Tag: Governor CV Ananda Bose

Governor CV Ananda Bose

  • CV Ananda Bose: শাহি তলব! আরজি কর কাণ্ডের আবহে দ্রুত দিল্লি গেলেন রাজ্যপাল বোস

    CV Ananda Bose: শাহি তলব! আরজি কর কাণ্ডের আবহে দ্রুত দিল্লি গেলেন রাজ্যপাল বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে দিল্লিতে তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আরজি কর কাণ্ডের আবহেই বৃহস্পতিবার বিকেলেই রাজধানীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন রাজ্যপাল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। কোন কারণে রাজ্যপালকে (CV Ananda Bose) দিল্লিতে তলব করা হয়েছে, সেই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা। 

    কেন দিল্লিতে তলব

    রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যপালকে ডেকে পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেই তলবেই তড়িঘড়ি দিল্লি যাচ্ছেন তিনি। বাংলার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) সঙ্গে শাহের আলোচনা হতে পারে। আরজি করকাণ্ডের আবহে রাজ্যপালকে বৈঠকের জন্য দিল্লিতে ডেকে পাঠানো যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং দিলীপ ঘোষ। তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরেই রাজ্যপাল দিল্লি যাবেন বলে খবর। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আরও সিরিয়াস বিষয় আছে’’, ছবি মুক্তি নিয়ে রাজ্যের আপত্তি শুনলই না হাইকোর্ট

    সুকান্ত-দিলীপ সাক্ষাত

    আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামের একটি সংগঠন মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল। সেই কর্মসূচিকে সমর্থন করেছিল বিজেপি। তার পরে বুধবার তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন বিজেপিকে। তাঁর কিছু মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বুধবার ওই মন্তব্যের প্রতিবাদে শাহকে (Amit Shah) চিঠি লিখেছিলেন সুকান্ত। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবিও জানিয়েছিলেন। মমতার মন্তব্য ‘বদলার রাজনীতিকেই প্রশ্রয় দিচ্ছে’, বলে অভিমত সুকান্তর। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লেখার পর বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গেও দেখা করেছেন সুকান্ত। এরপরই দিল্লিতে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বোসকে ডাকা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna Abhijan: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    Nabanna Abhijan: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘গণতন্ত্র মানে নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠতা, সংখ্যাগরিষ্ঠতার কণ্ঠরোধ করা নয়।’’ মঙ্গলবার ছাত্রদের নবান্ন অভিযানের (Nabanna Abhijan) আগে রাজ্যকে সতর্কবার্তা দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে (RG Kar Incident) চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ এবং সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ওই কর্মসূচিকে সোমবার ‘পশ্চিমবঙ্গের পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ’ বলে চিহ্নিত করেছেন তিনি। 

    রাজ্যপালের সতর্কবার্তা

    রাজভবন থেকে ৪০ সেকেন্ডের ভিডিও-বার্তায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের উল্লেখ করে রাজ্যপাল বোসের (CV Ananda Bose) মন্তব্য, ‘‘বাংলার ছাত্রদের তরফে যে প্রতিবাদ কর্মসূচি (Nabanna Abhijan) নেওয়া হয়েছে তা ঠেকাতে সরকার বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে বলে আমি খবর পেয়েছি। আমি রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কী ছিল তা মনে করিয়ে দিতে চাই। আমি বলতে চাই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদীদের দমন করতে পশ্চিমবঙ্গে যেন সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করা না হয়। মনে রাখবেন, গণতন্ত্র মানে নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠতা, সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে নীরব করে দেওয়া নয়।’’ সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে কোনওভাবেই আটকানো যাবে না বা প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আদালত মনে করিয়ে দেয়, প্রয়োজনে রাজ্য সরকার অবশ্যই আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে। তবে যতক্ষণ তার প্রয়োজন না পড়ছে, যতক্ষণ প্রতিবাদ শান্তিপূর্ণ, ততক্ষণ কোনও বাধা দেওয়া যাবে না।’’ সোমবার এক ভিডিও বার্তায় এই কথাই নবান্নকে আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুন: আরজি কর নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলে মদ্যপ পুলিশ, মহিলাকে হেনস্থা! তুমুল বিক্ষোভ

    পুলিশের দমননীতি

    আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Incident) এর আগে মেয়েদের রাত দখলের কর্মসূচির তিক্ত স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে কলকাতা পুলিশ। শহর জুড়ে প্রতিটি এলাকাতেই রাস্তার মোড়ে বড় বড় জমায়েত হয়েছিল। পরে এক সাংবাদিক বৈঠকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল বলেছিলেন, এই সব জমায়েত নেতৃত্ববিহীন ছিল। ফলে কোথায় কত লোকের জমায়েত হতে পারে তা আন্দাজ করা মুশকিল ছিল। ২৭ তারিখের মিছিল নিয়েও তেমনই উদ্বেগে রয়েছে সরকার। তাই নবান্নের (Nabanna Abhijan) নিরাপত্তায় থাকছেন প্রায় ১০০ উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তা। ২ হাজার কনস্টেবল। এছাড়াও কলকাতা ও হাওড়া ঘিরে রাখবে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ’’, মমতাকে চিঠি দিয়ে রিপোর্ট তলব বোসের

    CV Ananda Bose: ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ’’, মমতাকে চিঠি দিয়ে রিপোর্ট তলব বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে কার্যকর হওয়া নতুন তিন আইনের পর্যালোচনার জন্য কমিটি গঠন করল নবান্ন। এরপরই রাজ্যের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, এই সিদ্ধান্তের পরেই রাজ্যের কাছে নতুন কমিটি সম্পর্কে তথ্য তলব করেছেন রাজ্যপাল বোস। শুধু তা-ই নয়, কেন্দ্রের প্রস্তাবে রাজ্য সরকার সময়ে জবাব দিয়েছিল কি না, তা-ও জানতে চেয়েছেন তিনি। রাজ্যপালের কথায়, ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হয়ে উঠতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ।’’

    রাজ্যের তৈরি কমিটি

    জুলাই মাসের প্রথম দিন থেকে দেশে কার্যকর হয়েছে তিন নতুন ফৌজদারি আইন। ‘ভারতীয় দণ্ডবিধি’, ‘ফৌজদারি কার্যবিধি’ এবং ‘ভারতীয় সাক্ষ্য আইন’ বাতিল হয়ে লাগু হয়েছে ন্যায় সংহিতা, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ও ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম। কার্যকর হওয়া ওই তিন আইন খতিয়ে দেখতে বুধবার সাত সদস্যের একটি কমিটি গড়েছে রাজ্য সরকার। কমিটিতে থাকছেন অসীম রায়, মলয় ঘটক, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অ্যাডভোকেট জেনারেল সঞ্জয় বসু, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার। তাঁর এই তিন নতুন আইন নিয়ে পর্যালোচনা করবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আগেই বলেছিলেন যে, এই আইন নিয়ে বাদল অধিবেশনে সরব হবে তাঁর দল। তার আগেই আইন খতিয়ে দেখতে এই কমিটি গঠন করা হল। নবান্নর তৈরি করা সেই কমিটি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)।

    আরও পড়ুন: গুজরাট থেকে বাংলা, রাজস্থান থেকে কর্নাটক! জানেন ভারতের পেশা-বৈচিত্র্য

    রাজ্যপালের বক্তব্য

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) কাছে এই কমিটি তৈরির উদ্দেশ্য জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তিনি এক্স মাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলা ব্যানানা রিপাবলিক হতে পারে না।’’ তিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘কেন্দ্রীয় সরকার যখন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে নয়া আইন প্রনয়ণের আগে মতামত চেয়েছিল, তখন কোনও প্রত্যুত্তর রাজ্য দিয়েছিল কি?’’ রাজভবন সূত্রে খবর, ঠিক কী কারণে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে, কমিটির কাজ কী হবে, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতার কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর মত, ‘‘দেশের মধ্যে আলাদা দেশ হয়ে উঠতে পারে না পশ্চিমবঙ্গ। সারা দেশ যখন নতুন আইন অনুযায়ী চলছে, তখন বাংলা তার থেকে আলাদা হতে পারে না।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘‘সব শয়তান এখানে এসে গিয়েছে’’, আজ চোপড়া যাচ্ছেন উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: ‘‘সব শয়তান এখানে এসে গিয়েছে’’, আজ চোপড়া যাচ্ছেন উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কিত রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। মঙ্গলবার সকালে দিল্লি থেকে সরাসরি চোপড়া আসছেন তিনি। সকাল ১০টায় বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামবেন রাজ্যপাল ৷ রাজভবন সূত্রে খবর, চোপড়ার (Chopra) নির্যাতিতা মহিলার সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গেও কথা বলবেন বোস। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাংলায় কীভাবে প্রতিদিন এত হিংসার ঘটনা ঘটছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্যপাল। এ বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

    বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত (CV Ananda Bose)

    দিল্লি থেকে এক ভিডিয়ো বার্তায় রাজ্যের সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। ভিডিয়ো বার্তায় রাজ্যপাল বলেছেন, “বাংলার রাস্তায় রক্তস্নান চলছে। বাংলার গ্রাম-গঞ্জে রাস্তায় মরণ নাচন চলছে। এখানে কি আদৌ কোনও পুলিশমন্ত্রী আছেন? এই অশান্তি থামানো কি তাঁর দায়িত্ব নয়? নরক শূন্য হয়ে গিয়েছে, সব শয়তানরা এখানে এসে গিয়েছে। জঙ্গলও এর থেকে ভালো। জঙ্গলে কোনও প্রাণী শুধুমাত্র রোমাঞ্চিত হওয়ার জন্য কাউকে মারে না। শুধুমাত্র এখানেই রোমাঞ্চের জন্য মারা হচ্ছে মানুষকে। এটা চলতে পারে না। সরকারকে এর জবাবদিহি করতে হবে।” 

    আরও পড়ুন: পিছিয়ে পড়ছে চিন-ভিয়েতনাম! মোবাইল রফতানির ক্ষেত্রে এগোচ্ছে ভারত

    দিনভর কোথায় কোথায় রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)

    রাজভবন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে দিল্লি থেকে বাগডোগরার উদ্দেশে রওনা হবেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। বাগডোগরা থেকে সড়ক পথে চোপড়া (Chopra) পৌঁছবেন তিনি। এখান থেকে কোচবিহারের দিনহাটাতেও যেতে পারেন রাজ্যপাল। দিনভর এই কর্মসূচি সেরে দিল্লিতে ফিরে রাজ্যপাল রিপোর্ট জমা দিতে পারেন বলে অনুমান। শুধু এই ঘটনা নয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেড়ে ওঠা হিংসা নিয়েও কথা বলবেন রাজ্যপাল। গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শিশু চোর কিংবা মোবাইল ফোন চোর সন্দেহে যে গণপিটুনির ঘটনা ঘটছে সে সমস্ত বিষয়েও ‘অ্যাকশন’ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যপাল। তিনি জানান, সব বিষয় খতিয়ে দেখে তারপর দিল্লিতে কথা বলবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ব্রাত্যকে অপসারণের সুপারিশের পর এবার বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ বোসের

    CV Ananda Bose: ব্রাত্যকে অপসারণের সুপারিশের পর এবার বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাতে (Nabanna Raj Bhawan Conflict) নতুন মাত্রা। এবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে দুর্নীতি ও হিংসার অভিযোগ তুলে সরাসরি বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। গতকাল, বৃহস্পতিবার, ‘রাজ্যপালের রিপোর্ট কার্ড’ নামে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানেই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ করা হয়। জবাব হিসেবে রাজ্যের তরফে ৯-পাতার চিঠি পাঠানো হয় রাজভবনে। সেখানে রাজ্যপালের ভূমিকা ও আইনি ক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। এর পরই, শুক্রবার, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের অভিযোগ নিয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিল রাজভবন। 

    এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

    সূত্রের খবর, রাজনৈতিক (CV Ananda Bose) উদ্দেশ্যে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে এমনই অভিযোগ করা হয়েছে রাজভবনের তরফে। আরও জানানো হয়েছে যে, এই যাবতীয় অভিযোগগুলির সত্যাসত্য খতিয়ে দেখতে একটি বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি। জানা গিয়েছে, কমিটির নেতৃত্ব দেবেন সুপ্রিম কোর্ট কিংবা কলকাতা হাইকোর্টের কোনও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: ফের রাজ্য বনাম রাজ্যপাল! শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যকে মন্ত্রিসভা থেকে সরানোর সুপারিশ বোসের

    কী নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত?

    ঠিক কী কারণে এই পদক্ষেপ? দিন কয়েক আগে মালদার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী উপাচার্যকে অপসৃত করেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই, তাঁকে পুনর্বহাল করে রাজ্য। রাজ্য-রাজ্যপালের সাম্প্রতিকতম সংঘাতের (Nabanna Raj Bhawan Conflict) সূত্রপাত সেখান থেকেই। এর পর  শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়েবকুপার একটি কনভেনশনে উপস্থিত ছিলেন। ব্রাত্য বসুর সেই পদক্ষেপ নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি লঙ্ঘনের সামিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেই প্রেক্ষিতে, শিক্ষামন্ত্রীকে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। একইসঙ্গে, রিপোর্ট কার্ড পেশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্ত্ব শাসনে হস্তক্ষেপ করার কোনও এক্তিয়ার রাজ্য সরকারের নেই বলে মনে করিয়ে দেওয়া আচার্য তথা রাজ্যপালের তরফে। সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, উপাচার্য নিয়োগ বা পুনর্বহালের ক্ষমতাই নেই রাজ্যের। রাজভবনের বিবৃতিতে সুপ্রিম কোর্ট এবং হাই কোর্টের আদেশের কথা উল্লেখ করে আচার্যের ক্ষমতা ‘স্মরণ’ করানো হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজে গতি আনতে ‘স্পিড প্রোগ্রাম’! নয়া নির্দেশিকা রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজে গতি আনতে ‘স্পিড প্রোগ্রাম’! নয়া নির্দেশিকা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালগুলির কাজে গতি আনতে নতুন কর্মসূচির কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে দ্রুত ও কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই ‘স্পিড প্রোগ্রাম’ চালু করার কথা ভেবেছেন আচার্য। একই সঙ্গে রাজভবনে রিয়েল টাইম মনিটরিং সেল চালু করার কথাও বলা হয়েছে।

    রাজভবনের নয়া নির্দেশিকা

    মঙ্গলবার রাতে রাজভবন থেকে প্রকাশিত ওই নির্দেশিকায় শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত ২৫টি কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, বকেয়া কাজগুলি চিহ্নিত করে সেগুলি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শেষ করার জন্য একটি পরামর্শদাতা কমিটি গড়ার কথাও জানিয়েছেন আচার্য। থাকবে ২৫ সদস্যের শিক্ষক নির্বাচন কমিটিও। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাজের মূল্যায়নের জন্য রাজভবনে একটি ‘রিয়েলটাইম মনিটরিং সেল’ও স্থাপন করা হয়েছে। উপাচার্যেরা যে কোনও সময় আচার্য বোসের ওই মনিটরিং সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। দিনের ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকবে ওই টেলিফোন নম্বর (০৩৩-২২০০১৬৪২) পাশাপাশি ই-মেলে (aamnesaamne.rajbhavankolkata@gmail.com) অভিযোগ জানাতে পারা যাবে ওই মনিটরিং সেলকে। 

    আরও পড়ুন: শতবর্ষ পেরিয়েও সমান জনপ্রিয় সিউড়ির তাঁতিপাড়ার জিলিপি! লুকিয়ে কোন রহস্য?

    উপাচার্য নিয়োগ বিল নিয়ে মামলা

    বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসংস্কৃতি ফেরাতে মরিয়া রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজ্যে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য নিয়োগ করেছেন তিনি। এদিকে উপাচার্য নিয়োগ বিল মামলায় রাজ্যপালের অফিসের কাছে হলফনামা চেয়েছে হাইকোর্ট। ৪ অক্টোবরের মধ্যে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। ২০২২ সালে জুন মাস উপাচার্য নিয়োগ বিল পাস হয় বিধানসভায়। এরপর রীতিমাফিক সেই বিল রাজ্যপালের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া ওই বছরের ২৫ জুন। কিন্তু বিলে স্বাক্ষর করা তো দুরঅস্ত, রাজ্যপাল কোনও পদক্ষেপই করেননি বলে অভিযোগ। ১৪ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানি। রাজভবন সূত্রে খবর, রাজ্যপাল আদালতের নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে দিল্লি যাচ্ছি”! তির্যক মন্তব্য রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে দিল্লি যাচ্ছি”! তির্যক মন্তব্য রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই দিল্লি গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, আজ সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই জেলায় জেলায় ঘুরছেন রাজ্যপাল। ভোটে নিহত বা আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন তিনি। গিয়েছেন হাসপাতালেও। জানা যাচ্ছে, সেই রিপোর্টই তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে জমা দিতে পারেন। 

    কেন হঠাৎ দিল্লি যাত্রা?

    নির্বাচনের আগে থেকেই সক্রিয় দেখা গিয়েছে রাজ্যপালকে। নিজেকে গ্রাউন্ড জিরো রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলে অভিহিত করেছেন সিভি আনন্দ বোস। নিজের চোখে প্রত্যক্ষ করেছেন ভোট সন্ত্রাসের করুণ কাহিনি। ভোটের দিনেই প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। তার আগে আরও ১৯ জনের প্রাণ গিয়েছে এই ভোটকে কেন্দ্র করে। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভোটের বলি হিসেবে উল্লেখ করেছে মাত্র ১০ জনকে। আর ভোটের দিন প্রাণ হারিয়েছেন মাত্র ৩ জন। ময়দানে নেমে এই বৈপরীত্যও প্রত্যক্ষ করছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল বলেছেন, “এই হিংসাশ্রয়ী ভোট দেখার পর রাজ্যপাল হিসেবে যা করার করব।” একই সঙ্গে দিল্লি রওনা হওয়ার আগে রাজ্যপালের তির্যক মন্তব্য “একটু মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে আমি দিল্লি যাচ্ছি।” রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রিপোর্ট দিতে পারেন রাজ্যপাল। 

    আরও পড়ুন: আজ গান্ধীনগর থেকে রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দিতে চলেছেন এস জয়শঙ্কর

    রবিবার সন্ধ্যায় রাজভবন থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছয় রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) কনভয়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিলেন সাংবাদিকরা। তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে আসেন রাজ্যপাল। মুখে ছিল স্মিত হাসি। সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, আপনি কি রাজ্যে ৩৬৫ ধারা জারির সুপারিশ করতে দিল্লি যাচ্ছেন? রাষ্ট্রপতি শাসন জারির আবেদন জানাবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে? জবাবে রাজ্যপাল বলেন, তিনি একটু মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে চান, তাই দিল্লি পাড়ি। নিজের ব্যক্তিগত কিছু কাজও রয়েছে বলে জানান তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • CV Ananda Bose: “সিএএ দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে ভালো পদক্ষেপ”, বললেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: “সিএএ দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে ভালো পদক্ষেপ”, বললেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিএএ দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার পক্ষে ভালো পদক্ষেপ।” সোমবার দেশজুড়ে সিএএ (CAA) চালু হওয়ার পর এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। তিনি বলেন, “সংসদে পাশ হয়ে গিয়েছিল। বিধি তৈরির পর এখন কার্যকর হচ্ছে। এটা স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। সরকারের খুব ভালো পদক্ষেপ। দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও আইন-শৃঙ্খলার জন্য খুবই জরুরি।”

    কী বললেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)?

    রাজ্যপাল বলেন, “আইন পাশ হয়েছে। বিধিও তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রত্যেক সরকারের আইন মেনে কাজ করা উচিত। সিএএ (CAA) কী তা না জেনেই অনেক মন্তব্য করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, আগে সিএএ কী তা পড়ুন, ভালো করে বুঝুন, তারপর কথা বলুন। আগে বুঝুন, তারপর বলুন। রাজ্যপালের নিশানায় যে তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তা বুঝতে অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। কারণ সিএএ নিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতে (CV Ananda Bose) তিনিই সব চেয়ে বেশি সুর চড়িয়েছিলেন।

    ‘আইনের শাসন বনাম শাসকের আইন’

    এদিনও সিএএ (CAA) নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ক্যা (সিএএ) দেখিয়ে এনআরসি নিয়ে এসে এখানকার কারও নাগরিকত্ব বাতিল করা হলে আমরা চুপ করে বসে থাকব না। নো এনআরসি। এনআরসি মানতেই পারি না। আর ক্যা-এর নাম করে কাউকে ডিটেনশন ক্যাম্পে রেখে দেবে, এই চালাকিও আমরা করতে দেব না।” রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, “সিএএ বিধি এখন তৈরি করা হয়েছে। তাতে প্রমাণ হয়, কেন্দ্রে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার রয়েছে। আইনের বাইরে গিয়ে কোনও কাজ করা উচিত নয়।” এর পরেই তিনি বলেন, “এটা শাসকের আইনের বদলে আইনের শাসন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘পাক হিন্দুরা খোলা হাওয়ায় শ্বাস নিতে পারবে’’, পাক হিন্দু ক্রিকেটারের মুখে সিএএ বন্দনা

    সিএএ (CAA) কী?

    ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দিতে এই আইন চালু করেছে ভারত সরকার। এই আইনের বলে হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, পার্সি এবং খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী যাঁরা ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব দিতেই এই নয়া আইন।

    রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই আইন লাগু হওয়ায় সব চেয়ে বেশি উপকৃত হবেন মতুয়ারা। বাংলায় প্রায় ৭০টি আসনে মতুয়া ভোটই জয় পরাজয় নির্ণায়ক শক্তি। গোটা দেশে মতুয়ারা ফ্যাক্টর প্রায় ১৭০টি আসনে। সিএএ (CAA) লাগু হওয়ায় এই আসনের সিংহভাগই যে এবার গেরুয়া ঝুলিতে যাবে, তা বলাই বাহুল্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jadavpur University: রাজ্যপালের নির্দেশে পদত্যাগ করলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    Jadavpur University: রাজ্যপালের নির্দেশে পদত্যাগ করলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) অস্থায়ী উপাচার্য হিসেবে অমিতাভ দত্তকে নিয়োগ করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শুক্রবার অমিতাভ দত্ত উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। প্রশাসনিক সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে যে, রাজ্যপালের নির্দেশেই এই পদত্যাগ। প্রসঙ্গত, রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পদাধিকার বলে আচার্য হন রাজ্যপাল। 

    রাজভবনের সঙ্গে বিকাশ ভবনের দ্বন্দ্ব

    রাজভবনের সঙ্গে বিকাশ ভবনের দ্বন্দ্ব ক্রমশই বাড়তে থাকে তখন থেকে যখন উপাচার্য নিয়োগের দায়িত্ব রাজ্যপাল নিজে হাতে নেন। এই আবহে এই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক অমিতাভ দত্তকে উপাচার্যের দায়িত্ব দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। শুক্রবার তাঁর নির্দেশেই পদত্যাগ করলেন অমিতাভ দত্ত (Jadavpur University)। এবিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, ‘‘এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। উনিই তাঁকে নিয়োগ করেছিলেন। উনিই তাঁকে ইস্তফা দিতে বলেছিলেন। তা ছাড়া উনি উপাচার্যের সুযোগ সুবিধাও নিচ্ছেন না।’’ প্রসঙ্গত, শুক্রবার উপাচার্য নিয়োগ প্রক্রিয়াকে রাজ্য সরকারের হাতে রাখতে সার্চ কমিটি তৈরিতে উদ্যোগী হয়েছে শাসক দল। এবং সেই মতো বিধানসভায় পাশ করা হয়েছে একটি সংশোধনী বিল। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি (সংশোধনী) ল বিল ২০২৩’। এই আইনের দ্বারা স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করতে পারবে সরকার।  বিধানসভায় এই বিল যখন পাশ হচ্ছে তখন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সমেত বিজেপি বিধায়করা এর বিরোধিতা করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

    রাজভবনে বিজেপি বিধায়করা

    নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্য বিধানসভায় পাশ হওয়া বিল রাজ্যপাল সই করলে তখনই তা আইনে পরিণত হয়। এই আইনের দ্বারা উপাচার্য নিয়োগের যাবতীয় ক্ষমতা সরকার নিজেদের হাতে নিতে চাইছে। বিজেপির পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক তথা উত্তরবঙ্গের বিধায়ক মনোজ টিগ্গার নেতৃত্বে শুক্রবারই এক প্রতিনিধি দল রাজভবন পৌঁছায় এবং রাজ্যপালের কাছে তাঁরা অনুরোধ জানান যে ওই বিলে যাতে তিনি স্বাক্ষর না করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কে? নবান্নর কাছে তৃতীয় নাম চাইলেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কে? নবান্নর কাছে তৃতীয় নাম চাইলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে সৌরভ দাসের মেয়াদ শেষ হয়েছে রবিবার। তার পর ৪৮-ঘণ্টা কেটে গেলেও সেই জায়গায় কে বসবেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা অব্যাহত মঙ্গলবারেও। রাজ্যের পাঠানো দুটি নামের সুপারিশই খারিজ করে দিয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। সূত্রের খবর, তৃতীয় নাম চেয়ে পাঠানো হয়েছে রাজভবনের তরফে।

    তৃতীয় নাম চেয়ে পাঠালেন রাজ্যপাল

    সূত্রের খবর, রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে বসানোর পরিকল্পনা করেছিল নবান্ন। এই মর্মে ফাইল পাঠানো হয় রাজভবনে। কিন্তু, রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) প্রশ্ন করেন, কেন একজনের নাম পাঠানো হয়েছে? এর পর তড়িঘড়ি আরও একটি নাম পাঠায় রাজ্য সরকার। গত শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এই পদের জন্য উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত মুখ্যসচিব অজিতরঞ্জন বর্ধনের নাম পাঠান রাজভবনে। 

    আরও পড়ুন: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়ে নবান্নের সঙ্গে সংঘাত, ফাইল ফেরত পাঠালেন রাজ্যপাল

    তার পরও সম্মতি মেলেনি। সূত্রের খবর, দু’জনের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে নারাজ রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। তার ওপর দুটি নাম নিয়েই আপত্তি রয়েছে রাজভবনের। ফলে, রাজভবনের তরফে সোমবার, অর্থাৎ গতকাল তৃতীয় বিকল্প নাম চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যপালের এই নির্দেশে মহা ফাঁপড়ে পড়েছে নবান্ন। কারণ, তৃতীয় প্রার্থী হিসেবে কার নাম পাঠানো হবে, তা বাছতেই হিমশিম অবস্থা রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের। 

    পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা

    তার ওপর, রাজভবন সূত্রে খবর, আজ, মঙ্গলবার গোয়া যাওয়ার কথা রাজ্যপালের (CV Ananda Bose)। ২ জুন তাঁর কলকাতায় ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে, তার আগে যে কিছু হচ্ছে না, তা এক প্রকার প্রায় নিশ্চিত এদিকে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ খালি থাকায় আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। কারণ, এই কমিশন হল এক সদস্যের কমিশন। তাই নির্বাচন কমিশনারের পদটি শূন্য থাকলে পঞ্চায়েত ভোট করা সম্ভব নয়। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ কবে ঘোষণা হবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ফলে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগকে ঘিরে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত আরও বৃদ্ধি পেল বলেই মনে করছে তথ্যাভিজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share