Tag: Gujrat

Gujrat

  • Solar Powered Village: দেশের প্রথম সৌরশক্তির গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে গুজরাটের সূর্য মন্দিরের গ্রাম!

    Solar Powered Village: দেশের প্রথম সৌরশক্তির গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে গুজরাটের সূর্য মন্দিরের গ্রাম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ গ্রাম বিখ্যাত ছিল সূর্য মন্দিরের জন্য। এবার নয়া পরিচিতি পাচ্ছে গুজরাটের মেহসানা জেলার মধেরা গ্রাম। আজ, শুক্রবার থেকে এ গ্রামকে দেশবাসী চিনবে সৌরশক্তির গ্রাম (Solar Powered Village)  হিসেবে। আজ্ঞে, হ্যাঁ। এটিই দেশের প্রথম সৌরশক্তির গ্রাম। এ গ্রামের সব কিছুই চলবে সৌরশক্তির সাহায্যে। মধেরা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে পুষ্পবতী নদী। এই গ্রামেই রয়েছে সূর্য মন্দির। প্রধানমন্ত্রীর অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করবেন সৌরশক্তির গ্রামের (Solar Powered Village)। আরও কয়েকটি প্রকল্পের শিলান্যাসও করবেন তিনি।

    মধেরাকে সৌরশক্তির গ্রামে (Solar Powered Village) রূপান্তরিত করতে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে বসানো হয়েছে হাজারেরও বেশি সৌর প্যানেল। গুজরাট সরকারের দাবি, এর ফলে গ্রামবাসীদের আর বিদ্যুৎ কষ্টে ভুগতে হবে না। গ্রামে সৌর বিদ্যুৎ থাকবে ২৪ ঘণ্টাই। গ্রামবাসীরা নিখরচায় ভোগ করবেন সৌর বিদ্যুৎ। বৃহস্পতিবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, আমি জানাতে খুশি হচ্ছি ক্লিন এনার্জি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নপূরণে গুজরাট আরও একবার নেতৃত্ব দিচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির মাধ্যমে ভারতের শক্তির চাহিদার ৫০ শতাংশ উৎপাদন করতে তাঁর সঙ্কল্প পূরণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আরও পড়ুন : ভোটের মুখে জোর ধাক্কা গুজরাট কংগ্রেসে, ৬ মাসের কারাদণ্ডের সাজা জিগনেশ মেবানির

    ছবির মতো সাজানো গ্রাম মধেরা। শেষ জনগণনা অনুযায়ী, গ্রামে বাস করেন ৬ হাজার ৭৩৮ জন। এই সৌরশক্তি প্রকল্পের জন্য গুজরাট সরকার বরাদ্দ করেছে ১২ হেক্টর জায়গা। কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিয়ে প্রকল্পের কাজে খরচ করেছে মোট ৮০ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা। জানা গিয়েছে, সৌরশক্তির এই গ্রামে (Solar Powered Village) দিনের বেলায় শক্তি সরবরাহ করবে সৌর প্যানেল। সন্ধেয় সেই শক্তি বাড়িতে সরবরাহ করবে বিইএসএস। এই গ্রামেই প্রথম বৈদ্যুতিক যানের চার্জিং স্টেশনও স্থাপন করা হয়েছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী গুজরাটে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে মধেরার সূর্য মন্দিরে হবে স্পেকট্যাকুলার লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো। এই শোয়ে থ্রি-ডি প্রজেকশনের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে মধেরার ইতিহাস। এই শো-ও হবে সৌরশক্তির সাহায্যে। এখনও যে গ্রামের মন্দিরে নিত্য পুজো হয় সূর্যদেবের, সেই গ্রামেই দিবানিশি আলো দেবেন দিবাকর!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Urban Naxal: ভোল বদলে ঢোকার চেষ্টা করছে শহুরে নকশালরা, গুজরাটবাসীকে সতর্ক করলেন মোদি  

    Urban Naxal: ভোল বদলে ঢোকার চেষ্টা করছে শহুরে নকশালরা, গুজরাটবাসীকে সতর্ক করলেন মোদি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোল বদলেছে। নয়া রূপে গুজরাটে ঢোকার চেষ্টা করছে শহুরে নকশালরা (Urban Naxal)।  কিন্তু রাজ্য সরকার যুবকদের জীবন ধ্বংস করার সুযোগ তাদের দেবে না। গুজরাটের (Gujrat) ভারুচে বাল্ক ড্রাগ পার্কের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানেই শহুরে নকশালদের নিশানা করেন তিনি।

    এদিনের অনুষ্ঠানে মোদি শহুরে নকশালদের (Urban Naxal) ব্যাপারে স্থানীয়দের সতর্ক করে দেন। তিনি বলেন, রাজ্যে ফের ঢোকার চেষ্টা করছে শহুরে নকশালরা। তারা তাদের পোশাকটাই কেবল বদলেছে। তাদের অনুসরণ করতে বলে আসলে তারা সরল সাধাসিধে এবং জীবনশক্তিতে ভরপুর তরুণদের ভুল পথে চালিত করছে। চলতি বছরেই রয়েছে গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন। এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টির। রাজনৈতিক মহলের মতে, এদিন নাম না করে মোদি আসলে কেজরিওয়ালের দলকেই আক্রমণ শানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন : ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা, বললেন মোদি

    মোদি বলেন, শহুরে নকশালরা (Urban Naxal) বাইরে থেকে এসে এ রাজ্যে পা রাখতে চাইছে। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে তাদের দেব না আমরা। এর পরেই শ্রোতাদের সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের উচিত আমাদের ছেলেমেয়েদের শহুরে নকশালদের ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া। এই শহুরে নকশালরা গোটা দেশকে ধ্বংস করার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। মোদি বলেন, শহুরে নকশালরা বিদেশি শক্তির এজেন্ট। তাঁদের কাছে মাথা নত করবে না গুজরাট। গুজরাট তাদের ধ্বংস করে দেবে। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে আমি যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিই, তখন গোটা বিশ্বে ভারতীয় অর্থনীতির স্থান ছিল ১০ নম্বরে। বর্তমানে এ দেশের স্থান হয়েছে ৫ নম্বরে। প্রসঙ্গত, এতদিন পাঁচ নম্বরে ছিল ব্রিটেন। চলতি বছর ব্রিটেনকে সরিয়ে ওই জায়গা দখল করে ভারত। অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত জায়গা করে নেবে ৩ নম্বরে। কিছু দিন আগে এ কথা জানিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • AAP Gujarat: ‘হীরাবেনকে আক্রমণ করা হয়েছে, কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রীর মা…’

    AAP Gujarat: ‘হীরাবেনকে আক্রমণ করা হয়েছে, কারণ তিনি প্রধানমন্ত্রীর মা…’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শতবর্ষীয়া মাকে কটাক্ষ করা হয়েছিল আম আদমি পার্টির (AAP) তরফে। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে সেই ভিডিও। এর পরেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলকে একহাত নিল বিজেপি (BJP)। সাফ জানাল, তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর মায়ের) একমাত্র অপরাধ তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্ম দিয়েছিলেন।

    আপের গুজরাট (AAP Gujarat) শাখার প্রধান গোপাল ইটালিয়া প্রধানমন্ত্রীর মা হীরাবেন মোদিকে কটাক্ষ করেছিলেন। সম্প্রতি এমনই একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। কটাক্ষ করার পাশাপাশি তাঁকে অভিসম্পাত দিতেও দেখা গিয়েছে। তার পরেই ফুঁসে উঠেছে কেন্দ্রের শাসক দল। বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নিশানা করে বলেন, আপনারা যদি মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর মাকে কটু কথা বলে আপনারা গুজরাটে রাজনৈতিক লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন, তাহলে আপনারা ভুল করছেন। আসন্ন নির্বাচনে এজন্য আপনাদের মূল্য চোকাতে হবে। গুজরাট এবং গুজরাটিরাই তা দেবেন। তাঁর মতে, আপের গুজরাট শাখার (AAP Gujarat) প্রধান ইটালিয়ার মন্তব্য হিন্দু সমাজকে এবং হিন্দু মহিলা যাঁরা মন্দিরে যান তাঁদের পক্ষেও অপমানজনক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, আপ নেতাদের এই মন্তব্য নিদারুনভাবে ক্ষমার অযোগ্য। কারণ তাঁরা অপমান করেছেন শতবর্ষীয়া এক মহিলাকে, যাঁর সঙ্গে নির্বাচনের কোনও সম্পর্কই নেই। এর পরেই স্মৃতি ইরানি বলেন, তাঁর এক মাত্র অপরাধ যে তিনি রাজনীতিতে নেই, তিনি জন্ম দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদির। যিনি আপনার (কেজরিওয়াল) রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দিচ্ছেন।

    ইটালিয়ার দাবি, তিনি পতিদার সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি বলে বিজেপি তাঁকে টার্গেট করছে। এ প্রসঙ্গে স্মৃতি ইরানি বলেন, তিনি নয়া অজুহাত খুঁজে বের করছেন। এ থেকে বোঝা যায়, আসন্ন নির্বাচনে আপ সম্প্রদায়িক ও জেন্ডার কার্ডকে হাতিয়ার করবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, তারা বুঝতে পারছে না, গুজরাটিরা মাকে কত সম্মান করেন! এদিকে, অন্য একটি ভিডিওতে ইটালিয়াকে বলতে শোনা যায়, মহিলারা যেন মন্দিরে না যান, সেখানে মহিলাদের হেনস্থা করা হয়। একে হাতিয়ার করে স্মৃতি ইরানি বলেন, রাজনৈতিক দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এসব বলছেন উনি। বিজেপি নেতা অমিত মালব্যও বলেন, আপের গুজরাট প্রেসিডেন্ট গোপাল ইটালিয়া যিনি কেজরিওয়ালের খুব কাছের, তিনি মহিলাদের অবমাননা করেছেন, লিঙ্গ বৈষম্য করেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘সত্যি বিস্ময়’, মোদি সরকারের সরাসরি ব্যাংকে নগদ হস্তান্তর প্রকল্পের প্রশংসা আইএমএফের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Narendra Modi: মানবিক মোদি! রাত ১০টায় সভায় এসে চাইলেন ক্ষমা, অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য ছাড়লেন রাস্তা

    Narendra Modi: মানবিক মোদি! রাত ১০টায় সভায় এসে চাইলেন ক্ষমা, অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য ছাড়লেন রাস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি নিয়মের বাইরে নন। দেশের প্রধান হলেও নিয়ম তার জন্যও প্রযোজ্য। তাই রাত ১০টায় জনসভায় পৌঁছে মাইক ব্যবহার করলেন না। দেরিতে সভায় পৌঁছনোর জন্য চাইলেন ক্ষমা। সকলের সামনে আদর্শ স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। শুক্রবার রাজস্থানের সিরোহির আবু রোডের একটি সভায় পৌঁছতে দেরি হয়ে যায় তাঁর। তাই সভায় বক্তব্য না রেখে মাইক ছাড়াই সমাবেশে উপস্থিত সকলের কাছে ক্ষমা চাইলেন মোদি। সকলের উদ্দেশে মোদি বলেন, ‘আমার পৌঁছতে দেরি হয়ে গিয়েছে। এখন রাত ১০ টা বাজে। আমার বিবেক বলে, আমার নিয়ম নীতি মেনে চলা উচিত। তাই আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইছি।’

    পুনরায় ওখানে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোদি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, আবার আসব আমি এখানে এবং আমাকে দেওয়া আপনাদের সব ভালবাসা সুদ সমেত ফিরিয়ে দেব।’ এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের বক্তৃতাই এখন সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল। এরপরই মঞ্চে হাঁটু গেড়ে বসে ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান তোলেন মোদি। তাঁর সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত জনতাও স্লোগান দিয়ে ওঠেন। একাধিক বিজেপি নেতা এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবহারের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মাইক্রোফোন এবং লাউডস্পিকারের নিয়ম অনুসরণ করার জন্য তাঁকে বাহবা দিয়েছেন।

    এর আগেও এদিন মোদির মানবিক রূপ দেখেন দেশবাসী। অ্যাম্বুল্যান্সকে জায়গা দেওয়ার জন্য থেমে যায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। শুক্রবার আমেদাবাদ থেকে গান্ধীনগরে (Gujarat) যাচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ধীরে ধীরে বাঁদিকে সরে গিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ করে দিচ্ছে মোদির কনভয়। প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো পোস্ট করে গুজরাটের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হর্ষ সাংভি লিখেছেন, ‘জনগণের সরকার। আমেদাবাদ থেকে গান্ধীনগর যাওয়ার পথে অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ দিতে থামল প্রধানমন্ত্রীর কনভয়।’আর কিছু দিন বাদেই গুজরাটে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে নবরাত্রী উৎসবের মধ্যে নিজের রাজ্যে গিয়েছেন মোদি। গুজরাটে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করছেন তিনি। শুক্রবার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। 

  • Teesta Setalvad: মোদির যাতে ফাঁসি হয়, তার ছক কষেছিলেন তিস্তা শেতলবাদ? চার্জশিটে শিট

    Teesta Setalvad: মোদির যাতে ফাঁসি হয়, তার ছক কষেছিলেন তিস্তা শেতলবাদ? চার্জশিটে শিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট (Gujrat) সরকারের ভাবমূর্তিতে কালি লাগাতে চেয়েছিলেন তিস্তা শেতলবাদ (Teesta Setalvad)। গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ছকও কষেছিলেন তিনি। ২০০২ সালে গোধরা পরবর্তী হিংসায় মোদির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল বলে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম, সংক্ষেপে সিটের (SIT) চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সম্প্রতি তিস্তা শেতলবাদ, পুলিশের প্রাক্তন ডিজি আরবি শ্রীকুমার এবং প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাটের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। আহমেদাবাদ মেট্রো কোর্টে ওই চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। সিটের জমা দেওয়া চার্জশিটে বলা হয়েছে, গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হিংসার ঘটনার জেরে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ছক কষেছিলেন অভিযুক্তরা। আরও মারাত্মক অভিযোগ হল, সরকারের অংশ হওয়া সত্ত্বেও আরবি শ্রীকুমার ও সঞ্জীব ভাট তিস্তার জন্য জাল নথিপত্র বানিয়েছিলেন। পরে সেগুলিকে সরকারি নথির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়।

    কেন তাঁরা এরকম করেছিলেন? চার্জশিটে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক কেরিয়ার শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। চেয়েছিলেন তাঁর ভাবমূর্তিতে কালি লাগাতে। এজন্য একদল আইনজীবীকে ভাড়া করা হয়েছিল যাঁরা জাল নথিপত্র ও হলফনামা তৈরি করেন। সিটের দাবি, গোধরা পরবর্তী ওই হিংসার শিকার বলে যাঁদের বলা হচ্ছে, তাঁদের প্রভাবিত করা হয়েছে। জোর করে স্বাক্ষর করানো হয়েছে মনগড়া বিবৃতিতে। যেহেতু ওই বিবৃতির পুরোটাই ইংরেজিতে, তাই হিংসার শিকার বলে যাঁদের বলা হচ্ছে, তাঁরা বুঝতে পারেননি কোথায় স্বাক্ষর করছেন তাঁরা। তাঁকে যদি সমর্থন না করেন, তাহলে বিপদ হবে বলেও হিংসার সাক্ষীদের হুমকি দিয়েছিলেন তিস্তা শেতলবাদ।

    আরও পড়ুন : আহমেদ প্যাটেলের নির্দেশেই মোদির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন তিস্তা! দাবি সিটের

    সিটের আরও দাবি, তিস্তার সঙ্গে আরও যে আইপিএস অফিসাররা জড়িত তাঁরাও তিস্তাকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন। একবার আরবি শ্রীকুমার এক সাক্ষীকে হুমকিও দিয়েছিলেন। শ্রীকুমার এক সাক্ষীকে বলেছেন, আপনি যদি তিস্তাকে সমর্থন না করেন, মুসলমানেরা আপনার বিরুদ্ধে চলে যাবে এবং আপনি সন্ত্রাসবাদীদের টার্গেট হয়ে যাবেন। আমরা যদি আমাদের মধ্যে লড়াই করি, শত্রুরা লাভবান হবে। একইভাবে উপকৃত হবেন মোদিও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PM Modi: ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা, বললেন মোদি

    PM Modi: ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন শহুরে নকশালরা (Urban Naxals)। এমনই অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছেন তাঁরা। শুক্রবার গুজরাটের (Gujrat) নর্মদা জেলার একতা নগরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ন্যাশনাল কনফারেন্স অফ এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময়ই তিনি নিশানা করেন শহুরে নকশালদের।

    গুজরাটের সর্দার সরোবর বাঁধ তৈরিতে প্রথম পদক্ষেপ করেছিলেন জওহরলাল নেহরু, ১৯৬১ সালে। এদিন সে  প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, নর্মদা নদীর ওপর এই সর্দার সরোবর বাঁধ প্রকল্প দীর্ঘ সময় আটকে রেখেছিলেন শহুরে নকশালরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন উন্নয়ন বিরোধী কিছু মানুষ। যার জেরে বাঁধ তৈরিতে নষ্ট হয়েছে বেশ কয়েকটা দশক। এই শহুরে নকশাল ও উন্নয়ন বিরোধী কিছু মানুষের বাধার জেরে বাঁধ উঁচু করতে ঋণ দিতেও অস্বীকার করেছিল বিশ্বব্যাংক। মোদি বলেন, এই ষড়যন্ত্র বুঝতে কিছু সময় লেগেছিল। তবে শেষমেশ জয়ী হয়েছেন গুজরাটের বাসিন্দারা। বলা হয়েছিল, এই বাঁধ পরিবেশের পক্ষে ক্ষতিকর। আজ সেই একই বাঁধ পরিবেশ রক্ষা করছে। এই শহুরে নকশালদের থেকে সতর্ক থাকতে বলেন মোদি।

    আরও পড়ুন : ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    তিনি বলেন, শহুরে নকশালদের মতো গোষ্ঠীর থেকে প্রত্যেকের সতর্ক থাকতে হবে। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন রাজ্যের ছ হাজারেরও বেশি পরিবেশ সংক্রান্ত ছাড়পত্র এবং সাড়ে ছ হাজারের বেশি জঙ্গল সংক্রান্ত ছাড়পত্র পড়ে রয়েছে। সে প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, এই প্রস্তাবগুলিকে তাড়াতাড়ি ছাড়পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। যদি ঠিকঠাক থাকে। ব্যাকলগ থাকলে কোটি কোটি টাকা মূল্যের প্রোজেক্ট আটকে যাবে। মোদি বলেন, এটা অর্থনীতি এবং পরিবেশের পক্ষে একটা উইন-উইন পরিস্থিতি। অযথা পরিবেশের দোহাই দিয়ে কোনও প্রকল্প আটকে রাখা ঠিক নয়। জীবনকে সহজ করতে যা করণীয়, তা করা হবে। তিনি বলেন, যত তাড়াতাড়ি পরিবেশের ছাড়পত্র মিলবে, তত তাড়াতাড়ি হবে উন্নয়ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jignesh Mevani: ভোটের মুখে জোর ধাক্কা গুজরাট কংগ্রেসে, ৬ মাসের কারাদণ্ডের সাজা জিগনেশ মেবানির

    Jignesh Mevani: ভোটের মুখে জোর ধাক্কা গুজরাট কংগ্রেসে, ৬ মাসের কারাদণ্ডের সাজা জিগনেশ মেবানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট (Gujrat) প্রদেশ কংগ্রেসের (Congress) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তথা বিধায়ক জিগনেশ মেবানিকে (Jignesh Mevani) ছ মাসের কারাদণ্ড দিল আমেদাবাদ আদালত (Ahmedabad Court)। ২০১৬ সালের একটি মামলায় সাজা দেওয়া হল গুজরাটের এই দলিত নেতাকে। কেবল জিগনেশ নন, ওই মামলায় আরও ১৮ জনকেও একই সাজা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার জেরে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি গড়ে বড়সড় ধাক্কা খেল গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেস।

    গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ভবন তৈরির সময় ভবনের নাম সংবিধান রচয়িতা বিআর আম্বেদকরের নামে করার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন জিগনেশ ও তাঁর অনুগামীরা। সেটা ২০১৬ সালের ঘটনা। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাস্তা অবরোধও করেছিলেন তাঁরা। বিশ্ববিদ্যালয় থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি সমাবেশ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার অভিযোগ দায়ের হয়। সেই সময় জিগনেশ সহ মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই মামলায়ই এদিন রায় দিল আদালত। তবে এদিন সাজা দেওয়া হয়েছে জিগনেশ সহ মোট ১৯ কে। কারণ বিচার চলাকালীন মৃত্যু হয়েছে এক অভিযুক্তের। তবে জিগনেশদের সাজা এখনই কার্যকর হচ্ছে না। তাঁরা যাতে আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করতে পারেন, তাই কারাদণ্ডের সাজা ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রেখেছেন বিচারক।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    এদিকে, সম্প্রতি আমেদাবাদের ভাস্ত্রালে একটি জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন গুজরাট প্রদেশ কংগ্রেসের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জিগেনশ। জিগনেশ ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন তফশিলি জাতি বিভাগের চেয়ারম্যান হিতেন্দ্র পিথাদিয়া। আচমকাই জিগনেশের ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। ট্যুইটবার্তায় জিগনেশের দাবি, রাজ্যের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ সিং জাদেজার মদতপুষ্ট গুন্ডা বাহিনীই ওই হামলা চালিয়েছিল।

    দলিত মুখ হিসেবেই রাজনীতিতে দ্রুত উত্থান ঘটেছিল জিগনেশের। ২০১৭ সালে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের সমর্থনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। পরে অবশ্য কংগ্রেসে যোগ দেন। মাস কয়েক আগে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন হার্দিক প্যাটেল। তার পরেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব বর্তায় জিগনেশের ওপর। সেই জিগনেশেরেই কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা হওয়ায় ভোটের আগে যারপরনাই বিব্রত গুজরাট কংগ্রেস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suicide over Beef: খুনের হুমকি দিয়ে গোমাংস খাইয়েছিলেন স্ত্রী, আত্মঘাতী হিন্দু যুবক

    Suicide over Beef: খুনের হুমকি দিয়ে গোমাংস খাইয়েছিলেন স্ত্রী, আত্মঘাতী হিন্দু যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু (Hindu) যুবককে জোর করে গোমাংস (Beef) খেতে বাধ্য করেছিলেন তাঁর মুসলিম (Muslim) স্ত্রী ও তার ভাই। অভিযোগ, তার পরেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হন ওই যুবক। জুন মাসে মৃত্যুর আগে ফেসবুকে লিখে গিয়েছিলেন সুইসাইড নোট (Suicide Note)। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে সেই নোট। তার পরেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে গুজরাটের (Gujrat) সুরাট (Surat) পুলিশ।

    সুরাটের রোহিত প্রতাপ সিং। তিনি বিয়ে করেছিলেন এক মুসলিম মহিলাকে। অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী ও তার ভাই জোর করে রোহিতকে গোমাংস খাওয়ায়। এর পরেই রোহিত ফেসবুকে সুইসাইড নোট আপলোড করেন। পরে গলায় দড়ি দিয়ে হন আত্মঘাতী। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে ফেসবুকের ওই পোস্ট। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃত ওই যুবকের দাবি, গোমাংস খেতে অস্বীকার করায় তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ফেসবুকে দেওয়া সুইসাইড নোটে তিনি লিখেছেন, আমি পৃথিবী ছেড়ে চলে যাচ্ছি। আমার মৃত্যুর কারণ আমার স্ত্রী সোনম আলি ও তার ভাই আখতার আলি। আমার সমস্ত বন্ধুদের অনুরোধ আমি যেন বিচার পাই। আমাকে খুন করার হুমকি দিয়ে গোমাংস খাওয়ানো হয়েছিল। আমি আর এ পৃথিবীতে বাঁচতে চাই না। সেই কারণে আমি আত্মহত্যা করছি। ঘটনার দু মাস পরে সুইসাইড নোটের কথা জানতে পারেন রোহিতের আত্মীয়রা। তার পরেই তাঁরা যোগাযোগ করেন সুরাট পুলিশের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন : রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া উচিত, মত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    জানা গিয়েছে, সুরাটের একটি কারখানায় এক সঙ্গে কাজ করতেন রোহিত ও সোনম। পরে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। বিয়েও করতে চেয়েছিলেন দুজনে। সোনম ভিন ধর্মের হওয়ায় রোহিতের পরিবার এতে বাধ সাধে। সোনমকে বিয়ে করলে তাঁর সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করবে বলেও ভয় দেখায় রোহিতের পরিবার। তার পরেও রোহিত সোনমকে বিয়ে করে এবং তার সঙ্গেই থাকতে শুরু করে। যদিও পরিবারের সঙ্গে আর কোনও সম্পর্কই ছিল না রোহিতের। সুইসাইড নোট প্রকাশ্যে আসার পর সোনম ও আখতারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন রোহিতের মা বীণা দেবী। তাঁর ছেলের মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী, তাদের শাস্তিও দাবি করেছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Sologamy in India: ভারতে প্রথম, মেহেন্দিতে সেজে নিজেকেই বিয়ে  তরুণীর ! কী কী হল অনুষ্ঠানে?

    Sologamy in India: ভারতে প্রথম, মেহেন্দিতে সেজে নিজেকেই বিয়ে তরুণীর ! কী কী হল অনুষ্ঠানে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবাক হচ্ছেন? কিন্তু এই ঘটনা সত্যি। সাত পাকে নিজেই নিজেকে বাঁধলেন গুজরাতের (Gujrat) ভদোদরার (Vadodara) বাসিন্দা ক্ষমা বিন্দু (Kshama Bindu)। এক অভূতপূর্ব ঘটনার সাক্ষী হল ভারত। ২রা জুন তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলেন যে ১১জুন তিনি বিয়ে করতে চলেছেন নিজেকে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই ৮ই জুন বিয়ে সেরে ফেললেন তিনি।  হলুদপর্ব, মেহেন্দি থেকে শুরু করে সাত পাক, সিঁদুর দান সব প্রথাই পালিত হল বাড়িতে। তবে ছিল না কোনও পাত্র। ইন্সটাগ্রামে (Instagram) তাঁর ছবিও শেয়ার করেছেন ক্ষমা বিন্দু। বুধবার বিয়ে শেষে এক নজির সৃষ্টি করলেন ভারতের প্রথম সোলোগ্যামি (Sologamy)  কনে ক্ষমা বিন্দু। নিজের প্রতি ভালোবাসা থেকেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: এ কেমন শখ! মানুষ থেকে কুকুর হল জাপানি যুবক

    নির্ধারিত তারিখের আগেই বিয়ে করার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনবরত আক্রমণ, সমালোচনা ও কটাক্ষের ফলেই বিয়ে এগিয়ে আনেন ক্ষমা। এইসব বিতর্কের জেরে পুরোহিতও বিয়ে করাতে মানা করে দেন। এমনকি ভদোদরা (Vadodara) বিজেপির (BJP) সহ সভাপতি সুনীতা শুক্লা (Sinita Shukla) এই বিয়ের তীব্র বিরোধিতা করেন।  যে মন্দিরে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল সেখানেও বিয়ের অনুষ্ঠান করাতে দেননি। সুনীতা শুক্লা ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি এমন বিয়ে কখনওই কোনও মন্দিরে হতে দেবেন না।কারণ তাঁর মতে এটি হিন্দুধর্মের অবমাননা।  হিন্দু যুবসমাজকে ভুলপথে চালনা করা।  এটিকে বিন্দুর ‘পাবলিসিটি স্টান্ট’ও (Publicity Stunt) বলেছেন তিনি। ফলে এইসব কারণেই শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের উপস্থিতিতেই বিয়ে সারেন গুজরাটের এই কনে।

    আরও পড়ুন: এ কি কাণ্ড আমাজনের! প্লাস্টিকের বালতি, মগ বিক্রি হচ্ছে ২৬ হাজার টাকায়!

    সদ্য বিবাহিতা কনে জানান, তাঁর এতদিনের স্বপ্ন আজ পূ্র্ণ হল। তাঁর বিয়েতে পাত্র ও পুরোহিত ছাড়া সবকিছুই ছিল। তিনি এদিন লক্ষ্মী গণেশের পুজো করে সাতপাক ঘোরেন ও নিজের সিঁথিতে সিঁদুর দেন। তিনি আরও জানান, তাঁর মায়েরও এই বিয়েতে সম্মতি ছিল। আগে ইনস্টাগ্রামে তার ফলোয়ার ছিল ১৭৯০০, কিন্তু এই সোলোগ্যামি ঘোষণার পর আরও ১০,০০০ অনুগামী বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২৭,৮০০। ক্ষমা বিন্দু জানিয়েছেন তিনি ইতিমধ্যেই প্রভাবশালী (Influencer) হয়ে উঠেছেন। ক্ষমাকে বহু মানুষ কটাক্ষ  করলেও অনেকে আবার ক্ষমার পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে সাহসও জুগিয়েছেন।

     

     

  • Modi Utkarsh Samaroh: “বাবার জন্য চিকিৎসক হতে চাই”, কিশোরীর কথা শুনে বাকরুদ্ধ আবেগতাড়িত মোদি

    Modi Utkarsh Samaroh: “বাবার জন্য চিকিৎসক হতে চাই”, কিশোরীর কথা শুনে বাকরুদ্ধ আবেগতাড়িত মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ ও দেশবাসীর দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। দেশের ভালোর জন্য অনেক সময়েই তাঁকে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু যে কোনও কঠিন সিদ্ধান্তই তিনি সব সময় চোয়াল শক্ত করে নেন। তাঁকে আবেগপ্রবণ হতে কজন দেখেছেন! কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হলেও তিনি আদ্যন্ত রাজনীতিবিদ। সর্বোপরি মানুষ। ফলে সময়ে-অসময়ে তিনিও আবেগতাড়িত হন। বৃহস্পতিবার গুজরাতে উৎকর্ষ সমারোহের অনুষ্ঠান চলাকালীন আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। তিনি আয়ুব প্যাটেল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন। যিনি চোখে দেখতে পান না। গুজরাত সরকারে উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। এই প্রকল্পের জন্য প্রথমেই মোদিকে ধন্যবাদ জানান তিনি। বার্তালাপের সময় আয়ুব বলেন, তাঁর তিন মেয়ে রয়েছে। তাঁদেরই একজন চিকিৎসক হতে চায়। এই কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী ওই ব্যক্তির কন্যাকে প্রশ্ন করেন, কেন তিনি চিকিসক হতে চান? প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নের উত্তরে মেয়েটি জানান, তাঁর বাবাকে সুস্থ করার জন্য ও সাহায্য করার জন্য তিনি চিকিসক হতে চান। এই উত্তরে  আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী।  কিছুক্ষণ চুপ করে থাকেন তিনি। ওই মেয়ের মনের জোর এবং জেদের প্রশংসা করেন মোদি। তিনি জানান, অনেক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার থেকে অভিজ্ঞতার শক্তি বেশি। নিজেদের জীবন এবং লড়াই থেকেই অনেক কিছু শেখা যায়। পাশে থাকার কথা জানিয়ে ওই ব্যক্তিকে মোদি বলেন, “আপনার মেয়ের স্বপ্নপূরণে কোনও সাহায্যের প্রয়োজন হলে আমাকে জানান।” 

    [tw]


    [/tw]

    প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে এই উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১২ হাজার ৮৫৪ জন রয়েছেন। যাঁদের অভাবের সময় সাহায্য করা হয়। গুজরাত সরকারের চারটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবে একশো শতাংশ প্রয়োগ করা হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখেন প্রধানমন্ত্রী তথা গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “প্রকল্পগুলি কখনও খাতায় কলমে থেকে যায়, কখনও বা ভুল লোকের হাতে চলে যায়। কিন্তু আমি আপনাদের সঙ্গে আছি। সবকা সাথ, সবকা বিকাশ এই ভাবনা নিয়েই কাজ করি আমি। এটাই ঠিক পথ বলে আমার বিশ্বাস।” গুজরাতবাসীকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন, তিনি আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে এই জায়গায় পৌঁছতে সাহায্য করেছে গুজরাতের সাধারণ মানুষ।

    এদিন অন্য এক মঞ্চে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির থাকার কথা। বাইডেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত গ্লোবাল করোনা সামিটে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। আজ ভার্চুয়াল এই সামিটে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে তাঁর। করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে টিকাকরণে ভারতের ভূমিকা নিয়েই বার্তা দেওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী মোদির এমনই জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী।

LinkedIn
Share