Tag: Gunmen Attack

Gunmen Attack

  • Nigeria Massacre: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের নৃশংস হামলায় নিহত অন্তত ২৯

    Nigeria Massacre: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের নৃশংস হামলায় নিহত অন্তত ২৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের নৃশংস হামলায় নিহত অন্তত ২৯ জন। হামলার দায় স্বীকার করেছে (Nigeria Massacre) ইসলামিক স্টেট ওয়েস্ট আফ্রিকা প্রভিন্স (ISWAP)। গোষ্ঠীটির দাবি, তারা হামলা চালিয়ে অন্তত ২৫ জন খ্রিস্টানকে হত্যা করেছে।

    খেলার মাঠে অতর্কিতে হামলা (Nigeria Massacre)

    রবিবার আদামাওয়া (Islamic State) অঙ্গরাজ্যের গোম্বি লোকাল গভর্নমেন্ট এরিয়ার গুইয়াকু কমিউনিটিতে হিংসার ঘটনাটি ঘটে। অঞ্চলটি ক্যামেরুন সীমান্তের কাছে, দীর্ঘদিন ধরে জেহাদি তৎপরতার জন্য পরিচিত। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হামলাকারীরা একটি ফুটবল খেলার মাঠে অতর্কিতে হামলা চালায়। সেই সময় বহু তরুণ-তরুণী খেলা দেখতে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বন্দুকধারীরা এলাকায় ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালাতে শুরু করে।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    স্থানীয় এক বাসিন্দা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “আমাদের লোকজন গুইয়াকু কমিউনিটির ফুটবল মাঠে জড়ো হয়েছিল…। তখন বিদ্রোহীরা অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকে।” নিহতদের অধিকাংশই যুবক-যুবতী। এর মধ্যে ফুটবল খেলা দেখতে আসা কয়েকজন মহিলাও রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, হামলার সময় ঘরবাড়ি, যানবাহন ও গির্জায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আদামাওয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর আহমাদু উমারু ফিনতিরি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, গুইয়াকু কমিউনিটিতে প্রাণঘাতী হামলায় অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দে করে অবিলম্বে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি (Nigeria Massacre)।

    পোড়া গির্জার ছবি

    জানা গিয়েছে, প্রথমে প্রশাসন বোকো হারাম জঙ্গিদের দায়ী করলেও, পরে হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি (Islamic State) দেয় আইএসডাব্লুএপি। তাদের দাবি, অন্তত ২৫ জন খ্রিস্টানকে হত্যা করা হয়েছে। একটি গির্জা ও প্রায় ১০০টি মোটরবাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। টেলিভিশন ফুটেজে পোড়া গির্জা ও কয়েকটি পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেল দেখা গিয়েছে। কমিউনিটি নেতারা জানান, হামলাকারীরা কয়েক ঘণ্টা ধরে সাধারণ মানুষের ওপর হামলা ও সম্পত্তি ধ্বংস করেছে। নিরাপত্তা রক্ষীরা না থাকায় তারা সঙ্গে সঙ্গে কোনও প্রতিরোধের মুখেও পড়েনি (Nigeria Massacre)।

    নিরাপত্তা সঙ্কট

    এই হামলায় নাইজেরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সঙ্কটকে আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। এখানে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিদ্রোহ করছে জেহাদিরা। রাষ্ট্রসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে বোকো হারাম ও আইএসডাব্লুএপি সংক্রান্ত হিংসায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখো মানুষ। এই সংঘাত প্রতিবেশী নাইজার, চাদ ও ক্যামেরুনেও ছড়িয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক এই হামলাটি বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে, কারণ এতে প্রকাশ্যে দায় স্বীকার করা হয়েছে এবং জনসমাগমে থাকা নিরীহ মানুষদের টার্গেট করা হয়েছে।

    কৃষিজমি নিয়ে বিবাদের জের

    দেশে সাধারণ নির্বাচন এক বছরেরও কম সময় দূরে থাকায় নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে চাপ বাড়ছে। সরকার বিদ্রোহ দমন ও নতুন করে হওয়া হামলা ঠেকাতে বাড়তি চাপে রয়েছে (Nigeria Massacre)। এদিকে, এদিনই ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরের লামুর্দে এলাকায় আর একটি হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, সেখানে কৃষিজমি নিয়ে বিবাদের জেরে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ হয় (Islamic State)। স্থানীয় প্রশাসনের এক শীর্ষ কর্তা বলেন, “মানুষের প্রাণ গিয়েছে, সম্পত্তিও নষ্ট হয়েছে।”

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, গুইয়াকুর হামলাটি সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘটনাগুলির একটি। আইএসডাব্লুএপির দাবি, তারা অন্তত ২৫ জন খ্রিস্টানকে হত্যা করেছে এবং একটি গির্জা ও প্রায় ১০০টি মোটরবাইকে আগুন দিয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই গোষ্ঠীটি ফের হামলা চালাতে পারে। প্রত্যাশিতভাবেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে শুরু করেছেন উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়ার সাধারণ মানুষ।

     

  • Shooting in USA:  আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের হামলা! দেশবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    Shooting in USA: আমেরিকায় ফের বন্দুকবাজের হামলা! দেশবাসীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ক্যালিফোর্নিয়ায় চিনা নববর্ষের উৎসবে হামলার পর আবার বন্দুকবাজের হামলা আমেরিকায়। এ বার আইওয়া প্রদেশের ডেস মোইনেস শহরের একটি স্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন দুষ্কৃতীরা। গুলির আঘাতে মৃত্যু হয়েছে দুই ছাত্রের। জখম স্কুলের এক শিক্ষক। আমেরিকার ওই যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সোমবার আচমকাই হানা দেন বন্দুকবাজেরা। স্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে থাকেন। দুষ্কৃতীদের গুলিতে জখম শিক্ষকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। 

    পরপর হামলা

    ডেস মোইনেস পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের এখনও শনাক্ত করা যায়নি। তাঁরা নাবালক কি না, স্পষ্ট নয় তা-ও। ঘটনার পর স্কুল থেকে পালিয়ে যান দুষ্কৃতীরা। ওই বন্দুকবাজদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। পরে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শহরের রাস্তায় একটি গাড়ি আটক করা হয়। সেখান থেকে তিন জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। স্কুলে হামলার পিছনে এদের যোগ থাকতে পারে বলে অনুমান। অন্য দিকে, উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার হাফ মুন বে শহরে পৃথক দুটি হামলায় মৃত্যু হয়েছে মোট সাত জনের। আহত আরও অনেকে। তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েক জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: মন্দার জের! ব্যাপকহারে কর্মী ছাঁটাই মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলিতে

    দেশবাসীর নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে

    আমেরিকায় একের পর এক বন্দুকবাজের হামলার ঘটনায় দেশবাসীর নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে। একদিন আগেই আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার মন্টেরে পার্ক শহরে বন্দুকবাজের হামলায় অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয় বলে খবর।  সেখানে চিনা নববর্ষ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে প্রচুর মানুষের জমায়েত হয়েছিল। স্থানীয় সময় রাত ১০ টা নাগাদ সেখানেই মেশিনগান নিয়ে ঢুকে পড়ে এক বন্দুকবাজ।  ঢুকেই এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান কমপক্ষে ১১ জন। আহত হন আরও ৯ জন। নিমেষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    এক রেস্তোরাঁ মালিক সিউং ওন চোই জানিয়েছেন, ‘‘তিন জন দৌড়ে আমার রেস্তোরাঁয় এসে ঢুকেই ভিতর থেকে সদর দরজা বন্ধ করে দেন। চিৎকার করে আমাকে বলেন, এক বন্দুকবাজ মেশিন গান নিয়ে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এলোপাথাড়ি গুলি চালাচ্ছে।’’ চোইয়ের আরও দাবি, বন্দুকবাজের কাছে বহু কার্তুজ রয়েছে। এক বার মেশিন গান ফাঁকা হয়ে যাওয়ার পর তিনি আবার তাতে গুলি ভরে নিচ্ছেন এবং এলোপাথাড়ি চালিয়ে যাচ্ছেন। পরে পুলিশ ঘিরে ফেললে নিজের শরীরে গুলি করে আত্মঘাতী হন অভিযুক্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share