Tag: Gujarat Assembly Election 2022

Gujarat Assembly Election 2022

  • Gujarat Election: ভাঙল অতীতের সব রেকর্ড, গুজরাটে ইতিহাস সৃষ্টি বিজেপির

    Gujarat Election: ভাঙল অতীতের সব রেকর্ড, গুজরাটে ইতিহাস সৃষ্টি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ১৮২। আজ, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ১৫৭টি আসনে (Gujarat Election) এগিয়ে পদ্ম প্রার্থীরা। এ থেকে স্পষ্ট এবারও গুজরাটের রশি যেতে চলেছে বিজেপির (BJP) হাতে। গতবার ১২৭টি আসনে জয় পেয়েছিল বিজেপি।

    রেকর্ড…

    এতদিন রেকর্ড ছিল ১৪৭টি আসনে জয়ের। ১৯৮৫ সালে কংগ্রেসের (Congress) মাধব সিং সোলাঙ্কির নেতৃত্বে কংগ্রেস পেয়েছিল ওই সংখ্যক আসন। এতদিন সেটাই ছিল গুজরাটের সর্বকালীন রেকর্ড। এবার সে সব রেকর্ড ছাপিয়ে নয়া রেকর্ড গড়তে চলেছে গেরুয়া শিবির। ১৮২টি আসনের মধ্যে ১৫৭টি আসনে এগিয়ে রয়েছে পদ্ম-শিবির।

    শুধু তাই নয়। এই নিয়ে টানা সাতবার ক্ষমতা দখল করল গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সাল থেকে টানা গুজরাটের কুর্সিতে রয়েছে বিজেপি। তার আগে ১৯৯৫ সালে ক্ষমতায় এসেছিল পদ্ম শিবির। তবে সেবার সরকার টিকিয়ে রাখতে পারেনি। ১৯৯৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি পদ্ম শিবিরকে। সপ্তমবারের জন্য গুজরাটের তখতে যে বিজেপিই ফিরছে, সে ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। একাধিক একজিট পোলেই সেই ইঙ্গিত ছিল। দিনের শেষে তা উৎসবে পরিণত হয়।

    উৎসবের মেজাজ বিজেপি সদর দফতরে

    এদিন সকালে গণনা শুরু হতেই উল্লাসে ফেটে পড়েন বিজেপির নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। বেলা যত গড়িয়েছে, ততই বেড়েছে গেরুয়া-ঝড়ের গতি। রাজধানীতে বিজেপির সদর দফতরে উৎসবের মেজাজ। দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে সন্ধে আটটায় বার্তা দেবেন নরেন্দ্র মোদি। আর তার আগে সাজো সাজো রব দিল্লিতে বিজেপি অফিসের বাইরে। নেতা-কর্মীদের ঢল নেমেছে দলীয় কার্যালয়ের সামনে। গেরুয়া পতাকা, গান-বাজনা সবই চলছে। সব মিলিয়ে যেন এক উৎসবের মেজাজ তৈরি হয়েছে দিল্লিতে বিজেপির সদর অফিসের সামনে।

    ত্রিমুখী লড়াই

    গুজরাটে (Gujarat Election) এবার লড়াই হয়েছে ত্রিমুখী। বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়াইয়ের ময়দানে হাজির ছিল কংগ্রেসের পাশাপাশি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টিও। দিল্লি পুরভোটে বিজেপিকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসে আপ। তবে দিল্লিতে ছাপ ফেলতে পারলেও, গুজরাটে আক্ষরিক অর্থেই ধরাশায়ী হতে হয়েছে কেজরির দলকে। এদিন বিকেল পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, রাজ্যের ১৮২টি আসনের মধ্যে মাত্র ৫টিতে এগিয়ে রয়েছে কেজরির দল। 

    আরও পড়ুন: মোদি-ম্যাজিকে ভর করে টানা সপ্তমবার গুজরাট দখলের পথে বিজেপি

    গুজরাট বিধানসভা নির্বাচন (Gujarat Election) হয়েছে দু দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হয়েছে ১ ডিসেম্বর। পরের দফার ভোট হয়েছে ৫ তারিখে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছিল ৬৩.১৪ শতাংশ। আর দ্বিতীয় দফায় ভোট পড়েছে ৫৯.১১ শতাংশ। গুজরাটে ২৭ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে এ রাজ্যেই দীর্ঘদিন মুখ্যমন্ত্রীর পদে আসীন ছিলেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ক্ষমতায় বসেছেন বিজেপির বিভিন্ন নেতা। তা সত্ত্বেও ভূমিপুত্র প্রধানমন্ত্রীর পাশ থেকে সরে যাননি গুজরাটবাসী। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যার ফসল এখনও ঘরে তুলছে গুজরাট বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gujarat CM: ফের গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, সোমবার শপথগ্রহণ, উপস্থিত থাকবেন মোদি-শাহ

    Gujarat CM: ফের গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, সোমবার শপথগ্রহণ, উপস্থিত থাকবেন মোদি-শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে রেকর্ড জয় বিজেপির। বিধানসভা নির্বাচনে (Gujarat Assembly Election 2022) রেকর্ড আসনে জিতে গুজরাটে আবারও সরকার গড়ছে বিজেপি (BJP)। আগামী ১২ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী পদে (Gujarat CM) দ্বিতীয় বার শপথ নেবেন ভূপেন্দ্র প্যাটেল (Bhupendra Patel)। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi) এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ(Amit Shah)।

    বিজেপির রেকর্ড জয়

    রেকর্ড আসন সংখ্যা নিয়ে টানা সপ্তমবারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি। কংগ্রেস এবং আপ- এই দুই বিরোধীকে কয়েক হাজার মাইল পিছনে ফেলে দিয়েছে পদ্ম শিবির। ১৮২ আসনবিশিষ্ট গুজরাট বিধানসভায়(Gujarat Assembly Election 2022) বিজেপি পেয়েছে ১৫৭।

    আজ সকাল ৮ টা থেকে গুজরাটে ভোট গণনা শুরু হয়। কিন্তু পুরো ফলাফল ঘোষণার আগেই গুজরাটে কে জিততে চলেছে, সেই ছবি আগেই পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। ফলে ইতিমধ্যেই চারিদিকে শুরু হয়ে গিয়েছিল গেরুয়া ঝড়। এমনকি রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণের দিনক্ষণও জানিয়ে দেয় গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে নির্বাচনের আগেই অমিত শাহ জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় ফিরলে ফের মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন ভূপেন্দ্র প্যাটেলই। ফলে এদিন, গুজরাটের ভোটের ফলটা স্পষ্ট হয়ে উঠতেই, গুজরাটের বিজেপি সভাপতি সিআর পাতিলের বাড়িতে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল (Gujarat CM) এবং রাজ্য বিজেপির সভাপতি সিআর পাতিলকে দলীয় সমর্থকদের মধ্যে মিষ্টি খাইয়ে বিধানসভা নির্বাচনে দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উদযাপন করতে দেখা যায়।

    আরও পড়ুন: ভাঙল অতীতের সব রেকর্ড, গুজরাতে ইতিহাস সৃষ্টি বিজেপির

    শপথগ্রহণ মুখ্যমন্ত্রীর

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, আগামী ১২ ডিসেম্বর, সোমবার দুপুর ২ টোয় গুজরাটের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন ভূপেন্দ্র প্যাটেল (Gujarat CM)। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছেন গুজরাট বিজেপির রাজ্য সভাপতি সিআর পাতিল। তিনি এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই কথা জানিয়েছেন। এদিন রেকর্ড জয়ের পর ভূপেন্দ্র প্যাটেল বলেছেন, “গুজরাটের উন্নয়নের যাত্রা আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মানুষ মনস্থির করেছেন। জনগণের আদেশ আমরা বিনীতভাবে মেনে নিচ্ছি। বিজেপির প্রতিটি কর্মী জনসেবায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” 

    অন্যদিকে গুজরাট বিজেপি প্রধান সিআর পাতিল এবং গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই জনকেই অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PM Modi: মোদিই সব চেয়ে বড় ভোট ক্যাচার, কেন জানেন?

    PM Modi: মোদিই সব চেয়ে বড় ভোট ক্যাচার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড গড়ে ফের গুজরাটের (Gujarat) রশি এসেছে বিজেপির (BJP) হাতে। গুজরাট বিধানসভার ১৮২টি আসনের মধ্যে পদ্ম শিবির জয়ী হয়েছে ১৫৬টিতে। বিজেপি ঝড়ে কার্যত দুরমুশ হয়ে গিয়েছে বিরোধীরা। এর যাবতীয় কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) দিচ্ছেন দলীয় নেতৃত্ব। মোদি নিজেও স্বীকার করেছেন, ভূপেন্দ্রকে জেতাতে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে নরেন্দ্রকে। প্রশ্ন হল, কেন মোদিই বৃহত্তম ভোট ক্যাচার?

    গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী পদে...

    দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে মোদি ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী পদে। ১২ বছরেরও বেশি সময় তিনি ছিলেন ওই পদে। পরে প্রধানমন্ত্রী হয়ে দিল্লি চলে যান। তাঁর নেতৃত্বেই দু দুবার দিল্লির তখতে বসে বিজেপি। এর প্রধান কারণ মোদির নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন। করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতে যখন ধুঁকছিল গোটা বিশ্বের অর্থনীতি, তখনও ভারতের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল হয়নি। সাময়িক টাল খেয়েছে বটে, তবে ফের তা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। যার জেরে গোটা বিশ্বে ভারতের অর্থনীতির ঠাঁই হয়েছে পঞ্চম স্থানে। এতদিন যে স্থান দখল করেছিল ব্রিটেন।

    মোদির (PM Modi) সুশাসনও তাঁর তুঙ্গ জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ। গুজরাট হিংসায় নাম জড়িয়েছিল মোদির। পরে আদালতে কলঙ্কমুক্ত হন তিনি। ওই হিংসার সময়কার পরিস্থিতিও দক্ষ হাতে সামলেছেন মোদি। অন্যান্য রাজ্যে যেখানে বেকারত্ব বেড়েছে চড়চড়িয়ে, সেখানে মোদির গুজরাটে তা কমেছে দিনের পর দিন। এর পর কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী হন মোদি। তাঁর নেতৃত্বেই হয়েছে দেশে একের পর এক উন্নয়ন। বেকারত্ব সমস্যার সমাধানও হয়েছে আগের সরকারের তুলনায় ঢের বেশি পরিমাণে। মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রে বিজেপি রয়েছে প্রায় সাত বছর। এই সময়সীমায় একটাও দাঙ্গা দেখেনি দেশ। সর্বোপরি, বিশ্বের দরবারে নানা সময় উজ্জ্বল হয়েছে দেশের মুখ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মোদি আর ভারত হয়েছে সমার্থক। এর নেপথ্য নায়ক সেই মোদিই।

    আরও পড়ুন: ঐতিহাসিক জয়ের পর গুজরাটের ‘জনশক্তি’-কে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, ট্যুইটে কী লিখলেন মোদি?

    মোদির (PM Modi) ক্যারিশ্মাও তাঁর তুঙ্গ জনপ্রিয়তার অন্যতম একটি কারণ। সেই কারণেই তিনি ভোট পান সমাজের উচ্চতম শ্রেণির পাশাপাশি সমাজের দরিদ্রতম অংশেরও। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের কাছে তিনি ভীষণ জনপ্রিয়। মোদির জনপ্রিয়তার কাছে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বড়ই ম্লান। এসব কারণেই দিনের পর দিন বাড়ছে বিজেপির জনপ্রিয়তা। দুর্বল হচ্ছে বিরোধীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Narendra Modi: ঐতিহাসিক জয়ের পর গুজরাটের ‘জনশক্তি’-কে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, ট্যুইটে কী লিখলেন মোদি?

    Narendra Modi: ঐতিহাসিক জয়ের পর গুজরাটের ‘জনশক্তি’-কে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, ট্যুইটে কী লিখলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে বিজেপির আজ ঐতিহাসিক জয়। জয় নিশ্চিত হতেই গুজরাটের বিজেপি সভাপতি সিআর পাতিল এবং গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। দুই জনকেই অভিনন্দন জানিয়েছিলেন তিনি। আজকের এই রেকর্ড জয়ের খুশীতে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি আজ গুজরাটের দলের প্রত্যেক কর্মীকে ‘চ্যাম্পিয়ন’ বলে সম্বোধন করেছেন। কারণ গেরুয়া শিবির এক ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে। ফলে তিনি তাঁর আবেগকে ধরে রাখতে না পেরে তিনি ট্যুইট করে তাঁর মনের কথা জানিয়েছেন।

    ট্যুইটে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ট্যুইট করে লিখেছেন, “গুজরাট বিজেপির সমস্ত পরিশ্রমী কার্যকর্তাদের আমি বলতে চাই – আপনারা প্রত্যেকেই একজন চ্যাম্পিয়ন! এই ঐতিহাসিক জয় আমাদের দলের প্রকৃত শক্তি, আমাদের কার্যকর্তাদের কঠোর পরিশ্রম ছাড়া কখনওই এটি সম্ভব হত না।”

    এরপরে তিনি (Narendra Modi) গুজরাটবাসীদের উদ্দেশেও বার্তা দিলেন ট্যুইটের মাধ্যমে। নির্বাচনের ফলাফলের পর গুজরাটের ‘জনশক্তি’র কাছে ‘প্রণাম’ করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। ট্যুইটে তিনি লিখেছেন, “ধন্যবাদ গুজরাট। অভূতপূর্ব নির্বাচনের ফলাফল দেখে আমি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। এই ফলাফল দেখে আমি আপ্লুত। মানুষ উন্নয়নের রাজনীতিকে আশীর্বাদ করেছে এবং একই সঙ্গে এই উন্নয়নকে আরও গতিশীল করতে চায় বলে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে জনগণ। আমি গুজরাটের জনশক্তির কাছে প্রণাম জানাই।”

    আরও পড়ুন: ফের গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, সোমবার শপথগ্রহণ, উপস্থিত থাকবেন মোদি-শাহ

    হিমাচলবাসীদেরও ধন্যবাদ জানালেন মোদি

    এদিন হিমাচল প্রদেশে আশানুরুপ ফল না করতে পারলেও হিমাচল প্রদেশের মানুষকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। আলাদা ট্যুইট করে তিনি লিখেছেন, ‘‘বিজেপির প্রতি ভালবাসা এবং সমর্থনের জন্য হিমাচল প্রদেশের মানুষকে ধন্যবাদ জানাই। রাজ্যবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে ভবিষ্যতে আমরা আরও পরিশ্রম করব। মানুষের সমস্যাগুলির কথা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বেশি করে তুলে ধরব।”

    উল্লেখ্য, ১৮২ আসন বিশিষ্ট গুজরাট বিধানসভায় জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৯২ আসন। গত নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ৯৯টি আসন। তবে এবার বিজেপি ১৫৮ আসনে জয়ী। দীর্ঘ ২৭ বছরে এত ভোট বা আসন পায়নি বিজেপি। অন্যদিকে আপ ও কংগ্রেস পদ্ম শিবিরের ধরা ছোঁয়ার বাইরে। এদিন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছে বিজেপি। ফলে এই ঐতিহাসিক জয়ের পর নরেন্দ্র মোদির তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) হওয়ার পথ আরও মসৃণ হয়ে গেল বলেই আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

  • Gujarat Election: ‘যারা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, গুজরাটবাসী তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন’, শাহি নিশানায় কে?  

    Gujarat Election: ‘যারা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, গুজরাটবাসী তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন’, শাহি নিশানায় কে?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন গুজরাটের মানুষ। বৃহস্পতিবারের বারবেলায় এই ভাষায়ই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টিকে (AAP) আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি (BJP) নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। গুজরাট বিধানসভার (Gujarat Election) মোট আসন সংখ্যা ১৮২টি। তার মধ্যে সে রাজ্যের শাসক দল বিজেপি পেয়েছে ১৫০টিরও বেশি আসন। গেরুয়া ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছে আপ, কংগ্রেস (Congress)। 

    গুজরাট জয় যে…

    বিজেপির গুজরাট জয় যে স্রেফ সময়ের অপেক্ষা এদিন বেলা গড়াতেই বুঝে যান পদ্ম নেতারা। পরে এনিয়ে ট্যুইট করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গুজরাটবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরপর ট্যুইট করেন তিনি। ট্যুইটারে শাহ লিখেছেন, নরেন্দ্র মোদিজির বিজেপি গুজরাট অভূতপূর্ব জনাদেশ পেয়েছে। যা উন্নয়ন ও জনকল্যাণের মাধ্যমেই পেয়েছে। আর যারা তুষ্টির রাজনীতি করে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। অন্য একটি ট্যুইটে শাহ লিখেছেন, এই বিপুল জয় থেকে স্পষ্ট যে, মহিলা, যুব, কৃষক সহ সকলের মনে রয়েছে বিজেপি। গুজরাট সব সময় ইতিহাস তৈরি করে। গত দু দশক ধরে মোদিজির নেতৃত্বে বিজেপি গুজরাটে উন্নয়নের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। গুজরাটের মানুষ বিজেপিকে আশীর্বাদ করেছে এবং জয়ের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এটা নরেন্দ্র মোদির উন্নয়ন মডেলের উপর বিশ্বাসের জয়।

    আরও পড়ুন: আজ শাহের দরবারে সুকান্ত! জানেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কী কথা রাজ্য বিজেপি সভাপতির?

    প্রসঙ্গত, গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন (Gujarat Election) হয় ডিসেম্বরে, দু দফায়। ফল প্রকাশ হয় বৃহস্পতিবার। এদিন সকালে গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে যেতে থাকে বিজেপি। দ্বিতীয় রাউন্ড ভোট গণনার শুরুতেই ১৫০রও বেশি আসন চলে যায় গেরুয়া ঝুলিতে। এদিন বিকেল পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা যায়, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস। আর মাত্র ৫টি আসন পেয়ছে কেজরিওয়ালের দল।

    বিজেপির জয়ের খবরে খুশির হাওয়া পদ্ম শিবিরে। গুজরাটে প্রতিষ্ঠান বিরোধী নয়, প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক ভোট হয়েছে বলে মনে করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, গুজরাটে প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক ভোট হয়েছে। আমরা গুজরাটে নয়া রেকর্ড সৃষ্টি করেছি। রাজ্যবাসীর প্রচুর বিশ্বাস রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওপর। তাই এই ফল।  

    প্রসঙ্গত, এবার ত্রিমুখী লড়াই হয়েছে গুজরাটে (Gujarat Election)। বিজেপি এবং কংগ্রেস ছাড়াও লড়াইয়ের ময়দানে হাজির ছিল আপ। বুধেই দিল্লি পুরভোটে জয় পেয়েছে আপ। বৃহস্পতিবার তারাই গুজরাটে উড়ে গিয়েছে গেরুয়া ঝড়ে। তাই আপকেই নিশানা করেন শাহ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Gujarat Election: হিমাচলে লাগু আদর্শ আচরণ বিধি, প্রার্থী কত টাকা খরচ করতে পারবেন জানেন?  

    Gujarat Election: হিমাচলে লাগু আদর্শ আচরণ বিধি, প্রার্থী কত টাকা খরচ করতে পারবেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হলেও, ঘোষণা হয়নি গুজরাট ভোটের (Gujarat Election) নির্ঘণ্ট। অথচ দুটি বিধানসভারই মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে ছ মাসের মধ্যে। এই জাতীয় ক্ষেত্রে সচরাচর ভোট ঘোষণা হয় একই সঙ্গে। এদিকে, শুক্রবার থেকেই হিমাচল প্রদেশে লাগু হয়েছে মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট। প্রসঙ্গত, হিমাচল প্রদেশে ভোট হবে ১২ নভেম্বর। ফল ঘোষণা হবে প্রায় একমাস পর, ৮ ডিসেম্বর।

    শুক্রবার থেকেই হিমাচল প্রদেশে লাগু হয়ে গিয়েছে মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট (Model Code of Conduct)। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনীশ গর্গ বলেন, হিমাচল প্রদেশে ভোট হবে ১২ নভেম্বর। বিধানসভার ৬৮টি আসনেই ভোট হবে একদিনে। এর মধ্যে ১৭টি আসন তফশিলি জাতি এবং ৩টি আসন তফশিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত। তিনি জানান, প্রার্থীর ব্যয়ের পরিমাণ এবার বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪০ লক্ষ টাকা। আগে এর পরিমাণ ছিল ২৮ লক্ষ টাকা। মনীশ জানান, রাজ্যের ভোটার সংখ্যা ৫৫ লক্ষ ৭ হাজার ৫৩২জন। এর মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৩৭জন। প্রসঙ্গত, সচরাচর মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট লাগু হয় ৭০ দিন আগে। হিমাচল প্রদেশে এটা কমে হয়েছে ৫৭দিন।

    আরও পড়ুন: দোরগোড়ায় গুজরাট ভোট, রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    এদিকে, জানা গিয়েছে, গুজরাট বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি। আর হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ৪ জানুয়ারি। এই দুই রাজ্যেরই রশি রয়েছে বিজেপির (BJP) হাতে। একটি রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণা হলেও, অন্যটায় হয়নি। এদিন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার বলেন, এতে কোনও নিয়ম ভঙ্গ হয়নি। হিমাচল প্রদেশ ও গুজরাট এই দুই বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ৪০ দিনের ব্যবধানে। নিয়ম অনুযায়ী, ভোট ঘোষণার ক্ষেত্রে ব্যবধান থাকা উচিত অন্তত ৩০ দিনের। যাতে একটি রাজ্যের বিধানসভার ফলের প্রভাব পড়তে না পারে অন্য রাজ্যের বিধানসভার ফলের ওপর। রাজীব কুমার বলেন, ভোট ঘোষণার সময় আবহাওয়ার মতো বিভিন্ন বিষয় মাথায় রাখতে হয়েছে। তুষারপাত শুরু হওয়ার আগেই আমরা হিমাচল প্রদেশে ভোট করিয়ে নিতে চাইছি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share