Tag: Gwalior

Gwalior

  • RSS Pracharak Varg: ৩১ অক্টোবর গোয়ালিয়রে শুরু হচ্ছে আরএসএসের প্রচারক বর্গ, জানালেন সুনীল আম্বেকর

    RSS Pracharak Varg: ৩১ অক্টোবর গোয়ালিয়রে শুরু হচ্ছে আরএসএসের প্রচারক বর্গ, জানালেন সুনীল আম্বেকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে শুরু হতে চলেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রচারক বর্গ (RSS Pracharak Varg)। সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন আরএসএসের সর্বভারতীয় প্রচার প্রমুখ শ্রী সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)। তিনি জানিয়েছেন, প্রচারক বর্গ (RSS Pracharak Varg) শুরু হবে দীপাবলির দিন থেকে এবং চলবে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, সারা দেশ থেকে মোট ৫৫৪ জন প্রচারক এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। প্রসঙ্গত, প্রচারক বর্গ অনুষ্ঠিত হয় প্রতি চার-পাঁচ বছর অন্তর। ২০২৫ সালেই আরএসএস শতবর্ষে পা রাখতে চলেছে। তার আগে এমন প্রচারক বর্গ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সঙ্ঘ সূত্রে জানা গিয়েছে, সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে এবং অন্যান্য সহকার্যবাহ ও সঙ্ঘের অখিল ভারতীয় স্তরের পদাধিকারীরা এই বৈঠকে যোগদান করবেন।

    কোন কোন বিষয়ে আলোচনা (RSS Pracharak Varg)?

    বৈঠকে শ্রমিক, কৃষক, ছাত্রদের বিভিন্ন ইস্যু উঠে আসবে। এছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয়, অর্থনৈতিক, গ্রামীণ সমস্যা নিয়েও আলোচনা হবে। এর পাশাপাশি ওই বৈঠকে সমাজ জীবনের প্রয়োজনীয় কাজগুলি সম্পর্কেও আলোচনা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। জাতীয় স্তরের নানা ইস্যু এবং সামাজিক ইস্যুও বৈঠকে উঠে আসবে বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকে (RSS Pracharak Varg) আলোচনা হবে আত্মনির্ভরতা, দেশের নিরাপত্তা, জৈব কৃষি, জল সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা সমেত আরও অন্যান্য ইসুতে।

    মথুরায় সঙ্ঘের কার্যকরী মণ্ডলের বৈঠক শেষ হয়েছে গতকাল শনিবার 

    মথুরায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের অখিল ভারতীয় কার্যকরী মণ্ডলের দুদিনের বৈঠক সমাপ্ত হয় গতকাল শনিবার ২৬ অক্টোবর। শুক্রবার ২৫ অক্টোবর এই বৈঠকের উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক ডক্টর মোহন ভাগবত। মথুরার পারখম গ্রামের দীনদয়াল গাভী বিজ্ঞান গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নবধা অডিটোরিয়ামে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সঙ্ঘের ১১টি ক্ষেত্র এবং ৪৬টি প্রদেশ থেকে মোট ৩৯৩ জন এই বৈঠকে অংশ নেন। জম্মু ও কাশ্মীর, কেরল এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের অরুণাচল, মণিপুর, ত্রিপুরা থেকেও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। আগামী মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে পরিকল্পনা করা হয় বৈঠকে। সরসঙ্ঘচালক ডক্টর মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে এবং সহ সরকার্যবাহ ডক্টর কৃষ্ণ গোপাল, শ্রী মুকুন্দ, অরুণ কুমার, রামদত্ত চক্রধর, অলোক কুমার, অতুল লিমায়ে হাজির ছিলেন বৈঠকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UNESCO: কোঝিকোড় ‘সাহিত্যের শহর’, গোয়ালিয়র ‘সঙ্গীতের শহর’! বিশেষ স্বীকৃতি ইউনেস্কোর

    UNESCO: কোঝিকোড় ‘সাহিত্যের শহর’, গোয়ালিয়র ‘সঙ্গীতের শহর’! বিশেষ স্বীকৃতি ইউনেস্কোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের দুটি শহরকে বিশেষ সম্মানের তক্‌মা ঘোষণ করল ইউনেস্কো (UNESCO)।  এই ঘোষণায় ভারতের মুকুটে আরও এক জোড়া পালক যুক্ত হল। কেরলের কোঝিকোড় শহরকে ‘সাহিত্যের শহর’ এবং মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রকে ‘সঙ্গীতের শহর’ বলে বিশেষ ঘোষণা করল ইউনেস্কো। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে পোস্ট করে এই খুশির খবর প্রকাশ করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

    সাহিত্যের শহর কোঝিকোড়

    ইউনেস্কো (UNESCO) কেরলের কোঝিকোড় শহরকে সাহিত্যের শহর বলে বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেছে। এই শহর হল প্রাণবন্ত সাহিত্যের কেন্দ্রভূমি। কেরল ইনস্টিটিউট অফ লোকাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের একটি প্রস্তাবেই ২০২২ সাল থেকে সাহিত্য কৃতিত্বের দিকে যাত্রা শুরু করে। কোঝিকড় কর্পোরেশনের প্রচেষ্টায় চেক রিপাবলিক দেশের প্রাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে ২০১৪ সালেও বিশেষ সম্মান লাভ করেছিল এই শহর। প্রাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষক ছাত্রী লুদমিলা কোলোচোয়া তাঁর এক গবেষণায় কোঝিকোড়ের সাহিত্য বিষয়ে তথ্য প্রদান করেন। তুলনামূলক আলোচনায় দেখা গিয়েছে, প্রাগের তুলনায় কঝিকোড় শহরে ৫০০টির বেশি গ্রন্থাগার এবং ৭০টির বেশি প্রকাশক মিলে সাহিত্য নির্মাণের ভিত্তি নির্মাণ করেছে। বার্ষিক কেরল সাহিত্য উৎসবে বই প্রকাশের সংখ্যা বিচারে এই শহরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

    সঙ্গীতের শহর গোয়ালিয়র

    মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র এই শহরটিকে ইউনেস্কো (UNESCO) ‘সঙ্গীতের শহর’ বলে বিশেষ মর্যাদা প্রদান করেছে। এই শহরের সঙ্গীত চর্চার একটি দীর্ঘ পরম্পরা রয়েছে। সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন, বালিতি বাওরার মতো ব্যক্তিত্ব গোয়ালিয়র সঙ্গীত ঘরানার মাত্রা সৃষ্টি করেছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, “আমরা খুব গর্বিত যে সঙ্গীত চর্চায় গোয়ালিয়র বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। এই শহর কিংবদন্তী সঙ্গীত শিল্পী তানসেন এবং বালিতি বাওরার জন্মভূমি। ভারতের প্রাচীন হিন্দুস্থানী সঙ্গীত চর্চার অন্যতম পীঠস্থান।”

    উল্লেখ্য, বিশ্বের ১০০টি দেশের ৩৫০টি শহরকে সৃজনশীল কারুশিল্প, লোকশিল্প, নকশা, চলচ্চিত্র, সাহিত্য, মিডিয়া আর্টস এবং সঙ্গীত বিষয়ে সম্মানিত করেছে ইউনেস্কো। আগামী ৫ জুলাই ২০২৪ সালে পর্তুগালের ব্রাগায় এক বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে উক্ত দেশগুলি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mirchi Baba Rape Case: ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করা ‘মির্চি বাবা’

    Mirchi Baba Rape Case: ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করা ‘মির্চি বাবা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে ভোপালের নিরঞ্জনী আখড়ার মহামণ্ডলেশ্বর (Mahamandaleshwar of the Panchayati Niranjani Akhara) তথা স্বামী বৈরাগ্যানন্দ গিরি (Swami Vairagyanand Giri) ওরফে  মির্চিবাবা (Godman Mirchi Baba)। এবার এই স্বঘোষিত গডম্যানকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রের। জানা গিয়েছে, সন্তান লাভের আশায় মির্চি বাবার শরণাপন্ন হয়েছিলেন এক মহিলা। কিন্তু সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই বাবাজি মহিলাকে ধর্ষণ (rape) করে। মহিলাটি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর গোয়ালিয়রের একটি হোটেল থেকে মির্চি বাবাকে গ্রেফতার করেছে ভোপাল ও গোয়ালিয়র পুলিশের যৌথ বাহিনী।

    আরও পড়ুন: ধর্ষণের অভিযোগ সোনিয়া গান্ধীর ব্যক্তিগত সচিবের বিরুদ্ধে! দাবি ওড়াল কংগ্রেস

    প্রসঙ্গত, মির্চি বাবাকে এর আগে ২০১৮ সালে বিধানসভা নির্বাচনের সময় ও ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের (Congress) হয়ে প্রচার করতেও দেখা গিয়েছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংয়ের (Digvijay Singh) জয়ের জন্য এক কুইন্টাল লঙ্কা দিয়ে হোমযজ্ঞ করে খবরের শিরোনামে এসেছিলেন স্বামী বৈরাগ্যানন্দ। সাধারণ মানুষ ও ভক্তদের কাছে তিনি মির্চি বাবা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন। এরপরেই এমন খবর উঠে আসায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: বিশ্বাস ভেঙেছে কাছের লোক, পাকিস্তানে গণধর্ষণের শিকার মাকিন ভ্লগার

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিয়ের চারবছর হয়ে গেলেও মা হতে পারছিলেন না মহিলা। সন্তান লাভের আশায় শেষমেশ স্বঘোষিত গডম্যান ‘মির্চি বাবা’র (Mirchi Baba) শরণাপন্ন হয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, ১৭ জুলাই মহিলা যখন মির্চি বাবার বাড়িতে যান তখন তাঁর খাবারে মাদকজাতীয় কিছু মিশিয়ে দেয় অভিযুক্ত। মহিলা পুলিশকে জানান, খাওয়ার পর তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। সন্তান লাভ তো দূর, উল্টে মির্চি বাবার হাতেই ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছে তাঁকে, এমনটাই অভিযোগ করেছেন তিনি।

    এরপরেই স্বামী বৈরাগ্যানন্দ ওরফে মির্চি বাবার বিরুদ্ধে সোমবার রাতে রাইসেনের বাসিন্দা ২৮ বছরের ওই তরুণী ভোপাল মহিলা থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। মির্চি বাবার বিরুদ্ধে ৩৭৬,৩৪২, ৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করে ভোপাল পুলিশ। অভিযোগ দায়েরের কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে মঙ্গলবার মধ্য রাতে গোয়ালিয়রের একটি হোটেলের বাইরে থেকে গ্রেফতার করে এবং মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে।

    এই ভণ্ড বাবাজি শুধুমাত্র মহিলাকে ধর্ষণই করেনি, মহিলা তাকে বাধা দিলে তাঁকে হুমকিও দেয় অভিযুক্ত। ফলে তার এই ঘৃণ্য অপরাধের জন্য আদালত মির্চি বাবার কী শাস্তি দেয়, সেটিই এখন দেখার।

LinkedIn
Share