Tag: Governor R. N. Ravi

  • Governor R N Ravi: রাজ্যে নতুন সরকারের ভূমিকাকে কুর্নিশ, বাজেট অধিবেশনের শুরুতে ‘ভয়’ কাটিয়ে ভরসা ফেরার বার্তা রাজ্যপালের

    Governor R N Ravi: রাজ্যে নতুন সরকারের ভূমিকাকে কুর্নিশ, বাজেট অধিবেশনের শুরুতে ‘ভয়’ কাটিয়ে ভরসা ফেরার বার্তা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতিদমন থেকে অনুপ্রবেশকারী বিতাড়ন, বেআইনি দখল উচ্ছেদ থেকে নারী নিরাপত্তা— রাজ্যে নতুন সরকারের গত দেড় মাসের প্রায় প্রতিটি উদ্যোগই মানুষের স্বার্থে। নতুন বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশনের সূচনায় এমনই দাবি করলেন রাজ্যপাল আর এন রবি (Governor R N Ravi)। রাজ্যের নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিধানসভার প্রথম অধিবেশন শুরু হল বৃহস্পতিবার। রীতি মেনে অধিবেশনে প্রারম্ভিক ভাষণ পাঠ করলেন রাজ্যপাল। তাঁর ৩৬ মিনিটের ভাষণে বার বার প্রতিধ্বনিত হল ভয় কাটিয়ে ভরসায় ফেরার বার্তা।

    উন্নয়নের দিশায় এগোতে শুরু করেছে রাজ্য

    বৃহস্পতিবার বিধানসভায় প্রারম্ভিক ভাষণের শুরুতেই আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ দিবস (২০ জুন)-এর জন্য রাজ্যবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানান রাজ্যপাল। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “গত দেড় দশকে এই প্রথম বার পশ্চিমবঙ্গবাসী নতুন সরকারের পক্ষে স্পষ্ট জনমত দিয়েছে। রাজ্যে দীর্ঘ সময় ধরে ভয় এবং হতাশার যে বাতাবরণ ছিল, তাকে স্পষ্ট ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে রাজ্যবাসী।” রাজ্যের নতুন সরকার ইতিমধ্যে যে উন্নয়নের দিশায় এগোতে শুরু করেছে, সে কথাও তুলে ধরেন রাজ্যপাল। ভাষণে তিনি বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন সরকার জাতি ধর্ম নির্বিশেষে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন করবে। আগামীর চ্যালেঞ্জ এবং দায়িত্বের বিষয়ে আমার সরকার অবগত।” তিনি আশ্বস্ত করেন রাজ্যে সকলের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করবে নতুন সরকার। রাজ্যের প্রত্যেক সাধারণ মানুষ যাতে সম্মানের সঙ্গে স্বাধীন ভাবে দৈনন্দিন জীবন কাটাতে পারেন, তা-ও নতুন সরকার নিশ্চিত করবে বলে আশাবাদী তিনি।

    আইনের শাসন ফিরিয়ে আনাই লক্ষ্য

    রাজ্যপাল তাঁর ভাষণে স্পষ্ট জানান, নতুন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো রাজ্য থেকে সিন্ডিকেট সংস্কৃতি, তোলবাজি এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতিকে সমূলে উৎপাটন করে আইনের শাসন ফিরিয়ে আনা। রাজ্যের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলার বেশ কিছু অংশে জনবিন্যাসের পরিবর্তন (Demographic Changes) একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স বা বিএসএফ (BSF)-কে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

    নারী নির্যাতনে ‘জিরো টলারেন্স’

    নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাজ্যপাল রবি মানব পাচার ও অপরাধমূলক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। ভাষণে বিগত তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের তীব্র সমালোচনা করে রাজ্যপাল অভিযোগ করেন, আগের জমানায় সাধারণ মানুষ অভিযোগ জানিয়েও ন্যায়বিচার পাননি। চিংড়িঘাটা মেট্রো প্রকল্পের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো উন্নয়নকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে থমকে দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে রাজ্যের প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেই সেই সমস্ত থমকে থাকা মেট্রো ও পরিকাঠামো প্রকল্পগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করেছে।

    রাজ্যে নয়া শিল্প সম্ভাবনা

    রাজ্যে আগামিদিনে শিল্প সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন রাজ্যপাল। জানান, নতুন সরকার ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরির পরিকল্পনা করছে। সিঙ্গুরে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। তুলে ধরেন জলপথে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বন্দর উন্নয়নে নতুন সরকারের উদ্যোগের কথাও। অতীতে নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতির দিকে পরোক্ষ ইঙ্গিত করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, এবার থেকে সরকারি শূন্যপদগুলিতে স্বচ্ছ ও ত্রুটিহীন প্রক্রিয়ায় নিয়োগ করা হবে।

     

     

     

  • Suvendu Adhikari: রাত পোহালেই সম্প্রসারণ নয়া মন্ত্রিসভার, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: রাত পোহালেই সম্প্রসারণ নয়া মন্ত্রিসভার, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ সম্প্রসারণ হচ্ছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি মন্ত্রিসভার।  সোমবার শপথ নেবেন ৩৫ জন মন্ত্রী (35 Ministers)। রবিবারই এ কথা জানান রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট (Suvendu Adhikari)

    এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যপাল আরএন রবি (R. N. Ravi) আগামিকাল (সোমবার) সকাল ১১টায় নবান্নে নতুন মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তিনি বলেন, “আগামিকাল পশ্চিমবঙ্গের জনগণের রায়ে নির্বাচিত জাতীয়তাবাদী সরকারের একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠিত হবে। মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ৩৫ জন মন্ত্রী আগামিকাল সকাল ১১টায় নবান্নে শপথ নেবেন। মাননীয় রাজ্যপাল শ্রী আরএন রবি তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন।” জানা গিয়েছে, বিজেপির কয়েকজন প্রবীণ নেতা রাজ্য প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব পেতে চলেছেন। ১৮ মে পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি এবং নারীদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা তদন্ত ও মোকাবিলা করার জন্য দু’টি কমিশন গঠনের অনুমোদন দিয়েছে। একথাও জানান রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। দু’টি কমিশনেরই প্রধান হবেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। কমিশনগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করবে ১ জুন থেকে।

    প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি কমিশন

    মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রিসভা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে (Suvendu Adhikari) একটি কমিশন গঠনের অনুমোদন দিয়েছে, যার প্রধান হবেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিত বসু। নারীদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা নিয়ে তদন্তের জন্য একটি কমিশন গঠনের অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে, যার প্রধান হবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চ্যাটার্জি।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (35 Ministers)। তিনি বলেন, “উভয় কমিশনই ১ জুন থেকে কাজ শুরু করবে (Suvendu Adhikari)।”

     

LinkedIn
Share