Tag: gst

gst

  • PM Modi: বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দা সারাতে পারে ভারতই, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    PM Modi: বিশ্বের অর্থনৈতিক মন্দা সারাতে পারে ভারতই, বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইটি ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরামে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। ২২ অগাস্ট তাঁর বক্তব্যে উঠে এল ভারতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক শক্তির কথা এবং তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই দেশ শুধুমাত্র পৃথিবীর দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির (Indian Economy) দিকে এগিয়ে চলেছে তা নয়, একই সঙ্গে সারা বিশ্বজুড়ে যেভাবে অর্থনীতির মন্দা দেখা দিয়েছে, সেখান থেকেও সেই পরিস্থিতিকে টেনে তুলে আনতে পারে ভারতের অর্থনীতি।

    নতুনভাবে লেখা হয়েছে ট্যাক্স আইন (PM Modi)

    তিনি তাঁর বক্তব্যে আরও জানান যে, তাঁর সরকার ভারতের ইনকাম ট্যাক্স আইনকে নতুনভাবে লিখেছে এবং বিগত ৬০ বছরের মধ্যে এই প্রথমবার হয়েছে। এই ইনকাম ট্যাক্স আইনকে (PM Modi) দেশের জনগণের জন্য অতি সরল করে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই আইন বুঝতে আর কারও অসুবিধা হচ্ছে না।
    তিনি আরও বলেন যে, যেভাবে সংস্কার চলছে তা আগামী দিনেও চলতে থাকবে। সম্প্রতি তিনি বড় ঘোষণা করেছেন জিএসটি সংস্কারের কথা এবং তা দীপাবলিতেই নয়া উপহার হিসেবে দেশবাসীকে (Indian Economy) দেবেন বলে জানিয়েছেন।

    জিসটি নিয়ে কী বললেন?

    তিনি বলেন যে, নতুন জিএসটিতে অনেক জটিল বিষয় সরল করা হয়েছে। এই নতুন জিএসটির ফলে অনেক জিনিসের দাম কমবে। এর ফলে উৎপাদন শিল্প আরও বাড়বে এবং জনগণের মধ্যে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন হবে। তাঁরা অনেক ভালোভাবেই ব্যবসা করতে পারবেন। নিজের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে, ২০১৭-র পর থেকে মুদ্রাস্ফীতি এখন সবচেয়ে কম চলছে এবং ইন্টারেস্ট রেটও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইপিএফও রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ২৪ লাখ নয়া ফর্মাল চাকরির ক্ষেত্র তৈরি করা গিয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

    প্রত্যেক মাসে বিনিয়োগকারীরা এসআইপির মাধ্যমে বিনিয়োগ করছেন

    তিনি বলেন যে, প্রত্যেক মাসে বিনিয়োগকারীরা এসআইপির মাধ্যমে বিনিয়োগ করছেন। প্রথমত স্বাধীনতা দিবসে তিনি যে কথা বলেছিলেন, নয়া দিল্লিতে ওয়ার্ল্ড লিডার্স ফোরামেও তিনি একই কথা বলেন এবং জানান যে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ খুবই জনপ্রিয় হচ্ছে এবং ভারতেই তৈরি হচ্ছে সেমিকন্ডাক্টর চিপ। একইসঙ্গে ৬জি প্রযুক্তির অগ্রগতির নিয়েও তিনি বলেন। নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারতের কথা বলেন এবং এর ভিত্তি হবে ‘আত্মনির্ভর ভারত’—তাও তিনি জানান।

    ভারতের ‘স্পোর্টস ইকোনমি’ আরও বাড়ছে

    ভারতের ‘স্পোর্টস ইকোনমি’ আরও বাড়ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই মঞ্চ থেকে তিনি প্রাইভেট কোম্পানিগুলিকে আহ্বান জানান কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, বায়োটেকনোলজি, ক্লিন এনার্জি, ব্যাটারি স্টোরেজ—এই সমস্ত বিষয়গুলিতে এগিয়ে আসার জন্য। বক্তব্যের একেবারে শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান যে, ভারত সম্পূর্ণ প্রস্তুত বিশ্বের উন্নয়নের সামনের সারিতে থাকার জন্য।

  • PM Modi: “সরলীকৃত জিএসটি ব্যবস্থা নয়া প্রজন্মের জন্য উপহার হতে চলেছে,” লালকেল্লা থেকে বললেন মোদি

    PM Modi: “সরলীকৃত জিএসটি ব্যবস্থা নয়া প্রজন্মের জন্য উপহার হতে চলেছে,” লালকেল্লা থেকে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সরলীকৃত জিএসটি (GST) ব্যবস্থা নয়া প্রজন্মের জন্য এক উপহার হতে চলেছে।” এর ফলে দেশব্যাপী করের বোঝা কমবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের সকালে লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে এই ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    জিএসটি পরিকাঠামোয় বদল (PM Modi)

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন ১১বার। আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখান থেকে ভাষণ দিলেন ১২বার। ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট ধরে বক্তৃতা দিয়েছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে এটাই তাঁর দীর্ঘতম ভাষণ। গত বছর ৯৮ মিনিট ভাষণ দিয়েছিলেন তিনি। এবছর ১০৫ মিনিট ধরে একাধিক ইস্যুতে বক্তব্য রেখেছেন মোদি। সেখানেই তিনি জানান, জিএসটি ব্যবস্থায় সরলীকরণ আনার জন্য ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে কেন্দ্র। জিএসটি পরিকাঠামোয় যে বদল আসতে পারে, সেই আভাস মিলেছিল গত জুলাইয়েই। এ বার লালকেল্লা থেকে প্রায় পৌনে দু’ঘণ্টার ভাষণে মোদি ঘোষণা করলেন, দীপাবলিতে জিএসটি পরিকাঠামোয় বদল আসছে। তিনি বলেন, “এ বারের দীপাবলি আমি আপনাদের জন্য দ্বিগুণ আনন্দের করে দিচ্ছি। এই দীপাবলিতে দেশবাসী একটি বড় উপহার পাবেন। আমরা নয়া প্রজন্মের জিএসটি সংস্কার আনছি। এর ফলে সারা দেশে করের বোঝা কমবে। দীপাবলির আগে এটিই হবে উপহার।” তিনি জানান, এই সংস্কারগুলির উদ্দেশ্য দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর করের বোঝা কমানো, যাতে নাগরিকদের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস আরও সাশ্রয়ী হয়।

    “ডাবল দীপাবলি” উপহার

    একই সঙ্গে শিল্পক্ষেত্রের জন্যও উল্লেখযোগ্য সুবিধা দেওয়া যায়। জিএসটি কার্যকর হওয়ার আট বছরের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এই পরিবর্তনগুলিকে জাতির জন্য “ডাবল দীপাবলি” উপহার হিসেবে বর্ণনা করেন। এক্স হ্যান্ডেলে সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, এটি একদিকে ভোক্তাদের জন্য স্বস্তি, অন্যদিকে ব্যবসার জন্য প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত করে (PM Modi)।  কর সংস্কারের (GST) পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ‘বিকশিত ভারত রোজগার যোজনা’ নামে যুবশক্তির ক্ষমতায়নে একটি জাতীয় কর্মসংস্থান কর্মসূচি চালু করেন। ১ লাখ কোটি টাকার বরাদ্দ নিয়ে এই কর্মসূচি যোগ্য তরুণ উপকারভোগীদের প্রতি মাসে ১৫,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দান করবে।

    এর উদ্দেশ্য হল, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সুযোগের বিস্তার এবং দেশের ক্রমবর্ধমান কর্মশক্তির জন্য দক্ষতা উন্নয়নে সাহায্য করা। এই ঘোষণাগুলি সরকারের দ্বিমুখী মনোযোগ – অর্থনৈতিক অগ্রগতি বজায় রাখা এবং কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা স্পষ্ট করে। প্রধানমন্ত্রী জানান, কর ছাড়ের সঙ্গে সরাসরি কর্মসংস্থান সহায়তা যুক্ত করে, এই উদ্যোগগুলোকে একটি সমৃদ্ধ এবং আত্মনির্ভর (GST) ভারতের পথে পরিপূরক পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে (PM Modi)।

  • IRDAI: স্বাস্থ্যবিমা, জীবনবিমায় কমতে পারে জিএসটি! এপ্রিলেই মন্ত্রী গোষ্ঠীর বৈঠক

    IRDAI: স্বাস্থ্যবিমা, জীবনবিমায় কমতে পারে জিএসটি! এপ্রিলেই মন্ত্রী গোষ্ঠীর বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যবিমায় (Health insurance) কি জিএসটি (GST) কমিয়ে আমজনতাকে স্বস্তি দিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার? সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানিয়েছিলেন, জিএসটি হ্রাস করা নিয়ে পরিকল্পনা চালাচ্ছেন তাঁরা। খুব শীঘ্রই সে সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। ভারতের বিমা নিয়ন্ত্রক ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (IRDAI) স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা প্রিমিয়ামের উপর জিএসটি হ্রাস করার বিষয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেছে। এপ্রিল মাসেই গ্রুপ অফ মিনিস্টার্সের (Ministers to Meet) বৈঠক হওয়ার কথা।

    বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা

    জানা গিয়েছে, বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বে কাউন্সিল মে মাসে তার পরবর্তী বৈঠকে প্রস্তাবগুলি বিবেচনা করতে পারে। সেইসমস্ত প্রস্তাব জিএসটি কাউন্সিলে জমা দেওয়া হবে। এর পর জিএসটি কাউন্সিল (GST Council) তার পরবর্তী বৈঠকে জীবন ও স্বাস্থ্য বিমার উপর জিএসটিতে ছাড় দেওয়া সম্ভব কিনা সেটি বিবেচনা করে দেখবে। এপ্রিলের শেষে বা মে মাসের শুরুতে মন্ত্রীদের ১৩ সদস্যের দল বৈঠকে বসতে পারে। মেয়াদী বিমার উপর ১৮ শতাংশ জিএসটি সম্পূর্ণরূপে বাতিল করার বিষয়ে রাজ্যগুলি একমত ছিল। তবে এ বিষয়ে ভারতের বিমা নিয়ন্ত্রক ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (IRDAI) কোনও মন্তব্য না করায় এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব হয়নি।

    মন্ত্রীদের দলে কারা রয়েছেন

    ১৩ সদস্যের মন্ত্রীদের দলে রয়েছেন উত্তর প্রদেশের অর্থমন্ত্রী সুরেশ কুমার খান্না, পশ্চিমবঙ্গের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কেরলের অর্থমন্ত্রী কেএন বালগোপাল, রাজস্থানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী গজেন্দ্র সিং, গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তের মতো বিশিষ্ট জনেরা ৷ তবে স্বাস্থ্য বিমা প্রিমিয়ামের উপর জিএসটি কমানো বা অব্যাহতি দেওয়ার জন্য আলোচনা এবং প্রস্তাবনা থাকলেও, ২০ মার্চ, ২০২৫ পর্যন্ত, ৫ লক্ষ টাকার বেশি কভারেজ সহ পলিসির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিমা প্রিমিয়ামের উপর ১৮ শতাংশ জিএসটি বহাল রয়েছে।

    জিএসটি কাউন্সিল-এর পরবর্তী পদক্ষেপ

    জিএসটি কাউন্সিল পরবর্তী পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছে। জিএসটি কাউন্সিল বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে এবং জীবন ও স্বাস্থ্য বীমার উপর জিএসটি হার পর্যালোচনা করার জন্য একটি মন্ত্রীগোষ্ঠী (জিওএম) কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীগোষ্ঠী প্রবীণ নাগরিকদের জন্য মেয়াদী জীবন বিমা পলিসি এবং স্বাস্থ্য বিমা পলিসির প্রিমিয়ামের উপর জিএসটি ছাড় দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

  • GST: দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    GST: দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার রেকর্ড গড়ল জিএসটি (GST) সংগ্রহ। চলতি বছরের অক্টোবরে ভারতে (India) এই প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১.৮৭ লাখ কোটি টাকা। গত বছর অক্টোবরে এর পরিমাণ ছিল ১.৭২ লাখ কোটি টাকা। শতাংশের বিচারে এবার জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ বেড়েছে ৮.৯।

    জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ (GST)

    শুক্রবার অর্থমন্ত্রকের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর ঠিক এক মাস আগে, সেপ্টেম্বরে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ১.৭৩ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত মোট জিএসটি সংগ্রহ ৯.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১২.৭৪ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে। ২০২৩ সালে এই সময় এর পরিমাণ ছিল ১১.৬৪ লাখ কোটি টাকা। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অক্টোবর মাসে কেন্দ্রীয় জিএসটি, রাজ্য জিএসটি, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি এবং সেস সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।

    ব্রেক ডাউনের মধ্যে কী কী রয়েছে

    ব্রেক ডাউনের মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় জিএসটি (GST) ৩৩,৮২১ কোটি টাকা, রাজ্য জিএসটি ৪১,৮৬৪ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি ৯৯,১১১  কোটি টাকা এবং সেস ১২,৫৫০ কোটি টাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই অক্টোবর দ্বিতীয় সেরা জিএসটি সংগ্রহের মাস হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। কারণ সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল এপ্রিল মাসে, আদায় হয়েছিল ২.১০ লাখ কোটি টাকারও বেশি।

    আরও পড়ুন: সৌদিকে টপকে ইউরোপের শীর্ষ পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহকারী দেশ এখন ভারত

    রিভিউয়ের মাসে, দেশীয় লেনদেন থেকে জিএসটি ১০.৬ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ১.৪২ লাখ কোটি টাকায়। আমদানি কর থেকে রাজস্ব প্রায় ৪ শতাংশ বেড়ে পৌঁছেছে ৪৫,০৯৬ কোটি টাকায়। গোটা মাসে ফেরত দেওয়া হয়েছে ১৯,৩০৬ কোটি টাকা। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় ১৮.২ শতাংশ বেশি।

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় জিএসটি ৩৩,৮২১ কোটি টাকা, রাজ্য জিএসটি ৪১,৮৬৪ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি ৯৯,১১১ কোটি টাকা এবং সেস ১২,৫৫০ কোটি টাকা হয়েছে। অক্টোবর ২০২৪-এ জিএসটি সংগ্রহ ছিল (India) দ্বিতীয় সর্বোত্তম মানের। সর্বোচ্চ সংগ্রহ এপ্রিল ২০২৪-এ ছিল ২.১০ লাখ কোটি টাকার বেশি (GST)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gst Council Meeting: বায়োমেট্রিক-নির্ভর আধার যাচাই চালুর সিদ্ধান্ত, জিএসটি বৈঠক শেষে জানালেন নির্মলা

    Gst Council Meeting: বায়োমেট্রিক-নির্ভর আধার যাচাই চালুর সিদ্ধান্ত, জিএসটি বৈঠক শেষে জানালেন নির্মলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভুয়ো ইনভয়েসের মাধ্যমে আধার যাচাই করা হত। তাতে রাশ টানতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে গোটা দেশে বায়োমেট্রিক-নির্ভর আধার কার্ড যাচাই প্রক্রিয়া চালুর।” শনিবার নয়াদিল্লিতে জিএসটি কাউন্সিলের ৫৩তম বৈঠকের (Gst Council Meeting) পর কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। এদিনের বৈঠকে একাধিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    জিএসটি ছাড়ের সিদ্ধান্ত (Gst Council Meeting)

    রেল ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিষেবায় জিএসটি ছাড়ের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। হস্টেল খরচ কমানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। সীতারামণ জানান, দেশজুড়ে বায়োমেট্রিক-নির্ভর আধার কার্ড যাচাই প্রক্রিয়া চালু করা হবে। গুজরাট ও পুদুচেরিতে এই প্রক্রিয়া পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছিল। তা সফল হয়েছে। এবার দেশজুড়ে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়িত করা হবে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানান, ভারতীয় রেল সাধারণ যাত্রীদের যে পরিষেবাগুলি দেয়, সেগুলিকে জিএসটির (Gst Council Meeting) আওতার বাইরে রাখা হবে।

    হস্টেলে জিএসটি নয়!

    কাউন্সিলের দেওয়া প্রস্তাব অনুযায়ী, রেলের বেশ কিছু পরিষেবায় জিএসটি ছাড় দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে প্লাটফর্ম টিকিট, ওয়েটিং রুম, রিটায়ারিং রুম এবং ব্যাটারিচালিত গাড়ি পরিষেবা। এর পাশাপাশি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যাঁরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরের হস্টেলে থাকেন বা ভবিষ্যতে থাকার কথা ভাববেন, তাঁদের জন্য জিএসটি ধার্য করা হবে না। এতদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে হস্টেলে থাকলে জিএসটি দিতে হত আবাসিকদের। নয়া প্রস্তাব গৃহীত হলে, তা আর গুণতে হবে না। কিছু ক্ষেত্রে জিএসটির পরিমাণ কমানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, সোলার কুকারের মতো পণ্যও। এতদিন সোলার কুকারের ক্ষেত্রে জিএসটি দিতে হত ১৮ শতাংশ। এই হার কমিয়ে ১২ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। কার্টন বক্সের ওপরও জিএসটির হার কমানোর প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

    আর পড়ুন: কাঁকসায় তৃণমূল সমর্থকের ছেলে জঙ্গি! গ্রেফতার করল এসটিএফ

    সীতারামণ বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার চায় পেট্রল-ডিজেলকে জিএসটির আওতায় আনতে।” তবে এনিয়ে এদিন যে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি, তাও জানিয়ে দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “জিএসটি কাউন্সিলের ফিটমেন্ট কমিটি কো-ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়ামের কাছ থেকে ফরমাল রিকোয়েস্ট পেয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এদিনের বৈঠকে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে (Gst Council Meeting)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • GST: মার্চে বাড়ল জিএসটি আদায়ের পরিমাণ, টাকার অঙ্ক শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    GST: মার্চে বাড়ল জিএসটি আদায়ের পরিমাণ, টাকার অঙ্ক শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের মার্চ মাসে জিএসটি (GST) বাবদ আদায়ের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১.৭৮ লাখ কোটি টাকা। গত বছরের মার্চ মাসের তুলনায় বৃদ্ধির পরিমাণ ১১.৫ শতাংশ। সোমবার অর্থমন্ত্রকের তরফে এ খবর জানানো হয়েছে। 

    জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ (GST)

    সদ্য সমাপ্ত অর্থবর্ষে (২০২৩-২৪) গ্রস জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ২০.১৪ লাখ কোটি টাকা। আগের অর্থবর্ষের (২০২২-২৩) তুলনায় যার পরিমাণ ১১.৭ শতাংশ বেশি।  ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে গড় মাসিক সংগ্রহ ছিল ১.৬৮ লাখ কোটি। আগের অর্থবর্ষে যা ছিল ১.৫ লাখ কোটি টাকা।

    সেই অর্থে কোনও একটি নির্দিষ্ট মাসে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণের নিরিখে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এদিন অর্থমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘২০২৩ সালের মার্চ মাসের তুলনায় ২০২৪ সালের মার্চ জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ১১.৫ শতাংশ। মাসিক ভিত্তিতে এটি এখনও পর্যন্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে মোট জিএসটি (GST) সংগ্রহ হয়েছিল ২০.১৪ লাখ কোটি টাকা। এর পরিমাণ তার আগের অর্থবর্ষের তুলনায় ১১.৭ শতাংশ বেশি।’’

    রিফান্ডের ওপর নেট জিএসটি

    জানা গিয়েছে, মার্চ মাসে রিফান্ডের ওপর নেট জিএসটি রাজস্ব এসেছে ১.৬৫ লাখ কোটি টাকা। গত বছর এই সময়ের তুলনায় এটি বৃদ্ধি পেয়েছে ১৮.৪ শতাংশ। উল্লেখ্য যে, এ পর্যন্ত সব চেয়ে বেশি জিএসটি সংগ্রহ হয়েছে গত বছরের এপ্রিলে। টাকার অঙ্কে এর পরিমাণ ১.৮৭ লাখ কোটি। ২০১৭ সালে নরেন্দ্র মোদির সরকার চালু করে জিএসটি। পুরানো পরোক্ষ কর ব্যবস্থার পরিবর্তে নতুন করে এটা চালু করা হয়। ওই বছরের ১ জুলাই চালু হয় জিএসটি। কেন্দ্রের দাবি, ৬ বছর আগে কার্যকর এই জিএসটি দেশবাসীর ওপর করের বোঝা কমাতে সাহায্য করেছে।

    আরও পড়ুুন: “মনে হল রামলালা আমায় বলছেন, দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে”, বললেন মোদি

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মার্চ মাসে জিএসটি বাবদ সরাসরি কেন্দ্রের ঘরে এসেছে ৩৪ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা। রাজ্যগুলির আয় হয়েছে ৪৩ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। সমন্বিত জিএসটি বাবদ আয় হয়েছে ৮৭ হাজার ৯৪৭ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারি মাসে জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ ১২.৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছিল ১.৬৮ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি। অর্থমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, গ্রস গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স বা জিএসটি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংগ্রহীত রাজস্বের পরিমাণ ১,৬৮,৩৩৭ কোটি টাকা, যা ২০২৩ সালের একই মাসের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে ১২.৫ শতাংশ (GST)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • GST Collections: জিএসটি থেকে রেকর্ড আয়! জানুয়ারি মাসে কোষাগারে ঢুকল ১.৭২ লক্ষ কোটি টাকা

    GST Collections: জিএসটি থেকে রেকর্ড আয়! জানুয়ারি মাসে কোষাগারে ঢুকল ১.৭২ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেটের আগেই দেশের আর্থিক খাতের জন্য সুখবর। জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ বাড়ল ১০.৪০ শতাংশ। তথ্য অনুযায়ী, নতুন বছরের প্রথম মাসে দেশে জিএসটি সংগ্রহ হয়েছে মোট ১.৭২ লক্ষ কোটি টাকা। এই পরিমাণ ১ জুলাই, ২০১৭-এ জিএসটি কার্যকর হওয়ার পর থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। 

    কত টাকা আয়

    অর্থ মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে মোট জিএসটি সংগ্রহ বার্ষিক ভিত্তিতে ১০.৪০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে জিএসটি থেকে আয় ১,৫৫,৯২২ কোটি টাকার তুলনায় ১,৭২,১২৯ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এটি এখন পর্যন্ত দ্বিতীয়-সর্বোচ্চ মাসিক সংগ্রহ চিহ্নিত করে। এর আগে গত বছরের এপ্রিলে সরকারের কোষাগারে জিএসটি বাবদ জমা পড়েছিল ১.৮৭ লক্ষ কোটি টাকা। 

    প্রধনামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শিতা

    গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স বা জিএসটি হল ভারতে পণ্য এবং পরিষেবার উপর লাগু করা কর ব্যবস্থা। ২০১৭ সালে এই পদ্ধতি চালু হয়। এর আগে দেশে পণ্য এবং পরিষেবার উপর ভ্যাট করের প্রচলন ছিল। গুডস অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স (জিএসটি) হল ভ্যাটের একটি আধুনিক ও ডিজিটাইজড রূপ, যেখানে আপনি পণ্য এবং পরিষেবাগুলিও ট্র্যাক করতে পারেন৷ ভ্যাট ও জিএসটি উভয়েরই একই ট্যাক্সেশন স্ল্যাব আছে। বর্তমানে প্রায় সব পরোক্ষ ট্যাক্সকেই জিএসটি-র আওতায় আনা হয়েছে। চলতি আর্থিক বছরের বাজেট অনুসারে, কেন্দ্র আশা করছে যে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে জিএসটি সংগ্রহ ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। বিশেষজ্ঞরা এই বৃদ্ধির জন্য বাণিজ্য সচেতনতা, কেন্দ্রে স্থিতিশীল সরকার এবং প্রধনামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শিতার কাথাই তুলে ধরছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tax Devolution: উৎসবের মরশুমে রাজ্যগুলিকে অতিরিক্ত অর্থ কেন্দ্রের, কত পেল বাংলা?

    Tax Devolution: উৎসবের মরশুমে রাজ্যগুলিকে অতিরিক্ত অর্থ কেন্দ্রের, কত পেল বাংলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের আগেই সুখবর! রাজ্যগুলিকে কর হস্তান্তরের (Tax Devolution) ৭২ হাজার ৯৬১ কোটি ২১ লক্ষ কোটি টাকা দল কেন্দ্র। এর আগে টাকা দেওয়া হয়েছিল ১১ ডিসেম্বর। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এটি অতিরিক্ত কিস্তি। ফের টাকা দেওয়া হবে ১০ জানুয়ারি।

    অতিরিক্ত কিস্তি

    প্রসঙ্গত, আয়কর সহ অন্যান্য খাতে কেন্দ্র রাজ্যগুলি থেকে যা সংগ্রহ করে, তার একটি অংশ দেওয়া হয় রাজ্যগুলিকে। প্রতি মাসের ১০ তারিখের আশপাশে দেওয়া হয় এই টাকা। সেই হিসেবে রাজ্যগুলির এই অর্থ পাওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি। তবে উৎসবের মরশুমে আগেই একটি কিস্তি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার যে অর্থ দেওয়া হল, তা অতিরিক্ত কিস্তি বলেই (Tax Devolution) জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের মন্ত্রক।

    টাকা বাঁটোয়ারার পদ্ধতি

    মনে রাখতে হবে, প্রতি অর্থবর্ষে রাজ্যগুলি থেকে কর বাবদ কেন্দ্র যা সংগ্রহ করে, তার ৪১ শতাংশই ১৪টি কিস্তিতে বণ্টন করা হয় রাজ্যগুলিকে। ২০২৩-২৪ সালের বাজেট অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে দেবে সব মিলিয়ে ১০.২১ লক্ষ কোটি টাকা। এই টাকা বাঁটোয়ারার একটা পদ্ধতি রয়েছে। কর বাবদ আয়ের টাকার কত অংশ রাজ্য পাবে, অনেকগুলি মানদণ্ডে তা ঠিক করা হয়। এরই একটি হল জনসংখ্যা। সেই নিক্তিতে উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার পেয়েছে ১৩ হাজার ৮৮ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকা।

    আরও পড়ুুন: সাড়ে ৮ হাজার পদে নিয়োগে কেলেঙ্কারি, হাইকোর্টে কবুল এসএসসির

    উত্তর প্রদেশের পরেই রয়েছে নীতিশ কুমারের বিহার। তারা পেয়েছে ৭ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা। বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশ রয়েছে তৃতীয় স্থানে। তারা পেয়েছে ৫ হাজার ৭২৭ কোটি টাকা। এই তালিকার চার নম্বরে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গ। তারা পেয়েছে ৫ হাজার ৪৮৮ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা। প্রসঙ্গত, এই যে অতিরিক্ত কিস্তি দেওয়া হয়েছে এর মধ্যে নেই জিএসটি কাঠামো অনুযায়ী রাজ্যের জন্য যে পাওনা, সেই টাকা। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে, তার মধ্যে রয়েছে (Tax Devolution) জিএসটি বাবদ বকেয়াও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indias GST: ভারতে জিএসটি আদায়ে ‘নভেম্বর বিপ্লব’, কী বললেন আইএমএফ কর্তা?

    Indias GST: ভারতে জিএসটি আদায়ে ‘নভেম্বর বিপ্লব’, কী বললেন আইএমএফ কর্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কী বলবেন একে? নভেম্বর ‘বিপ্লব’? কারণ এই নভেম্বর মাসেই জিএসটি (Indias GST) আদায়ে হয়েছে রেকর্ড। গত নভেম্বরের তুলনায় এবার জিএসটি আদায় হয়েছে ১৫ শতাংশ বেশি। রাজকোষে জমা পড়েছে ১ লাখ ৬৭ ৯২৯ কোটি টাকা। ডিসেম্বরের প্রথম দিনেই জানা গেল, চলতি আর্থিক বছরে এখনও পর্যন্ত এটাই সর্বাধিক জিএসটি আদায়।

    আইএমএফ কর্তার বক্তব্য 

    প্রত্যাশিতভাবেই ভারতের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (আইএমএফ) এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তথা ভারত সরকারের প্রাক্তন মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কেভি সুব্রহ্মনীয়ন। তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত যা দেখা যাচ্ছে, তাতে আগামী দেড় থেকে দু’ বছরের মধ্যে জিএসটি আদায়ের পরিমাণ দাঁড়াবে ফি মাসে প্রায় দু’ লক্ষ কোটি টাকা। আমার মনে হয়, জিএসটি সংগ্রহ ভালই চলছে। যেসব নীতি লাগু হয়েছে, সে সবেরই সুফল ফলতে শুরু করেছে। তাই সামগ্রিকভাবে আমার মনে হয় কর সংক্রান্ত যেসব নীতি নেওয়া হয়েছে, তার জেরে জিএসটি আদায়ে এই পারফরমেন্স।”

    জিএসটি আদায়ের ছবি

    জানা গিয়েছে, নভেম্বরে মোট জিএসটি আদায়ের মধ্যে সিজিএসটি বাবদ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে ৩০ হাজার ৪২০ কোটি টাকা। এসজিএসটি এবং আইজিএসটি বাবদ আদায় হয়েছে ৩৮ হাজার ২২৬ কোটি ও ৮৭ হাজার ৯ কোটি টাকা। আইজিএসটিতে আদায় হওয়া করের মধ্যে আমদানি পণ্যের থেকে মিলেছে ৩৯ হাজার ১৯৮ কোটি টাকা। সেস বাবদ আদায় হয়েছে ১২ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে আমদানি পণ্যের থেকে পাওয়া টাকার পরিমাণ ১ হাজার ৩৬ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, এ নিয়ে ষষ্ঠবার জিএসটি (Indias GST) বাবদ রাজকোষে জমা পড়ল ১.৬০ লাখ কোটি টাকা।

    আরও পড়ুুন: “৭-৮টা সন্তান দিন রাশিয়ার মহিলারা”! কেন এরকম আর্জি রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের?

    সুব্রহ্মনীয়ন বলেন, “দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিএসটি আদায়ের পরিমাণ ৭.৬ শতাংশ দেখে আমি তৃপ্ত। প্রথম ত্রৈমাসিকে এর পরিমাণ ছিল ৭.৮ শতাংশ। বৃদ্ধির হার ছিল ৭.২ শতাংশ। তাহলে দেখা গেল, গড়ে চলতি বছরের প্রথমার্ধে ভারতের অর্থনীতি বেড়েছে ৭.৭ শতাংশ। অথচ এই সময় বিশ্ব অর্থনীতি নানা সমস্যার সম্মুখীন। আমার মনে হয়, এটি ভারতীয় অর্থনীতির (Indias GST) একটি আশ্চর্যজনক পারফরমেন্স।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • GST: পণ্য কেনার সময় পাকা রসিদ নিন আর পেয়ে যান ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটির পুরস্কার, কীভাবে?

    GST: পণ্য কেনার সময় পাকা রসিদ নিন আর পেয়ে যান ১০ লক্ষ থেকে ১ কোটির পুরস্কার, কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিনিসপত্র কেনার পর বিল যত্ন করে না রাখার অভ্যাস আমাদের অনেকেরই আছে। যে সামগ্রীতে ওয়ার‍্যান্টি থাকে, সেই বিলগুলোই সাধারণভাবে আমরা এক বছর পর্যন্ত রেখে দিই। বাকি বিলগুলো ডাস্টবিনেই চলে যায়। কিন্তু আপনি কি জানেন, পণ্যসামগ্রী (GST) কেনার বিল যদি বাড়িতে আপনি রেখে দেন, তাহলে এবার জিততে পারবেন নগদ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ১ কোটি পর্যন্ত পুরস্কার (GST)। এই পুরস্কার দিতে চলেছে স্বয়ং কেন্দ্রীয় সরকার। জানা গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদি সরকার উপভোক্তাদের জন্য এই পুরস্কার নিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে একটি অ্যাপও চালু করতে চলেছে সরকার, যার নাম হবে ‘মেরা দিল মেরা অধিকার’ (GST)। এই অ্যাপটির মাধ্যমে গ্রাহকরা তাঁদের পণ্যের কেনাকাটার বিল আপলোড করে নগদ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ১ কোটি পর্যন্ত জিততে পারবেন। কিন্তু হঠাৎ পণ্যের বিল আপলোড করে কেন প্রাইজ জেতা যাবে (GST)?

    ১০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা জেতার সুযোগ

    বিশেষজ্ঞ মহল বলছে, জিএসটি’র (GST) ফাঁকি ঠেকাতেই কেন্দ্রীয় সরকার এই বিশেষ সুযোগ দিচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার জিএসটি বিল তৈরির প্রচার করছে। অর্থাৎ জিএসটি সহ পাকা বিল নিয়েই পণ্য কেনার উপর জোর দিচ্ছে সরকার। সাধারণভাবে দেখা যায় জিএসটি ছাড়াই এখনও পর্যন্ত স্থানীয় প্রচুর দোকানদার জিনিস বিক্রি করেন। এই প্রতিযোগিতায় প্রতি মাসে ৫০০টি লাকি ড্র করা হবে (GST)। ‘মেরা বিল মেরা অধিকার’ এই পোর্টালে বিল আপলোড করা যাবে। এর ফলে কর ফাঁকি কমবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। সম্প্রতি, সম্পন্ন হয় ৫০ তম বৈঠক জিএসটি কাউন্সিলের। সেখানে পাঁচ হাজার কোটি টাকারও বেশি কর ফাঁকির তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল। এই কর ফাঁকি রুখতেই নরেন্দ্র মোদি সরকারের এই প্রয়াস বলে মনে করা হচ্ছে।

    কীভাবে আপলোড করা যাবে ওই বিল (GST)?

    ‘মেরা বিল মেরা অধিকার’ এই অ্যাপটি যে কোনও অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে ইন্সটল করতে হবে। ডাউনলোড করার পরে সেখানে তাঁদের পণ্যের বিল আপলোড করতে পারবেন গ্রাহকরা। বিল নম্বর, টাকার অঙ্ক, করের পরিমাণ এ সমস্ত কিছুই দিতে হবে। জানা গিয়েছে ‘মেরা বিল মেরা অধিকার’-এর অধীনে একজন গ্রাহক মাসে সর্বাধিক ২৫টি বিল ওই পোর্টালে আপলোড করতে পারবেন। সর্বনিম্ন ২০০ টাকার কেনাকাটা করলেই ওই বিল (GST) আপলোড করা যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share