Tag: Gujarat bridge collapse

Gujarat bridge collapse

  • Gujarat Bridge collapse: ১২৫ জনের বদলে সেতুতে ছিলেন ৫০০ জন! মোরবি সেতু বিপর্যয়-কাণ্ডে গ্রেফতার ৯

    Gujarat Bridge collapse: ১২৫ জনের বদলে সেতুতে ছিলেন ৫০০ জন! মোরবি সেতু বিপর্যয়-কাণ্ডে গ্রেফতার ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোরবি সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায়  ৯ জনকে গ্রেফতার করল গুজরাট পুলিশ (Gujarat)। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন ব্রিজ রক্ষণাবেক্ষণ সংস্থা ‘ওরেভা’-র ২ জন ম্যানেজার। গ্রেফতার করা হয়েছে ২ জন টিকিট বিক্রেতা, ২ জন কনট্রাক্টর এবং ৩ নিরাপত্তারক্ষীকেও। পুলিশ সূত্রে খবর, কর্তব্যে গাফিলতির দায়ে এই ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    প্রশাসন সূত্রে খবর, ওরেভা নামে একটি সংস্থা ব্রিটিশ আমলে তৈরি ওই সেতুটি সংস্কার করে। অভিযোগ, কোনও রকম পরীক্ষা ছাড়াই সংস্কারের পর ওই সেতু খুলে দেওয়া হয়। ২৬ অক্টোবর মোরবির সেতু ( machu dam bridge collapse) চালু হওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় রবিবার সন্ধ্যায় দুর্ঘটনা ঘটে। সংস্কারের দায়িত্বে থাকা সংস্থার উপরতলার কর্মীরা নিখোঁজ। যদিও দোষী কোনও ব্যাক্তিকেই ছাড়া হবে না বলে জানিয়েছে গুজরাট সরকার। গত মার্চে সেতুর সংস্কারের দায়িত্ব নেয় ওরেভা। সংস্কারের জন্য দীর্ঘ ৭ মাস সেতুটি বন্ধ ছিল। যদিও চুক্তি অনুযায়ী ওরেভা সংস্থা সংস্কার এবং মেরামতের জন্য সেতুটি আট থেকে ১২ মাস বন্ধ রাখতে বাধ্য। কিন্তু চুক্তি ভেঙেই সেই সেতু খুলে দেয় তারা।  সিএফএল বাল্ব তৈরির জন্যই সারা দেশে বিখ্যাত ওরেভা। বাল্ব ছাড়াও সংস্থাটি তৈরি করে ঘড়ি, ইলেকট্রিক বাইক। মাচ্ছু নদীর উপর ভেঙে পড়া সেতুটির রক্ষণাবেক্ষণ করা ছাড়া তারা অন্য কোনও সেতুর নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল, এমন কোনও তথ্যও পাওয়া যায়নি। কী করে তারা এই সেতু সংস্কারের বরাত পেল তা জানতে তদন্ত চলছে।

    আরও পড়ুন: গুজরাটে সেতু ভেঙে মৃত অন্তত ১৩২, ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল

    মোরবি পুরসভার প্রধান আধিকারিক দাবি করেছেন, তাদের অনুমতি ছাড়াই সংস্কারের পর ওই সেতুটি খুলে দেওয়া হয়েছিল। সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে কোনও ‘ফিটনেস সার্টিফিকেট’ নেওয়া হয়নি। যেখানে সেতুর ধারণক্ষমতা ছিল ১২৫ জন। সেখানে রবিবার সেই সেতুতে ১২ থেকে ১৭ টাকার টিকিট কেটে উঠেছিলেন প্রায় ৫০০ জন। এখনও পর্যন্ত সেতু ভেঙে মারা গিয়েছেন অন্তত ১৪১ জন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, মাচ্ছু নদীর জল-কাদায় প্রায় ১০০ দেহ আটকে রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Gujarat bridge collapse: আমি মর্মাহত, মন পড়ে রয়েছে আক্রান্তদের সঙ্গে! আজ মোরবি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

    Gujarat bridge collapse: আমি মর্মাহত, মন পড়ে রয়েছে আক্রান্তদের সঙ্গে! আজ মোরবি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোরবিতে সেতু দুর্ঘটনার ফলে সোমবার গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করা হল। বর্তমানে, গুজরাটরাজস্থানের তিন দিনের সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই দুর্ঘটনার কারণে তাঁর সফরসূচী পরিবর্তন করা হয়েছে। আজ সোমবার আমদাবাদে মোদির রোড শো হওয়ার কথা ছিল। তা বাতিল করা হয়েছে। বিজেপির মিডিয়া সেলের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে একটি অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তা-ও স্থগিত করা হয়েছে। একমাত্র ২৯০০ কোটি টাকার রেল প্রকল্প উদ্বোধন করার অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: গুজরাটে সেতু ভেঙে মৃত অন্তত ১৩২, ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল

    রবিবার সন্ধ্যায় গুজরাটের মোরবিতে একটি পুরনো সেতু ভেঙে পড়ে। কিছুদিন আগেই কয়েক কোটি টাকা খরচ করে সেতুটি মেরামত করা হয়েছিল। গুজরাটি নববর্ষের দিন সেটি খুলে দেওয়া হয়। ওধভজি পটেলের মালিকানাধীন ওরেভা গ্রুপকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ওই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। ঘটনার পরই গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যাতে দ্রুত উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের সবরকমভাবে সাহায্য করারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    আজ মোরবি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, মোরবি গিয়ে আহত ও নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন মোদি। গতকালই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, ‘দুর্ঘটনায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। এই দুঃসময়ে সরকার সব রকম ভাবে শোকাহত পরিবারের পাশে আছে। গুজরাট সরকার গতকাল থেকে ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। কেন্দ্রও রাজ্য সরকারকে সব রকম সাহায্য করছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এখন একতা নগরে আছি কিন্তু আমার মন পড়ে রয়েছে মোরবির আক্রান্তদের সঙ্গে। আমার জীবনে খুব কমই এমন ব্যথা অনুভব করেছি আমি। একদিকে বেদনায় ডুবে থাকা হৃদয়, অন্যদিকে কর্তব্যের পথ।’ 

  • Gujarat Bridge Collapse: জখম মায়ের কোলে ধরা শিশু সন্তানের শব…, মরবির হৃদয়বিদারক ছবি

    Gujarat Bridge Collapse: জখম মায়ের কোলে ধরা শিশু সন্তানের শব…, মরবির হৃদয়বিদারক ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জখম মায়ের কোলে শিশু সন্তানের শব! কিংবা হতে পারে মৃত বাবার হাত ধরে ভয়ে কাঁদছে আহত কোনও শিশু! হৃদয় বিদারক এ ছবি গুজরাটের (Gujrat) মরবির। রবিবার  সন্ধ্যায় মরবিতে একটি সেতু ভেঙে (Gujarat Bridge Collapse) মৃত্যু হয়েছে ১৩২ জনের। জখম হয়েছেন বহু। তাঁদের উদ্ধার করতে গিয়েই টুকরো টুকরো ওই সব দৃশ্যের সাক্ষী হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার কথা বলতে গিয়ে চব্বিশ ঘণ্টা পরেও শিউরে উঠছেন যাঁরা।

    স্থানীয় সূত্রে খবর, মাস সাতেক ধরে সংস্কার কাজ চলার পর দিন পাঁচেক আগে খুলে দেওয়া হয় মরবির ওই ব্রিজ। রবিবারের সন্ধেয় ব্রিজে উঠে নদীর বাতাস খাচ্ছিলেন শ’ পাঁচেক মানুষ। আচমকাই হুড়মুড়িয়ে মাঝ নদীতে (River) ভেঙে পড়ে ব্রিজের (Gujarat Bridge Collapse) একাংশ। সলিল সমাধি ঘটে শতাধিক মানুষের। জখম হন বহু। তাঁদের উদ্ধার করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন স্থানীয়রা। তখনই হৃদয়বিদারক কিছু ঘটনার সাক্ষী হন তাঁরা।

    স্থানীয় এক চা বিক্রেতা বলেন, পুরো ঘটনাটি ঘটে গেল কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে। কিছু লোককে দেখলাম ব্রিজ ধরে ঝুলতে। পরে হাত আলগা হয়ে যাওয়ায় টুপ টুপ করে খসে পড়ল নদীতে। তিনি বলেন, মাস সাতেকের এক অন্তঃসত্ত্বাকেও নদীতে পড়ে যেতে দেখেছি। ঘটনার কথা বলতে গিয়ে গলা ধরে আসে চা বিক্রেতার। তিনি বলেন, কয়েকজনকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছি। ওই চা বিক্রেতা আরও বলেন, একটি বাচ্চা মেয়ে। জল বমি করছি। ভাবলাম বেঁচে যাবে। তার পর হঠাৎই একটা হেঁচকি তুলে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করল। এ ভয়ঙ্কর দৃশ্য বাবু চোখে দেখা যায় না!

    আরও পড়ুন: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে কমিটি, সিদ্ধান্ত নিল গুজরাট সরকার

    ঘটনাস্থলে ছিলেন জনৈক হাসিনা বেহেনও। তাঁর দুটি গাড়ি আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য দিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, কয়েকটি শিশুকে মৃত না জেনেই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। যখন শুনলাম তারা মৃত, ভেঙে পড়েছিলাম। এরকম আরও টুকরো টুকরো মর্মস্পর্শী দৃশ্যের কথা শোনা গিয়েছে স্থানীয়দের কাছেই। তখনই জানা গিয়েছে মায়ের কোলে শিশু সন্তানের শবের কথা কিংবা দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া কোনও শিশু ধরে রয়েছে মৃত বাবার হাত। হয়তো জেনে, হয়তোবা না জেনেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Gujarat bridge collapse: গুজরাটে সেতু ভেঙে মৃত অন্তত ১৩২, ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল

    Gujarat bridge collapse: গুজরাটে সেতু ভেঙে মৃত অন্তত ১৩২, ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে নদীর উপর সেতু ভেঙে মৃত্যু হল অন্তত ১৩২ জনের। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। রবিবার,সন্ধ্যায় গুজরাটের মোরবি জেলায় মাচ্ছু নদীতে ভেঙে পড়ে একটি আস্ত কেবল ব্রিজ। অন্তত ৫০০ লোক নিয়ে ওই সেতু ছিঁড়ে জলে পড়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, সেতুটি সারানোর কাজ চলছিল। দিন পাঁচেক আগে নতুন করে খুলে দেওয়া হয় ওই সেতু।  এদিন ছট পুজো উপলক্ষে সেতুর উপর বহু মানুষের সমাগম হয়। এখনও পর্যন্ত ১৮০ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। বহু মানুষ নিখোঁজ। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই, শিশু, মহিলা ও বয়স্ক ব্যক্তি।

    মোরবির এই ঝুলন্ত সেতুটি ১৪০ বছরেরও বেশি পুরনো। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৬৫ ফুট। ১৮৭৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ের গভর্নর রিচার্ড টেম্পল ব্রিজটি উদ্বোধন করেন। ১৮৮০ সালে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকা ব্যয়ে এটি তৈরি করা হয়েছিল। সেই সময় এই সেতু তৈরির যাবতীয় উপকরণ ইংল্যান্ড থেকেই আমদানি করা হয়েছিল। দুর্ঘটনার সময়কার ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়,কেউ সাঁতার কেটে প্রাণরক্ষা করার চেষ্টা করছেন, কেই ঝুলন্ত ব্রিজের দড়ি ধরে ঝুলে রয়েছেন।  যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে রয়েছে অ্যাম্বুল্যান্স, উদ্ধারকার্যের জন্য বাহিনী,পুলিশ প্রশাসন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    প্রশাসনের পাশাপাশি উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছেন এলাকাবাসীও। সংস্কারের পাঁচ দিনের মধ্যে কী ভাবে ঝুলন্ত সেতু ছিঁড়ে পড়ল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে গুজরাট প্রশাসন। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় সেতুর সংস্কারের বরাত প্রাপ্ত সংস্থাকে তলব করা হতে পারে। গুজরাট প্রশাসন সূত্রে খবর, কী কারণে আচমকা ওই সেতু ভেঙে পড়ল তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে পাঁচ সদস্যের তদন্তকারী দল। ইঞ্জিনিয়ারদের টিমও পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পরই গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। রাজ্য সরকারের তরফে নিহতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে সহায়তা ঘোষণা করা হয়। আহতদের ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে বলে ট্যুইট করেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

  • Gujarat bridge collapse: মোরবি সেতু দুর্ঘটনায় মৃত্যু বিজেপি সাংসদের ১২ আত্মীয়র! মারা গেলেন বাংলার এক যুবকও

    Gujarat bridge collapse: মোরবি সেতু দুর্ঘটনায় মৃত্যু বিজেপি সাংসদের ১২ আত্মীয়র! মারা গেলেন বাংলার এক যুবকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের মোরবিতে সেতু (Morbi Bridge Collapse) বিপর্যয়কাণ্ডে রাজকোটের বিজেপি সাংসদের পরিবারের ১২ জন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জন শিশু। রবিবার সন্ধ্যায় মোরবির ওই ঝুলন্ত সেতু দেখতে যান রাজকোটের সাংসদ মোহনভাই কল্যাণজী কুন্দারিয়ার বোনের পরিবারের সদস্যরা। সেতু ছিঁড়ে পড়ায় সকলেই মাছু নদীতে পড়ে গিয়েছিলেন। রাতভর তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার কথা বলতে গিয়ে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন পদ্ম-শিবিরের ওই সাংসদ। তিনি বলেন, “কী ভাবে কী হয়ে গেল, কিছুই বুঝতে পারছি না। আমার বোনের পরিবারটাই শেষ হয়ে গেল। ওই অভিশপ্ত সেতু সব কেড়ে নিয়েছে আমার।” 

    আরও পড়ুন: আমি মর্মাহত, মন পড়ে রয়েছে আক্রান্তদের সঙ্গে! আজ মোরবি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত সেতু বিপর্যয়কাণ্ডে ১৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে আরও ১৭৭ জনকে। এদের মধ্যে অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন। মোরবিতে ব্রিজ বিপর্যয়ে মৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার এক যুবকও। সোনার কাজ করতে গুজরাটে গিয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর ওই যুবক। রবিবার রাতে অন্যদের সঙ্গে ওই যুবকও মোরবির ঝুলন্ত ব্রিজে ঘুরতে গিয়েছিলেন। ব্রিজ ভেঙে অন্য অনেকের সঙ্গে নদীতে পড়ে যান হাবিবুল শেখ নামে ওই যুবক। রাতেই তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়।

    আরও পড়ুন: গুজরাটে সেতু ভেঙে মৃত অন্তত ১৩২, ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল

    গুজরাট প্রশাসন সূত্রে খবর, গত ১৫ বছর ধরে মোরবির এই ঝুলন্ত সেতুর রক্ষণা-বেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে ‘ওরেভা কোম্পানি’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থা। গত ৭ মাস ধরে সংস্কারের জন্য সেতু বন্ধ রাখা হয়েছিল। মোরবি পুরসভার দাবি, প্রায় ২ কোটি টাকা খরচ করে সেতু সংস্কার করে ওই সংস্থা। চলতি বছরের ২৬ অক্টোবর জনসাধারণের জন্য়ে খুলে দেওয়া হয় সেতুটি। সংস্কারের ৫ দিনের মাথাতেই বিপর্যয় ঘটায় এই নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে রক্ষণা-বেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ওই সংস্থা। কিন্তু পুরসভার অভিযোগ, ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়াই খুলে দেওয়া হয়েছিল সেতুটি। কেন ফিটনেস সার্টিফিকেট না দিয়েই সেতু খুলে দেওয়া হল, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এই সেতুতে উঠতে গেলে টিকিট কাটতে হয়। বেশি লাভের জন্য অতিরিক্ত লোক সেখানে তোলা হয়েছিল বলেও অভিযোগ তুলেছে মোরবি পুর কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গুজরাট সরকার। 

LinkedIn
Share