Tag: green hydrogen

green hydrogen

  • Nitin Gadkari:  ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে গভীর সহযোগিতার আহ্বান নীতিনের, জোর টেকসই ও ভবিষ্যতমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর

    Nitin Gadkari:  ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে গভীর সহযোগিতার আহ্বান নীতিনের, জোর টেকসই ও ভবিষ্যতমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ ক্ষেত্রে আরও গভীর সহযোগিতার আহ্বান জানালেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গডকরি (Nitin Gadkari)। তাঁর মতে, ব্রিকসের (BRICS) সদস্য দেশগুলির সম্মিলিত শক্তি বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবনী, অংশীদারিত্বমূলক এবং দায়িত্বশীল পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার এক অনন্য সুযোগ তৈরি করেছে।

    পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের বিবৃতি (Nitin Gadkari)

    সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রকের জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, নাগপুরে অনুষ্ঠিত ব্রিকস পরিবহণ মন্ত্রীদের বৈঠকে বিভিন্ন সদস্য দেশের পরিবহণ মন্ত্রী, প্রতিনিধিদলের প্রধান, শীর্ষ আধিকারিক এবং প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান নীতিন। তিনি জানান, এই বৈঠক উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ সহযোগিতা আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের মূল ভাবনা ‘স্থিতিশীলতা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য নির্মাণ’—এই বিষয়কে সামনে রেখেই এগোচ্ছে বলে জানান গডকরি। তাঁর কথায়, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ বা ‘সমগ্র বিশ্ব এক পরিবার’—এই ভারতীয় দর্শনের ভিত্তিতেই মানবকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী ব্রিকস পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, আধুনিক ও দক্ষ পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে পারে বলেও জানান তিনি।

    পরিবহণে জোর গডকরির

    অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে পরিবহণ ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে গডকরি বলেন, “সড়ক, রেল, সমুদ্র ও বিমান—সব ক্ষেত্রেই ভারতের দ্রুত অগ্রগতি হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক নেটওয়ার্ক ভারতের রয়েছে। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকারযুক্ত দ্রুতগামী মহাসড়ক এবং বহুমাধ্যমভিত্তিক যোগাযোগ (Nitin Gadkari) ব্যবস্থারও উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটেছে।” দিল্লি-দেরাদুন অর্থনৈতিক করিডর, সোনমার্গ সুড়ঙ্গ এবং ১০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি নতুন দ্রুতগামী মহাসড়ক নির্মাণের মতো প্রকল্পগুলির উল্লেখ করে তিনি (BRICS) জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে পরিকাঠামো উন্নয়নের সমন্বয় ঘটানোর দিকেই ভারত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণে সংকর বার্ষিক আর্থিক মডেলের সফল প্রয়োগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

    পণ্য পরিবহণের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জোর

    রেল ক্ষেত্রেও ব্যাপক আধুনিকীকরণের কথা উল্লেখ করেন গডকরি। তিনি জানান, বিস্তৃত গেজ রেলপথের প্রায় সম্পূর্ণ বিদ্যুতায়ন, বন্দে ভারত ট্রেন পরিষেবার সম্প্রসারণ, মুম্বই-আহমেদাবাদ উচ্চগতির রেল প্রকল্পের অগ্রগতি এবং নতুন পাম্বান সেতুর মতো টেকনোলজি দেশের রেল ব্যবস্থাকে নয়া উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। এছাড়া ‘সামুদ্রিক অমৃতকাল ভিশন ২০৪৭’, ‘ই-নাবিক’, ‘ই-সমুদ্র’ এবং সবুজ নৌপরিবহণ উদ্যোগের মাধ্যমে সামুদ্রিক পরিকাঠামো ও পণ্য পরিবহণের দক্ষতা বৃদ্ধির দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান (Nitin Gadkari) তিনি। টেকসই পরিবহণ ব্যবস্থার লক্ষ্যে বৈদ্যুতিক বাস পরিষেবা, সবুজ নগর পরিবহণ প্রকল্প এবং আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ সম্প্রসারণে ‘উড়ান’ প্রকল্পের সাফল্যের কথাও তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর মতে, ‘প্রধানমন্ত্রী গতি শক্তি জাতীয় মহাপরিকল্পনা’ সমন্বিত বহুমাধ্যমভিত্তিক পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পরিবহণ ব্যয় কমিয়েছে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়িয়েছে।

    কী বললেন গডকরি

    সড়ক নিরাপত্তা ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নকে সমান গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করে গডকরি বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের নগদবিহীন চিকিৎসার জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী-রাহাত’ প্রকল্প চালু হয়েছে। পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জ্য, পৌর বর্জ্য, উড়ন্ত ছাই, ইস্পাতের অবশিষ্টাংশ, বাঁশের নিরাপত্তা ব্যারিয়ার এবং ব্যবহারের অযোগ্য পুরোনো টায়ার পুনর্ব্যবহার করে সড়ক নির্মাণে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ব্রিকস দেশগুলির সামনে পরিকাঠামোয় অর্থায়ন, যানজট, দূষণ, সড়ক নিরাপত্তা এবং শেষ প্রান্ত পর্যন্ত যোগাযোগ নিশ্চিত করার মতো একাধিক অভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন গডকরি। এই সমস্যাগুলির সমাধানে পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়, দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং সবুজ হাইড্রোজেন, বৈদ্যুতিক যান, বিকল্প জ্বালানি, ডিজিটাল পরিবহণ ব্যবস্থা ও টেকসই বহুমাধ্যমভিত্তিক পরিকাঠামো নিয়ে যৌথ গবেষণার ক্ষেত্রে ভারত সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে (Nitin Gadkari)। বৈঠকের ফল নিয়ে আশাবাদী গডকরি বলেন, এই আলোচনা ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে পরিবহণ সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবসম্মত ও উদ্ভাবনী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি, পরিবেশ রক্ষা এবং (BRICS) টেকসই ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সকল সদস্য দেশকে একযোগে কাজ করার আহ্বানও জানান কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী (Nitin Gadkari)।

     

  • PM Modi: নয়া উচ্চতায় ভারত–জার্মানি সম্পর্ক, মোদি-মের্ৎসের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হল একগুচ্ছ মউ

    PM Modi: নয়া উচ্চতায় ভারত–জার্মানি সম্পর্ক, মোদি-মের্ৎসের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হল একগুচ্ছ মউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা, অভিবাসন ও কর্মী যাতায়াত, প্রযুক্তি এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে একমত হল ভারত ও জার্মানি (Germany)। এনিয়ে গুজরাটে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনও করেন দুই দেশের দুই প্রতিনিধি। যৌথ বিবৃতি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও জার্মানির মতো অর্থনীতির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা শুধু দুই দেশের জন্যই নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তাঁর কথায়, দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে এখন নতুন বৃদ্ধি ও নিরাপত্তার ফলাফলে রূপান্তরিত করার সময় এসেছে।

    সুস্পষ্ট রোডম্যাপ (PM Modi)

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশ একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির দিকে এগোচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে জার্মানির প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমানোর সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানান। অতীতে এই জটিলতাই দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পথে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত বর্তমানে প্রতিরক্ষা খাতে বৈচিত্র্য আনা এবং দেশীয় উৎপাদন জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। জার্মানির সহজতর ক্রয় প্রক্রিয়া যৌথ প্রকল্প ও সরবরাহকারী অংশগ্রহণ দ্রুততর করতে পারে। দুই দেশ অভিবাসন ও দক্ষ কর্মী যাতায়াত নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে। এর মাধ্যমে জার্মানির শ্রমবাজারের চাহিদা এবং ভারতের দক্ষ মানবসম্পদের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবে এই উদ্যোগকে অর্থনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে (PM Modi)।

    ভারত–জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    মোদি জানান, গত বছর ভারত–জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং চলতি বছর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর উদযাপিত হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক এই অংশীদারিত্বে নতুন গতি এনেছে, যার প্রভাব (Germany) পড়বে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলেও। দুই দেশ যৌথভাবে ভারত–জার্মানি সেন্টার অফ এক্সেলেন্স গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছে। এই কেন্দ্র জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে (PM Modi)। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, নগর উন্নয়ন ও আরবান মোবিলিটির ক্ষেত্রে একাধিক নতুন প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ভারত ও জার্মানির সংস্থাগুলির অংশগ্রহণে একটি বৃহৎ সবুজ হাইড্রোজেন প্রকল্পকে ভবিষ্যতের জ্বালানি ক্ষেত্রে “গেম-চেঞ্জার” হিসেবেও তুলে ধরা হয়।

    স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে চ্যান্সেলর মের্ৎসকে স্বাগত জানিয়ে মোদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ ও ম্যাডাম কামার মতো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এই সফর সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ দিচ্ছে (PM Modi)।” চ্যান্সেলর মের্ৎস বলেন, “জার্মানি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে চায়। এর আগে তিনি মহাত্মা গান্ধীর জন্মভূমিও পরিদর্শন করেন (Germany)। এই সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে একাধিক মউ স্বাক্ষরিত হয়।

  • PM Modi: “গ্রিন হাইড্রোজেনের ক্ষেত্রে আমরা ভারতকে বৈশ্বিক কেন্দ্র করব,” অঙ্গীকার মোদির

    PM Modi: “গ্রিন হাইড্রোজেনের ক্ষেত্রে আমরা ভারতকে বৈশ্বিক কেন্দ্র করব,” অঙ্গীকার মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদন, ব্যবহার ও রফতানির জন্য ভারতকে একটি বৈশ্বিক হাবে পরিণত করতে চাই।” কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বুধবার দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক গ্রিন হাইড্রোজেন (Green Hydrogen) সম্মেলনে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি গ্রিন হাইড্রোজেন ক্ষেত্রের নীতি গঠনে পরামর্শ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিজ্ঞানী সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি বিশ্বের বিজ্ঞানী সম্প্রদায়কে একত্রিত হয়ে বিভিন্ন দিক অন্বেষণ করার আহ্বান জানাচ্ছি। বিজ্ঞানী ও উদ্ভাবকরা জননীতিতে পরিবর্তনের প্রস্তাব দিতে পারেন, যা গ্রিন হাইড্রোজেন খাতকে সহায়তা করতে পারে।” এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা ভারতকে গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদন, ব্যবহার ও রফতানির জন্য একটি বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।” তিনি বলেন, “গোটা বিশ্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তাই জ্বালানি পরিবর্তন ও সাসটেনেবিলিটির দিকে পদক্ষেপ করা প্রয়োজন।”

    গ্রিন এনার্জি

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গ্রিন এনার্জি সম্পর্কিত প্যারিস চুক্তির প্রতিশ্রুতি পূরণের ক্ষেত্রে ভারত জি-২০ দেশগুলোর মধ্যে প্রথম।” তিনি (PM Modi) বলেন, “এই প্রতিশ্রুতিগুলি ২০৩০ সালের লক্ষ্য থেকে ন’বছর আগে পূরণ করা হয়েছে। ভারতে নন-ফাইনান্সিয়াল জীবাশ্ম জ্বালানির ক্ষমতা গত ১০ বছরে প্রায় ৩০০ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে আমাদের সৌরশক্তির ক্ষমতা তিন হাজার শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।” তিনি বলেন, “আমরা এখানেই থেমে নেই। যেসব সমাধান রয়েছে, সেগুলিকে শক্তিশালী করতে আমরা ফোকাস করছি।”

    আরও পড়ুন: “বিশ্বে ব্যবহৃত প্রতিটি ডিভাইসে থাকবে ভারতে তৈরি চিপ”, বললেন মোদি

    গ্রিন হাইড্রোজেনের উপকারিতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেসব শিল্পের ক্ষেত্রে বিদ্যুতায়ন করা কঠিন, সেই সব শিল্পকে কার্বনমুক্ত করতে সাহায্য করে এটি। গ্রিন হাইড্রোজনের ফলে উপকৃত হবে রিফাইনারি, সার, ইস্পাত, ভারী পরিবহণ এবং এ ধরনের অনেক ক্ষেত্র।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ইতিমধ্যেই জাতীয় সবুজ হাইড্রোজেন মিশন চালু করেছে, যা উদ্ভাবন, পরিকাঠামো ও বিনিয়োগকে ত্বরান্বিত করছে। আমরা উন্নত গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ (Green Hydrogen) করছি।” তিনি (PM Modi) বলেন, “শিল্প ও শিক্ষাক্ষেত্রের মধ্যে অংশীদারিত্ব গঠন করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Energy Security: প্রচলিত শক্তি উৎসের বিকল্প হতে পারে ‘হাইড্রোজেন’! উৎপাদন বাড়ছে ভারতেও

    Energy Security: প্রচলিত শক্তি উৎসের বিকল্প হতে পারে ‘হাইড্রোজেন’! উৎপাদন বাড়ছে ভারতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবেশকে যদি বাঁচানো যায় তবে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে তা পৃথিবীর জীবনকে বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম হবে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মনুষ্যজনিত কাজেই পরিবেশের ভারসাম্য সবথেকে বেশি বিঘ্নিত হয়। এই আবহে প্রচলিত শক্তির নিরাপত্তাও (Energy Security) প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে। ক্রমশই তা ফুরিয়ে আসছে বলে উদ্বেগ প্রকাশও করছেন বিজ্ঞানীরা। আবার প্রচলিত শক্তির বিপুল ব্যবহারের ফলে ভারসাম্য হারাচ্ছে পরিবেশ, বাড়ছে দূষণ। দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলিতে আবার প্রচলিত শক্তির অভাব ব্যাপক দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে, সারা বিশ্বজুড়ে এখনও পর্যন্ত সাড়ে ৬৭ কোটি মানুষ রয়েছেন যাঁদের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। ওই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, আমাদের দেশ ভারত আগামী কুড়ি বছরের বিশ্বব্যাপী শক্তির চাহিদা ২৫ শতাংশ মেটাতে সক্ষম হবে। প্রচলিত শক্তির নিরাপত্তা যখন চ্যালেঞ্জের মুখে, তখন পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি অনেক বেশি ভরসার জায়গা দেখাচ্ছে এবং বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এখন পরিবেশের ভারসাম্যকে বজায় রাখতে যতটা সম্ভব পুনর্নবীকরণ শক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। আজকের আমাদের প্রতিবেদনে শক্তি নিরাপত্তা, শক্তি নিরাপত্তায় হাইড্রোজেনের ভূমিকা এবং ভারতের প্রচেষ্টা এই নিয়ে আলোচনা করব।

    শক্তি নিরাপত্তা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শক্তি শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট জিনিস নয় তবে তা অন্য সমস্ত জিনিসের একটি মৌলিক উপাদানও বটে। অর্থাৎ বায়ু, জল, মাটি- এ সমস্ত কিছুরই মৌলিক উপাদান হল শক্তি। জোরের সঙ্গে বলা যায় যে মানব সভ্যতার বিকাশের লক্ষ্যে শক্তি নিরাপত্তা একটা মৌলিক প্রয়োজন। ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি’ ইতিমধ্যে জানিয়েছে, শক্তির উৎসকে অত্যন্ত সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে তারা। অর্থাৎ সকল মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে শক্তিকে। এমন অবস্থায় সম্পূর্ণভাবে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে শক্তির উৎসগুলি। ঠিক এই কারণেই সূর্য শক্তি, বায়ু শক্তি, জৈব বস্তু, হাইড্রোজেন ইত্যাদির মতো পুনর্নবীকরণ শক্তিগুলির ওপরে জোর দেওয়া প্রয়োজন বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। পুনর্নবীকরণ শক্তি অত্যন্ত সাশ্রয়ী। এই শক্তিগুলি পরিবেশবান্ধবও হয়। 

    বিশ্বে শক্তির ৮৪ শতাংশ আসে খনিজ তেল-কয়লা-গ্যাস থেকে 

    একটি রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে , এখনও সারা বিশ্বে শক্তির ৮৪ শতাংশ আসে খনিজ তেল, কয়লা এবং গ্যাস থেকে। তবে একথা ঠিক শক্তির উৎস সব দেশে সমান নয় এবং এক্ষেত্রে আলাদা আলাদা দেশে আলাদা আলাদা রকমের শক্তির উৎস রয়েছে। কোনওটাতে খুব বেশি, কোনওটাতে একেবারেই নেই। ঠিক এই কারণেই শক্তি সম্পদের অসম বন্টন হয়। পৃথিবীব্যাপী কয়েকটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলেই খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির উৎস হিসেবে রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সর্বোচ্চ খনিজ তেল উৎপাদনকারী দেশ হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, ইরাক এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। কয়লা উৎপাদনে চিন শীর্ষস্থান অধিকার করে। গ্যাসের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ উৎপাদনকারী দেশ হল রাশিয়া। বর্তমানে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন যুদ্ধ, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের আগ্রাসন, জ্বালানি নিরাপত্তাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

    হাইড্রোজেন কি আমাদের শক্তি নিরাপত্তা দিতে পারে?

    বিজ্ঞানীরা হাইড্রোজেনকেই ভবিষ্যতের জ্বালানি (Energy Security) হিসেবে দেখছেন। হাইড্রোজেনের ব্যবহার বাড়লে জীবাশ্ম জ্বালানি ভিত্তিক শক্তি ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা অনেকটাই কমবে। জীবাশ্ম জ্বালানি ভিত্তিক শক্তির ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য সর্বদা বিঘ্নিত হয়। পরিবেশ দূষিত হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের মত বিষয়গুলিও এর সঙ্গে সম্পর্কিত। কিন্তু হাইড্রোজেনের ব্যবহারের ফলে জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো সমস্যা থেকেও মুক্তি মিলবে বলে আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। পৃথিবীতে বেশিরভাগ হাইড্রোজেনে জলের সঙ্গে মিশে রয়েছে। হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন মিলেই জল তৈরি হয়। এভাবে জলকে বিশ্লেষণ করে হাইড্রোজেন তৈরি হতে পারে। হাইড্রোজেনকে আলাদাভাবে বিচ্ছিন্ন করার অনেক পদ্ধতি রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ইলেকট্রোলাইসিস, গ্যাসিফিকেশন ইত্যাদি। গঠনের ওপর ভিত্তি করে হাইড্রোজেনকে ধূসর, বাদামী, নীল এবং সবুজ এই হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।

    পৃথিবীর সব দেশেই সম্ভব হাইড্রোজেনের উৎপাদন 

    পৃথিবীর সব দেশেই হাইড্রোজেন উৎপাদিত (Energy Security) হতে পারে। পৃথিবীজুড়ে খনিজ তেল, গ্যাস ও কয়লা উৎপাদনে যে নির্দিষ্ট কিছু ভৌগোলিক অবস্থান রয়েছে সে প্রভাব থেকে হাইড্রোজেন মুক্ত। এর ফলে লাভবান হতে পারে উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলি। এতে শক্তি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে না। তার কারণ হাইড্রোজেন উৎপাদিত বস্তু এবং তা জল থেকেই বিভিন্ন পদ্ধতিতে বিশ্লিষ্ট হয়ে পাওয়ার যাবে। পাশাপাশি সূর্য শক্তি, বায়ু শক্তি, বায়োমাসের মতো পুনর্নবীকরণ শক্তির সাহায্যে উৎপাদিত হলে প্রকৃতিতে দূষণও ছড়াবে না হাইড্রোজেন। উৎপাদিত হাইড্রোজেনকে সাধারণভাবে সবুজ হাইড্রোজেন বলা হয়। হাইড্রোজেনের উৎপাদনের ফলে তা কাজে লাগবে পরিবহন ব্যবস্থার জ্বালানিরূপে ও শিল্পের কাজে।

    ভারত ও হাইড্রোজেন (Energy Security)

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অর্থাৎ মোদি জমানায় ভারতে অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ব্যাপক হয়েছে। অর্থনৈতিক বৃদ্ধির দিক থেকে ভারত পিছনে ফেলে দিয়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিকেও। সাধারণভাবে ভারতে যে সমস্ত শক্তির চাহিদা রয়েছে তার ৮০ শতাংশ মেটে তিনটি জ্বালানি থেকে। এগুলি, কয়লা, তেল ও বায়োমাস। এছাড়াও ভারতে ক্রমবর্ধমান যেভাবে পরিবহন চাহিদা বেড়ে চলেছে সে কারণে খনিজ তেলের ব্যবহার (Energy Security) এবং আমদানি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগত বছরগুলিতে প্রচলিত শক্তির ব্যবহার থেকে ভারত পুনর্নবীকরণ শক্তির ব্যবহারে অনেক বেশি ঝুঁকেছে। সবুজ হাইড্রোজেন ও বৈদ্যুতিক যানবাহনও বহুল পরিমাণে দেখা যাচ্ছে। ভারতে চালু হয়েছে ১৯ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকার ‘ন্যাশনাল গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন’। এর ফলে প্রতি বছর 5MMT হাইড্রোজেন উৎপাদন হবে। সবুজ হাইড্রোজেনকে বাণিজ্যিকভাবে আরও বেশি জনপ্রিয় করাই এই মিশনের লক্ষ্য। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এখনও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে ভারতকে। কারণ দেশে হাইড্রোজেন ইকোসিস্টেম এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। অর্থাৎ হাইড্রোজেন উৎপাদনের যে পরিকাঠামো তা আরও বাড়াতে হবে। সে ক্ষেত্রে জাতীয় হাইড্রোজেন মিশন, এই দিক থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। গত বছরের সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৮তম জি২০ সম্মেলন। সেখানেই একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যার নাম ছিল ‘গ্রীন হাইড্রোজেন পাইলটস ইন ইন্ডিয়া’, এখানেই ভারতের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে বাস্তবায়িত নানা গ্রিন হাইড্রোজেন প্রকল্পগুলিকে প্রদর্শন করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Green Hydrogen: কেন্দ্রের লক্ষ্য ভবিষ্যৎ জ্বালানি, ভারত হবে সবুজ হাইড্রোজেনের হাব?

    Green Hydrogen: কেন্দ্রের লক্ষ্য ভবিষ্যৎ জ্বালানি, ভারত হবে সবুজ হাইড্রোজেনের হাব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবুজ হাইড্রোজেন (Green Hydrozen) উৎপাদনে খরচ কমাতে উদ্যোগী হল ভারত (India)। সম্প্রতি এ খবর জানিয়েছেন নীতি আয়োগের সিইও (CEO)। তিনি বলেন, টিকে থাকতে গেলে এবং সাফল্য লাভ করতে হলে সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনে ভবিষ্যতে ভারতের প্রয়োজন হবে সাশ্রয়ী বিনিয়োগের বিকল্প।

    বিশ্বজুড়ে ক্রমেই বাড়ছে জ্বালানির মূল্য। এমতাবস্থায় খোঁজ চলছে সস্তার বিকল্প জ্বালানির। এই কারণেই ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে সবুজ হাইড্রোজেনের। ভবিষ্যতে নানা কাজে ব্যবহৃত হলেও, বর্তমানে কেবল অ্যামোনিয়া উৎপাদন এবং তেল পরিশোধনের কাজে লাগে হাইড্রোজেন। 

    সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন প্রক্রিয়া এখনও বেশ জটিল এবং ব্যয়বহুল। জল থেকে যে হাইড্রোজেন উৎপাদন করা হয়, তা হল সবুজ হাইড্রোজেন। এক বিশেষজ্ঞ জানান, অণু ‘এইচ-টু’ হওয়ার কারণে সব হাইড্রোজেনই আসলে এক। তবে ভিন্ন উৎপাদন প্রক্রিয়ার কারণে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমণের মাত্রা নির্ভর করে।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    জানা গিয়েছে, ভারতে বর্তমানে প্রতি কেজি সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদন করতে খরচ পড়ে পাঁচ থেকে ৬ মার্কিন ডলার। এটাকেই এক মার্কিন ডলারে নামিয়ে আনার চেষ্টা করছে ভারত সরকার। সবুজ হাইড্রোজেনই যেহেতু ভবিষ্যতের বিকল্প জ্বালানি, তাই এর উৎপাদন খরচ কমানো প্রয়োজন। সেই কারণেই উদ্যোগী হয়েছে সরকার।

    এদিকে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি বছর ১০ লক্ষ মেট্রিক টন সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার দরকার। ফরাসী সংস্থা টোটাল এনার্জিজ জানিয়েছে, ভারতের সঙ্গে সবুজ হাইড্রোজেন ইকোসিস্টেম বিকাশের চুক্তির অংশ হিসেবে আদানির ২৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব আমরা কিনেছি।

    আরও পড়ুন : পরমাণু জ্বালানি সরবরাহকারী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে মুখিয়ে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    বিশ্বের বৃহত্তম তেল ও গ্যাস উৎপাদক সংস্থা টোটাল এনার্জি। নানা কারণে সংস্থাটি পরিবেশবিদদের সমালোচনার শিকার হয়েছে। তাই নিজেদের ইমেজ বদলাতে মরিয়া সংস্থাটি গত কয়েক বছর ধরে হাইড্রোকার্বন-কেন্দ্রিক প্রক্রিয়ার পরিবর্তে তারা পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তি উৎপাদনে জোর দিচ্ছে। তাই সবুজ হাইড্রোজেন উৎপাদনে বিনিয়োগ।

LinkedIn
Share