Tag: governor of west Bengal

governor of west Bengal

  • Suvendu Adhikari: ‘‘হিন্দুদের কাছে আপনি কোয়েশ্চেন মার্ক হয়ে গিয়েছেন’’, মমতাকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘হিন্দুদের কাছে আপনি কোয়েশ্চেন মার্ক হয়ে গিয়েছেন’’, মমতাকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি বিধানসভায় মহাকুম্ভকে ‘মৃত্যুকুম্ভ’ বলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মমতার (Mamata Banerjee) এই মন্তব্যে প্রবল নিন্দার ঝড় শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। প্রতিবাদ জানান সাধু-সন্তরাও। এবার এরই প্রতিবাদে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ জানালেন বিজেপি বিধায়করা। সূত্রের খবর, এদিন বিধানসভার কার্যবিবরণী থেকে মৃত্যুকুম্ভ শব্দ বাদ দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন গেরুয়া ব্রিগেডের বিধায়করা। একইসঙ্গে এই ইস্যুতে ফের একবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে চাঁচাছোলা ভাষায় তোপ দাগলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতার দাবি, ‘‘সনাতন ধর্ম যতদিন থাকবে ততদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জারি থাকবে।’’ একইসঙ্গে রাজ্যপালের বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, এটা মৃত্যুঞ্জয় মহাকুম্ভ। মানে মৃত্যুকে জয় করা যেতে পারে এই কুম্ভ থেকে। এটাই আমাদের মতো সনাতনীদের আস্থা।

    মন্তব্যের পরেও কোনও অনুশোচনা নেই, দাবি শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পরে চারিদিকে সমালোচনার ঝড় উঠলেও এখনও নির্বিকার রয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যাপক আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলায় এই ধরনের শব্দ রেকর্ডে থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘৪৮ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। কোনও তাপ-উত্তাপ নেই। কোনও অনুশোচনা নেই। রাজ্যপাল স্পিকারকে বলুন এক্সপাঞ্জ করতে। আমরা চাই না রেকর্ডে থাকুক। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাংলায় এই শব্দ রেকর্ডে থাকুক আমরা চাই না।’’

    মমতার বিরুদ্ধে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করার অভিযোগ

    একইসঙ্গে মমতার বিরুদ্ধে মুসলিমদের নিয়ে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি করার অভিযোগও তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, ‘‘রাজ্যপাল নিজে বলেছেন মৃত্যুঞ্জয় মহাকুম্ভ। মানে মৃত্যুকে জয় করা যেতে পারে এই কুম্ভ থেকে। এটা আমাদের মতো সনাতনীদের আস্থা। আর উনি বলছেন মৃত্যুকম্ভ। তাই আমাদের প্রতিবাদ জারি থাকবে। সনাতন সমাজ যতদিন থাকবে ততদিন প্রতিবাদ চলবে। আমরা আমাদের ধর্মের সঙ্গে তঞ্চকতা বিগত দিনে করিনি। আমরা রেড রোডে অন্য ধর্মের প্রার্থনায় চলে যান। সেখানে বিরক্ত হন লোকেরা। কিন্তু আপনি চলে যান ভোটের জন্য। আপনার মতলব সবাই জানে।’’

    হিন্দু ভোটে জিতেছে বিজেপি!

    এদিন সাংবাদিকদের সামনে আরও একবার স্পষ্ট ভাষায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানান যে বিজেপি জিতেছে হিন্দুদের ভোটে, জনজাতিদের ভোটে। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘আমাকে ইঙ্গিত করে অনেক কথা বলেছিলেন। নতুন হিন্দু নেতা বলেছিলেন। আমি হিন্দু ধর্মীয় নেতা নই। হিন্দু নেতা শঙ্করাচার্যরা। আখড়ার যাঁরা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। আমাদের রাজ্যে যেমন কার্তিক মহারাজরা রয়েছেন। এরা ধর্মীয় নেতা। আধ্যাত্মিক চেতনা জাগ্রত করছেন। শুভেন্দুর সাফ দাবি, মুসলিমদের ভোটে জেতেনি বিজেপি। জয় এসেছিল সনতনীদের ভোট, জনজাতিদের ভোটে।’’

    মুখ্যমন্ত্রীকে সাম্প্রদায়িক বলে আক্রমণ

    এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে ফের একবার ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গও টেনে আনেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। এর পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যাকে সাম্প্রদায়িকতা ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণের রাজনীতির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আপনি কতটা সাম্প্রদায়িক সেটা আমি নন্দীগ্রামে দেখেছি। তখন আমি নন্দীগ্রামে তাঁদের ভোট নিয়ে আপনাকে হারিয়েছি। তাই যাঁদের ভোট নিয়ে জিতেছি তাঁদের ধর্মীয় আঘাত, তাঁদের শাস্ত্রে যদি সরকার, সরকারি দল দেয় প্রতিবাদ আমরা করব। আমি তো বারেবারে বলেছি আমরা বিজেপির বিধায়করা মুসলিমদের ভোটে কেউ জিতিনি। হিন্দুদের ভোটে জিতেছি। জনজাতিরাও আমাদের ভোট দিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে আমরা দায়বদ্ধ সনাতনী এবং জনজাতিদের কাছে। এটা নিয়ে সাজাসাজির বিষয় নেই।’’

    হিন্দুদের কাছে মমতা কোয়েশ্চেন মার্ক, দাবি শুভেন্দুর

    রাজ্যের বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হিন্দু-বিরোধী বলে তোপ দাগেন বিজেপি বিধায়করা। এই আবহে বিধানসভায় দীর্ঘ ভাষণ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেনিয়েই কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় দীর্ঘ ভাষণ প্রসঙ্গে কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘‘এক ঘণ্টা বাইশ মিনিট ধরে যা খুশি বলে গেলেন। আমি ব্যানার্জি, আমি ব্রাহ্মণ, খুব ভালো লাগছে দেখে! আসলে হিন্দুদের কাছে আপনি কোয়েশ্চেন মার্ক হয়ে গিয়েছেন। তাই আপনাকে বলতে হচ্ছে আমি হিন্দু। তাই বলতে হচ্ছে আমি ব্যানার্জি পরিবার। বাধ্য হয়ে বলতে হচ্ছে আমি শিবঠাকুরের দিকে মাথা করে ঘুমাই। খুব ভালো লাগছে। আপনি লাইনে এসে গিয়েছেন।’’

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক কী বলেছিলেন?

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বিধানসভায় বক্তব্য রাখার সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ আমি নাই বা বললাম ৷ ওটা এখন মৃত্যুকুম্ভ হয়ে গিয়েছে ৷ মৃত্যুকূপের মতো ৷’’ এর পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমাজের একাংশে। মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন সাধু-সন্ত ও বিজেপি নেতারা। জেলায়-জেলায় বিক্ষোভে নামে বিজেপি। এবার মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলল গেরুয়া শিবির।

  • Governor of West bengal: ‘‘আগুন নিয়ে খেলা নয়’’, রাজ্যকে ‘পরামর্শ’ রাজ্যপালের

    Governor of West bengal: ‘‘আগুন নিয়ে খেলা নয়’’, রাজ্যকে ‘পরামর্শ’ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আগুন নিয়ে খেলা নয়।” রাজ্য সরকারকে এমনই জানিয়ে দিলেন রাজ্যপাল (Governor of West bengal) সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। অগ্নি সুরক্ষা মোকাবিলায় শুক্রবার পাঁচ পাতার বিবৃতি দিয়েছে রাজভবন। সেই বিবৃতিরই এক জায়গায় লেখা রয়েছে আগুন নিয়ে না খেলার ‘পরামর্শ’। রাজভবনের এই বিবৃতিতে শোরগোল প্রশাসনের অন্দরে। দিন কয়েক আগে রাজভবনের কাছে শরাফ হাউসে আগুন লাগে। জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় শ্যামসুন্দর সাহা নামে এক প্রৌঢ়ের। এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল। রাজভবনের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “শরাফ হাউসের আগুন লাগার ঘটনায় যাদের ত্রুটি রয়েছে এবং একটি মূল্যবান প্রাণহানির জন্য নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের পদক্ষেপ করা উচিত।”

    রাজ্যপালের (Governor of West bengal) মতে আগুন লাগার কারণ…

    শরাফ হাউসে আগুন লাগার সম্ভাব্য ১০টি কারণের উল্লেখ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor of West bengal)। এই কারণগুলির মধ্যে চতুর্থ কারণটি হল, “ইচ্ছে করেও আগুন লাগাতে পারেন কেউ। নেপথ্যে অনেক কারণ থাকতে পারে। এমনকী বীমা পাওয়ার জন্যও এমন করতে পারেন কেউ”। আবার না জেনে ভুল করে আগুন লাগানো তো একটি কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

    কেবল তাই নয়, আগুন থেকে কীভাবে সাবধান হওয়া যায়, সেই পরামর্শও দেওয়া হয়েছে রাজভবনের তরফে জারি করা ওই বিবৃতিতে। পরামর্শগুলিকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিরোধ, প্রতিক্রিয়া এবং প্রতিকার। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সমাধানের চেয়ে সাবধানতা ভাল।’ ‘ভয় পাবেন না, শান্ত থাকুন।’ ‘ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে সতর্ক হতে হবে।’

    আরও পড়ুুন: উরি সেক্টরে পাক ড্রোন হামলা, রুখল সেনা! কাশ্মীরে জি২০ সম্মেলনে বাড়ল নিরাপত্তা

    বুধবার সকাল ১০টা নাগাদ রাজভবনের (Governor of West bengal) কাছে বিবাদী বাগ চত্বরের শরাফ হাউসের ওপরের তলায় আগুন লাগে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। দুপুর দেড়টা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও বিল্ডিংটির একটি অংশের আগুন তখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বৃহস্পতিবার ওই জায়গাটি ঠান্ডা করতে গিয়েই শ্যামসুন্দরের অর্ধদগ্ধ দেহ দেখতে পান দমকলকর্মীরা। শ্যামসুন্দর উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা ছিলেন। দেহের পাশ থেকে পুড়ে যাওয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখে শনাক্ত করা হয় তাঁকে।

    ওই দিন আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত রাজভবন ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন রাজ্যপাল। ঘণ্টা দুয়েক দাঁড়িয়ে আগুন নেভানোর কাজের তদারকি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তার পরেই এই ‘উপদেশাবলী’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: বুধে শপথ, কলকাতায় এলেন বাংলার নয়া রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: বুধে শপথ, কলকাতায় এলেন বাংলার নয়া রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাজ্যের স্থায়ী রাজ্যপাল (Governor) হিসেবে শপথ নেবেন তিনি। তার একদিন আগে মঙ্গলবার কলকাতায় পৌঁছলেন বাংলার নয়া রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। এদিন কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, শশী পাঁজা, রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং রাজ্যের ডিজিপি ও পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। তাঁকে উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। বিমানবন্দরেই নয়া রাজ্যপালকে দেওয়া হয় গার্ড অফ অনারও।

    দিন কয়েক আগে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে প্রকাশ করা হয়েছিল সি ভি আনন্দ বোসের (CV Ananda Bose) নিয়োগ সংক্রান্ত চিঠি। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর স্বাক্ষরিত সেই চিঠিতে লেখা ছিল, সি ভি আনন্দ বোসকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হল। তিনি যে দিন থেকে দায়িত্ব নেবেন, সেই দিন থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর হবে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ রাজ্যপালের বিমান অবতরণ করে। গার্ড অফ অনার সহ স্বাগত পর্ব শেষ হওয়ার পর বিমানবন্দর থেকে গাড়িতে করে রওনা দেন বাংলার নয়া রাজ্যপাল।

    সি ভি আনন্দ বোস…

    পদবি বোস হলেও বাংলার নয়া রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বাঙালি নন। কথা প্রসঙ্গে তিনি জানান, নেতাজির প্রতি ভালবাসা ও শ্রদ্ধার কারণে বোস পদবি ব্যবহার করেন তিনি ও তাঁর পরিবার। বাংলার রাজ্যপাল পদে নিযুক্ত হওয়ার আগে মেঘালয় সরকারের উপদেষ্টা পদে ছিলেন প্রাক্তন এই আইএএস। তারও আগে ছিলেন কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর সচিব। কেরল সরকারের বিভিন্ন দফতরের প্রধান সচিব হিসেবেও পালন করেছেন নানা দায়িত্ব। বাংলার নয়া রাজ্যপাল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিলিয়ে মোট পুরস্কার পেয়েছেন ২৯টি। বিভিন্ন ভাষায় লিখেছেন ৪০টি বই। এর মধ্যে কয়েকটি তো আবার বেস্টসেলারও। সুবক্তা হিসেবে পরিচিতিও রয়েছে বাংলার নয়া রাজ্যপালের।

    আরও পড়ুন: বুধবার থেকে রাজ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু মহাগুরুর! আজ, শহরে মিঠুন

    বাংলার নয়া রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে (CV Ananda Bose) স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নতুন রাজ্যপালকে নিয়ে আমাদের অনেক আশা।ওঁর সম্পর্কে যা শুনেছি, তাতে মনে হয়, উনি দারুণ কাজ করবেন। প্রসঙ্গত, উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় নির্বাচিত হওয়ার পর বাংলার অস্থায়ী রাজ্যপালের দায়িত্ব সামলেছিলেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল লা গণেশন। এবার ফের স্থায়ী রাজ্যপাল পাচ্ছে বাংলা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share