Tag: Group Clash

Group Clash

  • South 24 Parganas: গোষ্ঠী সংঘর্ষে তৃণমূলের কর্মীকে কুপিয়ে খুন! বারুইপুরে তীব্র উত্তেজনা

    South 24 Parganas: গোষ্ঠী সংঘর্ষে তৃণমূলের কর্মীকে কুপিয়ে খুন! বারুইপুরে তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক যুবককে কুপিয়ে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বারুইপুর থানার অন্তর্গত বলবনা এলাকায়। নিহতের নাম সইদুল শেখ (৪০)। পুলিশের অনুমান, এলাকায় গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণে এই হত্যা হয়েছে। স্থানীয় মানুষের দাবি, তৃণমূলের দক্ষ সংগঠক ছিলেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর প্রচুর সম্পত্তিও বৃদ্ধি হয়েছিল। পথের কাঁটা সরাতেই কি খুন? তৃণমূলের অবশ্য অভিযোগ, বিরোধীরা খুন করেছে। পাল্টা বিজেপি অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলকেই হত্যার কারণ বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

    পরিবারের অভিযোগ (South 24 Parganas)

    নিহত সইদুল শেখের স্ত্রী মাজেদা বিবির অভিযোগ, “এলাকায় খেলার মাঠকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ ছিল। সেই বিবাদের জেরেই সইদুলকে শনিবার রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে লাঠি, রড দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। সেই সঙ্গে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপর সইদুল শেখের পরিবারের সদস্যরা রাতেই তাঁকে বারুইপুর (South 24 Parganas) মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। সেখানেই রবিবার ভোরে মৃত্যু হয় তাঁর।” সেই সঙ্গে মেয়ে রোহিণী খাতুন বলেন, “মাঠে গাড়ি চালাতে গিয়েছিল বলেই প্রথমে বচসা হয়। এরপর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বাবাকে পিছন থেকে মাথায় কোপ দেওয়া হয়। এরপর মাটিতে ফেলে ব্যাপক মারধর করে। রাজনৈতিক শত্রুতার জেরে এবং প্রতিহিংসার কারণে বাবাকে খুন করা হয়েছে।” মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছতেই সেখানে নেমে আসে শোকের ছায়া। ঘটনার খবর পেয়ে বারুইপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এই হত্যার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    বারুইপুর (South 24 Parganas) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার একটি মাঠ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছিল। সেই মাঠেই নিজের গাড়ি রেখেছিল সইদুল। আর এই কারণে আইজুল, সাদ্দাম, খোকন, কালো, সাগিররা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। এমনকি তাঁকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার চেষ্টাও করে ওই দুষ্কৃতীরা। সেই সঙ্গে মাথায় কোপও দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে পুলিশ আরও জানিয়েছে অনুমান করা হচ্ছে সইদুলের প্রতিপত্তি বাড়ছিল বিগত কয়েক বছর ধরে। সেটাই সহ্য করতে পারছিল না অভিযুক্তরা। ফলে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে তাঁকে।

    আবার স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় দক্ষ সংগঠন তৈরি করেছিল সইদুল। তাঁর নেতৃত্বেই গত পঞ্চায়েতে এই এলাকায় বিজেপি, সিপিএম দাঁত ফোটাতে পারেনি। সেই কারণেই পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূল নেতৃত্বের। এই ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    বিজেপর বক্তব্য

    এলাকার (South 24 Parganas) বিজেপির এক নেতার বক্তব্য, “এই হত্যা এলাকার তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রকাশ ছাড়া আর কিছু না। পুলিশ ঠিক করে তদন্ত করলেই সত্য উঠে আসবে। এই জেলায় যত খুন হয়েছে সব তৃণমূল নেতাদের দ্বারাই হয়েছে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা গৌতম দাস বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি-সিপিএম হারার পর থেকেই সইদুলকে টার্গেট করা হচ্ছিল। মাঠের মধ্যে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে খুন করা হইয়েছে। আমরা হত্যার বিচার চাই”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ব্যবসার বখরা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল বালি, গ্রেফতার ৪২

    TMC: ব্যবসার বখরা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তাল বালি, গ্রেফতার ৪২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তাল বালির নিশ্চিন্দা থানার কালিতলা সাহেববাগান বাগান এলাকা। ব্যবসার বখরা নিয়ে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলার শুরু হয়, এরপরে জল গড়ায় হাতাহাতি, মারামারি এবং ভাঙচুর পর্যন্ত। এই সংঘর্ষ থামাতে এলাকায় পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে উত্তেজনা থামাতে বেলুর, লিলুয় থানার পুলিশকেও মাঠে নামতে হয়। ইতি মধ্যে ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছে ৪২ জন। এলাকাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে নামানো হয়েছে বিশাল র‍্যাফ বাহিনী।

    কিভাবে ঘটল ঘটনা (TMC)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালিতলা-সাহেব বাগান এলাকার তিন তাবড় তৃণমূল (TMC) নেতাদের মধ্যে হলেন, খোকন গায়েন, ষষ্ঠী গায়েন এবং অসিত গায়েন। তিনজনেই বিশেষ সম্পর্কে ভাই তাঁরা। মূল বিবাদ হয় খোকন-ষষ্ঠীর সঙ্গে অসিতের। সোমবার ঠিক সন্ধ্যার সময় ব্যবসার বখরা নিয়ে প্রথমে মিটিং হয়। এরপর এক গোষ্ঠী অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হয়ে পড়ে। শুরু হয় ব্যাপক হাতাহাতি। অসিত নিজে দারুণ ভাবে আহত হন এবং তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রে আরও জানা গেছে ঘটনার জেরে এক পানশালায় ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। সেখানে আসা অনেক মানুষ আক্রান্ত হন বলে জানা গেছে। ষষ্ঠী গায়েন বলেন, “আমি বিষয় সম্পর্কে কিছু জানিনা। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে।”

    পুলিশের ভূমিকা

    এলাকায় তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আশে পাশের থানা থেকেও প্রচুর পুলিশ নামানো হয়। ৪২ জনকে এই ঘটনায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাতের উত্তেজনা কমলেও, মঙ্গলবার সকলে ফের আক্রান্ত গোষ্ঠীর মহিলারা অপর পক্ষের বাড়িতে হামলা করে। পরিস্থিতিকে ক্ষতিয়ে দেখতে এলাকায় পৌঁছান তৃণমূল বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ।

    বিধায়কের বক্তব্য

    ডোমজুড়ের তৃণমূল (TMC) বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, “পুলিশ এলাকায় ভালো করে কাজ করছে না। সমাজ বিরোধীরা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। এখানে প্রার্থী হয়েছিল অসিত গায়েন। বিজেপির চক্রান্তে এখানে এই গোলমালের ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসনকে বলব দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তি দিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share