Tag: governor cv bose

governor cv bose

  • Purvodaya Lit Fest: শুরু সাহিত্য উৎসব ‘পুর্বোদয় লিট ফেস্ট’, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির রাজ্যপাল

    Purvodaya Lit Fest: শুরু সাহিত্য উৎসব ‘পুর্বোদয় লিট ফেস্ট’, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির রাজ্যপাল

    পঙ্কজ বিশ্বাস: নানা ভাষা ও সংস্কৃতির দেশ হল ভারত। বিবিধের মাঝে মিলন মহান-এটাই ভারতের পরিচয়। এই বৈশিষ্ট্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই দু-দিন ব্যাপী সাহিত্য উৎসব শুরু হল কলকাতার আইসিসিআর প্রেক্ষাগৃহে। সাহিত্য উৎসবের নাম দেওয়া হয় পুর্বোদয় লিট ফেস্ট-২০২৫ (Purvodaya Lit Fest)। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিনব্যাপী এই সাহিত্য উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস, লেখক রাম সুধার সিং, গুঞ্জন শ্রী, বরিদ বরণ ঘোষ, অঞ্জন সাহা সহ বহু বিশিষ্ট সাহিত্যিক। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Bose) তাঁর ছাত্র জীবন এবং জেলাশাসক থাকাকালীন বেশ কিছু মজার অভিজ্ঞতার কথা স্মৃতিচারণ করেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলা বইয়ের প্রতি তাঁর অনুরাগের কথাও তুলে ধরেন।

    স্বাধীনতা আন্দোলনে সংবাদপত্র ও সাহিত্যের ভূমিকা

    এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেশের স্বাধীনতায় সাহিত্যের অবদান (Purvodaya Lit Fest) নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনাচক্রে ভারতের বিভিন্ন ভাষায় সাহিত্যিকদের অবদান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। সেই সময় লেখকরা কীভাবে বই এবং পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে ভারতীয়দের স্বাধীনতার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতেন সেই সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়। বিশেষ করে সংবাদপত্রের ভূমিকাও আলোচিত হয় এই আলোচনা চক্রে। ইংরেজ আমলে বহু স্বাধীনতা সংগ্রামী সংবাদপত্রে তাঁদের লেখনীর মাধ্যমে দেশমাতৃকার প্রতি অবদান রেখেছিলেন। আজকের যুগে সাহিত্য সেনার চেয়ে শক্তিশালী বলে মনে করেন অনেকেই। সেটা আজ যেমন বুঝতে পেরেছেন দেশের নেতৃত্ব, একথা বুঝেছিলেন স্বাধীনতার সময়কালীন লেখকরাও। এমনই বক্তব্য উঠে আসে বিভিন্ন বক্তার বক্তব্যে।

    বই বছরের পর বছর থেকে যায়, কিন্তু বৈদ্যুতিন মাধ্যম ক্ষণস্থায়ী

    ‘‘বর্তমান সময়ে সমাজ গড়ার ক্ষেত্রে সাহিত্যের অবদান অনস্বীকার্য। ডিজিটাল প্রগতিকে অস্বীকার করার উপায় নেই। বই বছরের পর বছর থেকে যায়, কিন্তু বৈদ্যুতিন মাধ্যম ক্ষণস্থায়ী’’ সেকথাও মনে করিয়ে দেন উপস্থিত সাহিত্যিকরা (Purvodaya Lit Fest)। দুদিনের অনুষ্ঠানে হিন্দি, বাংলা, ওড়িয়া, ভোজপুরি এবং মৈথিলি সাহিত্যের স্বাধীনতার সময় অবদান নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি, ওড়িয়া সাহিত্যে বর্তমানে কী ট্রেন্ড চলছে, এই প্রসঙ্গেও আলোচনা হয়। আলোচনা চক্রে উপস্থিত ছিলেন ডক্টর সুব্রত কুমার প্রুস্তি, শ্রীমতি নম্রতা চাড্ডা প্রমুখ। প্রথম দিনের দ্বিতীয় ভাগে সাহিত্যের মাধ্যমে পূর্ব ভারতের প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ, এর চ্যালেঞ্জ এবং পূর্বানুমান নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও এই সাহিত্য উৎসবে বেশ কিছু পুস্তক উন্মোচন হয়।

  • Sandeshkhali: রাতেই রাজভবনে সুকান্ত, পুলিশি নির্যাতন নিয়ে সরাসরি অভিযোগ রাজ্যপালকে

    Sandeshkhali: রাতেই রাজভবনে সুকান্ত, পুলিশি নির্যাতন নিয়ে সরাসরি অভিযোগ রাজ্যপালকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার বাইরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ধরনা, অবস্থান-বিক্ষোভ এই সমস্ত কিছুর পরেই গ্রেফতার হতে হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনের পরে সোজা তিনি আসেন রাজভবনে। রাত সাড়ে নটা নাগাদ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সমেত অন্যান্যরা। কী কথা হল রাজ্যপালের সঙ্গে? তা নিজেই জানালেন রাজভবন থেকে বের হয়ে। বালুরঘাটের সাংসদ বললেন, ‘‘আমাকে টেনে হিঁচড়ে (Sandeshkhali) পুলিশ আজ যা করল, সঙ্গে আমার নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশ আজ যে ব্যবহার করেছে, পুরো বিষয়টি রাজ্যপালের সামনে তুলে ধরেছি।’’

    ভয়ঙ্কর সন্দেশখালি

    ভয়ঙ্কর সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘আপনি ভাবলে অবাক হয়ে যাবেন, আপনার নামে জমি, কিন্তু আপনার কোনও অধিকার নেই সেই জমির উপর। আমি নিজের চোখে দেখে এলাম। সেখানে অন্য একজন ভেড়ি বানিয়ে মাছ চাষ করে খাচ্ছে, এক পয়সাও পরিবর্তে দিচ্ছে না। কলকাতা থেকে যেতে দু’ঘণ্টাও সময় লাগে না। রাজ্যের রাজধানীর উপকণ্ঠে যদি এই অবস্থা হয়, কোন জায়গায় আমরা বাস করছি!’’

    শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবিতে সন্দেশখালি থানার সামনে বিক্ষোভ

    শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবিতে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার বাইরে অবস্থানে বসেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ঘণ্টা দেড়েকেরও বেশি সময় ধরে অবস্থান বিক্ষোভ চলছিল সেখানে। এরপরই থানার ভিতর থেকে বিশাল পুলিশবাহিনীকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। টেনে হিঁচড়ে আটক করা হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। এনিয়ে বিজেপির রাজ্যসভাপতি বলেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘তৃণমূলের কোনও নেতা পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করতে পারে না। যেভাবে আমাদের টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে আসা হল… এই পুলিশ এটাই পারে। শুধুমাত্র বিরোধীদের উপর, বিজেপির উপর এই ধরনের অত্যাচার করতে পারে। শেখ শাহজাহানকে ধরার সময় পুলিশের এই সক্রিয়তা দেখা যায় না।’’ 

    লঞ্চে করে সুকান্তকে নিয়ে চড়কিপাক খেতে থাকে পুলিশ

    গ্রেফতারির পরে সুকান্ত মজুমদারকে টোটোয় চাপিয়ে পুলিশ চলে আসে ধামাখালি ঘাটে। সেখানেই পুলিশের একটি লঞ্চে চাপানো হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে। এমভি বাগদাদ নামের ওই লঞ্চে সুকান্ত মজুমদার সহ অন্যান্য বিজেপি নেতাদের নিয়ে মাঝ নদীতে চড়কিপাক খেতে থাকে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রাজ্যে এসে ৭২০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের সূচনা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: রাজ্যে এসে ৭২০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের সূচনা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাজ্যে এসে ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় সরকারের এই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে একই মঞ্চে হাজির ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ওই মঞ্চে ছিলেন।

    কোন কোন প্রকল্পের উদ্বোধন 

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) এদিনের সরকারি কর্মসূচির তালিকায় ছিল সিলিন্ডারে এলপিজি গ্যাস ভরার প্রকল্প (এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট), কলকাতা বন্দরের নতুন বেশ কয়েকটি প্রকল্প, কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের আধুনিকীকরণের প্রকল্প। এদিন রাজ্যের তিনটি রেল প্রকল্পেরও সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    সরকারি প্রকল্প উদ্বোধন করার পরে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘বাংলায় রেলের উন্নয়ন এমন হওয়া দরকার, যেমনটা দেশের অন্য রাজ্যে হয়েছে।’’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘বিকশিত ভারত গড়ার যে পরিকল্পনা রয়েছে তাতে গরিব, মহিলা এবং যুবদের সবচেয়ে বড় ভূমিকা থাকবে। দেশের ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র সীমার উপরে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের বিকাশের জন্য সাত হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস হয়েছে। এর ফলে রেল, পেট্রল এবং জলশক্তির উন্নতি হবে।’’

    বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হবে বাংলায়

    পশ্চিম মেদিনীপুরে এলপিজি বটলিং প্ল্যান্ট চালু হলে রাজ্যে বিপুল কর্মসংস্থান হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। হাওড়া, হুগলি, কামারহাটি, বরানগর প্রভৃতি এলাকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে কেন্দ্রের উদ্যোগে চালু হতে চলা প্রকল্পগুলিতে। এমনটাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রেলের উন্নয়ন সম্পর্কে মোদি বলেন, ‘‘বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরাদ্দ অতীতের তুলনায় তিন গুণ বেড়েছে। বাংলায় ১০০ স্টেশনকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে।’’ পশ্চিমবঙ্গ পাঁচটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পেয়েছে বলেও নিজের ভাষণে উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সহযোগিতায় বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্য পূর্ণ হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share