগার্ডদের বকেয়া সংক্রান্ত বিষয়ও আলোচনায় উঠে এসেছে। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের আর্থিক দাবি ও অন্যান্য সমস্যার সমাধানের দিকেও সরকার ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

    কেন দেরি হচ্ছে বকেয়া মেটাতে?

    বৈঠকে সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পুরনো তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কিছু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে। ভাস্কর ঘোষের বক্তব্য অনুযায়ী, আইএসএমওএস (ISMOS) পোর্টালে যাঁদের বেতন সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে, তাঁদের অনেকের এমপ্লয়ি আইডি বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয়েছে বলে সরকারি দফতরের দাবি। এছাড়া ২০১৫ সালের আগে ব্যাঙ্কগুলিতে ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় পুরনো নথি সংগ্রহ করতেও সময় লাগছে। এই সমস্যা কাটাতে নতুন পোর্টালের মাধ্যমে তথ্য একত্রিত করার কাজ চলছে। তবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে জানানো হয়েছে যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কর্মীদের মূল পরিচয় অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে দ্রুত যাচাই শেষ করে বকেয়া মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করার দাবি জানানো হয়েছে।

    কবে মিলবে ৫০ শতাংশ এরিয়ার?

    এখনও পর্যন্ত সরকার কোনও নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করেনি। তবে বৈঠকে উপস্থিত প্রতিনিধিদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, এরিয়রের ৫০ শতাংশ টাকা চলতি মাসেই মিটিয়ে দেবে রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, প্রক্রিয়া শেষ হলে চলতি মাসেই সম্ভবত প্রথম ধাপে ২০০৮-২০১৫ সময়কালের আনুমানিক বকেয়ার ৫০ শতাংশ প্রদান করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি অর্থও পরিশোধ করা হবে।

    সরকারের পদক্ষেপকে স্বাগত সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের

    বৈঠকের পর ভাস্কর ঘোষ জানান, সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসন সরকারি কর্মীদের মতামত ও ফিডব্যাককে গুরুত্ব দিচ্ছে, যা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। তাঁর কথায়, কোনও কর্মী যেমন প্রাপ্যের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ চান না, তেমনই আইনসঙ্গত ও ন্যায্য প্রাপ্য থেকেও কেউ যেন বঞ্চিত না হন, সেই বিষয়টিই তাঁদের মূল দাবি। সরকারের সাম্প্রতিক উদ্যোগ সেই লক্ষ্য পূরণের দিকেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • West Bengal BJP: বিতর্ক নয়, বাজেটের সাফল্য পৌঁছে দিতে হবে মানুষের কাছে, বিজেপি বিধায়কদের কড়া বার্তা নেতৃত্বের

    West Bengal BJP: বিতর্ক নয়, বাজেটের সাফল্য পৌঁছে দিতে হবে মানুষের কাছে, বিজেপি বিধায়কদের কড়া বার্তা নেতৃত্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের (West Bengal BJP) বিভিন্ন জনকল্যাণকামী পদক্ষেপ এবং সাম্প্রতিক বাজেটের ইতিবাচক দিকগুলি (Budget Benefits) সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার ওপর বিশেষ জোর দিল পদ্ম-দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সম্প্রতি দলীয় বিধায়কদের নিয়ে আয়োজিত দু’দিনের বিশেষ বৈঠকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়ানোর বদলে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের প্রচারেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

    ‘ডুজ অ্যান্ড ডোন্টজে’র পাঠ (West Bengal BJP)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে নেতৃত্ব পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, ডিম ছোড়া, দলীয় কার্যালয় দখল কিংবা কোনও ধরনের উসকানিমূলক কার্যকলাপ বিজেপি সমর্থন করে না। তার বদলে সরকারের বিভিন্ন কল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত, বাজেটের ঘোষণা এবং প্রশাসনিক সাফল্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিধায়কদের। বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য ডিএর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে চালু থাকা ১৮ শতাংশ ডিএর সঙ্গে আরও ২০ শতাংশ বাড়িয়ে মোট হার ৩৮ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার কথা। এর পাশাপাশি নয়া কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে এক লাখ চাকরি সৃষ্টির পরিকল্পনার কথাও বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত মানুষের কাছে তুলে ধরতে পারলে সরকারের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হবে।

    বিধায়কদের সতর্ক-বার্তা

    বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় নেতা সুকান্ত মজুমদার, সুনীল বনসল, অমিত মালব্য এবং অমিতাভ চক্রবর্তী-সহ একাধিক শীর্ষ নেতা। বৈঠকে নবনির্বাচিত বিধায়কদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রথমবার নির্বাচিত বিধায়কদের বিধানসভা ও সাংগঠনিক কাজের বিভিন্ন দিক সম্পর্কেও শিখিয়ে-পড়িয়ে নেওয়া হয় (West Bengal BJP)। দল এবং সরকারের ভূমিকার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা, সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা এবং শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে রাজনৈতিক কাজ পরিচালনার প্রয়োজনীয়তার কথাও মনে করিয়ে দেন পদ্ম নেতারা। কোথাও যাতে তোলাবাজি বা অনিয়মের অভিযোগ না ওঠে, সেই বিষয়েও (Budget Benefits) বিধায়কদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে খবর (West Bengal BJP)।

  • Cabinet Approves DA: সুখবর দিল কেন্দ্র, সরকারি কর্মচারীদের ফের ২ শতাংশ ডিএ বাড়ছে

    Cabinet Approves DA: সুখবর দিল কেন্দ্র, সরকারি কর্মচারীদের ফের ২ শতাংশ ডিএ বাড়ছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য ২ শতাংশ ডিএ বাড়ানোর অনুমোদন দিল কেন্দ্র (Cabinet Approves DA)। মন্ত্রিসভার বৈঠকেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর (Central Govt Employees)।

    ডিএ মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সম্পর্কিত (Cabinet Approves DA)

    ডিএ মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। বছরে দু’বার—সাধারণত জানুয়ারি ও জুলাই মাসে—সংশোধন করা হয়। এটি শিল্প শ্রমিকদের জন্য ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই-আইডব্লিউ) অনুযায়ী নির্ধারিত হয়, যা শ্রমমন্ত্রকের অধীন লেবার ব্যুরো প্রতি মাসে প্রকাশ করে। তবে এবার ঘোষণায় খানিক দেরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও শ্রমিকদের কনফেডারেশন (সিসিজিইডব্লিউ) উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, সাধারণত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয় এবং অক্টোবরের শুরুতে বকেয়া অর্থ দেওয়া হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন না করায় বিরোধী দলের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “বিলটির পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিরোধীরা বড় ভুল করেছে। এজন্য ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক মূল্য চোকাতে হবে।”

    দেশের মহিলাদের পরাজিত করেছে

    প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “বিরোধীদের এই অবস্থান মহিলাদের প্রতি নেতিবাচক মানসিকতার প্রতিফলন এবং এই বার্তা দেশের প্রতিটি গ্রামে পৌঁছনো উচিত।” তিনি বলেন, “বিলের বিরোধিতা করার পর এখন বিরোধী দলগুলি নিজেদের অবস্থানকে সমর্থন করার চেষ্টা করছে এবং কার্যত তারা দেশের মহিলাদের পরাজিত করেছে (Cabinet Approves DA)।” এছাড়াও, মন্ত্রিসভা ১৩,০০০ কোটি টাকার একটি সার্বভৌম সামুদ্রিক তহবিল গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। এই তহবিলের লক্ষ্য ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এবং ভারতগামী ও ভারত থেকে চলাচলকারী জাহাজগুলির জন্য স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী বীমার সুবিধা দেওয়া (Cabinet Approves DA)। মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা (পিএমজিএসওয়াই)-এর মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত (Central Govt Employees) বাড়ানোর অনুমোদনও দিয়েছে, বরাদ্দ করেছে অতিরিক্ত ৩,০০০ কোটি টাকা।

  • DA Hike: কেন্দ্রের পর ওড়িশার নবীন পট্টনায়েক, ডিএ বাড়ল সরকারি কর্মীদের

    DA Hike: কেন্দ্রের পর ওড়িশার নবীন পট্টনায়েক, ডিএ বাড়ল সরকারি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের পর ওড়িশায় ডিএ (DA Hike) বাড়ল সরকারি কর্মীদের। মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের এবং পেনশনভোগীদের ডিএ বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা করেছেন। আর এই ঘোষণার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের জলন্ত আন্দোলনে যেন ঘি পড়ল। রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা বহুদিন থেকেই, তাঁদের প্রাপ্য মহার্ঘ ভাতার জন্য দাবি করে আসছেন। কিন্তু পাচ্ছেন না ডিএ। উল্লেখ্য, এই বছরেই কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে, হাজরা থেকে হরিশ মুখার্জি রোড হয়ে, মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় হাতে লণ্ঠন জ্বালিয়ে ব্যাপক আন্দোলন করেন সরকারি কর্মচারীরা। সেই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চরম বিক্ষোভ করতে দেখা যায় তাঁদের।

    কেন্দ্র বৃদ্ধি করেছে ডিএ (DA Hike)

    সারা দেশে উৎসবের মরশুমে সরকারি কর্মীদের ডিএ (DA Hike) বৃদ্ধি করে বিশেষ উপহার দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এবারের ঘোষণাতে কেন্দ্র মোট ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে। এর ফলে কেন্দ্র সরকারি কর্মীদের মুখে হাসির জোয়ার। ঠিক কেন্দ্রের ঘোষণার পরে পরেই, ওড়িশার নবীন পট্টনায়েক সরকার নিজের রাজ্যের সরকারি কর্মীদের জন্য ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছে। ফলে সেই রাজ্যে ডিএ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াল ৪২ শতাংশ থেকে ৪৬ শতাংশে।

    রাজ্যের সরকারি কর্মীরা ক্ষুব্ধ

    কেন্দ্র এবং ওড়িশা সরকারের ডিএ (DA Hike) বৃদ্ধির ঘোষণায় এই রাজ্যের কর্মীদের আন্দোলন যেন আরও তেলেবেগুনে জ্বলে উঠল। নিজেদের প্রাপ্যের দাবিতে সকলেই ফুঁসে উঠলেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে যদি সিদ্ধান্ত না নেন, তাহলে আগামীদিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই কর্মচারীদের প্রাপ্য মহার্ঘ্য ভাতার মামলা, হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে। কর্মীদের অভিযোগ, রাজ্যে খেলা-মেলার জন্য প্রচুর টাকা অপচয় হলেও ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকার উদাসীন। তাই ডিএ নিয়ে কর্মচারীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চরম হুঁশিয়ারি বলেন, “আগুন নিয়ে খেলবেন না।”

    কর্মচারী পরিষদের বক্তব্য

    এই ডিএ-র (DA Hike) বিষয়ে রাজ্যের সরকারি কর্মচারী পরিষদের সভাপতি দেবাশিস শীল বলেন, “এটা আমাদের প্রত্যাশা ছিল। এআইসিপিআই অনুযায়ী কেন্দ্র যখন ডিএ দেয়, তখন সমস্ত রাজ্যের মহার্ঘ ভাতা দেয়। ওড়িশা রাজ্যও অন্যতম। বাকি রাজ্যগুলিও একই ভাবে ভাতা প্রদান করবে। ইন্ডিয়া জোটের অধীন বাকি রাজ্যগুলিও একই ভাবে ডিএ পাবে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যে কার্যকর হবে না। কারণ তিনি দেবেন না।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ডিএ (DA Hike) প্রসঙ্গে রাজ্যের তৃণমূল মন্ত্রী মানস ভূঁইয়া বলেন, “কেন্দ্রের কাছে বিপুল পরিমাণে পাওনা টাকা জমে রয়েছে। রাজ্যের টাকা রাজ্য পাচ্ছে না, তাই বকেয়া দিতে সমস্যা হচ্ছে।” অপর দিকে কলকাতা ডিভিশেন বেঞ্চে ডিএ মামলায় জয়ী হয় রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। কিন্তু এই মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। সুপ্রিম কোর্ট এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি, আগামী ৩ নভেম্বর হল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share