Tag: grand slam

grand slam

  • Rohan Bopanna: ‘বুড়ো’ বয়সে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে গ্র্যান্ড স্লাম জিতে রেকর্ড বোপান্নার

    Rohan Bopanna: ‘বুড়ো’ বয়সে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে গ্র্যান্ড স্লাম জিতে রেকর্ড বোপান্নার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স যে নিছকই একটি সংখ্যা মাত্র, ফের তা প্রমাণ করলেন টেনিস খেলোয়াড় রোহন বোপান্না (Rohan Bopanna)। ৪৩ বছর ১১ মাস বয়সে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে গ্র্যান্ড স্লাম পকেটে পুরলেন তিনি। পুরুষদের মধ্যে সব চেয়ে বেশি বয়সে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার নজির গড়লেন তিনি। খেলা হয়েছিল মেলবোর্নের রড লেভার এরিনায়। ম্যাথু এবডেনের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন তিনি। ফাইনালে তাঁদের লড়তে হয়েছে সিমোনে বোলেল্লি এবং আন্দ্রেয়া ভাভাসোরির সঙ্গে। শনিবার বোলেল্লি-ভাভাসোরি জুটিকে ৭-৬, ৭-৫ গেমে হারান বোপান্না-এবডেন। মিক্সড ডাবলসে একটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছিলেন বোমান্না। ডাবলসে এই প্রথম পেলেন ট্রফি। 

    গড়লেন রেকর্ড

    গ্র্যান্ড স্লাম জিতে বোমান্না ভেঙে দিয়েছেন ফরাসি খেলোয়াড় জাঁ জুলিয়েন রজারের রেকর্ড। ঠিক দু’ বছর আগে মার্সেলো আরেভোলাকে নিয়ে ফরাসি ওপেন জিতেছিলেন তিনি। তখন (Rohan Bopanna) রজারের বয়স ছিল ৪০ বছর ৯ মাস। ২০১৮ সালে ৪০ বছর ৪ মাস বয়সে ইউএস ওপেন জিতেছিলেন মাইক ব্রায়ান। ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় লিয়েন্ডার পেজ ২০১৩ সালে জিতেছিলেন ইউএস ওপেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ৪০ বছর ২ মাস।

    মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা

    অবশ্য পুরুষ-মহিলা ধরলে সব চেয়ে বেশি বয়সে গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছিলেন মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা। লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে জুটি বেঁধে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মিক্সড ডাবলস জিতেছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে তিনি যখন গ্র্যান্ড স্লাম জেতেন, তখন নাভ্রাতিলোভার বয়স ছিল ৪৬ বছর ২৬১ দিন। বোপান্নার জয়ের পরে দর্শক গ্যালারি ভেসে যায় ‘ভারত মাতা কি জয়’ চিৎকারে। বোপান্নাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন ধারাভাষ্যকার টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা, সোমদেব দেববর্মন ও পূরব রাজা। টেনিস বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক পাওয়ার টেনিসে বোপান্নার এই নজির ভাঙা মুশকিল।

    আরও পড়ুুন: দোরগোড়ায় লোকসভা ভোট, ইলেকশন ইন-চার্জ ঘোষণা নাড্ডার, বাংলার দায়িত্বে কে?

    এদিন খেলার মোড় ঘুরে যায় দ্বিতীয় সেটের একাদশতম গেমে বোপান্নাদের ব্রেক। বোলেল্লি-ভাভাসোরি সার্ভিক ব্রেক করেন তাঁরা। তার আগে পর্যন্ত নিজেদের সার্ভিস ধরে রেখেছিলেন। এই সেটও ট্রাইব্রেকারে গড়াতে চলেছে বলে মনে করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। সেই সময় তফাত গড়ে দিল বোপান্নার নেট প্লে ও এবডেনের জোরালো সার্ভিস ম্যাচ (Rohan Bopanna)। প্রসঙ্গত, শনিবারই পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপক হিসেবে বোপান্নার নাম ঘোষণা করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sania Mirza: চোখের জলে বিদায়! টেনিস জীবনের শেষ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতা হল না সানিয়ার

    Sania Mirza: চোখের জলে বিদায়! টেনিস জীবনের শেষ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতা হল না সানিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যেখানে শুরু, সেখানেই শেষ। এর থেকে ভাল মঞ্চ আর কী-ই বা হতে পারে? চাইলে আরও কিছুদিন খেলতে পারতেন, কিন্তু না! সেরা মঞ্চকেই ইতি টানার জন্য বাছলেন ভারতীয় টেনিসের রানি সানিয়া মির্জা। তবে টেনিস জীবনের শেষ বেলায় এসে জয়ের দোরগোড়ায় থামতে হল সানিয়াকে। সপ্তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতা হল না তাঁর। রোহন বোপান্নাকে নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মিক্সড ডাবলসে রানার্স-আপ হলেন তিনি। ফাইনালে ব্রাজিলের স্টেফানি-মাতোস জুটির কাছে সানিয়ারা হারলেন ৬-৭ (২-৭), ২-৬ গেমে। 

    চোখের জল ভিজল কোর্ট

    ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে মেলবোর্নের রড লেভার এরিনা থেকে নিজের যাত্রা শুরু করেছিলেন সানিয়া। তারপর কেটে গিয়েছে ১৮টি বসন্ত। সেদিনের তরুণী এখন ৩৬। সেই মেলবোর্নেই টেনিস জীবনের শেষ গ্র্যান্ড স্ল্যাম ম্যাচটা খেলে ফেললেন সানিয়া। বিদায় বেলায় চোখের জল বাঁধ মানল না ভারতীয় টেনিস সুন্দরীর। নিজে কাঁদলেন, কাঁদালেন তাঁর অসংখ্য অনুরাগীকে। ভারতের একমাত্র মহিলা টেনিস খেলোয়ার হিসেবে গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতেছেন সানিয়া। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে তিনটি ডাবলস ও তিনটি মিক্সড ডাবলস খেতাব।

    এদিন ফাইনালের পর সানিয়া বলেছেন, ‘‘আমি কাঁদছি। এটা আসলে খুশি অশ্রু। চোখের এই জল দুঃখের নয়। চাইলে আরও গোটা দুয়েক প্রতিযোগিতা খেলতেই পারতাম। ২০০৫ সালে মেলবোর্ন থেকেই টেনিস যাত্রা শুরু করেছিলাম। তখন আমার বয়স ছিল ১৮। সেরিনা উইলিয়ামসের সঙ্গে খেলেছিলাম। আমার জীবনে রড লেভার এরিনার আলাদা জায়গা রয়েছে। গ্র্যান্ড স্ল্যাম কেরিয়ার শেষ করার জন্য এর থেকে ভাল জায়গা আমার কাছে নেই।’’

    আরও পড়ুন: ফের কিউইদের বিরুদ্ধে জয় ছিনিয়ে আনল ভারত, শুভমন-রোহিতের জোড়া শতরানে বাজিমাৎ

    ফাইনালে কোর্টের পাশে স্বামী শোয়েব মালিক ছিলেন না। তিনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ খেলতে ব্যস্ত। দু’জনের সম্পর্কও সেরকম নেই। কিন্তু মা-এর সঙ্গে ছিল ছেলে। চার বছরের ইজহান মির্জা মালিক কিন্তু মাকে ফাইনালে সারাক্ষণ উৎসাহিত করেছে। ম্যাচের পর সানিয়ার মুখে শোনা গিয়েছে ছেলের কথা। সানিয়া বলেছেন, ‘‘আমার পরিবারের সকলে এখানে রয়েছে। কখনও ভাবিনি ছেলের সামনে গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল খেলতে পারব। সেটাও হল।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share