Tag: Growth

Growth

  • ADB: মোদি জমানায় ঊর্ধ্বমুখী ভারতের অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করল এডিবি

    ADB: মোদি জমানায় ঊর্ধ্বমুখী ভারতের অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করল এডিবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জমানায় যে ভারতের অর্থনীতির লেখচিত্র ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী, তার ইঙ্গিত মিলেছে দেশ-বিদেশের নানা রিপোর্টে। এবার নয়া আশার বাণী শোনাল এশীয় উন্নয়ন ব্যাঙ্ক বা এডিবি (ADB)। সংস্থাটি ২০২৬ সালের জন্য ভারতের প্রবৃদ্ধির (India’s Growth) পূর্বাভাস ৬.৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করেছে ৭.২ শতাংশ। সাম্প্রতিক কর ছাড়ের ফলে ঘরোয়া চাহিদা বেড়ে যাওয়ায়ই এই উন্নীত পূর্বাভাসের মূল কারণ হিসেবে দেখেছে এই ব্যাঙ্ক। এই সংশোধন এশিয়া অঞ্চলের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসেও ইতিবাচক অবদান রাখছে। ২০২৫ সালের আঞ্চলিক পূর্বাভাস ৪.৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫.১ শতাংশ। ব্যাঙ্কটি জানিয়েছে, সরবরাহের ক্ষেত্রে উৎপাদন ও সেবা খাতে শক্তিশালী সম্প্রসারণ এবং চাহিদার ক্ষেত্রে ভোগ ও বিনিয়োগের সুস্থ সমন্বয় দেশের প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তবে, তাদের ২০২৭ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৫ শতাংশেই রয়ে গিয়েছে।

    এডিবির রিপোর্ট (ADB)

    এডিবির সদ্য প্রকাশিত এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (ডিসেম্বর ২০২৫) অনুযায়ী, “ভারতের ২০২৫ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করা হয়েছে। কারণ কর কমানোর ফলে ভোক্তা ব্যয় বাড়ায় দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হয়েছে।” জুলাই–সেপ্টেম্বর ত্রৈমাসিকে অর্থনীতি ৮.২ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গত ছয় ত্রৈমাসিকের মধ্যে দ্রুততম এবং আগের ত্রৈমাসিকের ৭.৮ শতাংশের তুলনায় বেশি। দু’টি ত্রৈমাসিক মিলিয়ে চলতি অর্থবর্ষের প্রথমার্ধেই ভারত ইতিমধ্যেই ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি করে ফেলেছে।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া

    চলতি মাসের শুরুর দিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও তাদের বার্ষিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭.৩ শতাংশ করেছে। এটি দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের আশাতীত শক্তিশালী প্রবৃদ্ধিকে প্রতিফলিত করে। তবুও তারা বছরের দ্বিতীয়ার্ধে সামান্য মন্থরের আশঙ্কা করছে। কারণ সরকারি মূলধনি ব্যয় কমবে এবং আমেরিকার চড়া শুল্ক নির্দিষ্ট রফতানি খাতে চাপ সৃষ্টি করবে। তাদের আশা, তৃতীয় ত্রৈমাসিকে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ এবং চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ৬.৫ শতাংশ হবে।

    প্রত্যাশার চেয়েও বেশি প্রবৃদ্ধি

    এডিবি আরও উল্লেখ করেছে যে, “তৃতীয় ত্রৈমাসিকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধির পর ভারতের ২০২৫ সালের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস (ADB) ০.৭ শতাংশ পয়েন্ট বাড়িয়ে ৭.২ শতাংশ করা হয়েছে, যা মূলত সাম্প্রতিক কর কমানোর ফলে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ ভোগ বৃদ্ধির দ্বারা চালিত।” প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ঝুঁকি মোটের ওপর সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়ে গিয়েছে। বলা হয়েছে, “ঝুঁকি সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছে, যেখানে বাণিজ্য উত্তেজনা তীব্র হলে এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত ধাক্কা এলে নিম্নমুখী ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে, আর যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনায় ভারতের জন্য শুল্ক হার কমে, তবে প্রবৃদ্ধি আরও বাড়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে (India’s Growth)।”

    মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাসও কমানো হয়েছে। ২০২৬ সালের অনুমান ৩.১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২.৬ শতাংশ করা হয়েছে। কারণ এতে অবদান রয়েছে অনুকূল বর্ষা, শক্তিশালী কৃষি উৎপাদন এবং জিএসটি হার সমন্বয়ের প্রভাবের। যদিও শাক-সবজি ও ডালের দাম কমায় সাম্প্রতিক সময়ে হেডলাইন-ভিত্তিক মুদ্রাস্ফীতি নেমে এসেছে। এডিবি এই বলে সতর্ক করেছে যে, ২০২৭ সালের শুরুর দিকে বেস এফেক্ট ক্ষীণ হয়ে এলে এই প্রবণতা ফের ঘুরে দাঁড়াতে পারে (ADB)।

  • PM Modi: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশাকেও ছাপিয়ে গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) দেশের অর্থনীতি (Economic Growth)। ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পূর্বাভাস ছিল ৭ শতাংশ। সেই প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গিয়েছে দেশের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের আর্থিক বৃদ্ধি। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০২৫-’২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ৮.২ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির হার খুবই উৎসাহজনক এবং সরকার সংস্কার আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং প্রতিটি নাগরিকের অনায়াস জীবনযাপনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ চালিয়ে যাবে।” জানা গিয়েছে, শিল্পে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি জিএসটির হার হ্রাসের ফলে সাধারণ মানুষ বেশি কেনাকাটা করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত এই দু’টি কারণেই আর্থিক বৃদ্ধি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

    জিডিপির এই বৃদ্ধি (PM Modi)

    বিগত ছ’টি ত্রৈমাসিকে জিডিপির এই বৃদ্ধি দেখা যায়নি। এর ঠিক আগের ত্রৈমাসিকে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৮ শতাংশ। অথচ এক বছর আগেও এই সময় বৃদ্ধি হয়েছিল ৫.৬ শতাংশ। এই বৃদ্ধিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে চতুর্থ ত্রৈমাসিকে বৃদ্ধি হয়েছিল ৮.৪ শতাংশ (PM Modi)।  এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লেখেন, “২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপির বৃদ্ধি হয়েছে ৮.২ শতাংশ। আমাদের উন্নয়নমূখী নীতি এবং স্কংস্কারকেই প্রতিফলিত করছে এই ফল। এটি দেশবাসীর কঠিন পরিশ্রমেরও প্রমাণ। তাঁদের উদ্যোগকেও প্রতিফলিত করে।” তিনি বলেন, “এটি আমাদের সরকার সংস্কারকে আরও এগিয়ে নিতে এবং প্রতিটি নাগরিকের জীবন-যাপনের মানোন্নয়ন নিশ্চিত (Economic Growth) করতে কাজ চালিয়ে যাবে। আমাদের সরকার সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাবে। শক্তিশালী করবে প্রত্যেক নাগরিকের জীবনযাত্রার মান (PM Modi)।”

    কী বললেন অর্থমন্ত্রী সীতারামন

    জিডিপির বৃদ্ধি ৮.২ শতাংশ হওয়ায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, “আজ প্রকাশিত জিডিপি অনুমানগুলি ভারতের শক্তিশালী অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির গতিশীলতা প্রদর্শন করে।” এর পরেই তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ।” সীতারামন বলেন, “২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধির হার ৮.২ শতাংশ, যা ভারতের অবস্থানকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতির দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বর্তমান অর্থবর্ষে প্রথম ছ’মাসে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধির হার নথিবদ্ধ হয়েছিল ৮ শতাংশ।” তিনি বলেন, “এই প্রবৃদ্ধি এসেছে ধারাবাহিক আর্থিক সংযম, লক্ষ্যমাত্রা ভিত্তিক সরকারি বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে। এটি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করেছে এবং অনায়াস করেছে ব্যবসা করার প্রক্রিয়া (PM Modi)।” এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী লেখেন, “বিভিন্ন উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি সূচকও ধারাবাহিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা এবং বিস্তৃতভিত্তিক ভোগ বৃদ্ধির দিকে নির্দেশ করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার এই প্রবৃদ্ধির ধারাকে অব্যাহত রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সাহায্য করে এমন সংস্কার এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (Economic Growth)।”

    কী বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল

    বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, “জিডিপির এই পরিসংখ্যান নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং স্থায়িত্বের ফল। এটি সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “এই অসাধারণ ফল নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং স্থায়িত্বের প্রতিফলন, যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধিকে শক্তিশালী করছে।”  সরকারি তথ্য বলছে, চলতি অর্থবর্ষে ২০২৫-’২৬ এর জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ভারতের বাস্তব জিডিপি ৮.২ শতাংশ বেড়েছে, যেখানে গত অর্থবর্ষের একই প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫.৬ শতাংশ (PM Modi)।

    ভারতের নামমাত্র জিডিপি

    পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের অধীনে থাকা জাতীয় পরিসংখ্যান দফতর (NSO) জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকের মোট জিডিপি ত্রৈমাসিক অনুমান প্রকাশ করেছে। তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ভারতের নামমাত্র জিডিপি ৮.৭ শতাংশ হারে বেড়েছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ক্ষেত্র ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় প্রান্তিকে বাস্তব জিডিপি বৃদ্ধির হারকে ৮.০ শতাংশের ওপরে উঠতে সাহায্য করেছে। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে উৎপাদন ৯.১ শতাংশ এবং নির্মাণ ৭.২ শতাংশ বৃদ্ধি অর্জন করেছে। এই প্রান্তিকে স্থির মূল্যে ৭.০ শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি নথিভুক্ত হয়েছে। তৃতীয় ক্ষেত্রে আর্থিক, রিয়েল এস্টেট ও পেশাগত পরিষেবা ১০.২ শতাংশ বৃদ্ধির হার ধরে রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ক্ষেত্রে স্থির মূল্যে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছে (Economic Growth)। কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাত এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস, জল সরবরাহ ও অন্যান্য ইউটিলিটি পরিষেবা খাত ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের দ্বিতীয় ক্ষেত্রে মাঝারি মাত্রার বাস্তব প্রবৃদ্ধি দেখেছে (PM Modi)।

    বাস্তব জিডিপি

    বাস্তব জিডিপি ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের প্রথমার্ধে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) ৮.০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এটি ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের প্রথমার্ধের ৬.১ শতাংশ বৃদ্ধির তুলনায় বেশি। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে ভারতের বাস্তব জিডিপি ৭.৮ শতাংশ বেড়েছে, যা আগের অর্থবর্ষের একই সময়ের ৬.৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রান্তিকে ভারতের নামমাত্র জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.৮ শতাংশ। প্রসঙ্গত, ‘বিকশিত ভারতে’র লক্ষ্য অর্থাৎ ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে, ভারতের প্রায় দশ থেকে বিশ বছর ধরে গড়ে ৮ শতাংশের মতো স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে (PM Modi)।

  • Workforce Growth: মোদি জমানায় ঊর্ধ্বমুখী কর্মসংস্থানের লেখচিত্র, জানাল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক  

    Workforce Growth: মোদি জমানায় ঊর্ধ্বমুখী কর্মসংস্থানের লেখচিত্র, জানাল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় ঊর্ধ্বমুখী কর্মসংস্থানের লেখচিত্র (Workforce Growth)। শুক্রবারই নয়া তথ্য প্রকাশ করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক। এই তথ্য থেকেই প্রকাশ (Bharat), ভারতে কর্মসংস্থান ২০১৭-১৮ সালে ৪৭.৫ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২০২৩-২৪ সালে ৬৪.৩৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এর অর্থ হল, গত ছ’বছরে নেট ১৬.৮৩ কোটি নতুন চাকরির সৃষ্টি হয়েছে। এই লাফ কেবল পরিসংখ্যানগত নয়, এটি ভারতের অর্থনীতিতে গভীর কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রতিফলন, যা সংস্কার, ডিজিটালাইজেশন এবং লক্ষ্যভিত্তিক সরকারি নীতির দ্বারা পরিচালিত। একই সঙ্গে বেকারত্বের হার ২০১৭-১৮ সালের ৬ শতাংশ থেকে কমে মাত্র ৩.২ শতাংশে নেমে এসেছে। এটি বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

    ফিউচার অব জবস রিপোর্ট ২০২৫ (Workforce Growth)

    ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ফিউচার অব জবস রিপোর্ট ২০২৫ অনুযায়ী, আগামী বছরগুলিতে বৈশ্বিক কর্মশক্তিতে নতুন প্রবেশকারীদের মধ্যে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই আসবে ভারত থেকে। ১৪০ কোটি জনসংখ্যার একটি দেশের জন্য এই সংখ্যা কেবল প্রবৃদ্ধিই নয়, স্থিতিশীলতার প্রতীকও। এটি নিশ্চিত করছে যে ভারতের তরুণ জনগোষ্ঠী জাতীয় ও বৈশ্বিক অর্থনীতির মেরুদণ্ডে পরিণত হতে পারবে। সরকার মূলত পর্যায়ক্রমিক শ্রমশক্তি সমীক্ষার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ধারা পর্যবেক্ষণ করে। এটি পরিচালনা করে জাতীয় পরিসংখ্যান দফতর। ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসের তথ্য অনুযায়ী, এই সমীক্ষায় ৩.৭৭ লক্ষ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২.১৬ লক্ষ গ্রামীণ এলাকা থেকে এবং ১.৬১ লক্ষ শহরাঞ্চল থেকে।

    শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার

    চলতি বছরের জুন থেকে অগাস্টের মধ্যে শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার ৫৪.২ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৫৫ শতাংশ। আর কর্মরত জনসংখ্যার অনুপাত ৫১.২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫২.২ শতাংশ হয়েছে (Workforce Growth)। দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিকোণ থেকে পরিবর্তন আরও নাটকীয়। ২০১৭–১৮ সালে শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার ছিল ৪৯.৮ শতাংশ, ২০২৩–’২৪ সালে এটি বেড়ে হয়েছে ৬০.১ শতাংশ। কর্মরত জনসংখ্যার অনুপাত একই সময়ে ৪৬.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৫৮.২ শতাংশ (Bharat)।এই পরিসংখ্যানগুলি থেকে এটা স্পষ্ট যে, ভারতের আরও বেশি মানুষ এখন কাজের সন্ধান করছে, এবং তাদের মধ্যে আরও অনেকে সফলভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে।

    ভারতের কর্মসংস্থানের ধরন

    ভারতের কর্মসংস্থানের ধরন আজও গভীরভাবে প্রভাবিত গ্রামীণ–শহুরে বিভাজনের দ্বারা। গ্রামীণ ভারতে কৃষি খাত এখনও কর্মসংস্থানের প্রধান উৎস। এখানে পুরুষদের ৪৪.৬ শতাংশ এবং নারীদের ৭০.৯ শতাংশ কৃষিতে নিযুক্ত। যদিও ধীরে ধীরে কৃষির বাইরের কর্মসংস্থানের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা গ্রামীণ অর্থনীতির চেহারায় বৈচিত্র্য আনছে (Workforce Growth)। শহুরে ভারতে কর্মসংস্থানের মূলভিত্তি হল পরিষেবা খাত। এখানে পুরুষদের ৬০.৬ শতাংশ এবং মহিলাদের ৬৪.৯ শতাংশ তৃতীয় খাতে কাজ করছেন — যার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে আতিথেয়তা পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত। ২০২৫ সালের এপ্রিল–জুন ত্রৈমাসিকে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী ৫৬.৪ কোটি মানুষ কর্মরত ছিলেন। এর মধ্যে ৩৯.৭ কোটি পুরুষ এবং ১৬.৭ কোটি মহিলা।

    অর্থনৈতিক আধুনিকায়নের অন্যতম সুস্পষ্ট চিহ্ন হল আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের বৃদ্ধি, যা ইপিএফও (EPFO)–এর সাবস্ক্রাইবার ডেটায় প্রতিফলিত হয়েছে (Bharat)। শুধু ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষেই ১.২৯ কোটি নতুন নেট সাবস্ক্রাইবার যুক্ত হয়েছেন, যা ২০১৮–১৯ সালের ৬১.১২ লাখের প্রায় দ্বিগুণ। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৭.৭৩ কোটি নেট সাবস্ক্রাইবার যুক্ত হয়েছেন (Workforce Growth)।

  • UN: চলতি বছরে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ছাপিয়ে যাবে আমেরিকা, চিন, ইউরোপকেও! বলছে রাষ্ট্রসংঘ

    UN: চলতি বছরে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ছাপিয়ে যাবে আমেরিকা, চিন, ইউরোপকেও! বলছে রাষ্ট্রসংঘ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় অশ্বমেধের ঘোড়ার মতো ছুটে চলেছে ভারতীয় অর্থনীতির (India) চাকা! বিশ্ব অর্থনীতির নড়বড়ে অবস্থা। অথচ ভারতের অর্থনীতি সম্পর্কে আশার বাণী শুনিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ (UN)। জানিয়ে দিয়েছে, ভারত চলতি বছরেও বিশ্বের দ্রুততম বৃদ্ধির প্রধান অর্থনীতি হিসেবে নিজের জায়গা ধরে রাখতে সক্ষম হবে। রাষ্ট্রসংঘের আশা, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের বৃদ্ধির হার হবে ৬.৩ শতাংশ।

    কী বলছে রাষ্ট্রসংঘ? (UN)

    রাষ্ট্রসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগের গ্লোবাল ইকোনমিক মনিটরিং শাখা, অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ এবং নীতি বিভাগের সিনিয়র অর্থনৈতিক বিষয়ক কর্তা ইঙ্গো পিটারলে সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “ভারত দ্রুত বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতির একটি। এটি শক্তিশালী বেসরকারি খরচ ও সরকারি বিনিয়োগের দ্বারা পরিচালিত।” যদিও ২০২৫ সালে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৩ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ব অর্থনীতি একটি অনিশ্চিত সন্ধিক্ষণে রয়েছে, যার লক্ষণ ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য উত্তেজনা এবং ক্রমবর্ধমান নীতিগত অনিশ্চয়তা। সাম্প্রতিক শুল্ক বৃদ্ধি – কার্যকর মার্কিন শুল্ক হারকে তীব্রভাবে বাড়িয়েছে – উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত এবং আর্থিক অস্থিরতা বৃদ্ধির হুমকি দিচ্ছে।

    বৃদ্ধির অনুমান

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বৃদ্ধির অনুমান ৬.৬ শতাংশ থেকে সামান্য সংশোধিত হলেও, ভারত এখনও অন্যান্য বৃহৎ অর্থনীতির তুলনায় এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। পরের বছর ভারতের অর্থনীতি ৬.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও এটি আগের প্রত্যাশার চেয়ে সামান্য কম। প্রসঙ্গত, ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য উত্তেজনা এবং নীতিগত অনিশ্চয়তার দিকে ইঙ্গিত করে রাষ্ট্রসংঘ (UN) বলেছে, বিশ্ব অর্থনীতি একটি অনিশ্চিত মুহূর্তে রয়েছে। অনেক দেশ এখন আগের অনুমানের চেয়ে ধীর গতিতে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    বিশ্বের অন্যান্য বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের সঙ্গে তুলনা করলে ভারতের পরিসংখ্যান চিত্তাকর্ষক বলেই মনে হচ্ছে। যেখানে আমেরিকার প্রবৃদ্ধি ১.৬ শতাংশ, চিনের প্রবৃদ্ধি ৪.৬ শতাংশ, জাপানের প্রবৃদ্ধি ০.৭ শতাংশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন মাত্র ১ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, সেখানে ভারত এদের চেয়ে (India) এগিয়ে রয়েছে ঢের বেশি। জার্মানির প্রবৃদ্ধি -০.১ শতাংশ দেখা যেতে পারে বলেও অনুমান রাষ্ট্রসংঘের (UN)।

  • China: প্রবৃদ্ধির গতি রোধ করতে খনিজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা চিনের! জবাবে কী করল ভারত?

    China: প্রবৃদ্ধির গতি রোধ করতে খনিজ রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা চিনের! জবাবে কী করল ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অত্যাবশ্যক খনিজ ও যন্ত্রপাতি রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে চিন (China)। ভারতের শিল্প প্রবৃদ্ধির গতি (Indias Growth) রোধ করতেই চিন অত্যাবশ্যক খনিজ ও যন্ত্রপাতির রফতানিতে বিধিনিষেধ জারি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়ামের মতো খনিজ। এগুলি সৌরশক্তি ও সেমিকন্ডাক্টরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। টানেল-বোরিং মেশিন রফতানিতেও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এই মেশিন মূলত ব্যবহৃত হয় মেট্রো নির্মাণের মতো পরিকাঠামো প্রকল্পে।

    নয়া উপায় উদ্ভাবন (China)

    তবে চিন ভারতের সাপ্লাই চেনকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করলেও, ভারতীয় আমদানিকারীরা একটি নয়া উপায় বের করে ফেলেছেন। দুবাইয়ের জেবেল আলি বন্দরের মাধ্যমে সরবরাহ করে ঝামা ঘষে দিয়েছে বেজিংয়ের মুখে। সচল রয়েছে সাপ্লাই লাইন। ২০২৩ সালের অগাস্টে চিন (China) গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়াম রফতানিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে। এই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য কেবলমাত্র ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মতো দেশগুলির ক্ষেত্রে।

    ভায়া দুবাই আমদানি

    মোদি জমানায় রকেট গতিতে এগোচ্ছে দেশ। এই প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে ওই খনিজগুলি ভারতের দ্রুত বেড়ে ওঠা রিউনিউয়েবল এনার্জি বা পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি খাতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত সৌর সেল ও মডিউল তৈরিতে। চিন ওই খনিজগুলির বিশ্বের বৃহত্তম সরবরাহকারী দেশ। এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদেরই সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে বেজিং। তার জেরে ভারতের সৌরশক্তি উৎপাদনের লক্ষ্য পূরণে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। তবে অগ্রগতি যাতে বাধাপ্রাপ্ত না হয় তাই ভারতীয় আমদানিকারীরা এই খনিজ পদার্থ ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি দুবাইয়ের মাধ্যমে আমদানি করছে ভারতে।

    জানা গিয়েছে, এখন ক্যাপিট্যাল গুডসগুলি প্রথমে আমদানি করা হয় দুবাইয়ে। সেখানে সেগুলি বিক্রি করা হয় ভারতীয় ব্যবসায়ী ও কোম্পানিগুলির কাছে। কখনও কখনও আবার লিজও দেওয়া হয়। ফলে সরাসরি এড়ানো যায় চিনের রফতানি নিষেধাজ্ঞা।

    আরও পড়ুন: সিঁদুর সরিয়ে মহিলাদের কপালে ক্রস, বিহারে ধর্মান্তকরণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩ মিশনারি

    সূত্রের খবর, দুবাই-ভিত্তিক ব্যবসায়ী বা কোম্পানিগুলি চিন থেকে যন্ত্রপাতি লিজে নেয় বা আমদানি করে। পরে সেগুলি রফতানি করে ভারতে। এই পদ্ধতি ভারতীয় কোম্পানিগুলিকে নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সাহায্য করে। এতে অবশ্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইনও লঙ্ঘিত হয় না। এই পদ্ধতির সব চেয়ে বড় ত্রুটি হল হাতফের হওয়ার দরুণ প্রকল্পের খরচ বেড়ে গিয়েছে ১০ শতাংশ পর্যন্ত। যে জিনিস আসতে ১৫ দিন লাগত, সেটাই হাত ঘুরে আসতে সময় লাগছে তিন মাস (Indias Growth)। এছাড়া, লজিস্টিকস, গুদামজাতকরণ এবং অর্থায়ন সম্পর্কিত অতিরিক্ত খরচও যুক্ত হচ্ছে (China)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Child Growth: সন্তানের বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত? মেনে চলুন এই তালিকা

    Child Growth: সন্তানের বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত? মেনে চলুন এই তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাচ্চাদের (Children) বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তিত থাকেন অনেক বাবা-মা। তাঁদের সন্তানটি লম্বা (Height) হবে তো! এই ভয় অনেককেই তাড়া করে বেড়ায়। এক্ষেত্রে সবসময়ই বিশেষজ্ঞরা খাওয়া-দাওয়ার ওপর জোর দেন। পুষ্টিকর খাবার খেলে বাচ্চাদের বৃদ্ধি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়। কিছু পরিবেশগত, জিনগত বিষয়ের ওপরেও নির্ভর করে কে কতটা লম্বা হবে। জীবনযাপনেরও অনেকটাই প্রভাব আছে এর ওপর। ভালো খাদ্যাভ্যাস অনেকটাই বাচ্চাদের লম্বা হতে সাহায্য করে। লম্বা হওয়ার জন্যে কিছু আসনেরও পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। জেনে নিন। 

    আরও পড়ুনঃ হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত
     
    ১। দেওয়ালে পেট ঠেসে রেখে দাঁড়িয়ে আঙুল দিয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করতে হবে। আস্তে আস্তে যতটা সম্ভব পায়ের আঙুলের ওপর দাঁড়াতে হবে। শরীরকে যতটা সম্ভব টানটান করতে হবে। পাঁচ- সাত মিনিট এই আসনটি করান আপনার বাচ্চাটিকে।  

    ২। দেওয়ালে পেছন করে দাঁড়াতে হবে। পা দুটিকে ফাঁকা করে হাঁটু খানিকটা শিথিল করে রাখতে হবে। এবার দুই হাত দিয়ে দেওয়াল ছুঁতে হবে। এরপর নীচু হয়ে পায়ের পাতা ছোঁয়ার চেষ্টা করতে হবে। এই আসনটিও ৫-৭ মিনিট করান আপনার সন্তানকে।

    ৩। স্কোয়াট পজিশনে শ্বাস নিন এবং শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে লাফান। 

    ৪। এরপর ভুজনাসন করুন।

    ৫। তারপর এক পা এবং দুই পায়ে যথাক্রমে পবন মুক্তাসন করুন। 

    বিশেষজ্ঞদের মতে শুধু খাদ্যই নয় বাচ্চাদের প্রকৃতির সংস্পর্শেও রাখতে হবে। তাহলেই তাদের প্রকৃত বৃদ্ধি হবে। বাচ্চার বৃদ্ধির জন্যে মুক্ত বাতাস, সূর্যালোক খুব জরুরি।  

    আরও পড়ুনঃ রোজ খান এই খাবারগুলো, থামিয়ে রাখুন ত্বকের বয়স

    এবার জেনে নিন কী কী খাওয়াবেন আপনার খুদেটিকে।

    ১। বাচ্চাদের দুধ, ঘি এবং চিনি খাওয়ানো জরুরি।

    ২। সকালের খাবারে পোহা, সবজি দিয়ে দেশী ঘি-র উপমা বানিয়ে দিতে পারেন।

    ৩। গরমকালে তরমুজসহ নানা ফল দিন।

    ৪। দুপুরের খাবারে দিতে পারেন, স্যালাড, আলুর পরোটা, মুগডাল, বাটার মিল্ক, ছাতু, লাড্ডু।

    ৫। বিকেলে খিদে পেলে দিতে পারেন ছোলা, কিসমিস বা ডাবের জল।
     
    ৬। রাতে দিন রুটি, মেশানো সবজি, পনির এবং বিভিন্ন সবজি দিয়ে তৈরি স্যুপ।

    ৭। খেয়াল রাখবেন, আপনার সন্তান যেন বেশি না খেয়ে ফেলে। খাওয়ার পরেই যেন শুতে না যায়। খেয়ে খানিকটা সময় পেরোলে তবেই বিছানায় যাওয়া উচিত। 

    ৮। সন্ধ্যে ৬.৩০-৭ টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিতে হবে।

    ৯। সঠিক বৃদ্ধি হতে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার বাচ্চাদের। 

    * ওপরের সব মতামত বিশেষজ্ঞদের। 

LinkedIn
Share