Tag: Grand Old Party

Grand Old Party

  • BJP: “রাহুল গান্ধী আর প্রতারণার রাজনীতি, মিথ্যাচারের রাজনীতি সমার্থক”, তোপ বিজেপির

    BJP: “রাহুল গান্ধী আর প্রতারণার রাজনীতি, মিথ্যাচারের রাজনীতি সমার্থক”, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কর্নাটক ও হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেননি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)।” অন্তত এমনই অভিযোগ করল বিজেপি (BJP)। শনিবার কংগ্রেসের ‘যুবরাজ’কে আক্রমণ শানিয়ে গেরুয়া শিবিরের তরফে বলা হয়, রাহুল গান্ধী প্রতারণার রাজনীতিরই সমার্থক।

    ‘কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর ডিএনএ’ (BJP)

    দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে পদ্ম শিবিরের জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস কর্নাটকে ৫৯টি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। যদিও পূরণ করেছে মাত্র দুটো। শিক্ষা নিয়ে তারা যে সাতটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে, তার ছ’টাই পূরণ হয়নি। কর্মসংস্থান নিয়ে ১৫টা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। পূরণ হয়নি তার ১৪টাই।” প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করাটাই ‘কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর ডিএনএ’ বলেও আক্রমণ শানান এই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, “কর্নাটকে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মাত্র তিন শতাংশ পূরণ হয়েছে, ৯৭ শতাংশই পূরণ করতে কংগ্রেস ব্যর্থ।” গৌরবের তোপ, “কর্নাটকবাসী প্রতারিত হয়েছেন। যেখানেই কংগ্রেস ক্ষমতায় এসেছে, সেই রাজ্যের বাসিন্দারাই প্রতারিত হয়েছেন। হিমাচল প্রদেশের মানুষও প্রতারিত হয়েছেন।” তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী আর প্রতারণার রাজনীতি, মিথ্যাচারের রাজনীতি, প্রোপাগান্ডার রাজনীতি সমার্থক।”

    ‘ভনিতার রাজনীতি’

    কর্নাটকে কৃষকের আত্মহত্যা ইস্যুতে মুখ খুলেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল । এদিন সে প্রসঙ্গেও গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির নেতা রাহুলকে নিশানা করেছেন গৈরিক সৈনিক গৌরব (BJP)। তাঁর মতে, ভোট কুড়োতে ‘ভনিতার রাজনীতি’ করছেন রাহুল। বলেন, “উনি তো দিল্লিতে কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করতে পারতেন।” তিনি বলেন, “মিডিয়া রিপোর্ট বলছে কর্নাটকে ১ হাজার ২০০ কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তার পরেও কেন রাহুল গান্ধী তাঁদের জন্য একটা মিনিটও খরচ করতে পারলেন না? কেন তিনি কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বললেন না?”

    আরও পড়ুন: “মায়ের প্রাণ বাঁচানোয় মোদির কাছে কৃতজ্ঞ”, বললেন হাসিনা পুত্র

    গৌরব বলেন, “এর কারণ গান্ধীর অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র আলাদা। সেই কারণেই তিনি কর্নাটককে এমন একজন মুখ্যমন্ত্রী উপহার দিয়েছেন যিনি নিজেই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন।” বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র বলেন, “কংগ্রেস কৃষক বিরোধী, এসসি-এসটি মায় ওবিসি বিরোধীও। তারা মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয় (Rahul Gandhi)। ভোটের পর সেগুলো আর কার্যকর করে না (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengaluru: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে ব্যাগের মালিকের সন্ধানে ১০ লাখি পুরস্কার ঘোষণা এনআইএর

    Bengaluru: বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে ব্যাগের মালিকের সন্ধানে ১০ লাখি পুরস্কার ঘোষণা এনআইএর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) হোয়াইটফিল্ড এলাকায় যে ব্যাগে বিস্ফোরণ হয়েছিল, তার মালিকের সন্ধান দিতে পারলে মিলবে ওই পরিমাণ টাকা। ব্যাগটির মালিকের ছবি সম্বলিত একটি পোস্টারও সাঁটিয়েছে এনআইএ। তাতে ওই দুর্বৃত্তের সন্ধান পেলে কোন নম্বরে যোগাযোগ করতে হবে, তাও বলা হয়েছে। লেখা হয়েছে, ওই ব্যক্তির সম্পর্কে কোনও তথ্য দিতে পারলে পুরস্কৃত করা হবে। যিনি সন্ধান দেবেন, তাঁর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

    তদন্তে এনআইএ (Bengaluru)

    ১ মার্চের ওই ঘটনার তদন্তে নেমেছিল বেঙ্গালুরু পুলিশ। কিন্তু তিনদিন পরেও কাউকে গ্রেফতার করতে না পারায় তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএর হাতে। সাংসদ তেজস্বী সূর্যের দাবি (Bengaluru), বিজেপির চেষ্টার ফলেই বিস্ফোরণের তদন্তভার গিয়েছে এনআইএর হাতে। প্রসঙ্গত, ওই দিন বিস্ফোরণে অন্তত ১০জন জখম হয়েছিলেন। এলাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয় তাঁদের। চিকিৎসার খরচ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কর্নাটক সরকার।

    সিসিটিভির ফুটেজে সন্দেহভাজন

    সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখা গিয়েছে। বয়স ২৮-৩০ বছর। দুপুরের খাওয়ার সময় ক্যাফেতে ঢুকেছিল সে। রাভা ইডলির কুপনও নিয়েছিল। কিন্তু না খেয়েই ক্যাফে ছেড়ে চলে যায়। নিয়ে যায়নি তার ব্যাগটিও। এই ব্যাগেই ছিল আইইডি।

    রামেশ্বরম ক্যাফের সিইও রাঘবেন্দ্র রাও বলেন, “ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে তাই কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।” ঘটনাটি যে ব্যবসায়িক শত্রুতার জের, তা মানতে রাজি নন তিনি। ব্যবসায়িক মহলে এই ধরনের ঘটনা ঘটে না বলেও জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: নয়া ঠিকানা নিজাম প্যালেস! অবশেষে সিবিআই হেফাজতে শেখ শাহজাহান

    এদিন কংগ্রেসকেও একহাত নেন তেজস্বী। কারণ গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির তরফে বলা হয়েছিল, ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে এই ঘটনা। কংগ্রেসের বক্তব্য খারিজ করে তেজস্বী বলেন, “তাঁরা (কংগ্রেসের নেতারা) প্রায়ই নেটফ্লিক্স দেখেন। তাঁরা বেঙ্গালুরুর রেস্তরাঁর সঙ্গে কলম্বিয়া কার্টেলকে গুলিয়ে ফেলেছেন। ইডলি-বড়ার দোকানে বম্ব ব্লাস্ট হয়েছে ব্যবসায়িক শত্রুতার জেরে, এটা বলার চেয়ে হাসির খোরাক আর কী হতে পারে (Bengaluru)!”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Goa Congress: বড় ধস গোয়া কংগ্রেসে, ‘হাত’ ছেড়ে ‘পদ্ম’ ধরলেন ৮ বিধায়ক

    Goa Congress: বড় ধস গোয়া কংগ্রেসে, ‘হাত’ ছেড়ে ‘পদ্ম’ ধরলেন ৮ বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বড়সড় ধস গোয়া কংগ্রেসে (Goa Congress)। গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির (Grand Old Party) বিধায়ক রয়েছেন ১১ জন। এর মধ্যে ৮ জনই যোগ দিলেন বিজেপিতে (BJP)। এই বিধায়কদলের নেতৃত্বে রয়েছেন দিগম্বর কামাট ও মাইকেল লোবো। গোয়া বিধানসভার সদস্য সংখ্যা ৪০। তার মধ্যে কংগ্রেসের (Congress) সদস্য সংখ্যা মাত্র তিন। বর্তমানে দেশজুড়ে ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু করেছে কংগ্রেস। বর্তমানে এই কর্মসূচি চলছে কেরলে। এমতাবস্থায় দলের ভাঙনে যারপরনাই বিব্রত সোনিয়া গান্ধীর দল। কংগ্রেসের ভারত জোড়ো যাত্রা কর্মসূচিকে কটাক্ষ করে গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য, জোড়ো ইয়োর পার্টি ফার্স্ট।

    যেহেতু এক সঙ্গে আটজন কংগ্রেস ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছেন, সেহেতু এঁদের ক্ষেত্রে দল বিরোধী আইন কার্যকর হবে না। এদিন যাঁরা হাত ছেড়ে হাতে তুলে নিলেন পদ্ম, তাঁরা হলেন মাইকেল লোবোর স্ত্রী ডেলিয়া লোবো, রাজেশ ফালদেশাই, কেদার নায়েক, সংকল্প আমোনকর, অ্যালেক্সিও সেকুইরিয়া এবং রুডলফ ফার্দিনান্স। দল ছেড়ে মাইকেল লোবো বলেন, এটা হল কংগ্রেস ছোড়ো, বিজেপির সঙ্গে জোড়ো। এদিন যাঁরা দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন, তাঁদের বক্তব্য, এটা হল অপারেশেন লোটাস।

    আরও পড়ুন : রাজ্যে বিজেপি সরকার গড়লে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডিএ দিয়ে দেব! দাবি শুভেন্দুর

    এঁদের সঙ্গে এদিন দল ছেড়েছেন কামাতও। তিনি বলেন, কংগ্রেসে আমরা ভাল ছিলাম না। আমরা দেখেছি বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদের সঙ্গে কী ঘটেছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়ে দল ছেড়েছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আজাদ। এদিন সেই প্রসঙ্গই টানেন দলবদলু বিধায়করা। তাঁরা বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কাজ করব। কাজ করব গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তের সঙ্গেও। গোয়ার আরও উন্নতির জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করব।

    গোয়া বিধানসভায় মোট আসন ৪০। এর মধ্যে বিজেপির সদস্য সংখ্যা ২০। মহারাষ্ট্রবাদী গোমন্তক পার্টির সদস্য রয়েছেন দু জন। আর নির্দল রয়েছেন তিনজন। সব মিলিয়ে সরকার পক্ষে ছিলেন ২৫ জন। এদিন কংগ্রেস ভেঙে আটজন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিধানসভায় তাদের সদস্য সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩জন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Congress President Polls: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন ১৭ অক্টোবর, ফল ঘোষণা কবে জানেন?

    Congress President Polls: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন ১৭ অক্টোবর, ফল ঘোষণা কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন (Congress President Polls) হতে চলেছে নবরাত্রি উৎসবের শেষে। অক্টোবরের ১৭ তারিখে ওই নির্বাচন হওয়ার কথা। ফল ঘোষণা হবে ১৯ তারিখে। রবিবার এই ঘোষণা করা হয় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির (Grand Old Party) তরফে।

    দীর্ঘদিন ধরে খালি পড়ে রয়েছে কংগ্রেস (Congress) সভাপতির পদটি। উনিশের ভোটের আগে ওই পদে বসানো হয়েছিল রাহুল গান্ধীকে। ভোটে বিজেপির (BJP) কাছে গোহারা হারে কংগ্রেস। হারের দায় ঘাড়ে নিয়ে পদত্যাগ করেন রাহুল। তার পর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ চালাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। বয়সজনিত কারণে তিনি আর দায়িত্ব নিতে চাইছেন না। দায়িত্ব নিতে রাজি নন রাহুলও। তাই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে নয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচন।

    এদিন দুপুরে বৈঠক বসে কংগ্রেস ওয়ার্কি কমিটির। মিনিট তিরিশেকের ওই বৈঠকের শেষে দলের সেন্ট্রাল ইলেকশন অথরিটির চেয়ারম্যান মধুসূদন মিস্ত্রি জানান, সেপ্টেম্বরের ২২ তারিখে নির্বাচনী নোটিফিকেশন জারি করা হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কাজ শুরু হবে সেপ্টেম্বরের ২৪ তারিখে। চলবে ওই মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত। ৮ অক্টোবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ভোট হলে হবে ১৭ তারিখ সকাল ১০ থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত। গণনা এবং ফল ঘোষণা হবে ১৯ তারিখে।  

    শুক্রবারই কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন বর্ষীয়ান নেতা গুলাম নবি আজাদ। কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আজাদ কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ শিবির হিসেবে পরিচিত জি-২৩ গোষ্ঠীর অন্যতম মুখ ছিলেন। শুক্রবার দল ছাড়ার কারণ দর্শিয়ে সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লেখেন তিনি। ওই চিঠিতে কংগ্রেসের মেকানিজম ধ্বংস করার জন্য রাহুল গান্ধীকে নিশানা করেন তিনি।

    আরও পড়ুন : রাহুল গান্ধী রাজি না হলে কংগ্রেস সভাপতি পদে কে জানেন?

    প্রসঙ্গত, গত বছরের অক্টোবরে কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছিল পার্টির নয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে ২০২২ সালের ২১ অগাস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। পরে কংগ্রেসের একটা অংশ ভোটাভুটি এড়িয়ে রাহুলকেই ওই পদে বসানোর মরিয়া চেষ্টা করে বলে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির একটি সূত্রের খবর। ওই সূত্র মারফতই জানা গিয়েছে, এদিন পর্যন্তও ওই পদে বসতে রাজি হননি রাহুল। তাই ভোটাভুটি অনিবার্য বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Congress President Polls: দীর্ঘ হচ্ছে তালিকা, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট হতে চান আর কে কে?

    Congress President Polls: দীর্ঘ হচ্ছে তালিকা, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট হতে চান আর কে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময় যত গড়াচ্ছে ততই দীর্ঘায়িত হচ্ছে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট (Congress President) পদপ্রার্থীর তালিকা। যেহেতু এখনও পর্যন্ত লড়াইয়ের ময়দানে নেই গান্ধী (Gandhi) পরিবারের কোনও সদস্য, সেহেতু ঘোমটার আড়াল থেকে বেরিয়ে এসেছে অনেক মুখ। গান্ধী পরিবারের বিরাগভাজন হওয়ার ভয়ে যাঁরা গান্ধীদের বিরুদ্ধে লড়ার ‘সাহস’ পাচ্ছিলেন না, তাঁরাই এবার উজিয়ে এসেছেন প্রার্থী (Candidate) হতে। ফলে এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির (Grand Old Party) প্রেসিডেন্ট বাছতে অন্তত দুবার ভাবতে হবে ভোটারদের।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির (BJP) কাছে গোহারা হারে কংগ্রেস। হারের দায় স্বীকার করে সভাপতি পদে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী। সেই থেকে শূন্য পড়ে রয়েছে পদটি। অস্থায়ীভাবে কাজ চালাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। কিন্তু বয়স এবং শারীরিক অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব নিতে অপারগ বলে দলকে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এমতাবস্থায় জরুরি হয়ে পড়েছে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এখনও পর্যন্ত যা খবর, রাহুল ওই পদে লড়তে রাজি নন। সেক্ষেত্রে ওই পদে লড়ার কথা গান্ধী পরিবারের আস্থাভাজন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের। তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী হতে পারেন কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ অংশ হিসেবে খ্যাত জি-২৩র সদস্য শশী থারুর। চলতি সপ্তাহের সোমবার সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে তাঁর বাসভবনে যান শশী। প্রকাশ করেন প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার ইচ্ছে। তাঁকে ওই পদে লড়তে সবুজ সংকেত দেন সোনিয়া।

    অশোক-শশী দ্বৈরথের আবহেই শোনা যাচ্ছে আরও কয়েকটি নামও। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মণীশ তিওয়ারি এবং মধ্য প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথও। প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে চান বলে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা দ্বিগ্বিজয় সিংও। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, আপনারা কেন আমাকে এই লড়াইয়ের বাইরে রাখতে চাইছেন? তিনি এও বলেছিলেন, প্রত্যেকেরই ভোটে লড়ার অধিকার রয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে আপনারা এর উত্তর পেয়ে যাবেন।

    ২০০০ সালে সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন জিতেন্দ্র প্রসাদ। তার পর কেটে গিয়েছে এতগুলো বছর। গান্ধী পরিবারকে চ্যালেঞ্জ জানানোর সাহস দেখায়নি কেউ। এবার দেখাচ্ছেন। কারণ লড়াই হচ্ছে ‘গান্ধী’ ছাড়াই!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share