Tag: Guidelines

Guidelines

  • Centre Guidelines: ১৬ বছরের কম বয়সিদের কোচিংয়ে ভর্তি নয়, নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    Centre Guidelines: ১৬ বছরের কম বয়সিদের কোচিংয়ে ভর্তি নয়, নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ছেলে-মেয়েদের কোচিং সেন্টারে পাঠান অভিভাবকরা। রাজস্থান, দিল্লি, বেঙ্গালুরু, কলকাতা-সহ সারা দেশ জুড়ে রমরমিয়ে চলছে বেসরকারি কোচিং সেন্টার (Coaching Centres Rules)। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক বা সর্বভারতীয় জয়েন্ট, নেট, সেট-এর মতো পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ছাত্রছাত্রীরা সেখানে ভিড় করে। তবে সম্প্রতি নানা জায়গায় কোচিং সেন্টারগুলিতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। কোথাও কোথাও অতিরিক্ত চাপ না নিতে পেরে নিজের জীবনও শেষ করে দিচ্ছে ছাত্রছাত্রীরা। তাই এবার কোচিং সেন্টারগুলির জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার (Centre Guidelines)। কোচিং সেন্টারে ভর্তির জন্য ছাত্র-ছাত্রীর বয়স বেঁধে দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার নতুন এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। 

    কী বলা হয়েছে নতুন নির্দেশিকায়

    নতুন নির্দেশিকা (Centre Guidelines) অনুযায়ী, ১৬ বছরের কম বয়সি পড়ুয়াদের কোচিংয়ে ভর্তি করা চলবে না। উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পরই পড়ুয়াদের কোচিংয়ে ভর্তি নেওয়া যাবে। কোনও কোচিং সেন্টার পড়ুয়াদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিলে বা অন্য কোনও অসদাচরণে করলে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। প্রয়োজনে ওই কোচিং সেন্টারের রেজিস্ট্রেশন বাতিলও করা হতে পারে। কোনও অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, এমন কোনও শিক্ষককে কোচিং সেন্টারগুলি নিয়োগ করতে পারবে না বলেও নির্দেশিকাতে বলা রয়েছে। আরও জানানো হয়েছে, কোচিং সেন্টারগুলিতে কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা না থাকলে সেই সেন্টারের রেজিস্ট্রেশন হবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি জোর দিতে হবে পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর।

    আরও পড়ুন: মৃত্যুর পর এল চাকরির চিঠি! ষাটোর্ধ্ব ৬২ জনকেও শিক্ষকের নিয়োগপত্র রাজ্যের

    কড়া পদক্ষেপ

    এর আগে পড়ুয়াদের আত্মহত্যা, কোচিংয়ের Coaching Centres Rules) মধ্যে উপযুক্ত সুযোগ-সুবিধার অভাব এবং সেখানে শিক্ষার পদ্ধতি নিয়ে বহু অভিযোগ উঠেছে। তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার নতুন নির্দেশিকা জারি করল সরকার। শিক্ষামন্ত্রকের ওই নির্দেশিকাতে বলা হয়েছে, স্কুলের সঙ্গে কোচিংয়ের সময় যেন আলাদা হয়। এছাড়া প্রতিদিন কোচিংয়ের নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা, সাপ্তাহিক ছুটি রাখা, পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপ্রাণিত করতে সহ-পাঠ্যক্রমের ব্যবস্থা করার কথাও নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। কোচিং সেন্টারের সমস্ত ব্যবস্থার কথা ওয়েবসাইটে উল্লেখ করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রক জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নিত্যনতুন গজিয়ে ওঠা কোচিং সেন্টারগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এবং পুরো বিষয়টিকে একটি আইনি কাঠামোর মধ্যে আনার জন্যই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। কোনও সেন্টার এই নির্দেশ (Centre Guidelines) না মানলে তাদের প্রতি কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICU: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    ICU: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ রোগী বা তাঁর পরিবারের অনুমতি ছাড়া রোগীকে আইসিইউতে (ICU) ভর্তি করা যাবে না। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। যদি রোগীর পরিস্থিতি খারাপের দিকেও যায় তবেও রোগীর পরিবার বা খোদ রোগীর অনুমতি ছাড়া তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করা যাবে না। তবে মহামারী, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে এই নিয়ম লাগু হবে না বলেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে নির্দেশ

    বিভিন্ন সময়েই আইসিইউ-তে (ICU) রোগী ভর্তি করানো নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং রোগী আত্মীয়দের মধ্যে দ্বিমত দেখা যায়। এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে নয়া নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্র। সব মিলিয়ে ২৪ জন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত রোগীর পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হলে বা দেহের কোনও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল না হলে রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয় না। অনেক সময় হাসপাতালগুলির দিকে অভিযোগের তির ওঠে তারা নাকি জোর করে রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করিয়ে দেন। তবে এবার কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশের ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আর কোনও দায় থাকবে না। সবটাই রোগী বা তাঁর পরিবারের ওপর বর্তাবে। 

    কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায়

    নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, কোনও গুরুতর অসুস্থ রোগীর আর কোনও চিকিৎসা সম্ভব নয় অথবা চিকিৎসার সুবিধা নেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হলে ওই রোগীকে আইসিইউতে (Centre guideline on ICU) রাখা নিরর্থক। একই ভাবে উপযুক্ত চিকিৎসার পরও রোগী যদি ‘প্রত্যাশিত সাড়া’ না দেন সে ক্ষেত্রেও তাঁকে আইসিইউতে রাখার কোনও মানে হয় না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রের এই গাইডলাইন। তবে সবচেয়ে যে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সেটা হল, কারও বাঁচার ইচ্ছে আছে কিন্তু তিনি আইসিইউ-তে ভর্তি হতে চান না, এমনটা হলেও ওই রোগীকে আইসিইউ-তে রাখতে পারবেন না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া অতিমারি কিংবা কোনও বিপর্যয়ের পরিস্থিতিতে আইসিইউতে রোগী ভর্তি করানোর ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে বলছে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুন: শহুরে বাসিন্দাদের ৭৩ শতাংশ ভুগছেন প্রোটিনের অভাবে! কোন রোগ বাসা বাঁধছে শরীরে?

    আইসিইউ-তে ভর্তির জন্য কী দেখা হবে 

    নির্দেশিকায় (Centre guideline on ICU) রোগীর বেশ কিছু পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একমাত্র সেই পরিস্থিতিতেই রোগীকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। যেমন, কোনও রোগীর রেসপিরেটরি সাপোর্ট অর্থাৎ শ্বাসজনিত সাপোর্ট লাগলে তাকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। অন্যদিকে, ইনটেনসিভ কেয়ারের জরুরি  এমন কোনও গুরুতর রোগ (সিভিয়ার অ্যাকিউট ইলনেস) হলে রোগীকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। এছাড়াও, অস্ত্রোপচারের পর রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে বা অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর কোনও বড় সমস্যা হলে তাকে আইসিইউ-তে ট্রান্সফার করা যাবে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

    কেন নয়া নির্দেশিকা

    আইসিইউ সংক্রান্ত নির্দেশিকার (Centre guideline on ICU)  নেপথ্যে থাকা অন্যতম চিকিৎসক আর কে মনি বলেন, ভারতে আইসিইউ বেডের সংখ্যা একেবারেই সীমিত। তাই যে রোগীর দরকার, সে-ই যেন আইসিইউ পায়, তা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশিকা তৈরি করেছে কেন্দ্র। ইন্ডিয়ান কলেজ অব ক্রিটিকাল কেয়ার মেডিসিনের সেক্রেটারি চিকিৎসক সুমিত রায় বলেন, বেশিরভাগ দেশেই আইসিইউ নিয়ে নির্দিষ্ট প্রোটোকল রয়েছে। আইসিইউ যাতে লাগামছাড়া ব্যবহার না করা হয়, তার জন্যই এই নিয়ম। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share