Tag: Gyanvapi masjid

Gyanvapi masjid

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের তহখানায় পুজো চলবে, আদালতের রায়কে স্বাগত হিন্দু মহিলাদের

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের তহখানায় পুজো চলবে, আদালতের রায়কে স্বাগত হিন্দু মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) তহখানায় পুজো চালিয়ে যেতে পারবে হিন্দুপক্ষ। মুসলিম পক্ষের আর্জি খারিজ করে সোমবার জানিয়ে দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন হিন্দুপক্ষের আইনজীবী থেকে শুরু করে সনাতন ধর্মীরা। আনন্দিত জ্ঞানবাপী আন্দোলনের পাঁচ মহিলা। রায়কে স্বাগত জানিয়েছে সীতা সাহু ও মঞ্জু ব্যাস। তাঁদের দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদের এখানে হিন্দু মন্দির ছিল এটা ঐতিহাসিক সত্য। তাই আদালত সত্যের পথে রায় দিয়েছে।

    আদালতের রায়

    বারাণসী জেলা আদালত ইতিমধ্যেই জ্ঞানবাপীর (Gyanvapi Mosque) তহখানায় হিন্দুদের পুজো-আরতি করার অনুমতি দিয়েছে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মুসলিম পক্ষ। নিম্ন আদালতের নির্দেশের বিরুদ্ধে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় ‘অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া (জ্ঞানবাপী) মসজিদ কমিটি’৷ সোমবার ছিল মামলার শুনানি৷ বিচারপতি রোহিতরঞ্জন আগরওয়ালের একক বেঞ্চ জানায়, জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরের দক্ষিণ দিকে ‘ব্যাসজি কা তহখানা’য় হিন্দু পক্ষ পুজো, আরতি চালিয়ে যেতে পারবে৷ 

    কী এই ব্যসের তহখানা?

    জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) এই ব্যসজির তহখানা অর্থাৎ বেসমেন্টে পুজোর দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই চলছিল। হিন্দু পক্ষের দাবি, ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসের পর পুরোহিত ব্যসকে এই চত্বরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। ব্যারিকেড করে দেওয়া হয় এই বেসমেন্ট। সেখানে যা কিছু পুজার্চনা হত, সমস্ত রাতারাতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। হিন্দু পক্ষের দাবি, বংশ পরম্পরায় তাঁর পরিবার ব্রিটিশ আমল থেকে এখানে পুজো করতেন। মসজিদটির বেসমেন্টে চারটি “তেহখানা” রয়েছে। তাদের মধ্যে একটি এখনও ব্যাস পরিবারের দখলে আছে যারা সেখানে থাকতেন। ব্যাসজি কা তেহখানা মসজিদের ব্যারিকেডেড কমপ্লেক্সের দক্ষিণে অবস্থিত। এটি গর্ভগৃহের কাছে কাশী বিশ্বনাথ কমপ্লেক্সের ভিতরে নন্দী মূর্তির মুখোমুখি। এটি প্রায় ৭ ফুট লম্বা এবং প্রায় ৯০০ বর্গফুটের কার্পেট এলাকা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘জ্ঞানবাপীর তহখানায় চলবে পুজো’, মুসলিম পক্ষের আপত্তি নাকচ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    আবেদনকারী যা বলেছেন

    আবেদনকারী শৈলেন্দ্র পাঠক ব্যাসের মতে, ব্যাস পরিবার ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তেহখানার অভ্যন্তরে প্রার্থনা এবং অন্যান্য আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল, কিন্তু ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে এই প্রথা বন্ধ হয়ে যায়। পরিবারটি থাকার সময় থেকেই জায়গাটি “ব্যাসজি কি গদ্দি” নামে পরিচিত ছিল। সেখানে পূজা করার জন্য তহখানার ভেতরে জায়গা দেওয়া হয়। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী প্রভাস পাণ্ডে বলেন, ‘বারাণসী জেলা আদালতের বিচারকের রায়ে আপত্তি জানিয়ে মুসলিম পক্ষ যে আর্জি রেখেছিল তা এদিন বিচারপতি খারিজ করে দিয়েছেন। হিন্দুরা পুজো চালিয়ে যেতে পারবেন। জেলাশাসক যেমনভাবে জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) তহখানাতে পুজার্চনার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, তা চলবে। এটা সনাতন ধর্মের বড় জয়।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: ‘জ্ঞানবাপীর তহখানায় চলবে পুজো’, মুসলিম পক্ষের আপত্তি নাকচ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Gyanvapi Mosque: ‘জ্ঞানবাপীর তহখানায় চলবে পুজো’, মুসলিম পক্ষের আপত্তি নাকচ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) তহখানায় হিন্দুদের পুজো ও আরতি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। জ্ঞানবাপীর বেসমেন্টে পুজার্চনা শুরু হওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মুসলিম আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি। সোমবার এলাহাবাদ হাইকোর্ট মুসলিম পক্ষের আবেদন খারিজ করে দেয়। এলাহাবাদ হাইকোর্টে এদিন বারাণসী জেলা বিচারকের রায়ই বহাল রাখল।

    মসজিদের বেসমেন্টে পুজোর অনুমতি

    বারাণসী আদালত জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) ‘ব্যস তহখানায়’ পুজোর অনুমতি দিয়েছিল ৷ গত ১৭ জানুয়ারি বারাণসী জেলা আদালতের বিচারক জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘ব্যাস তেহখানার’ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কেয়ারটেকার নিযুক্ত করে ৷ আর ৩১ জানুয়ারি মসজিদের ওই অংশে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষকে পুজো করার অনুমতি দেয় ৷ সেই রায়ের বিরুদ্ধে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করেছিল মসজিদ কর্তৃপক্ষ ৷ সোমবার সেই আবেদনই খারিজ করে দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট ৷ 

    পুজোর পিছনে যুক্তি 

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্ট কীভাবে জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) বেসমেন্টে পুজো করার অনুমতি পায়, এই নিয়ে আপত্তি তুলেছিল মুসলিম পক্ষ। অঞ্জুমান ইন্তজামিয়া মসজিদ কমিটি বারাণসী আদালতের নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। কিন্তু, জেলা আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রথমে হাইকোর্টে যেতে বলে শীর্ষ আদালত। মসজিদ কমিটির দাবি, ওই প্রকোষ্ঠে কোনও বিগ্রহ নেই, এবং সেখানে কখনও পুজোপাঠ হয়নি। আচার্য বেদব্যাস পীঠ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত শৈলেন্দ্রকুমার পাঠকের আবেদন ছিল, ওখানে ব্যাস পরিবারের লোক পুজোপাঠ করতেন। ব্রিটিশ যুগেও ওখানে পুজো হতো।

    আরও পড়ুন: পরিচয় বদলে স্কুল শিক্ষক! কীভাবে জালে ২২ বছর ধরে ফেরার সিমি জঙ্গি নেতা?

    পুরাতত্ত্বের দাবি

    ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বা এএসআই তার বিস্তারিত রিপোর্টে জানিয়েছিল, জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) আগে সেখানে একটি হিন্দু মন্দির ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জেলা আদালত জ্ঞানবাপীর ভূগর্ভস্থ দক্ষিণ প্রকোষ্ঠে পুজোর অনুমতি দেয়। জেলাশাসককে দক্ষিণ প্রকোষ্ঠের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়ে একজন পুরোহিতের সেখানে চারবেলা আরতি ও পুজোপাঠের অনুমতি দেওয়া হয়।

    উচ্ছ্বসিত হিন্দুপক্ষ

    হিন্দু পক্ষের এই জয়ের পর আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈন বলেন, ‘আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়ার প্রথম আবেদনই খারিজ করে দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ১৭ এবং ৩১ জানুয়ারি বারাণসী জেলা আদালতের রায় বহাল রাখার কথা জানিয়েছে হাইকোর্ট। অর্থাৎ জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) ব্যস জি কা তহখানাতে পুজো চলবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath : ‘‘তাহলে মসজিদের ভিতর ত্রিশূল কেন?’’ জ্ঞানবাপী নিয়ে প্রশ্ন যোগীর

    Yogi Adityanath : ‘‘তাহলে মসজিদের ভিতর ত্রিশূল কেন?’’ জ্ঞানবাপী নিয়ে প্রশ্ন যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপীকে মসজিদ বলা ঠিক নয়। বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ নিয়ে মামলার মাঝেই বিতর্কিত মন্তব্য উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath controversial comment on Gyanvapi)। সোমবার তিনি বলেন, ‘জ্ঞানবাপী আদৌ কোনও মসজিদ নয়। মসজিদে কি ত্রিশূল থাকে, দেবতার মূর্তি থাকে? জ্ঞানবাপীতে সেগুলি কোথা থেকে এল? নিশ্চয়ই হিন্দুরা সেগুলি রাখেনি।’ তাঁর কথায়, ‘জ্ঞানবাপীকে মসজিদ বলাতেই যত বিবাদ।’

    যোগী আদিত্যনাথের দাবি

    জ্ঞানবাপীর কার্বন ডেটিং নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে যোগী বলেন, এটাকে মসজিদ বললে ভুল হবে। যদি মসজিদই হয়, তবে তার মধ্যে ত্রিশূল এবং শিবলিঙ্গ কী করে এল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। যোগী বলেন, জ্ঞানবাপীর দেওয়ালে রয়েছে হিন্দু দেবদেবীর ছবি। মসজিদের দাবি থেকে মুসলিম সম্প্রদায়কে পিছিয়ে আসার পরামর্শ দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন,‘বিবাদ মীমাংসায় সরকার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারে। তবে তার আগে মুসলিমপক্ষকে ঐতিহাসিক ভুলের কথা স্বীকার করতে হবে।’

    আরও পড়ুন: ‘লাভ জিহাদ’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ক্ষমা প্রার্থনা অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির

    ৩ অগাস্ট রায়দান

    প্রসঙ্গত, কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের একাংশ ভেঙে ঔরঙ্গজেব জ্ঞানবাপী মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন, বলে অভিযোগ বহু দিনের। ঘটনার নতুন মাত্রা পায় ২০২১ সালের অগস্ট মাসে। মসজিদ চত্বরে হিন্দু দেবদেবীর অস্তিত্ব এবং পুজো অর্চনার দাবি করে বারাণসী জেলা আদালতের দ্বারস্থ হন পাঁচ মহিলা। সেই সময় মসজিদের ভিডিয়ো রেকর্ডিংয়ের নির্দেশ দেয় আদালত। আর তার রিপোর্টে মসজিদ চত্বরে একটি অংশে শিবলিঙ্গ আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এরপর মসজিদের কার্বন ডেটিংয়ের দাবি করে বারাণসী আদালতের দ্বারস্থ হয় হিন্দু সংগঠনগুলি। এএসআই-কে দিয়ে সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সমীক্ষার সময় মসজিদের পরিকাঠামো ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করে মসজিদ কমিটি। সমীক্ষার উপর স্থগিতাদেশ জারি করতে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা। শুনানি শেষ হলেও, আগামী ৩ অগাস্ট রায়দান। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Case: শিবলিঙ্গের বয়স নির্ধারণ করতে হবে কার্বন ডেটিং পরীক্ষা! আবেদন গৃহীত আদালতে

    Gyanvapi Case: শিবলিঙ্গের বয়স নির্ধারণ করতে হবে কার্বন ডেটিং পরীক্ষা! আবেদন গৃহীত আদালতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীতে (Varanasi) কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের (Kashi Viswanath Temple) পাশেই অবস্থিত জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) শৃঙ্গার গৌরীস্থলে (Shringar Gauri) পূজার্চনার অনুমতি চেয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন পাঁচ হিন্দু মহিলা। বৃহস্পতিবার ওই মামলার শুনানি চলাকালীন হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন ওই মসজিদের ভিতরে ‘প্রাপ্ত শিবলিঙ্গের’ বয়স নির্ধারণের জন্য কার্বন ডেটিং (Carbon Dating) পরীক্ষার আবেদন জানান। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে। জেলা বিচারক অজয়কুমার বিশ্বেশ জানান, আগামী বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে মামলার শুনানি শুরু হবে।

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলায় হিন্দুপক্ষের আর্জি নিয়ে শুনানি শুরু
     
    মুসলিম আবেদনকারীরা মামলার পরবর্তী শুনানির আগে প্রস্তুতির জন্য ৪ সপ্তাহ সময় চেয়েছিল। ‘অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া (জ্ঞানবাপী) মসজিদ কমিটি’র সেই আবেদন আদালত খারিজ করে দেয়। আদালতের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় মামলার শুনানি চলতে থাকবে। আর অতিরিক্ত সময় দেওয়া যাবে না। আদালত আগেই জানিয়েছিল, জ্ঞানবাপী মসজিদটিকে মন্দিরে রুপান্তরিত করতে নয়, বরং সারা বছর বিতর্কিত সম্পত্তিতে পুজো করার অধিকার চেয়েছেন হিন্দু মহিলারা। ১৯৯১ সালের আইনের অধীনে উপাসনালয়গুলিকে ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট যেভাবে ছিল সেভাবেই রেখে দেওয়ার কথা বলা হয়। এর মধ্যে একমাত্র ব্যাতিক্রম ছিল বাবরি মসজিদ।  তাই যদি জ্ঞানবাপী মসজিদের নির্মাণে হাত না দেওয়া হয় তাহলে তা আইন ভাঙে না এমনই জানায় আদালত।

    আরও পড়ুন: মোহন ভাগবতকে ‘রাষ্ট্রপিতা’ আখ্যা ভারতীয় ইমাম সংগঠনের

    হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘আদালত নিযুক্ত সমীক্ষক দল জ্ঞানবাপীর ওজুখানার জলাধারে যে শিবলিঙ্গের অস্তিত্ব পেয়েছে, আমরা তার বয়স নির্ধারণের জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আবেদন জানিয়েছি।’’ বিচারক বিশ্বেশ সেই আবেদন গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন,‘‘১৯৯১ সালের ধর্মীয় উপাসনাস্থল রক্ষা (বিশেষ ব্যবস্থা) আইন অনুযায়ী ধর্মস্থানের চরিত্র বদল করা যায় না। কিন্তু ওই আইনে কোথাও বলা নেই, ধর্মস্থানের প্রকৃত চরিত্র নির্ধারণ করা যাবে না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gyanvapi Masjid: জ্ঞানবাপী মামলায় পূজার্চনার আবেদনের শুনানি চলবে, জানিয়ে দিল আদালত

    Gyanvapi Masjid: জ্ঞানবাপী মামলায় পূজার্চনার আবেদনের শুনানি চলবে, জানিয়ে দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী (Gyanvapi Masjid Row) চত্বরে হিন্দুপক্ষের পুজার অনুমতি চেয়ে মামলার শুনানির আর্জি মঞ্জুর করল বারাণসী (Varanasi) জেলা আদালত। ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে ‘মা শৃঙ্গার গৌরী’র পুজোর অনুমতি চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন পাঁচ হিন্দু মহিলা। এই মামলাটির যাতে শুনানিই না হয়, তার জন্যে পাল্টা আবেদন জানায় জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটি। মসজিত কমিটির সেই আবেদন খারিজ করে আদালত জানাল, এই মামলা শুনানিযোগ্য (Gyanvapi Masjid Verdict)। বিচারক জানান, এক্ষেত্রে ১৯৯১ সালের ধর্মরক্ষা আইন প্রযোজ্য নয়। 

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী মসজিদে পুজোর অনুমতি! আজ কী রায় দেবে আদালত?  

    ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে পাঁচ হিন্দু মহিলা দাবি করেন, জ্ঞানবাপী মসজিদে রয়েছে ‘শৃঙ্গার গৌরী’। যা আপাতত ওজুখানা ও তহখানা নামে পরিচিত। সেখানে পুজো-অর্চনার অধিকার চেয়ে মামলা করেন তাঁরা। মামলাকারীরা আরও দাবি করেন, মসজিদের পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে। এরপরেই বারাণসী দায়রা আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকরের নির্দেশে এই সংক্রান্ত একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। তারা মসজিদের ভিতরে তদন্ত চালায়। ভিডিওগ্রাফিও করা হয়। 

    মসজিদে ওজুখানায় শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি করেন মামলাকারীরা। শিবলিঙ্গের বয়স জানার জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আর্জি জানানো হয় দেশের শীর্ষ আদালতে। সেই আর্জি খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। ভিডিওগ্রাফি চ্যালেঞ্জ করে মামলা করে জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটি দাবি করে, ১৯৪৭ সালের পুজো-অর্চনা আইনে যে কোনও ধর্মীয়স্থানের পবিত্রতা রক্ষা করা উচিৎ। তা লঙ্ঘন করেছে ভিডিওগ্রাফির নির্দেশ। এই ধরনের আর্জি সাম্প্রদায়িক হিংসার কারণ হয়ে উঠতে পারে। মামলার গুরুত্ব বুঝে গত মে মাসে বারাণসীর নিম্ন আদালত থেকে মামলা জেলা আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।  

    আরও পড়ুন: নিম্ন আদালতের অবস্থান জেনেই রায় ঘোষণা, জ্ঞানবাপী মামলায় সুপ্রিম কোর্ট

    বারাণসী আদালতের নির্দেশ অনুসারে, মসজিদের ভিতর ভিডিয়োগ্রাফি করা শেষ হয়েছে। যদিও তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। আদালত নির্দেশ দেয় আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে এই মসজিদের কাঠামো পরীক্ষা করে দেখার।    

    জ্ঞানবাপী মামলায় রায়দানের পর উত্তেজনা ছড়াতে পারে এই ধারণা করে আগে থেকেই চূড়ান্ত সতর্কতা জারি হয়েছে ওই মসজিদ এলাকায়। বারাণসীর একাধিক জায়গায় জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। এমনকি, জেলার সীমান্ত এলাকা থেকে হোটেল এবং গেস্ট হাউসে কারা আসছেন এবং যাচ্ছেন সেদিকেও কড়া নজর রাখছে পুলিশ। নেটমাধ্যমে এ নিয়ে কোনও লেখালেখি হচ্ছে কি না সেদিকেও সজাগ প্রশাসন।    

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

        

  • Gyanvapi row: জ্ঞানবাপী মামলায় সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া বিচারককে হুমকি-চিঠি!

    Gyanvapi row: জ্ঞানবাপী মামলায় সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া বিচারককে হুমকি-চিঠি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার জ্ঞানবাপী (Gyanvapi) মামলায় ভিডিও সমীক্ষার (Videography survey) নির্দেশ দেওয়ায় বিচারককে হুমকি। রীতিমতো চিঠি দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে তাঁকে। চিঠির শেষে নাম রয়েছে ইসলামিক অঘজ মুভমেন্ট (Islamic aghaz movement) নামের এক সংগঠনের। ঘটনার জেরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে সিভিল জজ রবিকুমার দিবাকরের (ravi kumar diwakar)।

    বারাণসীর (Varanasi) জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি হয়েছে কাশী বিশ্বনাথের মন্দির (Kashi Viswanath Temple) ভেঙে। অন্তত হিন্দুত্ববাদীদের (Hindutva) দাবি এমনই। হিন্দুত্ববাদীদের একাংশের দাবি, মুঘল আমলে একাধিক মন্দির ভেঙে নির্মাণ করা হয়েছিল মসজিদ। হিন্দুদের একটি সংগঠন আবার দেশজুড়ে ১৮০০ ‘অবৈধ’ মসজিদের তালিকা তৈরি করেছে। তাদের দাবি, এই সব মসজিদ তৈরি হয়েছিল মন্দির ভেঙে, মুঘল আমলে।

    হিন্দুত্ববাদীদের একাংশের দাবি, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে বেশ কিছু মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরও ভাঙা হয়েছিল ঔরঙ্গজেবের (Aurangzeb) নির্দেশে। তার পরেই তৈরি হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ। পরবর্তীকালে বিশ্বনাথের মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করেছিলেন রানি অহল্যাবাই।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এখন যেখানে মসজিদ রয়েছে, সেখানেই যে এক সময় মন্দির ছিল, তার প্রমাণ নন্দীর মূর্তিও। বিশ্বনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষকে এই মূর্তিটি উপহার দিয়েছিলেন নেপালের রানা। সেই নন্দীর মুখ রয়েছে মসজিদের দিকে। হিন্দুদের দাবি, নন্দীর মুখ থাকে শিবলিঙ্গের দিকে। তাই মন্দির ভেঙেই মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল।

    মসজিদের পশ্চিম দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে বলেও দাবি হিন্দুত্ববাদীদের। এখানেই এক সময় শৃঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) পুজো হত বলে দাবি তাঁদের। তাই ফের পুজোর অধিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন পাঁচ হিন্দু মহিলা।

    এদিকে, আদালতের নির্দেশে মসজিদ চত্বরে ভিডিওগ্রাফি হয়। প্রকাশ্যে চলে আসে একটি ফুটেজ। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, এই ফুটেজে স্পষ্ট মসজিদের ওজুখানার জলাধারে রয়েছে শিবলিঙ্গ (Shivling)। তার পরেই ওই জলাধার সিল করে দেয় আদালত। পাঁচ ওয়াক্ত নমাজ পড়ার অধিকার দেওয়া হয় ধর্মপ্রাণ মুসলিমদেরও।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    চলতি বছরের ২০ মে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে চলে আসে বারাণসী জেলা আদালতে (Varanasi district court)। সেখানেই চলছে মামলার শুনানি। মসজিদে সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন সিভিল জজ রবিকুমার দিবাকর। তার পরেই তাঁকে দেওয়া হয় হুমকি চিঠি। চিঠি পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। বাড়ানো হয়েছে রবিকুমারের নিরাপত্তা।

    বারাণসীর পুলিশ কমিশনার এ সতীশ গণেশ বলেন, বারাণসীতে সিভিল জজ এবং লখনউতে তাঁর মায়ের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে ১৩ মে থেকে। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে জেলা জজেরও।

             

  • Hindu janajagruti samiti: ১৮৬২টি মন্দির ভেঙে বদলে দেওয়া হয়েছে মসজিদে! তালিকা প্রকাশ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের

    Hindu janajagruti samiti: ১৮৬২টি মন্দির ভেঙে বদলে দেওয়া হয়েছে মসজিদে! তালিকা প্রকাশ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ (gyanvapi mosque)-কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (kashi viswanath temple) বিতর্ক এখনও থিতু হয়নি। আগরা, মথুরা, দিল্লি, কর্নাটক সহ বিভিন্ন জায়গায় নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন মসজিদ নিয়ে। এই আবহে ১ হাজার ৮৬২টি মসজিদের তালিকা প্রকাশ করল হিন্দু জন জাগৃতি সমিতি (Hindu janajagruti samiti)  নামে একটি সংগঠন। তাদের দাবি, মন্দির ভেঙে ওই মসজিদগুলি গড়ে তোলা হয়েছিল। রবিবার ওই ‘অবৈধ’ মসজিদের (illegal mosque) তালিকা প্রকাশ করেছে তারা।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। এই অভিযোগ তুলে আদালতে মামলা করেছে একাধিক হিন্দু সংগঠন। তাদের দাবি, ষোড়শ শতকে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের নির্দেশেই মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। পরে রানি অহল্যবাই বিশ্বনাথের মন্দিরটি নতুন করে গড়ে দেন। সেই মন্দিরই রয়েছে আজও।

    ১৮০০ সালে মন্দির কর্তৃপক্ষকে একটি নন্দীর মূর্তি উপহার দেন নেপালের রাণা। সেই মূর্তিও আজও রয়েছে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, নন্দীর মুখ শিবের দিকেই থাকে। এই নন্দীর মুখও রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদের দিকে। তাই মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়েই যে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল, হিন্দুত্ববাদীরা সে ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত। মন্দির-মসজিদ এই বিতর্কের অবসানে মামলা গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত।

    আরও পড়ুন : শাহি ইদগাহ মসজিদ চত্বরে স্থিতাবস্থা চেয়ে আবেদন মথুরা আদালতে

    এই আবহে গোটা দেশে কতগুলি মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছে, তার একটি তালিকা প্রকাশ করল হিন্দু জন জাগৃতি সমিতি। সমিতির মতে, এই মসজিদগুলি ‘অবৈধ’। তালিকায় সব চেয়ে বেশি মসজিদ রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। সেখানে ২৯৯টি মন্দির ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে মসজিদ। এর পর কর্নাটক। সেখানে ‘অবৈধ’ মসজিদের সংখ্যা ১৯১, তামিলনাড়ুতে ১৭২, রাজস্থানে ১৭০, গুজরাতে ১৬৯, মধ্যপ্রদেশে ১৫০, মহারাষ্ট্রে ১৪৩, অন্ধ্রপ্রদেশে ১৪২।

    তালিকায় নাম রয়েছে পশ্চিমবঙ্গেরও। সেখানে ‘অবৈধ’ মসজিদ রয়েছে ১০১টি। আর বিহারে ৭৭টি। এই তালিকায় রয়েছে দিল্লির নামও। সেখানে ৭০টি মন্দির ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে মসজিদ। এর মধ্যে রয়েছে কুতুব মিনার, আলাউদ্দিন খিলজির মাকবাবা, সিকান্দর লোধির সুন্দর বুর্জ মাকবারা, খিড়কি মসজিদ এবং রাজিয়া সুলতানের মাকবারাও।

    আরও পড়ুন :মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করা দাসত্বের নিদর্শন, বলেছিলেন গান্ধীজি

    এই তালিকা প্রকাশের ঠিক একদিন আগেই সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশন জমা দেওয়া হয়েছে। ওই পিটিশনে ১০০ বছর বা তারও বেশি পুরনো মসজিদগুলি সার্ভে করার দাবি জানানো হয়েছে। সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ (সাংবিধানিক প্রতিকারের অধিকার) এর অধীনে দায়ের করা রিট পিটিশনে বিতর্কিত সম্পত্তি সুরক্ষিত রাখার নির্দেশিকা এবং নির্দেশনা জারির আবেদনও জানানো হয়েছে। পিটিশনে বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানার জলাধারের উল্লেখও করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ওই জলাধারে একটি শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে। সেখানে এতদিন লোকজন ওজু করত। আবেদনকারীদের মতে, এই ধরনের অভ্যাস হিন্দু ধর্ম অনুসরণকারী কোটি কোটি হিন্দুর পক্ষে সম্পূর্ণ অবমাননাকর।

     

  • Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    Gyanvapi Update: জ্ঞানবাপী মামলায় বাদী-বিবাদী দুপক্ষের হাতিয়ার ৮০ বছরের পুরনো মামলার রায়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মামলার (gyanvapi case) পরবর্তী শুনানি হবে ৪ জুলাই। বিচারপ্রার্থীরা তাঁদের দাবির স্বপক্ষে ৮০ বছরের পুরনো একটি মামলার রায়কে হাতিয়ার করছেন। ১৯৪২ সালে ওই রায়ে দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। বাদী ও বিবাদী— দু’পক্ষই তাদের নিজ নিজ যুক্তি সমর্থনে ওই রায়ের বিভিন্ন অংশকে তুলে ধরছেন।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) চত্বরের বাইরের দেওয়ালে শৃঙ্গার গৌরীর (Shringar Gauri) পুজোর অধিকার চেয়ে আদালতে আবেদন করেন পাঁচ হিন্দু মহিলা। তাঁদের দাবি, ১৯৩৭ সালে সাক্ষীদের বক্তব্য প্রমাণ করে যে বিতর্কিত প্রাঙ্গণে হিন্দু দেবতার মূর্তি পুজো করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন : “মামলা খারিজ করা হোক”, আদালতে আরজি জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটির

    জ্ঞানবাপী মসজিদটি পরিচালনা করে আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি (Anjuman Intezamia Masjid Committee)। এই কমিটি মহিলাদের দ্বারা দায়ের করা মামলার রক্ষণাবেক্ষণকে চ্যালেঞ্জ করেছে। তাদের যুক্তি, আদালত ঘোষণা করেছে যে মসজিদটি যে জমিতে গড়ে উঠেছে, সেটি ওয়াকফ সম্পত্তি। ‘রাখি সিং বনাম উত্তরপ্রদেশ’ দেওয়ানি মামলায় ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদে আদালত বলেছে যে মসজিদের সম্পত্তিটি ওয়াকফ সম্পত্তি নয়।

    মামলাকারীদের দাবি, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Viswanath Temple) ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের (Aurangzeb) নির্দেশেই ওই মন্দির ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছিল। যদিও মুসলিমপক্ষের দাবি, ওই জায়গায় মসজিদ ছিল অনেক আগে থেকেই।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের দেওয়ালে ত্রিশূলের চিহ্ন! প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ

    বর্তমান দেওয়ানি মামলায় আবেদনকারীরা ন’টি বিবৃতি তালিকাভুক্ত করেছেন। তারই একটি হল, ১৯৩৭ সালে দায়ের হওয়া “দীন মহম্মদ ও অন্যান্য বনাম সেক্রেটারি অফ স্টেট” মামলা। বর্তমান আবেদনকারীরা জানিয়েছেন, ১৯৩৭ সালে মামলার সাক্ষীরা প্রমাণ করেছেন যে মা শৃঙ্গার গৌরী, ভগবান গণেশ, ভগবান হনুমান এবং দৃশ্যমান ও অদৃশ্য দেবতার ছবি এবং প্রতিদিনের পুজোর অনুষ্ঠান হত একই জায়গায়।

    তাঁদের আরও যুক্তি, এই বিবৃতি মুসলিমদের পক্ষ থেকে চ্যালেঞ্জ করা হয়নি। কিন্তু, হাইকোর্ট ১৯৪২ সালের রায়ে বলেছিল, যে কিছু সাক্ষী শ্রদ্ধেয় ছিলেন অবশ্যই। কিন্তু, তাঁদের নির্দিষ্ট অভিপ্রায় ছিল। উপরন্তু, তাঁরা কোনও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেননি।

    অন্যদিকে, মুসলিম পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, সাক্ষীদের ব্যক্তিগত বক্তব্যের ওপর এখন নির্ভর করা যায় না। পাশাপাশি, তাদের আরও দাবি ছিল, মসজিদ চত্বরও যে জমিতে রয়েছে সেটিও ওয়াকফ সম্পত্তি। কিন্তু, হাইকোর্ট সেই যুক্তিও খারিজ করে দিয়েছিল।

    ১৯৪২ সালের ওই রায়ে উল্লেখ করা হয়েছিল, সিভিল জজ এই মসজিদের ইতিহাস ঘেঁটে দেখেছেন এবং এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে মসজিদটি একটি হিন্দু মন্দিরের জায়গায় নির্মিত হয়েছিল। যে মন্দির সপ্তদশ শতাব্দীতে ভেঙে দিয়েছিলেন সম্রাট ঔরঙ্গজেব। তাই মসজিদের উৎপত্তির প্রশ্নে যাওয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। 

  • Gyanvapi Mosque: ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, জ্ঞানবাপী মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Gyanvapi Mosque: ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, জ্ঞানবাপী মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) মামলায় ধাক্কা খেল আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি (Anjuman Intezamia Masjid Committee)। বারাণসী (Varanasi) দায়রা আদালতের নির্দেশে হওয়া সমীক্ষার (videography survey) কাজ রদ করতে এবং মামলাটি বারাণসী থেকে সরিয়ে নিতে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme court) আবেদন করেছিল মসজিদ কমিটি। 

    এদিন কোনও আবেদনই গ্রাহ্য করল না সুপ্রিম কোর্ট। একদিকে বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি  সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি পিএস নরসিমহাকে নিয়ে গঠিত তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ যেমন জানিয়ে দিল সমীক্ষার কাজ চলবে। তেমনই মামলা পাঠিয়ে দেওয়া হল বারাণসীর জেলা আদালতে। আবেদনকারী মসজিদ কমিটির দাবি ছিল, সমীক্ষার নির্দেশে ১৯৯১ সালে তৈরি উপাসনাস্থল আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই সমীক্ষার কাজ বন্ধ করা হোক। 

    আরও পড়ুন: মন্দির ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ! প্রমাণ মিলল ইতিহাসেও

    শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “এক মুহূর্তের জন্য মন্দির-মসজিদ বিবাদ দূরে সরিয়ে রেখে ভাবুন। ধর্মস্থলের মিশ্র চরিত্র নতুন কিছু নয়।” আদালত তার পর্যবেক্ষণে আরও বলে, “একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় কাঠামোর উপস্থিতি ধর্মীয়স্থলের চরিত্র পরিবর্তন করবে না। শুধুমাত্র নামাজের মাধ্যমে জ্ঞানবাপী মন্দিরকে মসজিদে পরিবর্তন করা হবে না। তাই এক্ষেত্রে সমীক্ষার নির্দেশ উক্ত আইনের আওতায় পড়বে না।

    আবেদনকারী চাইছিল, মামলা বারাণসী থেকে সরিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু, এদিন শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, বারাণসী দায়রা আদালত মসজিদ চত্বরে সমীক্ষার যে নির্দেশ দিয়েছে তাতে কোনওপ্রকার হস্তক্ষেপ করবে না তারা। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, সমীক্ষা করা যাবে কিন্তু কোনো রিপোর্ট ফাঁস করা যাবে না। 

    আরও পড়ুন: “ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে এখনই…”, জ্ঞানবাপী নিয়ে বড় মন্তব্য আরএসএসের

    এত দিন জ্ঞানবাপী মামলাটি ছিল বারাণসী দায়রা আদালতে। শুক্রবার জেলা আদালতকে মামলা হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘এমন স্পর্শকাতর মামলার শুনানির জন্য আরও অভিজ্ঞ ও সিনিয়র বিচারবিভাগীয় আধিকারিকের প্রয়োজন।’’ একইসঙ্গে বেঞ্চ জানিয়েছে, আপাতত সিল থাকবে মসজিদের ওজুখানা। তবে নমাজপাঠ করতে যাঁরা আসবেন, তাঁদের জন্য অন্য ব্যবস্থা করে দিত হবে। 

    ইতিহাস সাক্ষী আছে, অযোধ্যা মামলাও (Ayodhya case) নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালত হয়ে শীর্ষ আদালত পর্যন্ত পৌঁছেছিল। বিষয়টির নিষ্পত্তি হতে সময় লেগেছিল বেশ কয়েক দশক। এখন জ্ঞানবাপী মসজিদের ক্ষেত্রে তারই পুনরাবৃত্তি ঘটে কি না সেটাই দেখার।

    আরও পড়ুন: কুতুব মিনার বানিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য! দাবি প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিক আধিকারিকের

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানার জলাধার সুরক্ষিত করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানার জলাধার সুরক্ষিত করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশীর জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) ওজুখানার জলাধারে  নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে জেলাশাসককে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (supreme court)। ওই জলাধারে শিবলিঙ্গ (Shivling) মিলেছে বলে দাবি। সেই কারণেই জলাধারে নিরাপত্তার ব্যবস্থার নির্দেশ।

    উত্তর প্রদেশ (Uttar Pradesh)  সরকারের পক্ষে এদিন সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবি জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta)। তিনি বলেন, বেঞ্চ উজুখানা এলাকাটি সিল করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেখানে শিবলিঙ্গ রয়েছে। তুষার বলেন, যদি ওই জলাধারে মুসলমানদের অজু করার অনুমতি দেওয়া হয়, তাহলে হাত-পা-মুখ ধোয়া হবে। কেউ শিবলিঙ্গে পা রাখতেই পারেন। তাতে আইন-শৃঙ্খলার গুরুতর সমস্যা হবে। মসজিদের অন্য কোনও এলাকায় অবশ্য অজু করা যেতে পারে।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kasi Viswanath Temple) লাগোয়া জমিতেই রয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ। হিন্দুদের কয়েকটি গোষ্ঠীর দাবি, বিশ্বনাথের মন্দির ভেঙেই ঔরঙ্গজেবের রাজত্বে গড়ে তোলা হয়েছিল মসজিদ। মসজিদের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তিও রয়েছে বলে দাবি একটি সম্প্রদায়ের। হিন্দুদের একাংশের দাবি, পরে রানি অহল্যাবাই বর্তমান মন্দিরটি স্থাপন করেন। হিন্দু সংগঠনের এও দাবি, যেখানে এখন মসজিদ রয়েছে, সেখানে এক সময় ছিল শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হয় হিন্দুদের কয়েকটি সংগঠন।

    মন্দির-মসজিদ বিবাদের(mosque temple controvercy) নিষ্পত্তি করতে মসজিদে ভিডিওগ্রাফি করার নির্দেশ দেওয়া হয় আদালত নিযুক্ত বিশেষ কমিশনকে। ভিডিওগ্রাফি চলাকালীন একটি পক্ষের দাবি, ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গ মিলেছে। হিন্দুদের একটি সংগঠনের দাবি, ওই ওজুখানা ও সংলগ্ন এলাকা আদতে শৃঙ্গার গৌরীর মন্দির। এর পরেই ওজুখানার কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। বারাণসীর জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনারের পাশাপাশি সিআরপিএফের একজন কমান্ডান্ট(সুপার) স্তরের আধিকারিককে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না।

    আরও পড়ুন : অ্যাডভোকেট কমিশনারকে সরাল সুপ্রিম কোর্ট, রিপোর্ট জমা করতে দু’দিন সময় কমিশনকে

    তবে বিচারক চন্দ্রচূড় ও নরসিমার বেঞ্চ জানায়, ওজুখানার জলাধার ব্যবহার করা না গেলেও, নমাজ পড়ায় কোনও বাধা নেই। মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা নির্দিষ্ট সময়েই গিয়ে নমাজ পড়তে পারবেন। অন্যান্য ধর্মীয় রীতিও পালন করতে পারবেন তাঁরা।

    হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে দাবি করলেও, মসজিদ কমিটির দাবি, জলাধারে(pond) রয়েছে পুরানো একটি ফোয়ারা। তবে যাই হোক না কেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ওই ওজুখানার ওই জলাধারে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে।

     

LinkedIn
Share